Asthama care
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asthama care, Health/Beauty, Chittagong.
সাইড ইফেক্ট: সাধারণত সাইড ইফেক্ট থাকে ক্যামিক্যালযুকত ড্রাগ/মেডিসিন এ।আমাদের প্রোডাক্ট টি সম্পুর্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। কোন মেডিসিন বা ক্যামিকেল ব্যবহার করা হয় নি।
ফলে বিন্দুমাত্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
তাছাড়া আমাদের প্রোডাক্ট বাংলাদেশ সাইন্সল্যাব কর্তৃক পরিক্ষিত ও অনুমোদিত।
তাই,ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ০% আর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%..
ফুড সাপ্লিমেন্ট কোনো এ্যালোপ্যাতি/হোমিওপ্যাথি/আয়ুর্বেদিক/ইউনানী কিংবা হারবাল এর আওতা ভুক্ত নয়।এটা সম্পুর্ণ ন্যাচারাল উপাদান এর সমন্বয়ে তৈরি একটি অর্গানিক সলিউশন..
উপরওয়ালা প্রকৃতির প্রতিটি উপাধান কে মানুষের উপকারে ব্যাবহারের লক্ষেই সৃষ্টি করেছেন,তিনি এমন কোনো রোগ/ব্যাধি মানব দেহে দেননি,যার প্রতিষেধক তিনি প্রকৃতির মধ্যে নেই।
সাধারণত প্রত্যেকটা খাবার বা প্রাকৃতিক উপাদান এর ভিন্ন ভিন্ন গুণ থাকে..যা মানুষের দেহের রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে।তবে ২০-২৫ টা উপাদান একসাথে খাওয়া সম্ভব নয়।তাই আমরা ২৫+ টা উপাদান কে একসাথে গুঁড়ো করে এই ফুড সাপ্লিমেন্ট তৈরি করেছি।ফলে আপনার শরীর পাবে একসাথে ২৫ টা খাবারের গুণাগুণ..
অনেকেই ফুড সাপ্লিমেন্ট কে হারবাল এর সাথে মিলিয়ে ফেলেন।বলেন, হারবাল ও তো আমাদের মতই,,,কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।হারবাল এর ইতিহাস যদি দেখেন,, দেখবেন দাদা কবিরাজ ছিলো সেই সুত্রে বাবাও কবিরাজ তার সুত্রে ছেলেও কবিরাজ সম্পুর্ন বংস পরামপরায় অবৈজ্ঞানিকভাবে ক্যামিকেলযুক্ত মেডিসিন চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করে আসছে।ফলে হার্ট,কিডনি এর মত মূল্যবান অর্গান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আর ফুড সাপ্লিমেন্ট একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল দ্বারা গবেষণা করে তৈরি করা হয়।প্রতিটি সাপ্লিমেন্ট সাইন্সল্যাব কতৃক পরীক্ষা করা হয়,, তারপর মার্কেটে ডিস্ট্রিবিউট করা হয়।
ন্যাচারাল ট্রিটমেন্ট নিন,,ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ০% এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%।
24/09/2022
এ্যা জমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল/সরু হয়ে পড়ে। এতে হাঁ পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-হা চিঁ-কা শি,অক্সি জেন এর লেভেল কমে গিয়ে-শ্বাস কষ্ট/বু কে চাপ চাপ অনুভব করা/দম নিতে কষ্ট হওয়া, বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়।অনেকের গলায় সারাক্ষণ কফ/শ্লেষ্মা জমে থাকায় নাক বন্ধ হয়ে থাকে।
এ্যা জমা/হাঁ পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেট/যান্ত্রিক ধোঁয়ার মধ্যে যারা প্রতিনিয়ত থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে।
তাছাড়া দীর্ঘদিন যাবত এলা-র্জী এর সমস্যায় ভুগলে তা এ্যা-জমায় রূপান্তর হয়।
এছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।বাংলাদেশে শীতকালে এ্যা জমার প্রকোপ বেশি দেখা দেয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা যে ভুলটা করে, তারা শুরুতে রোগ টাকে সাধারন মনে করে অবহেলা করে।ধীরে ধীরে সমস্যা বেগতিক মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়।আর ডা ক্তার মেডি সিন/ইন হেলার দিয়ে থাকলেও সেগুলো ক্যা-মিকেল/স্টে-রয়েডযুক্ত হওয়ায় সমস্যাকে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হয়।ফলে রোগ শরীরের মধ্যে থেকে যায় এবং
বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারন করে।
এই সমস্যার জন্য আমরা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে দিয়ে আসছি Natural & Organic Medi-cation।
ক্যামিকেল শরীরের সাথে মিশে না,তাই একটা এ্যালো প্যথিক মেডিসিনে ১৬ঘন্টা-১ দিন সুস্থ থাকা যায়।কিন্তু আমাদের এই Natural ওষুধ সেবনের ফলে তা রক্ত এবং শরীরের সাথে মিশে যায়।ফলে এটার গুনগত মান কয়েক যুগ(১২ বছর+) আপনার শরীরে লাস্টিং করবে।যার ফলে আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোর্স সেবন করলে আপনি কোন ইন-হেলার/মেডি-সিন ছাড়াই চিরস্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন অথবা কল করুন 01732100999
08/09/2022
যে সব খাবার খেলে এলার্জি হয় (চিংড়ি, গরুর মাংস, ইলিশ মাছ ইত্যাদি), বায়ুর সাথে ধোঁয়া, ধূলাবালি, ফুলের ত্রে লক্ষ
ইত্যাদি শ্বাস গ্রহণের সময় ফুসফুসে প্রবেশ করলে হাঁপানি হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত সর্দি কাশি থেকে হাঁপানি হতে পারে।
ব্যতিক্রম: বছরের বিশেষ ঋতুতে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় এ রোগ বেড়ে যায়।
08/09/2022
হাঁপানির রোগীদের খাবারের বিষয়ে সব সময় সতর্ক থাকতে হয়। কিছু খাবার শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমাতে পারে, আবার কিছু খাবার তা বাড়িয়ে তোলে। তাই হাঁপানিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং হাঁপানির লক্ষণগুলো হ্রাস করতে খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। গবেষণায় দেখা গেছে যে, তাজা খাবারের পরিবর্তে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়ার ফলে গত কয়েক দশক ধরে হাঁপানির ঘটনা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।
হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগীদের তাজা ফল এবং শাকসবজি জাতীয় সুষম খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। তবে আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, কিছু নির্দিষ্ট খাবারের কারণে অ্যালার্জি হয় যা হাঁপানির লক্ষণগুলোর দিকে নিয়ে যেতে পারে। ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, বিটা ক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য ভিটামিন এবং খনিজ জাতীয় খাদ্যগুলি হাঁপানির ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে।
08/09/2022
মেডিক্যাল সায়েন্স বলে, হাঁপানি সারে না। আমরা কেউই মেডিক্যাল সায়েন্সের ঊর্ধ্বে নই। সে জন্য সরাসরি না বলে একটু ঘুরিয়ে বলতে পারি, প্রত্যেক দিন যোগাসন করলে এক দিনও হাঁপানি আক্রমণ করতে পারবে না। তার মানে কিন্তু এই নয় যে, যার হাঁপানি নেই, যোগাসন করলে তাকে কোনো দিনই হাঁপানি আক্রমণ করবে না। যার হাঁপানি আছে নিয়মিত যোগ ব্যায়াম করলে তার হাঁপানি সেরে যাবে। হাঁপানি আসলেই কোনো রোগ নয়, এটি একটি উপসর্গ মাত্র। ভেতরের রোগটির জন্যই মানুষ হাঁপাতে থাকে। তবে সাধারণভাবে এ রোগকে সবাই হাঁপানি বলেই উল্লেখ করে থাকে।
বিভিন্ন কারণে এই রোগ হয়ে থাকে। সর্দি-কাশি থেকে ব্রঙ্কাল অ্যাজমা হতে পারে। ধুলাবালি থেকে হাঁপানি হতে পারে। বংশগত কারণে এই রোগ হতে পারে। এই রোগ আসলে নিঃশ্বাসের। ফুসফুস প্রয়োজনমতো বাতাস টানতে পারে না, প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ফুসফুসে পৌঁছায় না। যোগ ব্যায়ামের মাধ্যমে আমরা যেটা করি সেটা হলো, ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করা। কতগুলো ব্যায়ামের সাহায্যে ফুসফুসকে সক্রিয় করে তোলা যায়।
তবে এসব ব্যায়াম এবং আসন রোগের অবস্থা বুঝে করতে হয়। যেমনÑ নিঃশ্বাসের কষ্ট দুই রকমের হতে পারে। কারো শ্বাস টানতে কষ্ট হয়, কারো শ্বাস ফেলতে কষ্ট হয়। কেউ দীর্ঘ দিন ধরে এই রোগে ভোগেন, আবার কেউ অল্প দিন ধরে ভুগছেন।
হাঁপানি রোগীকে কী কী যোগ ব্যায়াম বা আসন করতে হবে। এগুলো খুবই সহজ ব্যায়াম। যে কেউ করতে পারবেন।
১. ডিপ ব্রিদিং উইথ চেস্ট এক্সপ্যানশন : সোজা হয়ে দাঁড়ান। হাত দু’টি সোজা করে সামনের দিকে তুলুন। হাতের পাতা দু’টি একসাথে থাকে। এবার জোরে নিঃশ্বাস নিতে নিতে হাত দু’টি বুকের দু’পাশে ছড়িয়ে নিয়ে আসুন, একই সাথে গোড়ালি উঁচু করতে হবে। এবার নিঃশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাত দু’টি আগের অবস্থায় নিয়ে আসুন। ১০ বার করুন। একটু বিশ্রাম নিন। এভাবে তিনবার করুন, না পারলে পাঁচবার করে।
২. সিট আপ : চিত হয়ে শুয়ে পড়–ন। দু’হাত মাথার পাশ দিয়ে সোজা করে রাখুন। এবার আস্তে আস্তে হাত সোজা রেখেই কোমর বাঁকিয়ে দু’হাতের আঙুল দিয়ে দু’পায়ের পাতা স্পর্শ করুন। আবার হাত সোজা রেখেই আস্তে আস্তে চিত হয়ে শুয়ে পড়–ন।
৩. লেগ ক্রসিং : পা সোজা করে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়–ন। এবার দু’টি পা-ই ৪৫ ডিগ্রি উঁচু করে তুলে ধরুন। এবার দু’টি পা-ই এক সাথে ওপর-নিচ করে ক্রস করতে থাকুন। ২০ বার করে না পারলে ১০ বার করে করুন। মনে রাখতে হবে প্রত্যেকটি ব্রিদিং এক্সারসাইজের পর একটু বিশ্রাম নিতে হবে।
08/09/2022
অ্যাজমা : কারণ, লক্ষণ, করণীয়
ডা. আমিনা আফ্রজ অনু

অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর সংখ্যা দিন দিন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিশুসহ যেকোনো বয়সের নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে। অ্যাজমায় মানুষ মারা যায় না বললেই চলে। কিন্তু সুচিকিৎসার অভাবে তারা বেশ কষ্ট পায়।
শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘস্থায়ী রোগ হলো অ্যাজমা। শ্বাসনালিতে বিভিন্ন কোষ প্রধানত ইওসিনোফিল ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়ে শ্বাসনালির ছিদ্র পথ সরু হয়ে যায়। রোগী শ্বাসকষ্টসহ শুকনো কাশি, বুকে কাশি জমে যাওয়া, শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি সমস্যায় ভুগতে থাকে।
শীতকালে শুষ্ক ঠান্ডা আবহাওয়া বাতাসে উড়ে বেড়ানোয় ধূলিকণার আধিক্যে অ্যাজমার সমস্যা বেড়ে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Chittagong
