Asthma Antidote

Asthma Antidote

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asthma Antidote, Health/Beauty, Chittagong.

23/06/2024

সাইড ইফেক্ট: সাধারণত সাইড ইফেক্ট থাকে ক্যামিক্যালযুকত ড্রাগ/মেডিসিন এ।আমাদের প্রোডাক্ট টি সম্পুর্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। কোন মেডিসিন বা ক্যামিকেল ব্যবহার করা হয় নি।
ফলে বিন্দুমাত্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
তাছাড়া আমাদের প্রোডাক্ট বাংলাদেশ সাইন্সল্যাব কর্তৃক পরিক্ষিত ও অনুমোদিত।
তাই,ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ০% আর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%..

23/06/2024

ফুড সাপ্লিমেন্ট কোনো এ্যালোপ্যাতি/হোমিওপ্যাথি/আয়ুর্বেদিক/ইউনানী কিংবা হারবাল এর আওতা ভুক্ত নয়।এটা সম্পুর্ণ ন্যাচারাল উপাদান এর সমন্বয়ে তৈরি একটি অর্গানিক সলিউশন..

উপরওয়ালা প্রকৃতির প্রতিটি উপাধান কে মানুষের উপকারে ব্যাবহারের লক্ষেই সৃষ্টি করেছেন,তিনি এমন কোনো রোগ/ব্যাধি মানব দেহে দেননি,যার প্রতিষেধক তিনি প্রকৃতির মধ্যে নেই।

সাধারণত প্রত্যেকটা খাবার বা প্রাকৃতিক উপাদান এর ভিন্ন ভিন্ন গুণ থাকে..যা মানুষের দেহের রোগের প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে।তবে ২০-২৫ টা উপাদান একসাথে খাওয়া সম্ভব নয়।তাই আমরা ২৫+ টা উপাদান কে একসাথে গুঁড়ো করে এই ফুড সাপ্লিমেন্ট তৈরি করেছি।ফলে আপনার শরীর পাবে একসাথে ২৫ টা খাবারের গুণাগুণ..

অনেকেই ফুড সাপ্লিমেন্ট কে হারবাল এর সাথে মিলিয়ে ফেলেন।বলেন, হারবাল ও তো আমাদের মতই,,,কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।হারবাল এর ইতিহাস যদি দেখেন,, দেখবেন দাদা কবিরাজ ছিলো সেই সুত্রে বাবাও কবিরাজ তার সুত্রে ছেলেও কবিরাজ সম্পুর্ন বংস পরামপরায় অবৈজ্ঞানিকভাবে ক্যামিকেলযুক্ত মেডিসিন চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করে আসছে।ফলে হার্ট,কিডনি এর মত মূল্যবান অর্গান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আর ফুড সাপ্লিমেন্ট একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল দ্বারা গবেষণা করে তৈরি করা হয়।প্রতিটি সাপ্লিমেন্ট সাইন্সল্যাব কতৃক পরীক্ষা করা হয়,, তারপর মার্কেটে ডিস্ট্রিবিউট করা হয়।

ন্যাচারাল ট্রিটমেন্ট নিন,,ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ০% এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%।

26/03/2023

কাস্টমারঃভাই এটা কি ও'ষুধ দিলেন??
আমিঃকেন স্যার,কি হয়েছে..🙄🙄??
কাস্টমারঃআমার তো ৩ দিনেই শ্বাসকষ্ট বন্ধ হয়ে গেছে..🥰
আমিঃআলহামদুল্লিল্লাহ...😍
কাস্টমারঃআমি সামনের মাসে আরো ১০ টা ফুল কোর্স নিব আমার ফ্যামিলির জন্য।কত লক্ষ টাকা খরচ করছি,এই রোগের পেছনে।কোন ফলাফল পাই নাই।আপনারটা বিশ্বাস করে খেলাম,আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে গেলাম।এতদিনে অনলাইনে বিশ্বাস ছিল না।আপনার মাধ্যমে আমার ভুলটা ভাঙল।আমি ময়মনসিংহ'এ আপনার ও,ষুধের প্রচারনা করব...!
আমিঃঅশেষ কৃতজ্ঞতা..❤️

বিঃদ্রঃএ্যা*জমা বা হাঁ*পানি হলো শ্বাস*নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস*নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল/সরু হয়ে পড়ে। এতে হাঁ*পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-হা*চিঁ-কা*শি,অক্সি*জেন এর লেভেল কমে গিয়ে-শ্বাস*কষ্ট/বু কে চাপ চাপ অনুভব করা/দম নিতে কষ্ট হওয়া, বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস*নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়।অনেকের গলায় সারাক্ষণ কফ/শ্লেষ্মা জমে থাকায় নাক বন্ধ হয়ে থাকে।

এ্যা*জমা/হাঁ*পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেট/যান্ত্রিক ধোঁয়ার মধ্যে যারা প্রতিনিয়ত থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে।

তাছাড়া দীর্ঘদিন যাবত এলা*র্জী এর সমস্যায় ভুগলে তা এ্যা*জমায় রূপান্তর হয়।

ক্যামিকেল শরীরের সাথে মিশে না,তাই একটা এ্যালো প্যথিক মেডিসিনে ১৬ঘন্টা-১ দিন সুস্থ থাকা যায়।কিন্তু আমাদের এই Natural ওষুধ সেবনের ফলে তা রক্ত এবং শরীরের সাথে মিশে যায়।ফলে এটার গুনগত মান কয়েক যুগ(১২ বছর+) আপনার শরীরে লাস্টিং করবে।যার ফলে আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোর্স সেবন করলে আপনি কোন ইন-হেলার/মেডি*সিন ছাড়াই চিরস্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।

আমাদের ট্রিটমেন্ট পদ্ধতি হল"Food supplement"।
এটি একবিংশ শতাব্দীর Unique এবং কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি।যেটা Nature & Science এর কম্বিনেশন তৈরি করা

আমাদের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়নি এমন পেশেন্ট বাংলাদেশ একটাও নেই।কারন আমরা আপনাকে গ্যারান্টি দিব যে,আপনি অবশ্যই সুস্থ হবেন।কারন,আ

21/03/2023

দিন দিন বাড়ছে অ্যাজমার ব্যাপকতা। শিশুসহ যেকোনো বয়সী নারী-পুরুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে। এটা সারা জীবনের রোগ হলেও সঠিক চিকিৎসা নিলে ভালো থাকা যায়।

17/03/2023

অ্যাজমা বা হাঁপানি ।
দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ এবং সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা

13/07/2022

অ্যালার্জির কারণ ও করণীয়

মনি, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

হাঁচি থেকে শুরু করে খাবার ও ওষুধের প্রতিক্রিয়াতে এই রোগ হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি সামান্য অসুবিধা করে। আবার কারও ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন। দেখা গেল হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ বা গরুর দুধ খেলেই শুরু হল শরীর চুলকানি আর চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা।

তিনি অ্যালার্জির নানা বিষয় নিয়ে জানান।

প্রত্যেক মানুষের শরীরে এক একটি প্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ‘ইমিউন সিস্টেম’ থাকে। কোনো কারণে এই ব্যবস্থায় গোলযোগ দেখা দিলে তখনই অ্যালার্জির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

অ্যালার্জি: আমাদের শরীর সব সময়ই ক্ষতিকর বস্তুকে (পরজীবী, ছত্রাক, ভাইরাস, এবং ব্যাকটেরিয়া) প্রতিরোধের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের চেষ্টা করে। কখনও কখনও আমাদের শরীর সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন অনেক ধরনের বস্তুকেও ক্ষতিকর ভেবে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। সাধারণত ক্ষতিকর নয় এমন সব বস্তুর প্রতি শরীরের এ অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে অ্যালার্জি বলা হয়।

অ্যালার্জিজনিত প্রধান সমস্যাগুলো-

অ্যালার্জি জনিত সর্দি বা ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’:এর উপসর্গ হচ্ছে অনবরত হাঁচি, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারও কারও চোখ দিয়েও পানি পড়ে এবং চোখ লাল হয়ে যায়।

‘অ্যালার্জিক রাইনাটিস’ দুই ধরনের।

সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাটিস: বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: সারা বছর ধরে অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হলে একে পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস বলা হয়।

লক্ষণ ও উপসর্গ

সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: ০ ঘন ঘন হাঁচি। ০ নাক দিয়ে পানি পড়া। ০ নাসারন্ধ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া। ০ চোখ দিয়ে পানি পড়া। ০ চোখে তীব্র ব্যথা অনুভব করা।

পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিস: পেরিনিয়াল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের উপসর্গগুলো সিজনাল অ্যালার্জিক রাইনাইটিসের মতো। তবে এক্ষেত্রে উপসর্গগুলোর তীব্রতা কম হয় এবং স্থায়িত্ব কাল বেশি হয়।

13/07/2022

শীত বাড়ার সাথে হাঁপানির সমস্যাও বাড়ে। আবহাওয়ার তারতম্যের জন্য বছরের যে কোনও সময়ে হাঁপানি রোগীদের সমস্যা বাড়লেও শীতে এর প্রকোপ অনেক বেড়ে যেতে পারে। তাই চলুন রোগটির বিভিন্ন কারণ ও এসময়ে যেসব বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সে সম্পর্কে জেনে নিই।

শীত বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে হাঁপানির সমস্যাও। ডাক্তারদের মতে আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে যদিও বছরের যে কোনও সময়ে হাঁপানি রোগীদের সমস্যা বাড়তে পারে তবে শীতকালে এর প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। চলুন জেনে নিই রোগটির বিভিন্ন কারণসহ ও শীতকালে হাঁপানি রোগীদের যেসব বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে সেসব বিষয়ে বিস্তারিত।

হাঁপানি কি?

আমাদের ফুসফুসে রয়েছে সরু সরু অনেক নালী পথ যার মাধ্যমে আমদের দেহে ফুস্ফুস থেকে সারা শরীরে অক্সিজেন বাহিত হয়। তবে ধুলা-বালি, অ্যালার্জেন বা অন্যান্য কারণে যদি শ্বাসনালীর পেশি ফুলে যায় তাহলে অক্সিজেনবাহী এই নালীসমুহের পথগুলি সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এর ফলে আমাদের শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাব ঘটে এবং শুরু হয় নিঃশ্বাসের কষ্ট-সহ নানা শারীরিক সমস্যা যাকে আমরা হাঁপানির সমস্যা বলে থাকি।

হাঁপানির কারণ সমূহ

অ্যাজমা বা হাঁপানি হচ্ছে শ্বাসনালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। মুলত এটি একটি বংশগত রোগ হলেও ইদানীং সময়ে মাত্রাতিরিক্ত পরিবেশ দূষণের জন্য বেড়ে যাচ্ছে এই সমস্যাটি। এই রোগের কারণে প্রদাহের জন্য শ্বাসনালি ফুলে যায় এবং তা অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। নিম্নে রোগটির কিছু কারণ দেওয়া হলো।

হাঁপানির অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে অ্যালার্জি। বাতাসে ভেসে বেড়ানো ধুলো-বালি, ধোঁয়া, পশু-পাখির লোম, তুলোর আঁশ, রান্নাঘর বা বিছানার ধুলা কিংবা বাতাসে ভেসে বেড়ানো ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাসনালীতে প্রবেশ করে সমস্যাটি সৃষ্টি করে। এইসব অ্যালার্জেন ‘অ্যাজমা অ্যাটাক’-এর ঝুঁকিকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়।বিভিন্ন প্রকার রাসায়ানিকের উগ্র গন্ধ বা গ্যাস হাঁপানির সমস্যাকে অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও অ্যাজমার সমস্যা হতে পারে।ধূমপান করা এই রোগের জন্য অনেকটা ঝুঁকিপুর্ণ। ধূমপান প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ উভয়ই হাঁপানির সমস্যাকে অনেকটা জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষকরে সন্তানসম্ভবা কোনও মহিলা ধূমপান করলে বা ধূমপানের সংস্পর্শে আসলে তাঁর গর্ভের শিশুর হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়।ঋতু পরিবর্তনের জন্য জ্বর, সর্দি-কাশির জটিলতা সহ হাঁপানির।

13/07/2022

এজমা কি? এজমা থেকে মুক্তির উপায়

বর্তমানে এজমা সমস্যার নাম শুনে নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমরা নিজেরা কিংবা আমাদের আশেপাশে বহু লোক এই এজমা সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ কারনবশত শ্বাসনালী সরু বা সংকুচিত হয়ে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা তৈরী হয়। সেটাই এজমা বা হাঁপানি। বিশেষজ্ঞদের মতে হাপানি স্থায়ী ও বংশানুক্রমিক একটি অসুখ। আরো বলা হয় এই রোগের কোনো নিরাময় নেই৷ অর্থাৎ এমন কোনো সমাধান নেই যার ফলে একবারে এজমা সমস্যা নির্মূল হয়ে যাবে৷

তবে চিন্তার কোনো কারন নেই। এজমা কোনো মরণব্যাধী রোগ নয়। এজমা থেকে মুক্তি কিংবা সাময়িক নিরাময়ের অনেক উপায় রয়েছে। এসব চিকিৎসা করালে এবং জীবনযাপনের সাধারন কিছু নিয়ম মেনে চললে, এজমা আপনার স্বাভাবিক জীবনযাপনে কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু অনেকেই জানেন না এজমা থেকে মুক্তির উপায় কি। এ কারনে এজমার প্রকোপ অনেক মানুষকে নাজেহাল করে দেয়। তাই আমরা আজকে এজমা কি? কেন হয়? এবং এজমা থেকে মুক্তির উপায় গুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরব।

বিষয় বস্তুসমূহঃ

এজমা কি?এজমার কারনএজমার ধরনঅ্যাজমার উপসর্গএজমা থেকে মুক্তির উপায় চিকিৎসার মাধ্যমে এজমা থেকে মুক্তিদ্রুত ত্রাণ বা উদ্ধারকারী ঔষধদীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণজীবনধারার নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এজমা থেকে মুক্তিশিশুর এজমা সমস্যা ও চিকিৎসাশেষকথা

এজমা কি?

শ্বাসনালীতে অনেক সময় ইওসিনোফিল কোষ ও অন্যান্য উপাদান জমা হয়। ফলে শ্বাসনালীর ছিদ্রপথ সংকুচিত হয়ে যায়। তখন শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধা সৃষ্টি হয় ও শ্বাসনালিতে প্রদাহ তৈরী হয়। শ্বাসনালী সরু হয়ে যাওয়া ও প্রদাহ সৃষ্টিকারী এই অবস্থাকেই বলা হয় এজমা। তবে অনেকেই শ্বাসকষ্ট ও এজমাকে এক করে ফেলেন। এজমার কারনে শ্বাসকষ্ট হতে পারে। তবে এজমা ও শ্বাসকষ্ট এক জিনিস নয়। শ্বাসকষ্ট অনেক রোগের উপসর্গ মাত্র।

এজমার কারন

প্রকৃতপক্ষে কি করনে এজমা হয় তা এখনও জানা যায়নি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন বংশগত কিংবা পরিবেশগত কারনে এজমা হতে পারে। সব বয়সের মানুষেরই এজমা হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রকোপ গুরুতর। সাধারণত শীতকালে, শুষ্ক ও ঠান্ডা বাতাসের উপস্থিতিতে এজমার সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও ধুলাবালি, আগাছা, কীটপতঙ্গ, পশুপাখির পালক অথবা বিভিন্ন খাবারের প্রভাবে এজমা দেখা যায়।

12/07/2022

হাঁপানি হল ফুসফুসীয় শ্বাসনালির দীর্ঘ মেয়াদিপ্রদাহজনিত রোগ।[৩] এর বৈশিষ্ট্য হল রোগটি বিভিন্ন মাত্রায় ও বার বার লক্ষন দেখা দেওয়া এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা না করলে খারাপ হতে থাকা,শ্বসনপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হওয়া, এবং সহজেই বা অল্পতেই ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসনালি সরু হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চলে যাওয়া যার ফলে হাঁপানি বেড়ে যায়।[৮][৯] লক্ষনগুলোর মধ্যে আছে শো শো শব্দ হওয়া, কাশি, বুকে চাপ অনুভব করা (বুকের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া), এবং স্বল্প মাত্রায় শ্বাস নিতে পারা।[২] এগুলো এক দিনে একাধিকবার হতে পারে আবার এক সপ্তাহে ধীরে ধীরে হতে পারে।[৩]ব্যক্তিভেদে হাঁপানির লক্ষনগুলো রাতে বেড়ে যেতে পারে বা ভারি কাজ বা ব্যায়াম বা খেলাধূলা করলেও বেড়ে যেতে পারে।[৩]

হাঁপানি জিনগত এবং পরিবেশগত কারনে হয় বলে ধারণা করা হয়।[৪] পরিবেশগত কারনগুলোর মধ্যে আছে বায়ু দূষন এবং বাতাসে এ্যালার্জেন বা এ্যালার্জি উদ্রেককারী উপাদানের উপস্থিতি।[৩] অন্য কারনগুলো হল এসপিরিনজাতীয় ঔষধ এবং বেটা ব্লক করে এমন এমন ঔষধ সেবন করা।[৩] লক্ষনের ধরন দেখে পরিক্ষা করা হয়, তার ভিত্তিতে যে ঔষধ প্রয়োগ করা হয় তা ব্যক্তির উপর কিভাবে কাজ করছে তা দেখা হয় (দীর্ঘ মেয়াদে) এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পরীক্ষা করা হয় স্পাইরোমেট্রি। [৫] হাঁপানি কতটুকু জটিল তা বুঝার জন্য লক্ষনগুলো কত দ্রুত দেখা দেয় তা দেখা হয়, সেই সাথে এক সেকেন্ডে প্রশ্বাসের ভলিউম কতটুকু তাও যোগ করা হয় যাকে (FEV1)বলে এবং পিক ফ্লো ব্যবহার করা হয়।[১০] এটপিক এবং নন এটপিক হিসেবেও একে ভাগ করা হয় যেখানে এটপিক হল টাইপ ১ ধরনের সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখানো।[১১][১২]

এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভ করাতে পারে এমন কোন ঔষধ তেরী হয়নি, কিন্তু এটিকে সহজেই চিকিৎসা করে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় রাখা যায়।[৩]উপসর্গগুলো দেখা দেবার পূর্বেই যে কারনগুলো হাঁপানির উদ্রেক করে যেমন এ্যালার্জেন, শ্বাসতন্ত্রের প্রতি হুমকি এমন পরিবেশ বা উপাদান, সেগুলো বন্ধ করতে পারলে এবং সেই সাথে কর্টিকোস্টেরয়েড গ্রহণ করলে হাঁপানির উপসর্গগুলো বন্ধ করা যায়।[১৩][১৪]শুধুমাত্র কর্টিকোস্টেরয়েড দিয়ে যদি হাঁপানি নিয়ন্ত্রিত না হয়, তাহলেদীর্ঘ-মেয়াদি বেটা এগনিস্ট অথবাএন্টিলিউকোট্রিন এজেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।[১৫][১৬] যখন দ্রুত হাঁপানি বাড়তে থাকে তখন শ্বাসের সাথে গ্রহণ করা যেতে পারে স্বল্প মেয়াদিবেটা-২

12/07/2022

শিশুদের হাঁপানি বা এ্যাজমার আধুনিক চিকিৎসা

ছোট বড় সকলেরই হাঁপানি হতে পারে। তবে বাচ্চাদের হাঁপানিতে বেশী ভুগতে দেখা যায়। মোট হাঁপানি রোগীর অর্ধেকের বয়স দশ বছরের মধ্যে। মেয়েদের তুলনায় ছেলেদেরই শিশু বয়সে এই রোগ বেশী হয়।

সারা বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি লোক শ্বাসনালীর সচরাচর সমস্যা-এ্যাজমায় আক্রান্ত হয়। তাদের ৯০% এরও বেশী অত্যাধুনিক চিকিৎসা পায় না এবং অনেক রোগী মারা যায়। যদিও এ মৃত্যুর ৮০% প্রতিরোধ করা সম্ভব যদি আধুনিক চিকিৎসা ও ডাক্তারের তদারকির মাধ্যমে এ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা দেয়া যায়।

বাচ্চাদের কেন এত বেশী হাঁপানী রোগ অনেক কারণে হয়ে থাকে। একই সঙ্গে একাধিক কারণকে এ অসুখের জন্য দায়ি মনে করা হয়। বাচ্চাদের হাঁপানিতে বেশী আক্রান্ত হবার কারণ হিসাবে মনে করা হয় শ্বাসনালীর হাইপার রেসপোনসিভনেসকে।

আসলে বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটা কম। তাই তাদের বার বার রেসপিরেটরী ট্রাক্ট এর সংক্রামণজনিত কারণে সর্দিকাশি হওয়ার প্রবণতা বেশী। কিছু কিছু শিশুর রেসপিরেটরী ট্রাক্ট এর সংক্রমণের ফলে শ্বাসনালীগুলোতে হাইপার ইরিটেবিনিটি দেখা দেয় অর্থাৎ অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।

এই ক্রনিক ইনফ্লামেশনের ফলে বাইরে থেকে কোনও কিছু (ঠাণ্ডা, মাইট, ধুলো, ফুলের রেণু ইত্যাদি) শ্বাসনালীতে ঢুকলেই শুরু হয় সংকোচন এর ফলস্বরূপ হাঁপানি। তবে ছোট বাচ্চাদের হাঁপানির লক্ষণ নিয়ে আসলে চিকিৎসককে ভীষণ সজাগ থাকতে হয়। কারণ অনেক সময় লেবুর দানা। বোতাম, পুঁতি ইত্যাদি ফরেন বডি বাবা-মায়ের অজান্তে বাচ্চাদের নাক-মুখ দিয়ে ঢুকে শ্বাসনালীতে আটকে থাকতে পারে। এর ফলে সর্দি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদিতে বাচ্চাটি ভুগতে পারে।

জেনেটিক কারণে কারো কারো বেশী হয়ে থাকে। ঘর-বাড়ীর ধুলো ময়লায় মাইট পোকা, ফুলের বা ঘাসের পরাগ রেণু, পাখির পালক, জীব জন্তুর পশম, ছত্রাক, কিছু কিছু খাবার, কিছু কিছু ওষুধ, নানা রকম রাসায়নিক পদার্থ ইত্যাদি থেকে এলার্জিজনিত এ্যাজমা হয়ে থাকে।

বংশগতভাবে এ্যাজমার ঝুঁকি কতটা?

মাতৃকুলে হাঁপানি থাকলে তিনগুণ বেশী রিস্ক আর পিতৃকুলে হাঁপানি থাকলে অনেকটা কম রিস্ক। মায়ের হাঁপানি থাকলে মোটামোটিভাবে বলা যায় তিন সন্তানের মধ্যে একটির হাঁপানি, একটির আপাত সুস্বাস্থ্য এবং একটির অস্বাভাবিক শ্বাসনালীর সংকোচন থাকতে পারে। শেষেরটির হাঁপানি না হয়ে সর্দি-কাশির প্রবণতা থাকতে পারে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong