Organic BD Shop
we provide all kinds of natural foods & products
15/04/2022
স্মা*র্ট* হয়ে বাচুন* সুখে থাকুন
প্রিয়*_মানুষের_কাছে সম্মা-নিত*হন
ইন্টারন্যাশনাল দুইজন পিএ*ইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর* ধারা পরামর্শ*কৃত* ও পরীক্ষিত, শতভাগ* প্রাকৃ*তিক পণ্য* পা*র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া* মুক্ত, ফেইস বুক* রুল*স এর কারণে ডিটেলস* বলা গেল না ডিটেলস জানতে কল করুন অথবা ইনবক্সে আসুন।
হেল্প লাইন - 01302-856604
12/04/2022
আলহামদুলিল্লাহ আজকের রিভিউ চলে আসছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু এতো সুন্দর করে রিভিউ দেওয়ার জন্য 🥰
10/04/2022
Alhamdulillah today's delivery done ☺️
05/04/2022
রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান মাস্ট! কেন জানেন?
জল খাই কেন আমরা? কেন আবার শরীরকে সচল রাখতে এবং দেহের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলতে জলের যে কোনও বিকল্প নেই! তাই তো দেহের অন্দরে যাতে কোনও সময় জলের ঘাটতি দেখা না দেয়, তা সুনিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। আর রাত্রে যেহেতু আমরা প্রায় ৮ ঘন্টা জল পান করি না, তাই সে সময় দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি দেখা দেওয়াটা বেজায় স্বাভাবিক ঘটনা। আর এমনটা হলে যে একাধিক শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওটে, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! তাই তো শুতে যাওয়া আগে বেশি নয়, মাত্র এক গ্লাস জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। তবে এমনটা করা যদি শুরু করেন, তাহলে যে শুধু দেহের অন্দরে জলের চাহিদা মিটবে, তা নয়। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু শারীরিক উপকার মিলবে, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে শরীরকে ডিহাইড্রেশনের কবল থেকে বাঁচাতে দিনে কম করে ৩-৪ লিটার জল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এইটুকু তথ্য় দিয়েই বিজ্ঞানীরা থেমে যাননি। বরং আরও কয়েকধাপ এগিয়ে তারা এটা জানার চেষ্টা করেছেন যে দিনের কোনও বিশেষ সময়ে জল খেলে তার কোনও সুফল পাওয়া যায় কিনা। আর এমনটা জানার চেষ্টায় যে তথ্য উঠে এসেছে, তা বেশ চমকপ্রদ! জানা গেছে রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে যদি এক গ্লাস জল খাওয়া যায়
যেমন
১. মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দূরে থাকে:
২০১৪ সালে হওয়া এক স্টাডিতে দেখা গেছে রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে জল পান না করলে দেহের অন্দরে এত মাত্রায় জলের ঘাটতি দেখা দেয় যে তার প্রভাবে শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করে, যা ডিপ্রেশনের মতো সমস্যাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে। সেই সঙ্গে লেজুড় হয় অ্যাংজাইটিও। তাই এমন ঘটনা যাতে না ঘটে তা সুনিশ্চিত করতেই ঘুমতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, এমন অভ্য়াস করলে মন-মেজাজ তো চাঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই সঙ্গে ঘুমও বেশ ভল মতই হয়।
২. শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে রাত্রিরে শুতে যাওয়ার আগে কম করে এক গ্লাস জল পান করলে পেশি এবং জয়েন্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, সেই সঙ্গে এনার্জি লেভেলও বাড়ে। শুধু তাই নয়, দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি মেটার কারণে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হরমোনের ক্ষরণও ঠিক মতো হতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না, তা তো বলাই বাহুল্য!
৩. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়:
বেশ কিছু কেস স্টাডির পর একথা প্রামাণিত হয়ে গেছে যে রাত্রে শোওয়ার আগে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেলে ত্বকের শুষ্কতা দূর হয়। ফিরে আসে আদ্রতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্কিন উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বলিরেখাও কমতে শুরু করে।
৪. ইনসমনিয়ার মতো সমস্যা দূর হয়:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে শুতে যাওয়ার আগে জল খেলে দেহের অন্দরে হরমোনাল ইমব্যালেন্স দূর হয়। সেই সঙ্গে পেশির ক্লান্তিও কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর এবং মন এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ঘুম আসতে দেরি লাগে না। আর ঘুম ঠিক মতো হলে সকালটা যে বেশ মনোরম হয়ে ওঠে, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে। প্রসঙ্গত, জল খেয়ে শুয়ে পরা মাত্র, তা শরীরের প্রতিটি কোণায় পৌঁছে যায়। ফলে একদিকে যেমন দেহের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তেমনি অনিদ্রার সমস্যাও দূরে পালায়।
৫. সারা শরীরে রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটে:
রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে গরম জল খেতে পারলে আরেকটি উপাকার পাওয়া যায়। এমনটা করলে সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বেড়ে যায়। ফলে দেহের ভাইটাল অর্গ্যানদের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে ধমনীতে জমে থাকা বর্জ পদার্থও শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।
৬. জলের চাহিদা মেটে:
একথা নিশ্চয় জানা আছে যে আমাদের শরীরের সিংহভাগই জল দিয়ে তৈরি। তাই তো দৈহিক সক্ষমতা বজায় থাকতে দেহের অন্দরে জলের ঘাটতি যাতে কোনও সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার প্রয়োজন রয়েছে। আর এই একই কারণে শুতে যাওয়ার আগে জল খাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আসলে এমনটা করলে সারা দিন ধরে কাজ করতে করতে দেহে যে জলের ঘাটতি হয়ে থাকে, তা দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের সক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
৭. শরীর বিষ মুক্ত হয়:
সারা দিন ধরে নানাভাবে আমাদের শরীর একাদিক টক্সিক উপাদান প্রবেশ করতে থাকে। এদের যদি ঠিক সময়ে শরীর থেকে বের করে দেওয়া না য়ায়, তাহলে কিন্তু বেজায় বিপদ! সেই কারণেও চিকিৎসকেরা ঘুমানোর আগে জল খাওয়া পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আসলে এমনটা করলে ডাইজেস্টিভ সিস্টেম, পেশী এমনকি ত্বকের অন্দরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ ভোগের আশঙ্কা হ্রাস পায়।
৮. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
একথার মধ্যে কোনও ভুল নেই যে রাত্রে পেট ভর্তি করে জল খেয়ে শুলে সকাল পর্যন্ত ওজন বেশ অনেকটাই কমে। কারণ ক্যালরি বার্ন করতে জলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে ঠান্ডা জল খাওয়া মাত্র শরীরের তাপমাত্র হঠাৎ করে কমে যায়। ফলে সেই সময় তাপমাত্রা বাড়াতে শরীরকে অতিরিক্ত কাজ করা শুরু করতে হয়। আর এমনটা হওয়ার কারণে স্বাভাবিকবাবেই বেশি মাত্রায় জ্বালানির প্রয়োজন পরে। ফলে ওজন কমতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, রাতের শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস জল খেলে আরেকটি ঘটনা ঘটে। এই সময় মেটাবলিক রেট স্বাভাবিক মাত্রার থেকে অনেকটাই বেড়ে যায়। এই কারণেও ওজন কমার পথ প্রশস্ত হয়।
৯. কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা দূর হয়:
রাত্রে শুতে যাওয়ার আগে এবং সকালে উঠে যদি প্রতিদিন এক গ্লাস করে গরম জল খেতে পারেন, তাহলে দেখবেন নিমেষে কোষ্টকাঠিন্যের মতো সমস্যা কমে যাবে। আসলে এমনটা করলে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যেতে কোনও অসুবিধাই হয় না।
03/04/2022
শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই টান ধরে ত্বকে। তাই হাত-মুখের যত্ন নিয়ে থাকেন সবাই, কিন্তু অযত্নে থেকে যায় দেহের মূল্যবান অঙ্গ পা। তবে শীতকালে মুখ ও চুলের যত্নের চেয়েও বেশি যত্ন নেওয়া উচিত পায়ের। কারণ, পা ধুলোবালির সংস্পর্শে বেশি আসে। যার ফলে অনেকেরই গোড়ালি ফেটে বিচ্ছিরি হতে শুরু করে।
শীতের দিনে পা ফাটার সমস্যা প্রকট হয়। তাই আজ থেকেই যদি আপনি প্রচেষ্টা শুরু করেন, তাহলে তীব্র শীতেও পা থাকবে পরিষ্কার ও কোমল। কিভাবে চেষ্টা করবেন তা এবার জেনে নিন...
* প্রতিদিন কাজকর্মের শেষে বাড়িতে ফিরে অন্তত মিনিট ২০ পা ডুবিয়ে রাখুন শ্যাম্পু মেশানো উষ্ণ পানিতে। এরপর পামিস স্টোন বা ঝামাপাথর দিয়ে ঘষে নিয়ে একবার ধুয়ে নিন। তারপর ক্রিম মেখে, চটি পরে নিন। রাতে ঘুমানোর সময় ডিপ ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে নিন।
* পায়ের ত্বকের মৃত কোষ প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে, জমতে দিলেই কিন্তু কড়া পড়ার আশঙ্কা বাড়বে। চালের গুঁড়া, মধু, লেবুর রস, দুধের সর দিয়ে ঘরোয়া স্ক্রাব তৈরি করে নিন। এই প্যাক লাগিয়ে খানিকক্ষণ রাখুন। শুকনো হয়ে গেলে ঘষে ঘষে তুলে নিন।
* পা ধুয়ে নেয়ার পর অ্যালো ভেরা জেল আর অলিভ অয়েলের একটা মিশ্রণ তৈরি করে পুরো পায়ে ভালো করে লাগিয়ে নিন।
* কয়েকটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ফুটো করে তেলটা বের করে নিন। তারপর পেট্রোলিয়াম জেলির সঙ্গে ভিটামিন ই মিশিয়ে সেটা পায়ে মেখে ফেলুন। রাতে এই প্রলেপ লাগিয়ে মোজা পায়ে ঘুমালে দারুণ নরম থাকবে পা।
* যাদেরকে পা ফাটার সমস্যা খুব বেশি ভোগায়, তারা রাস্তায় বের হওয়ার আগে মোজার সঙ্গে পা ঢাকা জুতা পরুন। বিশেষ করে গোড়ালি ঢাকা জুতা।
* গোসলের পর পায়ে ময়েশ্চরাইজার লাগিয়ে নেওয়া আবশ্যক, তারপর পা-ঢাকা জুতা পরার আগে ভালো করে ক্রিম মেখে মোজা পরে জুতা পরলে সুস্থ থাকবে গোড়ালি।
03/04/2022
পুদিনা পাতার সঙ্গে আমরা কমবেশি সবাই পরিচিত। গুণে ভরা এই পাতা আমাদের শরীরের নানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। মুখের স্বাদ বাড়াতেও এটি খুব কার্যকর। সালাদ, চাটনি কিংবা শীতের সকালে এক কাপ পুদিনা পাতার চা মন সতেজ করে দিতে পারে। খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেওয়া এই উপাদানের ভেষজ গুণাগুণও অনেক। রসুইঘরে যেমন ব্যবহার করা হয়, সুস্বাস্থ্য রক্ষায়ও আছে ব্যবহার। ঔষধি এই গাছ ব্যবহার করা হচ্ছে আদিকাল থেকে। পাওয়া যায় সহজে। পটাশিয়াম পূর্ণ পুদিনা পাতায় খনিজ উপাদানের মাঝে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম, ভিটামিন সি ও এ পাওয়া যাবে। চর্বি ও ক্যালরির মাত্রা কম এবং কোলেস্টেরল নেই।
যেসব ক্ষেত্রে পুদিনার পাতা ব্যবহার করা যায়, তা হলো-
- পুদিনার পাতা পিষে রস করে তার ভেতর দু’তিন ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে তা পান করলে ক্লান্তিভাব দূর হয়।
- পুদিনার তাজা পাতা পিষে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর যদি তা ধুয়ে ফেলা যায়, তাহলে মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যায়। ব্রণ ওঠাও বন্ধ হয়।
- কোনো কারণে কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার নাকের কাছে কিছু তাজা পুদিনা পাতা ধরুন। দেখবেন, জ্ঞান ফিরে এসেছে।
- শরীরের ব্যথা দূর করতে পুদিনা পাতার চা খুব কাজে দেয়।
- মাথা ও পেট ব্যথা নিরাময়েও পুদিনার পাতা খুব উপকারী।
- যাদের মাঝে মধ্যে হেঁচকি ওঠে, তারা পুদিনা পাতার সঙ্গে গোল মরিচ পিষে তা ছেঁকে নিয়ে রসটুকু পান করুন। দেখবেন হেঁচকি বন্ধ হয়ে গেছে।
- পুদিনার পাতা ভালো করে পিষে তার রস ভালো করে মাথায় ব্যবহার করুন। যাদের চুলে উঁকুন আছে তারা খুব উপকার পাবেন।
এছাড়া-
- ব্যথানাশক হিসেবে পুদিনার বিশেষ খ্যাতি আছে।
- স্নায়ু শান্ত করতে কাজে দেয়।
- মেছতার প্রথম অবস্থায় পেঁপের সঙ্গে বেটে পুদিনা পাতা লাগালে ব্যথা হয় না।
- ব্রণ দূর করতে পুদিনা পাতা বেটে ত্বকে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।
- পুদিনা শরীরে ক্যানসারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা দিয়ে ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
- হজমের সমস্যা এবং পেটের ব্যথায় পুদিনা পাতার চা খেতে পারেন। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এ ক্ষেত্রে কাজে দেয়।
- অ্যাজমা ও কাশির সমস্যায় তাৎক্ষণিক কাজ করে। এর রস শ্বাসপ্রশ্বাসের নালি খুলে দেওয়ার কাজে সহায়তা করে। গরম পানিতে পুদিনা পাতা ফুটিয়ে ভাপ নিলে এবং গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায়।
- শরীর ঠান্ডা রাখতে গোসলের পানিতে পুদিনা পাতা ফেলে রেখে ১৫ মিনিট পর গোসল করুন। সতেজতা বাড়াবে।
- প্রখর রোদ থেকে ঘরে ফিরে পুদিনা ও ঘৃতকুমারীর রস মিশিয়ে ত্বকে লাগালে ত্বকের পোড়া ভাব চলে যায়। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমাতে তাজা পুদিনা পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন।
গরমে পুদিনা পাতার লাচ্ছি
গরমের এ সময়ে চারপাশে শুধু ফল আর ফল। গরমকালে একটু কষ্ট বেশি হলেও ফল খেয়ে মানুষ সে কষ্টের কথা ভুলে যায়। এ সময়টার জন্য সবাই সারা বছর অপেক্ষা করে। মানুষ গরমে হালকা খাবার বা ফলের জুস খেতে বেশি পছন্দ করে। এসবের মধ্যে যদি পুদিনা পাতার জুস হয় তাহলেতো কথাই নেই।
উপকরণ
শুরুতে ১ কাপ টকদই, ১ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, আধা কাপ পুদিনা পাতা বাটা/গোটা, পরিমাণ মতো বরফ, বিটনুন, চিনি, এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়ো
নেবেন।
প্রণালী
এরপর গ্রাইন্ডারে টক দই, ১ টেবিল চামচ গুঁড়ো দুধ, পুদিনা পাতা বাটা (গোটাও দিতে পারেন), বরফ কুচি, পরিমাণমতো নুন, চিনি ও এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে গ্রাইন্ডারে মিশ্রিত করুন। প্রয়োজন হলে অল্প একটু পানি মিশিয়ে দিন।
মিশ্রণটি ভালো করে তৈরি হয়ে গেলে কাঁচের গ্লাসে পরিবেশন করুন। পরিবেশনের আগে লস্যির উপরে একটি করে পুদিনা পাতা ও চেরি দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।
পুদিনা পাতা আমাদের শরীরে নানান উপকারে লাগে। কিন্তু, আমরা অনেকেই হয়তো এর উপকারিতা সম্পর্কে অবগত নই। আপনিও যদি না জেনে থাকেন তবে দেখে নিন-
১) পুদিনা পাতায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট পেটের যেকোনও সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে।
২) গরমকালে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে পুদিনার রস খুব ভাল। তাই দই মিশ্রিত এই রেসিপিটি অনায়াসেই খেতে পারেন।
৩) পুদিনা পাতার রস ত্বকের যেকোনও সংক্রমণকে ঠেকাতে অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে।
৪) বহু বিজ্ঞানীদের মতে, পুদিনা পাতার পেরিনিয়াল অ্যালকোহল ফাইটোনিউট্রিয়েন্টের একটি উপাদান, যা দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে।
৫) হজম শক্তি বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।
৬) টাইফয়েড, নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করে। তথ্যসূত্র: বোল্ডস্কাই
02/04/2022
কিউই, এই ফলটি খুবই জনপ্রিয় একটি ফল। খেতে যেমন সুস্বাদু, তার সঙ্গে এর মধ্য রয়েছে অঢেল গুন। কয়েক দশক ধরে ভারতে এই ফল পাওয়া না গেলেও বর্তমানে কয়েকটি জায়গায় এর চাষ হয়ে। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়াতে সাধারণত এই ফলের চাষ হয়ে। কিন্তু এই ফল মূলত চিন দেশের ফল। এই ফলটি দেখতে একটু অদ্ভুদ রকমের। ফলের বাইরের রঙ গোল্ডেন ব্রাউন এবং ভেতর সবুজ। এই কিউই বর্তমানে নিউজিল্য়ান্ডের জাতীয় ফল।
02/04/2022
খুশকির সমস্যা দূর করতে সরিষার তেল ও লেবুর রস উপকারী। নারিকেল তেল এবং জলপাইয়ের তেল চুলের প্রাণ ফিরিয়ে আনে ও গোড়া মজবুত করে। উপকরণগুলো ভালো মতো মিশিয়ে মাথার ত্বক ও চুলে ভালো মতো মালিশ করে ব্যবহার করতে হবে। এতে চুলে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে ও চুল পড়া কমবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
CDA Avenue Chittagong
Chittagong
4200
