Smart Shop Bd
we provide all kind of natural products
বয়স বাড়ার সাথে সাথে হয়তো জ্ঞান এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে। কিন্তু ত্রিশ পরবর্তী বা মেনোপজের কাছাকাছি সময় ত্বকের যত্ন নেয়া কঠিন। কারণ সারাদিন সংসার সামলাতে সামলাতে নিজের জন্য সময় করা খুব কঠিন আর ধৈর্যও থাকে না কিন্তু এটা কি বুঝতে পারছেন আপনার ত্বক শুষ্ক হতে শুরু করেছে এবং রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে! তাই সব কিছু সামলিয়ে নিজের জন্য একটু সময় রাখুন তা-না হলে সংসারের জাতাঁকলে নিজেই হারিয়ে যাবেন। বয়সের সাথে এস্ট্রোজেন কম ক্ষরণ হওয়ায় ত্বকে দাগ পড়তে শুরু করে। তবে কিছু পদ্ধতি প্রয়োগ করে সহজেই ত্বকের কিছু উন্নতি সাধন করা সম্ভব।
মেনোপজের সময় ত্বকে কোলাজেন উৎপাদন ব্যাহত হয়। ত্বকের নিচে ফ্যাট কমতে শুরু করে। এছাড়া হরমোনগত পরিবর্তনও ত্বকে পরিবর্তন আনে। তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় করণীয় কি?
নিয়মিত ক্লিনজারে মুখ পরিষ্কার করুন
বয়স বাড়তে শুরু করলে ত্বকের ময়েশ্চার হারাতে শুরু করে৷ তাছাড়া ত্বক শুষ্ক হতে থাকে৷ তাই ভালো একটি ক্লিনজার দিয়ে নিয়মিত মুখ ধোঁয়ার অভ্যাস করুন।
হাইড্রেট রাখুন
ত্বক হাইড্রেটেড রাখা জরুরী। ঘন ক্রিম ব্যবহারে ত্বক হাইড্রেটেড রাখতে হবে। আপনার ত্বকের অয়েল গ্ল্যান্ডগুলো কার্যকর থাকেনা। তাই ঘন ক্রিম ব্যবহার করার অভ্যাস করুন।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
বয়স বাড়লে বলিরেখা দেখা দিতে আরম্ভ করে। আপনি অবশ্যই বলিরেখা বাদ দিতে পারবেন না। তবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরী।
স্পট দূর করুন
ত্বকে স্পট দেখা দিতে শুরু করে মেনোপজের সময়ে। তাই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন স্পট দূর করতে।
হাতের যত্ন নিন
হাতের পেছন ভাগে কোলাজেনের অভাবে রুক্ষতা দেখা দেয়৷ তাই হাতের প্রতি যত্নশীল হোন। বিশেষত রোদ থেকে হাত রক্ষা করুন। তাছাড়া পানি বা কঠোর কাজের সময়ে গ্লাভস ব্যবহার করুন।
এন্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খান
প্রচুর এন্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় এমন খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। এন্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ অনেক খাবারেই কোলাজেন পাওয়া যায়৷ বিশেষত গাঁজর, পুঁইশাকে কোলাজেন পাওয়া যাবে। তাই সবজি এবং এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল-ফলাদি গ্রহণ করুন।
স্ট্রেস কমান
স্ট্রেস হরমোন বিভিন্নভাবে ত্বকে প্রভাব ফেলে। তাই স্ট্রেস কমানোর চেষ্টা করুন। আপনি ইয়োগা কিংবা এক্সারসাইজের মাধ্যমে স্ট্রেস কমাতে পারেন। রাত জেগে থাকাটা একটি বাজে অভ্যাস। নিয়মিত ঘুম এবং পরিমিত বিশ্রামের মাধ্যমে নিশ্চিত করুন।🌸😊
12/04/2022
💻কাজের চাপ বা পড়াশোনা কারণে রাত জেগে ফেসে দেখা দিয়েছে ব্রণের সংক্রমণ?অস্বাভাবিক নয় একেবারেই কারণ যখন আপনি রাত জাগবেন তখন শরীরে হরমোনের ইমব্যালেন্স হওয়াটাও স্বাভাবিক।আর এই অবস্থা দীর্ঘদিন চললে ব্রণ বা ব্রণের সংক্রমণ অস্বাভাবিক কিছুই নয়।কিন্তু ব্রণ হলেই আমরা অনেকে যা করি তা হচ্ছে ব্রণে নখ লাগানো বা খুঁটানোর অভ্যাস।এই অবস্থায় আসলে সমস্যা বাড়তেই থাকবে।তাহলে সমাধান কিভাবে করা যায়?প্রথমত ব্রণ হলেই লক্ষ্য করুন আপনার লাইফস্টাইল ঠিক আছে কি না।খাবার, ঘুম, পানি এই তিনটি সঠিকভাবে আছে কি না।সাধারণত এই তিনটিই হচ্ছে মুখ্য কারণ ত্বকে ব্রণের সংক্রমণ দেখা দেয়ার।বিশেষত যদি রাত জাগা বা অতিরিক্ত চাপের ফলে ব্রণ হয় তাহলে কিন্তু বাইরে থেকে প্রোডাক্ট খুব কমই ভালো কাজ করতে পারবে।
✅আর ব্রণের সংক্রমণ যদি শুরু হয়েই থাকে তবে আসলে যে উপাদানগুলো আপনাকে এরপর মুক্তি দিতে পারে তা হলো -
অশ্বগন্ধা
যষ্টিমধু
শঙ্খ পাউডার
তুলসি
চন্দন
এই প্রতিটি উপাদান আপনার ত্বক সংক্রমিত ব্রণ প্রতিরোধ করবে।ব্রণের আকার ছোট করে নিয়ে আসবে এবং ব্রণ খুবই দ্রুত শুকিয়ে ফেলতে সহায়তা করবে।এছাড়াও ব্রণের গলে বা ব্রণ পরবর্তী যে দাগ হবার সম্ভাবনা থাকে সেটিকেও কমিয়ে আনে এই উপাদানগুলো।
♻️সুতরাং, ত্বকে ব্রণের সংক্রমণ হয়েছে বলেই চিন্তায় ভেঙে পড়বেন।কম বেশি মাসে দু চারটা ব্রণ সবারই হয়।তবে যখন দেখবেন ক্রমাগত ব্রেক আউট হচ্ছে কিংবা ঘন ঘন ব্রণের সমস্যা লেগেই আছে তখন বুঝবেন সমস্যা রয়েছে।আর এই সমস্যার সমাধানের জন্যই আমাদের ভাবতে হবে।তবে জটিল বা নানা ধরণের পণ্যের আসলে প্রয়োজন নেই।আসল ও সঠিক পণ্য হলে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যেই ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব........😊😊
12/04/2022
আমাদের প্রোডাক্ট এর কিছু রিভিউ হ্যালো।।।। ব্যস্ততার কারণে আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয় নাই।।।।। আলহামদুলিল্লাহ
#গরম পানির উপকারীতা
একদল জাপানি চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন যে কয়েকটি স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানে গরম পানি ১০০% কার্যকরঃ
০১. মাইগ্রেন
০২. উচ্চ রক্তচাপ
০৩. নিম্ন রক্তচাপ
০৪. জয়েন্ট এর ব্যথা
০৫. হঠাৎ হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি এবং হ্রাস
০৭. কোলেস্টেরলের মাত্রা
০৮. কাশি
০৯. শারীরিক অস্বস্তি
১০. গাটের ব্যথা
১১. হাঁপানি
১২. কাশি
১৩. শিরায় বাধা
১৪. জরায়ু ও মূত্র সম্পর্কিত রোগ
১৫. পেটের সমস্যা
১৬. ক্ষুধার সমস্যা
১৭. মাথা ব্যথা
*কীভাবে গরম পানি পান করবেন?*
নিয়মিত রাত ১০-১১টার মধ্যে ঘুমিয়ে খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে প্রায় ২ গ্লাস গরম পানি পান করতে হবে, প্রথম দিকে ২ গ্লাস পানি পান করতে সক্ষম নাও হতে পারে কেউ তবে আস্তে আস্তে এটি করতে পারবে।
*বিঃদ্রঃ: গরম পানি পান করার পরে ৪৫ মিনিট কোনো কিছুই খাওয়া যাবে না।*
গরম পানি থেরাপি যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে যে সমস্ত স্বাস্থ্য সমস্যাগুলির সমাধান করবে, নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো : -
৩০ দিনের মধ্যে ডায়াবেটিস
৩০ দিনের মধ্যে রক্তচাপ
১০ দিনের মধ্যে পেটের সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে সমস্ত ধরণের ক্যান্সার
০৬ মাসের মধ্যে শিরার বাধার সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে ক্ষুধা জাতীয় সমস্যা
১০ দিনের মধ্যে জরায়ু এবং এর সম্পর্কিত রোগগুলি
১০ দিনের মধ্যে নাক, কান এবং গলার সমস্যা
১৫ দিনের মধ্যে মহিলাদের সমস্যা
৩০ দিনের মধ্যে হৃদরোগ জাতীয় সমস্যা
০৩ দিনর মধ্যে মাথা ব্যাথা / মাইগ্রেন সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে কোলেস্টেরল সমস্যা
০৯ মাসের মধ্যে মৃগী এবং পক্ষাঘাত সমস্যা
০৪ মাসের মধ্যে হাঁপানি সমস্যা
*ঠান্ডা পানি পান করা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে! যদি অল্প বয়সে ঠাণ্ডা পানি প্রভাবিত না করে, তবে এটি বৃদ্ধ বয়সে ক্ষতি করবেই।*
*ঠান্ডা পানি হার্টের ৪টি শিরা বন্ধ করে দেয় এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। হার্ট অ্যাটাকের মূল কারণ হ'ল কোল্ড ড্রিঙ্কস।
*এটি লিভারেও সমস্যা তৈরি করে। এটি লিভারের সাথে ফ্যাট আটকে রাখে। লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের অপেক্ষায় থাকা বেশিরভাগ মানুষ ঠান্ডা পানি পান করার কারণে এর শিকার হয়েছেন।
*ঠান্ডা পানি পেটের অভ্যন্তরীণ দেয়ালকে প্রভাবিত করে। এটি বৃহত অন্ত্রকে প্রভাবিত করে এবং ফলস্বরূপ ক্যান্সারে রুপ নেয়........
শরীরে ফাটা দাগ কেনো হয়?
সাধারণত স্ট্রেচ মার্ক দেখা দেয় হঠাৎ করেই দেহের ওজন বৃদ্ধি পেলে বা হঠাৎ ওজন খুব কমে গেলে। সব চেয়ে বেশি ফাটা দাগ হয়ে থাকে নারীদের গর্ভকালীন সময়। মূলত আমাদের দেহের চামড়া নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রসারিত বা সংকুচিত হতে পারে। কিন্তু, খুব কম সময়ে প্রসারণ বা সংকোচন হলে দেহের চামড়া ফেটে যায়।
বহু নারী এই স্ট্রেচ মার্ক দেখে সন্তান প্রসবের আনন্দ ভুলে উল্টে বিষন্নতাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
তবে শুধু নারী নন, পুরুষেরও স্ট্রেস মার্ক হতে পারে।
স্ট্রেচ মার্ক দেখতে লম্বা লম্বা সাদা ফাটা দাগের মতো। কখনও কখনও রঙ পাল্টে এরা লালচে বা বেগুনি রঙেরও হয়।
আমাদের ত্বকের মধ্যে যে একটা টান টান ভাব থাকে তা কোলাজেন নামে এক তন্তু বা ফাইবারের কল্যাণে। এই কোলাজেন তন্তু ঠিকমতো তৈরি হতে না পারলে বা ভেঙে গেলে এই ধরনের দাগ দেখা যায়। সেক্ষেত্রে আদতে ত্বকের অন্তঃস্তর দুর্বল হয়ে যায় ও ফেটে ফেটে যায়। চামড়ায় অতিরিক্ত স্টেরয়েড ক্রিম লাগালে বা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির গোলমালের কারণেও অতিরিক্ত স্টেরয়েড বেরলে কোলাজেন তন্তুর সমস্যা হয়।
পেট, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমন কি বুকেও স্ট্রেচ মার্ক দেখা দেয়। তবে এরা মূলত কাঁধে বেশি হয়। আর মহিলাদের ক্ষেত্রে দেখা যায় স্তনের উপরিভাগে কিংবা প্রেগন্যান্সির পরে থাই বা উরুর ওপরদিকে। কুলিংস নামে একটি হরমোনের রোগ আছে। তাতেও এই ধরনের স্ট্রেচ মার্ক দেখা যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই দাগ সাধারণত কাঁধে হয়।
12/04/2022
(Aloe Barbadensis Millar)পৃথিবীতে অনেক টাইপের এ্যালোভেরা রয়েছে।বিজ্ঞানীরা গবেষনা করে দেখেছেন যে এই এ্যালোভেরার মধ্যে সবচেয়ে উন্নত এ্যালোভেরা হচ্ছে (Aloe Barbadensis Millar)যেটি নিচের ছবি তে দেখতে পাচ্ছেন।এই এ্যালোভেরা আমাদের উপমহাদেশে হয় না।এটি উচ্চতায় ৫ ফিট লম্বা হয় যখন ফুল ফুটে।এবং এই এ্যালোভেরাতে হলুদ আকৃতির ফুল ফুটে কিন্তু আমাদের দেশ এ যেই এ্যালোভেরাগুলো হয় সেগুলোতে হলুদ আকৃতির ফুল ফুটে না।শুধুমাত্র (Aloe Barbadensis Millar)এ্যালোভেরাতেই এই হলুদ রঙের ফুল ফুটে।Barbadensis mature হতে ১ বছর সময় নেয়।আর ১ বছর পরে Barbadensis এর পাতা কাটা হয়।সেই পাতার ভিতরে যেই জেলি থাকে ক্রিস্টাল কালার এর সেই জেলি থেকে আমাদের বিশ্বখ্যাত ফরএভার লিভিং কোম্পানির প্রোডাক্টগুলো তৈরি।
এই Aloe Barbadensis Millar এ্যালোভেরার পাতার জেলির মধ্যে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহপাক রাব্বুল আলামিন ২০০ পুষ্টি গুন দিয়ে দিয়েছে।যার মধ্যে ২০টি মিনারেল,১৯টি অ্যামাইনো এসিড এবং ১২ রকমের ভিটামিন অন্যতম।তার মধ্যে রয়েছে উল্লেখযোগ্য দুটি জিনিস ১টি হচ্ছে সেফোনিন এবং আরেকটি হচ্ছে লিগনিন।সেফোনিনকে বলা হয় প্রাকিতিক সাবান যেটি আমাদের বডির ক্লিন করতে সহায়তা করে।আমরা আমাদের বডিতে যে বিষাক্ত পদার্থ ডুকিয়ে থাকি খাবারের মাধ্যমে,পানির মাধ্যমে,ফরমালিন খাবার খেয়ে সেগুলোর কারনে আমাদের শরীরে সাইড ইফেক্ট হয়।আর এই কারনে আমাদের পাকস্থলিতে টক্সিন জমা হয়,এর ফলে আমাদের শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়।
আর এইযে পাকস্থলিতে টক্সিন জমা হয় এই টক্সিন দূর করতে আপনার বডি ক্লিন করতে এবং আপনার বডি কে রোগমুক্ত করতে সহায়তা করে ফরএভার এ্যালোভেরা জেল।এই এ্যালোভেরা জেলটি তৈরি হয় সেই হলুদ রংঙের (Aloe Barbadensis Millar) এ্যালোভেরা পাতার ভিতরে যেই জেলি রয়েছে সেই ক্রিস্টাল কালার জেল থেকে।সেই জেলিকে হুবহু ব্ল্যান্ড করে তৈরি করা হয় ফরএভার এ্যালোভেরা জেল।
এতক্ষণ এই ইনফরমেশন গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ যানাচ্ছি।সবাই ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন।পুষ্টিকর খাবার খেয়ে আপনার শরীরকে রোগমুক্ত রাখুন...
12/04/2022
আলহামদুলিল্লাহ আজকের অর্ডার কমপ্লিট।।।।। আপুরা আর ভাইরা আমাদের উপর এতটা বিশ্বাস রাখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।।।।।।।
10/04/2022
খেজুর ;::;:;: পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুরে রয়েছে ভিটামিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক।
খেজুর একজন সুস্থ মানুষের শরীরে আয়রনের চাহিদার প্রায় ১১ ভাগই পূরণ করে। তাই প্রতিদিন খেতে পারেন খেজুর।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই খেজুর থেকে আসে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস থাকলে প্রচলিত খেজুরের বদলে শুকনো খেজুরকে ডায়েটে রাখতে বলেন বিশেষজ্ঞরা।
খেজুরের পুষ্টিগুণ
সুস্বাদু আর বেশ পরিচিত একটি ফল, যা ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ। এটি রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায়। খেজুর ফলকে চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। খেজুরের পুষ্টি উপাদান সম্পর্কে বলা হয় চারটি বা ৩০ গ্রাম পরিমাণ খেজুরে আছে ৯০ ক্যালোরি, এক গ্রাম প্রোটিন, ১৩ মিলি গ্রাম ক্যালসিয়াম, ২.৮ গ্রাম ফাইবার এবং আরও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস। তাই খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। আছে প্রচুর ভিটামিন বি, যা ভিটামিন বিসিক্স মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর।
আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না।
পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের সবই রয়েছে খেজুরে।
আসুন জেনে নিন খেজুরের উপকারিতা-
১. খেজুরে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়া। খেজুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।
২. ফাইবারও মিলবে খেজুরে। তাই এই ফল ডায়েটে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
৩. প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
৪. রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।
৫. যারা চিনি খান না তারা খেজুর খেতে পারেন। চিনির বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়।
৬. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পর দিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
৭. খেজুরে থাকা নানা খনিজ হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
৮. খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।
10/04/2022
Alhamdulillah ajker oder done.....sobai ke onk dhonnobad eto ta support korar jonno😊😊
10/04/2022
পাকস্হলীতে কোন খাবার হজম হতে কতোক্ষণ সময় লাগে তা জেনে নিন✌✌
গর্ভাবস্থা মা হওয়ার কথা ভাবলে এই ৬ টি প্রশ্ন ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করতে ভুলবেন না যেন!
→
মনের অন্ধকার দূর না করে নতুন জীবনকে প্রাণ দেওয়ার কথা ভাববেন না যেন! কারণ এমনটা করলে বাচ্চার শারীরিক ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা যাবে বেড়ে। আর এমনটা আপনার বাচ্চার সঙ্গে ঘটুক, তা যদি না চান, তাহলে মা হওয়ার কথা ভাবলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না যেন! কারণ একমাত্র তিনিই পারবেন আপনাকে ঠিক মতো গাইড করতে। আর এমনটা করলেই মনের অন্ধকার দূর হবে। ফলে মা এবং বাচ্চার কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যাবে কমে। বেশ কিছু পরিসংখ্যান ঘেঁটে জানা গেছে এদেশে সিংহভাগ মহিলাই মা হতে চলার সময় কীভাবে নিজেকে আসন্ন পরিবর্তনের জন্য তৈরি করতে হয়, সে সম্পর্কে বুঝে উঠতে পারেন না। ফলে প্রেগন্যান্সির সময় নানাবিধ সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এই কারণেই তো ভাবী মায়েদের প্রেগন্যান্সি সংক্রান্ত সব ধরনের বিষয় জেনে নওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। আর এমনটা করতে গিয়ে এই প্রবন্ধে আলোচিত প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজে নিতে ভুলবেন না যেন! না হলে কিন্তু...! প্রসঙ্গত, মা হওয়ার কথা ভাবলে প্রথমেই যে প্রশ্নগুলি ডাক্তারকে করা উচিত, সেগুলি হল...
১. ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট কখন থেকে নিতে হবে:
গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে এত মাত্রায় পরিবর্তন হয় যে নানাবিধ সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়, সেই সঙ্গে পুষ্টির ঘাটতিও দেখা দেয়। তাই তো এই সময় ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেওয়া পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। এখন প্রশ্ন হল কখন থেকে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত? বিশেষজ্ঞদের মতে মা হওয়ার পরিকল্পনার কথা ভাবছেন, তখন থেকেই ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট এবং ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট নেওয়া উচিত এবং যতদিন না ডেলিভারি হচ্ছে, ততদিন এই সাপ্লিমেন্ট খেয়ে যেতে হবে। কী পরিমাণে এই সাপ্লিমেন্টগুলি খেতে হবে সে সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।
২. গর্ভাবস্থায় এক্সারসাইজ করা যাবে কি?
চিকিৎসকদের মতে প্রেগন্যান্সির সময় শরীরকে অ্যাকটিভ রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। কারণ এমনটা করলে মা এবং বাচ্চা, উভয়েরই শারীরিক উন্নতি ঘটে। ফলে প্রসবকালে কোনও ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। এখন প্রশ্ন হল, এই অবস্থায় সপ্তাহে কত ঘন্টা শরীর চর্চা করা উচিত? আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের রিপোর্ট অনুসারে ভাবী মা যদি হালকা এক্সারসাইজ করেন, তাহলে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট এক্সারসাইজ করা যেতে পারে। আর যদি ভিগোরাস এক্সারসাইজ করেন, তাহলে ভুলেও সপ্তাহে ৭৫ মিনিটের বেশি শরীরচর্চা করা চলবে না।
৩. সিগারেট খাওয়া চলবে কি?
একাধিক গবেষণা অনুসারে প্রেগনেন্ট হওয়ার আগে এবং পরে যদি ধূপমান চালাতে থাকেন, তাহলে একদিকে যেমন গর্ভপাতের আশঙ্কা বৃদ্ধি পাবে, তেমনি এটোপিক প্রেগন্যান্সির আশঙ্কাও বৃদ্ধি পাবে। প্রসঙ্গত, বেশ কিছু স্টাডিতে একথা প্রামণিত হয়ে গেছে যে অতিরিক্তি মাত্রায় ধূমপান করলে স্পার্ম কাউন্ট যেমন কমে যায়, তেমনি মাহিলাদেরও মারাত্মক শারীরিক ক্ষতি হয়। ফলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার ক্ষেত্রে একাদিক সমস্যা দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, একথাও প্রমাণিত হয়ে গেছে যে গর্ভাবস্থায় ধূমপান করলে একাধিক জটিল সমস্যা নিয়ে বাচ্চার জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
৪. মা হতে গেলে কি ওজন কমাতে হবে?
একেবারেই! কারণ গর্ভাবস্থায় এমনিতেই শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়। তাই মা যদি আগে থেকেই ওবেসিটির সমস্যায় ভুগে থাকেন, তাহলে কিন্তু বিপদ! কারণ সেক্ষেত্রে ভাবী মায়ের উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আর এমনটা হলে মায়ের যেমন শারীরিক ক্ষতি হয়, তেমনি বাচ্চার শরীরের উপরও বিরূপ প্রভাব পরে। তাই সুস্থ বাচ্চার জন্ম যদি দিতে চান, তাহলে প্রেগন্যান্ট হওয়ার আগে ওজন কমাতেই হবে। না হলে কিন্তু বেজায় বিপদ!
৫. অল্প বিস্তর অ্যালকোহল সেবন করা চলবে কি?
বিশেষজ্ঞদের মতে গর্ভাবস্থার আগে ও পরে ভাবী মায়েরা যদি মাত্রাতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন করেন, তাহলে মায়ের শরীরে এমন কিছু নেতিবাচক পরিবর্তন হতে শুরু করে যে তার প্রভাবে মা এবং বাচ্চা, উভয়েরই মারাত্মক ক্ষতি হয়, বিশেষত বাচ্চার। তাই তো এই সময় অ্যালকোহলের থেকে দূরে থাকাই ভাল।
৬. মা হওয়ার বয়স:
আজকের দিনে মহিলারা কর্মক্ষেত্রে এতটাই সফল যে বেশিরভাগই মা হতে অনেক দেরি করে ফেলেন। তাই তো সিংহভাগ মহিলার মনেই এই প্রশ্ন জাগতে শুরু করে যে বেশি বয়সে মা হওয়ার পরিকল্পনা করলে কি বাচ্চার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে? গাইনোকোলজিস্টদের মতে ৩০ বছরের মধ্যে মা হওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া উচিত। কারণ এই সময়ে ডিমের সংখ্যা সবথেকে বেশি থাকে। ফলে গর্ভবতী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও সমস্য়া হয় না। কিন্তু ৩০-এর পর সময় যেতে এগতে থাকে, তত ডিমের সংখ্যা কমতে শুরু করে। ফলে মা হওয়ার ক্ষেত্রে একাদিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এই কারণেই তো ৩০-এর আগে মা হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Or Nijam Road
Chittagong
4200
