Man Power Shop

Man Power Shop

Share

Dhaka, Chittagong, Barisal,Rangpur

20/04/2022

স্মা*র্ট* হয়ে বাচুন* সুখে থাকুন
প্রিয়*_মানুষের_কাছে সম্মা-নিত*হন
ইন্টারন্যাশনাল দুইজন পিএ*ইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর* ধারা পরামর্শ*কৃত* ও পরীক্ষিত, শতভাগ* প্রাকৃ*তিক পণ্য* পা*র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া* মুক্ত, ফেইস বুক* রুল*স এর কারণে ডিটেলস* বলা গেল না ডিটেলস জানতে কল করুন অথবা ইনবক্সে আসুন।
হেল্প লাইন - + 01301 207 299

19/04/2022

স্মা*র্ট* হয়ে বাচুন* সুখে থাকুন
প্রিয়*_মানুষের_কাছে সম্মা-নিত*হন
ইন্টারন্যাশনাল দুইজন পিএ*ইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর* ধারা পরামর্শ*কৃত* ও পরীক্ষিত, শতভাগ* প্রাকৃ*তিক পণ্য* পা*র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া* মুক্ত, ফেইস বুক* রুল*স এর কারণে ডিটেলস* বলা গেল না ডিটেলস জানতে কল করুন অথবা ইনবক্সে আসুন।
হেল্প লাইন - +01301-207299

Photos from Man Power Shop's post 18/04/2022

Alhamdulillah ❤️❤️❤️❤️

18/04/2022

Alhamdulillah ❤️❤️

17/04/2022

কাচা মরিচ বেশি দিন থাকেনা পচে যায় তাই ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।শুকনো মরিচের থেকে কাচা মরিচের পেস্ট দিয়ে রান্না করলে অনেক সুস্বাদু হয়,আর কালারটা সুন্দর আসে তরকারীর।আপনাদের কাজে লাগতে পারে তাই শেয়ার করলাম।😍

17/04/2022

পেশির টান! বাঁচার সহজ উপায় কী?


ঠান্ডার সময় পেশির টান খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। দৌড়তে গিয়ে হোক, বা ভারী কিছু তুলতে গিয়ে হোক, হঠাৎই টান লেগে যেতে পারে পা বা পিঠের পেশিতে। এমনকী কিছু না করেও অনেক সময় ব্যাথা হয় পেশির। ঘুমানোর সময় হয়তো টান লেগে গেল ঘাড়ে কিংবা স্নান করে মাথা মোছার সময় কাঁধে। তবে শুধু শীতেই না, গরমেও এমনটা হতে পারে। পেশির টান বা ব্যাথার নিরাময় কীভাবে হবে, সেটা বোঝার জন্য আগে জানতে হবে, এই ব্যাথা কেন হয়। পেশির মধ্যে জলের পরিমাণ কমে গেলে, পেশি তার ফ্লেক্সিবিলিটি বা স্থিতিস্থাপকতা হারায়। সেই কারণেই প্রয়োজন মতো সংকোচন-প্রসারণ করে উঠতে পারে না। তাই হঠাৎ প্রসারণের ফলে সেখানে আঘাত লাগে। পেশিতে প্রয়োজনীয় মিনারেল বা খনিজ পদার্থের অভাবেও এই সমস্যা হতে পারে। কারণটি থেকেই আন্দাজ করা যায়, কী কী ভাবে পেশির টান বা ব্যাথার হাত থেকে বাঁচা সম্ভব।

১। পেশির দরকার পানি
শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল থাকলে কি পেশির ব্যাথা হবে না? এ নিয়ে চিকিৎসক মহলে মিশ্র মত রয়েছে। কারও মতে, পর্যাপ্ত জল থাকলেও পেশির ব্যাথা হতে পারে। তবে একটা বিষয়ে উভয় মহলই একমত। শরীর যদি সঠিক ভাবে হাইড্রেটেড থাকে, তাহলে টান লাগলেও ব্যাথার পরিমাণ খুব বেশি হয় না। তাই যখনই তেষ্টা পাবে অল্প করে জল খান। এতে আপনার পেশি ফ্লেক্সিবিলিটি বাড়বে। আচমকা টান ধরে গেলেও, সেই ব্যাথা কম সময়ের জন্য থাকবে।

২। কার্বোহাইড্রেট
এ না নয় ভাত বা পাস্তা খেলে শরীর ভারী হয়ে যায় বলে মনে করেন? আসলে এরা কিন্তু আপনার পেশির জন্য খুবই দরকারি। এই ধরনের হাই-কার্বোহাইড্রেট খাবারগুলি পেশিকে দ্রুত পুষ্টি জোগায়। পেশির আঘাত সামলে ওঠার জন্য যে প্রয়োজনীয় উপাদানের দরকার হয়, তা-ও পাওয়া যায়, এই কার্বোহাইড্রেট থেকেই।

৩। নুন-চিনিতে
নজর শুধু জলের পক্ষে পেশিকে হাইড্রেট রাখা সম্ভব নয়। পেশির ফ্লেক্সিবিলিটি বা স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখার জন্য দরকার লবণও। কারণ এই নুনে থাকে ইলেকট্রোলাইটস। পেশির কোষের মধ্যে জল কীভাবে ঢুকবে, কতটা ঢুকবে, কতটাই বা বেররে, তার পুরোটা নিয়ন্ত্রণ করে এই ইলেকট্রোলাইটস। তাই সোডিয়ামের মতো লবণের শরীরে উপস্থিতিটা খুব দরকারি। না হলে শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যাবে। তাই নুন-চিনির জল খেতে পারেন। বা এক লিটার জলে ইলেকট্রল ভিজিয়ে সারা সকাল ধরে অল্প অল্প করে। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইট শরীর এই পাণীয় থেকে পেয়ে যায়।

৪। মাল্টি ভিটামিনের উপকার
চিকিৎসকের পরামর্শে মাল্টিভিটামিন খাওয়াটাও পেশির টানের হাতে থেকে রক্ষা পাওয়ার অন্যতম ভালো রাস্তা। কারণ সহজলোভ্য মাল্টি ভিটামিনের মধ্যে সঠিক পরিমাণে ক্যালসিয়াম আর ম্যাগনেসিয়াম থাকে। এই দুটি যৌগই পেশির স্থিতিস্থাপকতা বাড়াতে সাহায্য করে।

16/04/2022

ব্লাড প্রেসারের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হতে না চাইলে প্রতিদিন খেতে হবে একটা করে কলা!

গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে ব্লাড প্রেসারের মতো রোগের প্রকোপ চোখে পরার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে প্রতি ৮ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১ জন ব্লাড প্রেসারের রোগী। আর সবথেকে ভয়ের বিষয় হল উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশিরভাগরই বয়স ৪৫ এর নিচে। এমন পরিস্থিতিতে প্রত্যেক ভারতীয়েরই যে প্রতিদিন একটা করে কলা খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আসলে এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাসিয়াম, যা শরীরে প্রবেশ করার পর সোডিয়ামের প্রভাবকে কমাতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক সমস্যাও বাগে চলে আসে। যেমন ধরুন...

১. হাড় শক্তপোক্ত হয়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত একটা করে কলা খাওয়া শুরু করলে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর হতে সময় লাগে না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হাড় শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে অস্টিওআথ্রাইটিস মতো বোন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যায় কমে।

২. দৃষ্টি শক্তির উন্নতি ঘটে:
একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটাতে বাস্তবিকই কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে কলাতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে রেটিনার ক্ষমতাও এতটা বৃদ্ধি পায় যে ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বা কোনও ধরনের চোখের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না বললেই চলে।

৩. সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে:
বছরের শেষেও অফিসে এমন কাজের চাপ যে ক্লান্তি ঘরির কাঁটার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে বাড়তে মাত্রা ছাড়িয়েছে? ফিকার নয়! এমন পরিস্থিতিতে একটা কলা খেয়ে নেবেন সব সময়। তাহলেই দেখবেন অনেক চাঙ্গা লাগবে। কারণ ক্লান্তি দূর করতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এই কারণেই তো অ্যাথেলিটদের রোজের ডেয়েটে আর কিছু থাকুক না থাকুক কলা থাকেই!

৪. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
কলা খাওয়ার পর যদি কলার খোসা মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে একাদিক যেমন ত্বকের রোগের প্রকোপ কমে, তেমনি স্কিনের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরে আসে। আসলে কলার খোসার অন্দরে থাকা একাধিক উপাকারি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, কলার খোসায় থাকা উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৫. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে কলার অন্দরে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটে। তাই পুজোর পর থেকে যদি পেটটা ঠিক না যায়, তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত কলা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।

৬. স্ট্রেস কমে চোখে পরার মতো:
ছেলেরা কেন ভারী নিতম্বের মেয়েদের পছন্দ করেন?
২৭ বছর আগে রেলের কামরায় এই যুবতীর সম্মানরক্ষা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী
দেশ জুড়ে হাজার হাজার সেনার জীবন বাঁচাতে নজিরবিহীন আবিষ্কার কিশোরের
৬. স্ট্রেস কমে চোখে পরার মতো:
বেশ কিছু গবেষণায দেখা গেছে রোজের ডায়েটে কলাকে জায়গা করে দিলে শরীরে ট্রাইপটোফিন নামক একটি উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে স্ট্রেস লেভেল তো কমেই, সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদের প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। তাই তো বলি বন্ধু আজকের যুবসমাজের সিংহভাগই যখন স্ট্রেস নামক সমস্যার শিকার, তখন নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন যে বেড়েছে, সে বিষয়ে কিন্তু কোনও সন্দেহ নেই!

৭. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়:
শরীরের সচলতা বজায় রাখতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেলের প্রয়োজন পরে শরীরের। আর এইসব উপাদানের যোগান শরীর পায় খাবারের মাধ্যমে। সমস্যাটা হল আজকের প্রজন্ম এতটাই ব্যস্ত যে তাদের হাতে ঠিক মতো খাওয়া-দাওয়া করার সময় নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়, পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার কারণে নানাবিধ রোগ এসে বাসা বাঁধে শরীরে। এমন পরিস্থিতি কলা কিন্তু দারুন কাজে আসতে পারে। কিভাবে? এই ফলটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল। সেই সঙ্গে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং ফলেটের মতো উপাদান, যা শরীরকে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই এবার থেকে ঠিক সময় খাবার খাওয়া সুযোগ না পেলে ২-৪ টে কলা খেয়ে নিতে ভুলবেন না যেন!

৮. টক্সিক উপাদানেরা সব বেরিয়ে যেতে শুরু করে:
শুনতে আজব লাগলেও একথা ঠিক যে শরীরের ইতি-উতি উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে দেহের প্রতিটি অঙ্গকে চাঙ্গা রাখতে কলার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত প্রেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরের প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর উপাদানদের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করে। ফলে রোগমুক্ত শরীরের অধিকারী হয়ে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না।

৯.অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায়:
কলায় রয়েছে বিপুল পরিমাণে আয়রন, যা শরীরে লহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা এমন রোগে ভুগছেন, তারা আয়রন ট্য়াবলেটের পাশাপাশি যদি নিয়ম করে কলা খেতে পারেন, তাহলে কিন্তু দারুন উপকার মিলতে পারে।

১০. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
কলার শরীরে পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাওয়ার পরিমাণ কমতে শুরু করে। আর কম খেলে যে ওজনও কমে, সে কথা কার না আজানা বলুন! প্রসঙ্গত, ফাইবার কনস্টিপেশনের মতো রোগ সারাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১১. ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না:
কলা খাওয়া মাত্র শরীরে কম-বেশি ৩ গ্রামের মতো ডায়াটারি ফাইবারের প্রবেশ ঘটে। যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না। এই কারণেই তো টাইপ ১ এবং ২, দু ধরনের ডায়াবেটিস রোগীদেরই এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। আর যদি এই মারণ রোগ থেকে দূরে রাখতে হয়, তাহলে কিন্তু নিয়মিত এই কলা খাওয়া মাস্ট!

Photos from Man Power Shop's post 16/04/2022

গর্ভাবস্থা ডায়াবেটিস থেকে বাঁচতে চান তো বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড করাতে ভুলবেন না যেন!


ব্রেস্টফিডং-এর সঙ্গে ডায়াবেটিস রোগের কি সম্পর্ক? প্রকাশিত এক গবেষণা পত্র অনুসারে বাচ্চা জন্মানোর পর তাকে যদি টানা ৬ মাস মায়ের দুধ খাওয়ানো যায়, তাহলে মায়ের শরীরে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের মতো রোগ বাসা বাঁধার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়। গত তিন দশক ধরে প্রায় ১২০০ মহিলার উপর এই গবেষণাটি চালিয়েছিলেন একদল মার্কিন গবেষক। পরীক্ষাটি চলাকালীন তাঁরা মায়েদের শরীরে যে যে পরিবর্তন লক্ষ করেছিলেন, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ তুলে ধরেছেন জার্নাল অব আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন পত্রিকায়। সেখানে তারা দাবি করেছেন যেসব মায়েরা টানা ৬ মাস তাদের বাচ্চাদের নিজের দুধ খাইয়েছেন, তাদের ডায়াবেটিসের মতো রোগ আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৪৭ শতাংশ কমেছে। কারণ ব্রেস্টফিডিং-এর সময় মায়ের শরীরে বেশ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। গত কয়েক দশকে আমাদের দেশে যে হারে ডায়াবেটিস রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পয়েছে, তাতে এই আবিষ্কার যে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রকাশিত একাধিক সমীক্ষা রিপোর্ট অনুসারে ধীরে ধীরে আমাদের দেশে ডায়াবেটিস রোগ মহামারির আকার নিতে চলেছে। কারণ গত কয়েক বছরে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা এতটা বেড়েছে যে বর্তমানে প্রায় ৬২ মিলিয়াম ভারতবাসী ডায়াবেটিস রোগের শিকার, যা সারা বিশ্বের মধ্যে সবথেকে বেশি। এমন পরিস্থিতিতে শুধু ভাবী মায়েরাই নন, প্রত্যেকটি ভারতীয়রই এই প্রবন্ধে চোখ রাখা উচিত। কারণ এই লেখায় এমন কিছু ঘরোয়া খাবার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যা নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। এক্ষেত্রে যে যে খাবারগুলি রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল...

১. বিনস:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই সবজির অন্দরে উপস্থিত ফাইবার, ক্যালসিয়াম এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান শুধু ব্লাড সুগার নয়, খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে এবং অতিরিক্ত ওজন ঝরিয়ে ফলতেও সাহায্য করে। আসলে নিয়মিত ১ কাপ করে বিনস খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকে। যার প্রভাবে ক্ষিদে কমে যায়। ফলে ক্যালরির প্রবেশ কমে যাওয়ার কারণে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা কমে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেও টাইপ-২ ডায়াবেটিস ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

২. ডেয়ারি প্রডাক্ট:
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্রে এমনটা দাবি করা হয়েছে যে শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর মাত্রা যত বাড়ে, তত ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। অনেক ক্ষেত্রে তো এই মারণ রোগ শরীরে বাসা বাঁধার সম্ভাবনা প্রায় ৩৩ শতাংশ কমে যায়। তাই তো এমন ধরনের রোগের খপ্পর থেকে বাঁচতে নিয়মিত দই, দুধ বা যে কোনও ধরনের দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। কারণ প্রায় প্রতিটি ডেয়ারি প্রডাক্টেই প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি থাকে, যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে।

৩. মাছ:
হে মাছে-ভাতে বাঙালি যদি ডায়াবেটিস রোগ থেকে দূরে থাকতে চান, তাহলে ভুলেও রোজের ডেয়েট থেকে মাছকে বাদ দেবেন না যেন! কারণ মাছের অন্দরে উপস্থিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, এই উপকারি ফ্যাটি অ্যাসিডটির মাত্রা শরীরে বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে আরও অনেক উপকার পাওয়া যায়, যেমন ধরুন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে, দেহে প্রদাহের মাত্রা কমে এবং অতিরিক্ত ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না।

৪. ওটস:
বিনসের মতোই এই খাবারটিও ডায়াবেটিস রোগকে প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন ব্রেকফাস্টে যদি ওটসকে জায়গা করে দিতে পারেন, তাহলে সুস্থ জীবনের স্বপ্ন পূরণ হতে একেবারেই সময় লাগে না। আসলে এই খাবারটির অন্দরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এবং মিনারেল, যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে থাকে।

৫. জাম:
স্বদে মিষ্টি হলেও ডায়াবেটিসকে রোগকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই ফলটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ জামের অন্দরে উপস্থিত ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ভিতর এবং বাইরে থেকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে শুধু ডায়াবেটিস নয়, কোনও ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষার সুয়োগ পায় না। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল এমন একটি উপাদান, যা ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখতেও সাহায্য করে। আসলে এই উপাদানটি শরীরে প্রবেশ করার পর ক্ষতিকারক সব টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে শুরু করে। ফলে শরীরে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

12/04/2022

যৌবন ধরে রাখতে ও সুস্থ থাকতে থানকুনি পাতা খাও...

১. পেটের রোগ নির্মূল করতে থানকুনির বিকল্প নেই। নিয়মিত খেলে যে কোনও পেটের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একই সঙ্গে পেট নিয়ে কোনও দিনও সমস্যায় ভুগতে হয় না।

২. শুধু পেটই নয়, আলসার, এগজিমা, হাঁপানি-সহ নানা চর্মরোগ সেরে যায় থানকুনি পাতা খেলে। ত্বকেও জেল্লা বাড়ে।

৩. থানকুনি পাতায় থাকে Bacoside A ও B। Bacoside B মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল বাড়ায়। থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।

৪. থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে।

৫. মৃতকোষের ফলে চামড়ায় অনেক সময়ই শুষ্ক ছাল ওঠে। রুক্ষ হয়ে যায়। থানকুনি পাতার রস মৃতকোষগুলিকে পুনর্গঠন করে ত্বক মসৃণ করে দেয়।

৬. পুরনো ক্ষত কোনও ওষুধেই না সারলে, থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে তার জল লাগালে সেরে যায়। সদ্য ক্ষতে থানকুনি পাতা বেটে লাগালে, ক্ষত নিরাময় হয়ে যায়।

৭. থানকুনি পাতা চুল পড়া আটকে দেয়। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে।

৮. বয়স বাড়লেও, যৌবন ধরে রেখে দেয় থানকুনি পাতার রস। প্রতিদিন একগ্লাস দুধে ৫-৬ চা চামচ থানকুনি পাতার রস মিশিয়ে খেলে, চেহারায় লাবণ্য চলে আসে। আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।

৯. দাঁতের রোগ সারাতেও থানকুনির জুড়ি মেলা ভার। মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে বা দাঁতে ব্যথা করলে একটা বড় বাটিতে থানকুনি পাতা সিদ্ধ করে, তারপর ছেঁকে নিয়ে সেই জল দিয়ে কুলকুচি করলে উপকার পাওয়া যায় চটজলদি।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Chittagong
4000