Fitness Care bd
Welcome to Fitness Care bd, not business, service is our main goal, stay with us to get something go
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
10/03/2023
দীর্ঘ সময় যৌন ক্ষমতা অটুট রাখতে দুধের ভূমিকা অপরিসীম। দুধের প্রাণীজ যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। প্রাণীজ ফ্যাট শরীরে সেক্স হরমোন বৃদ্ধি করে। খাঁটি দুধ দেহের শুষ্কতা দূর করে, দ্রুত খাবার হজম হয়, রতিশক্তি সৃষ্টি করে এবং বীর্য উৎপাদন করে, দেহের অপ্রয়োজনীয় দূষিত পদার্থ বের করে দেয় এবং মস্তিষ্ক শক্তিশালী করে। দুধ ছাড়াও দুধের সর, মাখন ইত্যাদি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। যৌন ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ খাওয়া উচিত।
10/03/2023
ডার্ক চকোলেট: প্রতি দিন দু’টুকরো করে ডার্ক চকোলেট রাখুন খাদ্যতালিকায়। কেবল লিবিডো বৃদ্ধিতেই সাহায্য করবে এমনই নয়, বরং দীর্ঘ দিন অনভ্যস্ত যৌন জীবনকেও খুব তাড়াতাড়ি ছন্দে আনে এটি। এতে এল-আর্জিনিন অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা শরীরের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক মাত্রায় রেখে উদ্যমী করে তোলে।
10/03/2023
জাফরান: যৌনশক্তি বৃদ্ধি ও কামেচ্ছাকে স্বাভাবিক রাখতে এই ফলের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জাফরান যেমন মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে তেমনই এটি রক্তে ইস্ট্রোজেন, সেরোটোনিন ও অন্যান্য ফিল-গুড হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে। তাই অনেক ফিটনেস এক্সপার্টই দুধে জাফরান মিশিয়ে খাওয়ার পক্ষপাতী। লিবিডো বৃদ্ধিতে এই খাবার বিশেষ উপকারী।
18/07/2022
টনসিলের সমস্যার কারণে গলাব্যাথায় ভুগে থাকেন অনেকে। যদিও টনসিলের সমস্যা সব বয়সেই হয়ে থাকে , তারপরও শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিলের ইনফেকশন একটু বেশি হয়। টনসিলের এই ইনফেকশনকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় টনসিলাইটিস বা টনসিলের প্রদাহ।
জিভের পিছনে গলার দেয়ালের দু’পাশে গোলাকার পিণ্ডের মতো যে জিনিসটি দেখা যায় সেটাই টনসিল। টনসিল দেখতে মাংসপিণ্ডের মতো মনে হলেও এটি লসিকা কলা বা লিম্ফয়েড টিস্যু দিয়ে তৈরি। মুখগহ্বরের দু’পাশে দুটি টনসিল পুলিশের মতো পাহারায় থাকে বলে এটিকে মুখগহ্বরের পুলিশ বলা হয়। মুখ, গলা, নাক কিংবা সাইনাস হয়ে রোগজীবাণু অন্ত্রে বা পেটে ঢুকতে বাধা দেয় এই টনসিল।
টনসিল শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। কিন্তু এই টনসিল যখন নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন সেটির চিকিৎসা করাতে হয়, প্রয়োজনবোধে অপারেশন করে ফেলেও দিতে হয়। অপারেশন করে টনসিল ফেলে দিলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না, কারণ কোনো নষ্ট জিনিস শরীরে না রাখাই ভালো।
এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির জন্য শরীরে আরও অনেক বড় বড় অঙ্গ রয়েছে, তারা এই কাজটি করে দেবে। আর বয়স্কদের ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিতে টনসিলের বিশেষ কোনো কাজ থাকে না।
টনসিলের ইনফেকশন মানে কী?
সাধারণত ভাইরাসের সংক্রমণে টনসিলের প্রদাহ হয়ে থাকে। বিশেষ করে সর্দি-কাশির জন্য দায়ী ভাইরাসগুলোই এই কাজটি করে থাকে। এছাড়া ব্যাকটেরিয়ার কারণে বিশেষ করে স্ট্রেপটোকক্কাস গোত্রের ব্যাকটেরিয়া টনসিলের প্রদাহ সৃষ্টি করে থাকে। যেকোনো বয়সেই টনসিলের ইনফেকশন বা টনসিলাইটিস হতে পারে। শৈশবে এটা বেশি দেখা যায়, তবে বয়স্কদের বেলায়ও এটি হয়ে থাকে।
রোগীর যেসব উপসর্গ দেখা দেয়:
১। টনসিলের ইনফেকশন হলে মূলত গলা ব্যাথা হবে, গিলতে অসুবিধা হবে।
২। তীব্র গলাব্যাথা।
৩। মাথাব্যাথা, উচ্চ তাপমাত্রা।
৪। শিশুর খাবার গ্রহণে অনীহা কিংবা নাক দিয়ে পানি ঝরা ইত্যাদি থাকতে পারে।
৫। অনেকের ক্ষেত্রে গলার বাইরে গ্রন্থি ফুলে যেতেও দেখা যায়।
৬। ভাইরাসজনিত টনসিলাইটিসে টনসিলের প্রদাহ ধীরে ধীরে বাড়ে, ফলে উপসর্গগুলোও ধীরে ধীরে আবির্ভূত হয়।
৭। শরীরে সামান্য জ্বর থাকবে।
৮। অনেক সময় গলার স্বর পরিবর্তিত হয়, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে।
৯। ব্যাকটেরিয়াজনিত টনসিলাইটিস হঠাৎ করেই তীব্রভাবে আক্রমণ করে। ফলে উপসর্গ হঠাৎ-গলাব্যাথা হঠাৎ করেই দেখা দেয়।
15/07/2022
মানুষ কীভাবে সুস্থ থাকতে পারে এবং কোন উপায়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, সেটি নিয়ে নানামুখী গবেষণা হয়েছে বিশ্বজুড়ে।
চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়।
এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা।
মানুষ সচরাচর যে ধরণের খাবার খায়, সেগুলো হচ্ছে - শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার।
15/07/2022
আলহামদুলিল্লাহ আজকের ডেলিভারি📲
15/07/2022
*শরীর ফিট রাখতে প্রথম শর্ত স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। এর সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে শারীরিক ব্যায়াম।
শরীর ফিট রাখতে করতে পারেন এই কাজগুলো-
বাইরে যাওয়ার সময় সঙ্গে নিতে পারেন বাদাম, আমন্ড, কাজু, ওয়ালনাট, তিসির বীজ, বাড়িতে তৈরি ভ্যানিলা।বাইরে চকলেট, চিপস না খেয়ে খেতে পারেন এগুলো।
টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া যাবে না। যদি এই কাজটি করেন তাহলে খেয়াল থাকবে না আপনি কতটা খাচ্ছেন।
ছোট পাত্রে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেশি বার খান তবে অল্প অল্প। এতে শরীরে খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
খাওয়ার সময় ভালোভবে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে খাবারের জরুরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করবে। ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।
শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। দিনে ১০ মিনিট এ ধরনের ব্যায়াম করলে দুশ্চিন্তার মাত্রা অনেকটা কমে যাবে। হার্টরেট স্বাভাবিক থাকবে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থেকে শরীরও সুস্থ রাখবে।
খাবার খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে অথবা পরে পানি খান। এতে হজমশক্তি বাড়বে।
অনেকের খাবার দেখলেই খেতে ইচ্ছা করে। আর এ কারণে ক্ষুধা না লাগলেও খেতে থাকেন অনেকে। এই অভ্যাসটি শরীরের জন্য ভালো নয়। ক্ষুধা পেলে তবেই খেতে হবে।
রান্নাঘরে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের বদলে ফল, সবজি, ডিম, দুগ্ধজাত দ্রব্য রান্নাঘরে রাখুন। এতে কাজ করতে করতে উপকারী খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস তৈরি হবে।
15/07/2022
15/07/2022
শরীরের বাড়তি ওজন ও নানা রোগের কারণ। তাই ওজন কমাতে কত কিছুই না করছেন। কঠোর ডায়েট থেকে শুরু করে শারীরিক কসরত। অনেকে আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাচ্ছেন জিমে। তা-ও ওজন কমাতে পারছেন না।
অনেকেরই ধারণা যে, কম খেলে দ্রুত ওজন কমে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, ওজন কমাতে খাবার খাওয়া বাদ দেওয়া নয়, বরং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। ওজন কমাতে গিয়ে শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব ঘটলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই ডায়েটে এমন কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন, যেগুলো ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখবে আবার শরীরও সুস্থ থাকবে।
ওজন কমাতে খেতে পারেন ফল। অনেকেই ডায়েটের অজুহাতে ফল খান না। তবে মধুমাসে ফল খাওয়া থেকে তো দূরে থাকা যায় না। গ্রীষ্মকালীন ফল খেয়েও ওজন কমাতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ফলগুলো ওজন কমাতে সাহায্য করে-
তরমুজ দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে তরমুজ। এই গ্রীষ্মকালীন ফলে আছে ভিটামিন এ, সি, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন। এছাড়াও তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশই পানি। যা গরমে শরীর হাইড্রেট রাখতেও সহায়তা করে। পানি ও ফাইবার থাকার কারণে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরাও রাখে তরমুজ।
বাঙ্গি বাঙ্গিতেও পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল। গ্রীষ্মকালীন এই ফলটিতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি, ফলে ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। ভিটামিন এ, বি, কে, সি, জিঙ্ক এবং কপার সমৃদ্ধ এই ফলটি দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমায়। এর পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখতেও সহায়তা করে।
আনারস ওজন কমাতে খেতে পারেন আনারস। এটি ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ। আনারসে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার রয়েছে, যে কারণে দীর্ঘ সময় আমাদের পেট ভরা রাখে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া আনারসে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় শরীরকে হাইড্রেট রাখতেও সহায়তা করে...✊
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Muradpur Jalal Plaza
Chittagong
4000
