Health care Forever

Health care Forever

Share

Best Bangladeshi healthy care products. Quality is better than prize. We never compromise on our pro

16/12/2020

আম
আম দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি স্বাদ, পুষ্টি ও গন্ধে অতুলনীয়। প্রচুর ক্যারোটিনের সম্ভার পাকা আম। এই ফলটি যকৃতের জন্য খুবই উপকারী। রাতকানা ও অন্ধত্ব প্রতিরোধে কাঁচা ও পাকা আমের কার্যকারিতা অপরিসীম।

Photos from Health care Forever's post 16/12/2020
16/12/2020

জেনে নিন আমড়ার ৭ গুণ
১. আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তস্বল্পতা দূর করতে বেশ প্রয়োজনীয়।
২. আমড়া পিত্তনাশক ও কফনাশক।
৩. আমড়া খেলে অরুচিভাব দূর হয়।
৪. মুখে রুচি ফিরে আসে, ক্ষুধা বৃদ্ধি করে।
৫. বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।
৬. রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৭. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে।
এ মৌসুমের দারুণ ফল হিসেবে তাই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ কিংবা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে আমড়া খেতে পারেন। আমড়ায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। ফলে সহজেই সুস্থ থাকতে পারবেন।

16/12/2020

মাশরুম | খাবারটির ১৫টি ঔষধিগুণ জানেন কী?
মাশরুম ক্লোরোফিল (Chlorophyll) বিহীন ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ এবং নতুন ধরণের সবজি যা সম্পূর্ণ হালাল, সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও উচ্চ খাদ্যশক্তি এবং ভেষজগুণে ভরপুর। এর মধ্যে ২৫-৩০% প্রোটিন আছে যা অত্যন্ত উন্নত ও নির্ভেজাল। এতে উপকারী শর্করা, চর্বি আছে। যে কারণে মাশরুম বিভিন্ন জটিল রোগের প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। মাশরুমের পুষ্টিগুণের পাশাপাশি যে সব ঔষধিগুণ পাওয়া যায় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক!
মাশরুমের কিছু ঔষধিগুণ
১• গর্ভবতী মা ও শিশুদের রোগ প্রতিরোধে
মাশরুমে আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেলের এমন সমন্বয় আছে যা শরীরের ইমিউন সিষ্টেমকে (Immune System) উন্নত করে। নিয়োসিন ও অ্যাসকরবিক এসিড (Niacin and Ascorbic Acid) বা ভিটামিন সি’র প্রাচুর্য থাকায় মাশরুম স্কার্ভি (Scurvy), পেলেগ্রা (Pellegra) প্রভৃতি শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের রোগ প্রতিরোধে উপকারী।
২• বহুমুত্র প্রতিরোধে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে মাশরুম
বহুমুত্র বা ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের শর্করা ও ফ্যাট জাতীয় খাবার ক্ষতিকারক। ফ্যাট ও শর্করা কম এবং আঁশ বেশি থাকায় বহুমুত্র বা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য মাশরুম বিশেষ উপকারী ও ডায়াবেটিস রোগীদের আদর্শ খাবার। নিয়মিত খেলে ব্লাড সুগার কমিয়ে আনা সম্ভব।
৩• চর্মরোগ প্রতিরোধে মাশরুম
নানা ধরনের চর্মরোগ নিরাময়ে মাশরুম বিশেষভাবে উপকারী। ঝিনুক মাশরুমের নির্যাস থেকে খুশকি প্রতিরোধী ঔষধ তৈরী করা হয়।
৪. উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ প্রতিরোধে মাশরুম
মাশরুমে কোলেস্টেরল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন (Eritadenin), লোভাষ্টটিন (Lovasatin), এনটাডেনিন (Antadenin), কিটিন (Kitine) এবং ভিটামিন বি,সি ও ডি থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার) ও হৃদরোগ নিরাময় হয়।
৫• দাঁত ও হাড় গঠনে
মাশরুমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম (Calcium), ফসফরাস (Phosphorus) ও ভিটামিন ডি আছে। শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে এই উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।
৬• ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে মাশরুম
মাশরুমের বেটা-ডি (Beta-D), ল্যামপট্রোল (Lampetrol), টারপিনয়েড (Turpinoid) ও বেনজো পাইরিন (Benzo Pyrene) আছে যা ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধ করে। ফ্রান্সবাসীরা পর্যাপ্ত পরিমাণ মাশরুম খান বলে গত এক শতাব্দী ধরে ক্যান্সার রোগের প্রাদুর্ভাব কম বলে দাবি করা হয়। সম্প্রতি জাপানের জাতীয় ক্যান্সার ইনষ্টিটিউটের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে মাশরুমের ক্যান্সার প্রতিহত করার ক্ষমতা আছে।
৭• মাশরুম এইডস প্রতিরোধক
মাশরুমে ট্রাইটারপিন (Triterpin) থাকাতে বর্তমানে এটি বিশ্বে এইডস প্রতিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
৮• আমাশয় রোগ নিরাময়ে মাশরুম
মাশরুমে ইলুডিন এম ও এস (Eludin M & S) থাকাতে আমাশয়ে উপকারী।
৯• হাইপার টেনশন দূর করে মাশরুম
মাশরুমে স্ফিংগলিপিড (Sphingolipid) এবং ভিটামিন-১২ বেশি থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড (Spinal Cord) সুস্থ্য রাখে। তাই মাশরুম খেলে হাইপার টেনশন (hypertension) দূর হয় এবং মেরুদন্ড দৃঢ় থাকে।
১০• পেটের পীড়ায় বা সহজপাচ্য প্রোটিন যোগানে
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন আছে। এই প্রোটিন সহজপাচ্য, সুস্বাদু ও মুখরোচক। মাশরুমে পর্যাপ্ত পরিমাণ এনজাইম (Enzyme) বিশেষতঃ ট্রিপসিন (Trypsin) এবং অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত জারকরস (Jerkros) আছে বলে মাশরুম খাদ্য পরিপাক ও হজমে সাহায্য করে, রুচি বর্ধক এবং পেটের পীড়া নিরামায়ক।
১১• কিডনির রোগ প্রতিরোধে মাশরুম
মাশরুমে নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid) ও এন্টি-এলার্জেন (Anti-Allergen) থাকায় এবং সোডিয়ামের (Sodium) পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক।
১২• চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধে
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে সালফার (Sulfur) সরবরাহকারী এমাইনো এসিড (Amino Acid) থাকায় এটা নিয়মিত খেলে চুল পড়া ও পাকা প্রতিরোধ করে।
১৩• দৃষ্টিশক্তি রক্ষায়
মাশরুমের খনিজ লবণ চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষার জন্যও সমাদৃত।
১৪• হেপাটাইটিস-বি ও জন্ডিস প্রতিরোধে মাশরুম
মাশরুমে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড (Folic Acid),লৌহ এবং লিংকজাই-৮ (Linkzai-8) নামক এমাইনো এসিড থাকায় হেপাটাইটিস-বি ও জন্ডিসের প্রতিরোধক।
১৫• এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা
শরীরে এনিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে নিয়মিত মাশরুম খেলে তা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
আপনার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় রাখুন মাশরুম। মাশরুমের উপস্থিতি আপনার খাদ্যতালিকাকে করবে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও আকর্ষনীয়।

16/12/2020

ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে যে জটিলতা দেখা দেয়, একে সামগ্রিকভাবে ডায়াবেটিস ফুট বলা হয়।
যেসব কারণে ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে বেশি
১. ডায়াবেটিসের কারণে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে সহজেই রোগ-জীবাণুর সংক্রমণ হয়। পা-ও এর ব্যতিক্রম নয়।
২. রক্তে শর্করা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে দেহের মাঝারি ও ক্ষুদ্র রক্তনালিগুলোতে পরিবর্তন হয়, সরু হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে পায়ে রক্ত চলাচল কমে যায়, যা ঘা বা পচনকে ত্বরান্বিত করে।
৩. ডায়াবেটিসের কারণে পায়ের স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনুভূতি কমে যায় ও পা নাজুক হয়ে পড়ে এবং বারবার আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ফলে সহজেই সংক্রমণ হয়ে ঘা হয় বা পচন ধরে এবং সহজে তা সারে না।
কী করবেন
প্রথমেই রক্তে শর্করা সুনিয়ন্ত্রিত রাখতে হবে। নিয়মিত রক্তে শর্করা ও গড় শর্করা পরীক্ষা করে চিকিৎসা নিতে হবে।
পায়ে যেন কোনো ধরনের আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খালি পায়ে হাঁটা যাবে না, নরম তলার প্রশস্ত জুতা পরতে হবে, আঁটসাঁট জুতা-মোজা পরা যাবে না।
নিয়মিত নিজের পা পরীক্ষা করতে হবে। পা ফাটা রোধে পা পরিষ্কার করে আর্দ্রতা রক্ষাকারী মলম লাগাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই পায়ের কর্ন বা অন্য কিছু নিজে নিজে কাটা যাবে না। পায়ে অতিরিক্ত গরম লাগানো যাবে না।
পায়ে ঘা বা সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

16/12/2020

চোখ উঠলে চোখ লাল হয়ে যায়, কিছুটা ব্যথা ও খচখচ ভাব থাকে। এর সঙ্গে থাকে চোখ দিয়ে পানি পড়ার সমস্যা। চোখ ওঠা হতে পারে ব্যাকটেরিয়া দিয়ে। এ ছাড়া ভাইরাস আক্রমণের কারণেও চোখ ওঠার সমস্যা হতে পারে। বেশির ভাগ সময়ই ভাইরাসে চোখ ওঠে।
চোখ ওঠে বুঝবেন যেভাবে
অপরিষ্কার বা নোংরা জীবনযাপন চোখ ওঠার অন্যতম কারণ। চোখ ওঠা রোগে চোখ লাল হয়ে যায়। আর এমনটি হয় এই কনজাঙ্কটিভার রক্তনালিগুলো প্রদাহর কারণে ফুলে বড় হয়ে যাওয়া এবং তাতে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ার কারণে।
ঘুম থেকে ওঠলে চোখ আঠা আঠা লাগা, সব সময় চোখের ভেতর কিছু একটা পড়েছে এমন অনুভূতি, চোখ চুলকানো এবং জ্বালাপোড়া করা, আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি লাগা, সবকিছু ঘোলা ঘোলা দেখা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, চোখের কোনায় ময়লা (যা কেতুর নামে প্রচলিত) জমা, চোখ ফুলে যাওয়া চোখ ওঠার লক্ষণ।
আসুন জেনে নেই চোখ উঠলে কি করবেন
১. আক্রান্ত চোখে নোংরা পানি, ধুলাবালি, দূষিত বাতাস যেন চোখে প্রবেশ না করে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। এছাড়া সকালে ওঠার পর চোখে পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। অনেকে চোখে ওঠলে বারবার পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন বা চোখে পানির ঝাপটা দেন। এটি মোটেই ঠিক নয়।
২. চোখ উঠলে বাইরে যাওয়ার সময় সানগ্লাস পরতে হবে। এটি রোদে চোখ জ্বলা কমাবে।
৩. চোখ ওঠা ছোঁয়াচে রোগ, তাই যাদের চোখ ওঠেছে, তাদের সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে। চোখ আক্রান্ত ব্যক্তির রুমাল, কাপড়চোপড়, তোয়ালে ব্যবহার করা যাবে না। এমনকি হ্যান্ডশেকও করবেন না।
৪. কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভাইরাসের আক্রমণের পর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে। এ জন্য দিনে তিন থেকে চারবার চোখের অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ ক্লোরামফেনিকল ব্যবহার করতে হবে। এ বিষয়ে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন
দৃষ্টি ঝাপসা হলে, চোখ খুব বেশি লাল হলে, খুব বেশি চুলকালে বা অতিরিক্ত ফুলে গেলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

16/12/2020

আসছে শীত। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর কমলা। এই শীতে ওজন কমানোর জন্য খেতে পারেন কমলা। শীতে কেন প্রতিদিন কমলা খাওয়া জরুরি, চলুন জেনে নেয়া যাক-
কমলায় ক্যালরি বেশ কম। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি এবং অন্যান্য খাদ্যগুণ। একটি মাঝারি আকারের কমলার মধ্যে থাকে:
৫০ ক্যালোরি,
০.৯ গ্রাম প্রোটিন,
১৬.২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট,
৩.৪ গ্রাম ফাইবার,
২৩৮ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম,
৬১ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম,
১৭ মিলিগ্রাম ফসফরাস এবং
৬৩.৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি।
ভাবছেন, কমলা খেলে কীভাবে ওজন কমে? প্রথমত কমলায় পানির পরিমাণ বেশি থাকে। এই ফলের প্রায় ৮৭ শতাংশই পানি। তাই এই ফল শরীর আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। শীতে নিয়মিত কমলা খেলে শরীরে পানির অভাবে টান পড়বে না। কারণ, এসময়ে সাধারণত আমাদের পানি পানের পরিমাণ কমে যায়।
কমলায় আছে প্রচুর ফাইবার। এর ফলে বাওয়েল মুভমেন্ট ভালো হয় এবং পেট পরিষ্কার হয়ে যায়। ওজন কমাতে হলে পেট পরিষ্কার হওয়া জরুরি। ফাইবার বেশি থাকায় একটা কমলা খেয়ে বেশি কিছুক্ষণ পেট ভর্তি থাকে।
গবেষণা বলছে কমলার মধ্যে যে পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিট সি থাকে, তা ওজন কমাতে অত্যন্ত উপযোগী। পাশাপাশি এই ভিটামিন সি শরীরের ফ্যাট বার্নিং প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে। এই প্রসঙ্গে আরও বলা যেতে পারে যে সব ফলই প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি। কখনো খুব মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছে করলে আপনি নির্ভয়ে একটি কমলা খেয়ে নিতে পারেন।

16/12/2020

আপনার শরীরের লুকিয়ে আছে এমন কিছু অবিশ্বাস্য শক্তি যা আপনি নিজেও জানেন না...
https://fb.watch/2pKoHvVbBM/

16/12/2020

শীতকালের এ ফলগুলো খাবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি শুষ্ক ত্বকে জৌলুস ফিরিয়ে আনবে। এসব ফলের কোনটা ত্বকের যত্নে কার্যকরী কোনটা আবার চোখের দ্যুতি বাড়াতে সাহায্য করে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ৫টি ফলের মাধ্যমে সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার রহস্য-
জাম্বুরা
জাম্বুরাতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি। জাম্বুরা শীত মৌসুমে শুষ্ক ত্বক কোমল করে। ২০০৮ সালে ইউরোপীয় ফার্মাসিউটিক্যাল এবং বায়োফার্মাসিটিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, জাম্বুরা বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ ফল। এ ফলে লাইকোপিনি (lycopene) রয়েছে, যা ২০ জন চর্ম রোগীর ওপর প্রয়োগ করা হয়। এতে আশানুরূপ ফল পাওয়া গেছে।
পেঁপে
পাকা পেঁপেতে ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। পেঁপেতে প্রচুর জলীয় অংশ থাকায় এটি ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। শরীরের স্বাভাবিক ক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য ভিটামিন ও খণিজ পদার্থের উৎস পেঁপে। অক্সফলিয়েটিং ত্বকের মৃত কোষ সারিয়ে তুলে ত্বককে রাখে দাগ ও বলিরেখা মুক্ত। নিজেকে রোগ মুক্ত ও সুন্দর রাখার জন্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় পেঁপে রাখা জরুরি।
ডালিম
ডালিমের রস অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে আপনার ত্বকে পুষ্টি যোগায়। ডালিমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে। ডালিম রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটির মাইক্রো পুষ্টি আপনার ত্বকে অকাল ভাঁজ ও দাগ পড়া থেকে রক্ষা করে।
আনারস
এ ফলে ভিটামিন সি রয়েছে, যা আপনার ত্বকের সমস্যাসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করে। আনারসে উপস্থিত Bromeliad নামক এনজাইম আমাদের ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী, যা কিনা ত্বকের মৃত কোষ, বলিরেখা, ত্বকের উপরিভাগের ময়লা ও সানবার্নের মতো দাগ তুলতে সাহায্য করে ও ত্বক সফট করে। দিনে একবার আপনার মুখের ওপর আনারসের রস লাগান। এতে আপনার শুষ্ক ত্বক কোমল হবে।
কলা
কলায় রয়েছে উচ্চ পটাশিয়াম ও ভিটামিন ‘এ’ যা আপনার ত্বক কোমল করে। বিশেষ করে শীতকালে শুষ্ক ত্বকে কলা একটি ভাল প্রবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। পরিপাকে ক্রিয়া বৃদ্ধি ও শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অতুলনীয় ভূমিকা পালন করে।

16/12/2020

খেজুরের উপকারের কথা এক কথায় বলে শেষ করা যায় না। খেজুর একদিকে যেমন ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী তেমন স্বাস্থ্যের জন্যও খেজুর অনেক ভালো। খেজুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন এ,বি,পটাশিয়াম,ম্যাঙ্গানিজ,সালফার, প্রোটিন, ফাইবার এবং আয়রন।
ওজন কমাতে সাহায্য করে খেজুর:
অবাক করার মত হলেও সত্য যে খেজুর ওজন কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সকালে এক কাপ ব্ল্যাক কফির সাথে আপনি খেজুর খেতে পারেন বা সন্ধ্যায় দুধ চা বা গ্রিন টির সাথে। খেজুর অকেক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এর ফলে ফাস্ট ফুডের প্রতি আগ্রহ কমে অনেকাংশে।
হাড় শক্তিশালী করে:
খেজুর শীতল আবহাওয়া থেকে আমাদের সুরক্ষিত রাখে, কারণ খেজুরে রয়েছে ভরপুর পুষ্টি ও প্রোটিন। খেজুর আমাদের দূর্বল হাড়কে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া খেজুরে যে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে তা হাড় সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
চিনির প্রতি ক্রেভিং কমায়:
খেজুরে যে চিনি রয়েছে সেটা প্রাকৃতিক। শীতকালেই এমনিতে চিনি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। খেজুর খেলে এই প্রবণতা কমে যায় এবং এতে চিনি খাওয়ার পরিমাণ ও কমে। শরীরের ওজনও ঠিকঠাক রাখে চিনি।
স্ট্রেস কমায়:
খেজুরগুলোতে ভিটামিন বি১, বি২,বি৩ এবং বি৫ রয়েছে। এতে করে প্রতিদিন অল্প কিছু খেজুর খেলে ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হবে। আর এর ফলে শরীর থাকবে সক্রিয় ও চিন্তামুক্ত।
হজম উন্নত করে:
কিছুসময় খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রেখে খাওয়া হলে হজমের উন্নতি হবে। এতে উচ্চ ফাইবার রয়েছে যা আপনার কোষ্ঠ্যকাঠিন্যতা কমাবে।
ত্বক ভালো রাখে:
খেজুরে যে ভিটামিন সি ও ডি রয়েছে তা ত্বককে মসৃণ রাখতে সহায়তা করে। এন্টি এজিং এর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে খেজুর।
কোলেস্টরেল লেভেল ঠিক রাখে:
আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে অল্প পরিমাণে খেজুর রাখলে তা কোলেস্টরলের মাত্রা ঠিক রাখে। এতে করে ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে:
খেজুরে যে ফাইবার রয়েছে তা ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। এক্ষেত্রে খেজুরের সাথে টক দই মিশিয়ে খেলে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়।

16/12/2020

ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করতে করণীয়-
১. ২ টেবিল চামচ টকদই ও ২ চা চামচ মধুর সঙ্গে আমের পাল্প মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে ত্বক ব্রণমুক্ত রাখবে।
২. নিমপাতার গুঁড়া গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন।
৩. অ্যালোভেরার পাতা থেকে জেল সংগ্রহ করে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। পরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Gec Circle
Chittagong