Smart Health

Smart Health

Share

Assalamu Alikum
Sir/Mam.Are your worried about your weight gain or lose? Contact us for Details.

23/12/2022

আপনার জন্য সুখবর আমাদের শরি রের অতি রি"ক্ত মে দ আজকাল একটা প্রব্লেম!
📞01306-262202
আমাদের একটি মাত্র সা"প্লি মে"ন্ট দিয়ে এবারা আপনার মে_দ কমিয়ে নিন!!
এটি বাংলাদেশ বিসিএস সাইন্সল্যাব পরিক্ষিত কোনো সাইড এফেক্ট নেই সম্পুর্ন প্রাকৃ-তিক উপা দান থেকে তৈরি।

☑️বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে আসুন বা সরাসরি কথা বলুন স্পেশা-লিষ্ট এর নাম্বারে ধন্যবাদ।

23/12/2022

ওজন কমাতে ট্রাই করুন আমাদের নতুন ন্যাচারাল সমাধানের কফি!

বিস্তারিত জানতে বা অর্ডার করতে সেন্ড মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি কল করুন- 01306-262202

সীমিত সময়ের জন্য সারা দেশে হোম ডেলিভারি একদম ফ্রী!

23/12/2022

এই শীতে ও'জ'ন স'মা-ধা-ন। ঘরে বসেই। বিশাল ছাড়!! ১৯৯০ টাকা থেকে এখন পাচ্ছেন ৩০-৩৫% ছাড়ে। ঘরে বসে মেসেজ অবশনে মেসেজ করে- দেশের যে কোনো প্রান্তে অর্ডার করুন। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে।

বিস্তারিত :- 01306-262202

13/12/2022

এই যে আপনাকে বলছি দেখুন!
বিশ্ব মানের সেবা নিন ঘরে বসে ও'জন ক'মান জুস খেতে খেতে!

এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমোদিত এবং পরিক্ষিত কোনো সাইড এ-ফে-ক্ট নেই নে'চারাল ফ'রমুলায় তৈরি

আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে করুন অথবা কল করুন- 01306262202

11/12/2022

#আসসালামু_আলাইকুম
~অতি'রিক্ত ও'জন নি'য়ে চি'ন্তিত?
~মে'দ ভু'ড়ি কমা'তে পার'ছেন না'হ?

~এ'বার জু'স খে'য়েই কমি'য়ে ফে'লুন আপ'নার অতি'রিক্ত মে'দ ভু'ড়ি ও ও'জন যা স্থ"য়ী ভা'বে কা'জ ক'রে এ'বং স'ম্পূর্ণ ন্যাচে'রাল দে'শি-বি'দেশি না'না উপা'দান দি'য়ে তৈ'রি।

এ'টি বাংলা'দেশ বি সি এ'স আ'ই আ'র এ'বং বাংলা'দেশ সাই'ন্স ল্যা'ব থে'কে অনু'মোদিত সুত'রাং এ'টি সম্পূ'র্ণ পা'র্শ্ব প্রতিক্রি'য়া মু'ক্ত এ'বং শতভা'গ কা'র্যকর তা'ই খে'তে পা'রেন নি'শ্চিন্তে

~ #বিস্তারিত_জানতে #মেসেজ_অপারেশন_ক্লিক #করুন_অথবা #সরাসরি_কল_করুন
☎️ 01306262202

11/12/2022

তেঁতুলের বিচির এত গুণ!

বাংলাদেশের মানুষের কাছে তেঁতুল বেশ জনপ্রিয় একটি ফল। আচার ও আচার জাতীয় ফল হিসেবে তেঁতুলের রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। তেঁতুলের আচার মানেই জিভে পানি চলে আসার মতো ব্যাপার। বিভিন্ন ধরনের ফল মেখে খাওয়ার ক্ষেত্রেও এর ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। তবে আমাদের কাছে শুধু তেঁতুলই জনপ্রিয় নয়, তারচেয়ে বেশি জনপ্রিয় তেঁতুলের বিচি। কেননা সম্প্রতি ভারত থেকে ৯০ মেট্রিক টন তেঁতুলের বিচি আমদানি করেছে বাংলাদেশ।

বাজারে তেঁতুলের আচার, চাটনির জনপ্রিয়তার চেয়েও যে তেঁতুলের বিচির জনপ্রিয়তা এত বেশি তা আমরা খুব কম মানুষই জানি। ফল ও আচার ছাড়াও তেঁতুলের বিচির রয়েছে নানাবিধ ব্যবহার।

সাধারণত তেঁতুলের কথা শোনা গেলেও তেঁতুলের বিচির কথা খুব একটা শোনা যায় না। তবে তেঁতুলের বিচি যে একেবারে ফেলনা নয়, তা বোঝা গেল এর দাম শুনেই। বাংলাদেশ ভারত থেকে প্রতি টন তেঁতুলের বিচি আমদানি করেছে ২০০ মার্কিন ডলার মূল্যে। তাহলে ভাবুন এর জনপ্রিয়তা ও চাহিদা কত বেশি। দেশীয় উৎপাদনের বাজারে চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না বলেই এখন আমদানি হচ্ছে এ তেঁতুলের বিচি।


কী কাজে লাগে তেঁতুলের বিচি?

বাংলাদেশে মূলত পাটকল ও কাপড়ের মিলে সুতা রং করার কাজে তেঁতুলের বিচি ব্যবহার করা হয়। সুতার রং টেকসই করার কাজে বহুদিন ধরেই এর ব্যবহার হয়ে আসছে। এ ছাড়া মশার কয়েল তৈরির কাজে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার হয় তেঁতুলের বিচি।

দেশে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় কয়েল তৈরির জন্য স্থানীয় উদ্যোক্তারাই এ আমদানি করা তেঁতুলের বিচি কেনার বড় ক্রেতা। এসব শিল্প উৎপাদন কেন্দ্রিক প্রয়োজনের বাইরেও রয়েছে তেঁতুলের বিচির নানা ব্যবহার।

চিকিৎসার ক্ষেত্রে ইউনানি, আয়ুর্বেদ, হোমিও ও অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ তৈরিতে তেঁতুলের বিচির ব্যবহার আছে। এ ধরনের কাঁচামাল ছাড়াও ঔষধি গুণের জন্য খুবই উপকারী জিনিস এটি।

শুষ্ক চোখের চিকিৎসায় যে ড্রপ তৈরি হয় তাতেও ব্যবহার করা হয় তেঁতুলের বিচি। এ ছাড়া পাকস্থলীর গোলযোগ, লিভার ও গল-ব্লাডারের সক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এ বিচি। গর্ভকালীন বমিভাব ও মাথাঘোরার সমস্যায় তেঁতুলের বিচির শরবত বেশ উপকারী।

তেঁতুল বিচি গরম পানিতে ফুটিয়ে এক ধরনের আঠা তৈরি করা হয়। যা কিনা ছবি আঁকার কাজে ব্যবহার করা হয়।

10/12/2022

আনার একটি জনপ্রিয় ও সুস্বাদু ফল। আমরা একে আনার বা বেদানা বা ডালিম বলে থাকি। এই ফলটি বাইরে থেকে দেখতে যেমন সুন্দর খেতে খুব সুস্বাদু। আনারের আদি নিবাস পারস্যে বলা হয়ে থাকে। পারস্য থেকেই এই ফলটি আমেরিকা, ভারত, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। পুষ্টিগুণে ভরা আনারে রয়েছে ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস ও জিংক। একটি মাঝারি আকৃতির আনারে প্রায় ১০০ ক্যালরি শক্তি রয়েছে। আনার ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স যেমন-থায়ামিন, রাইবোফ্লাবিন, নিয়াসিন এবং আয়রনের অন্যান্য উপাদানের উৎস।

আনারের উপকারিতাঃ

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়ঃ আনারের রস হৃদরোগ প্রতিরোধে দারুন কাজ করে থাকে। মাত্র এক গ্রাম ডালিমের রসে যথেষ্ট পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এটি রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে হার্টকে ঝুঁকিমুক্ত রাখে। ফলে হৃদরোগের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেঃ ডালিমে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন আছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। সাথে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ রয়েছে। এই দুইটি ভিটামিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ উপকারি।

ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়কঃ আনারের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার সেল তৈরি ও বেড়ে ওঠাকে বাধা দান করে। ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে আনার বেশ কার্যকর।

ত্বকের সজীবতা ধরে রাখেঃ আনারের জুস ত্বকের যত্নে দারুণ উপকারি। এটা ত্বকের গভীরে ঢুকে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করে। এছাড়া মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ও সাইটো কেমিক্যাল উপাদানের যোগান দেয়। ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে এগুলো খুবই দরকারি।

কোলাজেন গঠনে সহায়কঃ ত্বকের একটি স্তর ডার্মিস, যা ফাইবার বা আঁশ দিয়ে তৈরি। ডার্মিসকে ঠিক রাখে কোলাজেন, যার জন্য দরকার প্রোটিন ও ভিটামিন-সি। আনার কোলাজেন ফাইবারকে ঠিক রেখে অ্যান্টিএজিং এজেন্ট হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ অকাল বার্ধক্য প্রতিরোধ করে।

স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করেঃ গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন কিছু পরিমাণে আনার খায় তারা অন্যদের তুলনায় কম স্ট্রেস বা মানসিক চাপে ভোগে। চিন্তামুক্ত থাকতে তাই নিয়মিত আনার খেতে পারেন।

কোষের পুনরুজ্জীবনঃ আনারে পর্যাপ্ত ফ্যটি আসিড রয়েছে। সেই সাথে রয়েছে ক্যারাটিন বজায় রাখার গুণাগুণ। এই কারনে কোষের পুনরুজ্জীবনের সাথে সাথে ত্বকে বয়সের ছাপও কম পড়ে।

10/12/2022

তিসির অসাধারণ উপকারিতা:

১. চুল ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা মুখের বলিরেখা, চুল পড়া , ত্বককে অমসৃণ ও ত্বকের উজ্জ্বলতা ইত্যাদি সমস্যার সমাধান করে ।

২. হতাশা ও দুশ্চিন্তা দূর করে। মেজাজ ফুরফুরে রাখে।

৩. গ্যাস্ট্রিক ও আলসার দূর করে এবং অ্যাজমা থেকে রক্ষা করে।

৪. যারা হাই ব্লাডপ্রেসারের রোগী তারা তাদের খাদ্য তালিকায় তিসি রাখতে পারেন। প্রতিদিন ২চামচ তিসির পাউডার এর জন্য যথেষ্ট। এর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ও এমাইনো এসিড বিপি কমাতে সহায়তা করে।

৫. তিসি আমাদের হৃত্‍পিণ্ডের সুরক্ষায় কাজ করে। তিসি বীজে রয়েছে আলফা লিনোলিক এসিড যা হৃত্‍পিণ্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে। তিসি আমাদের হৃদপিণ্ডকে সবল রাখতে কাজ করে।

10/12/2022

নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।

আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো;

ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।

চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে। কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।

দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

10/12/2022

প্রতিদিন এক গাদা ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে খান একটি করে আমলকী। কিংবা আমলকীর আচার। খেতে পারেন আমলকীর মোরব্বা কিংবা আমলকীর পাউডার ব্যবহার করতে পারেন রান্নায়। এই সামান্য আমলকী আপনার দেহের করবে বিস্ময়কর সব উপহার। কীভাবে জানতে চান? আসুন জানি প্রতিদিন একটি আমলকী খাওয়ার ২০টি উপকারিতা সম্পর্কে।

১) আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

২) এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

৩) আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৪) এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু'বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৫) আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে।

৬) প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৭) আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

৮) আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৯) এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।

১০) আমলকীর টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

১১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

১২) কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকী অনেক উপকারী।

১৩) ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।

১৪) শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে।

১৫) এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকীর আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।

১৬) শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

১৭) লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।

১৮) এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস।

১৯) সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে।

২০) ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

08/12/2022

কমলার খোসায় রয়েছে অসাধারন পুষ্টিগুণ। চলুন জেনে আসি কমলার খোসার কিছু ব্যবহার ও উপকারিতা-

দাঁত ও মুখের ক্ষেত্রে: মুখের দূর্গন্ধ নিয়ে অনেকেই নানা রকম সমস্যায় ভুগেন। কিন্তু এ দূর্গন্ধ দূর করতে অনায়েসেই ব্যবহার করতে পারেন কমলা লেবুর খোসা। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে বা দিনের যেকোনো সময়ে কমলার খোসা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে আপনার মাড়িও ভালো থাকবে আর মুখের দূর্গন্ধও অনেকটা দূর হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে কমলার খোসা চিবিয়ে খেলে দাঁত অনেক সাদা ও ঝকঝকে হয়ে যাবে। সবচেয়ে ভালো ও প্রাকৃতিক উপায়ে দাঁতের কালো ও হলদে ভাব দূর করতে পারে কমলার খোসা। শুধু কমলার খোসার ভেতরের দিকে একটু পানি ছিটিয়ে দিয়ে দাঁত ঘষে নিতে হবে। আপনি চাইলে কমলার কাঁচা খোসা বেটে পেস্টের মতোও ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ত্বকের ক্ষেত্রে কমলা লেবুর রস খুবই উপকারি।

ত্বকের ক্ষেত্রে: কমলার খোসা ত্বকের নমনীয়তা রক্ষায় অনেক আগে থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটা ত্বকের তেলের ভারসম্য ঠিক রাখে, ত্বককে মসৃণ ও নরম করে তোলে। তবে কমলার খোসা সরাসরি ত্বকে কখনো প্রয়োগ করা উচিত নয়। ত্বকের জন্য তাজা কমলার খোসার সঙ্গে ডাল বাটা যোগ করতে হবে। মুসুরের ডাল বেটে নিয়ে এর সঙ্গে কমলার খোসা বাটা ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর এটা নিয়মিত ত্বকে লাগাতে পারলে ত্বক অনেক মসৃণ ও নরম হবে। এতে মুখের দাগও অনায়েসেই দূর হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ব্রণের সমস্যা দূর করতে পারে কমলার খোসা। কমলার খোসাতে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রো ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ইনিফ্লামেটরি ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান, যা ব্রণের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে। এগুলো মুখের ব্রণের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে থাকে। একটা গোটা কমলার খোসা এক কাপ পানিতে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর এ পানি ফ্রিজে রেখে দিতে হবে। তারপর ফ্রিজ থেকে বের করে পানি মুখ ধোয়ার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে ব্রণের সমস্যা অনেকটাই দূর হয়ে যাবে।



রান্নার ক্ষেত্রে: কমলার খোসা রান্নায় ব্যবহার করলে রান্নার স্বাদ ও গন্ধ অনেকটাই বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি কমলা লেবুর খোসায় ভিটামিন সি রয়েছে, তা শরীরে প্রবেশ করে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ করে থাকে। বাড়তি কোনো রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার না করে কেক বিস্কুট ইত্যাদি তৈরির সময় কমলা লেবুর খোসা ব্যবহার করতেই পারেন। এছাড়াও কমলার খোসা সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করলে একটা অসাধারণ ভিন্ন স্বাদ যোগ হবে। জ্যাম, জেলী তৈরির ক্ষেত্রেও এসব খোসা ব্যবহার করতেই পারেন।

স্ক্রাবার হিসেবে কমলার খোসা: শুকনো কমলার খোসা প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে খুবই উপকারি। কমলার খোসা ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে চেহারায় উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এছাড়াও ব্লাক হেডস ও হোয়াইড হেডস অপসারণের কাজেও কমলার খোসা খুবই উপকারি। কমলার খোসা গুঁড়ো করে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। রাসায়নিক স্ক্রাবারের থেকে অনেক বেশি উপকারি এ কমলার স্ক্রাবার।

পেটের সমস্যার ক্ষেত্রে: ক্ষুধা মন্দা হলে বা পেট খারাপ হলেও কমলার খোসা খুবই উপকারি। একটা কৌটার মধ্যে চিনি নিয়ে এরমধ্যে কমলার খোসা রেখে দিতে হবে। এতে চিনির মধ্যে কমলার গন্ধ আসবে ও স্বাদও অনেকে বেড়ে যাবে। এ চিনি দিয়ে তৈরি যেকোনো খাবার ক্ষুধার উদ্রেক করে, ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে ও পেট খারাপের মতো সমস্যাও কমিয়ে দেয়।

অন্যান্য ক্ষেত্রে: কোনো কারণে চিনি ভিজে গেলে তাতে কিছু শুকনো কমলা লেবুর খোসা রেখে দিতে পারেন। শুকনো কমলার খোসায় রয়েছে আদ্রতা শোষণ করার ক্ষমতা। এটা সহজেই চিনির আদ্রতা শোষণ করে চিনিকে করে তুলবে ঝরঝরে। বর্ষাকালে চিনিতে ভেজা ভেজা ভাব হলে এটা করে দেখতে পারেন। ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব ও গন্ধ দূর করার কাজেও ব্যবহার করতে পারেন কমলার খোসা।

08/12/2022

মসলা হিসেবে দারুচিনির উপকার বলে শেষ করা যাবে না। এটি হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বব্যাপী পরিচিত এর ঔষধি গুণাবলির জন্য।

আর অবাক করা বিষয় হচ্ছে— মানুষ এটির ঔষধি গুণাবলি হাজার বছর আগে থেকেই যেগুলো জানত তার বাস্তব প্রমাণও মিলছে আধুনিক বিজ্ঞানে।

আজ জেনে নিন দারুচিনির স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে—

১. ঔষুধি গুণাবলি
প্রাচীন মিসরের ইতিহাসে দারুচিনি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয়েছে। আর সে সময় এটি এতই বিরল ও মূল্যবান ছিল যে, রাজাদের জন্য উপযুক্ত উপহার হিসেবে বিবেচনা করা হতো একে। বিজ্ঞানীরা এর অনেকে ঔষধি গুণাবলি খুঁজে পেয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে বিপাকের ওপরে দারুচিনির প্রভাব। তবে এটি ছাড়াও আরও অনেক গুণ রয়েছে।

২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ
দারুচিনি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনার শরীরকে ফ্রি র্যাডিকেল দ্বারা সৃষ্ট অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। তাই দারুচিনি স্বাস্থ্যের জন্য অনকে উপকারী।

৩. অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি
দারুচিনিতে অবিশ্বাস্যভাবে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায় যে, এই মসলা এবং এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলোর শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর এ কারণে এটি আপনার শরীরকে সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে এবং টিস্যুর ক্ষতি মেরামত করতে সহায়তা করতে অনেক কার্যকরী।

৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে
হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও অনেক উপকারী এই মসলাটি। এটি মোট কোলেস্টেরল থেকে খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায় এবং ভালো এইচডিএল কোলেস্টেরলকে স্থিতিশীল রাখে। এ ছাড়া প্রাণী গবেষণায় দেখা গেছে যে, দারুচিনি রক্তচাপ কমাতেও অনেক উপকারী।

৫. রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়
দারুচিনি তার রক্ত-শর্করা-হ্রাসকারী বৈশিষ্ট্যের জন্য সুপরিচিত। বিভিন্ন মানব গবেষণায় দেখা গেছে যে, দারুচিনির অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব রয়েছে এবং এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ১০ থেকে ২৯৮ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে। আর এর উপকার পেতে আপনি চায়ের সঙ্গেও দারুচিনি খেতে পারেন।

৬. নিউরোডিজেনারেটিভ রোগে উপকারী
মস্তিষ্কের কোষগুলোর গঠন বা কার্যকারিতার প্রগতিশীল ক্ষতি থেকে নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ হয়ে থাকে। আর এ ধরনের রোগের সবচেয়ে সাধারণ দুটি প্রকার হচ্ছে আল্জ্হেইমার ও পারকিনসন। আর এ ধরনের রোগে উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে দারুচিনি। পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, দারুচিনি নিউরন রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং নিউরোট্রান্সমিটারের মাত্রা স্বাভাবিক করে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong
4041