Healthy Life

Healthy Life

Share

সাস্থ্য সেবা নয়, বরং সাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি-ই আমাদের মূল লক্ষ্য।

12/06/2022

06/10/2021

কতটুকু বাদাম প্রতিদিন খাবেন?
আমরা সবাই জানি, বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বাদাম ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর একটি খাবার। তবে স্বাস্থ্যগত উপকার পাওয়ার জন্য বাদাম খাওয়ার পরিমাণটা কিন্তু সঠিক হতে হবে।

বাদাম মস্তিষ্কের জন্য ভালো। বাদাম শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমায়, হৃদরোগ প্রতিরোধ করে, রক্ত সঞ্চালন সহজ করে। ডায়াবেটিস, ক্যানসার, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ প্রতিরোধ করে। গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ১০ গ্রাম বাদাম খাওয়া বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে। বোল্ড স্কাইতে পাওয়া গেল এসব তথ্য।

এই ১০ গ্রাম বলতে আসলে কী বোঝায়? ১০ গ্রাম ওয়ালনাট মানে হলো মোটামুটি পাঁচটি ওয়ালনাট। ১০ গ্রাম পিনাট হলো ১২টি পিনাট। ১০ গ্রাম কাঠবাদাম হলো আট থেকে নয়টি কাঠবাদাম-অবশ্য এটি আকারের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। ১০ গ্রাম কেসুনাট মানে ছয়টি কেসুনাট। ১০ গ্রাম পিকেন মানে হলো পাঁচটি পিকেন।

গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ১০ গ্রাম বাদাম খেলে এক শতাংশ ক্যানসার প্রতিরোধ হয়। মস্তিষ্কের স্নায়ুজনিত সমস্যা সাত ভাগ প্রতিরোধ হয়, ১৭ ভাগ হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। তাই বাদামকে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকতায় রাখুন।

23/08/2021

ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার এবং হার্টের সমস্যা দেখা দিলে, তেঁতুল খেতে পারেন। তেঁতুল এই তিনটি রোগ কমাতে সহায়তা করে।

সুস্থতা স্রষ্ঠার শ্রেষ্ঠ দান। সুস্থতায় বাঁচুন, ভালো থাকুন।

02/06/2021

রেসিপি : (মতিচুরের লাড্ডু)

উপকরণ : বেসন, পেস্তা কুচি, চিনি,কিসমিস বেকিং সোডা,অরেঞ্জ ফুড কালার(অপশনাল) ঘি

যেভাবে বানাবেন: বুন্দিয়া তৈরি করতে হবে।বেসন, বেকিং পাউডার মিশান। ঘি ও প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ঘন ব্যাটার বানান।ঘি গরম করে ঝাঁঝরি চামচ দিয়ে বেসন গুলো লাল করে ভেজে নিন।

লাড্ডু তৈরি করতে চুলায় চিনির ও পানির শিরা করুন। দুধ ও ফুড কালার দিন। শিরা ঘন হয়ে গেলে বুন্দিয়া,কিসমিস ও পেস্তা বাদাম দিন। মাখা মাখা হলে নামিয়ে হাতে ঘি মেখে গোলাকার শেইপ দিন। হয়ে গেল মতিচুরের লাড্ডু।

02/06/2021

রেসিপি পোস্ট : (সাবুদানার পাপড়)

যা যা লাগবে:
সাবুদানা পরিমাণ মতো,লবণ,পছন্দ মতো ফুড কালার,তেল।

প্রণালী :
সাবুদানা ধুয়ে লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন এক ঘন্টা।এরপর পানি ছেকে নিন।পরে সাবুদানা অল্প অল্প কর আলাদা পাত্রে নিয়ে পছন্দ মতো ফুড কালার মিশিয়ে নিন।

এরপর চুলায় একটা পাত্রে পানি ফুটতে দিন।পানি ফুঠলে পানির উপর একটা ছাকনি দিয়ে সাবুদানা গুলো দিয়ে দিন ভাপে।এবার একটা ডালা/চালুনে তেল মিশিয়ে নিন।এরপর সাবুদানা গুলো ভালো ভাবে রোদে শুকিয়ে নিন।শুকিয়ে গেলেই তৈরি সাবুদানার পাপড়।।

17/05/2021

আপনারা যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম খাবেন,
খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন।
যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নিবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছ ও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার।
ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে।
যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।।

posted by:: Admin, Healthy Life.

নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক খবরাখবর পেতে পোস্টটি like দিয়ে share করুন ।
আপনার ১টি like অথবা share-ই হতে পারে অন্য কারো জীবণ সুখের কারণ। ধন্যবাদ।।❣❣

17/05/2021

কলিজা প্রত্যেক প্রাণীর একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক উপাদান। আমরা আমাদের শরীরের দৈহিক চাহিদা মেটাতে বা রসনার তৃপ্তিতে বিভিন্ন প্রাণী জবাই করে তার মাংস খেয়ে থাকি। সাধারণত গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ, হাস, মুরগী ইত্যাদি আমরা জবাই করে তার মাংস রান্না করে খেয়ে থাকি। এ সকল প্রাণীর দেহের যেসকল অংশগুলো আমরা খেয়ে থাকি তার মধ্যে কলিজা অন্যতম। কলিজা খাবার হিসেবে গ্রহণ করার ফলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকার সাধিত হয়ে থাকে।
শিশু থেকে ৪০ বৎসর পর্যন্ত বয়সীদের নিয়মিত কলিজা খাওয়া উচিত। বয়স ৪০ অতিক্রম করলে কলিজা না খাওয়াই উত্তম। আর যদি খেতেই হয় তবে অল্প পরিমাণে দীর্ঘ দিন পর পর খাওয়া উচিৎ। যাদের উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস আছে বা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি এমন ব্যক্তিদের জন্য কলিজা খাওয়া উচিত না। সঠিক বয়সে পরিমাণ মতো নিয়মিত কলিজা খেলে আমাদের শরীরের সুস্থ থাকে। সেজন্য প্রত্যেকের উচিত আহারের তালিকায় খাদ্য হিসেবে কলিজাকে প্রাধান্য দেয়া।

posted by:: Admin, Healthy Life.

নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক খবরাখবর পেতে পোস্টটি like দিয়ে share করুন ।
আপনার ১টি like অথবা share-ই হতে পারে অন্য কারো জীবণ সুখের কারণ। ধন্যবাদ ❤❤

17/05/2021

তরমুজ। গড়মের আরাম!!
আমাদের জানা অজানা অনেক উপকারিতা রয়েছে তরমুজের মধ্যে........

তরমুজ খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ প্রায় নেই বললেই চলে। গ্রীষ্মকালের গরমে খুব প্রয়োজন না হলে বাহিরে যেতে চাই না আমরা কেউই। এ সময় আমরা চাই আরামদায়ক ঠান্ডা অথবা এসিরুমে বসে বা শুয়ে টেলিভিশন দেখা, আরাম করা। আর গড়মের এ তীব্রতায় নিজেকে স্ট্রং রাখতে স্বাস্থকর সব খাবার খাওয়া। এ ক্ষেত্রে আমরা ফলমূলকেই বেশী প্রাধান্য দিয়ে থাকি। সুতরাং এর মধ্যে অন্যতম একটি ফল হচ্ছে তরমুজ। তরমুজের সাথে আমরা সকলেই পরিচিত।
তরমুজের উপকারিতা কী? আজকে আমি এ বিষয়টি নিয়েই আলোচনা করবো।

সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে তরমুজের ৯টি উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তরমুজে রয়েছে সমৃদ্ধ ভিটামিন-A ও ভিটামিন-C এবং Citrullineসহ স্বাস্থ্যকর বিভিন্ন উপাদান। যে উপাদানগুলো আমাদের শরীরে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।
তাহলে চলুন, আমরা সে উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নেই।

উপকারিতা-১:- তরমুজ ত্বক অর্থাৎ স্কীনের জন্য অনেক উপকারী।

আপনার ত্বক বা স্কীনে যদি freckle (মেচতা) থাকে, তবে তা থেকে রেহাই পেতে প্রতিদিন তরমুজ খান।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তরমুজের সমৃদ্ধ ভিটামিন 'এ' দেহের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার ত্বকে লাবণ্য ফিরে আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

উপকারিতা-২:- তরমুজ হার্টকে সুস্থ রাখে।

একটি জরিপের ফল অনুসারে, তরমুজের একটি বিশেষ উপাদান হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়াও তরমুজে থাকা ভিটামিন-C, ক্যারোটিন (carotene) ও পটাসিয়াম শরীরের কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। এর ফলে আপনার হার্ট বড় ধরনের বিপদ থেকে সর্বদা সুরক্ষিত থাকে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, যারা হার্টের সমস্যায় ভুগছেন, তারা শুধু তরমুজ খেয়েই সুস্থ হওয়ার আশায় দিন কাটাবেন। ব্যাপারটা মোটেই তেমন নয়। বরং বুকে ব্যথা হলে বা হার্টের সমস্যা থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

উপকারিতা-৩:- তরমুজ কিডনির কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

যদি কেউ কিডনির পাথর রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। তাহলে আপনি জানবেন, কিডনিতে পাথর হয়ে এটি একটি নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করলে কি রকম প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে। অনেকে এ ব্যথা সহ্যও করতে পারেন না।
সুতরাং যারা, এ কিডনি রোগ থেকে সাবধান থাকতে চান, তারা অবশ্যই নিয়মিত তরমুজ খাবেন। নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার কিডনি পাথরমুক্ত থাকবে, ব্যাপারটা একেবারে এমনও নয়। তবে, এতে আপনার কিডনির ওপর চাপ কমবে। আর কিডনি যখন তার কাজ ঠিকমতো করবে, তখন সেখানে পাথর হবার আশঙ্কাও কমে যাবে। এবং নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার প্রস্রাবের ধারা স্বাভাবিক থাকবে। এতে কিডনি পাথর রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

উপকারিতা ৪:- তরমুজ দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়।

আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় যদি তরমুজ থাকে, তাহলে আপনার দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকবে। কারণ, তরমুজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-A থাকে। আর ভিটামিন-A থাকা না-থাকার ওপর নির্ভর করে দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক থাকা বা না-থাকা। আর ভিটামিন-A কে চোখের পুষ্টি-বিশেষজ্ঞ বলা হয়।

উপকারিতা ৫:- তরমুজ শরীরের হাড়কে সুস্থ রাখে।

মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের হাড়ে ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দেয়। এ সময় শরীরে ক্যালসিয়ামের চাহিদা বাড়ে। এ বাড়তি চাহিদা পূরণ না-হলে হাত-পায়ে ব্যথা হয়, হাঁটাহাঁটি করতে সমস্যা হয়। অথচ বয়স বাড়লে নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করাটা শরীর সুস্থ রাখার অন্যতম বিশেষ মাধ্যম। সুতরাং যদি আপনি নিয়মিত তরমুজ খান, তবে এর ক্যারোটিন ও ক্যালসিয়াম আপনার হাড় মজবুত রাখবে। এর সুফল পাবেন বয়সকালে।

উপকারিতা ৬:- তরমুজ রক্তচাপকে স্থিতিশীল রাখে।

আপনার রক্তচাপ কি ঠিক আছে?
অনেকেই রয়েছেন, যারা খাদ্যগ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন ও শরীরচর্চা বা ব্যায়ামের মাধ্যমে রক্তচাপকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করেন। চিকিৎসকরা বলেন, "আপনার খাদ্যতালিকায় নিয়মিত তরমুজ রাখুন। কারণ, তরমুজে প্রচুর পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা রক্তচাপকে স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে।"

উপকারিতা ৭:- মাংশ পেশীর ব্যথা থেকে বাঁচতে তরমুজ খান।

অনেকেই দেখা যায় শরীরচর্চা বা ব্যয়ামের পর মাংশ পেশীর ব্যথায় ভোগেন। আর এ থেকে বাঁচতে আপনাকে তরমুজ সাহায্য করতে পারে। শরীরচর্চার অন্তত এক ঘন্টা আগে এক কাপ তরমুজের জুস পান করুন। দেখবেন, শরীররচর্চার পর পেশীতে ব্যথার অনুভূতি তুলনামূলকভাবে কম হচ্ছে। তবে মনে রাখবেন, তরমুজের জুসে সুগারের পরিমাণ একটু বেশি। তাই জুস না-খেয়ে সরাসরি তরমুজ খাওয়া ভালো।

উপকারিতা ৮:- তরমুজ অ্যাজমা প্রতিরোধে সহায়তা করে।

আপনি নিয়মিত তরমুজ খেয়ে অ্যাজমা বা হাঁপানি প্রতিরোধ করতে পারেন। কারণ, তরমুজে প্রচুর ভিটামিন-C থাকে। যারা ইতোমধ্যে অ্যাজমায় আক্রান্ত হয়েছেন, তারাও তরমুজ খেয়ে উপকার পেতে পারেন। আরেকটি বিষয় বলে রাখি, তরমুজ কিন্তু ফুসফুস সুস্থ রাখতেও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে।

উপকারিতা ৯: তরমুজ প্রোস্টেটের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

যে-কোনো ক্যান্সার প্রতিরোধে তরমুজ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে। বিষয়টি এমন নয়। তবে, তরমুজে ক্যান্সার-প্রতিরোধক উপাদান রয়েছে। বিশেষ করে, এটি প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

তরমুজের সব উপকার সম্পর্কে আলোচনার দরুন আমরা অনেক অজানা তথ্য জানতে পেরেছি ইতিধ্যেই। এখন আমরা তরমুজ খাওয়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কেও জানবো।

১. গ্রীষ্মকালের তীব্র গরমে অনেকেই ঠাণ্ডা তরমুজ খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু মনে রাখবেন, ঠাণ্ডা তরমুজ খেতে ভালো হলেও, এটি আপনাকে অনেক সমস্যায় ফেলতে পারে। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা তরমুজ আপনার পাকস্থলির ক্ষতি করতে পারে।

২. জ্বর, দাঁতের এলার্জি, মুখের ঘা, কিডনি ও পেটের সমস্যায় ভুগছেন—এমন মানুষ; গর্ভবতী নারী; এবং ডায়াবিটিসের রোগীদের তরমুজ খাওয়ার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। আর নারীদের উচিত মাসিকের সময় তরমুজ এড়িয়ে চলা।

৩. একটা তরমুজ কেটে একবারে খেয়ে ফেলা উচিত।
অনেকে ফ্রিজে রেখে কয়েক দিন ধরে একটা তরমুজ খান। এটা ঠিক না। এতে তরমুজের ফ্রেসনেস কমে যায়।

প্লীজ পোস্টটি like দিয়ে share করুন ।
আপনার ১টি like এবং share-ই হতে পারে অন্য কারো সুস্থ জীবণের কারণ।

17/05/2021

এক কাপ চা........!
কারো কারো জীবণের একটি পার্শ্ব জুড়ে রয়েছে যেন এর নির্যাস। প্রতিটি দিন চায়ের কাপে ঠোট না ভেজালে মাথাটা কেমন যেন ধরে থাকে আমাদের। তাইতো নিজেকে রিফ্রেশ রাখতে প্রতি নিয়তো চায়ের কাপে চুমুক বসিয়ে থাকি আমরা। তবে সে চা যদি হয় এক কাপ আদা মিশ্রিত চা। তাহলে ব্যাপারটাই হয়ে যাবে অন্যরকম।
আপনি জানেন কি, এক কাপ আদা-চায়ে কী কী গুণ রয়েছে??
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, চায়ের সঙ্গে যদি আদা মিশ্রণ করা হয়, তাহলে এর উপকারিতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কারণ আদায় রয়েছে এমন জীবাণুরোধী উপাদান, যা রোগ-জীবাণু প্রতিরোধ করে। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞরা আরো বলেন.. আদাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম ও অন্যান্য খনিজ থাকে বলে এটি শরীরের জন্য খুব উপকারী।

posted by:: Admin, Healthy Life.

নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক খবরাখবর পেতে পোস্টটি like দিয়ে share করুন ।
আপনার ১টি like অথবা share-ই হতে পারে অন্য কারো জীবণ সুখের কারণ। ধন্যবাদ।।

17/05/2021

- -পিঁয়াজের উপকারিতা !
• পিঁয়াজ শরীরের ইনসুলিন বৃদ্ধি করে ডায়াবেটিক রোধ করতে সাহায্য করে।
• পিঁয়াজ ঘুমের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
• পেঁয়াজের রস পোড়া স্থানে, পোকা-মাকড়ের কামড় দেয়া স্থানে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।
• পিঁয়াজ হজমে সমস্যা সমাধানে ভাল কাজ করে।
• পিঁয়াজ রয়েছে অ্যান্টি-বায়োটিক, অ্যান্টি-সেপ্টিক, অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল । যা রোগ সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে।
• পিঁয়াজ বাড়তি কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে।
• বাতের প্রদাহ দূর করতে পেঁয়াজ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে।
• পিঁয়াজ প্রচুর পরিমাণে পানি রয়েছে। গ্যাসের সমস্যা দূর করার জন্য এটি কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
• চুল পড়া রোধ ,দাঁত ও নখ ভাল রাখতে ও স্মৃতি বাড়াতে পিঁয়াজ জুড়ি নেই।
• পিঁয়াজ হৃৎপিণ্ডে, জন্ডিস ও কিডনি রোগ থেকে রক্ষা করে।
• পিঁয়াজ জ্বর, সর্দি-কাশি দূর করতে সাহায্য করে।

posted by:: Admin, Healthy Life.

নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক খবরাখবর পেতে পোস্টটি like দিয়ে share করুন ।
আপনার ১টি like অথবা share-ই হতে পারে অন্য কারো জীবণ সুখের কারণ। ধন্যবাদ ❣❣

Photos from Healthy Life's post 03/05/2021

ঘরোয়া ও ভেষজ টোটকা পেতে আমার পেজ টি লাইক করুন 💗💗

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Chittagong