MD MARUF
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD MARUF, Health/Beauty, Chittagong.
ভরা ক্যাম্পাসে একটা মেয়েকে গাছের সাথে চেপে ধরে,, শাড়ির আঁচল টেনে ওর পে*টে জ্বল*ন্ত সিগা*রেট চে'পে ধরে আছে আরাভ। মেয়েটা যন্ত্র*নায় কাত*রাচ্ছে। ঠিক তখনই আরাভ রে'গে মেয়েটার ঠো*ট কাম*ড়ে ধরলো,, মিনিট পাঁচেক পর মেয়েটাকে ছেড়ে দিয়ে কিছুটা দূরে সরে দাড়ালো আরাভ,, তারপর হাসতে হাসতে বললো।
আরাভ : ঠো*টের টেস্টটা কিন্তু দারুন। তবে এটা আমাকে, আরাভ খাঁনকে অ*সভ্য বলার শাস্তি। নেক্সট টাইম লাগতে এসো না আমার সাথে,, তাহলে এর চেয়েও খারাপ হবে তোমার সাথে। বা বাই বেবি।
কিছুক্ষন আগে,, MR Private College এ আজ আলিজা আর কলির প্রথমদিন। ওরা অনার্স ফার্স্ট ইয়ারে পড়ে। কলির মামা এই কলেজেরই একজন প্রফেসর তাই ও তার সাথে দেখা করার জন্য কেবিনের দিকে ছুট দিলো। বেচারি আলিজা কলির দৌড়ের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। আজ কলেজে পোগ্রাম তাই সবাইকে শাড়ি পড়ার জন্য বলেছেন কালচারাল টিচার কলি এটা আগে থেকেই জানতো তাই নিজেরাও শাড়ি পড়ে সেজে এসেছে।
১০মিনিট হয়ে গেছে কলি এখনো আসছে না। বেচারি একা একা ক্যাম্পাসটা ঘুরে দেখার ডিসিশন নিলো। ঠিক তখনই ওর কাঁধে কারোর হাতের ছোঁয়া পেলো,, ভয়ে চোখমুখ খিচে ফেললো ও।
আলিজা : কে.?
পেছনের তাকাতেই আলিজা দেখলো কিছু ছেলেমেয়ের একটা গ্যাং।সবাই পাঞ্জাবি আর শাড়ি পড়া। একটা ছেলে একটু ডিফেরেন্ট সবাই যেমন নীল, লাল,হলুদ পাঞ্জাবি পড়া কিন্তু ও তেমন না। ও একটা কালো পাঞ্জাবি পড়েছে। বেশ ইনোসেন্ট চেহারা। কিন্তু চরিত্র যে এতো কুৎ*সিত জানা ছিলো না কারোর।
শিপু : কি মিস নিউ মনে হচ্ছে। নাম কি? কোন ডিপার্টমেন্ট?
আলিজা : আমি আলিজা। ম্যানেজমেন্ট, অনার্স ফার্স্ট ইয়ার।
আরাভ : বাহ জুনিওর। আজকের দিনটাই মনে হয় তোমার জন্য শুভ হবে। সো গাইস র্যাগিং শুরু হোক.?
আরাভ খাঁন হলো এই কলেজের টপ টু ক্রাশ & চকলেট বয়। ফ্লাটিং এ টপ ক্রাশকেও ছাড়িয়ে যায়। ওর একমাত্র নেশা মেয়ে,,।প্রতিদিন কাউকে না কাউকে টার্গেট করে আর তাদের লাইফ হেল করে দেয়।
আলিজা : মানে.?
আরাভ : ওহ বেবি। তুমি জানো না এই কলেজে র্যাগিং রুলস আছে। এখন আমরা যা করতে বলবো তোমাকে তাই করতে হবে নাহলে আমরা যা করবো সেটা তোমার জন্য খুব একটা ভালো হবে না।
এতো মানুষকে একসাথে দেখে ভয় পেয়ে যায় আলিজা। আমতা আমতা করে বলে ওঠে
আলিজা : কি করতে হবে.?
শিপু : আমার হাতে এই যে দেখছো লাল গোলাপটা। এটা দিয়ে আরাভকে প্রপোজ করতে হবে।
আলিজা : ইমপসিবল। আমি কাউকে প্রপোজ করিনা আর আপনাদের তো করবোই না
একটা মেয়েকে জো'ড়পূর্বক ধ'র্ষ'ণ করার দুইদিন পর আকাশের বিয়েটা মহাধুমধামে সাদিয়ার সাথে হয়ে গেল। বিপত্তি সেখানে নয়। বিপত্তি বাধল যখন বাসর ঘরে ঢুকে বউ এর ঘুমটা খুলে আকাশ দেখল এটা সেই মেয়ে যাকে সে ২ দিন আগে ধ*র্ষ*ণ করে হ*ত্যার পর মাটি চা'পা দিয়েছে। বিয়ের আগে সাদিয়াকে দেখেনি আকাশ। সাদিয়া এতোই পর্দাশীল ছিলো যে সে কারো সামনে আসতে রাজি হয়নি। তার মা এর কাছে শুনেছে মেয়ে অনেক ফর্সা সুন্দরী শিক্ষিত আর পর্দাশীল। একটা ছেলে যতই নি'ম্নশ্রেণির কী'ট হোকনা কেন সে বিয়ে করার সময় পবিত্র কু'মা'রী মেয়েই খুজে। যাই হোক আকাশ কিছুই বুঝতে পারতেছেনা হচ্ছেটাকি। সে ঋতিমত ভয় পেয়ে গেছে। টেবিলের কানিতে রাখা পানির গ্লাসটা এক চু'মুকে শেষ করে ফেলে সে। সাদিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। এ সত্যি ই সেই দিনের মেয়েটা।
সেদিন পার্টি থেকে অতিরিক্ত ড্রি'নক করে বাড়ি ফিরছিল আকাশ। রাস্তায় একটা মেয়ে তাকে দাড় করায়। সারা শ'রী'র কালো বুরখা দিয়ে ঢাকা। হাতে হাতমুজা। এই গরমেও পায়ে মুজা। মুখে হিজাব দিয়ে মুখ বাধা। রাস্তার বাতাসে হিজাব সরে যায় মেয়েটার মুখ থেকে। মেয়েটা ততক্ষনাৎ ঠিক করে নেয়। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড এর দেখাতেই মেয়েটার প্রতি কা'ম'না জেগে উঠে আকাশের। সন্ধা হয়ে আসছিল। মেয়েটা বলল
-দেখুন আর ৫ কিলোমিটার পর আমার বাসা। আমার ফোন ছিনতাই হয়ে গেছে আপনি কি প্লিজ আমায় লিফট দিবেন? নয়ত আপনার ফোনটা দিলেও চলবে।
-এস লিফট দিচ্ছি।
মেয়েটা গাড়িতে উঠার পর উচ্চস্বরে গান ছেড়ে দেয় আকাশ। তারপর নীর্জন এলাকার দিকে ছুটতে থাকে। মেয়েটা চি'ল্লাতে থাকে
-কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন আমায়? প্লিজ গাড়ি থামান আমি নেমে যাব।
-তা বললে ত হয়না সুন্দরী।
-প্লিজ থামুন পরশুদিন আমার বিয়ে প্লিজ দয়া করুন
-What a co incident পরশুদিন আমার ও বিয়ে। আজ না হয় আমরা দুজনে রিহার্সাল করে নিলাম।
এরপর একটা নীর্জন যায়গায় গাড়ি থামিয়ে মেয়েটির উ'পর পাশবিক নি'র্যা'তন চালায় আকাশ। তারপর গ'লা টি'পে হ*ত্যা করে জঙলে পুতে ফে'লে।
সে এরকম আগেও করেছে। পুলিশ তার সম্পর্কে কখনো কোনো প্রমাণ ই পায়নি। এখন এটা তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
কিন্তু সাদিয়াকে দেখে তার প্রাণ পাখি উ'ড়া'ল দিয়ে গেল। সাদিয়ে একদম স্বাভাবিক আচরণ করছে। সে খাট থেকে নেমে এসে আকাশকে সালাম পর্যন্ত করল। আকাশ ভয়ে দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে যায়।
আকাশ ছাদে বসে একের পর এক সি'গারেট টানছে। এটা কীভাবে হতে পারে? মেয়েটাকে সে নিজের হাতে খু'ন করে পুতে ফেলেছে। মেয়েটার বাঁ'
এক বাবা তাঁর মেয়ের জামাইয়ের হাত ধরে কা’ন্না করতে করতে বললো, বাজান তোমারে পাওয়ার লাইগ্যা আমার মাইয়া আমার হাতে ম্যালা মা’ই’র খাইছে, তবুও তাঁর তোমারেই চাই, তোমার মতন সুখী নাকি তাকে আর কেউ রাখতে পারবো না, বাজান, আমার মেয়েরে ফ্যা নে*র সাথে ঝু*লা* নোর মতন সুখ না দিলেও তো পারতা!' 🩷♡
---সে'ক্স করার সময় মনে ছিলো তোমার পরিবার আমাকে মানবে না?
---জানিনা?
---এখন তো জানবে না? পরকীয়া করার সময় তো কতোই না বাহানা দিছো?
---কি করছি আমি হ্যা। যে তুমি আমাকে অপোমান করতেছো।
---আমি কতো করে বললাম বিয়ের আগে এই সব
সে"ক্স কার ভালো না। পরবর্তীতে পরিবার না মানলেই সমস্যা। এখন সেটাই হলো।
---আচ্ছা আমি আসি।
---আসি মানে। আমাকে বিয়ে করো এখন তার পরে কি হবে দেখা যাবে।
---না আমি পারবো না। যেখানি আমার বাবা মায়ের অনুমতি নেই সেখানে বিয়ে করা সম্ভব না।
---তবে আমার দেহটা নষ্ট করলে কেনো। কি দোশ ছিলো আমার।
( সবাই ভাবতেছেন কি হয়েছে তবে শুনুন : আজ থেকে ৩ বছর আগে হাসিব ও হিমুর রিলেশন শুরু হয়। তো ভালোই যাচ্ছিলো সম্পর্কটি হঠাৎ ২ বছর পার হয়ে যাওয়ার পরে। হাসিব হিমুকে অফার দেয় শারীরিক সম্পর্ক করার জন্যে। প্রথমে হিমু রাজি না হলে ও হাসিবের অনুরোধে এক পর্যায় রাজি হয়। এর পরে হাসিব প্রায় কিছু দিন পর পর হিমুর সাথে এমন করতো। কিন্তু এখন যখনি হিমু বিয়ের চাপ দিছে ঠিক তখনি হাসিব পরিবারের কাহিনী তুলে ধরছে? গল্পে ফিরে যাই এখন )
হাসিব : সব কিছু ভূলে যাও।
হিমু : সম্ভব না? আমার তোমাকে চাই!
হাসিব : প্লিজ হিমু আমাকে মুক্তি দাও। আমি তোমার সাথে থাকতে চাইনা।
হিমু: সত্যি আমাকে তোমার ভালো লাগে না।
হাসিব : না।
হিমু : ঠিক আছে যাও তোমাকে মুক্ত করে দিলাম।
হাসিব : সত্যি?
হিমু : হুম সত্যি। তোমাকে আর এই হিমু কখনো ডিস্টাপ করবে না।
হাসিব : ধন্যবাদ তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ?
---এর পরে দুজন দুজনের মতো বাসিয় চলে আসে। কিন্তু পরের দিন শুনা যায় হিমু আর এই পৃথিবীতে নেই। গলায় ফা"সী দিয়ে আত্মহ"ত্যা করেছে?
( এখানে হিমু একটি চিঠিতে লিখে যায়। তুমি অন্য কাউকে নিয়ে শুখে থেকো। কিন্তু আমি তোমাকে মৃত্যুর পরে ও ভালোবেসে যাবো )
--"প্রিয় বোন তোমাদের বলতেছি। ভালোবাসা সুন্দর কিন্তু অতিরিক্ত সুন্দর করতে যেও না। যদি সে তোমাকে ভালোবাসে তবে দেহ চাইবে না। যদি ভালোনা বাসে তাহলে দেহটাই চাইবে।
#কথা গুলা শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি?
#অনু_গল্প : ( #ভালোবাসার_মৃত্যু_)
লেখা ও কাহিনি : #মি_হাসিব
মানুষে বলে Bf মানে boyfriend👩❤️👨
আমি জানি,☺️
Bf = চাচা😷|
প্রমান করো যে, Bf = চাচা🧔♂️
সমাধান,▪️
B = brother🧔♂️
F = father🧔♀️
অত এব Bf = বাপের ভাই🧔♂️
যেহেতু বাপের ভাই, মানে চাচা,,🧔♂️✅
তাই Bf = চাচা🧔♂️(প্রমানিত)✅
আচ্ছা আমি কি পুরুষ্কার পাবো😏🎁🥇🥈🥉🏅🎖️🏆
এতক্ষণ ধরে আমার বান্ধবী আমাকে এটাই বোঝালো এখন আমি কি আমার বান্ধবীকে নোবেল দিমু 🙂
এখন নোবেল আপনাদের হাতে বলুন কী করবো 🙂
মন ছুঁ'য়ে যেতে নতুন নতুন গল্প পেতে আমার আইডি ফলো করে রাখুন 🥰
কেমন আছো? - এইতো আছি।
কোথায় থাকো? - কাছাকাছি।
বদলে গেছো? - সবাই বলে।
তারপর সব ? - যাচ্ছে চলে।
বিয়ে - সাদী? - লাভ কি শুনে।
কতদিন হলো? - রাখিনি গুনে।
ছেলে হয়েছে? - একটি মেয়ে।
কোথায় এখন? - ঘুমালো খেয়ে।
নাম কি ওর? - 'সোনা মা' ডাকি।
এই নামটা তো..... - এখন রাখি।
ব্যাস্ত খুবই? - একটু খানি।
বছর পাঁচেক........ - আমি জানি।
এড়িয়ে যাচ্ছো? - এমনটা নয়।
মনে পড়ে না? - পাইনা সময়।
সেদিন যদি........ - থাক সেসব।
ভুলেই গেছো? - যথা সম্ভব।
থাকতো যদি....... - থাকবে কি আর ?
ভুলিনি আমি - যায় আসে কার?
রাখবো এখন? - কিছু কি বাকি?
ভালো থেকো!! - ভালোই থাকি।
এত অভিমান ? - রাখিনি মোটেই।
এখন কাদোঁ?? - অল্প চোটেই?
হ্যাঁ, কাঁদো কি?? -না, কাঁদি না।
বেণি করো চুল...?? - আর বাধি না।
বৃষ্টিতে ছাদে?? - যাই না এখন।
প্রিয় গানগুলো ? - শুনি কিছুক্ষন।
কখন শুনো?? - মন খারাপে।
মন খারাপ হয়?? - ভয়ে তে কাঁপে।
কিসের ভয়ে?? - থাক আপাতত।
কিছুটা আছো?? - আগের মতো?
আবার যদি.... - চাই না আমি।
আপন কে খুব? - অন্তর্যামী।
চাইলে কি দোষ? - হবে বিপরীত।
আমি কেউ না??? - শুধুই অতীত.....
😥🥀
প্লিজ প্লিজ পেইজটি Follow করে দিবেন.!🖤
স্বামীকে পরীক্ষা করার জন্য স্ত্রীর ফেইসবুক ফ্যাক আইডি দিয়ে প্রেম আলাপ :🥀🌹💐
স্ত্রী ---Hi
স্বামী ---hello
স্ত্রী --- how are u?
স্বামী --- I'm fine..!
স্ত্রী --- can we be introduced to each other??
-- আপু আপনি বাংলাতে বলেন!
ইংরাজি তেমন বুঝিনা।
(স্বামী )
-- আপনি কি করেন?
--বসে আছি! আপনি??
--আরেহ্, আমি বুঝাতে চাইলাম
আপনি কি study করেন, নাকি job করেন?
--ওহ, আমি জব করি..। আপনি?
--আমি পড়ালেখা করি। বাই দ্যা ওয়ে আপনার
বাসায় কে কে আছে??
--আমরা দুই ভাই এক বোন আর আব্বু-আম্মু।
স্ত্রী মনে মনে বলতেছে সব ঠিক
আছে। দেখি বিয়ে করছে কিনা জিজ্ঞাস করি
--আচ্ছা, আপনি কি বিয়ে
করেছেন? নাকি
এখনো করেন নি?
--নাহ্, এখনও বিয়ে করিনি তবে
পছন্দমত পেলে করবো...! (মুচকি হাসির ইমো দিয়ে)
স্ত্রী-- যেটা ভাবছি, শালা
আমারে বাদ দিয়া দিছে শালা
ঘরে বউ রেখে আর আমারে বলে বউ নাই, লুইচ্চা তোরে
খাইছি
এভাবে প্রতিদিন বউয়ের সাথে
চ্যাট করে।
বউ আগের মতো তেমন কেয়ার করেনা।
করবেই বা কেন... ঘরে বউ রেখে
বলে বউ নেই
একদিন স্বামী বলতেছে দেখা করবে। বউ অনিহা প্রকাশ
করলো...
--নাহ, আমাকে বাসাতে থেকে
বেরোতে দেয়না আম্মু। (স্ত্রী)
-- আরেহ, শপিং করার বাহানা দিয়ে চলে আসবে।
তোমাকে অনেক কিছু শপিং করে
দিবো।
স্ত্রী, দাঁতে দাঁত চেপে -"শালা
লুইচ্চা, আমি শপিং করার কথা কইলে বলে টাকা নেই,
আর এখন
বলে শপিং করে দিবে বুঝবি মজা, আমি
দেখা করতে
যাব, দেখি কি করিস।
-- ইয়ে, মানে সত্যি শপিং করে
দিবা?
--হুম..সত্যি, তুমি আসবে কবে বলো?
--কালকে সকালে ১১টায় আসব,
আমি তোমার জন্য মার্কেটের সামনে অপেক্ষা করব।
এসে মেসেঞ্জারে কল দিবে
কেমন?
--আচ্ছা! দিবো, উম্মাহ। স্বামী
খুশিতে কুটকুটি হয়ে গেছে
স্ত্রী সকাল ১১টায়, পায়ে হিল
জুতো, জিন্স প্যান্ট, শর্ট বোরখায়
হিজাব পরে মুখ বেদে, চোখে
রঙিন সানগ্লাস দিয়ে মার্কেটে
যেতে রেডি হচ্ছে।
স্বামী বাসা থেকে বেরিয়ে গেল, আজকে দেখা করার
ডেট তাই।
--হ্যালো, তুমি কোথায়? (স্বামী)
--এইতো তোমার জন্য অপেক্ষা করছি।
বউ একটু স্টাইলিশ ভাবে কথা
বললো যাতে করে ধরা না পড়ে।
তারপর দুজন মিলে শপিং করলো।
বউ দামি দামি গিফ্ট কিনলো।
সব বিল দিলো স্বামী। সব শেষে বললো...
--চলো lunch করবো দুজনে ক্ষুধা
লাগছে। (স্বামী)
-- নাহ, আজকে লেট হয়ে গেছে অন্য একদিন করবো। (মনে
মনে ভাবতেছে বাসায় যাও চান্দু
তোমার গিফ্ট তোমাকে দিমু-- (স্ত্রী)
স্ত্রী,
ভাইঃ আপু কী করিস?😒
বোনঃ বসে বসে গান শুনি!!তুই আমার রুমে কী করিস?😠 যাবি এইখান থেকে।
ভাইঃ আপু আম্মুতো বাসাই নাই!!ভাত বেড়ে দেনা!!খুব খিদা লাগছে,,,😔
বোনঃ পারবো না!!যা এই খান থেকে!!
ভাইঃ আপু তুই খাইছিস?
বোনঃ না পরে খাবো!!
৫মিনিট পর
ভাইঃ এই নে আপু!!! তোর জন্য খাবার আনছি!!আমি খায়িয়ে দেই তোরে,,,,??
বোনঃ ঠাস করে একটা চড় মেরে,,,আমি তোরে ওস্তাদি করতে বলছি,,,,???
ছেলেটি কিছু বলছে না,,,শুধু ও ওর আপুর মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলো!!!পরে রুমে চলে আসে ছেলেটি!! রোমে এসে অনেক কান্না করে।
পরের দিন,,👇
ভাইঃ আপু আইক্রিম খাবো,,১০টা টাকা দে না?
বোনঃ (জোরে একটা ধমক মেরে) তোরে বলছি না আমার কাছে কখনো টাকা চাইবি না!!
ভাইঃ (কেদে কেদে)সরি আপু।
একদিন পরে,,👇
ভাইঃ আপু তুই তো কলেজে যাবি??আমায় তোর সাথে নিয়ে চল না!!প্লিজ!!
বোনঃ পারবো না!!তুই একা একা যা,,,
ছেলেটা ভেবেছিলো রাস্তার পাশদিয়ে ও ওর আপুর হাত ধরে হাটবে!!কিন্তু হলো না!! স্কুল থেকে ফিরে,,
ভাইঃ আপু এই নে!!তুর জন্য তেতুল পেরে আনছি!!!
বোনঃ খুব মিঁষ্টিঁতো!!কাল আবার আনিস তো!!
ভাইঃ মনে মনে অনেক খুশি হলো!! আর ভাবে আপুর জন্য কাল আবার নিয়ে আসবো!!
পরের দিন,,👇
পরদিন সকালে মেয়েটা কলেজে আর ছেলেটা স্কুলে চলে আসে!!মেয়েটাকে ওর বান্ধবি বলে। তোর ভাইটা না অনেক কিউট!!ও তোকে অনেক ভালো বাসে।তুই ওকে এতো অবহেলা করিস কেন,,??ও যদি আমার ভাই হতো ওকে অনেক ভালবাসতাম,,,অনেক আদর করতাম। ভাইয়ের প্রতি করা অবহেলা গুলো পরক্ষনে মেয়েটির চোখের সামনে ভেসে উঠলো!!আর নিজের অজান্তেই চোখ দিয়ে পানি ঝরতে থাকলো!!মেয়েটি ভাবলো আজ থেকে আর ভাইটাকে কষ্ট দেবে না!!মেয়েটি আরো ভাবলো এক সাথে ওর ভাইকে নিয়ে বাড়ি ফিরবে!!তাই তারা তারি হাটতে থাকে,,,,
মেয়েটি খেয়াল করলো রাস্তার ধারে তেতুল গাছের নিচে অনেক লোক ভিড় করে দাড়িয়ে আছে!!মেয়েটি জিঙ্গেস করে কী হয়ছে,,,? লোকজন জানায় একটা ছেলে তেতুল পারার জন্য গাছে উঠে ছিলো। গাছ থেকে পরে গিয়েছে!!ওর অবস্হা খুব খারাপ!!মেয়েটি ভিড়ের ভিতরে ঢুকেই একটা চিৎকার করে উঠলো এটাতো আমার ভাই!!তারা তারি ছেলেটাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়!! আর হাসপাতালে নেওয়ার পথেই ছেলেটি মারা যায়!! মেয়েটি চিৎকার করে বলছে!!
এই সব কিছুর জন্য আমি দায়ি!!আমার জন্য তোকে মরতে হলো।
প্লিজ ফিরে আয়!!ফিরে আয় ভাই!!তোর আপু তোকে অনেক আদর করবে!!
অবহেলার কাছে হেরে গেলো আরো একটা ভালোবাসার গল্প,,,🥺💔
আসলে অবহেলা একট
১৫ দিন হলো ছেলেটির সাথে ব্রেকাপ হয়েছে।কিন্তু যোগাযোগ বন্ধ রাখেনি 🥰
রাত ১০ টায় মেয়েটি ছেলেটিকে ফোন দিলো।মেয়েটি ১১ বার ফোন দিলো, না ছেলেটি ফোন ধরলো না। তাও মেয়েটি ২০ বারের মতো ফোন দিলো, তাও ফোন তুলছে না।😥
মেয়েটি কিছুটা ঘাবড়ে গেলো কিছু হলো ,নাতো, ছেলেটিতো এমন করে না।মেয়েটি দেরি না করে ছেলেটির বাড়ি চলে গেলো😭
মেয়েটি তাড়াতাড়ি তার বাসায় গেলো।গিয়ে দেখে দরজা খোলা আছে।
মেয়ে: ওই আপনি ফোন ধরেন না কেন? আমি ভাবছি কিনা কি হলো। আপনি কি আমারে একটু শান্তিতে থাকতে দিবেন না? 😭
ছেলে: ফোন ধরলাম না কারন আপনাকে খুব সামনে দেখতে ইচ্ছে করছিলো 😊
মেয়ে: আচ্ছা এতো রাতে সে কিসের জন্য আসবে 😒
ছেলে: আসবে না এসে গেছে 🫠
মেয়ে:কে?
ছেলে: আপনি।আমি যানি আমি ফোন না ধরলে আপনি চলে আসবেন 😊
মেয়ে:আর যদি না আসতাম 😒
ছেলে :ভুল মানুকে ভালোবাসিনি।আপনি টেবিলে বসেন আমি খাবার নিয়ে আসছি 😊
মেয়েটি কান্না করছে😥💖😭
ছেলে: এই যে কান্না থামান। আপনার পছন্দের সব খাবার আছে শুরু করেন তো।♥
মেয়েটি কিছু না বলে খাওয়া শুরু করলো।টেবিলের দু পাশে দুজন বসে আছে। তাও তাদের থেকে আপন কেউ নাই
ছেলে: চলেন বাড়িতে দিয়ে আসি 😊
মেয়ে: না যাবো না😭
ছেলে : কেন?
মেয়ে: এমনি যাবো না ♥
ছেলে: যদি খারাপ কিছু হয়ে যায় 🫣
মেয়ে : হবে না 😒
ছেলে : কি করে বুঝলেন? 🤨
মেয়ে:আমি কি ওইসব কাউকে ভালোবাসছি নাকি? যে শরীরকে ভোগ করতে চায়! (মেয়েটা কেঁদে দিলো)আর কতো আপনি করে বলবেন হুমমম?😭
ছেলে: যতক্ষণ না আপনি আমার বুকে এসে কান্না না করবেন 🥰
মেয়েটি দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরে ।বলে -যাহ তোর সাথে আবারো ব্রেকাপ😥
ভালোবাসা তখনই সুন্দর যদি মানুষটা হয় সঠিক🥰
গল্পঃ
#অভিমানি_ভালোবাসা
#সমাপ্ত
- প্লিজ ছেড়ে দেন আমাকে।(রিহা)
- না ছাড়বো না আগে বলো বিয়ে করবা আমাকে?(সানভি)
- করবোনা আপনাকে বিয়ে....(রিহা)
- আজকে তোমাকে ধর্ষন করবো তারপর তুমি বিয়ে না করলেও সমস্যা নাই।(সানভি)
কথাটা বলেই দেয়ালের সাথে চেপে ধরে রিহাকে।
রিহা ছটফট করতে থাকে ছুটার জন্য কিন্তু এতো শক্তির সাথে পেরে উঠেনা।
বিসর্জন দিয়ে দেয় নিজেকে।
প্রথমে ঠোটে বেশ জোরের সাথেই কিস করে।তারপর আস্তে আস্তে ঘারে একটা কিস করে।
তারপর নেশাগ্রস্থের মতো পুরো শরিরটা দেখতে থাকে।
,
রিহা কাদতে থাকে কেও শোনেনা।
সানভি তার কাজে ব্যাস্ত।
ভারি নিশ্বাসের শব্দে তার আরো একটু অন্যরকম লাগে।
কাজ শেষ সানভি উঠে শার্টটা পড়তে পড়তে বলে,
I love You....
,
হ্যা ধর্ষন করলো সে। ইচ্ছের বিরুদ্ধে যৌনক্রিয়া করার নামই তো ধর্ষন তাইনা।
সানভি ধর্ষন করলো রিহাকে।
,
কেনো করলো শুনবেন না??
সেগুলো বলতে গেলে কয়েকটা পর্ব লেগে যাবে তাই সংক্ষেপে এই পর্বেই বলে দেই,
,
কলেজে প্রথম দিন।
সানভির একটা মেয়েকে দেখে চোখ আটকে গেছে।
কিছুতেই চোখ সরাতে পারছে না।
কেমন একটা মায়ায় বেধে গেছে তার চোখ।
,
বুঝতে পারে মেয়েটাকে। মেয়েটা তার দিকে তাকাতেই চোখ নামিয়ে নেয় সে।
তারপর একসাথে ক্লাস করে।
মেয়েটার খুব কাছে কাছে থাকে সে।।
,
কয়েকদিন পর প্রোপোস করে সে মেয়েটাকে।
মেয়েটার নাম রিহা।দেখতে ভালো স্মার্ট।আর কথা বলে খুব সুন্দর করে।। আর সানভিও হ্যান্ডসাম গুড লুকিং অনেক মেয়েই পাগল তার জন্য কিন্তু রিহাকে প্রোপোস করা মাত্রই।
- রিহা তোমাকে প্রথম দেখায়ই আমার ভালো লেগে গেছে আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলছি। will you love me??(sanvi)
রিহাা একটা চড় মেরে বলে,
- কোনোদিনও না।তোমাকে কেনো ভালোবাসবো।(riha)
- please try to understand i love you so much...(sanvi)
- i don't want to understand... get out from my eye arena..(riha)
- আজকে চলে যাচ্ছি কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়বো না মনে রেখো।(Sanvi)
- দেখা যাবে তুমি কি করতে পারো।(riha)
,
দুজনই রাগে গজগজ করতে করতে চলে যায়।
রিহার মনে জেদ চেপে যায় সে কিছুতেই সানভির সাথে রিলেশন এ যাবেনা আবার অপরদিকে সানভির মনেও জেদ চেপে গেছে রিহাকেই সে বিয়ে করবে।
আর কাওকে না।
,
পরের দিন খুব ভোরে কলেজে যায় সে।
গিয়ে বসে থাকে রাস্তার পাশে রিহা আসতেই একটা গোলাপ ফুল এগিয়ে দেয় সে।
,
- কালকে না মানা করলাম আমার সামনে আসবা না তাহলে কেনো আসছো আবার?(Riha)
- ভালোবাসি তাই।( Sanvi)
- তো
😥😞Sad......Golpo,,,😥💔
পুরো গল্পটা পড়লে আপনি কান্না করতে বাধ্য হবেন,,,,
মেয়ে:হ্যালো।
ছেলে:হ্যা বল।
মেয়ে: কি করিস?
ছেলে: শুয়ে আছি।
মেয়ে: দুপুরে খেয়েছিস?
ছেলে: নাহ
মেয়ে: কেন?
ছেলে: টাকা নেই কাছে আর মেসে মিল নাই।
মেয়ে: শয়তান বিকাল হয়ে গেছে এখনো খাসনি তাড়াতাড়ি বাইরে আয়।
ছেলেটির নাম শুভ আর মেয়েটির নাম নিলা।
শুভঃ জানে না সুনামি বয়ে যাবে তাই আসতেছি বলেই রেডি হয়ে বাহিরে চলে এলো। একটু পরেই দেখলো নীলা প্রাইভেট কারে করে চলে এলো।
তারপর শুভকে তুলে রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেল।
শুভ একমনে খাচ্ছে আর নিলা মনোযোগ দিয়ে শুভর খাওয়া দেখছে।
মেয়ে: এভাবে আর কতদিন,,
ছেলে: কি কতদিন?
মেয়ে: কি কতদিন বুঝিস না, আমার টাকায় আর কতদিন এভাবে চলবি বল?
ছেলে: আমার একমাত্র বউয়ের বাপের টাকায় খাবো তো এতে কিপটামির কি আছে?
এই কথা বলেই শুভ আবার খাওয়ায় মনে দিল আর নিলা রাগটাকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছে। খাওয়া শেষ হলে। নীলা বিলটা দিয়ে শুভকে নিয়ে লেকের পাড়ে চলে গেল। চুপচাপ বসে আছে দুইজনে।
মেয়ে: শুভ এভাবে আর কতদিন চলবে বল? অন্তত কিছু একটা তো কর যেদিন আমি থাকবোনা কিভাবে চলবি তুই?
ছেলে: দেখ নিলা বেশি কথা বলবি না তো। তোর মত একটা লক্ষী বউ থাকতে কি অন্য কিছু করা লাগে আর তোর বাবার অনেক টাকা এগুলা খেয়েই তো দুজনে শেষ করতে পারবোনা।
মেয়ে: বয়েই গেছে তোর মতো ছেলের বউ হতে।
ছেলে: হবি তো হবি। তুই ই আমার বউ হবি বলে দিলাম।
মেয়ে: দেখ শুভ এসব কথা না বলে একটা চাকরির ব্যবস্থা কর না হলে অন্তত কয়েকটা টিউশনি তো করা যেতে পারে। এভাবে আমার ভয় করে। আমি না থাকলে তোর কি হবে বল?
ছেলে: দেখ এসব চাকরি বাকরি আর টিউশনি কোনটাই আমার দ্বারা হবে না। এমনই ভালো আছি।
মেয়ে: পরে বুঝবি এর মজা! কথাটি বলেই রেগে নিলা উঠে চলে আসছে আর শুভ ও উঠে পিছু নিলো ওর......
ছেলে: এই চলে যাবি যা আমার যাওয়ার ভাড়া টা তো দে।
মেয়ে: দিতে পারবোনা পারলে হেটে যা।
ছেলে: ওকে গেলাম। কথাটি বলেই শুভ হাঁটা শুরু করে আর নিলা গাড়িতে উঠে যায় কিছুক্ষণ পর নিলার গাড়ি শুভর কাছে এনে কাচটা নামিয়ে এক হাজার টাকার একটা নোট শুভকে দিয়ে বললো। লিখে রাখিস পরে শোধ করে দিস গাড়িটা চলে গেল আর শুভ দাঁড়িয়ে মুচকি মুচকি হাসছে।
এই চারটা বছরে শুভ এই নিয়ে ১ লাখ 25 হাজার চারশ সতের টাকা নিয়েছে। নোটটা না ভাঙ্গিয়ে হাঁটতে হাঁটতেই শুভ মেসে চলে আসে।
এবার এদের প
মেয়ে : হাই।
ছেলে: হ্যালো।
মেয়ে :কি করেন?
ছেলে: এত রাতে কি করে মানুষ। 😡
মেয়ে: সরি।😞
ছেলে : ঠিক আছে।
মেয়ে : হু।
ছেলে : একটা কথা বলি 😊।
মেয়ে : হু ☺️।
ছেলে: আমি তোমাকে ভালোবাসি। 🫣
মেয়ে : ওমা। তাই নাকি 🤨
ছেলে: হু।,,,,,,,,, i love you 😔
মেয়ে : আচ্ছা। আমি তোমাকে কিছু প্রশ্ন করব যদি উত্তর দিতে পারো তা হলে আমি একসেপ্ট করব 🥰🥰
ছেলে: আচ্ছা 🤔😔দেখি পারি নাকি।
মেয়ে :ভালো বাসতে কি লাগে?
ছেলে: ভালোবাসতে বিশ্বাস লাগে। 🥰
মেয়ে : বিশ্বাস কাকে বলে?
ছেলে: তুমি একটা বাচ্চা কালো নিয়ে বাচ্চা টাকে উপর দিকে ছুরে মারো,
দেখবে বাচ্চা টা তোমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। কারন বাচ্চা টা জানে
তুমি তাকে পরার আগে ধরে নিবে। এটা হলো বিশ্বাস। 😊
মেয়ে: তুমি আমার জন্য সব কিছু করতে পারবে 🤔।
ছেলে : না। আমি তোমার জন্য সব কিছু করতে পারব না।
আর আমি অন্য ছেলেদের মত মিথ্যা আশা তোমাকে দিব না।
আমি অন্য ছেলেদের মত তোমাকে বাইকে ঘুরাতে নিয়ে যেতে পারব না 😞।
তবে তুমি চাইলে রিকশা করবে ঘুরব আমার শহরে 🥰
মেয়ে : হু আর কি পারবা
ছেলে : হয়তো কোনো বড় বারিতে তোমাকে রাখতে পারব। না কিন্তু আমার ছোট ঘরে তোমাকে যত্ন করে রাখব।
মেয়ে : হু তার পরে।
ছেলে: হয়তো তোমার জন্মদিন এ কোনো দামী গিফট দিতে পারব না। 😔 কিন্তু চকলেট আর আইসক্রিম,, পার্কে বসে খাওয়াতে পারব।। 😊
মেয়ে : আচ্ছা,,,, রাস্তা দিয়ে আমরা দুইজন হাটছি,,, তখন যদি আমি পরে আমাকে তুলবে?
ছেলে: না। 😁
মেয়ে : কেন 😡
ছেলে: পরে যাওয়ার আগেই ধরে নিব🥰🥰
মেয়ে : আমাকে কখনো মাঝ পথে ছেরে চলে জাবে না তো 😔।
ছেলে: কখনোই না।
মেয়ে : আমাকে অনেক ভালোবাসবে ত 🤔
ছেলে : হু নিজের থেকে ও বেশি😊
মেয়ে : পাগল একটা।,,,,,, i love you 🥰🥰🥰
ছেলে : 💝🙈☺️☺️❤️❤️,,,,,,, i love you too🥰🥰
ভালোবাসা সত্যি খুব সুন্দর যদি সঠিক মানুষ টা জিবনে আসে।
সমাপ্ত
©
অচেনা মানুষের সাথে প্রেম। 🥰
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
