Natural Care Lab

Natural Care Lab

Share

Welcome to Natural care lab , not business, service is our main goal, stay with us to get something good.

We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.

23/09/2022
23/09/2022

অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলুন ১৫ থেকে ২০ দিনে

18/09/2022

আসসালামু আলাইকুম
🍀 মে"দ ভু"ড়ি ও"জন নিয়ে হতা'শা আর নয় 🍀

🔹আমাদের সকলেরই জানা যে মে"র ভু"ড়ি আমাদের স্বা"স্থ্যে-র জন্য ক্ষতি"কর।
🔹একবার পে টে মে দ জমলে সেটা কা"ঠিয়ে উঠা যাবে না সে ধারণা ভূল।
🔹তাই আমরা নিয়ে এসেছি শত ভাগ কার্য-করী ন্যা"চা-রাল স্লি"ম ফি"ট-নেস জুস সাপ্লি-মেন্ট
🔹যা স্থায়ী"ভাবে কাজ করে মাত্র একমাসে।

🔹বিস্তা"রিত জানতে ইন-বক্সে ম্যা"সেজ করুন অথবা কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে।

Photos from Natural Care Lab's post 18/09/2022

লিচুর সবচেয়ে বড় উপকারিতা হচ্ছে- এটি ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। লিচুতে থাকা ভিটামিন-সি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আমাদের শরীরে ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া লিচু আমাদের হজমে সহায়তা করে। তবে পরিমাণে বেশি খেলে এটি আমাদের শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।সাধারণত যদিও আমরা লিচু খাই এর সুস্বাদুতা এবং মিষ্টান্নতার কারণে। কিন্তু এর পাশাপাশি রয়েছে লিচুর বহুগুণী উপকারিতা। লিচুতে থাকা প্রয়োজনীয় সকল উপাদান আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারি এবং উপাদানগুলো লিচুতে যথেষ্ট পরিমাণে থাকে। তো চলুন জানা যাক লিচুর উপকারিতাগুলো-

ক্যান্সার নির্মূল করতে সহায়তা করে
রক্তনালী প্রসারিত করে
রক্ত চলাচলে উন্নতি ঘটায়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি হ্রাস করে।
সুস্থলতা কমায়
হজমে সহায়তা করে
চুলের বৃদ্ধি ঘটায়
তাপমাত্রা ঠিক রাখে
মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটায়
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়

Photos from Natural Care Lab's post 18/09/2022

দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।

পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-

হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।

ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।

বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।

চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।

দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে। দারুচিনির ৫-৬টি পাতা পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও চকচকে হয়।

মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। এরপর গরুর ঘিও নাক দিয়ে নিন। এটি মাথা ব্যাথা সংক্রান্ত রোগে উপশম দেয়।

স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কিত সমস্যার জন্য আপনি আপনার মাথার ত্বকে দারুচিনি তেল লাগাতে পারেন। এতে উপকার হয়।

সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ পানি

Photos from Natural Care Lab's post 18/09/2022

জেনে নিন স্ট্রবেরির গুণাগুণ:

১. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ ফল।

২. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্‌রোগীদের জন্য এটি ভালো। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।

৩. স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়।

৫. বিভিন্ন রকম সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

৬. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর ফাইবার, যা ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।

৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।

৮. চুল পড়া রোধ করে।

৯. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

১০. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

Photos from Natural Care Lab's post 18/09/2022

ফলের মৌসুম চলছে। বাজারে কত রকম ফল। ফল, শাক সবজি এগুলো প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে। এর মধ্যে জামরুলের উপকারিতা সম্পর্কে কিছু বলবো। জামরুল সাদা, লাল দুই রকমেরই হয়ে থাকে।

অনেকে জামরুল খেতে পছন্দ করেন না। তবে এটা অনেক উপকারী। এর ঔষধি গুণ আছে।

১. জামরুল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। জামরুলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২২ দশমিক মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

আর এই ভিটামিন সি ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রাখে।সহজে বুড়িয়ে যাবেন না।

২. হজমের সমস্যা আজকাল ঘরে ঘরে, ফলে এই ফল তো খেতেই হবে। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ডিয়াটরী ফাইবার থাকায় এটি হজম ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

৩. এটি পেট ফাঁপা, ডায়ারিয়া প্রতিরোধে কাজ করে।

৪. চোখের জন্যেও ভীষণ উপকারী এটা। জামরুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে।

৫.আপনি জানলে অবাক হবেন যে, প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ২৯ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। আর তাই হাড় এবং দাঁতের জন্যে প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের জন্য জামরুল খেতে হবে। ৬. প্রতি ১০০ গ্রাম জামরুলে ৯৩ গ্রাম জল থাকে। যা শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। জামরুল মূলত দক্ষিণ ভারত ও পূর্ব মালয়েশিয়ার ফল। তবে এটি বাংলাদেশ-ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চাষাবাদ হয়।

৭. তদুপরি জামরুল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : জামরুলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার খাদ্য সংবহনতন্ত্রের সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

৮.এমনকি জামরুল পেশির ব্যথা পর্যন্ত দূর করে : পটাশিয়াম থাকাযর জন্যে জামরুল পেশিকে শক্তিশালী করে তোলে এবং পেশির ব্যথা দূর করে।

৯. জামরুলে এক ধরনের হেপাটোপ্রটেক্টিভ উপাদান থাকে, এটা লিভার কোষ ধ্বংস থেকে রক্ষা করে।

১০.জামরুলে অ্যান্টিহাইপারগ্লিসেমিক উপাদান থাকে, যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

নিয়মিত জামরুল খান এবং সুস্থ থাকুন।মোদ্দা কথা ফাস্টফুড খাওয়া ছাড়তে হবে। যতরকম ভাজাপোড়া এসব না খেয়ে শাক সবজি, ফলমূল এগুলো খেতে হবে। আর করোনা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে যে শরীরকে সুস্থ রাখা কতটা প্রয়োজন।

18/09/2022

দিনের শেষে কর্মস্থল থেকে যখন বাসায় ফেরেন তখন কেমন লাগে? বেশিরভাগ দিনই নিশ্চয় মাথা যন্ত্রণা, মন-মেজাজ খারাপ, সেইসঙ্গে হরেক রকমের চিন্তা এবং স্ট্রেস তো থাকেই। আর ঠিক এই কারণেই ভয়টা! আসলে দিনের পর দিন স্ট্রেস সইতে সইতে ঘাড়ে চেপে বসে একাধিক মারণ রোগ। ফলে আয়ু কমে চোখে পরার মতো। আর তাই এমন চাপের পরিবেশে শরীরতে চাঙ্গা রাখাতে আখের রসের উপর ভরসা না রাখলে কিন্তু চলবে না! এই পানীয়টিতে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, উপকারি অ্যামাইনো অ্যাসিড, জিঙ্ক, থিয়ামিন এবং রাইবোফ্লেবিন, যা শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে স্ট্রেসের কারণে শরীরের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো থাকেই না, সেই সঙ্গে আরও একাধিক শারীরিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন-

প্রেগন্যান্সি সংক্রান্ত সমস্যা দূরে করে

আখের রসে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড মেয়েদের শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে প্রেগন্যান্সি সংক্রান্ত একাধিক সমস্যা দূরে থাকতে বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে বাচ্চার শারীরিক উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। এই কারণেই তো গর্ভাবস্থায় নারীদের নিয়মিত আখের রস খাওয়া পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

দেহের প্রতিটা অঙ্গের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আখের রস খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। বিশেষত সেনসরি অর্গেন, রিপ্রাডাকটিভ অর্গেন এবং ব্রেনের ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে আয়ুও বাড়ে চোখে পরার মতো। এবার নিশ্চয় বুঝেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সুস্থভাবে বাঁচতে আখের রস খাওয়ার প্রয়োজন কতটা।

ডায়াবেটিসের মতো রোগ দূরে থাকে

গ্লাইসেমিক ইনডেক্সে একেবারে তলার দিকে থাকার কারণে আখের রস খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না। বরং এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই তো ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়ম খরে আখের রস খাওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে ডায়াবেটিকদের একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে আখের রস খাওয়া উচিত। কারণ জেনে নেওয়া উচিত এই রসটি খেলে তাদের শরীরে অন্য় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে কি-না!রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতার উন্নতি ঘটে

আখের শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের শরীরের ভিতরে প্রবেশ করার পর ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে দেহের রোগ প্রতির

18/09/2022

আতার ভিটামিন সি এবং রিবোফ্লাভিন চোখের জন্য উপকারি। গবেষণা বলছে, ফ্ল্যাভোনয়েড নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সার এবং টিউমারের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে। সেই ফ্ল্যাভোনয়েডও পাবেন আতায়। আতা এইচবি মাত্রা উন্নত করে এবং এতে ডায়াবেটিস বিরোধী এবং ক্যান্সার বিরোধী গুণ রয়েছে।আতা এইচবি মাত্রা উন্নত করে এবং এতে ডায়াবেটিস বিরোধী এবং ক্যান্সার বিরোধী গুণ রয়েছে।

আতা আর্থ্রাইটিসের উপসর্গ উপশম করতেও সাহায্য করতে পারে। কারণ ম্যাগনেসিয়াম বেশি থাকায় এটি শরীরে জলের পরিমাণের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং জয়েন্ট থেকে অ্যাসিড দূর করতে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন বি কমপ্লেক্স মস্তিষ্ককে শান্ত করা, বিরক্তি, উত্তেজনা এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিচিত।আতা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য লো GI (গ্লাইসেমিক ইনডেক্স) খাবার হিসেবে ভাল বলে বিবেচিত হয়। অর্থাত্ এটি এক ধাক্কায় আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। বরং বেশ কিছু সময় ধরে ধীরে ধীরে পাচন হয়। এতে দেহে শর্করার জোগান ও শক্তি অনেকক্ষণ থাকে। এছাড়া এতে ম্যাঙ্গানিজ এবং ভিটামিন সি রয়েছে যা হৃদরোগ এবং রক্ত সংবহনের উপর বার্ধক্য বিরোধী প্রভাব ফেলে।

আতা বা সীতাফল আলসার নিরাময় করে এবং অ্যাসিডিটি রোধ করে। এতে বিভিন্ন জরুরী মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস রয়েছে। আতার ভিটামিন সি এবং রিবোফ্লাভিন চোখের জন্য উপকারি। গবেষণা বলছে, ফ্ল্যাভোনয়েড নির্দিষ্ট ধরনের ক্যান্সার এবং টিউমারের চিকিৎসায় সাহায্য করতে পারে। সেই ফ্ল্যাভোনয়েডও পাবেন আতায়।

Photos from Natural Care Lab's post 18/09/2022

যেসব কারণে খাবেন

গাবগাব বা বিলাতি গাব ফল খেতে সুস্বাদু ও মিষ্টি। এর আদি নিবাস ফিলিপাইন হলেও বাংলাদেশে গ্রামেগঞ্জে এই ফলের দেখা মেলে। বর্তমানে ফলের দোকানগুলোতেও দেখা যায় এই মৌসুমী ফলের। আমাশয় ও পেটের অসুখে এই গাছের ছাল বেশ উপকারী। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন কাঁচা ও পাকা গাব।

গাবের রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্যগুণ-

হাইপারটেনশন কমায়: উচ্চ পটাসিয়াম উপাদান থাকায় রক্ত সঞ্চালনের উন্নতি ঘটায়। এটি শরীরে রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখে, কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের উপর চাপ কমায় এমনকি রক্তচাপ্ও কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা আঁশ শরীরে কোলেস্টেরল কমায়। এছাড়া্ও রক্ত চাপ, হার্টঅ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

রক্ত চলাচলের উন্নতি ঘটায়: গাবে থাকা আয়রন দেহে লোহিত কণিকার কোষের উন্নতি ঘটায়। দেহের গুরুত্বপূর্ণ টিস্যুগুলোতে অক্সিজেন প্রবাহ বৃদ্ধি করে। এছাড়া এটি পেশি গঠন, চুলের বৃদ্ধি এবং হজমক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: গাবে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ এবং ‘এ’ রয়েছে। এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৃদ্ধি, ত্বকের জন্য ক্ষতিকর রেডিক্যাল কমিয়ে শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই দুই ভিটামিন বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না, জটিল রোগ প্রতিরোধ এবং ত্বকের সুস্থতার জন্য বেশ কার‌্যকরী।

হজমে সহায়ক: গাবে প্রচুর আঁশ থাকার কারণে এটি হজমক্রিয়া উন্নতিতে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং অন্যান্য গ্যাস্ট্রিক জাতীয় সমস্যা দূর করে।

ত্বকের যত্ন: গাব খেলে বা এর তৈরি রূপচর্চার উপাদান ব্যবহার করলে ত্বকের প্রদাহ কমায়।

গাব খেলে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পা্ওয়া যায়, বুকে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না এবং অ্যাজমা দূর করে। এতে উচ্চমাত্রায় ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান থাকার কারণে রোগপ্রতিরোধ প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটায়।

18/09/2022

পেয়ারা একটি ফাইবার জাতীয় ফল আর তাই এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় আর তাই কারো ঠিকমত পায়খানা না হলে পেয়ারা খেয়েই করতে পারেন আপনার সমস্যার সমাধান। পেয়ারাতে ভিটামিন এ আছে আর যার কারণে এটি খেলে এটি আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া এটি খেলে চোখের ছানি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়।

১. পেয়ারাতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ আছে।

১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি.গ্রাম ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। ফলটি ঠাণ্ডা কাশির পথ্য।
তাছাড়া শ্বাসতন্ত্র, গলা ও ফুসফুসকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা করে। রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে তাই হার্টের রোগীরা পেয়ারা খেতে পারেন।
২. পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। যা দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা পাকা পেয়ারা খেতে পারেন। ৩. পেয়ারায় যে পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ থাকে তা শরীরে গেলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

৪. যেকোনো ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে কার্যকরী। এই ফলটিতে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান থাকে যা পাকস্থলির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে টানটান রাখে।

৫. পেয়ারা ডায়বেটিস, ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার মতো রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পেয়ারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে অনেকটা। পেয়ারার আছে ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা।

18/09/2022

জাম খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
১. রক্তে ​​শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য জাম ফল খুবই উপকারী। কারণ, এতে থাকা অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রোপার্টিজ-এর কারণে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, যা স্টার্চ ও চিনিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং শরীরে শক্তির যোগান দেয়। আরেকটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে জামের বীজ ৩০%-এর বেশি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে পারে।

২. হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করে.

জাম ফলটি ক্যালসিয়াম, লোহা, পটাসিয়াম এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পুষ্টি রয়েছে যা সুস্বাস্থ্যের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। জামে থাকা প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও লৌহ হাড়ের শক্তি বৃদ্ধির জন্য চমৎকারভাবে কাজ করে। তাই হাড় ক্ষয়ে যাওয়া রোগীদের এবং বয়স্ক মানুষদের খাবার তালিকায় এই সুস্বাদু ফলটি রাখা উচিত।

৩. ইনফেকশন দূর করে৩. ইনফেকশন দূর করে
জাম উদ্ভিদের পাশাপাশি উদ্ভিদের ফলেও ম্যালিক এসিড (malic acid), গ্যালিক এসিড (galic acid), অক্সালিক এসিড (oxalic acid) এবং ট্যানিনস (tannins)– এর মতো যৌগ রয়েছে, যা ফলটিকে অ্যান্টি-ম্যালেরিয়াল, অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়া, অ্যান্টি-ইনফেক্টিভ এবং গ্যাস্ট্রো-এর প্রতিরক্ষামূলক হিসাবে তৈরি করে। জাম ফলটিতে থাকা এত সব অ্যান্টি উপাদান শরীর থেকে বিষাক্ত ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।8. জন্ডিস ও অ্যানিমিয়া নিরাময় করেজামের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে আয়রন একটি। এই আয়রন দেহের বিভিন্ন উপকার করে থাকে। জাম ফলে থাকা আয়রন অ্যানিমিয়া এবং জন্ডিসকে নিরাময় করে এবং বিভিন্ন ধরনের আয়রনঘটিত সমস্যাগুলোর জন্য যারা ভুগছেন তাদের জন্য জাম খুবই ভাল।৫. ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য কর
বেশ কয়েকটি গবেষণায় জামের কেমো প্রটেক্টিভ (camo protective) বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে অনেকে তদন্ত হয়েছে। জে. সি. জ্যাগেটিয়া এবং তার কলিগ-দের একটি গবেষণা অনুযায়ী এই ফলের নির্যাসে প্রোটেক্টিভ বৈশিষ্ট্য আছে, যা প্রমাণ করে যে জামের নির্যাস ক্যান্সার হওয়া থেকে দেহকে রক্ষা করে থাকে। এটি ফ্রি রেডিক্যালস-কে নষ্ট করে দেয়।৬. দেহে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করেজাম দেহে ইমিউন সিস্টেম (immune system)-কে আরো বৃদ্ধি করে তোলে। এতে থাকা প্রচুর ভিটামিন-সি এর কারণে হাই লেভেল ও সাধারণ সিজনাল সমস্যাগুলোর সঙ্গে যুদ্ধ করে শরীরের ইমিউন সিস্টেম-কে আরো শক্তিশালী করে তোলে। এই ফল ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ হিসাবে,

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Chittagong Muradpur
Chittagong
4000