Simple & Easy
আপনাদের সন্তুষ্টি আমাদের সফলতা
13/10/2022
আসসালামু আলাইকুম।
আলহামদুলিল্লাহ আমার সৃষ্টিকর্তার কাছে তিনি আমাকে যেমন রেখেছেন।
শুকরিয়া তার কাছে আমাকে শারীরিক সুস্থতা দান করার জন্য।
সুস্থতা সৃষ্টিকর্তার সবচেয়ে বড় উপহার।
আমাদের আশেপাশে একটু লক্ষ্য করলেই দেখতে পাই কত মানুষ বিকলাঙ্গ, অনেকে আছে হাত পা সব আছে তাও চলার শক্তি নেই।
সৃষ্টিকর্তার কত দয়া আমাদের উপর আমাদের এত সুন্দর করে সৃষ্টি করে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন এবং সুস্থ রেখেছেন।
অবশ্যই উপরওয়ালার কাছে আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ।
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।
নিজেকে কখনো অলস বা কর্ম থেকে ছুটি দেবেন না।
আপনি যেই কর্মই করুন না কেনো সেটা যত ছোটো হোক তাতে সময় দিলে ইনশাআল্লাহ একদিন সাফল্য পাবেন।
কিন্তু নিজের কাজে মন না দিয়ে যদি অলস বা অবসর নিয়ে নেন তাহলে দেখা যায় খারাপ চিন্তাগুলো আপনাকে বেশি নাড়া দিবে।
কখনো নিজের কাজকে ছোটো মনে করবেন না।
আপনি সৎ পথে যেই কাজই করেন সেটা আল্লাহর কাছে অনেক বড়।
তাতে হয়তো আপনার গাড়ি বাড়ি অথবা বিলাসিতার চাহিদা পূরণ হবে না, কিন্তু আপনার মন শান্ত থাকবে এবং আল্লাহ সেই কাজে বরকত দিবেন।
নিজের সততায় অটুট থাকবেন।
পৃথিবীর কোনো কিছুর বিনিময়ে সৎ পথ ছাড়বেন না। একবার যদি সততার শেকল ভেঙে যায় তাহলে জীবনকে হতাশার শেকলে জড়িয়ে ফেলবেন।
বেঁচে থাকুন সৎ ও সাহসী হয়ে।
07/10/2022
জানেন কি মরিংগা পাউডার (Moringa Powder) বা সজিনা পাতা গুড়াকে সুপার ফুড বলা হয়।
সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে অবাক করবেঃ
সজিনা পাতায় কমলা লেবুর তুলনায় ৭ গুণ ভিটামিন-সি রয়েছে।
দুধের তুলনায় ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ রয়েছে।
গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
কলার চেয়ে ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।
শুনে আরও অবাক হবেন যে সজিনার পাতা পানিকে আর্সেনিক মুক্তও করে।
আসুন এই অলৌকিক পাতার আরো কিছু বিস্ময়কর গুন জেনে নেইঃ
সজিনার পাতা হৃদরোগীদের জন্যে ঠিক ওষুধের মত কাজ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, কোলেস্টেরল কমায়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে।
এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।
দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।
সজিনা পাতা বহুমূত্র রোগের জন্যে অনেক উপকারী।
সজিনার ডাটা থেকে সজিনার পাতা অধিক উপকারী।
এলার্জি জনিত সমস্যা হলে সজিনার পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
প্রতিদিন সকালে এক চামচ শুকনা গুড়া পানিতে গুলিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক মুক্তি পাওয়া যায়।
গেটেবাত এর জন্যে সজিনা পাতা বেটে হাটুতে বা যে স্থানে ব্যাথা হয় লাগিয়ে রাখলে ব্যাথা মুক্তি পাওয়া যায়।
সজিনার ফুল এ ও অনেক উপকার আছে যেমন : হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ট কাঠিন্য দূর করে ইত্যাদি।
সজিনার পাতা পোকার কামড়ের তাতক্ষনাৎ এন্টিসেপ্টিক হিসেবে অনেজ ভালো কাজ করে।
সজিনার পাতা ক্রিমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্রিমি সমস্যা করলে সজিনা পাতা গুড়ো করে অথবা অন্য খাবারের সাথে খান।
সজিনা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীর কে কর্মঠ রাখে। হাড় এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা আত্মরক্ষার ও ভূমিকা পালন করে।
সজিনা পাতা যকৃত ও কিডনির কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ করে কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।
সজিনা পাতা গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে কোনো ধরনের পার্শ প্রতিক্রিয়া ছাড়া।
শরীরের ওজন কমাতে অনেক সাহায্য করে। ব্যায়াম এর পাশাপাশি সজিনা পাতা খান।
ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ দের মতে সজিনা পাতা ও ডাটা প্রায় ৩০০+ রোগের জন্যে উপকারী ও রোগ নিরাময় করে।
04/10/2022
আপেলের পুষ্টি উপাদান:
আপেল সত্যিই খুব উপকারী ও সুস্বাদু ফল। আপেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। আপেলে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, খনিজ লবন, শর্করা, আঁশ, পেকটিন এবং ম্যালিক এসিড। আবার এর মধ্যে রয়েছে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট যা হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।
আপেলে শর্করার পরিমান প্রায় ৫০ শতাংশ। ভিটামিনের মধ্যে আছে, প্রচুর পরিমানে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি যা আমাদের শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয়।
তবে ভিটামিনের উপস্থিত আপেলের ছালে ও ছালের সাথে লাগানো অংশেই বেশি। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপেলের মাংসালো অংশের চেয়ে আপেলের ছালে প্রায় ৫ গুন বেশি ভিটামিন থাকে। এছাড়াও খনিজ লবনের মধ্যে আছে পটাশিয়াম, ফসফরাস ও লৌহ। আপেলে বোরনের পরিমানও খুব ভালো। আপেলে সোডিয়ামের পরিমান অতি সামান্য।
আপেল শর্করা শক্তির উৎস। এই শর্করা জাতীয় খাদ্য আমাদের খাদ্যনালীতে ধীরে ধীরে ভেঙ্গে হজম হয় বলে শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা অনেকটা স্থিতিশীল থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের আপেল খেলে তেমন কোনো অসুবিধার সৃষ্টি করে না বরং উপকার হয় অনেক বেশি।
আপেলে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্সের পরিমানও ভালো পরিমানে থাকে। যা আমাদের অনেক উপকারে আসে। হতাশা কমাতে বা কিছুটা নিরাপদ থাকতে ভিটামিন-বি ভূমিকা রাখে। তাই আমরা হতাশা কমাতে আপেল খেতে পারি।
আপেল খাওয়ার সঠিক সময়:
আপেল প্রচুর পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও সহজলভ্য একটি ফল। এই ফলটি আমাদের অনেক উপকার করে থাকে। নিয়োমিত এই ফলটি খেলে আমরা নানাভাবে উপকৃত হই। তবে গবেষকরা বলছেন, আপেল খাওয়ার কিছু সঠিক সময় রয়েছে_
সঠিক সময়:
আয়ুর্বেদীয় শাস্ত্রমতে প্রতিটি ফল খাওয়ারই একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। নির্দিষ্ট সময় মেনে ফলটি খেলে তা কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। আপেল খাওয়ার কিছু নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। পুষ্টি বিজ্ঞানিদের মতে সকাল বেলা আপেল খাওয়া খুবই উপকারী। আপেলের খোসা ও আঁশ পেকটিন সমৃদ্ধ।
ঘুমের অনিয়মের কারনে হজমজনিত সমস্যা দেখা দেয় বা বদহজম হয়ে থাকে। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আপেল খাওয়া সব থেকে ভালো। এতে করে অন্ত্রের ক্রিয়া সুষ্ঠভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে। আপেলে থাকা পেকটিন কোলনে উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। যা পরবর্তীতে পাঁচন তন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে থাকে। তাই সকালবেলা আপেল খাওয়া অত্যান্ত উপকারী।
সঠিক সময় নয়:
রাতে
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ দিন,
অথবা পেজে দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করুন
03/10/2022
পেয়ারা (বৈজ্ঞানিক নাম:Psidium guajava) এর পুষ্টি গুন ও উপকারিতাঃ
---------------------------------------------------------------
সাধারণত বর্ষার ঋতুতে বাংলাদেশে পেয়ারা প্রচুর ফলন হয়। ইহাছাড়া কৃত্রিম পরাগায়ণ বা কলম প্রযুক্তিতে অন্যান্য ঋতুতে ও ফলন ঘটে।
পেয়ারা Myrteae পরিবারের সদস্য। পেয়ারা সবুজ রঙের বেরী জাতীয় ফল। তবে লাল পেয়ারা (Marroonguava) ও দেখা যায়। যাকে রেড আপেল বলে।
পেয়ারার প্রায় ১০০টিরও বেশি প্রজাতি আছে। অনুমান করা হয় ১৭শ শতাব্দীতে পেয়ারা আসে।
পুষ্টিগুনঃ
---------------
*এটি একটি পুষ্টিকর ফল। এতে * ভিটামিন সি
* ক্যারোটিনয়েডস * ফোলেট * পটাশিয়াম * আঁশ এবং
* ক্যালসিয়াম প্রভৃতিতে সমৃদ্ধ।
* একশ’ গ্রাম পেয়ারায় দুইশ’ মি.গ্রা. ভিটামনি সি আছে
অর্থাৎ পেয়ারায় কমলার চেয়ে ৪গুণ বেশি
ভিটামিনসি আছে।
* পেয়ারার খোসায় কমলায় চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি
ভিটামিন সি থাকে।
* এই ফলে লৌহ উপাদানও পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান।
* পুষ্টিমানের বিবেচনায় কমলার মান যেখানে
১৮৬ পয়েন্ট। সেক্ষেত্রে পেয়ারার পুষ্টি মূল্যমান ৪২১
পয়েন্ট।
* পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে এন্টিঅক্সিডেন্ট ও
পলিফেনল আছে যা ক্যান্সার প্রতিরোধক।
* ১০০ গ্রাম পেয়ারায় পানি ৮৬.১০ গ্রাম, শক্তি ৫১
কি.ক্যালোরী, প্রোটিন ০.৮২ গ্রাম, আঁশ ৫.৪ গ্রা,
ফসফরাস ২৫ মি.গ্রা. সোডিয়াম ৩ মি.গ্রা. ভিটামিন এ
৭৯২ আই ইউ থাকে। তদুপরি পেয়ারাতে ম্যাঙ্গানিজ,
সেলিনিয়াম, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩ ইত্যাদি
মূল্যবান খনিজ ও ভিটামিন থাকে।
রোগ প্রতিরোধে পেয়ারার ভূমিকাঃ
----------------------------------------
* রোগ প্রতিরোধে পেয়ারার অনেক গুণ রয়েছে।
* পেয়ারার বীজে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬।
* পলিআন-সেচুরেটেড ফ্যাটি এসিড ও আঁশ বিদ্যমান। * পেয়ারা পাতার রস ক্যান্সার প্রতিরোধী এবং
* সংক্রমণ, প্রদাহ, ব্যথা জ্বর, বহুমূত্র, আমাশয় প্রভৃতি
রোগে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উপসংহারঃ
-------------------
এতএত, আমরা দেশীয় ফল বেশি বেশি খাই আার বিদেশি ফরমালিন যুক্ত আপেল বর্জন করি। নিরাপদ স্বাস্থ্য গঠন করি। দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Muradpur
Chittagong
4000
