Natural solution mart
We are providing all kinds of natural food product by global sky
25/05/2022
jugantor
প্রচ্ছদ
লাইফ স্টাইল
রোজ খেজুর খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে
লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৫ জানুয়ারি ২০২০, ০১:১২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ
367
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttonwhatsapp sharing buttontwitter sharing buttonlinkedin sharing button
খেজুর
খেজুর । ছবি সংগৃহীত
পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক।
খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।
খেজুরের পুষ্টিগুণ
সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয় চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর।
আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের সবই রয়েছে খেজুরে।
আসুন জেনে নিন খেজুরের উপকারিতা-
১. খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
২. ফাইবারও মিলবে খেজুরে। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
৩. প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৪. রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।
৫. যারা চিনি খান না তারা খেজুর খেতে পারেন। চিনির বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
৭. খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
25/05/2022
এই ১২ টা কারণে আপনার প্রতিদিন ১০০ গ্রাম করে পনির খাওয়া উচিত...!
দুধ খেতে ভাল লাগে না? এমনকি দইও না পাসান্দ! তাহলে তো বন্ধু শরীরকে বাঁচাতে রোজের ডায়েটে পনির মাখনি, মটর পনির, শাহি পনির অথবা পালক পনিরের মতো পদ রাখতেই হবে, না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ! কারণ শরীরকে বাঁচাতে এমন কিছু উপাদানের প্রয়োজন পরে, যা দুধ অথবা দুগ্ধজাত খাবারেই বেশি মাত্রায় থাকে। তাই তো দুধ-দইয়ে অরুচি থাকলে পনিরের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই...! একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে ১০০ গ্রাম পনিরে রয়েছে কম করে ১৮.৩ গ্রাম প্রোটিন, ২০.৮ উপকারি ফ্যাট, ২.৬ গ্রাম মিনারেল, ১.২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২৬৫ কেসিএল এনার্জি, ২০৮ এমজিএস ক্যালসিয়াম, ১৩৮ এমজি ফসফরাস এবং আরও কত কী! প্রসঙ্গত, এই সবকটি উপাদানই নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। বিশেষত একাধিক রোগকে দূরে রাখতে পনিরের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। পনির দিয়ে বানানো নানা পদ খাওয়া শুরু করলে সাধারণত শরীরের যে যে উপকারগুলি হয়, সেগুলি হল...
১. এনার্জির ঘাটতি দূর হয়:
আজকাল কি কারণে-অকারণে বেজায় ক্লান্ত লাগছে? তাহলে বন্ধু রোজের ডায়েটে পনিরকে অন্তর্ভুক্ত করতে দেরি করবেন না যেন! কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত পনির খাওয়া শুরু করলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাবে এনার্জির ঘাটতি দূর হতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
২. আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের কষ্ট কমে:
পনিরে উপস্থিত ওমেগা থ্রী এবং ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে জয়েন্টের সচলতা বৃদ্ধি পেতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের প্রকোপও কমে। তাই তো বলি বন্ধু, যারা নানাবিধ হাড়ের রোগের শিকার, তারা পনিরের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাততে ভুলবেন না যেন!
৩. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
অল্পতেই যাদের গ্যাস-অম্বল হয়ে যায়, তারা নিয়মিত পনির খেলে দারুন উপকার পেতে পারেন। আসলে এই খাবারটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস, যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দিয়ে ডাইজেশান প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়,সেই সঙ্গে কোষেদের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
৪. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
শুনতে অবাক লাগলেও একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে পনিরে উপস্থিত পটাশিয়াম, হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতেও এই ডেয়ারি প্রডাক্টের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই দীর্ঘদিন যদি হার্টকে চাঙ্গা রাখতে হয়, তাহলে নিয়মিত পনির খেতে ভুলবেন না যেন!
৫. ফলেটের ঘাটতি মেটে:
গর্ভাবস্থায় ভাবী মায়েদের শরীরের গঠনে এই উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, দেহের অন্দরে লোহিত রক্ত কণিকার ঘাটতি দূর করতেও ফলেট বিশেষ ভূমিকা নেয়। তাই তো শরীরকে সুস্থ রাখতে এই উপাদানটির কোনও সময় যাতে ঘাটতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা উচিত। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে পনির। কীভাবে? বেশ কিছু গবেষণা অনুসারে এই দুগ্ধজাত খাবারটির শরীরে মজুত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফলেট, যা দেহের অন্দরে এই উপকারি উপাদানটির চাহিদা মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৬. হাড় শক্তপোক্ত হয়:
শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে একদিকে যেমন হাড় দুর্বল হতে শুরু করে, সেই সঙ্গে কোলন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনও বৃদ্ধি পায়। তাই তো প্রতিদিন এক গ্লাস করে দুধ খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। কারণ দুধে এই খনিজটি রয়েছে প্রচুর মাত্রায়, যা হাড়ের পুষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু সমস্যাটা হল আপনি তো দুধ খেতে পছন্দ করেন না। তাহলে করবেন কী? সেক্ষেত্রে নিয়মিত পনির খাওয়া মাস্ট! কারণ দুধের মতো অত পরিমাণে না হলেও পনিরেও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম, যা শরীরে এই খনিজটির ঘাটতি মেটাতে দারুনভাবে সাহায্য করে থাকে।
৭. মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
পনিরে থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং রাইবোফ্লেবিন ব্রেন পাওয়ার বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে যাতে এনার্জির ঘাটতি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। প্রসঙ্গত, রাইফ্লেবিনের পাশাপাশি পনিরে প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, থিয়ামিন, নিয়াসিন এবং ফলেট নামেও বিশেষ কিছু উপাদানের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয়। এই উাপাদানগুলি হজম কক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে, রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে, বাজে কোলেস্টরলের পরিমাণ কমাতে এবং হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৮. প্রোটিনের চাহিদা পূরণ হয়:
পেশীর উন্নতিতে যেমন কাজে লাগে, তেমনি শরীরের অন্দরে প্রতিনিয়ত ঘটে চলা নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখে প্রোটিন। তাই তো দেহে যাতে এই উপাদানটি ঘাটতি কোনও ভাবেই না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটিতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে পনির। তাই যাদের মাছ-মাংস খাওয়ার সেভাবে সুযোগ নেই, তারা পনির খাওয়া শুরু করতে পারেন। দেখবেন উপকার মিলবে।
৯. ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখে:
পনিরে উপস্থিত ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি শরীরের অন্দরে এমন খেল দেখায় যে ব্রেস্টে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার সুযোগই পায় না। প্রসঙ্গত, হাওয়ার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের একদল গবেষক টানা ১৬ বছর ধরে এই বিষয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন। পরীক্ষাটি চলাকালীন তারা লক্ষ করেছিলেন ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই দুটি উপাদান প্রচুর মাত্রায় রয়েছে পনিরে। তাই এই দুগ্ধজাত খাবারটি সপ্তাহে বার দুয়েক খেলে কী উপকার মিলতে পারে, তা নিশ্চয় আর বলে দিতে হবে না।
১০. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
অতিরিক্ত ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে রোজের ডায়েটে পনিরের অন্তর্ভুক্তি মাস্ট! কারণ প্রটিন সমৃদ্ধ এই খাবারটি খেলে বহুক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। ফে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, পনিরে লাইনোলেইক অ্যাসিড নামে একটি উপাদানও রয়েছে, যা শরীরের ইতি-উতি জমে থাকা মেদকে দ্রুত গলিয়ে ফেলতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। ফলে দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়া কোনও আশঙ্কাই থাকে না।
১১. ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে থাকে:
পনির রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম। এই খনিজটি শরীরের অন্দরে বিশেষ কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা একদিকে যেমন হাড়ের গঠনে সাহায্য করে, তেমনি ব্রেন ফাংশনে উন্নতি ঘটায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে ম্যাগনেসিয়ামের
১২. দাঁত শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে:
যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে পনিরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ক্যালসিয়াম, যা শরীরে প্রবেশ করার পর হাঁড়কে যেমন শক্তপোক্ত করে, তেমনি দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে মুখ গহ্বর সংক্রান্ত একাধিক রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
25/05/2022
মহিলাদের মধ্য়ে বাড়ছে হার্ট অ্যাটাকের মাত্রা! তাই হার্টকে বাঁচাতে নিয়মিত খেতেই হবে এই খাবারগুলি!
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি স্টাডি অনুসারে ভারতের পাশাপাশি সারা বিশ্বে পুরুষদের তুলনায় মেয়েরাই বেশি মাত্রায় আক্রান্ত হচ্ছে হার্ট অ্যাটাকের মতো রোগে। তাই তো বোল্ডস্কাইয়ের প্রতিটি মহিলা এবং পুরুষ পাঠকদের এই লেখাটি না পড়লে বিপদ রয়েছে। কিন্তু পুরুষরা কেন পড়বেন? কেন পড়বেন না বলুন! তাঁরা কি তাঁদের প্রেমিকা বা স্ত্রীদের ভালোবাসেন না? ভালোবাসেন তো! তাহলে সবাইকেই পড়তে হবে। আর এই প্রবন্ধটি পড়লে হার্টের যে কোনও ক্ষতি হবে না, সেকথা হলফ করে বলতে পারি। কারণ এই লেখায় এমন কিছু খাবারের প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে, যা নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে হার্ট এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে কোনও ধরনের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে! এখন প্রশ্ন হল কম করে ৬০-৭০ বছর যদি হার্টকে চাঙ্গা রাখতে হয়, তাহলে কী কী খাবারকে রোজের সঙ্গী বানাতে হবে?
১.বাদাম:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক মুঠো করে বাদাম খাওয়া শুরু করলে একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে, তেমনি আর্টারির অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাও প্রায় থাকে না বললেই চলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা যেমন কমে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।
২. গাজর:
শুনতে আজব লাগলেও একাধিক স্টাডির পর একথা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে নিয়মিত কাঁচা গাজর খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে তার প্রভাবে হার্টের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে। সেই সঙ্গে ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও যায় কমে। তাই তো বলি বন্ধু, দীর্ঘ দিন যদি সুস্থভাবে বাঁচতে হয়, তাহলে গাজরের সঙ্গে বন্ধুত্ব না পাতালে কিন্তু ভুল করবেন।
৩. মিষ্টি আলু:
যে কোনও পরিস্থিতিতেই আপনার হার্ট চাঙ্গা থাকুক, এমনটাযদি চান, তাহলে সপ্তাহে ২-৩ দিন মিষ্টি আলু দিয়ে বানানো নানা পদ খেতে ভুলবেন না যেন! কারণ এই সবজিটিতে উপস্থিত ভিটামিন এ, ফাইবার এবং লাইকোপেন শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে হার্টের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না। আর হার্ট চাঙ্গা হয়ে উঠলে নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যে আর থাকে না, তা তো বলাই বাহুল্য!
৪. অর্জুন গাছের ছাল:
এতে প্রচুর মাত্রায় রয়েছে টেনিনস, ট্রাইটারপেনোয়েড স্যাপোনিস এবং ফ্লেবোনয়েডের মত একাধিক উপকারি উপাদান, যা একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, তেমনি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। ফলে হার্টকে নিয়ে আর কোনও চিন্তাই তাকে না। প্রসঙ্গত, আর্জুন গাছের ছাল অল্প পরিমাণে নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন সকালে জলটা ফুটিয়ে নিয়ে পান করলে উপকার মিলবে।
৫. আদা:
এই প্রাকৃতিক উপাদানটি একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, তেমনি অন্যদিকে ব্লাড ক্লট হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকে না। শুধু তাই নয়, হার্টের অন্দরে কোনওভাবে যাতে প্রদাহ সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। এক কথায় সব দিক থেকে হার্টকে নিরাপত্তা প্রদানে আদার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।
৭. গ্রিন টি:
এতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, কোষেদের কর্মক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তে যাতে কোনওভাবে এল ডি এল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি না পায়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। শুধু তাই নয়, ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতেও গ্রিন টি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো হার্ট এবং ব্রেনকে সুস্থ রাখতে আজ থেকেই দিনে ২ কাপ করে গ্রিন টি পান শুরু করতে পারেন। দেখবেন উপকার মিলবে।
৮. কাঁচা লঙ্কা:
শুনে অবাক লাগলেও একথা ঠিক যে হার্টকে সুস্থ রাখতে কাঁচা লঙ্কার বাস্তবিকই কোনও বিকল্প হয় না। আসলে এতে উপস্থিত ক্যাপসিসিন নামক উপাদান, ব্লাড ভেসেলের ইলাস্ট্রিসিটি বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে ব্লাড ক্লটের আশঙ্কাপ্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রাকাশিত বেশ কয়েকটি গবেষণা পত্র অনুসারে কাঁচা লঙ্কায় উপস্থিত ক্যাপসিসিন, রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে সবদিক থেকে হার্ট সুরক্ষিত থাকে।
25/05/2022
সমীক্ষা বলছে শীতকালে বাড়ে মাইগ্রেনের প্রকোপ! তাই প্রশ্ন হল এই রোগের কষ্ট কমানোর উপায় কি?
সম্প্রতি প্রকাশিত কিছু সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা গেছে ঠান্ডার সময় নানা কারণে মাইগ্রেনের মতো সমস্যার প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পায়। কিন্তু প্রশ্ন হল কেন? গবেষণা বলছে তাপমাত্রা কমতে শুরু করলে আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে বেশ কিছু কেমিকালের ভারসাম্য বিগড়ে যায়। বিশেষত সেরাটোনিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মাইগ্রনের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যায় বেড়ে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে প্রচন্ড মাথা যন্ত্রানার সঙ্গে লেজুড় হয় মাথা ঘোরা, আলো-শব্দ সহ্য করতে না পারা এবং বমি হওয়ার মতো লক্ষণও। প্রসঙ্গত, শীতকালে মাইগ্রেন অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ে একথা জানার পর তো আর হাত গুটিয়ে বসে থাকা সম্ভাব নয়, তাহলে জেনে নিতে হবে এক্ষেত্রে কী করণীয়! আর ঠিক এই কারণেই এই লেকাটি পড়ে ঝটপট পড়ে ফলতে হবে। কারণ এই প্রবন্ধে আলোচিত হতে চলা খাবারগুলিকে রোজের ডায়েটে জায়গা করে দেওয়ার পাশাপাশি যদি বাকি ঘরোয়া টোটকাগুলিকে কাজে লাগানো যায়, তাহলে এমন রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। আসলে বিশেষজ্ঞদের মতে এই খাবারগুলিতে এমন কিছু উপদান মজুত রয়েছে, যা শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ব্রেনের অন্দরে কেমিকালের ভারসাম্য দেখা দেওয়ার আশঙ্কা একেবারে থাকে না বললেই চলে। সেই সঙ্গে মাথা যন্ত্রণার প্রকোপও কমতেও সময় লাগে না। তাই বলি বন্ধু, আর অপেক্ষা কিসের, চলুন ঝটপট জেনে নেওযা যাক মাইগ্রেনের চিকিৎসায় কাজে আসা সেই সব ঘরোয়া টোটকাগুলি সম্পর্কে...
১. যোগাসন করা মাস্ট:
অ্যাডভান্স বায়োমেডিকাল রিসার্চে দেখা গেছে শীতকালে নিয়মিত ৩০ মিনিট যোগাসন করলে শরীর এবং মস্তিষ্ক ভিতর এবং বাইরে থেকে এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে মাইগ্রেনের মতো সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। সেই সঙ্গে শীতকালীন আরও নানাবিধ সমস্যা, যেমন ধরুন- মাথা যন্ত্রণা, ক্র্যাম্প লাগা এবং এনার্জির ঘাটতি দূর করতেও যোগাসনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।
২. আকুপাঞ্চার:
২০১৪ সালে হওয়া এক সিস্টেমিক রিভিউ-এ দেখা গেছে ক্রণিক মাথা যন্ত্রণা কমানোর পাশাপাশি মাইগ্রেন সংক্রান্ত বাকি লক্ষণগুলির প্রকোপ কমাতেও নানাভাবে সাহায্য করে থাকে আকুপাঞ্চার। তাই তো বলি বন্ধু, আপনাদের মধ্যে যারা এমন খষ্টকর রোগের শিকার, তারা বেশি কিছু কার্যকরী আকুপাঞ্চার পদ্ধতি শিখে নিতে দেরি করবেন না যেন!
৩. দারচিনি:
বেশ কিছু গবেষণার পর একথা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে যে মাইগ্রেন এবং মাথা যন্ত্রণার মতো সমস্যার প্রকোপ কমাতে বাস্তবিকই এই প্রাকৃতিক উপাদানটির কোনও বিকল্প নেই বললেই চলে। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো দরচিনি নিয়ে প্রথমে গুঁড়ো করে নিতে হবে। তারপর তাতে পরিমাণ মতো জল মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলে সেটি কপালে লাগিয়ে ফেলতে হবে। এরপর ৩০ মিনিট শুয়ে থাকার পর ধুয়ে ফলতে হবে পেস্টাটা। প্রসঙ্গত, এই ঘরোয়া টোটকাটিকে প্রতিদিন কাজে লাগালে দেখবেন উপকার মিলতে সময় লাগবে না।
৪. বাজরা থেকে বানানো আটা:
এতে রয়েছে এমন কিছু উপাদান যা শরীরে প্রদাহ কমানোর মধ্যে দিয়ে মাইগ্রেনের কষ্ট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা মাইগ্রেনের যন্ত্রণায় কাবু, তারা আজ থেকেই নিজেদের ডায়েটে বাজরার আটাকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন বেশ উপকার পাবেন।
৫. কফি:
শরীরের প্রদাহ কমিয়ে মাইগ্রেনের যন্ত্রণাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে ক্যাফিনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই এবার থেকে যখনই মাথায় যন্ত্রণা হবে, অল্প করে কফি খেয়ে নেবেন। তাহলেই দেখবেন যন্ত্রণা একেবারে ছু-মান্তার হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, বেশি মাত্রায় শরীরে ক্যাফিনের প্রবেশ একেবারেই ভাল নয়। তাই তো দিনে ১-২ কাপের বেশি খফি না খাওয়াই ভাল।
৬. তুলসি পাতা:
তুলসি পাতায় উপস্থিত বেশ কিছু কার্যকরি উপাদান পেশিতে রক্তসরবরাহ বাড়িয়ে দিয়ে মাইগ্রেনের যন্ত্রণা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে কয়েক ফোঁটা তুলসি পাতার তেল নিয়ে মাথায় মাসাজ করলেই দারুন উপকার পাওয়া যায়।
৭. পিপারমেন্ট তেল:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে মাইগ্রেন অ্যাটাকের সময় কপালে অল্প পরিমাণে পিপারমেন্ট তেল লাগিয়ে যদি মাসাজ করতে পারেন, তাহলে এক্ষেত্রে দারুন উপকার পাওয়া যায়। আসলে এই তেলটি লাগানো মাত্র মস্তিষ্কের চারিদিকে থাকা পেশিদের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে যন্ত্রণা কমতে সময় লাগে না।
৮. ক্যামোমিল চা:
এই পানীয়টিতে উপস্থিত পলিফেনল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড আদতে এক ধরনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র যে কোনও ধরনের যন্ত্রণাকে নিমেষে কমিয়ে ফেলে। তাই তো মাইগ্রেন অ্যাটাকের প্রকোপ কমাতে ক্যামোমিল চা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। তাই এবার থেকে মাথা যন্ত্রণা কমাতে পেনকিলার নয়, কাজে লাগানে এই বিশেষ পানীয়টিকে। দেখবেন উপকার মিলবে চোখের পলক পরার আগে।
৯. ল্যাভেন্ডার তেল:
একটা বড় বাটিতে ৫-৬ কাপ জল ঢেলে সেই জলটা ফুটিয়ে নিন। তারপর তাতে ৫-৬ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে সেই জলটার ভাব নিতে থাকুন। এমনটা করলেই দেখবেন মাইগ্রনের কষ্ট কমে যেতে শুরু করবে। আরেক ভাবে ল্যাভেন্ডার তেলকে কাজে লাগাতে পারেন। অল্প করে এই তেলটা নিয়ে কপালে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করুন। এতেও সমান উপকার পাবেন।
১০. তিসি বীজ:
আপনার কি মাঝে মধ্যেই মাথায় যন্ত্রণা হয়? তাহলে আজ থেকেই এই ঘরোয়া পদ্ধতিটিকে কাজে লাগাতে শুরু করে দিন। আসলে তিসি বীজে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ কমিয়ে মাথার যন্ত্রণার প্
১১. আদা:
একটা বাটিতে পরিমাণ মতো জল নিয়ে তাতে অল্প করে আদার গুঁড়ো মিশিয়ে সেই জলটা কম করে ১০ মিনিট ফোটান। সময় হয়ে গেলে জলটা কাপে ঢেলে চায়ের মতো করে সেটি পান করুন। এমনটা করলেই দেখবেন মাইগ্রেনের লক্ষণ কমতে শুরু করবে।
25/05/2022
জেনে রাখাটা ভাল:
25/05/2022
টক দই দেখে কি নাক সিটকান? তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ বন্ধু...!
ওই যে কথায় বলে না "ঘার কা মুরগি ডাল বরাবার", দইয়ের ক্ষেত্রেও কিন্তু এই আপ্তবাক্যটি দারুনভাবে খেটে যায়। কারণ শত শত উপকারি উপাদানে ঠাসা একটি খাবারের দাম মাত্র গুটি কয়েক টাকা, চাইলে একটা পয়সা খরচ না করে বাড়িতেই তৈরি করে ফেলা যায়। তবু যুব সমাজের সিংহভাগই দই খেতে প্রস্তুত নন। বরং পকেট হালকা করে ফাস্ট ফুড সেন্টারের ব্যবসা বাড়াতে এরা এক পায়ে খাড়া। কিন্তু বন্ধু এই সব ভাজাভুজি খেতে খেতে যখন শরীরটা ঝাঁজরা হয়ে যবে, তখন দেহ বাবাজিকে সুস্থ রাখতে কিন্তু সেই দইয়েরই প্রয়োজন পরবে। কেন জানেন? আসলে বন্ধু বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে গত দশ বছরে যে যে মারণ রোগ বেশি মাত্রায় থাবা বসিয়েছে যুব সমাজের উপরে, এই যেমন ধরুন-ডায়াবেটিস, হার্ট অ্যাটাক, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ প্রভৃতি রোগের প্রকোপ কমাতে দইয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয়, রোজের ডায়েটে একবাটি দইকে জায়গা করে দিলে আরও নানাবিধ উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন...
১. ভেজাইনাল ইনফেকশের মতো রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দইয়ে উপস্থিত ল্যাকটোব্যাসিলাস অ্যাসিডোফিলাস নামক একটি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে ক্ষতিকর জীবাণুরা সব মারা পরে। ফলে ভেজাইনাল ইনফেকশনের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। এই কারণেই তো মহিলাদের নিয়মিত দই খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
২. মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টসের ঘাটতি দূর হয়:
দইয়ে প্রচুর মাত্রায় মজুত রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্কের মতো উপকারি উপাদান। তাই তো নিয়মিত একবাটি করে দই খাওয়া শুরু করলে শরীরে নানাবিধ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টসের ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। ফলে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
৩. স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির প্রকোপ কমে:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দই খাওয়ার পর আমাদের মস্তিষ্কের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হয় যে মানসিক চাপ এবং অ্যাংজাইটি কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, বর্তমান সময়ে যেসব মারণ রোগগুলির কারণে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের প্রাণ যাচ্ছে, তার প্রায় সবকটির সঙ্গেই স্ট্রেসের যোগ রয়েছে। তাই তো নিয়মিত দই খাওয়ার প্রয়োজনয়ীতা যে বেড়েছে, সে বিষযে কোনও সন্দেহ নেই।
৪. পুষ্টিকর উপাদানের চাহিদা মেটে:
নিয়মিত দই খাওয়া শুরু করলে শরীরে পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং আয়োডিনের ঘাটতি দূর হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ভিটামিন বি৫ এবং বি১২-এর মাত্রাও বাড়তে থাকে। আর এই সবকটি উপাদানই যে নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে, তা কি আর বলে দিতে হবে! এই যেমন ধরুন ভিটামিন বি১২ লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে:
রক্তে খারাপ কোলেস্টরল বা এল ডি এল-এর মাত্রা কমানোর পাশাপাশি রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয় দই। তাই তো নিয়মিত এই দুগ্ধজাত খাবারটি খেলে হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। তাই তো পরিবারে যদি কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের ইতিহাস থাকলে দইকে সঙ্গ ছাড়ার ভুল কাজটি করবেন না যেন!
৬. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
দইয়ে পরিমাণ মতো বেসন এবং অল্প করে লেবুর রস মিশিয়ে যদি মুখে লাগাতে পারেন তাহলে ত্বক নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকে না। আসলে দইয়ে থাকা জিঙ্ক, ভিটামিন ই এবং ফসফরাস এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পলন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এই ফেস প্যাকটি সপ্তাহে কম করে ২-৩ বার লাগালে দারুন উপকার মেলে।
৭. ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখে:
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দইয়ে উপস্থিত ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং স্ট্রেপটোকক্কাস থ্রেমোফিলাস নামক দুটি ব্যাকটেরিয়া শরীরের অন্দরে ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
৮. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
বেশি কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দইয়ে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা পাকস্থলিতে হজমে সহায়ক ভাল ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। সেই কারণেই তো বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের সমস্যা কমাতে দই খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, পৃথক একটি গবেষণায় দেখা গেছে পেপটিক আলসার হওয়ার পিছনে দায়ি এইচ পাইলোরি নামক ব্য়াকটেরিয়াকে মেরে ফলতেও দইয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। সেই কারণেই তো পেপটিক আলসারের চিকিৎসায় দইয়ের অন্তর্ভুক্তির পিছনে সাওয়াল করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
৯. দুধের বিকল্প হিসেবে চলতেই পারে:
এমন অনেকই আছেন যারা একেবারে দুধ খেতে পারেন না। কারও গন্ধ লাগে, তো কারও বমি পাই। এই ধরনের সমস্যাকে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বলা হয়। প্রসঙ্গত, দুধ থেকে দই হওয়ার সময় ল্যাকটোজ, ল্যাকটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়ে যায়। ফলে দই খেলে না গা গোলায়, না বমি পায়।
১০. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
অতিরিক্তি ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে নিয়মিত এক বাটি করে দই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার মিলবে। বিশেষত ভুঁড়ি কমাতে দইয়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, ইউনিভার্সিটি অব টেনেসির গবেষকদের করা একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত দই খাওয়া শুর
১১. হাড় এবং দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
দুধের মতো দইয়েও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং ক্যালসিয়াম। এই দুটি উপাদান দাঁত এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বুড়ে বয়সে গিয়ে যদি অস্টিওআর্থ্রাইটিসের মতো রোগ আক্রান্ত হতে না চান, তাহলে এখন থেকেই নিয়মিত দই খাওয়া শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন উপকার মিলবেই মিলবে।
১২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে সংক্রমণ থেকে ভাইরাল ফিবার, কোনও কিছুই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে সুস্থ জীবনের পথ প্রশস্ত হবে। ইনশাআল্লাহ্ ...
25/05/2022
শরীর বাবাজিকে কম করে ৬০ বছর সুস্থ রাখতে চান কি?
তাহলে নিয়মিত এই ফলের রসটা পান করতে ভুলবেন না যেন!
আমৃতের কথা নিশ্চয় জানা আছে? কি গুণ ছিল অমৃতের বলতে পারেন? কী আবার, যে পান করেবে সে আমনি অমরত্বের সন্ধান পাবে...! একেবারে ঠিক বলেছেন! আরে সেই অমৃতের খোঁজই তো আজ দিতে চলেছি এই প্রবন্ধে মাধ্যমে। মানে! এই ২১ শতকে অমৃত! একেবারেই! তবে এই অমৃতের আগমন সমুদ্র মন্থন করে হবে না যদিও, হবে বেদানার রস বানালেই। আসলে একাধিক গবেষণার পর চিকিৎসা বিজ্ঞানিরা একটা বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন যে আজকের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে শরীর বাবাজিকে বাঁচাতে বেদানার রসের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে বেদানার অন্দরে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং আরও নানাবিধ শক্তিশালী উপাদান দেহে প্রবেশ করার মাত্র প্রতিটি কোষ, শিরা এবং উপশিরাকে, সেই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির ক্ষমতাকেও বাড়িয়ে তোলে। ফলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো। তবে এখানেই শেষ নয়, রোজের ডায়েটে এই ফলের রসকে জায়গা করে দিলে আরও নানাবিধ উপকার মেলে। যেমন ধরুন...
১. ব্রেন ডিজিজ থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে বেদানায় উপস্থিত নানাবিধ উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বিশেষত ব্রেন সেলের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে অ্যালঝাইমার্সের মতো মস্তিষ্কঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে।
২. ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়:
শরীরকে সচল এবং সুস্থ রাখতে যে যে ভিটামিনগুলির প্রয়োজন পরে প্রতিদিন, তার প্রায় সবকটিরই সন্ধান মেলে বেদানায়, যেমন ধরুন-ভিটামিন সি, ই,কে, সেই সঙ্গে ফলেট, পটাসিয়াম এবং আরও কত কী! তাই তো বলি বন্ধু দীর্ঘ দিন যদি সুস্থভাবে বাঁচতে হয়, তাহলে এই ফলটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে দেরি করবেন না যেন!
৩. নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমে:
বাঙালি মানেই মাত্রা ছাড়া খাওয়া-দাওয়া। আর এমনটা করতে গিয়ে কি পেট ছেড়েছে? তাহলে বন্ধু এক্ষুনি অল্প করে বেদানা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কষ্ট কমে যাবে। কারণ বেদান অন্দরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান স্টমাকের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, বেদানার পাতা দিয়ে বানানো চা খেলেও এক্ষেত্রে দারুন উপকারি পাওয়া যায়।
৪. হার্টের ক্ষমতা বাড়ে:
রোজের ডায়েটে এই ফলটিকে রাখলে সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে কমে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও। প্রসঙ্গত, বেদানার শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও নানাভাবে হার্টের খেয়াল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫. চুল পড়ার হার কমে:
অতিরিক্ত হেয়ার ফলের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে প্রতিদিন বেদানার রস খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন হেয়ার ফলের মাত্রা তো কমবেই, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো।
৬. ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:
বেদানায় ফ্লেবোনয়েড নামক একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রক্তে উপস্থিত ক্যান্সার সৃষ্টিকারি টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে কোনও ভাবেই দেহের অন্দের ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা থাকে না। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে প্রস্টেট এবং ব্রেস্ট ক্যান্সারকে দূরে রাখতেও এই ফলটি নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।
৭. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
বেশ কিছু স্টাডি অনুসারে প্রতিদিনের ডায়েটে বেদানাকে জায়গা করে দিলে ত্বকের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে বলি রেখা অদৃশ্য হতে থাকে। সেই সঙ্গে ডার্ক স্পট এবং ডার্ক সার্কেলেও গায়েব হয়ে যায়। ফলে সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো।
৮. অ্যানিমিয়ার মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:
কেন্দ্রীয় সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ি আমাদের দেশে প্রতি বছর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ। এমন পরিস্থিতিতে বেদানা খাওয়ারও প্রয়োজন বেড়েছে অনেক মাত্রায়। কারণ এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়ে রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এই কারণেই তো ছোট থেকেই মেয়েদের নিয়মিত বেদানা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।
৯. ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে থাকে:
পরিবারে কি এই মারণ রোগটির ইতিহাস রয়েছে? উত্তর যদি হ্য়াঁ হয়ে থাকে, তাহলে বন্ধু আজ থেকেই বেদানা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন আপনার জীবনকালে কখনও ডায়াবেটিস আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে পারবে না। কারণ এই ফলটি খাওয়া মাত্র শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
১০. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
শুনতে আজব লাগলেও একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত কাঁচা বেদানা অথবা বেদানার রস খাওয়া শুরু করলে ব্লাড ভেসেলে সৃষ্টি হওয়া প্রদাহ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে সারা শরীরে রক্তের প্রবাহ এতটা বেড়ে যায় যে ব্লাড প্র
১১. জয়েন্টের সচলতা বৃদ্ধি পায়:
শরীরে যখন ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমতে শুরু করে তখন এমন কিছু ক্ষতিকর এনজাইমের ক্ষরণ বেড়ে যায় যে জয়েন্টের সচলতা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে হাড় এত মাত্রায় দুর্বল হয়ে পরে যে অস্টিওআর্থ্রাইটিস মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। এক্ষেত্রেও কিন্তু বেদানা নানাভাবে কাজে আসে। কীভাবে? যে এনজাইমের কারণে হাড়ের ক্ষয় হতে থাকে, তার ক্ষরণ কমিয়ে দিয়ে আর্থ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমাতে এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
১২. দাঁত শক্তপোক্ত হয়:
অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল প্রপাটিজে পরিপূর্ণ এই ফলটি খাওয়া মাত্র মুখ গহ্বরের অন্দরে উপস্থিত ক্ষতিকর জীবাণুরা সব মারা পরে। ফলে ক্যাভিটির মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
25/05/2022
জেনে রাখা ভাল
25/05/2022
সকাল সকাল খালি পেটে চা খাওয়া উচিত নয় কেন জানা আছে?
পরিসংখ্যান বলছে কলকাতা শহরের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষই সকালে ঘুম ভাঙা মাত্র গরম গরম চায়ের পেয়ালায় চুমুক মারতে ভালোবাসেন। কিন্তু এমন অভ্যাস কেন, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধরণা করা না গেলেও একটা বিষয়ে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত হয়েছেন যে এইভাবে দিনের পর দিন খালি পেটে চা বা কফির মতো পানীয় খাওয়ার কারণে শরীরের উপর কিন্তু মারাত্মক খারাপ প্রভাব পরে। শুধু তাই নয়, ধীরে ধীরে ব্রেন ফাংশনেরও অবনতি ঘটতে শুরু করে। তাই তো বলি চা প্রিয় বাঙালি, সারা দিন ধরে চা পান করুন ক্ষতি নেই, কিন্তু শরীরের কথা ভেবে সকাল সকাল, বিশেষত খালি পেটে এমন পানীয় খাওয়ার ভুল কাজটি করবেন না যেন! কিন্তু কেন? আসলে বন্ধু চায়ে উপস্থিত ক্যাফিন শরীর প্রবেশ করা মাত্র এনার্জির ঘাটতি দূর হয় ঠিকই, কিন্তু সেই সঙ্গে শরীরের নানাবিধ ক্ষতিও হয়ে থাকে। আর যদি খালি পেট থাকাকালীন ক্যাফিনের প্রবেশ ঘটে, তাহলে তো কথাই নেই। সেক্ষেত্রে শরীরের মারাত্মক কিছু ক্ষতি হয়ে থাকে। যেমন ধরুন...
১. মাথা ঘোরা এবং ডিজিনেসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে: চায়ে থাকে প্রচুর মাত্রায় ক্যাফিন, যা খালি পেট থাকালীন শরীরে প্রবেশ করলে দেহের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে হঠাৎ করে মাথা ঘুরে যাওয়া বা বমি পাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সাবধান বন্ধু সাবধান!
২. অ্যাংজাইটির মাত্রা বাড়ে:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে সকাল সকাল খালি পেটে চা পান করলে মস্তিষ্কের অন্দরে এমন কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে স্ট্রেস এবং অ্যাংজাইটির মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে শরীর ভাঙতে দেরি লাগে না কিন্তু!
৩. ধীরে ধীরে দাঁত দুর্বল হতে শুরু করে:
দাঁত না মেজেই চা বা কফি খেলে মুখ গহ্বরের অন্দরে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে দাঁতের উপরের আবরণ বা এনামেল নষ্ট হয়ে যেতে শুরু করে। আর এমনটা হতে থাকলে এক সময়ে গিয়ে দাঁতের ক্ষয় আর আটকানো যায় না। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে এমন অভ্যাসের কারণে জিনজিভাইটিস সহ একাধিক গাম ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই দাঁতকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে দয়া করে বেড টি পান বন্ধ করুন।
৪.শরীরে ক্ষতিকর অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পায়:
রাতের বেলা ঘুমিয়ে পরার পর থেকেই হাজারো ব্যাকটেরিয়া মুখ গহ্বরে জমতে শুরু করে। সেই কারণেই তো সকালে উঠে মুখে এত গন্ধ হয়। এমন পরিস্থিতিতে দাঁত না মেজেই যদি চা বা কফি পান করা হয়, তাহলে এই সব ব্যাকটেরিয়া খাদ্য নালি হয়ে এসে পৌঁছায় স্টমাকে। ফলে সেখানে অ্যাসিডের মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যা নানাবিধ সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই যারা গ্যাস-অম্বল বা বদ হজমের সমস্যায় ভোগেন, তাদের তো ভুলেও দাঁত না মেজে চা বা কফি পান করা উচিত নয়।
৫. দেহে জলের ঘাটতি দেখা দেয়:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে চা খাওয়া মাত্র নানা কারণে শরীরে জলের মাত্রা কমতে শুরু করে। আর এমনটা পেট খালি থাকাকালীন হলে কিন্তু মহা বিপদ। এই কারণেই তো ঘুম ভাঙা মাত্র চা পান করতে মানা করেন চিকিৎসকেরা। আসলে দীর্ঘ ৮ ঘন্টা ঘুমানোর কারণে এমনিতেই শরীর জলের ঘাটতি থাকে, তার উপর চা পান করা হয়, তাহলে ডিহাইড্রেশনে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যায় বেড়ে।
৬. পেটের সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়:
সকাল সকাল খালি পেটে চা বা কফি পানের অভ্যাস থাকলে পেটের অন্দরে, বিশেষত পাকস্থলীতে মারাত্মক প্রদাহ সৃষ্টি হয়, যা স্টামক ইনফেকশনের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে পেপটিক আলসারের মতো রোগ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়।
৭. দেহে ক্ষতিকর টক্সিনের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে:
সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই এক গ্লাস জল খাওয়া উচিত, যাতে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু এমনটা না করে যদি কেউ এক পেয়লা চা পান করেন, তাহেল টক্সিক উপাদানের মাত্রা কমে তো নাই, উল্টে আরও বেড়ে যায়। ফলে শরীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির, যেমন ধরুন- লিভার, কিডনি এবং ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় বেড়ে।
৮. হজম ক্ষমতার অবনতি ঘটে:
খালি পেটে চা পান করা মাত্রা মুখ গহ্বরে উপস্থিত খারাপ ব্যাকটেরিয়ারা শরীরে নানা অশে পৌঁছে যেতে শুরু করে। ফলে খারাপ জীবাণুর দাপটে স্টমাকে উপস্থিত ভাল ব্যাকটেরিয়ারদের সংখ্যা কমে যেতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে হজম ক্ষমতা কমে যায়। সেই সঙ্গে অ্যাসিড-অ্যালকেলাইন ব্যালেন্স বিগড়ে গিয়ে নানাবিধ পেটের রোগ শরীরে এসে বাসা বাঁধে।
৯. শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়:
একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে দীর্ঘ দিন ধরে বেড টি খেয়ে গলে শরীরের পক্ষে ঠিক মতো আয়রন শোষণ করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। ফলে অ্যানিমিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। প্রসঙ্গত, তৃতীয় বিশ্বের মহিলাদের প্রায় সিংহভাগই অ্যানিমিক হন।
১০. ধীরে ধীরে দাঁত দুর্বল হতে শুরু করে:
দাঁত না মেজেই চা বা কফি খেলে মুখ গহ্বরের অন্দরে অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে দাঁতের উপরের আবরণ বা এনামেল নষ্ট হয়ে যেতে শুরু করে। আর এমনটা হতে থাকলে এক সময়ে গিয়ে দাঁতের ক্ষয় আর আটকানো যায় না। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে এমন অভ্যাসের কারণে জিনজিভাইটিস সহ একাধিক গাম ডিজিজ হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। তাই দাঁতকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে দয়া করে বেড টি পান করবেন না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
