Organic Food BD
Welcome to Organic Food bd, not business, service is our main goal, stay with us to get something good.
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াটা অনেক বেশি জরুরি। ভিটামিন ডি আমাদের হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য অনেক জরুরি। হাড়ের গঠনের জন্য প্রয়োজন ক্যালসিয়াম, আর এই ক্যালসিয়ামকে শরীরের জন্য উপযোগী করে ভিটামিন ডি।
এছাড়া, ভিটামিন ডি প্রোটিন তৈরিতেও সহায়তা করে। পৃথিবীতে ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ ভিটামিন ডি জনিত সমস্যায় ভুগছে। বাংলাদেশের মানুষেরাও বর্তমানে ভিটামিন ডি জনিত সমস্যা অনেক বেশি ভুগছে। যেমন, হাড় ক্ষয়, শিশুদের হাড় বেকে যাওয়া, মাথার খুলি বড় হয়ে যাওয়া, শরীরের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যাওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া ইত্যাদি।
কোন কোন খাবারে ভিটামিন ডি আছে?
কোন কোন খাবারে ভিটামিন ডি আছে এটা জানার আগে, সবার জেনে রাখা ভাল, খাবার ছাড়াও সূর্যের আলো ভিটামিন ডি এর অন্যতম প্রধান উৎস। কেননা, ৮০% ভিটামিন ডি আসে সূর্য থেকে। গবেষণায় দেখা গেলে সকাল থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত রোদে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। রোদে খুব বেশি সময় থাকা জরুরি নয় বরং সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট থাকলেই যথেষ্ট। সাধারণত, সানস্ক্রিন মেখে, পোশাকের মধ্যে কিংবা কাচের দেয়ালের মাধ্যমে ভিটামিন ডি পৌছাতে পারে না। তাই, নিয়ম করে একটি নির্দিষ্ট সময় শরীরে রোদের আলো দিন। এবার আসুন জানি,
ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার কি কি:
সামুদ্রিক, তৈলাক্ত এবং চর্বিযুক্ত মাছ
ডিমের কুসুম
মাশরুম
কমলার জুস
দুধ
ওটমিল
গরুর কলিজা
পনির, মাখন, ছানা, দই
গম, রাগী, বার্লি
বাদাম
ওজন কমাতে গরম জলে লেবু-মধু পান করবেন কি?
মধু এবং লেবু জল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি এর একটি ভাল উৎস, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং স্বাস্থ্য বজায় রাখতে পারে। কিন্তু ওজন কমানোর জন্য বা চর্বি পোড়ানোর জন্য এটি খাওয়া কোন কাজে আসবে না। সহজ কথায়, কোনো ডিটক্স ড্রিংক, ডিটক্স ওয়াটার বা কোনো জাদুকরী ভেষজ পানীয় সরাসরি আপনার ওজন কমাতে পারে না।
আপনি যদি ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে গরম জলে লেবু-মধু মিশিয়ে পান করেন, তাহলে আমরা তা না করার পরামর্শ দিই। কারণ ওজন কমানোর সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আপনি যদি মধু লেবুর জলের অন্যান্য স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য এটিকে আপনার ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করতে চান তবে অবশ্যই এটি গ্রহণ করুন। ওজন কমাতে হলে ক্যালরির ঘাটতি থাকতে হয়, শারীরিক পরিশ্রম বাড়াতে হয়, জমে থাকা চর্বি কমাতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। তাহলে ওজন কমানো যাবে।
মধুর সঙ্গে লেবু জল পানের উপকারিতা (Benefits of Honey Lemon Water)
লেবু ফাইবার, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, পেকটিন এবং সাইট্রিক অ্যাসিডের মতো খনিজগুলির মতো পুষ্টির একটি পাওয়ার হাউস। সকালে উঠে জল পান করা ভাল বলে মনে করা হয় কারণ আপনার শরীর সারা রাত নিজেকে নিরাময় করতে কাজ করে। এখন সকালে ঘুম থেকে উঠে মধু, লেবু জলের সঙ্গে খেলে হজমশক্তি ও সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
প্রতিদিন লেবু জল পান শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে পারে। একই সময়ে, লেবু শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতেও সাহায্য করতে পারে।
ঘুমানোর সঠিক নিয়ম
আবার কোনো কোনো গবেষক বলেন, বাম দিকে ফিরে ঘুমালে স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এটিই ঘুমানোর সঠিক পন্থা। বাম দিকে পাশ ফিরে ঘুমালে হজম ভালো হয়। বামদিক বা ডানদিকে পাশ ফিরে ঘুমালে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়।
বাতাবি লেবু রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। বাতাবি লেবুতে বিদ্যমান পেকটিন ধমনির রক্তে দূষিত পদার্থ জমা হতে বাধা দেয় এবং দূষিত পদার্থ বের করতে সহায়তা করে। বাতাবি লেবুর রস রক্তের লোহিত কণিকাকে টক্সিন ও অন্যান্য দূষিত পদার্থের হাত থেকে রক্ষা করে বিশুদ্ধ অক্সিজেন পরিবহনে সহায়তা করে।
*শরীর ফিট রাখতে প্রথম শর্ত স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। এর সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে শারীরিক ব্যায়াম।
শরীর ফিট রাখতে করতে পারেন এই কাজগুলো-
বাইরে যাওয়ার সময় সঙ্গে নিতে পারেন বাদাম, আমন্ড, কাজু, ওয়ালনাট, তিসির বীজ, বাড়িতে তৈরি ভ্যানিলা।বাইরে চকলেট, চিপস না খেয়ে খেতে পারেন এগুলো।
টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া যাবে না। যদি এই কাজটি করেন তাহলে খেয়াল থাকবে না আপনি কতটা খাচ্ছেন।
ছোট পাত্রে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেশি বার খান তবে অল্প অল্প। এতে শরীরে খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
খাওয়ার সময় ভালোভবে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে খাবারের জরুরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করবে। ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।
শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। দিনে ১০ মিনিট এ ধরনের ব্যায়াম করলে দুশ্চিন্তার মাত্রা অনেকটা কমে যাবে। হার্টরেট স্বাভাবিক থাকবে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থেকে শরীরও সুস্থ রাখবে।
খাবার খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে অথবা পরে পানি খান। এতে হজমশক্তি বাড়বে।
অনেকের খাবার দেখলেই খেতে ইচ্ছা করে। আর এ কারণে ক্ষুধা না লাগলেও খেতে থাকেন অনেকে। এই অভ্যাসটি শরীরের জন্য ভালো নয়। ক্ষুধা পেলে তবেই খেতে হবে।
রান্নাঘরে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের বদলে ফল, সবজি, ডিম, দুগ্ধজাত দ্রব্য রান্নাঘরে রাখুন। এতে কাজ করতে করতে উপকারী খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস তৈরি হবে।
স্ট্রবেরির গুণাগুণ:
১. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ ফল।
২. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগীদের জন্য এটি ভালো। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।
৩. স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়।
৫. বিভিন্ন রকম সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
৬. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর ফাইবার, যা ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৮. চুল পড়া রোধ করে।
৯. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
১০. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
✊✌️
আদাতে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এটি রক্ত সঞ্চালন-প্রক্রিয়া উন্নত করে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে। পাশাপাশি আদার রস ধমনিতে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে প্রতিদিন আদা-চা পান করলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Muradpur Jalal Bazar
Chittagong
4000
