Daily Healthy Life tips
Global branded natural product sales agency all over the Bangladesh by e-Commerce....
19/12/2020
সুস্থ থাকার উপায় ১০ টি প্রয়োজনীয় হেলথ টিপস:
আমরা সবাই সুস্থ থাকতে চাই। কিন্তু চাইলেই কি তা সম্ভব ! আজ আমরা জানবো প্রয়োজনীয় ১০টি হেলথ টিপস। যা আপনাকে আমাকে সুস্থ থাকতে অত্যন্ত সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
১) প্রতিদিন ৮ গ্লাস পান করুন।
২) প্রত্যেক বারের খাবারে দুইটি সবজি এবং একটি ফল অন্তর্ভুক্ত করুন।
৩) প্রত্যেকবারের খাবারের শুরুতে কাঁচা সবজির সালাদ খান এবং ভাজা খাবার পরিত্যাগ করুন।
৪) বিভিন্ন রকমের টাটকা সবজি দিয়ে হালকা নাস্তা তৈরি করুন।
৫) দিনের শুরুতে লেবু দিয়ে হালকা গরম পানি পান করুন।
৬) সপ্তাহে অন্তত একদিন দুপুর পর্যন্ত শুধুমাত্র ফল খান এবং তারপর দিনের প্রথম খাবার খান।
৭) তৎক্ষনাত রান্না করা খাবার খান বাসি অথবা ফ্রিজের খাবার পরিহার করতে চেষ্টা করুন।
৮) কপির অভ্যাস পরিত্যাগ করুন তার পরিবর্তে টাটকা ফলের রস খান।
৯) খাবারের তালিকা থেকে চিনিযুক্ত খাবার যেমন পানীয়, আইসক্রিম, ক্যান্ডি এবং কুকিজ বাদ রাখতে পারেন।
১০) সবজি কাটার আগেই পরিষ্কার পানি দিয়ে অবশ্যই ধুয়ে নিন।
19/12/2020
নাশপাতি চর্বির পরিমাণ এবং ক্যালরির পরিমাণ অত্যন্ত কম আছে। অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন, মিনারেল ও এন্টি-অক্সিডেন্ট আছে। চার হাজারেরও বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে নাশপাতি উৎপাদিত হচ্ছে।
সকলের চলুন জেনে নিই নাশপাতি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য কি কি উপকার করে ...........
1) নাশপাতি রক্তে অ্যালকোহলের পরিমাণ কমিয়ে থাকে কয়েকমাস আগে এক গবেষণায় জানা যায়, যে যারা নাশপাতি খায়, তাদের স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।
2) ডায়াবেটিস এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে এই নাশপাতি। চিকিৎসায় নাশপাতি তেল ডায়াবেটিস রোগের প্রতিরোধ ব্যবহার করা হয় ।
3) রক্তের শর্করার পরিমাণ কমে দেয়। চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে, নাশপাতি খাওয়া হয়।
4) নাশপাতিতে রয়েছে ভিটামিন এ যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
5) ত্বক ও কিডনির সমস্যা দূর করে নাশপাতি খাওয়া ভালো। নাশপাতিতে রয়েছে এন্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের ত্বককে পরিষ্কার করতে মসৃণ রাখতে সাহায্য করে।
6) বিভিন্ন ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে। আমাদের অনেক উপকার করে থাকে।যেমন, গর্ভাবস্থায় এই নাশপাতি খেলে গর্ভবতী মহিলাদের যে ফলিক এসিডের অভাব বোধ হয়।
19/12/2020
আনারস নানান পুষ্টিগুণ ও এনজাইম সমৃদ্ধ যেগুলো একসঙ্গে কাজ করে বিপদ বাড়ায়। গরমে শরীর সুস্থ রাখতে আনারসের জুড়ি নেই। আনারস হজমে সাহায্য করে। আনারসে ব্রোমেলাইন নামক এনজাইম যা শরীর ও সংযোগস্থলের ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। হজমে সাহায্য করে ক্যালোরি কম এই ফল মিষ্টি ও টক স্বাদযুক্ত যা নাস্তা হিসেবে ভালো লাগলে, কয়েক টুকরো আনারস কম ক্যালরি সমৃদ্ধ ফল দীর্ঘক্ষন পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আনারস ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সব ঋতুতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি সর্দি দূর করে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে উন্মুক্ত মৌল দূর করে বিষাক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে ।
19/12/2020
সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি, আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় কেন খাবেন জামরুল ?
জামরুল মূলত ক্রান্তীয় অঞ্চলের ফল। ভারত ইন্দোনেশিয়া শ্রীলংকা ফিলিপাইন থাইল্যান্ড প্রচুর জামরুল হয়। আমাদের দেশে এখন বাণিজ্যিকভাবে ফলের চাষ হচ্ছে। সাধারণত মাঘ মাস থেকে চৈত্র মাসের মধ্যে জামরুল গাছে ফুল আসে,আর জৈষ্ঠ্য মাসের মধ্যে পাকা জামরুল পাওয়া যায়।
বর্ষায়ও ফল ধরে বছরে দুদিন দফায় ফল ধরে। তবে বর্ষায় জামরুল কম হয়। ডায়াবেটিক রোগীর জন্য খুবই উপকারী এই জামরুল আসুন জেনে নিই কেন খাবেন.... ...
1) জামরুলকে বলা হয়েছে তরমুজ আনারস এর সমান খনিজ পদার্থ। কলার চেয়ে তিনগুণ ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
2) জামরুল একটি লিচু সমান ক্যালসিয়াম পাবেন। আপনি একটি জামরুল পেপে ও কাঁঠাল এর চেয়ে বেশি আয়রন ।
3) কমলা আঙ্গুর এর চেয়েও বেশি ফসফরাস। তাই দেখতে ছোটখাটো হলেও জামরুল খুবই উপযোগী।
4) ওজন কমানোর চেষ্টায় আছেন তারা এই ফলটিকে পথ হিসেবে নিতে পারেন যতই খাওয়াবেন পেট ভরবে কিন্তু খুব বেশি মোটা হওয়ার ভয় থাকবে না।
5) এই ফলটি চাষে ক্যালরি শক্তি, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট খাদ্য, ফ্যাট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ও পটাসিয়াম ইত্যাদি নানা উপাদান ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়তে জামরুল এর জুড়ি নেই।
জামরুলের উপকারিতা
6) জামরুলের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায় ভিটামিন সি এবং জামরুল হজম শক্তি বাড়াতে ও দারুণ সহায়তা করে তাই যাদের পেটে হজমের সমস্যা আছে তারা বিনা দ্বিধায় জামরুল খেতে পারেন।
7) যারা কলেরার দুশ্চিন্তায় আছে তারা জামরুল খেলে উপকার পাবেন যারা ডায়াবেটিস নিয়ে শঙ্কায় আছেন তারা ডায়াবেটিসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে জামরুল খেতে পারেন।
8) নির্ঘুম কিংবা দুশ্চিন্তার যাদের চোখের কোলে কালি পড়ছে তারা খেতে পারেন ।
19/12/2020
কাঁচা ছোলার কি কি উপকারিতা আছে :
কাঁচা ছোলা আমরা শুধু যে কাঁচা খাই তা নয়, ছোলা আমরা সেদ্ধ করেও খাই| ছোলার তরকারি করেই খাই| যে যেভাবেই খাও না কেন ?, কাঁচা ছোলাটা কিন্তু সব থেকে বেশি উপকারী| এই ছোলার মধ্যে যেমন প্রোটিন থাকে, সেরকম কার্বোহাইড্রেট থাকে, ফ্যাট থাকে, ভিটামিন থাকে, ক্যালসিয়াম থাকে, ম্যাগনেসিয়াম থাকে, ফসফরাস থাকে এবং মিনারেলস থাকে|
কাঁচা ছোলা এনার্জি, শক্তি বাড়ায়| যারা মোটা হতে চান, পরিপাক -এর কোনো সমস্যা, তারা কাঁচা ছোলা খেতে পারেন| শরীরে জমা থাকা পায়খানা গুলো জমা থাকে, তখন বিভিন্ন রোগ হয় তার মানে ক্যান্সার-এর সমস্যা| কাঁচা ছোলা যৌন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে|
কাঁচা ছোলায় যে ক্যালোরি থাকে| সেটা কিন্তু আমাদের শরীরে অনেকখানি শরীরটাকে মজবুত করতে সাহায্য করে| সকালে ঘুম থেকে উঠে কাঁচা ছোলা খান, ছোলায় ক্যালসিয়াম থাকে যা বোন অপরিসীম|
কাঁচা ছোলার কি কি উপকারিতা আছে | কাঁচা ছোলার উপকারিতা | Benefits of Chickpea
কাঁচা ছোলার কি কি উপকারিতা আছে
কাঁচা ছোলার উপকারিতা :
শরীরের যে জীবাণু থাকে সেটাকে ধ্বংস করে, ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করে| ছোলাতে কিন্তু ফাইবার থাকে, যার জন্য কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে| ছোলা কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার কোন চান্সই থাকে না| ছোলার মধ্যে অ্যাসিড থাকার জন্য উচ্চ রক্তচাপ কেও নিয়ন্ত্রণ করে|হার্টের সমস্যা অনেকখানি কমে কারণ ছোলা আমাদের রক্তে চর্বি জমতে দেয় না| কাঁচা ছোলা আর কাঁচা আদা যদি তোমরা একসঙ্গে খেতে পারো তাহলে কিন্তু আমাদের শরীরে প্রোটিন এর অভাব পূরণ হবে| প্রোটিন আমাদের শরীরে স্বাস্থ্যবান এবং শক্তিশালী করবে আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে|
খালি পেটে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা :
সকালবেলায় একটু হালকা মধ্য দিয়ে কাঁচা ছোলা খেয়ে পারেন| কাঁচা ছোলা সেদ্ধ করেও খেয়ে পারেন| কাঁচাও খেতে পারবেন, কিন্তু প্রথম অবস্থায় কাচা খেলে দেখা যায় প্রচুর গ্যাস হয়| যখন গ্যাস হবে আপনার অস্বস্তি লাগবে, পায়খানা একটু নরম হয়ে যেতে পারে, কিন্তু সেদ্ধ করে নিলে এই গ্যাস হওয়ার প্রবণতা থেকে দূর হয়| প্রথম অবস্থায় অল্প অল্প করে খেতে খেতে আপনার চাহিদা মতো আপনি বাড়াবেন|
ছোট্ট ছোট্ট দানা কাঁচা ছোলা কতখানি উপকারে লাগতে পারে আমাদের তাই আজ থেকেই শুরু করে দাও, ছোলা খাওয়া অবশ্যই খুব ভালো হয়| সকালবেলায় গুড় দিয়ে কাঁচা ছোলা তোমরা খেতে পারো|
19/12/2020
আখের রস ও ডাবের পানির উপকারিতা:
গরমের সময় আখের রস ও ডাবের পানি অনেকেরই পছন্দ। এ দুটি উপকরণ শরীরের জন্য বেশ উপকারী। সব বয়সের মানুষ ডাবের পানি ও আখের রস খেতে পারেন।
আখের রস পুষ্টিগুণ:
ক) আখের রস, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালোরি, যারা দুর্বল বা ক্লান্ত থাকেন তারা খেলে উপকার পাবেন। খাওয়ার রুচি কম, এমন মানুষ আখের রস খেতে পারেন, এর ফলে তাদের রুচি বাড়বে।
খ) জন্ডিস কমাতে আখের রস কার্যকর ভূমিকা পালন করে। শিশুদের বৃদ্ধির জন্য এই রস খাওয়াতে পারেন।
গ) আখ চিবিয়ে রস খেলে মুখের ব্যায়াম হয়। উন্মুক্ত স্থানের মেশিনে ভাঙ্গানো আখের রস খাওয়া উচিত নয় এবং আখের রসের চিনির মাত্রা বেশি, তাই আখের রস খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
19/12/2020
ঢেঁড়সের উপকারিতা:
হ্যালো বন্ধুরা আশা করি ভাল আছেন, সুস্থ আছেন বরাবরের মতো আমার আজকের বিষয় মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর ঢেঁড়সের ভূমিকা|ঢেঁড়সের রস খেলে যে দশটি অসুখ থেকে মুক্ত থাকবেন তো চলুন এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে,
1) গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত একবাটি করে ঢেঁড়সের তরকারি খেলে কিডনিতে জমতে থাকা ক্ষতিকর উপাদানের আয় বেরিয়ে যেতে শুরু করে ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কোন ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি পাবে।
2) শরীরকে সচল এবং রোগমুক্ত রাখতে নিয়মিত যে যে উপাদান গুলির প্রয়োজন পড়ে ফলের তার মধ্যে অন্যতম দায়িত্ব দেহের অন্দরে এই উপাদানের ঘাটতি হওয়া একেবারেই উচিত নয় কারণ এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফলে যা দেহের চাহিদা মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
3) কনস্টিপেশনের প্রকোপ কমায় শরীরে থাকা ফাইবার শুধুমাত্র হাটের খেয়াল রাখে না সেইসঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট উন্নতি ঘটানোর মধ্য দিয়ে কনস্টিপেশন ভজন এবং গ্যাস অম্বল এর মত রোগের প্রকোপ কমাতে ও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
4) ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধ করে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকার কারণে প্রতিদিন এই সবজিটি খেলে একদিকে যেমন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে ।
ঢেঁড়সের উপকারিতা
5) কোষের বিভাজন ও ঠিক ঠিক নিয়ম মেনে হওয়ার সুযোগ পায় কারণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান দেহের কোষ গঠনের পরিবর্তন করার কোন সুযোগই দেয় না ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস পায়।
6) ওজন বৃদ্ধি বা অতিরিক্ত কারণে যদি ওজন চিন্তা থাকে হলে প্রতিদিনের ডায়েটে ঢেঁড়শের অন্তর্ভুক্তি মাস্ট কারণ এই সবজিটির থাকা ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে ফলে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা যেমন কমে সেই সঙ্গে বারে বারে খাওয়াও কমে।
19/12/2020
আপনি কি জানেন গ্রিন টি কখন খাওয়া উচিত আর কখন খাওয়া উচিত নয়। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এবং স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী নিঃসন্দেহে তাদের প্রথম পছন্দ গ্রিন টি। গ্রিন টি খেতে অনেক বেশি ভালো তা নয় বরং এই চায়ের স্বাদ ভালো না বললেই চলে। তারপরও জানা অনেক বেশি স্বাস্থ্যসচেতন ওজন কমাতে চান। এমন মানুষের কাছে গ্রিন টি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, তবে গ্রিন টি খাচ্ছেন স্বাস্থ্যের কথা ভেবে কিন্তু কখন খাবেন ?
ক) তার ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানেন তো।
খ) আপনি 3 টি খাওয়ার সঠিক সময় না জানলেন তবে খেয়ে তো আপনার তেমন উপকার হবেই না বরং ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।
গ) আপনি এই ভুলটি যেন আপনার না হয় ।
ঘ) তাহলে জানা যাক গ্রিন টি পান করার সঠিক সকালে নাস্তা করার আগে-নাকি পরে। সকালে উঠে অবশ্যই নাস্তা এমন খাবার খাওয়া উচিত যাতে করে সারা দিন আপনার শরীর অনেক ভালো থাকে, তাই সকালে আপনি অবশ্যই চা খাবেন।
খালি পেটে এতে দেখা যাবে আপনার ডিহাইড্রেশনের সমস্যা হবে। আর তাছাড়া খালি পেটে গ্রিনটি খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কিংবা আলসার হতে পারে । সুতরাং সকালের নাস্তায় হেলদি কোন খাবার খান।
রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে গ্রিন টি আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে। আর এটা অনেক বেশি কাজ করবে ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ না আপনি অন্য কিছু খাবেন। অনেক সময় যা আপনার ঘুম নষ্ট করে এ জন্য চা পান করার সাথে সাথে ঘুমাতে না গিয়ে ঘুমানোর দুই ঘণ্টা আগে পান করুন, ব্যায়াম করার পূর্বে, নাকি পরে ব্যায়াম করার আধা ঘন্টা আগে, গ্রিন টি পান করুন যদি আপনি আধা ঘণ্টা আগে পান করেন তবে এতে করে আপনার কর্ম ক্ষমতা বাড়বে ।
19/12/2020
প্রচন্ড গরম কাল, তাই বলে কি আমরা বাড়ির বাইরে বেরোবো না এটা তো হতেই পারে না| রোজই আমাদের বিভিন্ন কাজে বাড়ির বাইরে বেরোতে হয়| তবে সব সময় প্রচুর পরিমাণে জলটাকে বয়ে নিয়ে যেতে পারি না| যেটুকু জল নিয়ে যায় সেটুকু হয়তো শেষ হয়ে যায়| জল তেষ্টা পায়, তখন আমরা সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা পানীয়(coca cola, thums up) খেয়ে নিই| এটা কিন্তু একদম ঠিক না| সেই ঠান্ডা পানীয়-এর (coca cola, thums up) বদলে তোমরা খেতে শুরু করো ডাবের জল|
ডাবের জল কেন খাবো ?
ডাবের জল কেন খাবো, তার কারণ হলো- ঠান্ডা পানীয় (coca cola, thums up) তো আমাদের শরীরে সত্যি ভীষণ ভাবে ক্ষতি করে, সেই একই টাকাতে আমরা যদি একটা ডাবের জল খেতে পারি তাহলে, সেটা আমাদের শরীরে যেমন ভালো করবে, তার সঙ্গে আমাদের চুল ও ত্বকেরও কিন্তু খেয়াল রাখবে|
ত্বক ও চুলের যত্ন:
ডাব কিন্তু আমাদের শরীরে অনেকখানি উপকার করে| শুধু শরীরের ভিতরে বলবো না তার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বক চুল বলো, সেটাও কিন্তু সমান ভাবে উপকার করে| একটা ডাবের জল যদি নিয়মিত আমরা খেতে পারি, তাহলে আমাদের হৃদয় কিন্তু ভীষণ ভাবে ভালো থাকে| হার্টঅ্যাটাকে সম্ভাবনা কিন্তু অনেকখানি কম হবে| যদি একজন মানুষ প্রতিদিন একটা করে ডাব খেতে পারে তাহলে কোলেস্টলের মাত্রাটা অনেকখানি কমে যায়|
3 benefits of dab water skin and hair care
ডাবের জলের উপকারিতা
ডাবের জলের উপকারিতা :
যারা রক্তচাপ-এ ভুগছে, তারা যদি রোজ একটা করে ডাবের জল খেতে পারো, তাহলে কিন্তু তাদের এই নিম্ন রক্তচাপ এর সমস্যা থেকে বাঁচবে| শুধু নিম্ন রক্তচাপ বলবো কেন যারা উচ্চ রক্তচাপ-এ ভোগে, তারাও যদি ডাবের জল খায়, তাহলে কিন্তু তারাও ভীষণ উপকৃত হবে|
কিডনির সমস্যা থেকেও রক্ষা করতে পারে, ডাবের জল নিয়মিত যদি খেতে পারো তাহলে কিডনিতে পাথর হওয়া থেকেও কিন্তু বাঁচতে পারে| কিডনিতে পাথর হলে তো শরীরে অনেক রকম সমস্যা দেখা দেয়, সেই সমস্যা থেকেও কিন্তু রক্ষা পাবে| ডাবের জল কিন্তু বিপাক টাকেও ঠিক সাহায্য করে| শরীরে প্রচুর পরিমাণে ক্যালোরি হয়ে যায়, এত ক্যালরি তো ঠিক নয়, তাই এই ডাবের জল যদি নিয়মিত পান করো তাহলে কিন্তু বিপাক এর যে হারটা এটা কিন্তু নিয়ন্ত্রণে থাকে|
ওজন কমাতে :
ডাবের জল আমাদের ওজন কমাতে ভীষণ সাহায্য করে| ডাবের জল খেলে ওজনটা কিন্তু চট করে বাড়বে না, ওজনটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে| ডাবের মধ্যে যেহেতু ফাইবার থাকে, তাই হজমে কিন্তু ভীষণ ভাবে সাহায্য করে| যারা ডায়বেটিস রোগী তারা মিষ্টি বলেই মানে ডাবের জলটা যেহেতু একটু মিষ্টি হয়, তাই খেতে ভয় পায়| কিন্তু এটা সম্পূর্ণ রূপে সুগার ছাড়া, তাই ডায়বেটিস রোগীরা কিন্তু অনায়াসে খেতে পারো|
দেহে লবন ও জল নিয়ন্ত্রণ :
পানিশূন্যতা হয়েছে, সেটাও কিন্তু ডাবের জল রক্ষা করে| ডাবের জল আমাদের শরীর থেকে যে জল এবং নবন বেরিয়ে যায় সেটাকেও কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করে| শরীরের ভিতরেতো করেও তার সঙ্গে সঙ্গে কিন্তু শরীরের বাইরে চুলও কিন্তু ভালো করে| ত্বকের যদি যেকোনো কালো কালো ছোপ ছোপ যদি দাগ হয়ে যায়, তো ডাবের জল যদি আমরা মাকতে পারি তাহলে সেই দাগটা কিন্তু বেশ খানিকটা চলে যায়| নিজেদের তো ভালো লাগবে নিজের কাছের মানুষদের ভীষণ ভালো লাগবে আর এই গরমে সকলে ভীষণ ভাবে সুস্থ থাকবে
19/12/2020
কাঁঠালের উপকারিতা:
কাঁঠাল বাংলাদেশের জাতীয় ফল| কাঁঠালের ইংরেজি বৈজ্ঞানিক নাম আর্তচারপুস হেতেরোফিলাস। পাহাড়ি এলাকার রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি এলাকার সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপন্ন হয়। তাহলে বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালের উপকারিতা জেনে নিন .....
1) কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন b6 এবং প্রচুর পরিমাণ ক্যালরি। তবে এতে কোনো রকম কোলেস্টেরল নেই ।
2) কাঁঠাল একটি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন সি রয়েছে ।
3) কাঁঠাল খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বরং শরীরকে ইন্সটল এনার্জি সরবরাহ করে এই ফল ।
4) পটাশিয়াম শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক রাখে এর ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে ।
5) হার্টে ভালো থাকে এবং হজমশক্তি বাড়ায় এবং পেট পরিষ্কার রাখে ।
6) কাঁঠাল নিয়মিত খেলে ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে' এ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই এবং বিটা ক্যারোটিন চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে।
কাঁঠালের উপকারিতা
7) প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকার জন্য এই ফল খেলে ওজন বাড়ে এবং ত্বকে বলিরেখা পড়ার সম্ভাবনা কম নয় ।
8) ক্যালসিয়াম এর পক্ষে, অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এমনকি নিয়মিত খেলে আর্থারাইটিস এবং অস্টিওপোরোসিস এর যন্ত্রণা প্রকোপ অনেকটাই কমে।
9) লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে ।
19/12/2020
সব রান্নাতেই কিন্তু আদা ব্যবহার করা হয়| নিরামিষ বলো, আমিষ বলো কিংবা চাইনিস বা অন্যান্য দেশের রান্নাতেও আদার কিন্তু ব্যবহার হয়, আর এটা না দিলে রান্নার স্বাদটা ঠিকমত খোলেই না|আদা আমাদের কিন্তু প্রায় প্রত্যেকটা রান্নাতেই ভীষণ ভাবে ব্যবহার হয়| এই আদার গুণ কতখানি, আদা চা বা আদার রস খেলে আমাদের শরীরে কি কি উপকার হয় সেটাই জানাবো|
বহু প্রাচীন কাল থেকেই কিন্তু ভেষজ ঔষধ হিসেবে আদার ব্যবহার চলে আসছে| আমরা নিয়মিত এই রান্নায় ব্যবহার করি কিংবা অনেক সময় কাঁচাও খেয়ে থাকি|
আদার চা বা আদার রস তৈরি:
আদা একটু থেঁতলে নিয়ে চিপে নিলেই কিন্তু আদার রস বেরিয়ে যাবে আর চা করে আদাকে একটু থেঁতলে নিয়ে যদি তুমি ফুটিয়ে নাও, তাহলে গরম আদার চা তৈরি হয়ে যাবে| মধু মিশিয়েও খেতে বা এমনিও খেতে পারো অথবা একটু লিকার চা মধ্যে দিয়ে খেতে পারো|
পেট ব্যথা:
তাৎক্ষণিক পেট ব্যথা, হঠাৎ করে পেটে ভীষণ ব্যথা শুরু হয়ে গেল, সে ক্ষেত্রে যদি তোমরা আদার রস বা আদা চা খাও, তাহলে খুব ভালো কাজ করে, কারণ আদার মধ্যে আছে, বেদনা নাশক উপাদান, মানে ব্যথা কমানোর উপাদান থাকে| যার জন্য ব্যথা কিন্তু অনেকখানি কমে যায়| যদি তোমার খুব বাড়াবাড়ি হয় তাহলে তো অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবে| কিন্তু একটু ব্যথা হচ্ছে সেক্ষেত্রে তোমরা আদা চা খেলে অনেকখানি কিন্তু উপশম হয়|
রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক:
রক্তসঞ্চালনকে ভালো করে এই আদার রস বা আদা চা| আমরা যদি নিয়মিত এই আদা চা খেতে পারি তাহলে কিন্তু আমাদের হাটের কোনো রকম রোগ দেখা দেবে না|আদার রস রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে|
তলপেটের ব্যথা:
মেয়েদের মাসিক বা ঋতুস্রাব হয়, তখন অনেক মেয়েদের তলপেটে ভীষণ ব্যথা হয়| তারা যদি নিয়মিত আধা চা খায়, তাহলে কিন্তু ব্যথাটা খুব-একটা হবে না| যদি পেটে ব্যথা একটু বেশী হয় তাহলে কিছুটা জল নিয়ে আদা একটু সেদ্ধ করে নেবে এবং একটা তোয়ালে নিয়ে সেই জলের মধ্যে চুবিয়ে চিপে নিয়ে গরম থাকা অবস্থাতেই তলপেটে একটু চেপে ধরবে, তাহলে অনেকখানি ব্যথার উপশম হয়|
বাতের ব্যথা ও ক্লান্ত বোধ :
বাতের ব্যথার ক্ষেত্রেও কিন্তু আদার রস বা আদা চা খুব উপকারী| জয়েন্ট-এর যেকোনো সমস্যা এই আদা চা খাওয়া খুব ভালো| যদি ধরো তোমরা খুব ক্লান্ত হয়ে গেছো, কাজ থেকে বাড়ি ফিরে ভীষণ ক্লান্ত বোধ করছো তাহলে এক কাপ চায়ের সাথে আদা খেলে, কিন্তু নিজেদের ভীষণ শক্তিশালী লাগে|
মাইগ্রেনের সমস্যা :
অনেকেরই আছে যাদের মাইগ্রেনের সমস্যাতে ভীষণ ভোগে| প্রচুর মাথা যন্ত্রনা করে, তারা যদি আদা চা খায়, তাহলে খুব উপকার হয় কিংবা ধরো আদা একটু থেতলে একটু পেস্ট করে নিলে সেটা যদি কপালে লাগিয়ে রাখলে তাহলে মাইগ্রেনের ব্যথা অনেকখানি অবসন হয়|
ইনফেকশন ও দুর্গন্ধ
ইনফেকশন ও দুর্গন্ধ
ইনফেকশন ও দুর্গন্ধ :
কোনরকম মুখের মধ্যে ইনফেকশন হয়েছে এবং মুখের মধ্যে ভীষণ একটা বাজে দুর্গন্ধ হয়েছে সে ক্ষেত্রে যদি একটু আদা খাওয়া যায় তাহলে সেটা খুব ভালো কাজ করে, কারণ আদা ব্যাকটেরিয়ারোধী হিসাবে কাজ করে| আদার মধ্যে যেহেতু বিরোধী প্রদাহজনক এবং এন্টিফাঙ্গাল গুণ আছে, সেজন্য আমাদের শরীরের ভিতরে যেকোনো ধরনের ঘা বা সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে|
হজমে সাহায্য :
আধা কিন্তু খুব ভালোভাবে হজমে সাহায্য করে, যদি ধরো তোমার একটু ভারী খাবার খাওয়া হয়ে গেলো| একটু পেটটা ভার লাগছে, সেক্ষেত্রে যদি কিছুটা আদার টুকরো খেয়ে তারপর জল খেয়ে নাও তাহলে দেখবে বেশ নিজেদেরকে হালকা লাগছে|
বমি কমাতে :
গাড়িতে উঠলে বমি পায়, তাদের ক্ষেত্রে বলছি আদার টুকরো রেখো| যদি একটা আদার টুকরো তার মধ্যে একটু পুদিনা পাতা বাটা, একটু বিট লবন আর একটু লেবু দিয়ে মাখিয়ে তুমি রেখে দিতে পারো, এবার গাড়িতে উঠলে যখন তোমার বমি বমি পাচ্ছে ওইটা যদি খেতে পারো না তাহলে কিছুতেই আর বমিটা হবে না|
কাশি ও ঠান্ডা কমাতে :
ঠান্ডা লাগলে আদা ভীষণ ভালো ভাবে কাজ করে| যদি খুব কাশি হয় বা ঠান্ডা লেগে যায় সেই সময় আদার রস একটু মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারো| আদার রস বা আদা চা আমাদের শরীরে উপকার লাগে, সুস্থ রাখতে ভালো রাখতে আদার কিন্তু জুড়ি মেলা ভার| আদার চা বা আদার রস যদি নিয়মিত খেয়ে যাও না তাহলে ত্বকের মধ্যেও কিন্তু বার্ধক্যের ছাপ পড়ে না, ত্বকের বলিরেখাকে কিন্তু রোধ করতে পারে|
19/12/2020
মধু কেন খাবেন ?
অনেক উপকার আছে মধুতে| মধু খুব ভালো একটি শক্তি প্রদান পানীয়| আমাদের শক্তি বৃদ্ধি করে| কিন্তু আমাদের ওজন বাড়ায় না, কার্বোহাইড্রেট ওজন বাড়ায়| মধুর সাথে কার্বোহাইড্রেড একটা বিষয় আছে, কিন্তু ওজন বাড়ায় না|
বাসি পেটে মধু খাওয়ার উপকারিতা:
এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে যদি আমি মধু মিশিয়ে পান করি খাই, তাহলে কিন্তু আমার ওজন আরো কমবে| মধু ডাইজেস্ট এর জন্য খুব ভালো কাজ করে| যাদের পেটের সমস্যা হয় অ্যাসিড-এর, তারা মধু ওষুধের মতো ব্যবহার করতে পারেন| চর্ম রোগের জন্য কিন্তু মধু কাজ করে, internal ও external দুইটি ব্যবহার করা যায়| মধু সেই হাজার বছর ধরে ঐতিহ্যগত চিকিৎসায় ব্যবহার করা হচ্ছে|
বাচ্চা হওয়ার পর, যে মায়েরা দুধ হয় না মধু তাদের জন্য ভালো কাজ করে|সকালে গরম পানির সাথে মেশাবেন না, তখন ঠান্ডা পানির সাথে মিশিয়ে মধু খান|
রূপচর্চায় মধুর ব্যবহার :
মধু antiseptic loose motion sensor এবং মুখের ক্রিম গুলোতে ব্যবহার করা হয়| মধু কিন্তু কেটে গেছে লাগাই না, পুড়ে গেছে মধু লাগিয়ে দেন| থেঁতলে গেলে মধু লাগায়| মধু খেলে s*x বাড়ে| মধুতে তো আরো অনেক উপকার আছে, সেই জন্য সাধারণত পাঁচ বছর বয়স থেকেই মধু বাচ্চাকে খাওয়ানো যায়| মধু দুইবার করে প্রতিদিন সকালবেলা এক গ্লাস পানিতে মধু দিয়ে খেতে পারেন, স্মৃতিশক্তির জন্য ভালো কাজ করে| মধু খাওয়ার কথা আমরা এতক্ষণ বললাম, কিন্তু মধু রূপচর্চায় খুব ভালো কাজ করে |ত্বক পরিষ্কার করার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে| যাদের ব্রণ আছে তারা মধু লাগান কিছুক্ষণ পর পরিষ্কার করে ফেলুন খুব ভালো কাজ করবে|
মধু সেবনের আশ্চর্য উপকারিতা :
স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে| বাচ্চাদের সব রোগে মধু কালো জিরা ব্যবহার করতে পারব, কিন্তু সতর্ক থাকবো ডায়বেটিস রোগীরা অবশ্যই মধু খাবো না কারণ, এখানে যে চিনিটা আছে সেটা সমস্যা করবে|
ডায়বেটিস ছাড়া সবার জন্য মধু ও কালো-জিরা আমরা দুটি জিনিসকে সবসময় রাখতে পারি| ভিটামিন হিসেবে রাখতে পারি, ওষুধ হিসেবে রাখতে পারি|
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
GEC Circle
Chittagong
4212
