Natural Hair Treatment Centre
চুলের যাবতীয় সমস্যার সমাধান করতে যোগাযোগ করুন।
30/11/2022
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ক্লায়েন্ট।
এখন আপনার চু'লের যাবতীয় সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন আমাদের কাছে।
আলহামদুলিল্লাহ শত'ভাগ নিশ্চ'য়তা সহকারে পাচ্ছেন।
চু'ল প'ড়া স্থায়ী'ভাবে বন্ধ করুন।
অ'ল্প সময়ে ন'তুন চু'ল গজানো।
সা'দা চু'ল স্থায়ী'ভাবে কা'লো করা।
চি'রতরে খুশ'কি দূ'র করা।
আপনারা যারা বহু জায়গায় লোকাল প্রোডাক্ট ব্যাবহার করে ভালো রেজাল্ট পান নি, তাদের সাথেই আমাদের কাজ। আমরা সুইজারল্যান্ড এর উন্নতমানের প্রোডাক্ট আপনাকে প্রদান করে আপনার সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ।
আরো বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে নক করুন অথবা ফ্রী পরামর্শ পেতে আমাদের পেজে দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করুন।
ধন্যবাদ
Call for details : 01735742566
কয়েকটি বদব্যাস/অনিয়মের কারনে চুল পড়া/সাদা হওয়ার সমস্যা দেখা দেয়ঃ
১.অতিরিক্ত ধূলা-বালিতে যাওয়া।
২.আয়রণযুক্ত পানিতে গোসল করা।
৩.মাত্রাতিরিক্ত মানসিক টেনশন।
৪.পরিমিত না ঘুমানো।
৫.খাদ্যে ভিটামিন-ডি এর অভাব।
৬.অনিয়মিত শ্যম্পু ব্যবহার।
৭.ক্যামিক্যালযুক্ত হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার।
21/10/2022
চুল পড়া, কপালের দুই কোনা ফাকা হয়ে যাওয়া, এবং টাক মাথা নিয়ে হতাশ হয়ে যাওয়া নয় আর।
এই ভাই মাত্র ৮ দিন ব্যাবহার করেছেন। এখন কপালের কোনার চুল গজাচ্ছে ও চুল পড়া বন্ধ হয়েছে। মাত্র ৭ দিন ব্যাবহারেই ফল পেয়েছেন উনি।
অরিজিনাল natural hair therapy ওয়েল টি নিতে ইনবক্স করুন। ❤❤
এক বার ব্যাবহার করার অনুরধ রইল।অর্ডার করতে send message অপশনে ক্লিক করুন অথবা কল করুনঃ 01944031000
21/10/2022
সুখবর!
আপনাদের যাদের চুল পড়া ও চুলের নানা রকম সমস্যা এবং টাক মাথা নিয়ে মানুষিক ও শারিরীক সমস্যায় ভোগছেন তাদের
জন্য সুখবর
01857446032
প্রতিদিনের ঝরে যাওয়া আপনার চুল ও
অনেক কিছু করেও চুল পড়া বন্ধ করতে না পারার এবং চুল গুলো কোন ভাবেই আর লম্বা ও ঘন করতে না পারার কষ্টে ভোগে থাকলে আপনার জন্যই এই ভিডিও।
Hair cell হেয়ার গ্রোথ অয়েল এর কথা আমরা সবাই কম বেশি জানি। চুলের সকল সমস্যায় অরিজিনাল এক্সেল হেয়ার গ্রোথ অয়েল সত্যি অবাক করার মতোই কাজ করে।আপনি নিশ্চিন্তে অরিজিনাল Hair Cell হেয়ার গ্রোথ অয়েল ইউস করুন। বহু পরিক্ষিত এই হেয়ার অয়েল ও টি আপনাকে আপনার চুলের সব সমস্যার নিশ্চিত সমাধান দিবে,
ইন শা আল্লাহ।
💞HAIR CELL
🍁চুল পরা বন্ধ করে, 100%
🍁চুল দ্রুত লম্বা করে
🍁নতুন চুল গজায়।(বয়স ৪০ এর নিচে থাকলে ভালো রেজাল্ট আসে)।
💞চুলের পুষ্টি জোগায়।
🍁চুলের রুক্ষতা দূর করে
🍁চুলের আগা ফাটা দূর করে
🍁চুলের খুশকি দূর করে
🍁চুলকে করে সিল্কি ও সাইনি
আপনার চুলের সমস্যা ও প্রয়োজন বুঝে আপনি হেয়ার ব্রান্ডের যেকোন হেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পারেন।
"হেয়ার সেল"
সম্পর্কে আরো কোন কিছু জানার থাকলে বা এই পন্য পেতে নির্দিধায় আমাদের ইনবক্সে ম্যাসেজ দিন অথবা কল করুন
আমরা আপনাকে ১০০% অরিজিনাল পন্য দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ!
✅ এই হেয়ার ট্রিটমেন্ট অয়েল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে গুগল, ইউটিউব এবং ফেইসবুক এ সার্চ করতে পারেন। তাহলে আপনি এই অয়েল এর কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হবেন। এই অয়েল টি এখন পর্যন্ত যারা যারা ব্যবহার করেছে তারা সবাই ভালো ফলাফল পেয়েছে।
✴️ বিঃদ্রঃ- এটি সম্পূর্ণ ভেষজ উপাদান দ্বারা তৈরি তাই এটি সম্পূর্ণ পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া মুক্ত।
✴️ অর্ডার করতে চান: অর্ডার করতে আপনার নাম ঠিকানা ফোন নম্বর মেসেজ করুন, অথবা কল করুন:
call: 01944031000
21/10/2022
রোজ লেবু-পানি পান করা উচিত কেন জেনে নিন !!
শুধু এক গ্লাস হালকা উষ্ণ পানি আর অর্ধেক লেবুর রস নিয়মিত পান করলে দেখবেন ফার্মেসীর ঠিকানা ভুলে গেছেন।
লেবু পানি পান করা শুরু করলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না, সেই সঙ্গে মেলে অসাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
১. লিভারের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে-
লেবু পানি পান করলে লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। ফলে লিভারের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।
২. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়-
লেবু পানিতে যে কেবল ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মজুত থাকে, তা নয়, সেই সঙ্গে থাকে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং আরও কত কী, যা দেহে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে শরীরকে শক্তপোক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৩. দেহের পি এইচ লেভেল ঠিক থাকে-
ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু পানি পান করলে দেহের পি এইচ লেভেলের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ফলে ভেতর এবং বাইরে থেকে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।
৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে-
প্রতিদিন লেবু পানি পান করা শুরু করলে দেহে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত মাত্রায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
৫. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে-
হাজারো বিউটি প্রডাক্ট যা করে উঠতে পারেনি, তা লেবুর পানি নিমেষে করে ফেলতে পারে।
এই পানীয়তে বেশ কিছু উপাদান ত্বকের হারিয়ে যাওয়া ঔজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনে। সেই সঙ্গে ত্বকের বয়স কমানোর পাশাপাশি ব্ল্যাক হেডস এবং বলিরেখা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গরমকালে ত্বককে ঠাণ্ডা এবং ঘামমুক্ত রাখতে লেবুর জল দিয়ে বারে বারে মুখটা ধুতে পারেন, দেখবেন উপকার পাবেন।
৬. ওজন হ্রাস পায়-
নিয়মিত লেবু পানি পান করলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যেতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ লেবুতে পেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। কম মাত্রায় খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কম মাত্রায় ক্য়ালরির প্রবেশ ঘটে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না।
৭. এনার্জির ঘাটতি দূর হয়-
ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি না খেয়ে প্রতিদিন এক গ্লাস করে লেবুর পানি পান
21/10/2022
চুল পড়া রোধে টিপস্ !
পোষ্টটি শেয়ার করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি।
১. খাবারে লবণ কম খাবেন। লবণ মাথার ত্বকের কোষে পানি জমে থাকতে সাহায্য করে। মাথার ত্বকের কোষে পানি জমে থাকলে চুলের গোড়া নরম হয়ে অধিক চুল পড়তে সাহায্য করে।
২. ওজন বা মেদ কমানোর জন্য অনেকে হঠাৎ খাওয়া-দাওয়া, একেবারেই ছেড়ে দেয়। এই হঠাৎ খাওয়া কমানোতেও চুল পড়ে। এ ক্ষেত্রে নিউট্রশনিষ্ট কিংবা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।
৩. গরীব-মধ্যবিত্তের চুলের সহায়ক খাবার হচ্ছে সবুজ শাক-সবজি। সবুজ শাক-সবজির মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টস বা পুষ্টি উপাদান চুলের জন্য খুব উপকারী। প্রচুর পরিমাণে আয়রণযুক্ত শাক যেমন, লাল শাক, কচুশাক খেতে হবে। তবে সামর্থবানরা আঙ্গুরের রস (গ্রেপ ফ্রুইট ককটেল), আলু, বাঁধাকপি, মিক্সড সালাদ, কলা, মুরগির মাংস, ডিম খেতে পারেন।
৪. প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ফলমূল ও শাকসবজি যেমন- নাশপাতি, বাদাম, গম, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সবজি, ডিম প্রভৃতি ও জলপাই তেল খাবেন।
৫. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শুধু যে চুল শক্ত করে তা নয়, চুল গজাতেও সহায়তা করে। প্রেটিনের অভাবে চুলের রঙ প্রথমে নষ্ট হয়ে যায়। চুল লালচে বাদামি হতে থাকে। পরে চুল ঝরে যায় এবং চুলের আগা ফাটতে থাকে। কেরাটিনের অভাবে চুল ফেটে যায়। খাদ্য তালিকায় মাছ, গোশত, ডিম, দুধ, ডাল, দই, পনির ইত্যাদি থাকা জরুরি।
৬. অতিরিক্ত চিনি ও চর্বিযুক্ত খাবার যেমন- আইসক্রিম, পেস্ট্রি কেক, লবণ, ফাস্টফুড, জাংক ফুড, চিনি, পশুর চর্বি, বাটার, ক্রিম, অধিক চর্বিযুক্ত চিজ, হুয়াইট ব্রেড ও ময়দা, ভাজা ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, চকলেট এবং হোল মিল্ক, কার্বনেটেড ড্রিঙ্কস ইত্যাদি পরিহার করুন। অতিরিক্ত চা বা কফি পান করবেন না। চা বা কফিতে ক্যাফেইন থাকে যা সকল প্রকার চুল ও স্কিনের সমস্যার জন্য দায়ী।
৭. ওমেগা- থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড চুল পড়া রোধে খুব কার্যকর। প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি (৩) ফ্যাটি অ্যাসিড তিসির তেলে পাওয়া যায়। প্রতিদিন ২ চা চামচ তিসির তেল সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে।
৮. নতুন চুল গজাতে প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে অন্তত পাঁচ মিনিট ১০-১৫ মিনিট চুলের ম্যাসাজ করুন। কোকোনাট কিংবা এলমন্ড অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। তেল চুল গজাতে বা চুলে পুষ্টি জোগাতে সহায়তা করে না। তবে তেল ম্যাসাজ করলে স্ক্যালেন্ড রক্ত সঞ্চালন হয
21/10/2022
চুলের যত্নে কার্যকরী হেয়ার কেয়ার টিপস:
১. চুল সুরক্ষিত রাখুনঃ
সবসময় চেষ্টা করা উচিত আলো রোদ বৃষ্টি থেকে সুরক্ষিত রাখা, সূযের কড়া রোদ দুলাবালি ইত্যাদি
চুলের দুদ্শা ডেকে আনে।
ধীরে ধীরে চুলে জমাটবাঁধা শুরু করে এবং এভাবে শুরু হয় চুলের গোড়া নরম হয়ে যায় তার পরে দেখাদেয় চুল পড়া, রেয়ার পেটে খোলা আকাশের নিচে রোদে-বৃষ্টিতে মাথায় কাপড় বা ছাতা রাখা উছিত।
এমনি কাপট কিংবা ওড়না দিয়ে ঢেকে রাখলে অনেকাংশেই চুল সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
21/10/2022
চুলের যত্নে কিছু টিপস 💜💜💜💜💜
১:-গোসলের আগে চুল আঁচড়িয়ে নিবেন....
চুল সবসময় নিচ থেকে আচড়াবেন...
তাহলে খুব সহজে চুলে জট থাকলে খুলে যাবে...
চুল নষ্ট হবে কম...
আর চুলের জট খোলার জন্য সবসময় মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করবেন.........
২:-সপ্তাহে ৩ দিন চুলে Shampoo করবেন....
চুলে বেশি Shampoo করলে চুলের Natural Oil নষ্ট হয়ে গিয়ে চুল Dry হয়ে যায়....
চুলে Shampoo করার সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে....
ক)চুল আগে ভিজিয়ে নিতে হবে...
খ)যতটুকু Shampoo চুলে দিবেন তা একটা বাটিতে নিবেন...তার মধ্যে একটু পানি মিক্স করে পাতলা করে নিবেন...তাহলে লাগাতে সুবিধা হবে...আর চুল যখন ধুবেন তাড়াতাড়ি পরিষ্কার হবে.....
গ)চুলে Shampoo লাগানোর সময় মাথার তালুতে ভালোভাবে লাগাবেন...তারপর চুলের নিচের দিকে লাগাবেন...খুব যত্ন করে আলতো হাতে লাগাবেন.....
ঘ)চুল ধোয়ার পর Conditionar লাগাবেন...শুধু চুলের নিচের দিকে লাগাবেন...উপরে লাগানো জরুরি নয়...৫/১০ মিনিট থেকে চুল ভালো করে ধুয়ে নিবেন...
৩:-গোসল শেষে চুল টাওয়েল বা গামছা দিয়ে শক্ত করে বেধে রাখবেন না.....চুলে গামছা বা টাওয়েল দিয়ে বাড়ি দিয়ে পানি ঝরানোর চেষ্টা করবেন না...এতে চুলের আগা ফেটে যায়....
৪:-ভেজা চুল আঁচড়াবেন না.....
৫:-চুলে অতিরিক্ত তেল দিবেন না..চুলের গোড়ায় তেল লাগিয়ে অবশ্যই চুলে Massage করবেন.....
৬:-রাতে ঘুমানোর আগে চুল আঁচড়িয়ে হালকা কারে বেনি করে ঘুমাবেন.....
৭:-খুশকি থাকলে সপ্তাহে ২ বার খুশকির Pack টা লাগাবেন....
৮:-সপ্তাহে ৩/৪ বার পছন্দের Hair প্যাক লাগাতে পারেন...
৮:-Shampoo করার পর Last মগ এর পানি লেবু/চায়ের লিকার দিয়ে চুল ধুতে পারেন চুল সিল্কি হবে....
৯:-গোসলের পর চুলে Last মগ এর পানি ৬/৭ টা পেয়ারা পাতা Shiddo পানি দিয়ে চুল ধুতে পারেন....এতে চুল পড়া অনেক কমে যাবে...😊😊😊
১০:-বেশি করে পানি খাবেন...আর সপ্তাহে ২ বার চিরনি ধুবেন।
21/10/2022
প্রাকৃতিক মানেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত ও খতিকর বস্তু মুক্ত। তাই মেডিসিন ছেড়ে যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক বিষয় বস্তু হজম করার চেষ্টা করুন। 😊
21/10/2022
১. গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। তরমুজের শতকরা ৯২ ভাগই পানি। তাই তরমুজ খেলে সহজেই পানির তৃষ্ণা মেটে।
২. তরমুজের থাকা বিশেষ কয়েক ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড ক্রমাগত নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে রক্তের স্বাভাবিক কার্যপ্রণালি বজায় রাখে।
৩. এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। এতে বিটা ক্যারোটিনের পরিমাণও অনেক। বিটা ক্যারোটিন চোখ ভালো রাখতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।
৪. তরমুজের জুস খেলে ত্বক উজ্জ্বল ও সুস্থ থাকে। কারণ, ভিটামিন এ ত্বককে ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে ত্বকের সুরক্ষা দেয়।
৫. তরমুজের ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১ শরীরে এনার্জি তৈরিতে সাহায্য করে এবং এই গরমেও শরীরকে চাঙা রেখে, শরীরকে কর্মক্ষম রাখে।
৬. তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে। যখন গরমে ঘেমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি বের হয়ে যায়, তখন এটি খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়।
৭. তরমুজে আছে পটাশিয়াম, যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ছাড়া কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও কমায়।
৮. তরমুজে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া নিয়মিত তরমুজ খেলে প্রোস্টেট ক্যানসার, কোলন ক্যানসার ও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।
৯. তরমুজে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং খুব কম পরিমাণে ক্যালরি থাকে। আর তাই তরমুজ খেলে পেট ভরে যায় সহজে কিন্তু সেই অনুযায়ী তেমন কোনো ক্যালরি শরীরে প্রবেশ করে না। যত ইচ্ছা তরমুজ খেলেও তাই ওজন বাড়ার সম্ভাবনাও থাকে না।।
১০. অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Chittagong
