Organic Health
Alhamdulillah our product is made in a completely natural way and is approved by BD Sciencelab.
15/11/2022
অপনারা কি জানেন?
দেশি ফল কোনটা খেলে কি উপকার হয়।
আসেন জেনে নি কি ফল খেলে কি কি উপকার হয়।
দেশি ফলের রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। বয়স, শারীরিক অবস্থা, রোগ ভেদে নিয়মিত ও সঠিক মাত্রায় ফল খেলে তা শারীরিক অনেক রোগব্যাধির ক্ষেত্রেও উপকারী। দেশে এখন চলছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ। এই মাসে বিভিন্ন ধরনের রসাল ও মিষ্টি ফলে বাজার সয়লাব।
ফলের মধ্যে খাদ্যশক্তি থাকে, যা শরীরের ভেতর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়। তাই ফল সবার জন্য উপকারী। পুষ্টিমানের দিক থেকেও সব ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খনিজ পদার্থ থাকে। বিশেষ করে রঙিন ফলে লাইকোপেট আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরের ভেতরের বিষাক্ত জিনিস দূর করে দেয় এবং ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।
গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায়, এমন কয়েকটি মৌসুমি ফলের গুণাগুণ এখানে তুলে ধরা হলো:
আমঃ
স্বাদ, পুষ্টি ও গন্ধে অতুলনীয় জনপ্রিয় একটি ফল আম। আয়রন ও সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে বেশ কার্যকরী আম। আম রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন যা জীবাণু থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়।
আমে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে। পাকা আমে কাঁচা আমের তুলনায় শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। কাঁচা আম দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের সমস্যায় কাঁচা আম খাওয়া উপকারী। এটি বাইল এসিড নিঃসরণ বাড়ায়। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে পরিষ্কার করে। দেহে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।
খনিজ পদার্থ আয়রনের ভালো উৎস আম। প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও সোডিয়াম বিদ্যমান। এছাড়া খনিজ লবণ, ভিটামিন বি, ই, সেলেনিয়াম, এনজাইম, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক অ্যাসিড বিদ্যমান। এজন্যই আমকে বলা হয় ফলের রাজা। এর মধ্যে রয়েছে এমন অনেক পুষ্টিগুণ যা শরীরকে ভালো রাখে।
খসখসে চামড়া, চুলপড়া, চোখের নানা রোগ, হজমের সমস্যা দূর করতে আম কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া এই ফলটি বলকারক, মুখরোচক ও যকৃতের জন্য উপকারী।
কাঁঠালঃ
আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠালে প্রচুর এনার্জি, শর্করার পরিমাণও বেশি। পাকা কাঁঠালের ক্যালরি প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ কিলোক্যালরি এবং খনিজ লবণের পরিমাণ প্রায় ০.৯ গ্রাম।
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ🥰আজ আমরা ভিন্ন একটি জিনিস সম্পর্কে জানব।আর তা হচ্ছে বাঁশ কোড়ল।বাঁশ কোড়ল ও যে আমাদের শরিরের জন্য খুব উপকারী তা হয়তো আমারা কেউই জানি না।চলুন তাহলে বাঁশ কোড়লের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি 🤗
বাঁশ কোড়লের উপকারিতাঃ
>> কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
>> এটি উচ্চ রক্তচাপ ও ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমায়।
>> ডায়াবেটিস রোগীরা বাঁশের কোড়ল খেলে উপকার পাবেন।
>> বাশেঁর কোড়ল হাঁপানি রোগীদের সুস্থ থাকতে ভূমিকা রাখে।
>> দেহের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম ওরহমাতুল্লাহ🥰এলাচ আমাদের সকলেরই পরিচিত।কিন্তু আমরা শুধুমাত্র এটিকে মসলা হিসেবেই ব্যবহার করে থাকি।আবার অনেকে তো এলাচ সহ্যই করতে পারি না।খাবারের মাঝখানে যখন একটি এলাচ মুখের মাঝে পরে তখন মনে হয় পুরো খাবারটাই বিস্বাদ হয়ে হয়ে গেল।কিন্তু এলাচ ও যে আমাদের স্বাস্থের জন্য অনেক উপকারী তা হয়তো অনেকেই জানি না।চলুন তাহলে এলাচের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি।।
এলাচের উপকারিতাঃ
হজম প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এলাচি। তাই আপনি চাইলেই খাবারের পর এক দানা এলাচি মুখে দিতে পারেন । এটি গ্যাস শোষণ করে হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে বলে পেট ফাঁপা ও জ্বলুনি কমায়। এলাচিতে প্রচুর ম্যাংগানিজ আছে, যা শরীরে ক্ষতিকর উপাদানগুলোর বিরুদ্ধে লড়ার এনজাইম তৈরি করে শরীরকে বিষমুক্ত রাখে।🥰
তাই প্রতিদিন একটি করে এলাচ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন🥰
15/11/2022
🍌ব্রেকফাস্ট টেবিলে দুধ আর কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে অনেকে কলা খেতে পছন্দ করেন।
চটজলদি হাতের কাছেই মিলে এই ফল।দামে ও সস্থা।ফলে পুষ্টিগুনও ভরপুর।কলায় থাকে মিনারেল ভিটামিন আর ফাইবার যা শরীরের জন্য অনেক উপকারী।এছাড়া এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম।একটি মাজারি মাপের কলা থেকে ৪০০মিলি পটাশিয়াম প্রবেশ করে আমাদের শরিরে যা ভালো রাগে হ্রদযন্ত।🥰
তাই প্রতিদিন অবশ্যই একটি করে কলা খান🍌🍌
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আছেন?আশা করছি সবাই আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছেন🥰।লেবু আমাদের সকলেরই প্রিয় একটি ফল।আজ আপনাদের সাথে লেবুর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জানবো🥰চলুন তাহলে লেবুর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি।।
লেবুর উপকারিতাঃ
লেবুতে আছে ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম। লেবু খেলে দেহের চর্বি কাটে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে। লেবু পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে উপযোগী। লেবুতে সাইট্রেট থাকে যা কিডনিতে পাথর হতে বাঁধা দেয়।🥰
লেবু আমাদের স্বাস্থের জন্য খুব উপকারী এটা আমরা সবাই জানি।কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণ লেবু সেবন করলে আমাদের স্বাস্থের অনেক ক্ষতি হতে পারে।আবার চলুন জেনে আসি লেবুর কিছু অপকারিতা সম্পর্কে।।
লেবুর অপকারিতাঃ
অতিরিক্ত লেবুর রস পান করলে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে তাদের বুক জ্বালা করে। অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ফলে সাইট্রিক এসিড থেকে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।
ধন্যবাদ সবাইকে 🥰
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম 🥰গাজর আমাদের সকলেরই একটি পরিচিত ফল।আবার অনেকের কাছে অনেক পছন্দের একটি ফল গাজর।কিন্তু গাজর ও যে আমাদের সুস্থ থাকতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা হয়তো আমাদের অনেকেরই জানা নেই। চলুন এক নজরে জেনে আসি গাজরের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে 🥰
গাজরের উপকারিতাঃ
গাজরে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন 'এ' রয়েছে। গাজরের মধ্যে থাকা বিটা ক্যারোটিন দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। চোখের অন্যান্য সমস্যা, দৃষ্টিশক্তি হ্রাস ইত্যাদির মতো সমস্যায় বাধা দেয়।
👉তাই যাদের চোখের সমস্যা রয়েছে তারা নিয়মিত গাজর খেলে অনেক উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ 🥰
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ 🥰🥰
আপনি কি জানেন ??🤔
শশা
ডিটক্সিফিকেশনের গুণ রয়েছে শশায়। শশায় ফাইবার আর পানির পরিমাণ বেশি থাকায় বারে বারে খুদা লাগার প্রবণতা কমায় এই সবজিটি।
দুপুরের খাবারে প্রতিদিন শশা রাখতেই পারেন।
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম 🥰আপনি কি জানেন!!!!
তিতা করলা উচ্চ রক্তচাপ ও চর্বি কমায়। এর তেতো রস কৃমিনাশক। এটি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। এ ছাড়া এটি ভাইরাসনাশকও।
15/11/2022
সজিনা বা মরিঙ্গা ☘☘
সজিনা গাছ খরা সহিষ্ণু ও গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের একটি উদ্ভিদ। ডাল ও বীজের মাধ্যমে বংশবিস্তার করলেও আমাদের দেশে সাধারণত ডালের মাধ্যমে বা অঙ্গজ জননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করানো হয়। গ্রীষ্মকাল বিশেষত এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত ডাল রোপণের উপযুক্ত সময়।
সজিনা গাছের পাতাকে বলা হয় অলৌকিক পাতা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব। গবেষকরা সজিনা পাতাকে বলে থাকেন নিউট্রিশন্স সুপার ফুড এবং সজিনা গাছকে বলা হয় মিরাক্কেল ট্রি।
- লেবু থেকে সাত গুন বেশি ভিটামিন সি আছে সজিনা পাতায়।
- ডিম থেকে দুই গুন বেশি প্রোটিন।
- দুধের চেয়ে চার গুন বেশি ক্যালশিয়াম আছে এতে।
- অন্ধত্ব দূরীকরনে ব্যাপক কার্যকারী, কারন এতে আছে গাজর থেকেও চার গুন বেশি ভিটামিন ”এ”।
- সজিনা পাতা এনিমিয়াকেও ধ্বংশ করে কেননা শাকের তুলনায় পচিশ গুন বেশি আয়রন রয়েছে এতে।
- কলা থেকে তিন গুন বেশি পটাশিয়াম রয়েছে সজিনা পাতায়।
- এটা আমাদের শরীরে এন্টি এজিংক হিসেবে কাজ করে, হার্ট ভালো রাখে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখে।
- যৌবন ধরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে সজিনা পাতা।
- এটি রক্তে সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রন করে।
- কোলেস্ট্রলের লেভেল কমায়, হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্টকাঠিন্য দূর করে।
- এজমা রোগীদের জন্য এটা বিশেষ উপকারি, একটি গবেষনায় দেখা গিয়েছে তিন গ্রাম পাতা দুইবেলা করে তিন সপ্তাহ খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
এছাড়াও শত বছর ধরে প্রায় তিনশরও বেশি রোগের ঔষধ হিসেবে সজিনা পাতা ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- সজিনার বিচির মধ্যে রয়েছে এন্টি ব্যাক্টেরিয়াল প্রপার্টিস।
- এটা পানি বিশুদ্ধকরনে অত্যন্ত কার্যকারি।
- সজিনা ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।
- গর্ভধারণের পরবর্তীতে সব মায়েদের জন্য সজিনা পাতা খুবই উপকারী।
- সজিনা পাতায় আরো রয়েছে বিরানব্বই ধরনের পুষ্টি উপাদান, ছেচল্লিশ ধরনের এন্টি অক্সিডেন্ট, আঠারো ধরনের এমিনো এসিড ও আট ধরনের এসেনশিয়াল এমিনো এসিড। তাই সজিনা পাতাকে বলা হয় নিউট্রেশন্স সুপার ফুড, ন্যাচারাল মাল্টিভিটামিন এবং মিরাক্কেল ভেজিটেবল।
আফ্রিকায় যে সমস্ত শিশুরা ম্যালনিউট্রেশনে ভোগে তাদেরকে সজিনা পাতা শুকিয়ে গুড়া করে খাওয়ানো হয়।সজিনা পাতা বিভিন্ন ভাবে খাওয়া যেতে পারে, যেমন ভাজা,রান্না, বড়া,ভর্তা ও শুকিয়ে গুড়ো করে। পরিশেষে বলবো, পরিবেশ রক্ষার্থেই হোক আর
নানাবিধ উপকারের লক্ষ্যেই হোক
15/11/2022
আসসালামু আলাইকুম।।
এক মিনিট দেখুন!!!
আপনি কি জানেন?কোনো ধরনের ডা"য়েট ছাড়াই মে'দ ভু'ড়ি কমানো যায় স"ম্পুর্ন প্রাকৃ'তিক উপায়ে।।
তাহলে আর কিসের টেনশন গ্র"হণ করুন আমাদের অয়েট"লস জু'স এবং অয়েট"লস টেব"লেট
এটি বাংলাদেশ বিএসটিআইআর কতৃক অনুমদিত এবং পরি"ক্ষিত,, স"ম্পুর্ন নেচা"রাল ফর'মুলায় তৈরি। তাই কোনো প্রকার সা-ই-ড ই-ফে-ক্ট নেই।।
আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের মেসেজ করুন অথবা কল করুন ০১৮৬৪৫৪৩৫০৮ এই নাম্বারে।।
15/11/2022
কিডনি রোগের ভেষজ চিকিৎসা
বাংলাদেশে প্রাণঘাতী রোগের তালিকায় কিডনি রোগের অবস্থান চতুর্থ। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে ৪০-৮০ লক্ষ লোক কিডনি রোগে আক্রান্ত এবং প্রতিবছর ৩০-৪০ হাজার লোক এ রোগে মৃত্যুবরণ করে। নতুন করে ৮-১০ লোক এ রোগে মৃত্যুবরণ করে। নতুন করে ৮-১০ লক্ষ লোক এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই আমাদের জানা দরকার কিডনি রোগের কারণ বিস্তার প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্পর্কে করণীয়।
মানবদেহের অতি প্রয়োজনীয় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে কিডনি অন্যতম। মানবদেহের কোমরের কিছুটা ওপরে দু’পাশে দুটি কিডনি থাকে। পরিণত বয়সে ১টি কিডনি ১১-১৩ সে মি লম্বা, ৫-৬ সে মি চওড়া এবং ৩ সে মি পুরু হয়। একটি কিডনির ওজন প্রায় ১৫০ গ্রাম। তবে বাম কিডনিটি ডান কিডনি অপেক্ষা একটু বড় ও কিছুটা ওপরে থাকে। প্রতিটি কিডনি প্রায় ১২ লক্ষ নেফ্রন দিয়ে তৈরি। নেফ্রন হলো কিডনির কার্যকরী ও গাঠনিক একক। কোনো কারণে এই নেফ্রনগুলো নষ্ট হয়ে গেলে কিডনি দ্রুত অকেজো হয়ে যায়। কিডনি রোগে সাধারণত একসাথে দুটি কিডনি আক্রান্ত হয়।
আমাদের দেহে প্রতিনিয়ত অসংখ্য জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হচ্ছে। এ সকল বিক্রিয়ায় উৎপন্ন দূষিত পদার্থ রক্তে মিশে যায়। আর কিডনি তার ছাঁকনির মাধ্যমে রক্তকে ছেঁকে পরিশোধিত করে এবং দূষিত পদার্থসমূহ (ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটনিন ইত্যাদি) দেহ হতে মূত্রের সাথে বের করে দেয়। এভাবে কিডনি আমাদের দেহকে বিষাক্ত ও ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থের হাত থেকে রক্ষা করে। কিডনি রোগ এমনই মারাত্মক রোগ যা কোনো প্রকার লক্ষণ বা উপসর্গ ছাড়া খুব ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে। তাই একে নীরব ঘাতক বলে অভিহিত করা হয়। কখনো কখনো রোগী কোনো উপসর্গ বুঝে ওঠার পূর্বেই তার কিডনির শতকরা ৫০ ভাগ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিডনি রোগ যেহেতু অনেক প্রকার সেহেতু এর লক্ষণসমূহও ভিন্ন ভিন্ন।
কিডনি রোগের প্রধান প্রধান লক্ষণসমূহ হচ্ছে হঠাৎ করে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, মূত্র ত্যাগের পরিমাণ ও সংখ্যার পরিবর্তন বিশেষ করে রাতে বেশি পরিমাণ মূত্র ত্যাগ, প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা হওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত এবং প্রোটিন যাওয়া, চোখের চারপাশে ও পায়ের গোড়ালিতে পানি জমা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করা ও অস্বাভাবিক গন্ধ হওয়া, রক্তশূন্যতা বেড়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা ও শরীর চুলকানো, বমি বমি ভাব, প্রস্রাবের সাথে পাথর বের হওয়া, হাত, পা মুখ সমস্ত শরীর ফুলে যাওয়া, গ্লোমেরুলার ফিল্টারেশন রেট ৯০ এর কম হওয়া।
কিডনি
15/11/2022
বিছুটি গাছ / চুতড়া গাছ
বিছুটি জাতের গাছ- মহাজাতি, যা অবিশ্বাস্যভাবে লোকজ ও সরকারী ঔষধ ব্যবহার করা মূল্যবান ওষুধ হল একটি বহুবষর্জীবি উদ্ভিদ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ।
যা আমাদের দেশে বুনো চুতড়া গাছ নামে পরিচিত।
এই গাছের পাতায় প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি আছে। যা কালো কিচমিচ ও গাজরের চেয়ে বেশি পুষ্টির অন্তভুক্ত।
শিকড় ও পাতা যে সব কাজে ব্যবহার করা হয় তার নিন্মলিখিত দরকারী বৈশিষ্ট আছে--- বিরোধী প্রদাহজনক, বিপাক, মূএবধর্ক রক্ত, বেদনা নাশক এন্টিসেপটিক, বৃদ্ধিকারি রক্তে কাজে আছে।
বিছুটি গাছের তাজা পাতার রস মদ্যপ নিষ্কষর্ আকারে ব্যবহার করা হয়।
এটা দীঘর্ ফুসফুস, আন্এিক ও রক্তক্ষরনের আধারের সঙ্গে চিকিংসা করা হয়েছে বতর্ৃানে, তরল নিযাস জরায়ুজ রক্তপাত বন্ধে স্এীরোগবিদ্যা ব্যবহার করা হয়, এটি মাসিক চক্র প্রতিরোধ এবং মাসিকের রক্ত হ্রাস করতে পারে। রক্তাস্পতা এ গাছ দ্বারা চিকিংসা করা হয়।
বিছুটি গাছের গুনাগুন::: এই গাছ শরিরের প্রতিরোধের অনেক তীব্র এবং দীঘর্ স্হায়ী রোগের চিকিংসার জন্য দরকারী।
এই গাছ মানুষের শরিরে উওেজনা বাড়ায়, অন্এের আততি, জরায়ু, শ্বাসযন্তের কেন্দ্র ও এটি মানুষের ক্ষতি গ্রস্ত টিসু্্য নিরাময়ে কাজ করে। এটি গ্যাট্রিক নালির রোগ, পিও থলি এবং যকৃত উপযুক্ত করে তোলে।
বিছুটি বাতের ব্যথায় দারুন কাযকারিতা ভূমিকা পালন করে।
বিছুটি কাযকারী ভাবে চুল শক্ত করে, মাথায় খুসকি কমায় ও ত্বকের চুলকানি এবং গায়ক পক্ষি সঙ্গে সাহায্য করে
অনবরত হাঁচি দেওয়ার সমস্যাটির সমাধানের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো বিছুটি গাছ। যে কোন ধরনের অ্যালাজির প্রতিক্রিয়া এবং অ্যালাজির কারনে সৃষ্টি হাঁচি থেকে ১০০% মুক্তি দিতে পারে এই বিছুটি গাছ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Muradpur Jalal Plaza 3rd And 4 Th Floor
Chittagong
4000
