Musafir Health & Fitness

Musafir Health & Fitness

Share

MUSAFIR Health and Fitness is an association of ThinkingShip RS.

08/12/2021

আমাদের খুব পরিচিত একটি শব্দ এন্টিবায়োটিক। ইদানীং প্রায়ই কোনো না কোনো অসুস্থতার জন্যে আমাদের এন্টিবায়োটিক প্রেস্ক্রাইব করে থাকেন ডাক্তারেরা।

তবে আমরা কি জানি কি এই এন্টিবায়োটিক? কিভাবে তা কাজ করে? এর ভালো ও ক্ষতিকর দিকগুলো কি কি? এন্টিবায়োটিক কি ব্যাবহার করা উচিত না অনুচিত?
আসুন জেনে নেয়া যাক গুরুত্বপূর্ণ এসব প্রশ্নের উত্তরগুলো। যা হয়তো আপনার বুদ্ধিদীপ্ত চিন্তাধারায় নতুন মাত্রা এনে দিবে।

বিখ্যাত আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ছিলেন একজন নোবেল জয়ী বিজ্ঞানী। তিনি সর্বপ্রথম প্রাকৃতিক উপাদান ছত্রাকের মাঝে বিদ্যমান এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন। তাঁর আবিষ্কৃত এন্টিবায়োটিক বর্তমানে পেনিসিলিন নামে পরিচিত। তিনি আদতে ঘটনাচক্রেই তা আবিষ্কার করে ফেলেন। আর এই আবিষ্কারের জন্যেই তিনি নোবেল পুরষ্কার পান।

ঠিক এভাবেই প্রকৃতিতে থাকা নানা উপাদানের মাঝে বিদ্যমান এন্টিবায়োটিক অংশটুকু নিয়েই তৈরি হয় নানারকম এন্টিবায়োটিক মেডিসিনসমূহ।

কিন্তু কিভাবে তা কাজ করে?
এই উত্তরটি জানার জন্যে আরেকবার ফিরে যাই আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এর কাছে। আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ছিলেন মূলত একজন অনুজীববিদ। ব্যাকটেরিয়া নিয়ে কাজ করা, এদের পর্যবেক্ষণ করাই ছিল তাঁর প্রধান কাজ। সেবার ব্যক্টেরিয়া নির্মূলে উনার কোনো আগ্রহ বা লক্ষ্য ছিলো না। কারণ তিনি কাজ করছিলেন কিছু ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তার, কার্যকলাপ ইত্যাদি নিয়ে।

ব্যাকটেরিয়া যেমন খুবই ভয়ানক, ক্ষতিকর ও মানব স্বাস্থ্যের জন্য বিধ্বংসী, তেমনি এরা খুবই সেন্সিটিভ ও দূর্বল। তাই ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণাকালে বিজ্ঞানীগন সতর্ক থাকেন যাতে এই ব্যাক্টেরিয়া নির্দিষ্ট পাত্র হতে বেরোতে না পারে বা বাইরের কোনো কিছু এর মধ্যে প্রবেশ করতে না পারে।
কিন্তু সেবার, ফ্লেমিং যখন ছুটি কাটাচ্ছিলেন, জনশ্রুতি আছে উনার গবেষণা কক্ষের জানালা খুলে দিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী, যাতে রুমে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। অবশ্যই ফ্লেমিং সাহেবের স্ত্রী হয়তো বা জানতেন না এধরণের ব্যাক্টেরিয়া নিয়ে গবেষণার সময় ফ্লেমিং নিজেই ইচ্ছে করে রুমের দরজা জানালা বন্ধ করে রেখেছেন যাতে বাইরের ধুলোবালি ঢুকে তাঁর গবেষণার ব্যাকটেরিয়ার পাত্রে সমস্যা তৈরি করতে না পারে।

যাইহোক, ছুটি কাটিয়ে ফিরে তিনি তার একটি ব্যাক্টেরিয়ার পাত্র পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে দেখেন পাত্রের নির্দিষ্ট একটি স্থানে কোনো ব্যাকটেরিয়া নেই এবং একটি নির্দিষ্ট সার্কেলের মতো সীমায় কোনো ব্যাকটেরিয়াই প্রবেশ করছে না। বিষয়টি তাঁকে আরও পর্যবেক্ষণে আগ্রহী করে তুলে আর তিনি দেখতে পান ব্যাপারটি ঘটছে এক ধরণের ছত্রাকের কারণেই। অর্থাৎ, এক ধরণের ছত্রাক সেসব ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দিচ্ছে। এভাবেই তিনি আবিষ্কার করে ফেলেন যুগান্তকারী পেনিসিলিন যা চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয়।

ঠিক এভাবেই আমাদের দেহে অনুপ্রবেশ করা নানা ব্যাকটেরিয়া থেকে বাঁচতেই সেই ব্যাকটেরিয়া বিধ্বংসী এন্টিবায়োটিক প্রাকৃতিক উপাদান হতে নিয়ে ব্যবহারযোগ্য করে আমাদের শরীরে প্রবেশ করানো হয়। ফলে আমাদের শরীরে অনুপ্রবেশ করা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলো ধ্বংস হয় আর তার সাথে আমরাও সুস্থতা লাভ করতে পারি।

কিন্তু, এতে সমস্যাটা কোথায়? সাইড ইফেক্টটা কিভাবে ঘটে?

দেখুন, আসলে আমাদের শরীরে থাকা সব ব্যাকটেরিয়াই ক্ষতিকর নয়। বরঞ্চ কিছু ব্যক্টেরিয়ার আমাদের জন্যে উপকারী এবং কিছু কিছু ব্যক্টেরিয়ার খুবই প্রয়োজনীয়ও বটে। কিন্তু আমরা যখন এন্টিবায়োটিক গ্রহণ করি ক্ষতিকর কোনো ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার জন্যে, তখন একইসাথে প্রচুর উপকারী ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস হয়ে যায় এবং আমাদের শরীরে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

হ্যাঁ, সঠিকভাবে প্রয়োগকৃত এন্টিবায়োটিকে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার চেয়েও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াই বেশি ধ্বংস হয় এবং আমরা রোগ হতে মুক্তি পাই। কিন্তু এখানে সমস্যা দেখা দেয় অন্যদিকে।

আমাদের মানবশরীর কিন্তু প্রাকৃতিকভাবেই নানা ক্ষতিকর রোগ-জীবানু ও অনুজীবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে সক্ষম সিস্টেম সমন্বিত। আমাদের রক্তে আছে বিশেষ কণিকা যা আমাদের শরীরের জন্যে ডিফেন্সের কাজ করে।
আর এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয় আমাদের জীনে আগে থেকে ঠিক করে রাখা প্রোগ্রামের ভিত্তিতে। আমাদের নিজস্ব ডিফেন্স সিস্টেম প্রায় সবরকম রোগ ও ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সক্ষম এবং প্রয়োজনে এই সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

কিন্তু আমরা যখন বাহ্যিকভাবে এক্সট্রা উপাদান গ্রহণ করি যা বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়, তখন আমাদের নিজস্ব ডিফেন্স সিস্টেমের কাজও তেমন থাকে না। এরা তখন অনেকটাই অলস হয়ে যায়। আবার অচেনা শত্রুর সাথে মুকাবিলা না হওয়ায় এদের আর চেনাই হয় না। নতুন শত্রুর সাথে মুকাবিলার অভিজ্ঞতা তৈরি হয় না এবং জীনের ডিএনএ কোডে তা লিপিবদ্ধও হয় না। ফলে পরেরবার সেই একই ব্যাকটেরিয়া বা এর কাছাকাছি ধরণের ব্যাকটেরিয়া যখন আমাদের দেহে সংক্রমণ ঘটায় তখন আমাদের নিজের ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে তা একেবারে নতুন হিসেবেই আসে। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকায় এবং পূর্বে বাহ্যিকভাবে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে অলস হয়ে পড়ায় এবার তারা আর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হিমশিম খায়। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এদের তথা আমাদেরই পরাজয় ঘটে।

আর এরচেয়ে বড় বিষয়, এসব ব্যাকটেরিয়াও নিজেদের ডিএনএ কে একবার এন্টিবায়োটিক দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার পর এই এন্টিবায়োটিক বিরোধী অভিজ্ঞতা ও মুকাবিলায় সামর্থ্য করে তুলে। ফলে এদের শক্তিও বৃদ্ধি পায়। ফলে পরেরবার এরা হয়ে উঠে আরও অদম্য ও শক্তিশালী।

অতএব, এন্টিবায়োটিক আমাদের শরীরের ব্যাকটেরিয়া হয়তো বা ধ্বংস করছে ঠিকই, তবে এতে আমাদের নিজেদের ডিফেন্স সিস্টেমকে করে দিচ্ছে অলস, অনভিজ্ঞ। অন্যদিকে কোনোমতে বেঁচে যাওয়া ব্যাকটেরিয়ারা এই অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজেদের করে তুলে আরও শক্তিশালী ও অপ্রতিরোধ্য।

ফলে একদিকে আপনার শরীরের প্রাকৃতিক আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হয়ে পড়ছে দূর্বল আর আপনার জন্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ারা হয়ে উঠছে সবল ও অভিজ্ঞ।

এখন ডিসিশন আপনার। এন্টিবায়োটিক নিয়ে কি ফার্মের মুরগি হবেন? না শক্তিশালী পূর্বপুরুষের মতো প্রাকৃতিকভাবেই সুঠাম, শক্তপোক্ত ও শক্তিশালী হবেন।

ও হ্যাঁ, আপনার ডিএনএতে লিপিবদ্ধ হওয়া সব তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সামর্থ্য আপনার পরবর্তী সন্তান-সন্ততি তথা বংশের মাঝেও ছড়িয়ে পড়বে। আর এভাবেই আপনার ডিএনএ তে এর কিছুই লিপিবদ্ধ না হলে এরাও হবে তেমনই অনভিজ্ঞ ডিফেন্সসম্পন্ন।
অতএব, চিন্তাভাবনা করেই ডিসিশন নিন।

ধন্যবাদ।
মুসাফির হেলথ এন্ড ফিটনেসের সাথেই থাকুন। সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন।

07/12/2021

সারাদেশে চলছে শীতের দাপট। উত্তরে ঘন কুয়াশা আর দক্ষিণে হিমশীতল বৃষ্টি। কোথাও কম আবার কোথাও বেশি। তবে শৈত্য প্রবাহ চলছেই। এর মাঝে আছে ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যা।

শীতকালে ঠান্ডায় আমরা কমবেশি সবাই আক্রান্ত হই। সর্দি, কাশি আর জ্বরের মতো বিষয়গুলো নিত্যকার সাথী হয়ে থাকে। শীতের আরামটাকে হারাম করেই ছাড়ে এই ঠান্ডাজনিত সব সমস্যা। কিন্তু একটু ধৈর্য ধরে সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়েই আমরা এই ঠান্ডাজনিত সমস্যা হতে পেতে পারি মুক্তি এবং শীতটাকে উপভোগ করতে পারি নিজের মতো করেই।

ঠান্ডাজনিত রোগের সবচে বড় ঔষুধ মধু।
জি, আমরা সকলেই জানি মধুর উপকারিতার কথা। সকল রোগের ঔষুধও বলা হয়ে থাকে এই মধুকে। কিন্তু কেন এর এত গুন?
আসুন জেনে নেয়া যাক।

এখনো পর্যন্ত পৃথিবীর ইতিহাসে সবচে পুরনো রেকর্ডভুক্ত ঔষুধ হিসেবে লিপিবদ্ধ হয়ে আছে এই মধু। এহেন কোনো স্বাস্থ্যজনিত সমস্যা পাওয়া দুষ্কর যার সমাধান মধুতে পাওয়া যায়নি। প্রাচীন মিশরে মধুকে বলা সোনালি পানি। মধু পানিতে মেশালে এর রঙ সোনালি বরণ ধারণ করে বলেই এরা এই নামে ডাকত। তাছাড়া মিশরের ইতিহাসে মধুর রয়েছে বিশেষ তাৎপর্য।

প্রাচীন মিশরের ফারাওদের কাছে এই মধুর মূল্য ও চাহিদা ছিলো সর্বাধিক। এমনকি এদের মৃত্যুর পরও এরা নিজেদের মমির সাথে মধু রেখে দেয়ার নির্দেশ দিয়ে যেত। এর প্রমাণ পাওয়া যায় বিখ্যাত ফারাও তুত এর সমাধিতে। এখানেই ফারাও তুত এর মমির সাথে পাওয়া যায় ৩,০০০বছরের পুরনো মধু। তবে সবচে মজার বিষয় হল এত হাজার বছর পরও এই মধুর গুন নষ্ট হয়নি বিন্দুমাত্র!

কি আছে এই মধুতে যা হাজার বছর ধরেও একে রাখে একইরকম গুনে অটুট?
হাজার বছর ধরেও নিজেকে সব রকম পচনশীলতা হতে মুক্ত রাখার জন্যে মধুর রয়েছে আশ্চর্যজনক এন্টিব্যাক্টেরিয়াল ক্ষমতা। আমরা জানিই যে বিশ্বের যা কিছু পচনশীল তার জন্যে দায়ী ব্যাকটেরিয়া নামক অনুজীব। কিন্তু এই অনুজীব মধুর ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারে না!

আর তাই ই হাজার হাজার বছর, এমন কি লক্ষ-কোটি বছর ধরেও এই মধুকে সংরক্ষণ করা সম্ভব। আর মধুর একই গুনের কারণেই আমরা এ থেকে পেতে পারি জানা-অজানা নানারোগের সমাধান।

তাই ঠান্ডাজনিত সমস্যা হতে এই মধু আমাদের দিতে পারে চমৎকার ও আরামদায়ক মুক্তি।
এছাড়াও এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ত নেই ই বরঞ্চ, এক রোগের জন্যে সেবনে আমরা পাব আরও শত রোগের বিরুদ্ধে কার্যকারিতা।

আমরা চাইলে কেবল হাতের তালুতে নিয়ে চেটেই সেবন করতে পারি এই মধু। আবার কুসুম গরম রঙ চায়ের সাথেও এই মধু মিশিয়ে পান করলে এর প্রচুর উপকারিতা পাওয়া যায়। আদা-লেবুর কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করলে ঠান্ডার বিরুদ্ধে একেবারে পার্ফেক্ট ঔষুধের কাজ দিবে। এছাড়াও আদার রসের সাথে মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ঠান্ডার সমস্যা ছাড়াও পেট ফাঁপাজনিত সমস্যার সহজ সমাধান পাওয়া যায়৷

আপনি যেভাবেই মধু সেবন করেন না কেন। যেই রোগের জন্যেই তা সেবন করেন, আপনি একই সাথে আরও প্রচুর রোগ হতে মুক্তি পেয়ে যাবেন। মধু শুধু রোগ প্রতিরোধই করে না। বরঞ্চ বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা। আপনার শরীরকে করে সতেজ ও সবল। আর ত্বককে করে কোমল ও উজ্জ্বল। মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পায় নিয়মিত মধু সেবনে।

সাধারণ সব রোগের জন্যে এলোপ্যাথিক ঔষুধের দিকে না গিয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ও ওষুধ মধু গ্রহণ করুন।

সকলের সুস্থতা কামনা করছি।
মুসাফিরের সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ।

তথ্যসূত্রঃ
https://www.ncbi.nlm.nih.gov/pmc/articles/PMC3609166/
https://beemission.com/blogs/news/worlds-oldest-honey #:~:text=Honey%20was%20revered%20in%20ancient,celestial%20journey%20to%20the%20afterlife.

SafeFoodHub | for your family 24/11/2021

আপনি কি জানেন?
সচরাচর বাজারে আসা মাছগুলো হয় বরফ দেয়া এবং ফার্মের, ফলে এতে স্বাদ হয় কম আর পুষ্টিগুণও থাকে কম।

অন্যদিকে জেলেদের কাছ থেকে যদি সরাসরি সংগ্রহকৃত নদী বা সমুদ্রের মাছের কথা বলি তবে পুষ্টিগুন বলেন আর স্বাদে বলেন এর তুলনা আকাশ-পাতাল!

জানেন কি?
মাছে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন যা আমাদের প্রোটিন ঘাটতি দুর করে। আর তাছাড়া মুরগি বা গরুর মাংসেও প্রোটিন পাওয়া গেলেও এদের চেয়ে মাছের পাচনক্রিয়া সহজতর হওয়ায় আপনার মেটাবলিক সিস্টেম থাকে সুস্থ এবং আপনিও থাকবেন আরামে।

কিন্তু বাজারে মাছ কিনতে গিয়ে আপনি কি নিশ্চিত থাকতে পারেন এই মাছ ফার্মের ক্ষতিকর এন্টিবায়োটিক, মুরগির বিষ্ঠা খাওয়ানো মাছ নয়?

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতি নিয়ে আমাদের নাহয় আরেকটি পোস্ট থাকবে। তবে আপনাদের সংশয় দুরে ফেলে আমাদের কাছ থেকে মাছ সংগ্রহ করুন। আমরা দিচ্ছি নদী, সাগর আর লেইকের তাজা মাছ যা কি না সরাসরি জেলেদের কাছ থেকেই সংগ্রহ করি আমরা।

যোগাযোগ করুন
হোয়াটসঅ্যাপ: 01979115833
ফেসবুক মেসেজ: http.facebook/safefoodhub.com

SafeFoodHub | for your family Program is available for people who have worked for one season on a farm apprently. Ut enim ad minim quis nostrud exercitation ullamco labor aliquip.

14/09/2021

আশা করি মুসাফিরের সকল বন্ধুরা ভালোই আছেন।
সুস্থ ও নিরাপদে আছেন।

_____
গতবারের পোস্টে আমরা আলোচনা করেছিলাম সকালবেলার ৫টি অভ্যাস নিয়ে।
আমরা জেনেছিলাম সকাল সকাল ঘুম হতে জাগা, ঘুম হতে জেগেই পানি পান, নিজের বিছানা নিজেই গুছানো, মেডিটেশন এবং ব্যায়াম নিয়ে।

আশা করি অভ্যাসগুলো আপনাদের এরই মধ্যে উপকার দিতে শুরু করেছে। আর যারা এখনো অভ্যাসগুলো নিয়ে কাজ করেননি, দেরি না করেই আজই সংকল্পবদ্ধ হোন নিজের সাথে, কাল হতে অবশ্যই এই অভ্যাসগুলো গড়ে তুলে নিজের জীবন বদলে নেবেন।

যাইহোক,
আজ আমরা আরও পাঁচটি অভ্যাসের কথা জানব।

তাই আর কথা না বাড়িয়ে আসুন জেনে নিই এই অমূল্য অভ্যাসগুলো নিয়ে।

৬/ ঠান্ডা পানিতে গোসলঃ
জি, এই একটি অভ্যাস আপনাকে এবং আপনার স্বাস্থ্যকে বদলে দিবে ম্যাজিকের মতোই।

রিসার্চ থেকে জানা যায়, সকালবেলা ঠান্ডা পানিতে গোসল-
• আপনার শরীরকে করে উজ্জীবিত
• আপনাকে করে দেয় সতেজ ও প্রাণবন্ত
• আপনার স্কিন সতেজ রাখে এবং নানাবিধ চর্মরোগ কমে যায়
• রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়
• শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমায়
• ঠান্ডা পানিতে গোসল মাথার স্ক্যাল্পকে সতেজ ও সুস্থ রাখে। ফলে চুল
পড়া রোধ হয়
• ব্যায়ামের কারণে পেশিতে সাময়িক তৈরি হওয়া ব্যাথা কমায়।

আর তাই সকালবেলা গরম পানিতে নয়, বরঞ্চ ঠান্ডা পানিতে গোসলের অভ্যাস করুন এবং দেখুন কীভাবে বদলে যায় আপনার শারীরিক অবস্থা।

*হ্যাঁ, যারা উচ্চমাত্রার রক্তচাপে ভুগছেন, ডায়াবেটিসে ভুগছেন তারা অবশ্যই অতিরিক্ত ঠান্ডা পানির বদলে অল্প ঠান্ডা পানি ব্যবহার করুন।

৭/ স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশঃ
আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসগুলোর মাঝে এই অভ্যাসটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অভ্যাস এবং এই একটি অভ্যাসের ব্যাপারে আমরা প্রায়ই উদাসীনতা প্রদর্শন করি। আর এক্ষেত্রে অবহেলার কারনেই আমরা নানা জটিল রোগে ভুগি।

সকালবেলা স্বাস্থ্যকর ও ভালো প্রাতরাশ কেনো প্রয়োজন এবং এতে আমাদের যে সব উপকার হয় তা হল-
• সকালবেলার খাবারের উপর নির্ভর করছে আপনার সারাটা দিন কেমন যাবে তা। ভালো ও স্বাস্থ্যকর খাবার আপনার দিনকে রাখবে ভালো ও স্বাচ্ছন্দ্যময়
• অপরদিকে অস্বাস্থ্যকর খাবার আপনার দিনটাই করে অসুস্থ
• সকালের খাবারের উপর আপনার দিনের কর্মক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে। তাই সুস্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন
• শুধু আপনার একটি দিন নয়, যদি স্বাস্থ্যকর প্রাতরাশের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন তবে তা আপনার বাকী জীবনটাও করে স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং সুন্দর।

আমরা খাদ্য গ্রহণ করি শরীরের জ্বালানী হিসেবে। ভালো জ্বালানী আমাদের শরীরকে সঠিক ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে সহায়তা করে। আর সকালের খাবার আমাদের দিনের প্রথম জ্বালানীর সরবরাহ। তাই এব্যাপারে আমাদের সাবধান ও সতর্ক থাকা উচিৎ।

৮/ নির্দিষ্ট সময়ে টয়লেটঃ
হ্যাঁ, মলত্যাগ আমাদের জীবনের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নির্ভর করে এই ক্রিয়ার উপর। তবে দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ে মলত্যাগের অভ্যাস কতটা মূল্যবান হতে পারে তা কল্পনারও বাইরে।

ধরুন, আপনার অফিস বা ক্লাস শুরু হবে ঠিক ১০টায়। আর আপনার অফিস বা ক্লাসে যেতে আপনাকে রওয়ানা দিতে হবে ৯টায়। নয়তো আপনি গাড়ি মিস করে ফেলবেন অথবা পৌঁছতে দেরী করে ফেলবেন।

কিন্তু ঠিক ৯টায় বা ৮টা ৪৫মিনিটে আপনার টয়লেট আসল। কিন্তু আপনি পুরোপুরিভাবে টয়লেট সারার জন্যে এই সময়টা খুবই কম হয়ে যায়। আর দিনের শুরুতেই যদি পরিষ্কারভাবে টয়লেট সারা না হয় বা টয়লেটই সারা না যায় তবে তা যেমন পুরোটা দিন আপনাকে ভুগাবে ঠিক তেমনি আপনার স্বাস্থ্যেও বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

আমাদের শরীরের যে অঙ্গ আমাদের মলত্যাগের কাজে সহায়তা করে তাকে আমরা কোলন নামে চিনি। আমাদের কোলনের নিজস্ব ঘড়ি রয়েছে যা দিয়ে সে অভ্যস্ত সময়ে মলত্যাগের জন্যে তৈরি হয়।
আর তাই সকালের এমন একটি সময় নির্বাচন করুন যেসময়টা আপনি মলত্যাগের জন্যে দিয়েও আরও সময় পাবেন বাকী কাজ করা এবং তৈরি হওয়ার পেছনে দেয়ার জন্যে।

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে মলত্যাগের অভ্যাস আপনার সময় বাঁচাবে, শরীর সুস্থ রাখবে, আর মানসিকভাবে আপনি থাকবেন ফুরফুরে ও কর্মঠ।

৯/ নাস্তার পর দাঁতব্রাশঃ
দাঁতব্রাশ আমাদের জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যিক একটি অভ্যাস। দাঁত সুস্থ না থাকলে যেমন আমাদের খুবই যন্ত্রণা হয় ঠিক তেমনি দাঁতের অসুস্থতা হতে তৈরি দুর্গন্ধ আমাদের সামাজিক জীবনে সকলের কাছে অপ্রিয় করে তুলে এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে।
আমরা সকলেই জানি প্রতিদিন দু’বার (শহর এলাকায় বসবাসকারীদের জন্যে অন্তত ৩বার) নিয়মিত দাঁতব্রাশ করা উচিৎ। সাধারণত আমরা জেনে আসছি সকালে ঘুম হতে জেগে বা নাস্তার পুর্বে দাঁতব্রাশ করা উচিৎ।
তবে আমরা বলব নাস্তার পূর্বে নয় বরঞ্চ খাবারের পরেই দাঁত ব্রাশ করুন। কারনটা জানলেই বুঝতে পারবেন এর প্রয়োজনীয়তা।

আমরা দাঁতব্রাশ করি মূলত দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা খাবার পরিষ্কার করে দাঁত ধ্বংসকারী ব্যাক্টেরিয়া এবং এসব খাবার পচে ও ব্যাক্টেরিয়ার কারণে তৈরি হওয়া দুর্গন্ধ হতে দাঁত ও মুখকে রক্ষা করার জন্যে। তাই ই আমরা রাতে ঘুমনোর আগেই একবার ব্রাশ করি এবং এরপর কিছু খাওয়া হতে বিরত থাকি।

কিন্তু আমরা সকালবেলা কিছু খাওয়ার আগে যখন ব্রাশ করছি তখন আমাদের দাঁতের ফাঁকে কোন খাবার থাকার কথা না বা থাকলেও তা খুব অল্প, কেননা আগের রাতেই আমরা তা পরিষ্কার করেছি।
তাহলে ভেবে দেখুন, সকালবেলা যখন আপনি নাস্তা সেরে নিচ্ছেন তারপর হতে মোটামুটি লম্বা একটা সময় আপনার কিছু খাওয়া বা পান করা হয় না। এর মাঝেই আপনার দাঁতের ফাঁকে সকালের নাস্তার জমে থাকা কণায় চলে আসে ব্যাক্টেরিয়া এবং তৈরি করে দুর্গন্ধ। আর তাই আমাদের অনেকেই নিয়ম করে দাঁত মেজেও মুখে দুর্গন্ধ ছড়ানো রোধ করতে পারি না।

একারনেই সকালে যদি না আপনি নাস্তা না সেরেই বের হতে চান বা কারো সাথে দেখা বা কথা সারতে চান তবে জেগেই বা নাস্তার আগেই দাঁতব্রাশ নয়। বরঞ্চ আপনার খাবার সেরে তবেই দাঁতব্রাশ করুন। এতে যেমন আপনি মুখে সতেজতা অনুভব করবেন, তেমনি আপনার দাঁতে সকাল সকাল খাবার জমে দুর্গন্ধ তৈরি হওয়া থেকেও পরিত্রাণ পাবেন।

*আমরা দাঁতব্রাশ করলেও দীর্ঘক্ষণ মুখ শুকনো থাকলে মুখে ব্যাক্টেরিয়া এসে যায় এবং দুর্গন্ধ ছড়ানো শুরু করে। তাই পানি পান করে মুখ ভেজা রাখুন বা একটু পরপর কুলি করুন।

*চিনি বা মিষ্টি যেকোনো খাবারই মুখে সবচেয়ে বেশি ব্যাক্টেরিয়া আসার পরিবেশ তৈরি করে। আর তাই মিষ্টিজাতীয় যেকোনো খাবারের পরেই ব্রাশ করুন বা ভালো করে কুলকুচা করুন। এক্ষেত্রে কুসুম গরম পানি বা কুসুম গরম লেবুপানি খুবই কার্যকরি।

১০/ দিনের কাজ শুরু করাঃ
সকালের ১০টি অভ্যাসের মাঝে ১০ম অভাসটি হল সকাল সকাল দিনের কাজ শুরু করা।

আপনারা ভাবতে পারেন দিনের কাজ ত সকালেই শুরু হয়। জি, তা ঠিক। তবে তা হয় যখন আপনি ওয়ার্কিং-ডে তে আছেন বা অফিস অথবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আছেন। কিন্তু সাধারণত ছুটির দিনগুলি আমরা অলস্যে কাটাতে পছন্দ করি। ফলে ঘরের বা নিজের কোনো কাজ আমরা সকাল সকাল শুরু করি না। এ তে আমাদের পরবর্তি যে সমস্যা তৈরি করে তা পুরো ছুটির দিনটাকেই মাটি করে দেয়।

ভেবে দেখুন, সপ্তাহে এক বা দুদিন ছুটি কে না চায় মনমতো কাটাতে? কিন্তু ছুটিতেও যখন নানা কাজ এসে বাগড়া দেয় তখন স্বভাবতই রাগ লাগে। ছুটি কাটিয়েও রিফ্রেশমেন্ট পাওয়া যায় না।

কখনও কি ভেবে দেখেছেন? যদি ছুটির দিন সকাল সকাল আপনি নিজের বা ঘরের কাজ সেরে ফেলেন তবে দিনের বাকী সময়টাতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে নিজের মত করেই কাটাতে পারবেন?
ছুটির দিনের মতই ছুটি পাবেন আর পরবর্তি কার্যদিবসে নিজেকে পাবেন পুরোপুরি রিচার্জড্‌ হিসেবে।

আর তাই ছুটির দিন বা কাজের দিন, সবদিনই অভ্যাস করুন সকাল সকাল কাজ শুরু করে ফেলার। এতে যেমন আপনার সময় বাঁচবে, তেমন আপনিও হয়ে উঠবেন আরও প্রোডাক্টিভ এবং এক্টিভ।

__________
বন্ধুরা, আপনারা নিশ্চয় সকালবেলার ১০টি অমূল্য অভ্যাস নিয়ে অনেকটাই জেনেছেন? আপনাদের জীবনকে কর্মক্ষম, স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং সৃজনশীল করতে এই দশটি অভ্যাসের জুড়ি নেই।
আমরা আপনাদের জন্যে আর্টিক্যাল, রিসার্চ পেপার ইত্যাদি ঘেঁটে আমাদের কনটেন্টগুলো লিখি যাতে আপনাদের, দশের এবং দেশের উপকার হয়।

বন্ধুরা, আমাদের পোস্টগুলো আপনাদের উপকারে এলে অবশ্যই শেয়ার করে আপনাদের বন্ধুদের জানিয়ে দিতে ভুলবেন না।

সবাইকে শুভ কামনা জানাই।
সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন, মুসাফিরের সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদ!

08/09/2021

**সকালবেলার দশটি অমূল্য অভ্যাস**

__________________
শুভ সকাল বন্ধুরা।


অনেকে নিশ্চয় ভাবছেন এতক্ষণে সকাল?

জি, আসলেই সকাল বলতে যা বুঝার কথা আমরা তা মেনে চলার চেষ্টা করিনা। যাইহোক, আজ আমরা জানব সকালের এমন দশটি অভ্যাস নিয়ে যা আপনার জীবনকে বদলে দিবে। শরীরকে রাখবে সুস্থ, মস্তিষ্ক থাকবে সতেজ আর আপনি থাকবেন ফুরফুরে।

তাহলে আসুন জেনে নিই সকালবেলার গুরুত্বপূর্ণ ১০টি অভ্যাস সম্পর্কে।

১/ ভোরবেলা জাগার অভ্যাসঃ
আপনি নিশ্চয় ভাবছেন ভোরবেলা ত উঠা হয়ই। কারণ অফিসে যেতে হয়। যারা শিক্ষার্থী তাদের ক্লাসে এটেন্ড করতে হয়। আর এই বন্ধের সময় একটু নাহয় দেরি হয় কি না। তবে অন্য সময় ত ভোরেই উঠা হয়।
কিন্তু আপনার এই ভোর ৮ বা ৯টায় শুরু হয় না ত?

তবে তা আর ভোরবেলা থাকে না। তখন কেবল সকালবেলা। কিন্তু ভোরবেলা বলতে আমাদের বুঝতে হবে তা সকাল ৭টার আগেই। আর এই ভোরবেলা জাগার অভ্যাস বলতে আমাদের বুঝতে হবে কাজ থাক বা না ই থাক, প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে- যেটা অবশ্যই সকাল ৭টার আগে -আমাদের জেগে উঠতে পারার অভ্যাস।

কিন্তু এতে লাভ?

একবার যদি এই অভ্যাস আয়ত্বে আনতে পারেন, তবে এর উপকারিতা আপনি উপভোগ করে যাবেন আপনার বাকী জীবন ধরে। আর আমরা কেবল কয়েকটি উপকারিতার কথাই বলি-

• ভোরবেলার আবহাওয়া হয় বিশুদ্ধ। এই আবহাওয়ায় হাঁটা, শ্বাস নেয়া, মেডিটেশন করা বা স্ট্রেচিং আপনার রন্ধ্রে রন্ধ্রে পৌঁছে দেবে বিশুদ্ধ অক্সিজেন। যা আপনার মস্তিষ্ককে করবে সতেজ এবং স্বাস্থ্যবান। আপনার শরীরকে করবে স্বাস্থ্যবান এবং আরও কর্মক্ষম।

• ভোরবেলা জাগার পর আপনি বুঝতে পারবেন ভোরবেলা না জাগায় দিনের কতটা সময় আমরা হারিয়ে ফেলি। এই বিস্তর সময়কে কাজে লাগিয়ে আপনি সহজেই আপনার সারাদিনের রুটিন করে নিতে পারবেন। এই সময়কে কাজে লাগিয়ে আপনি বই পড়ে, লিখালিখি করে বা অন্যান্য জ্ঞানমূলক কাজ করে আপনার জ্ঞানের ভান্ডারকে অনেকগুনে সমৃদ্ধ করতে পারবেন।

তবে ভোরবেলা জাগতে পারার প্রাথমিক শর্ত সকাল সকাল ঘুমাতে যাওয়া। অন্তত রাতের ১১টার মধ্যেই ঘুমিয়ে পড়া উচিৎ।

২/ পানি পানঃ
পানি পানের উপকারিতার কথা কে না জানে? প্রতিদিন কি পরিমাণ পানি খাওয়া উচিৎ তাও আমাদের জানা আছে। ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে সবার আগেই যে কাজটি করা উচিৎ তা হল পানি পান। একেবারে ২-৩গ্লাস পানি বিছানায় থাকতেই খেয়ে ফেলুন।

তবে সবচেয়ে উত্তম হয় যদি কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন। এতে দিনের শুরুতেই আপনার শরীরের টক্সিক পদার্থগুলো নিস্তেজ যাবে। আপনার কিডনী স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ শুরু করতে পারবে। আর রক্তে বিশুদ্ধ অক্সিজেনের প্রবেশ ত আছেই। তাই ঘুম হতে জেগেই দিন শুরু করুন পানি পান করে।

৩/ বিছানা গুছানোঃ
জি, এই অভ্যাসটা হয়তবা আপনাদের অনেকেরই আছে। কিন্তু আপনি জানেন বা না ই জানেন, এই অভ্যাস আপনাকে দিয়ে যাচ্ছে অনেক অনেক উপকারিতা। আর যাদের এই অভ্যাস গড়ে উঠেনি তারা অবশ্যই এই অভ্যাস গড়ে তুললে নিরাশ হবেন না নিশ্চিত ১০০%!

এর কয়টি উপকারিতা হল-

• ঘুম হতে জেগেই নিজের বিছানা নিজে গুছানোয় অভ্যস্তরা তাদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিজীবনে হয়ে উঠে অত্যন্ত অর্গ্যানাইজড্‌।

• ঘুম হতে উঠেই নিজের বিছানা গুছানোর অর্থ আপনি নিজের ব্যাপারে সচেতন ও যত্নশীল।

• দিনের শুরুতে এই ছোট্ট একটি কাজ আপনাকে দিনের শেষে দিবে একটি সুন্দর উপহার। আর তা হল আপনি সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে যখনই বিছানায় যাবেন, আপনি পাবেন সুন্দর, পরিপাটি একটি আরামদায়ক বিছানা!

৪/ মেডিটেশনঃ
মেডিটেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে প্রাচীনকাল হতেই গুরু সাধকগণ মানসিক স্থীরতা, একাগ্রতা, মনযোগ পরিচালনার ক্ষমতা ইত্যাদি অর্জন করেছিলেন।
আর এই পদ্ধতি ব্যবহার করেই বিশ্বের প্রায় সকল সফল ব্যক্তিগণ, মহাপুরুষগণ তাঁদের সফলতার পথে নিজেদের শক্তিশালী করেছেন বহুগুনে। তাই আপনার দিনটিতে মানসিকভাবে স্থীর ও রিল্যাক্সে থাকতে, কাজগুলোকে সুচারুরূপে সমাপ্ত করতে এবং আপনার দৈনিক পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে মেডিটেশনের বিকল্প নেই।

৫/ হালকা ব্যায়ামঃ
শারীরিক ব্যায়ামের উপকারিতা নিয়ে এখন আমরা সবাই কম বেশি আগ্রহ প্রকাশ করছি। ইমিউনিটি বাড়াতে ব্যায়ামের যে তুলনা নেই আমরা সবাই মেনে নিচ্ছি। বিশেষ করে এই এক প্যান্ডেমিক আমাদের ভালোই শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে যা কি না আগে কোনো ডাক্তার, ফিটনেস কোচ বা ব্যায়ামবিদ বলে কয়েও পারেনি।

আর দিনের শুরুতে মেডিটেশনের পর হালকা ব্যায়াম আপনাকে দিবে এক্স্ট্রা বুস্ট। ঘুম হতে উঠার পর ভারি ব্যায়াম করা উচিৎ নয়। কারণ দীর্ঘক্ষণ স্লীপিং মুডে থাকা আমাদের শরীর হঠাত ওয়েইট লিফটিং জাতীয় ভারি ব্যায়াম নিতে পারে না। হ্যাঁ, অনেকের ক্ষেত্রেই আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে “আমার শরীর ঘুম হতে জেগেই ওয়েইট লিফটিংএ যথেষ্ট পারদর্শী বা অভ্যস্ত”। কিন্তু আসলে এর অপকারিতা যখন দেখা দিবে তখন হয়তবা বড্ড দেরি হয়ে যাবে। আর ওয়েইট লিফটিংএর মতোই লাইট কার্ডিও আর স্ট্রেচিং সুস্থ শরীরের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সকাল সকাল জেগে উঠে স্ট্রেচিং এবং কার্ডিও আপনার মাসলে যথেষ্ট পরিমাণে তাজা অক্সিজেনের যোগান দেয়। যা কিনা আপনার বডি বিল্ডিং, ইমিউনিটি বৃদ্ধি ইত্যাদিকে সাপোর্ট দিয়ে আপনাকে এগিয়ে দিবে অনেকগুনে।

বন্ধুরা, আজ আমরা ৫টি অমূল্য অভ্যাস সম্পর্কে জেনেছি। আগামীকাল আমরা বাকী ৫টা অভ্যাস সম্পর্কে ধারণা নিব। সেপর্যন্ত আপনারা এই সমস্ত অভ্যাস প্রথমে মানসিকভাবে এবং সাথে সাথে পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করা শুরু করে দিন। দেখুন কীভাবে বদলে যায় আপনার জীবনমান! আপনি হয়ে উঠবেন সুখী, সুস্থ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়!

এরই মাঝে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টগুলো শেয়ার করুন আপনাদের টাইমলাইনে এবং বন্ধুদের মাঝে।
ইনভাইট করুন বন্ধুদের যাতে তারাও উপকৃত হতে পারে।

_____
সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন, মুসাফিরের সাথেই থাকুন।

ধন্যবাদ!

07/09/2021

শুভ মধ্যাহ্ন বন্ধুরা,
আশা করি সকলেই সুস্থ ও ভালো।

আমাদের সাধারণ এবং দৈনন্দিন রোগ, এর কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কিত ধারাবাহিক আর্টিক্যাল পোস্টের আজ ৩য় পর্বে আপনারা স্বাগত। আমরা গত দুই পোস্টে জেনেছি ডেঙ্গু সম্পর্কে, এর বংশবিস্তার, রোগ সংক্রমণ, রোগের ধরণ ও সিম্পটোম সম্পর্কে। আর আজ আমরা জানব প্রাকৃতিক উপায়ে কীভাবে আমরা এ রোগ থেকে নিরাময় লাভ করতে পারি। আশা করি আমাদের গবেষণালব্ধ এবং সংকলিত এই পোস্ট আপনাদের উপকারে আসবে। আর আপনারা উপকৃত হলে অবশ্যই আপনাদের আপনজন ও বন্ধুদের উপকারে পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না।

যাহোক,
আজ আমরা প্রথমেই জেনে নিব ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ দেখা দিলে কি ধরনের এলোপ্যাথিক টেস্ট করার দরকার হতে পারে।
সাধারণত ডাক্তারেরা CBC, IgM ELISA, Serum sample collection ইত্যাদি পরীক্ষা দিয়ে থাকেন রোগীর ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে আরও নিশ্চিত ধারণা পেতে।

----
এবার আসি প্রাথমিক অবস্থায় ঘরোয়াভাবে কী ধরনের চিকিৎসা আমরা নিতে পারি সে বিষয়ে।

ডেঙ্গু জ্বরের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই বলা যায়। এর লক্ষণগুলোর উপর ভিত্তি করেই ডাক্তারগণ প্রাথমিকভাবে কিছু দিয়ে থাকেন। তবে যেসব চিকিৎসা প্রাথমিকভাবে দেয়া হতে পারে তা হল-
১। পানিস্বল্পতা রোধে প্রচুর পানি ও তরল খাবার খাওয়া
২। প্রয়োজনভেদে শিরাপথে স্যালাইন দেয়া
৩। হেমোরেজিক ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্রয়োজনে রোগীকে অনুচক্রিকা (প্লাটিলেট) দেয়া
৪। জ্বর নিবারণে সাধারণ জ্বরনাশক ওষুধ ব্যাবহার করা, ইত্যাদি।
*তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যেনো এসপিরিন বা এজাতীয় ব্যথানাশক গ্রহণ না করা হয়। কারণ এজাতীয় ওষুধের কারণে ইন্টার্নাল ব্লীডিং বেড়ে যেতে পারে যা রোগীর মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

বর্তমানে ডেঙ্গুর ভ্যাক্সিন নিয়ে গবেষণা চলছে যা ভবিষ্যতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।

----
আসুন বন্ধুরা,
এবার আমরা জেনে নেই কোন কোন প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান দিয়ে আমরা ডেঙ্গু রোগের প্রাকৃতিক চিকিৎসা পেতে পারি। নিম্নে আমরা উপাদানগুলো সম্পর্কে ধারণা পাব-

১/ বানরলাঠিঃ এর মূল ডেঙ্গু জ্বর কমাতে কার্যকরি

২/ চিরতাঃ জ্বর প্রতিরোধে চিরতা অত্যন্ত গুণসম্পন্ন এবং খিঁচুনিরোধক হিসেবেও কার্যকর

৩/ ধুতুরাঃ ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ কমাতে ধুতুরার পাতা অতীব কার্যকর
* তবে খেয়াল রাখতে সেবনের মাত্রা ২মিলিগ্রামের বেশি যেনো না হয়।

৪/ ধনিয়াঃ খুবই সহজলভ্য ধনিয়া পাতা ডেঙ্গু জ্বর নাশক হিসেবে কার্যকরি

৫/ তুলসীঃ বহুগুণ সমৃদ্ধ তুলসীর কচিপাতা দিয়ে ফুটিয়ে পানি পান করলে ডেঙ্গু জ্বর উপশম হয়।

----
বন্ধুরা,
দৈনন্দিন জীবনে আমরা সকলেই এলোপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি। এলোপ্যাথিক মেডিসিন নিঃসন্দেহে আমাদের জীবনকে করেছে অনেক সহজ। কিন্তু এলোপ্যাথিক ওষুধ একটি রোগের উপশম করেও আমাদের শরীরে আরও কয়েকটি রোগ ও সমস্যা তৈরি করে দিচ্ছে।
এলোপ্যাথিক মেডিসিনের কেমিক্যাল উপাদান আমাদের শরীরে নানাবিধ জটিল রোগের আবাসস্থল গড়ে দিচ্ছে। ফলে আমরা যতটা সুস্থ হয়ে ঊঠার কথা তারচে বেশি অসুস্থ ও রুগ্ন হয়ে পড়ছি।

এমতাবস্থায় প্রাকৃতিক ও ভেষজ উপাদান কাজে লাগিয়ে আমরা যেমন সুস্থতা পেতে পারি ঠিক তেমনি জটিল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও মুক্তি পেতে পারি। শুধু তা ই নয়, প্রাকৃতিক ওষুধ ব্যবহারে প্রকৃতির সাথে আমাদের সখ্যতা হবে আরও গাঢ় আর এর মাধ্যমে পরিবেশেও নির্মলতা ফিরে আসবে।

তাই আসুন, ক্ষতিকর ও পরিবেশ ধ্বংসকারি রাসায়নিকের ব্যবহার রোধ করি। প্রাকৃতিক উপাদান ও ওষুধ ব্যবহার করি আর প্রকৃতিকে নির্মল রাখি।

----
সবাই সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

কমেন্টে আমার জানান আপনারা কোন বিষয়ের উপর পোস্ট পেতে চান। আমাদের পোস্ট শেয়ার করুন এবং দেশ ও দশের উপকারের অংশীদার হোন।

ধন্যবাদ!

Photos from Musafir Health & Fitness's post 06/09/2021

মুসাফিরের সকল বন্ধুদের জানাই স্বাগত।
গত পোস্টে আমরা জেনেছিলাম ডেঙ্গু জীবাণুবাহি এডিস মশা এবং এর বংশ বিস্তার সম্পর্কে। এখন আমরা জানব এই মশা কীভাবে আমাদের ডেঙ্গু ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত করে এবং এই ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগ, এর ধরণ, লক্ষণ, এবং প্রাকৃতিকভাবে এর প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় নিয়ে।

সাধারণত রাতের বেলা বা অন্ধকারেই অন্যান্য মশার উৎপাত বেশি হলেও এডিস মশা কিন্তু দিনের বেলায় কামড়ায়। আর সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময় এই মশা সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে।

ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী কোনো স্ত্রী এডিস মশা যখন কোনো সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ায় তখন ঐ ব্যক্তির দেহে এই ভাইরাস প্রবেশ করে এবং আক্রান্ত করে। সাধারণত এই মশার কামড়ের ২-৩দিন এবং মতান্তরে ৭-১০দিনের মাঝেই এই রোগের লক্ষণগুলো দেখা দেয়। আবার আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ানোর ৮-১০দিনের মধ্যেও এডিস মশা এই রোগ ছড়াতে পারে। আর এই জ্বরে একবার আক্রান্ত হলে ৯মাসের মাঝে কোনো ব্যক্তির পূনরায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ নির্ভর করে এই রোগের প্রকারের উপরে। আর ডেঙ্গু জ্বরকে তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

১। ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গুঃ এর লক্ষণগুলো হল প্রচন্ড জ্বর, মাথাব্যাথা, মাংশপেশি ও জয়েন্টে ব্যাথা, বুকে ও শরীরের নিম্নাঙ্গে উজ্জ্বল লাল ফুস্কুড়ি, পাকস্থলীতে প্রদাহ বা পেটে ব্যাথা, বমি বমি ভাব, বমি বা ডায়রিয়া ইত্যাদি।
এই প্রকারের জ্বর ২-৭দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং খুব সামান্য পরিমাণে তাপমাত্রা উঠানামা করে। এই জ্বর অনেকটা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতই।

২। হেমোরেজিক ডেঙ্গুঃ এই প্রকারের ক্ষেত্রে ক্লাসিক্যালের চেয়ে জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে। অন্যান্য লক্ষণগুলো হল চোখে রক্ত জমা, শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন; দাঁতের মাড়িতে, মুখগহ্বর, নিখের নিচ, মলত্যাগের পথ দিয়ে রক্তক্ষরণ। এছাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রক্তের শ্বেতকণিকা ও অনুচক্রিকা কমে যাওয়া, বমির সাথে বা ইঞ্জেকশনের জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলচে দাগ দেখা দেয়া ইত্যাদিও অন্যতম কিছু লক্ষণ।
ডেঙ্গু রোগগুলোর মাঝে এই হেমোরেজিক ডেঙ্গু সবচেয়ে মারাত্মক। অনেক ক্ষেত্রে এই ধরনের জ্বরে পেট ফুলে যাওয়ার কারণে মৃত্যুও ঘটতে পারে।

৩। ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমঃ তৃতীয় প্রকারের ডেঙ্গু জ্বর হল ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম। এই ধরণের কারনেও মৃত্যুহার অনেক বেশি। এর অন্যতম লক্ষণগুলো হল জ্বর, মূত্রথলির প্রদাহ, দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা, চোখে ব্যথা, প্রচন্ড মাথা ঘোরানো, ক্ষুদামন্দা, আক্রান্ত ব্যক্তির ত্বক ঠান্ডা ও শুষ্ক হয়ে থাকা এবং রোগী মানসিক অস্থীরতায় ভোগা ইত্যাদি।

উপরুক্ত লক্ষণসমূহ দেখা দিলেই আমাদের সতর্ক হওয়া উচিৎ এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ। আর আমাদের আশেপাশে ছড়িয়ে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান হতেও আমরা নিমিষেই পেতে ডেঙ্গুসহ আরও অনেক রোগের প্রতিকার।

আমরা গত ২টি পোস্টে জেনেছি এডিস মশার বিস্তার, আমাদের ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণ এবং ডেঙ্গু ভাইরাস ও রোগের ধরণ সম্পর্কে। আমরা আগামীতে জানব ডেঙ্গু হলে করণীয়, সুস্থতা লাভের উপায় এবং প্রাকৃতিক উপাদান হতে কীভাবে ডেঙ্গু রোগের প্রতিকার পাওয়া যায় তা নিয়ে।

সেপর্যন্ত সাথেই থাকুন এবং আমাদের পোস্ট শেয়ার করে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিন।
ধন্যবাদ!

Photos from Musafir Health & Fitness's post 06/09/2021

আবারও এসে গেলো ভয়ানক ডেঙ্গু মৌসুম।
কোভিডের প্রকোপ ত আছেই সাথে ডেঙ্গু এসে আমাদের জনজীবন করে তুলছে আরও দুর্বিষহ। তাই প্রয়োজন ডেঙ্গু ও এর প্রতিকার সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান।

আপনারা নিশ্চয় জানেন ডেঙ্গু একটি মশাবাহি ভাইরাসজনিত রোগ। মূলত এডিস নামক মশাই এর জন্য দায়ী যাকে দেশে ডেঙ্গু মশা নামেও ডাকা হয়।
১৯৮৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু জ্বর শনাক্ত হয়। সেসময় একে 'ঢাকা ফিভার'ও বলা হত। তবে ১৯৯৯ সালে ডেঙ্গু ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। যা ওসময় ২জন চিকিৎসক সহ ৮০জনের মৃত্যুর কারণ হয়।

অন্যান্য আরও ভাইরাসবাহি রোগের মত ডেঙ্গু রোগের ভাইরাসের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে যাদের ডেন-১, ডেন-২, ডেন-৩, এবং ডেন-৪ নামে নামকরণ করা হয়েছে। তবে এদের মাঝে ডেন-২ সবচে মারাত্মক প্রকার বলে বিবেচিত।

কিন্তু কেন এই মশার বিস্তার ঘটে? কেনই বা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে এই মশার প্রকোপ দেখা দেয়?
এসব প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলে এই মশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াটা আমাদের জন্যে আরও সহজতর হয়ে যায়।

মূলত বাংলাদেশে বর্ষার সময়ে এই মশার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। কারণ বৃষ্টি ও আর্দ্র আবহাওয়াতেই এদের বংশ বিস্তারের আদর্শ পরিবেশ তৈরি হয়।
তাছাড়া অন্যান্য আরও রোগবাহি কিটের মত নয়, বরঞ্চ জমে থাকা পরিষ্কার পানিই এডিস মশার ডিম পাড়ার জন্যে আদর্শ স্থান। তাই বাড়ি-ঘরের আশেপাশে পড়ে থাকা ফুলের টব, বিভিন্ন কৌটা, গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ার, ডাব বা নারিকেলের খোল, এমনকি গাছের কোটরেও জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে সহজেই ডিম পাড়ে এবং বংশ বিস্তার করতে পারে এডিস মশা।

আর একারণেই বাংলাদেশে বর্ষার মৌসুমে দেখা দেয় ডেঙ্গুর প্রকোপ। আর বুঝতেই পারছেন, বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট আর অফিসের মত জায়গাগুলোর আশপাশে যত্র-তত্র পড়ে থাকা খালি কৌটা, টব, ডাব বা নারিকেলের খোসা বা পানিধারণ করতে এমন যেকোনো স্থান বা পাত্র, এসবের ব্যাপারে আমাদের খেয়াল রাখা উচিৎ। যেনো কোনোভাবেই পানি জমে থাকতে না পারে সে ব্যবস্থা করা উচিৎ। তবেই প্রাথমিকভাবে এডিস মশার প্রজনন এবং বংশ বিস্তার রোধ করা সম্ভব। যা আমাদের এবং সকলের জন্যেই উপকারী হবে।

তাই আসুন, আমরা আমাদের পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখি, সুস্থ থাকি এবং দেশ ও দশের কল্যাণের অংশীদার হই।

আগামী পোস্টে থাকছে কীভাবে এই রোগ আমাদের আক্রান্ত করে, ডেঙ্গু জ্বরের প্রকারভেদ ও লক্ষণ এবং প্রাকৃতিক উপায়েই পরিত্রাণের উপায় ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।

মুসাফিরের সাথে থাকার জন্যে ধন্যবাদ। আমাদের পোস্টগুলো শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। এতে সকলে উপকৃত হবে।
ধন্যবাদ!

29/08/2021

সরচারচ কোনো বিষয়ে বা কাজে সরলতা বুঝাতে আমরা বলে থাকি পানির মত সহজ। আবার প্রায়ই কোনো বস্তুর তুলনামূলক কম মূল্যকে প্রকাশ করি ‘পানির মূল্য’ বলে।

কিন্তু আপনি জানেন কি?
অতি শীঘ্রই সুপেয় পানি আর পানির মূল্যে পাওয়া যাবে না। পানি হয়ে যবে সবচেয়ে জটিল ও দুষ্প্রাপ্য বস্তু। বিশেষজ্ঞদের মতে ২০২৫ সালের মধ্যেই বিশ্বের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত থাকবে। ভাবতে পারেন? এখন ২০২১ সালের প্রায় শেষ। অথচ আমরা ভাবতেই পারছি না আর দু-তিন বছর পর হয়ত বা আমরাও ওই দুই-তৃতীয়াংশ মানুষের মাঝে থাকতে পারি!

তাই আসুন, পানি অপচয় রোধ করি, সুপেয় পানির সু-ব্যবহার করি।

27/08/2021
26/08/2021

সুস্বাস্থ্য সবচেয়ে বড় নিয়ামত। আর এই সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে প্রয়োজন নিয়মমাফিক জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাস।

কিন্তু শত ব্যস্ততার মাঝেও কীভাবে নিয়মানুবর্তিতাকে জীবনের নীতি হিসেবে গ্রহণ করে নিবেন, কোন ধরনের খাদ্যাভ্যাসকে অগ্রাধিকার দিবেন তা নিয়ে বিস্তারিত জানতে মুসাফিরের সাথে থাকুন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Chittagong