Sadia Jannat Blog
Video Creator
আমিই মনে হয় একমাত্র ব্যাক্তী
যে চাঁদের পিক তুলে
ফেসবুক-স্ট্যটাস দেইনি😓
নখ বৃদ্ধি করা সুন্নাহ বিরোধী কাজ, আর এতে চতু-ষ্পদ জানো-য়ারের সাদৃশ্যতাও রয়েছে।”
--- শাইখ ইবনু বায (রাহিমাহুল্লাহ)
[মাজমূয়ুল ফাতাওয়া, ১০/৪৯]
❤️একবার ফলো করে Done লেখো ❤️
বেক না পেলে ফলো তুলে নিও✅
১০০% পেতে হলে। আমাকে ফলো করতে পারো❤️🚀✅🌹
ফজরের নামাজ পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম একটি। অন্য চার ওয়াক্তের চেয়ে ফজরের নামাজ অধিক গুরুত্বপূর্ণ। ফজর নামাজ আদায় করলে বহু সওয়াব ও পুরস্কারের কথা হাদিসে উল্লেখ হয়েছে।
যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো...।
(মুসলিম, হাদিস : ১৩৭৯)
উত্তম দিনযাপন
ফজর নামাজ আদায়ের জাগতিক বহু উপকার রয়েছে। রাসুল (সা.) এক হাদিসে বলেন, ‘তোমাদের কেউ ঘুমিয়ে পড়লে, শয়তান তার ঘাড়ের পেছনে তিনটি গিঁট দেয়। প্রতি গিঁটে সে এই কথা বলে, তোমার সামনে দীর্ঘ রাত অপেক্ষা করছে; অতএব তুমি শুয়ে থাকো। অতঃপর সে যদি জাগ্রত হয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে একটি গিঁট খুলে যায়। অজু করলে আরেকটি গিঁট খুলে যায়। অতঃপর নামাজ আদায় করলে আরেকটি গিঁট খুলে যায়। তখন তার সকাল হয় উত্ফুল্ল চিত্তে ও প্রফুল্ল মনে। না হয়, সে সকালে কলুষ কালিমা ও আলস্য নিয়ে ওঠে।’
সবকিছুর চেয়ে উত্তম
আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘ফজরের দুই রাকাত নামাজ দুনিয়া ও দুনিয়ার সবকিছুর চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৫৭৩)
অর্ধরাত ইবাদতের সওয়াব
মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে এশার নামাজ আদায় করল, সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত (নফল) নামাজ আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করল, সে যেন সারা রাত জেগে নামাজ আদায় করল।’ (মুসলিম, হাদিস : ১৩৭৭)
মুনাফিকির তালিকা থেকে বাদ
মহানবী (সা.) বলেন, ‘মুনাফিকদের জন্য ফজর ও এশার নামাজের চেয়ে অধিক ভারী কোনো নামাজ নেই। এ দুই নামাজের ফজিলত যদি তারা জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও মসজিদে উপস্থিত হতো।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৫৭)
জাহান্নাম থেকে মুক্তি
রাসুল (সা.) হাদিসে বলেন, ‘এমন কোনো ব্যক্তি জাহান্নামে যাবে না, যে সূর্যোদয়ের ও সূর্যাস্তের আগের নামাজ আদায় করে।’ অর্থাৎ ফজর ও আসরের নামাজ। (মুসলিম, হাদিস : ১৩২২)
পূর্ণ নুরের সুসংবাদ
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন—
রাতের অন্ধকারে মসজিদগুলোতে যাতায়াতকারীদের কিয়ামতের দিনের পরিপূর্ণ নুরের সুসংবাদ দাও।
(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৭৮১)
ফেরেশতাদের সাক্ষাৎ
এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘ফেরেশতারা পালাবদল করে করে তোমাদের মাঝে আসেন; একদল দিনে আসে, আরেক দল আসে রাতে। আসর ও ফজরের নামাজে উভয় দল একত্রিত হন। অতঃপর তোমাদের মাঝে রাত যাপনকারী দলটি আসমানে চলে যান। তখন আল্লাহ তাআলা তাদের জিজ্ঞেস করেন, আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় রেখে এলে? অথচ তিনি তাদের ব্যাপারে সর্বাধিক অবগত। জবাবে তাঁরা বলেন, আমরা তাদের নামাজে রেখে এসেছি। আর আমরা যখন তাদের কাছে গিয়েছিলাম, তখনো তারা নামাজরত ছিলেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৫৫)
আল্লাহর সাক্ষাৎ
জারির বিন আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, ‘একবার আমরা নবী করিম (সা.)-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তিনি রাতে (পূর্ণিমার) চাঁদের দিকে তাকিয়ে বলেন, ওই চাঁদকে তোমরা যেমন দেখছ, ঠিক তেমনি অচিরেই তোমাদের প্রতিপালককে তোমরা দেখতে পাবে। তাঁকে দেখতে তোমরা কোনো ভিড়ের সম্মুখীন হবে না। কাজেই সূর্যোদয়ের আগের ও সূর্যাস্তের আগের নামাজ আদায় করতে পারলে— তোমরা তা-ই করবে।’ (সুরা কাহফ, আয়াত : ৩৯)
আল্লাহ তাআলা আমাদের নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়ার তাওফিক দান করুন।
আল্লাহর ভয়ে তুমি যা কিছু ছেড়ে দিবে, আল্লাহ্ তোমাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু অবশ্যই দান করবেন।”
—হযরত মোহাম্মদ (সঃ)
18/02/2023
ইসলামিক মোটিভেশনাল উক্তি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chattagram
Chittagong
0088
