E-Natural Health Center
Welcome to E-Natural Health centre , not business, service is our main goal, stay with us to get som
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
01/04/2023
স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হল পুদিনা পাতার গুণাগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত।ভারতের ‘আরব্রো ফার্মাসিউটিকাল’য়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৌরভ অরোরা বলেন, "পুদিনা পাতায় পাওয়া যায় ‘পলিফেনল’ যা একে ঔষধি গুণ দেয়। হাঁপানি, পেটের গোলমাল সারাতে তাই পুদিনা পাতা বিশেষ উপকারী।"অপরদিকে এর ক্যালরি, প্রোটিন, চর্বি সবকিছুরই মাত্রা কম। ভিটামিন এ, সি আর বি – কমপ্লেক্স মেলে পুদিনা পাতা থেকে, যা ত্বকের যত্নে আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অত্যন্ত জরুরি উপাদান। এছাড়াও এই পাতায় মেলে লৌহ, পটাসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজ। এই খনিজ উপাদানগুলো রক্তে ‘হিমোগ্লোবিন’য়ের মাত্রা বাড়ায় এবং মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা অটুট রাখে।
হজমে সহায়ক: ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’, ‘মেন্থল’ আর ‘ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট’য়ের প্রাচুর্য থাকে পুদিনা পাতায়। এই উপাদানগুলো হজমের জন্য প্রয়োজনীয় ‘এনজাইম’ তৈরি করে। পুদিনা পাতার ‘এসেন্সিয়াল অয়েল’য়ের আছে শক্তিশালী জীবাণুনাশক ক্ষমতা। পাশাপাশি তা পাকস্থলিকে শীতল করে, অম্লীয় খাবার সামাল দিতে সাহায্য করে। ফলে পেটের গোলমাল কমে।
02/03/2023
এশিয়ার একটি পরিচিত মৌসুমি ফল। জাম গ্রীষ্মকালীন ফল হলেও এটি জুন, জুলাই বা আগস্ট মাসেও পাওয়া যায়। জাম একটি সুস্বাদু গ্রীষ্মমন্ডলীয় পুষ্পের মতো ফল যা ভিটামিন ও খনিজ পদার্থসমৃদ্ধ এবং এতে অনেক ঔষধি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এর অনন্য রঙ (বেগুনি কালো) এবং স্বাদ বেশিরভাগ মিষ্টি ও সামান্য টক। অন্যান্য ফলগুলোর তুলনায়, এটি স্বাস্থ্যকর এবং এতে আছে প্রয়োজনীয় পুষ্টি।
এটিতে ক্যালোরি খুব কম যা খুবই স্বাস্থ্যকর খাদ্যের মধ্যে একটি । এই ফলের বীজ, পাতা এবং ছালের ঔষধি মূল্য রয়েছে এবং এটি বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাগুলোতে ব্যবহার করা হয় এবং এর চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ
02/03/2023
মুখরোচক ফলের মধ্যে আম অন্যতম। কাঁচা কিংবা পাকা আমপ্রেমীদের কাছে আম মানেই প্রিয় একটি ফল। এ মূলত গ্রীষ্মকালীন ফল। স্বাদের দিক থেকে সাধারণত কাঁচা অবস্থায় টক আর পাকা অবস্থায় আম মিষ্টি হয়ে থাকে।
গরমের এ ফলটি যেমন শরবত হিসাবে পান করা যায় তেমনি মরিচ, চিনি লবণ দিয়ে কাঁচা আমের ভর্তাও লোভনীয় একটি খাবার। অনেকেই সারা বছর আমের স্বাদ নেওয়ার জন্য নানাভাবে আমের আচার করে থাকেন। এতে করে আম দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এ আমের আছে নানা গুণাবলি। পাকা অবস্থায় আমে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, খনিজ লবণ, আঁশ এবং ক্যারোটিন। যা আপনার চোখের জন্য খুবই উপকারী। তাই মৌসুমের এই পাকা আম আপনার চোখের দৃষ্টিশক্তি যেমন বাড়ায় তেমনি এ সময়ের জ্বর কিংবা সর্দি কাশি থেকেও আপনাকে সুরক্ষিত রাখে। এ ছাড়া আমে আছে কার্বোহাইড্রেট যা আপনার শরীরে শক্তি জোগাতে সহায়তা করে।
02/03/2023
রসুন আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান; এই রসুনে রয়েছে থিয়ামিন (ভিটামিন বি১), রিবোফ্লাবিন (ভিটামিন বি২), নায়াসিন (ভিটামিন বি৩), প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড (ভিটামিন বি৫), ভিটামিন বি৬, ফোলেট (ভিটামিন বি৯) ও সেলেনিয়াম। সেলেনিয়াম ক্যানসার প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। রসুনের মধ্যে রয়েছে এলিসিন নামে এক জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা ক্যানসারসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দূর করতে কার্যকর। এই এলিসিন নামে যে কম্পাউন্ড রসুনে পাওয়া যায়, তার কারণে রসুনকে সুপারফুডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
02/03/2023
কমবেশি বারো মাসই বাজারে থাকে বেগুন। তবে বেগুন যখন বেগুনি হয়ে ইফতারে শামিল হয়, তখন তার কদর যেমন বাড়ে, দামও তেমন বাড়ে। তবে শুধু বেগুনি কেন? ভর্তা, ভাজি, ঝোলেও বেগুন জনপ্রিয়।
শুধু স্বাদের কারণে নয়, বেগুন শরীরের পুষ্টি পূরণের প্রয়োজনীয় সবজি হিসেবে বিবেচিত। ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন, ‘একদিকে বেগুন খেতে ভালো, অন্যদিকে প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজে পূর্ণ। আছে খানিকটা কার্বোহাইড্রেট আর প্রচুর জলীয় অংশ। তাই যারা ওজন কমাতে চায়, তাদের জন্যও বেগুন খুব ভালো সবজি। তবে যাদের গেঁটে বাত আছে, কিংবা অ্যাজমা ও অ্যালার্জি থাকে, তাদের বেলায় বেগুনে খানিকটা বিধিনিষেধ আছে।’ বেগুনে বেশি গুণ কীভাবে হলো, সেটা জেনে নেওয়া যাক।
বেগুনে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদানগুলো দাঁত, হাড়ের জন্য খুব উপকারী।
02/03/2023
টমেটো একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি। টমেটো শীতকালীন সবজি হলেও এখন সারা বছর পাওয়া যায়। কাঁচা কিংবা পাকা দুভাবে টমেটো খাওয়া যায়। খাবারের স্বাদ বাড়াতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। অনেকে আবার সালাদে টমেটো খেয়ে থাকেন। শুধু খাবারে স্বাদই বাড়ায় না, টমেটো থেকে তৈরি হয় নানা রকমের কেচাপ, সস।
• পুষ্টিতে ভরপুর টমেটো। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলেট এবং পটাসিয়াম। টমেটো থেকে আরও পাওয়া যায় থায়ামিন, নায়াসিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং কপার। এ ছাড়াও এই এক কাপের টমেটোর মধ্যেই থাকে দুই গ্রামের মতো ফাইবার। অনেকটা পানিও রয়েছে এর মধ্যে।
• চর্মরোগের জন্য টমেটো অত্যন্ত কার্যকর উপাদান।
02/03/2023
আমাদের দেশ একটি প্রাকৃতিক সমৃদ্ধশালী একটি দেশ। নানা ধরনের গাছে ঘেরা, আমাদের এই দেশ। আমাদের এই দেশে, যেদিকে চোখ যায় চারদিকে শুধু গাছ আর গাছের সমারোহ। এদের মধ্যে কিছু যেমন ফুল গাছ রয়েছে, তেমনি রয়েছে ফল গাছ, রয়েছে নানা ধরণের ওষুধি গাছ। প্রতিটি ফুল গাছের যেমন সময়কাল আছে, ঠিক তেমনি করে ফলগাছের একটি নির্দিষ্ট সময়কাল আছে। যদিও বাংলা জৈষ্ঠ্যমাসকে ফলের মাস বলা হয়। তবুও সারা বছরই কোন না কোন ফলের দেখা মিলে আমাদের এই দেশে। নানা ধরণের জানা অজনায়া ফল গাছ রয়েছে আমাদের চারপাশে। এই গাছগুলোর মধ্যে বেশির ভাগ গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহকারী পাশাপাশি,আমাদের খাদ্যের যোগানদাতা বটে। গাছপালা থেকে আমরা নানা ধরনের ফলমূল থেকে আমাদের ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করে থাকি। তাই সেই জন্য গাছ আমাদের পরম বন্ধু হিসেবে কাজ করে।
01/03/2023
আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কেন? ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন—যা স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দরকারি। সুস্বাদু এ ফলের আছে নানা খাদ্য ও ভেষজ গুণ।
আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
আঙুরের বীজ ও খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা বার্ধক্য রোধে কাজ করে। শুধু তাই নয়, হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালিগুলোকে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে। আঙুরের সেলুলাস ও চিনি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়ক। যাঁরা রক্ত সঞ্চালনের ভারসাম্যহীনতায় ভোগেন, তাঁদের জন্য আঙুরের জুস খুবই উপকারী। আঙুরের ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের সহায়ক ও ইনসুলিন বৃদ্ধি করে। আঙুরের জুসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামিটরির মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, যা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রদাহ দূর করে। এই প্রদাহ ক্যানসার রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ হতে পারে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ডায়রিয়া, ত্বক ও মাইগ্রেনের সমস্যা দূর করতেও আঙুর সহায়তা করে
01/03/2023
তেতো হলেও অনেকের প্রিয় সবজি করলা। ভাজি, ভর্তা, ব্যাঞ্জনে করলার কদর অনেক। করলা রুচিবর্ধক সবজি। চিংড়ি সহযোগে ভাজি, ডালের সঙ্গে রান্না কিংবা কেবল মুচমুচে ভাজা-রান্না যেভাবেই হোক করলা সমান স্বাদের। গরম ভাতের পাতে আলু-করলা ভাজি খাবারকে আনন্দদায়ক করে তোলে। চৈত্রসংক্রান্তিতে করলা বা তেতো খাবার খাওয়া বাঙালির শত বছরের ঐতিহ্যও বটে। করলার ঔষধি গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। নিয়মিত করলা খেলে রোগবালাই দূরে পালাবে।
করলার পুষ্টিমান ও কেন নিয়মিত করলা খাবেন সে সম্পর্কে ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ ফাহমিদা হাশেম বলেন, এ গরমে স্বস্তি দেবে করলা, শরীর সুস্থ রাখবে। প্রতি ১০০ গ্রাম করলায় আছে ২৮ কিলোক্যালরি, ৯২ দশমিক ২ গ্রাম জলীয় অংশ, ৪ দশমিক ৩ গ্রাম শর্করা, ২ দশমিক ৫ গ্রাম আমিষ, ১৪ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১ দশমিক ৮ মিলিগ্রাম লোহা ও ৬৮ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
4000
