Happy natural life

Happy natural life

Share

we are providing all kinds of natural and Organic food sales agency

31/08/2022

#বিশেষ মূল্য ছাড় 30%

01616960058
✅--অ-তি-রিক্ত ও -ও--জ-ন. -মে-দ -- ভু- ড়ি -কমান স্থা-য়ী - ভাবে।
✅ আমাদের প্রতিটি প্রোডাক্ট বাং-লাদে-শ _সরকার_অনুমোদিত_🔎_সাই-ন্স-ল্যাব প-রী-ক্ষিত এবং 1-0-0-% -কা-র্য-করী।

✅ এটি না°রী ও পু°রু°ষ উভয়ের
জন্যই সমান কার্যকরী।

অর্ডার করতে কল করুন---
☎️ 01616960058
অথবা ইনবক্সে আপনার ফোন নাম্বার টি
দিন শীঘ্রই কল করা হবে।

21/08/2022

#চলছে অফার

অতিরিক্ত ‍‍[[ও′জ′ন]] কমাতে চাচ্ছেন??

গ্রহন করুন প্রাকৃতিক উপহার
পে"টের ভে"তর {মে′দ•চ′র্বি•ভূ′ড়ি} নিয়ে প্রতিদিন ঝামেলায় আছেন?!

✋একটা লাষ্ট পরামর্শ নিন।। 🩺

👉||সম্পূর্ণ অর্গানিক||

আপনার এই একটি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সুন্দর করে উপভোগ করতে
নাম্বারঃ01616960058

অতিরিক্ত [[′মে′দ•′ভূ′ড়ি•′ও′জন]] সঠিক নিয়মে ঝেড়ে ফেলুন ||

🛡️আমরা দিচ্ছি 🪪 [মানিব্যেক গ্যারান্টি]

20/07/2022

বয়েসর ছাপের হাত থেকে ত্বককে বাঁচায় যে যে খাবার

বয়স বাড়ার সঙ্গে ত্বকের গুণমান পড়তে থাকে। ত্বকে ভাঁজ পড়ে, ঔজ্জ্বল্য কমতে থাকে। একে বাংলা বয়সের ছাপ, ইংরেজিতে এজিং বলে। কিন্তু শুধুমাত্রই যে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের এই পরিবর্তন, তা না-ও হেত পারে। নানাবিধ কারণে বয়স বাড়ার আগেই মুখে বয়সের ছাপ পড়ে যায়। তার পিছনে অনেকগুলো কারণ রয়েছে।

অতিরিক্ত ধূমপান, জল কম খাওয়ার কারণে ডিহাইড্রেশন, কম ঘুমানো, ত্বকে অতিরিক্ত আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির প্রভাব। এর প্রতিটাই বেশি বয়সের আগেই মুখে বয়ের ছাপ ফেলে দেয়। তবে এই সমস্যায় সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয় মানসিক চাপ। যাঁরা দীর্ঘ অবসাদে ভোগেন বা অশান্তির মধ্যে থাকেন, তাঁদের ত্বকে এজিং বা বয়সের ছাপ অনেক দ্রুত আসে। কিন্তু এই সমস্যার প্রতিকারও আছে। কয়েকটি খাবার আপনাকে এই সমস্যার হাত থেকে বাঁচাতে পারে, বয়সের ছাপকে অনেক পিছিয়ে দিতে পারে। রইল তার তালিকা:

১। টমেটো
টমেটোয় আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে বিপুল পরিমাণে। ফলে ত্বকের গুণমান বজায় রাখতে, ত্বক টানটান রাখতে টমেটোর জুড়ি নেই। পাশাপাশি আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির হাত থেকে ত্বককে বাঁচাতেও সাহায্য করে টমেটো।

২। পাকা পেঁপে
এই পেঁপে এমনিতেই শরীরের জন্য খুব ভালো। কারণ এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে। ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফারসের মতো লবণও রয়েছে পেঁপের মধ্যে। বি কমপ্লেক্স ভিটামিনও এই ফলে কম নয়। ফলে এটি সব মিলিয়ে শরীরের জন্য খুব ভালো। আর ত্বকের জন্য যে ভালো, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

৩। শীতল জলের মাছ
শীতল জলের মাছ ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। শীতল জলের মাছের মধ্যে স্যামন এই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো। এই মাছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটোরির মতো উপাদান থাকে। তাতে ত্বকের খুব উপকার

৪। বেদানা
বেদানা অনেক অসুস্থ মানুষকেই খেতে বলেন চিকিৎসকরা। কারণ এই বেদানায় থাকে দ্রুত হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদান। রক্তাল্পতায় যাঁরা বোগেন, তাঁদের জন্য এই ফল খুব উপকারী। কিন্তু শুধুমাত্র হিমোগ্লোবিন তৈরির উপাদানই নয়, এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ফলে ত্বকের জন্যও এই ফলটি মারাত্মক কার্যকরী।

৫। গাজর
গাজরে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ। তাছাড়া এর মধ্যে রয়েছে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদানটি ত্বক পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। তাছাড়া বাতাসে থাকা দূষিত পদার্থ বা কণা, যা কি না ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি করে, তার হাত থেকেও ত্বককে রক্ষা করে এই বিটা ক্যারোটিন।

৬। অলিভ অয়েল
এই অলিভ অয়েল ত্কের জন্য খুব ভালো। এতে রয়েছে ভরপুর ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। এই তেল দিয়ে যদি নিয়মিত ত্বকে মাসাজ করা যায়, ত্বকের গুণমান বাড়ে। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা ফাটার হাত থেকে এই তেল ত্বককে রক্ষা করে। ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করে। তাই এজিং-ও শ্লথ হয়। তাছাড়া এই তেল খাওয়ায় শরীরের জন্য উপকারী।

20/07/2022

পবিত্র হাদিসে আছে কালোজিরা মৃত্যুছাড়া সকল রোগের ঔষধ

‘কালোজিরা’ অত্যন্ত উপকারি একটি প্রাকৃতিক উপাদান। রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে এর রয়েছে কার্যকরী ভূমিকা। ভেষজ চিকিৎসা থেকে শুরু করে কালোজিরা সব কজে এটি ব্যবহার করা হয়।

কালোজিরার মধ্যে রয়েছে আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, প্রোটিন ও ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবণুনাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এছাড়া রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালোজিরার জন্ম দক্ষিণে হলেও বাংলাদেশে এর ব্যবহার বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। তাছাড়া আমাদের দেশে মসলা হিসেবেও এটি ব্যবহার করা হয়। প্রাচীনকালে আয়ুর্বেদীয় ও কবিরাজি চিকিৎসায় কালোজিরা ব্যবহার করা হতো।

কালোজিরার গুনাগুণ নিয়ে বিশ্বনবী হয়রত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, ‘তোমাদের জন্য `সাম` ব্যতীত সকল রোগের আরোগ্য রয়েছে কালো জিরায়। আর সাম হলো মৃত্যু।’ তাই সব রোগের মহৌষধ হোমিওপ্যাথিক ও দেশীয় চিকিৎসায় সহযোগী ঔষধ রূপে কালোজিরার ব্যবহার।

মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কানন অব মেডিসিন’-এ বলেছেন,‘কালোজিরা দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে। কালোজিরা খাওয়ার ফলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সতেজ হয় ও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে।

কালোজিরা নিয়ে বিভিন্ন গবেষক বিভিন্নভাবে গবেষণা করে এর উপকার তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, কালোজিরা খেতে হবে পরিমিত। কেননা অনেকেরই কালোজিরা হজম করার শক্তি থাকে না। তাদের ক্ষেত্রে ধীরে-ধীরে কালোজিরা খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

আসুন, জেনে নিই কালোজিরার খাদ্যগুণ সম্পর্কে

১.রক্ত সঞ্চালন:
নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হয়। এতে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। আর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পেলে তা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। কালোজিরায় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক রয়েছে। এটি খেলে মানসিক দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং মনে প্রশান্তি এনে দেয়।

২. চুল পড়া রোধে:
কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুল পড়া রোধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও ১ চা চামচ কালোজিরার তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাসাজ করুন। ১ ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

৩. পেটে সমস্যা দূর করেঃ
পেটে যে কোনো সমস্যা থাকলে কালোজিরাই এর সমস্যা সমাধান করতে পারে। এক্ষেত্রে কালোজিরা গুঁড়ো করে তিন চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকালে টানা সাতদিন খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে।

৪. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কালোজিরার ভূমিকা অত্যন্ত অপরিসীম। এটি যেকোনো জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করবে এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি করবে।

৫. প্রসবকালীন ব্যথা নিরসনঃ
প্রসবকালীন ব্যথা কমায় কালোজিরা। প্রসবকালীন ব্যথা নিরসনে কালোজিরা বেশ সাহায্য করে। এছাড়া প্রসূতি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

৬. হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট দূরঃ
হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট আছে তাদের জন্য কালোজিরা বেশ উপকারী ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই প্রতিদিন সম্ভব না হলেও অন্তত দু-একদিন পর পর কালোজিরার ভর্তা রাখুন আপনার খাদ্য তালিকায়।

৭. রোগ বালাই দূরঃ
পাইলস, কোষ্ঠকাঠিন্য ও যকৃতের মতো বিভিন্ন সমস্যায় কালোজিরা খাবেন। এসব সমস্যা থেকে দ্রুত সেরে উঠতে কালোজিরা বেশ কাজে দেয়।

৮. মাথাব্যথা দূর করেঃ
অনেকের যখন-তখন মাথাব্যথা উঠে, তাদের জন্য কালোজিরা খুব কাজে দেয়। তাই কালোজিরার ভর্তা খাওয়ার পাশাপাশি সবসময় মুখে নিয়ে চিবোতে থাকবেন।

৯. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ
কালোজিরা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ সহায়ক। কালোজিরা ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

১০. সর্দি কাশি দূর করেঃ
প্রচণ্ড সর্দি বা হাঁচি হলে একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে কালোজিরা। এক টুকরো নরম কাপড়ে অল্প পরিমাণে শুকনো কালোজিরা নিয়ে বেঁধে হাতের তালুতে ঘষে নিতে হবে। এতে যে গন্ধটা বের হয় তা খুবই উপকারী। এটি নাকের কাছে নিয়ে গন্ধ শুঁকতে হবে।

১১. চর্ম রোগঃ
শরীরে চর্মরোগ দূর করতে কালোজিরার ভূমিকা রয়েছে। কালোজিরা থেকে যে তেলটি তৈরি হয়, সেটি আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে মালিশ করতে হবে অথবা পুরো শরীরে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

Photos from Happy natural life's post 20/07/2022

অনেক প্রয়োজনীয়

20/07/2022
Photos from Happy natural life's post 20/07/2022

সাজনা পাতার গুণাগুণ : বিজ্ঞানীরা মনে করেন সজিনার পাতা পুষ্টিগুণের আঁধার। নিরামিষভোগীরা সজিনার পাতা থেকে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন। পরিমাণের ভিত্তিতে তুলনা করলে একই ওজনের সজিনা পাতায় কমলা লেবুর ৭ গুণ ভিটামিন-সি, দুধের ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ, গাজরের ৪ গুণ ভিটামিন-এ, কলার ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান। বিজ্ঞানীরা আরও বলেন, সজিনা পাতায় ৪২% আমিষ, ১২৫% ক্যালসিয়াম, ৬১% ম্যাগনোসিয়াম, ৪১% পটাশিয়াম, ৭১% লৌহ, ২৭২% ভিটামিন-এ এবং ২২% ভিটামিন-সি সহ দেহের আবশ্যকীয় বহু পুষ্টি উপাদান থাকে।


এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে। দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

সাজনা ঔষধি গুণাগুণ : ভারতীয় আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র মতে, সজিনা গাছ ৩০০ রকমের রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। আধুনিক বিজ্ঞানও এ ধারণাকে সমর্থন করে। সজিনার কচি পড সবজি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। সজিনার বাকল, শিকড়, ফুল, ফল, পাতা, বীজ এমনকি এর আঠাতেও ঔষধিগুণ আছে।


০১. শরীর ব্যথা : শরীরের কোনো স্থানে ব্যথা হলে বা ফুলে গেলে সজিনার শিকড়ের প্রলেপ দিলে ব্যথা ও ফোলা সেরে যায়।
০২. কান ব্যথা : সজিনার শিকড়ের রস কানে দিলে কানের ব্যথা সেরে যায়।
০৩. মাথা ব্যথা : সজিনার আঠা দুধের সাথে খেলে মাথা ব্যথা সেরে যায়। আঠা কপালে মালিশ করলে মাথা ব্যথা সেরে যায়।
০৪. ফোঁড়া সারায় : সজিনার আঠার প্রলেপ দিলে ফোঁড়া সেরে যায়।
০৫. মূত্রপাথরি ও হাঁপানি : সজিনা ফুলের রস দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে মূত্রপাথরি দূর হয়। ফুলের রস হাঁপানি রোগের বিশেষ উপকারী।
০৬. গ্যাস থেকে রক্ষা : সজিনা পাতার রসের সাথে লবণ মিশিয়ে খেতে দিলে বাচ্চাদের পেট জমা গ্যাস দূর হয়।
০৭. কুকুরের কামড়ে : সজিনা পাতা পেষণ করে তাতে রসুন, হলুদ, লবণ ও গোলমরিচ মিশিয়ে সেবন করলে কুকুরের বিষ ধ্বংস হয়।
০৮. জ্বর ও সর্দি : পাতার শাক খেলে যন্ত্রণাধায়ক জ্বর ও সর্দি দূর হয়।
০৯. বহুমূত্র রোগ : সজিনা পাতার রসে বহুমূত্র রোগ সারে।
১০. কোষ্ঠকাঠিন্য ও দৃষ্টিশক্তি : সজিনার ফুল কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে।
১১. সজিনা ফুল দুধের সাথে রান্না করে নিয়মিত খেলে কামশক্তির বৃদ্ধি ঘটে। এর চাটনি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
১২. গেঁটে বাত : সজিনার ফল নিয়মিত রান্না করে খেলে গেঁটে বাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
১৩. ক্রিমিনাশক ও টিটেনাস : সজিনার কচি ফল ক্রিমিনাশক, লিভার ও প্লীহাদোষ নিবারক, প্যারালাইসিস ও টিটেনাস রোগে হিতকর।
১৪. অবশতা, সায়াটিকা : সজিনার বীজের তেল মালিশ করলে বিভিন্ন বাত বেদনা, অবসতা, সায়াটিকা, বোধহীনতা ও চর্মরোগ দূর হয়।
১৫. পাতার রস হৃদরোগ চিকিৎসায় এবং রক্তের প্রবাহ বৃদ্ধিতে ব্যবহার

20/07/2022

প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য


আমলকীর ২০টি উপকারিতা
ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন
প্রকাশিত : ১০:১১, ৭ নভেম্বর ২০২০

A- A A+

আমলকী হল আমাদের দেহের জন্য সবচাইতে উপকারি ভেষজের মাঝে একটি। এটি আপনি প্রতিদিনই খেতে পারেন এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। বরং আছে দারুণ সব উপকার।

১) আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।

২) এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

৩) আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

৪) এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু'বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

৫) আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে।

৬) প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

৭) আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।

৮) আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

Photos from Happy natural life's post 16/07/2022

ন্যাশনাল নিউট্রিশন উইক: সপ্তাহে ৩-৪ দিন ৩টে করে কাঁঠালের কোয়া খেতে কেন বলছেন চিকিৎসকেরা?

চিকিৎসকেরা কিছু খেতে কেন বলেন? কেন আবার বলবেন নিশ্চয় কিছু উপাকারিতা আছে তাই এমন উপদেশ দিচ্ছেন! একেবারে ঠিক! তাহলে এখন প্রশ্ন হল কাঁঠালের এমন কী উপকারিতা আছে যে এই ফলটি না খেলে শরীরের বিপদ হয়ে যাবে? আসলে বন্ধু এই "ট্রপিকাল" ফলটির অন্দরে মজুত রয়েছে ১৫৫ ক্যালরি, ৪০ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ গ্রাম ফাইবার, ৩ গ্রাম প্রোটিন, দিনের চাহিদার ১০ শতাংশ ভিটামিন এ, ১৮ শতাংশ ভিটামিন সি, ১১ শতাশ রাইবোফ্লবিন এবং ১৪ শতাংশ পটাশিয়াম। সেই সঙ্গে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ এবং কপারের মতো খনিজ,

১। চুলের সৌন্দর্য বাড়ে:

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে কাঁঠাল খাওয়া মাত্রা নানা কারণে সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধি রক্তের প্রবাহ বেড়ে যায়, যে কারণে দেহের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি চুলের গোড়ায় পুষ্টির ঘাটতি দূর হতেও সময় লাগে না। ফলে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

২। ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে:

ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে উঠতে কে না চায় বলুন! কিন্তু এই স্বপ্ন কীভাবে পূরণ হবে সে সম্পর্কে যদিও অনেকেই খোঁজ রাখেন। এই যেমন কাঁঠালের কথাই ধরুন না। এই ফলটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে যে ত্বক ফর্সা হয়ে উঠতে পারে, সে সম্পর্কে কি আপনাদের জানা ছিল! আসলে এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত ফাইবার, শরীরে প্রবেশ করার পর দেহে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।
৩।.হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:

হে খাদ্যরসিক বাঙালি এদিক-সেদিক খাওয়ার কারণে কী গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা রোজের সঙ্গী হয়ে উঠেছে? তাহলে তো বেশি করে কাঁঠাল খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত ডায়াটারি ফাইবার, একদিকে যেমন পাকস্থলির ক্ষমতা বাড়ায়, তেমনি পাচক রসের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজমের উন্নতি ঘটতে সময়ই লাগে না। প্রসঙ্গত, নানাবিধ পেটের রোগের প্রকোপ কমাতেও কাঁঠালের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। Most read: জল খেলেও কি অম্বলের সমস্যা দেখা দেয়? তাহলে তো পেটের হাল ফেরাতে এই খাবারগুলি খেতেই হবে!

৪। ভিটামিন এ-এর ঘাটতি মেটে:

ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে এবং কোষের গঠনে এই ভিটামনটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই বিশেষ ভিটামিনটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে কাঁঠালে। তাই তো এই ফলটি খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতি হাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ফলে শরীরের কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

৫। ডায়াবেটিসের মতো রোগ ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কাঁঠালে উপস্থিত ফাইবার এবং প্রাকৃতিক সুগার, রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বেড়ে যাওয়ার কারণে ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

৬। এনার্জির ঘাটতি দূর হয়:

গরমটা যা বেড়েছে তাতে অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পরাটা বেজায় স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু জানেন কি কাঁটাল খাওয়া শুরু করলে ক্লান্তিবোধ দূর হতে সময় লাগে না। কারণ এই ফলটির অন্দরে উপস্থিত ভিটামিন বি এবং প্রোটিন, দেহের অন্দরে এনার্জির ঘাটতি দূর করে। ফলে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়ে চোখে পরার মতো।
৭। ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে:

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে কাঁঠালে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট এবং ফ্লবোনয়েড রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে শরীরকে ভিতর থেকে এতটা শক্তিশালী কোরে তোলে যে ক্যান্সার কোষ জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ডি এন এ-কে সুরক্ষা প্রদানের মধ্যে দিয়েও ক্যান্সারে রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৮। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে:

কাঁঠালে উপস্থিত পটাশিয়াম শরীরের অন্দরে প্রবেশ করার পর সোডিয়াম লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। ফলে রক্তচাপ কমতে একেবারেই সময় লাগে না। এই কারণেই তো ব্লাড প্রেসারে ভুগতে থাকা রোগীদের রোজের ডায়েটে দু কোয়া করে কাঁঠাল রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। প্রসঙ্গত, শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ বাড়তে শুরু করলে ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ফলে রক্তেচাপ তো কমেই, সেই সঙ্গে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৯. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে:

স্ট্রেস এবং পরিবেশ দূষণের কারণে কি ত্বকের সৌন্দর্য হারিয়ে যেতে বসেছে? সেই সঙ্গে এমনভাবে বলিরেখা প্রকাশ পয়েছে যে ত্বকের বয়সও গেছে বেড়ে? তাহলে বন্ধু আজ থেকেই কাজে লাগাতে শুরু করুন কাঁঠালকে। দেখবেন দারুন উপকার মিলবে। এক্ষেত্রে কাঁঠালের বীজকে কিছুক্ষণ জলে ভিজিয়ে রাখার পর সেটি গুঁড়ো করে মুখে লাগালে বলিরেখা তো কমবেই, সেই সঙ্গে ত্বকের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্যও ফিরে আসবে। প্রসঙ্গত, টানা ৬ সপ্তাহ যদি এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগাতে পারেন, তাহলে ত্বকের সৌন্দর্য নিয়ে যে আর কোনও চিন্তাই থাকবে না, সে কথা হলফ করে বলতে পারি।

১০. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে:

এই ফলটির অন্দরে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন নামক একটি উপাদান, যা চোখের অন্দরে 'অক্সিডেটিভ স্ট্রেস' এর মাত্রা কমায়। ফলে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার আশঙ্কা যেমন হ্রাস পায়, তেমনি নানাবিধ চোখের রোগও ধারে কাছে

১১. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:

প্রচুর মাত্রায় ফাইবার থাকার কারণে একবাটি কাঁঠাল খেলে এত মাত্রায় পেট ভরে যায় যে বহুক্ষণ ক্ষিদে পায় না। ফলে খাবার খাওয়ার মাত্রা কমতে থাকে। আর এমনটা হলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ ঘটে কমে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা হ্রাস পায়। শুধু তাই নয়, শরীরে জমে তাকা অতিরিক্তি চর্বি ঝরে যেতেও সময় লাগে না।

16/07/2022

নবজাতকদের সুস্থ রাখতে হেল্থ গাইড!

শিশু মাত্রই সে স্পর্শকাতর। বিশেষত শিশুদের ত্বক নরম হওয়ায় খুব সহজেই তাঁরা নানারকম সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে পরে। বিশেষ করে জন্মের পরের কয়েক মাস বেশিরভাগ শিশুই নানাবিধ ত্বকের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। তাই তো মা-বাবাদের সেদিকে সব সময় নজর রাখা উচিত। তবে কোনও কোনও সময় বেশ কিছু ত্বকের সমস্যা এতটাই বেড়ে যায় যে চিন্তার কারণ হয়ে ওঠে। সেই কারণেই তো মা-বাবাদের তাদের শিশুদের ত্বকের সমস্যা সম্পর্কে সাধারণ কিছু ধারণা থাকা একান্ত প্রয়োজন, যাতে আক্রান্ত শিশু সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পেতে পারে। কচিকাঁচাদের এমনই কিছু ত্বকের সমস্যা নিয়ে আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদন।

ত্বক হল শরীরের একটি অন্যতম অঙ্গ, যা নানা রকমের জীবাণুকে শরীরে ঢুকতে বাধা দেয়। তবে ত্বকের বেশীরভাগ অংশই যেহেতু উন্মুক্ত থাকে, তাই অনেকক্ষেত্রেই মারাত্মক ধরণের কিছু জীবাণুকে আটকানো স্কিনের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। তখন ত্বক নানা রকম সমস্যা দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পরে। আর এমনটা যদি শিশুদের সঙ্গে হয়, তাহলে তো কথাই নেই! সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। প্রসঙ্গত, যে যে স্কিনের রোগে নবজাতকেরা বেশি মাত্রায় আক্রান্ত হয়ে থাকে, সেগুলি হল...

ব্রণ বা ফুসকুড়ি:
ব্রণর সমস্যা শুধুই যে বড়দের হয়, এমন নয়। এই ধরনের ত্বকের রোগ শিশুদেরও হতে দেখা যায়। অনেক সময় নতুন পরিবেশ, কখনও আবার মায়ের হরমোনের সমস্যা দেখা দিলেও তা শিশুর ত্বকে আক্রমণ করে বসে। কারণ শিশুরা মায়ের দুধের ওপরই বেশীরভাগ সময় নির্ভরশীল থাকে। এছাড়াও জন্মের সময়ই অনেক শিশুর ত্বকে অ্যাকনে বা ফুসকুড়ি দেখা যায়। সেক্ষেত্রে এই ধরণের সমস্যা জন্মের প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যেও দেখা যেতে পারে। শিশুদের গাল, পিঠ এবং কপালেই প্রধানত অ্যাকনে দেখা যায়। অ্যাকনে হওয়ার নানা কারণও আছে। যেমন, মায়ের দুধ পান করার থেকে হতে পারে, আবার খুব শক্ত এবং খসখসে কাপড় ব্যবহার করলেও হতে পারে। এমনকি খুব ক্ষার জাতীয় ডিটারজেন্ট বা সাবান দিয়ে শিশুদের জামাকাপড় ধুলেও তার থেকে এই ধরণের ত্বকের সমস্যা হতে পারে।

চিকেন পক্স
শিশুদের ক্ষেত্রে চিকেন পক্স হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। মাথা যন্ত্রণা, জ্বর, খিদের অভাব, বমি বমি ভাব এবং গায়ে ব্যাথা ইত্যাদি উপসর্গ দিয়েই শুরু হয় চিকেন পক্স। শিশুরা তাদের কষ্ট বলে বোঝাতে পারে না বলে তাদের এই ধরণের সমস্যাগুলি বোঝা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে শিশুদের শরীর লক্ষ্য করে দেখতে হয় যে, কোনও জল ভরা ফুসকুড়ির মতো হয়েছে কিনা। এটি সাধারণত আকারে ছোট এবং লালচে হয়। এই ফুসকুড়িগুলো যন্ত্রণাদায়ক হয় না ঠিকই, কিন্তু চিকেন পক্স সেরে ওঠার সময় এগুলো চুলকানির সৃষ্টি করে। প্রসঙ্গত, চিকেন পক্স মূলত ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। যদিও কয়েকদিনের মধ্যে সেরেও যায়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এই ধরণের সমস্যায় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া একান্ত জরুরি। এছাড়াও গায়ের চুলকানি ভাব কমাতে ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময় শিশুকে সঠিক আহার এবং যত্নের মধ্যে রাখতে হয়।

একজিমা
শিশুদের ত্বকের আরও একটি সমস্যা হল একজিমা। শরীরের যে কোনও অংশে, বিশেষত হাত, ভুরু, গলা, মুখ এবং হাঁটুর পিছনের দিকে এই ধরনের চর্ম রোগ হয়ে থাকে। একজিমা মূলত লালচে রঙের, শুষ্ক গোলাকার আকৃতি বিশিষ্ট হয়। বেশিরভাগ সময় চুলকানি দেখা যায় এক্সিমার ক্ষেত্রে। কিছুদিন পরে এগুলি থেকে পুঁজ বেরোতে থাকে, কখনও কখনও রক্তও বেরোয়। যদিও শিশুরা বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনা আপনি এই ধরণের সমস্যা ঠিক হতে শুরু করে।

হাম
ছোটবেলায় হাম হয়নি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। শিশুদের যে ধরণের ত্বকের সমস্যায় বেশি ভুগতে দেখা যায়, তার মধ্যে অন্যতম হল হাম। এই রোগের সূত্রপাত ঘটে খুব সাধারণ ভাবেই। যেমন, নাক দিয়ে জল পড়া, জ্বর, চোখ ফুলে যাওয়া এবং চোখের চারপাশে কালশিটে পড়া, সর্দি এবং মুখের ভেতরে সাদা রঙের ফুসকুড়ি হওয়া ইত্যাদি। এর কিছুদিন পরেই শরীরের বেশ কিছু অংশ, যেমন মুখ, গলা, কানের পিছনে লালচে দাগ বিশিষ্ট ছোট ছোট অসংখ্য অ্যাকনের মতো দেখা দেয়। ৫-৬ দিন থাকার পর এগুলি ধীরে ধীরে ঠিক হতে শুরু করে। যদিও এই সময় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া অবশ্যই দরকার।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


CDA Avenue Chittagong
Chittagong
4200