Health tipsand best prodak

Health tipsand best prodak

Share

healthy

21/09/2022

স্পিরুলিনা (Spirulina) সুপার ফুড (Super food) :

এতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকায় একে ‘সুপার ফুড’ বলা হয়। সুপার ফুড বলার আরও কয়েকটি কারণ আছে। এতে মাছ ও গরুর মাংসের তুলনায় ৩ গুণ এবং ডিমের তুলনায় ৬ গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে। সয়াবিনের তুলনায় ২ গুণ বেশি মিনারেল রয়েছে। আটার চেয়ে ৪ গুণ বেশি ফাইবার বা খাদ্য আঁশ রয়েছে। এতে গাজরের তুলনায় ৫ গুণ ও পালং শাকের তুলনায় ৪০ গুণ বেশি ক্যারোটিন রয়েছে। দুধের তুলনায় ১০ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে। এতে পালং শাকের তুলনায় ৬৫ গুণ বেশি এবং গরুর মাংসের তুলনায় ৩০ গুণ বেশি আয়রন থাকে। এটি পুষ্টিসমৃদ্ধ একটি সবজি।

পরিচয়: স্পিরুলিনা একটি নীলাভ-সবুজ শৈবাল। এটি সাধারণত পানিতে জন্মে। তবে সামুদ্রিক শৈবাল হিসেবেই এটি বেশি পরিচিত। স্পিরুলিনা নামটি নেয়া হয়েছে মূলত ল্যাটিন শব্দ Spira থেকে। যার অর্থ সর্পিলাকার বা পাকানো। কারণ স্পিরুলিনা দেখতে সর্পিলাকারের হয়ে থাকে। এটি সাধারণত সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণঃ স্পিরুলিনা শরীরে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে সাহায্য করে। এটি একটি গ্যাস অনু যা রক্তনালী প্রশস্থ করে রক্ত পরিবহন ঠিক রাখে। এর ফলে হৃদপিণ্ডকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না, এভাবে এটি হার্ট attack ও স্ট্রোক এর ঝুঁকি হ্রাস করে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে: এটি রক্তে Glucose মাত্রা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে। কারণ এতে প্রচুর ফাইবার রয়েছে। যা রক্তে Glucose এর মাত্রা সহজে বাড়তে দেয় না।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: এতে উচ্চমাত্রায় গামা লিনোলেয়িক অ্যাসিড রয়েছে। যা দেহের ক্ষতিকারক এলডিএলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

রক্ত পরিষ্কার করে: এতে প্রচুর ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই ক্লোরোফিল ও ম্যাগনেসিয়াম মিলিত হয়ে রক্তের দূষক পদার্থসমূহ দূর করে এবং রক্ত পরিষ্কার করতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ৯-১০ গ্রাম করে স্পিরুলিনা খাওয়ালে ৪-৬ মাস পর রোগির আর্সেনিকজনিত চর্মরোগ সম্পূর্ণরূপে উপশম হয়।

ওজন হ্রাস করেঃ যদিও স্পিরুলিনা পুষ্টিতে পরিপূর্ণ, প্রতি টেবিল চামচ এ মাত্র ২০ ক্যালোরি শক্তি আছে। এতে phenylalanine নামে একটি অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা ক্ষুধা দমনে সহায়তা করে।

অ্যালার্জি বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করেঃ যদি পরাগ, কুকুরের চুল, ঘাস বা অন্যান্য পরিবেশগত কারনগুলী আপনার অ্যালার্জিকে অতিরিক্ত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয়, স্পিরুলিনা তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে, আপনার অ্যালার্জির মাত্রা নরমাল করতে সাহায্য করে।

আদর্শ খাবার: এতে বেশি পরিমাণে প্রোটিন ও ভিটামিন বি১২ রয়েছে। যা নিরামিষভোজীদের এ দুটি পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি কমায়। কারণ তাদের খাদ্য তালিকায় প্রোটিন ও ভিটামিন বি১২ অনুপস্থিত থাকে।

কিডনিকে রক্ষা করে: স্পিরুলিনার ক্লোরোফিল একটি উচ্চ ঘনত্ব সম্পন্ন এবং সেরা প্রাকৃতিক detoxifiers; এটি কিডনি থেকে ভারি ধাতু, ক্ষতিকারক রশ্মি এবং দূষণকারী ধাতু সরিয়ে কিডনির বিষাক্ততা কমায়।

গর্ভবতীর রক্তাল্পতা প্রতিরোধ: স্পিরুলিনা

12/09/2022

সুস্থতা আল্লাহর কত বড় নেয়ামত অসুস্থ না হলে বুঝা জায়না

Photos from Health tipsand best prodak's post 02/09/2022

গ্যাস্ট্রিক বলতে চিকিৎসা শাস্ত্রে কিছু নেই 🙆‍♂️

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় কখনো ভোগেনি, এমন মানুষ দেশে খুঁজে পাওয়া কঠিন। পেট ফাঁপা, পেট চিনচিন করা বা সমস্যার কারণে অনেকে দিনের পর দিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে থাকে, কিন্তু সেরে ওঠার নাম নেই। কিন্তু কেন?

আসলে গ্যাস্ট্রিক বলে চিকিৎসাশাস্ত্রে কিছু নেই। পেটের যেকোনো সমস্যাকেই সাধারণ মানুষ গ্যাস্ট্রিক মনে করে থাকে। তবে পেপটিক আলসার এবং নন–আলসার ডিসপেপসিয়া নামে দুটি সমস্যা আছে, যেগুলোকেও অনেকেই গ্যাস্ট্রিক বলে অভিহিত করে থাকি। এগুলো কেন হয় আর এ থেকে রেহাই কীভাবে পেতে হয়, তা না জানলে কেবল মুড়ি–মুড়কির মতো গ্যাসের ওষুধ খেলে চলবে না। মনে রাখবেন, দীর্ঘ মেয়াদে টানা গ্যাস্ট্রিকের বড়ি খাওয়ার নানা জটিলতা আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে।

পেপটিক আলসার মানে পাকস্থলীতে বা ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশে ঘা বা আলসার। এর কারণ দুটি। একটি হচ্ছে হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি (এইচ পাইলোরি) নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যটি হচ্ছে এনএসএআইডি–জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন। যদি পাকস্থলীতে এই বিশেষ জীবাণু হেলিকোব্যাকটার পাইলোরির সংক্রমণ থাকে, তবে সাধারণ গ্যাসের ওষুধে সেটা পুরোপুরি সেরে যাবে না, আর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাও মিটবে না। এ ক্ষেত্রে ভালো হওয়ার জন্য এইচ পাইলোরিনাশক অ্যান্টিবায়োটিক ও ওষুধ খেতে হবে।

এইচ পাইলোরি সাধারণত ছোটবেলায় পানি ও খাবারের সঙ্গে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। তারপর পাকস্থলী ও এর ঘনিষ্ঠ অংশে প্রদাহ সৃষ্টি করে। কখনো আলসার বা ঘা হয়ে যায়। ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির সারা বছর পেটের নানা সমস্যা, ফাঁপা, ব্যথা, জ্বলা ইত্যাদি উপসর্গ লেগেই থাকে।

গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের দেশে বয়সভেদে শতকরা ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ এইচ পাইলোরি সংক্রমণে আক্রান্ত। তবে আশার কথা হলো, যারা এই ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে আক্রান্ত হয়, তাদের বেশির ভাগেরই পেপটিক আলসার হয় না। এর জন্য অন্য আরও কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝুঁকি আছে।

কীভাবে শনাক্ত করা যায়

কিছু ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে খুব সহজেই এইচ পাইলোরির সংক্রমণ শনাক্ত করা যায়। যেমন: ইউরিয়া ব্রেদ টেস্ট, রক্তের অ্যান্টিবডি টেস্ট (অ্যান্টি–এইচ পাইলোরি আই জি-জি), স্টুল অ্যান্টিজেন ইত্যাদি। কখনো কখনো এটি শনাক্ত করতে এন্ডোস্কপি পরীক্ষাও করা হয়ে থাকে।

যখন অ্যান্টি–এইচ পাইলোরি চিকিৎসা দরকার

এইচ পাইলোরির সঙ্গে যদি পেপটিক আলসার অথবা গ্যাস্ট্রাইটিস থাকে, ত

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Sodor
Chittagong
AFFA