Green Life International BD Shop
পন্য অর্ডার করতে কল দিন ০১৯৮৭৫০৯২৪৯
� আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য
10/12/2021
-----------বাসক-------------
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে খুবই মূল্যবান এক গাছ হল এই বাসক। সর্দি কাশি উপশমে এর যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী এখনও নেই।
বসতবাড়ির আশেপাশে সমতল আদ্র মাটিতে সহজেই জন্মে বলে আগে প্রচুর দেখা যেত এই গাছ। বাসকের পাতা, ফুল, শেকড় বিভিন্ন রোগ প্রতিকার আর প্রতিরোধে ব্যবহার হয়।
সর্দি কাশির কথা তো শুরুতেই বললাম। প্রচুর কফ আর হাঁপানির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বাসকের পাতা খুবই কার্যকর। বাসকের ফুলের শরবত কমায় প্রসবের যন্ত্রণা। তাছাড়া দাঁতের ব্যথা, দাঁদ, জন্ডিস এসব সমস্যায়ও কার্যকর বাসক পাতা। এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা থাকায় এই পাতা দিয়ে বানানো চা রক্ত পরিষ্কার রাখতে ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
চমৎকার একটি তথ্য দেই৷ যদি ঘামের দূর্গন্ধ নিয়ে টেনশনে থাকেন, তাহলে বাসক পাতা ব্যবহার করে দেখুন ম্যাজিক! দাদাদের আমলে পানি পরিষ্কার করতে বাসক পাতা ব্যবহার হত।
আর চমকপ্রদ তথ্যটি হল বাসক পাতা দিয়ে হলুদ রং তৈরী করা যায়। যা একেবারে স্বাস্থ্যকর।
তার আশেপাশে কোথাও এ উপকারী গাছটি পেলে দয়া করে নষ্ট করবেন না। পারলে একটু যত্ন করুন।
10/12/2021
---------থানকুনি-------------
কয়েন প্লান্ট আবার ভেবে বসবেন না। কোন যত্ন ছাড়াই পুকুরের পাড়, মাঠ, পথের ধার, ক্ষেতের আইল, পতিত জমিতে বেড়ে ওঠা এক চমৎকার দেখতে গাছ হল থানকুনি। অনেকে একে টাকা/টেকা/টেহা/টিয়া পাতা বলে। কয়েন প্লান্ট নামে যে ইন্ডোর প্লান্ট পাওয়া যায়, তা আর থানকুনি একই প্রজাতির হলেও একই গাছ নয়। প্রকরণ ভিন্ন।
আমাশয়ের জন্য থানকুনি পাতার রস একেবারে মহৌষধ। তাছাড়া রক্তপড়া বন্ধে ও কাটাস্থানে ইনফেকশন দূরে এর পাতার রস কার্যকর। থানকুনির রস রক্ত পরিষ্কার রেখে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে কার্যকর। এর মাধ্যমে শরীরের জ্বালাপোড়াও দূর করে। আরো চমৎকার এক ব্যাপার হল থানকুনি কিন্তু ব্রেনের কর্মক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। মানসিক অবসাদ কমায়। এ ছাড়াও আরো চমৎকার কিছু ভেষজ গুণাবলী আছে থানকুনির।
থানকুনির ভর্তা ভাতের সাথে বেশ সুস্বাদু। আর এর মৌও রেধে খাওয়া হয়। যা হজমশক্তি বাড়ায়।
*থানকুনির কোন রেসিপি জানা থাকলে কমেন্টে তা সম্পর্কে লিখুন 😊
10/12/2021
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধির উপায়।
আমাদের ত্বক নানা কারণে উজ্জ্বলতা হারায়। এই যে পুজোর সময় আপনি যেমন ইচ্ছে তেমন খেয়েছেন, মোটেই ব্যায়াম করেননি বরং বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে দেদার আড্ডা মেরে সময় কাটিয়েছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওয়েব সিরিজ় দেখেছেন বা দিনের বেলায় পাড়ার প্যান্ডেলে বসে গুলতানি করেছেন তার সব কিছুর প্রভাবই ত্বকের উপর পড়েছে। ফলে আপনার স্বাভাবিক রং হারিয়েছে জেল্লা, তার উপর উৎসবের মরশুমে ঘাটতি পড়ে ঘুমেও। মনে রাখবেন, ঘুম কম হলেই কিন্তু আপনার ত্বক ঔজ্জ্বল্য হারাতে বাধ্য। সেই সঙ্গে বাতাসের দূষণের প্রভাব তো আছেই! বাজারচলতি ক্রিম বা মহার্ঘ্য ফেশিয়াল ট্রাই করে দেখতেই পারেন, তবে তার চেয়ে কোনও অংশেই পিছিয়ে থাকবে না পরিচিত ঘরোয়া সমাধানগুলি। ঘরোয়া টোটকায় তো আর ক্ষতিকারক রায়াসনিক থাকে না, তা কোমলভাবে আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করে তোলে। তবে এগুলি ট্রাই করার পাশাপাশি প্রতিদিন সুষম খাবার খাওয়ার ব্যাপারে যত্নশীল হয়ে উঠতে হবে, খাদ্যতালিকায় যেন প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেলের অভাব না থাকে তা দেখতে হবে। দূরে থাকুন অতিরিক্ত তেল-মশলা থেকে। সেই সঙ্গে যথেষ্ট বিশ্রাম প্রয়োজন। পাশাপাশি চেষ্টা করুন সারাক্ষণ অ্যাকটিভ থাকার। সকালবেলা আধ ঘণ্টা ব্যায়াম করার পর যদি সারাক্ষণ একটি চেয়ারে ঠায় বসে থাকেন, তা হলে কিন্তু আপনার ত্বকও মুষড়েই থাকবে। হাঁটাচলা করতে হবে সারাদিন – অফিসেও নিজের চা বা জলখাবার নিজে আনুন, জলের বোতল ভরার জন্য সিট ছেড়ে উঠুন।
এর পাশাপাশি তিনটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিন। প্রথমটি এক্সফোলিয়েশন। নিয়ম করে ব্যবহার করুন প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েটর – তাতে ত্বকের উপর মরা কোষের পরত জমতে পারবে না ও ত্বক ঝলমল করবে। দ্বিতীয়ত, অতি অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন দিনের বেলায়। যাঁরা অফিসে কাচের জানলার পাশে বসেন, তাঁরাও দিনের আলো থাকাকালীন বেশ কয়েকবার সানস্ক্রিন লাগান। রোদের প্রভাবে যেন আপনার স্বাভাবিক জেল্লা না হারায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনারই। সেই সঙ্গে প্রচুর জল খেতে হবে। ত্বক আর্দ্র থাকলে চট করে বলিরেখা পড়বে না, থাকবে টানটান। ত্বকের ইলাস্টিসিটি কমতে আরম্ভ করলেই তার জেল্লা হারাতে আরম্ভ করে।
শসা: ত্বকের যে কোনও প্রদাহ কমাতে শসার ব্যবহার বহুল প্রচলিত। সেই সঙ্গে চোখের কোলের কালি তাড়াতেও শসার রস কার্যকর বলে মনে হয় অনেকের। শসার রস ব্যবহার করুন প্যাকে, সরাসরিও লাগাতে পারেন।
10/12/2021
#ভিটামিন বি এর উৎস কি কি?
ভিটামিন বি আমাদের শরীরের জন্য অতন্ত্য জরুরী। কোন খাবারে ভিটামিন বি থাকে সেইটাও জেনে নেওয়া উচিত আমাদের। মাছ,মুরগির মাংস, পাঠার মাংস, গম ইত্যাদি খাবারের মধ্যে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি ১ এবং ভিটামিন বি ২ থাকে।
06/12/2021
////// গোক্ষুর গাছের উপকারিতা ///////
জেনে নিন এই গাছ কি কি রোগের চিকিৎসা হয়
গোক্ষুর ভূমি প্রসারণী গুল্ম জাতীয় লতা। গাছের মূল থেকে ৪-৫টি শাখা বের হয়ে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এ গাছের ফল সামান্য চেপ্টা; গোলাকার পাঁচটি কোণবিশিষ্ট। ফলের দু-সারি কাঁটা দিয়ে ঘেরা এবং কাঁটাগুলো ছোট, বড়, শক্ত ও তীক্ষ্ম। বীজকোষে অনেক বীজ থাকে এবং বীজের খোসা খুব শক্ত। গোক্ষুরের শিকড়, গাছ, ফল ও বীজ ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রাচীনকাল থেকেই। এটির ইংরেজি নাম Small Caltrops Fructus, বোটানিক্যাল নাম Tribulus terrestris Linn এবং ফ্যামিলি Zygophyllaceae.
উপকারিতা :
১- গোক্ষুর প্রস্রাব গতি ঠিক রাখা ও কিডনির পাথর অপসারণে উপকারী। ২-এটি বলকারক, কামোদ্দীপক, গনোরিয়া ও সিফিলিস রোগে বিশেষভাবে উপকারী।
৩- হৃদরোগ, শ্বাসকষ্ট এবং স্নায়বিক দুর্বলতায় ব্যবহৃত হয়। পাথুরী রোগ এবং মূত্রাশয়ের উগ্রতায় গোক্ষুরের ক্বাথ উপকারী।
৪-এছাড়া স্বপ্নদোষ, ধাতু দুর্বলতা, অসময়ে বীর্যপাত ও ধ্বজভঙ্গ রোগে নিরাময়ে কার্যকর।
৫- গোক্ষুর পাতার রস কিডনির দুর্বলতা, কিডনি ফোলা, ব্যথা ও প্রসাবের জ্বালাপোড়া নিবারণ করে।
নিওমঃ
গোক্ষুরসহ অন্যান্য উপাদানের সমন্বয়ে ওষুধ তৈরির নিয়ম : গোক্ষুর, খোরমা, পেস্তা, আখরোট, চিলগোজা, ছালের মিছরি, দারুচিনি, শুষ্ঠ, খুলঞ্জান, জাফরান, লাল গাজর, ঘি ও দুধ একত্র করে ওষুধ তৈরি করা যায়।
06/12/2021
রং চা এর উপকারিতাঃ
চা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চায়ে উপস্থিত পলিফেনলসের পরিমাণ ২৫% এরও বেশি যা দেহের অভ্যন্তরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। চায়ে ৭% থিওফাইলিন ও থিওব্রোমিন রয়েছে যা শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানির জন্য অনেক উপকারী। চা এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হলেও এতে রয়েছে ক্যাফেইন নামক উত্তেজক পদার্থ।যা আপনাকে ক্লান্তি দূর করবে এবং সতেজতা রাখবে।
06/12/2021
কুরআনে যেসকল ফল ও উদ্ভিদের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
১. আল ইনাবু : আঙুর ফল। ‘এবং আঙুর ও শাকসবজি।’ (সূরা আবাসা ৮০ : ২৮)।
২. আর রুম্মান : আনার। ‘সেখানে রয়েছে ফলমূল; খেজুর ও আনার।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ৬৮)।
৩. আত তিন : ডুমুর (ফল বা গাছ)। ‘ডুমুর ও জলপাই (বা তার গাছের) এর শপথ।’ (সূরা তিন ৯৫ : ১)।
৪. আন নাখিল : খেজুর গাছ। ‘এবং শস্যক্ষেত ও দুর্বল এবং ঘন গোছাবিশিষ্ট খেজুর বাগানে।’ (সূরা শুয়ারা ২৬ : ১৪৮)।
৫. আজ-জারউ : বীজ, চারা, শস্য বা শস্যক্ষেত। ‘মহান আল্লাহ, যিনি সৃষ্টি করেছেন নানা ধরনের বাগান। যার কিছু মাচার ওপর বিছানো থাকে (কা-হীন) এবং কিছু মাচার ওপর বিছানো থাকে না (কা-বিশিষ্ট) এবং যিনি সৃষ্টি করেছের খেজুর গাছ ও বিভিন্ন স্বাদের খাদ্যশস্য।’ (সূরা আনআম ৬ : ১৪১)।
৬. আর রাতাবু : তাজা ও পাকা খেজুর। ‘তুমি খেজুর গাছের কা- ধরে নাড়া দাও। তোমার ওপর তা ফেলবে পাকা তাজা খেজুর।’ (সূরা মরিয়াম ১৯ : ২৫)।
৭. আল ফাকিহাতু : যে কোনো ফল। ‘তাতে রয়েছে ফলমূল ও খোসায় ঢাকা খেজুর।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ১১)।
৮. আজ জায়তুন : জলপাই। ‘ডুমুর ও জলপাই (বা তার গাছের) এর শপথ।’ (সূরা তিন ৯৫ : ১)।
৯. আস সামারু : যে কোনো ফল। ‘খেজুর ও আঙুর ফলগুলো। তা থেকে তোমরা গ্রহণ করো নেশাদ্রব্য ও উত্তম রিজিক।’ (সূরা নাহল ১৬ : ৬৭)।
১০. আস সিদরু : কুল বা বরই গাছ। ‘কাঁটাবিহীন বরই গাছ তলায়।’ (সূরা ওয়াকিয়া ৫৬ : ২৮)।
১১. আল আসলু : ঝাউ গাছ। ‘আমি তাদের বাগান দুইটিকে এমন দুই বাগানে পরিবর্তন করলাম, যেখানে রইল কিছু বিস্বাদ ফল, ঝাউ গাছ ও কুল গাছ।’ (সূরা সাবা ৩৪ : ১৬)।
১২. আল খামতু : তেঁতো ও বিস্বাদ খাবার বা আরবি ভাষায় ‘আরাক’ নামক বিশেষ লতা গাছ। ‘আমি তাদের বাগান দুইটিকে এমন দুই বাগানে পরিবর্তন করলাম, যেখানে রইল কিছু বিস্বাদ ফল, ঝাউ গাছ ও কুল গাছ।’ (সূরা সাবা ৩৪ : ১৬)।
১৩. আল আব্বু : পশুখাদ্য। গৃহপালিত ও বন্যপশু যে ফল খায়। ‘তাতে উৎপন্ন করেছি ফলমূল ও ঘাস।’ (সূরা আবাসা ৮০ : ৩১)।
১৪. আল কিসসাউ : শসা। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।
১৫. আল ফুমু : মটরকলাই বা গম। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।
১৬. আল বাকলু : সবজি বা যে কোনো উদ্ভিদ। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।
১৭. আল আদাসু : ডাল। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্যÑ তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।
১৮. আল বাসালু : পেঁয়াজ। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।
১৯. আল হাব্বু : শস্যদানা বা বীজ। ‘নিশ্চয় আল্লাহ বীজ ও আঁটিকে অঙ্কুরিত করেন।’ (সূরা আনআম ৬ : ৯৫)।
২০. আস সানাবিলু : শিষ বা মুকুল। ‘যারা আল্লাহর পথে ব্যয় করে তাদের দৃষ্টান্ত হলো বীজের মতো, যা থেকে সাতটি শিষ বের হয় এবং প্রত্যেক শিষে থাকে ১০০ বীজ।’ (সূরা বাকারা ২ : ২৬১)।
২১. আন নাবাতু : উদ্ভিদ। ‘যেন আমি তা (পানি) দিয়ে উৎপন্ন করি শস্যদানা ও উদ্ভিদ।’ (সূরা নাবা ৭৮: ১৫)।
২২. আর রায়হানু : পুদিনা জাতীয় এক ধরনের গুল্ম ও ধনিয়া পাতা বা যে কোনো সুগন্ধ গুল্ম। ‘আরও রয়েছে ভূষিযুক্ত শস্যদানা ও সুগন্ধি ফল।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ১২)।
২৩. আজ জানজাবিলু : আদা বা এক ধরনের মূল্যবান সুগন্ধি। ‘তারা সেখানে এমন শূরা পান করবে, যাতে মেশানো থাকবে জানজাবিল’। (সূরা দাহর ৭৬: ১৭)।
২৪. আল কাফুরু : কর্পূর। ‘নিশ্চয় সৎ মানুষ জান্নাতে এমন পাত্রে পান করবে, যাতে মেশানো থাকবে কর্পূর।’ (সূরা দাহর ৭৬ : ৫)।
২৫. আজ জাক্কুমু : কাঁটাযুক্ত গাছ বা ক্যাকটাস। ‘আপ্যায়নের জন্য এটাই উত্তম না কাঁটাযুক্ত গাছ?’ (সূরা সাফফাত ৩৭ : ৬২)।
২৬. আন নাজমু : ঘাস বা এমন গাছ, যার ডাল হয় না। ‘লতাপাতা ও বৃক্ষরাজি তাঁকে সিজদা করে।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ৬)।
২৭. আস সাজারু : ডালবিশিষ্ট গাছ। ‘লতাপাতা ও বৃক্ষরাজি তাঁকে সিজদা করে।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ৬)।
২৮. আল কিনওয়ানু : খেঁজুরের কাঁদি। ‘এবং খেজুর গাছ, যার শীর্ষদেশ কাঁদির ভারে নুয়ে থাকে।’ (সূরা আনআম ৬ : ৯৯)।
২৯. আত তালউ : খেঁজুর গাছের শিষ। ‘এবং খেজুর গাছ, যার শীর্ষদেশ কাঁদির ভারে নুয়ে থাকে।’ (সূরা আনআম ৬ : ৯৯)।
সুবহানআল্লাহ্ সৃষ্টি জগৎ কতইনা বৈচিত্র্যময়।
04/12/2021
হাতিশুঁড়
অবহেলায় বেড়ে ওঠা এক অত্যন্ত সুন্দর ফুল হল এই হাতিশুঁড়। সুন্দর এ গাছকে কেও যত্ন করে টবে না লাগালেও এর ভেষজ গুণ আছে বহু।
গাছটির পাতা, শেকড়, ফুল সব কিছুরই ভেষজ গুণ আছে। বিভিন্ন চর্মরোগ, বিশেষ করে ছত্রাকজনিত চর্মরোগে এর বহুল ব্যবহার আছে। তাছাড়া সর্দিতেও হাতিশুঁড়ের রস অব্যর্থ। ভেষজ চিকিৎসকরা বহু আগে থেকেই একজিমা সারাতে হাতিশুঁড় ব্যবহার করে আসছেন।
এছাড়া মাড়ি ফোলা থেকে শুরু করে দেহের যেকোনো প্রদাহজনিত ফোলা কমাতে এর পাতার রস কার্যকর। বিষাক্ত পোকামাকড়ের কামড়, জ্বর, বাত, ব্রণ, যেকোনো কাটাছেঁড়াসহ আরো বেশ কিছু সমস্যায় এই হাতিশুঁড় ব্যবহৃত হচ্ছে।
অতএব বলা যায়,
04/12/2021
গাজরে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন এ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি। গাজর স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী একটি সবজি। গাজর আমরা রান্নায় ব্যবহার করি, হালুয়া করে খাই বা সালাদে ব্যবহার করি। তবে সহজ হয় একেবারে গাজরের জুস করে খেলে। এতে রান্নার ঝক্কি ঝামেলা এড়িয়ে সহজেই এর পুষ্টিগুলো পাওয়া যায়। তবে সেটা হতে হবে তরতাজা গাজরের জুস। কোনো কৃত্রিম জুস নয়। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে গাজরের জুসের কিছু উপকারিতা।
ভিটামিন এ
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে ভিটামিন এ। গাজরের মধ্যে রয়েছে বেটা কেরোটিন। যেটা ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হয়। ভিটামিন এ এর ঘাটতি হলে রাতকানা রোগ হয়। তাই চোখ ভালো রাখতে ‘ভিটামিন এ’-সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি। আর নিয়মিত এক গ্লাস গাজরের জুস খাওয়া আপনাকে ভিটামিন এ-র চাহিদা পূরণে অনেকটাই সাহায্য করবে।
অ্যান্টি অক্সিডেন্ট
গাজরের মধ্যে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। এটি ফ্রি র্যাডিকেলসের সঙ্গে লড়াই করে। ভালো স্বাস্থ্যের জন্য অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। এটি ক্যানসার এবং হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
ক্যানসার প্রতিরোধে
অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এটি ক্যানসার প্রতিরোধ করে। গবেষণায় বলা হয়, ১০০ গ্রাম গাজরের মধ্যে থাকে ৩৩ শতাংশ ভিটামিন এ, ৯ শতাংশ ভিটামিন সি এবং ৫ শতাংশ ভিটামিন বি ৬। এই উপাদানগুলো ফ্রি রেডিকেলসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
গাজরের জুসের মধ্যে যেহেতু গাজরের উপাদানগুলো বিদ্যমান, তাই গাজরের জুস রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করে এবং প্রদাহ প্রতিরোধ করে। গাজরের জুসে থাকে অনেক ধরনের ভিটামিন এবং মিনারেল যেমন বি৬, কে, পটাশিয়াম, ফসফরাস ইত্যাদি। এগুলো হাড়ের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে, স্নায়ু পদ্ধতিকে ভালো রাখে এবং মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ায়।
হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে
হৃৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে কায়িক শ্রম করা, পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমানো, মানসিক চাপ কমানো প্রয়োজন। এর পাশাপাশি গাজরের জুস খাদ্যতালিকায় রাখলেও আপনি ভালো উপকার পাবেন। গাজরের মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং আশ, এক সঙ্গে হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্ত চলাচলকেও ভালো রাখে।
উজ্জ্বল ত্বক
গাজরের মধ্যে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং প্রয়োজনীয় মিনারেল বিশেষ করে পটাশিয়াম কোষের ক্ষয় প্রতিরোধ করে। এটি ত্বকের শুষ্কভাব প্রতিরোধ করে। ত্বকের টোন ভালো করে, ক্ষত সারাতে সাহায্য করে।
কোলেস্টেরল ও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে
গাজরের জুস ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে বেশ উপকারী। এটি রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি বাইল সিক্রেয়েশন বাড়ায় যা চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Pahartoli
Chittagong
