Amar Dokan
আপনার সুস্থতা আমাদের সাফল্য, আমরা 100% নিরাপদ ও নির্ভেজাল পণ্য বিক্রি করি।যা আপনার জন্য উপকারী।
আসসালামু আলাইকুম,
⛔ওজন নিয়ে চিন্তিত?
⛔খাওয়ার রুচি কম?
⛔নিজেকে আনফিট মনে হয়?
✅আর নয় দুশ্চিন্তা,
✅সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে,পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্তভাবে
✅সাইন্সল্যাব অনুমোদিত
✅আমেরিকার শিকাগো থেকে আমদানিকৃত
✅৮ থেকে ১০কেজি ওজন বাড়াবে মাত্র ৩০দিনে।
পন্যটি পেতে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা ফোন করুন ☎️ 01327086060 নাম্বারে।
রোজার উপকারীতা
১.ওজন কমাতে এবং মেদ ঝরাতে সাহায্য করে।
২.হার্টকে সুস্থ রাখে এবং শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে।
৩.অটোফেজি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
৪.পরিপাক এবং হজম ক্রিয়ার দারুণ উন্নতি সাধন করে।
৫.ডায়াবেটিস এর ঝুঁকি কমায়।
৬.অক্সিডেটিভ স্ট্রেস দূর করে শরীরকে উজ্জীবিত করে তোলে।
৭.মস্তিষ্কের উন্নতি ঘটে রোজা রাখার মাধ্যমে। এবং নতুন কোষ গঠিত হয়।
৮.সমস্ত প্রকার বদঅভ্যেস থেকে দূরে থাকা যায়।
৯.রমজানে খেজুর খাওয়ার প্রবনতা বেশি দেখা যায়।এতে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়া এবং পর্যাপ্ত ভিটামিন যে কারনে খেজুর কে সুপারফুড ও বলা হয়।
🥰🥰স্বয়ং আল্লাহ কর্তৃক পুরস্কার :
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা বলেন, মানুষের প্রতিটি কাজ তার নিজের জন্যই—রোজা ছাড়া।
তা আমার জন্য, আমি নিজেই তার পুরস্কার দেব। আর রোজাদারদের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিসকের ঘ্রাণের চেয়ে বেশি সুগন্ধযুক্ত।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৯২৭)
সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ 🥰
24/03/2023
সামনে আসছে রমজান মাস আর এই রমজান মাসের কিছু ফজিলত সম্পর্কে....
রমজানের ফজিলত ও গুরুত্ব
===================================
রহমত বরকত ও মাগফেরাতের মাস রমযান। এই মাস তাই সবার কাছেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই চায় কীভাবে এ মাস থেকে বেশি বেশি উপকৃত হওয়া যায়। সবাই আন্তরিকভাবে কামনা করে নিজেকে সকল প্রকার পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত করে পবিত্র একটি জীবন শুরু করতে।
হিজরী পঞ্জিকার বারোটি মাসের মধ্যে শুধুমাত্র একটি মাসের নামই পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে আর সে মাসটি হলো রমযান। যা এ মাসটির অসামান্য মর্যাদা পরিচয় বহন করে।
রমযান একটি আরবি শব্দ। এর শব্দমূল হলো রা-মিম-দোয়াদ । আরবি ভাষায় এর অর্থ হচ্ছে অতিরিক্ত গরম,কঠোর সূর্যতাপ,দহন,জ্বলন,তৃষ্ণা এবং গলে যাওয়া। রমযান মাসে যেহেতু নেক আমলের কারণে বিগত গুনাহ বা পাপগুলো বিমোচিত হয়ে যায় কিংবা গলে গলে নিঃশেষ হয়ে যায় সেজন্যেই এ মাসের নাম হলো রমযান।
ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিধানের একটি হলো রোযা। তবে এই বিধানটি কেবল আমাদের জন্যেই নয় বরং আমাদের পূর্ববর্তী নবী রাসূলগণের উম্মাতদের জন্যেও অবশ্য পালনীয় কর্তব্য হিসেবে বিধিবদ্ধ করা হয়েছিল। মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
অর্থাৎ “হে বিশ্বাসিগণ! রোযা যেরূপ তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর আবশ্যিক ছিল তেমনি তোমাদের ওপরও তা আবশ্যিক করা হল;হয়ত তোমরা সাবধানী (ও আত্মসংযমী) হবে।” (সূরা বাকারাহ-১৮৩)
একই সূরায় তিনি আরও বলেছেন :
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَاتٍ مِّنَ الْهُدَىٰ وَالْفُرْقَانِ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ
“রমযান মাস,যাতে কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে,যা মানবজাতির জন্য দিশারী এবং এতে পথনির্দেশ ও সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী সুস্পষ্ট নিদর্শন রয়েছে। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে কেউ এ মাসে (স্বস্থানে) উপস্থিত থাকবে সে যেন রোযা রাখে”। (সূরা বাকারাহ-১৮৫)
রোযার গুরুত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেছেন:“রোযা একান্তই আমার জন্য আর আমিই এর প্রতিদান দেবো।”
পরকালে যে তিনি কী পুরস্কার দেবেন তার কিছুটা ইঙ্গিত নবী কারিম (সা.) আমাদের দিয়েছেন। সে থেকে রোযাদারগণ নিশ্চয়ই পরিতৃপ্ত হবার আনন্দ পাবেন।
24/03/2023
ইফতারের দোয়াঃ
রমজানের অন্যতম ইবাদত ইফতার। আল্লাহর নির্দেশ পালনে সারাদিন রোজা পালন করে সূর্যান্তের সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে ইফতার করতে হয়। দ্রুত ইফতার করা সুন্নাত ও কল্যাণের আমল। এ কল্যাণ পেতে সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ দোয়া ও নিয়ম মেনে ইফতার করা জরুরি।
ইফতারের আগের দোয়াঃ
মুয়ায ইবনু যুহরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তাঁর নিকট হাদীস পৌঁছেছে যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইফতারের সময় বলতেনঃ
بِسْمِ الله – اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ وَ اَفْطَرْتُ
‘বিসমিল্লাহি আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আলা রিযক্বিকা আফত্বারতু।
----------->'আল্লাহর নামে (শুরু করছি); হে আল্লাহ! আমি তোমারই জন্যে রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিক দ্বারা ইফতার করছি।’
------------>[আবু দাউদ, হাদীসঃ ২৩৫৮]। হাদিসের মানঃ দুর্বল হাদিস!
* দুর্বলঃ মিশকাত (১৯৯৪), ইরওয়া (৪/৩৭)।
* বায়হাক্বী এর সানাদ মুরসাল। এছাড়া সানাদে জাহালাত রয়েছে। মু‘আয বিন যুহরা সম্পর্কে হাফিয বলেনঃ মাক্ববূল।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অসংখ্য হাদিসে যথাসময় ইফতার করার জন্য বিশেষভাবে তাগিদ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘মানুষ যতদিন ইফতারের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে ইফতার করবে; ততদিন তারা কল্যাণ লাভ করবে।’
ইফতারের সময় করণীয়
• সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করা।
• ইফতারের সময় অন্য কাজে ব্যস্ত না হয়ে ইফতার করা।
• ইফতারের সময় বেশি বেশি দোয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করা।
• খেজুর, সাদা পানি কিংবা দুধ দিয়ে ইফতার করে মাগরিবের নামাজ জামাতে পড়া।
• ইফতারে দেরি করে জামাত তরক না করা।
• ইফতারের সময় ভারী খাবার না খাওয়া। মাগরিবের নামাজ আদায় করে তৃপ্তিসহ পরিমাণ মতো খাবার খাওয়া। আর তাতে শরীর থাকে সুস্থ ও সবল। ইফতারের সময় অতিরিক্ত খাবার খেলে জামাআত ও ইবাদত থেকে বঞ্চিত হতে হয়।
ইফতারের পর বা ইফতার করাকালীন সময় এ দোয়া পড়া-
মাওয়ান ইবনু সালিম আল-মুকাফফা‘ (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ) -কে তাঁর দাড়ি মুষ্টিবদ্ধ করে ধরে মুষ্টির বাড়তি অংশ কেটে ফেলতে দেখেছি। আর তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইফতারের সময় বলতেনঃ
ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ
‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উ’রুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’
-----------> ‘পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, শিরা-উপ
24/03/2023
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
4000
