Fitness Health Lab
Welcome to Fitness Health Lab, not business, service is our main goal, stay with us to get something good.
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
27/07/2022
এখন ঘরে বসেই Hand To Hand ক্যাশ অন ডেলিভারিতে প্রোডাক্ট পাচ্ছেন কোনো রকম টেনশন ছাড়া। আপনার হাতের নাগালেই পৌছে দিচ্ছি আমরা।
25/07/2022
Alhamdulillah Delivery complete 😻
বিশ্বাস আর ভালোবাসা থাকলে আরো বেশি করে ডেলিভারি দিতে পারবো ইন শা আল্লাহ!! 🤍
20/07/2022
আসসালামু আসালাইকুম
🖐️মে"দ ভূ"ড়ি ও"জন ক"মান স্থা"য়ী'ভাবে🖐️
🔹আমাদের সকলেরই জানা যে মে"দ ভূ"ড়ি আমাদের স্বা"স্থ্যে'র জন্য কতটা ক্ষ"তি-কর।🍀
🔹যা শুধু অ স্বা"স্থ্য'কর না অ"সুন্দর ও ব"টে-🖐️
🔹এবার আপনা"কে স্লি"ম ফি"ট-নেস এনে দি"বে ন্যা"চা-রাল জুস সা"প্লি"মেন্টে যা স্থা"য়ী ভা'বে কাজ করে।🍀🖐️
আরো বিস্তা"রিত জা'নতে ইন"বক্সে ম্যা"সেজ করুন অথ'বা কল করু'ন পেই'জে দেওয়া নাম্বারে।
20/07/2022
জেনে নিন স্ট্রবেরির গুণাগুণ:
১. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ ফল।
২. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগীদের জন্য এটি ভালো। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।
৩. স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়।
৫. বিভিন্ন রকম সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
৬. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর ফাইবার, যা ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৮. চুল পড়া রোধ করে।
৯. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
১০. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।
20/07/2022
দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-
হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।
ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।
বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।
চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে। দারুচিনির ৫-৬টি পাতা পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও চকচকে হয়।
মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। এরপর গরুর ঘিও নাক দিয়ে নিন। এটি মাথা ব্যাথা সংক্রান্ত রোগে উপশম দেয়।
স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কিত সমস্যার জন্য আপনি আপনার মাথার ত্বকে দারুচিনি তেল লাগাতে পারেন। এতে উপকার হয়।
সাধারণ সর্দি-কাশির জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ পানিতে দারুচিনি পিষে, গরম করে পেস্ট হিসেবে লাগান। এটি ঠান্ডায় উপকারী। দারুচিনির রস বের করে মাথায় লাগালেও উপকার পাওয়া যায়।
কাশি রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ কাশি নিরাময়ে দারুচিনি ব্যবহার উপকারী। কাশিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সকাল-সন্ধ্যা আধা চা চামচ দারুচিনির গুঁড়া ২ চামচ মধুর সঙ্গে খেতে হবে। এটি কাশি থেকে মুক্তি দেয়। দারুচিনি পাতার একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি খেলে কাশি সেরে যায়। এক চা চামচ মধুর সাথে এক চতুর্থাংশ দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিনে তিনবার খেলে কাশি ও ডায়রিয়ায় উপশম হয়।নাকের রোগের চিকিৎসায় দারুচিনি এর উপকারিতাঃ 3½ গ্রাম দারুচিনি, 600 মিলিগ্রাম লবঙ্গ, 2 গ্রাম শুকনো আদা এক লিটার পানিতে ফুটিয়ে নিন। যখন এই পানি 250 মিলি থাকে তখন এটি ছেঁকে নিন। এটি দিনে তিনবার খেলে নাকের রোগে উপকার পাওয়া যায়। আপনাকে এটি 50 মিলি পরিমাণে নিতে হবে।
পেট ফাঁপাতে দারুচিনির উপকারিতাঃ পেট সংক্রান্ত অনেক রোগে দারুচিনি খুবই উপকারী। 5 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার মধ্যে 1 চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে 3 বার সেবন করুন। পেট ফাঁপা নিরাময় হয়।
কোলেস্টেরল বা ওজন কমানোর জন্য দারুচিনি পাউডারের ব্যবহারঃ যাদের শরীরের ওজন বাড়তি, তারা ওজন কমাতে নানা ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন। আপনিও স্থূলতা কমাতে দারুচিনির ব্যবহার করতে পারেন। এক কাপ পানিতে দুই চামচ মধু এবং তিন চামচ দারুচিনির গুঁড়া (ওজন কমানোর জন্য দারুচিনি ও মধু) মিশিয়ে নিন। এটি প্রতিদিন 3 বার সেবন করুন। এটি কোলেস্টেরল কমায়।ডায়রিয়া বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ 5 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার মধ্যে 1 চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এটি দিনে 3 বার সেবন করুন। এটি ডায়রিয়ায় উপকারী। 750 মিলিগ্রাম দারুচিনি পাউডারে 750 মিলিগ্রাম ক্যাচু পাউডার মেশান। দিনে তিনবার পানির সাথে পান করুন। এতে ডায়রিয়া বন্ধ হয়। একইভাবে 4 গ্রাম দারুচিনি, 10 গ্রাম ক্যাচু একসাথে পিষে নিন। এতে 250 মিলি ফুটন্ত জল দিন এবং এটি ঢেকে দিন। দুই ঘণ্টা পর ফিল্টার করে দুই ভাগ করে পান করুন। এতে ডায়রিয়া বন্ধ হয়।বেলগিরির শরবতে 2-5 গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি সকালে ও সন্ধ্যায় পান করলে ডায়রিয়ার সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করলে পেট সংক্রান্ত রোগে উপকার পাওয়া যায়। দারুচিনির মূল এবং বাকলের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। এটি 10-20 মিলি পরিমাণে পান করুন। এটি পেটের অসুখ, ডায়রিয়ায় উপকারী।
পেটের সমস্যায় দারুচিনির ব্যবহারঃ দারুচিনি (দারুচিনি), এলাচ এবং তেজপাতা সমান পরিমাণে নিয়ে একটি ক্বাথ তৈরি করুন। এর সেবনে পেটের খিঁচুনি সেরে যায়। দারুচিনির 5-10 মিলি তেল 10 গ্রাম চিনির সাথে মিশিয়ে খেলে পেটের ব্যথা ও বমি উপশম হয়।
অন্ত্রের রোগে দারুচিনির উপকারিতাঃ অন্ত্র সুস্থ রাখতে দারুচিনি ব্যবহার করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়। সিনামন (দারুচিনি) তেল পেটে মালিশ করলে অন্ত্রের চাপ দূর হয়।
গর্ভাবস্থার পরে দারুচিনির উপকারিতাঃ ত্রিকটু, পিপ্রমূল, দারুচিনি, এলাচ, তেজপাট এবং আকরকরা নিন। এর গুঁড়া ১-২ গ্রাম মধুর সাথে চেটে নিন। এর ফলে মা হওয়া মহিলাদের রোগ সেরে যায়।
চর্মরোগের সাথে লড়াইয়ে দারুচিনির উপকারিতাঃ চর্মরোগ সারাতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে রোগাক্রান্ত অংশে লাগান। দেখবেন চুলকানি, এলার্জি, ফোঁড়া কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো হতে শুরু করবে।
জ্বরে দারুচিনির উপকারিতাঃ ১ চা চামচ মধুতে ৫ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। সকাল, বিকাল ও সন্ধ্যায় খেলে সর্দি-কাশির সঙ্গে আসা সংক্রামক জ্বর সেরে যায়।
বধিরতা সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ বধিরতা এমন একটি রোগ যা জীবনকে কঠিন করে তোলে। বধিরতার চিকিৎসায়ও দারুচিনি উপকারী। এর জন্য কানে ২ ফোঁটা দারুচিনি তেল দিন। বধিরতায় উপকার আছে।
দারুচিনি ব্যবহার করে রক্তপাত বন্ধ করুনঃ ফুসফুস বা জরায়ু থেকে রক্তপাত হলে 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। সকালে, বিকেলে এবং সন্ধ্যায় ক্বাথ পান করতে হবে। এতে উপকার হয়। শরীরের কোন অংশ থেকে রক্তপাত হলে এক চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো এক কাপ পানির সাথে খান। এটি 2-3 বার খেতেসাইনাসের চিকিৎসায় দারুচিনির ব্যবহারঃ দারুচিনি, কালো দুধ এবং বারবেরি একটি পেস্ট তৈরি করুন। এটির একটি পেস্ট তৈরি করুন। নাকের ভিতরে সাইনাসে একটি ক্ষত তৈরি হয়, সেই ক্ষতের উপর লাগান। এটি দিয়ে ক্ষতটি পূরণ করুন। এটি সাইনাসে উপকারী।
টিবি রোগে দারুচিনির উপকারিতাঃ যক্ষ্মা একটি মারাত্মক রোগ যা সারা দেশে বহু মানুষকে আক্রান্ত করে। দারুচিনি টিবি চিকিৎসায় উপকারী। যক্ষ্মা রোগীকে অল্প পরিমাণে দারুচিনির তেল পান করতে হবে। এটি টিবির জীবাণুকে মেরে ফেলে।
আর্থ্রাইটিস চিকিৎসায় দারুচিনি এর উপকারিতাঃ 10-20 গ্রাম দারুচিনির গুঁড়ার সঙ্গে 20-30 গ্রাম মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। বেদনাদায়ক জায়গায় আলতো করে ম্যাসাজ করুন। এতে উপকার হবে। এর সাথে এক কাপ হালকা গরম পানিতে ১ চা চামচ মধু এবং ২ গ্রাম দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি সকালে, বিকেলে এবং সন্ধ্যায় সেবন করুন। গাউটে উপকার দেয়। দারুচিনি পাতার তেল লাগালে আর্থ্রাইটিসেও আরাম পাওয়া যায়।
20/07/2022
মাইগ্রেন, সাইনাস, গলা ও মাথাব্যথায়
তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে হবে। কিন্তু রোগ সারাতে হলে প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু গরম এক কাপ পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে মাইগ্রেনের সমস্যা দূর হবে।
আহারে রুচি আসে, ক্ষুধা বাড়ায়, হজমে সহায়তা করে
সামান্য লবণ দিয়ে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেলে আহারে রুচি আসে।
কাশি কমায়, কফ দূর করে
প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে কাশি কমে, কফ দূর হয়।পাকস্থলী ও লিভারের শক্তিবর্ধক
সমপরিমাণে আদার গুঁড়া, মধু ও আমলকীর গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে রেখে প্রতিদিন তিনবার চা হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে পাকস্থলী ও লিভারের শক্তি বৃদ্ধি পাবে।
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজে আসবে। ডায়েবেটিস রোগীদের মধু বাদ দিয়ে খেতে হবে।আমাদের প্রাচীন চিকিৎসাব্যবস্থায় আদা একটি অপরিহার্য উপাদান। এর গুণাগুণের কারণে আমাদের খাদ্যে এর প্রচলন চলে এসেছে। আমরা প্রতিদিন রান্নায় যে আদা খেয়ে থাকি, তাতে কিছু উপকার হলেও ঔষধি উপকার পেতে হলে নিয়ম করে আদা খেতে হবে আর যেখানে আদা ছেঁচে বা পিষে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে তা শুধু যখন খাবেন, তখনই ছেঁচে বা পিষে খেতে হবে।হৃদ্রোগ
হৃদ্রোগের বিভিন্ন উপায় আছে প্রাকৃতিক উপায়ে নিরাময়ের জন্য। যাঁদের হৃদ্রোগ আছে কিন্তু উচ্চরক্ত চাপ নেই, তাঁরা দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খাবেন। সেই সঙ্গে গ্যাসজনিত সমস্যা থাকলে সাত দিন এক চা–চামচ আদার রস গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খাবেন। ধৈর্যসহ নিয়মিত এ নিয়মে চললে হৃদ্রোগের সমস্যা দূর হতে থাকবে।
জ্বর জ্বর, বমি বমি ভাব
এক চা–চামচ আদার রস গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খেলে জ্বর জ্বর ভাব ও বমি বমি ভাব কেটে যাবে।অস্টিওআর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাড়ের জয়েন্টের ব্যথা
মূলত এ রোগগুলোর কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। শরীরের ওজন ঠিক রেখে, নির্দিষ্ট ব্যায়াম ও দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস, মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে এর তীব্রতা কমে। যেহেতু এ রোগ হওয়ার অন্যতম কারণ শরীরে পানি ও ক্যালসিয়াম ঘাটতি, সেহেতু পানি খাওয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে।হাঁপানি ও ফুসফুসে সংক্রমণ
ফুসফুসের ধমনিতে কোনো সংক্রমণ থাকলে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হলে অথবা হাঁপানি থাকলে প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস, মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেলে এবং ঠান্ডাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চললে ১৫ দিনের মধ্যে এর সুফল পাবেন।শরীরের ভেতরের বায়ু ও কোষ্ঠবদ্ধতা, পেটে গ্যাস, কোনো খাবার খেলেই গ্যাস বের হতে থাকে, সেই সঙ্গে কোষ্টকাঠিন্য, প্রতিদিন মলত্যাগ হয় না, মলে দুর্গন্ধ এবং শক্ত, তাঁদের জন্য প্রথম সাত দিন এক চা–চামচ আদার রস এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে ছয় থেকে সাতবার খেতে হবে। এতে সমস্যার কিছুটা সমাধান হবে; তারপর প্রতিদিন দুবেলা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে খেতে হবে। তাহলে গ্যাসের স্থায়ী সমাধান মিলবে। মনে রাখতে হবে, গ্যাসের সমস্যার প্রধান কারণ শরীর বিরুদ্ধ খাবার; আসলে যে খাবার আপনার শরীরের জন্য ক্ষতিকর তা এড়িয়ে গেলে কোনো ওষুধেরই প্রয়োজন হয় না।আমাশয়, পেটফাঁপা, পেটব্যথা
যাঁরা এসব সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য খাওয়ার পর এক কাপ গরম পানিতে এক চা–চামচ আদার রস মিশিয়ে খেলে আমাশয়, পেটফাঁপা, পেটব্যথা দূর হবে। যাঁরা এ সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন, তাঁরা এক চা–চামচ করে আদার রস, লেবুর রস ও মধু, একত্রে এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে চায়ের মতো করে দিনে এবং রাতে নিয়মিত খেলে সুফল পাবেন।
20/07/2022
শুধু উপকারিতা নয়, রসুনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও আপনার অবশ্যই জানা উচিত!
রসুনের উপকারিতা ও ক্ষতিকর উভয় দিক রয়েছে। খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। খালি পেটে রসুন খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। গর্ভবতী নারীদের রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আমাদের শরীরের অনেক সমস্যার জন্যই রসুন খুব উপকারি। তবে সবার শরীরের জন্যই যে ভালো ফল নিয়ে আসবে তা কিন্তু নয়। রসুনের কিছু কিছু গুণের জন্য আপনার শারীরিক সমস্যা বেড়েও যেতে পারে। রসুনের উপকারিতা ও ক্ষতিকর উভয় দিক রয়েছে। খালি পেটে রসুন খেলে এমন কিছু উপকার হয়, যেটা অন্য খাবারের সাথে রান্না করা অবস্থায় খেলে হয় না। রসুন শুধু বিভিন্ন ধরণের রোগ দূরই করে না, পাশাপাশি বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে। আপনার যে সমস্যাগুলো থাকলে রসুন খাওয়া ঠিক নয়, সেগুলো কী কী জেনে নিন।যকৃতে বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে : রক্ত পরিশোধন, চর্বি ও প্রোটিন বিপাক, শরীর থেকে অ্যামোনিয়া অপসারণ ইত্যাদি হল যকৃতের অন্যতম কাজ। গবেষণা বলে, রসুনে থাকা ‘অ্যালিসিন’ উপাদান যকৃতে বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে যদি মাত্রাতিরিক্ত রসুন খাওয়া হয়।
ডায়রিয়া: খালি পেটে রসুন খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। কারণ রসুনে আছে সালফার যা পেটে গ্যাস তৈরি করে এবং ডায়রিয়া হওয়ার পেছনে এর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা থাকে।বমি ও বুক জ্বালাপোড়া: যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, খালি পেটে তাজা রসুন সেবন করলে বুক জ্বালাপোড়া, বমিভাব ও বমি হতে পারে। হার্ভার্ড মেডিকাল স্কুলের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, রসুনের এমন কিছু উপাদান আছে যা জিইআরডি বা গ্যাস্ট্রোয়েসোফাজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ হওয়ার কারণ।দুর্গন্ধ: রসুন বেশি খেলে মুখে দুর্গন্ধ হয়। এর প্রধান কারণ রসুনে থাকা সালফার।
রক্তপাত বাড়ায়: রক্তের ঘনত্ব কমানোর প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে খ্যাতি আছে রসুনের। তাই যারা ‘ওয়ারফারিন’ ‘অ্যাসপিরিন’ ইত্যাদি ‘ব্লাড থিনার’ ধরনের ওষুধ সেবন করেন তাদের অতিরিক্ত রসুন খাওয়া উচিত হবে না। কারণ এতে রক্ত অতিরিক্ত পাতলা হয়ে আভ্যন্তরীন রক্তপাত শুরু হতে পারে।গর্ভবতী নারীর জন্য নয়: গর্ভবতী নারীদের রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ এতে ‘লেইবার পেইন’ বা প্রসব বেদনা বেড়ে যেতে পারে। শিশুকে মাতৃ দুগ্ধ খাওয়াচ্ছেন এমন মায়েদেরও রসুন থেকে দূরে থাকতে হবে কারণ তা দুধের স্বাদ পাল্টে দেয়।
মাথা ঘোরা: রসুন বেশি খাওয়ার কারণে রক্তচাপ কমে যেতে পারে, ফলে দেখা দিতে পারে নিম্ন রক্তচাপের বিভিন্ন উপসর্গ।নারী যৌনাঙ্গের প্রদাহ: নারী যৌনাঙ্গে ‘ইস্ট’জনীত প্রদাহের চিকিৎসা চলাকালে রসুন থেকে দূরে থাকতে হবে। কারণ রসুন নারী যৌনাঙ্গের সংবেদনশীল টিস্যুতে অস্বস্তি সৃষ্টি করে।
দৃষ্টিশক্তির সমস্যা: অতিরিক্ত রসুন খাওয়ার কারণে ‘হাইফিমা’ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অর্থাৎ ‘আইরিস’ ও ‘কর্নিয়া’র মাঝে রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে। ফলাফল হারাতে পারে দৃষ্টিশক্তি।
20/07/2022
১. মুখ গহ্বর সম্পর্কিত রোগ দূরে থাকে:
মুগ ডালে উপস্থিত ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম এবং আরও সব উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে মুখ গহ্বর সম্পর্কিত যে কোনও সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার সম্ভাবনা যায় কমে।
২. চুলের সৌন্দর্য বাড়ে:
বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে কপারের ঘাটতি দূর হতে শুরু করে, যার প্রভাবে স্কাল্পের স্বাস্থ্যের এত মাত্রায় উন্নতি ঘটে যে একদিকে চুল পড়ার হার কমে, আর অন্যদিকে চুলের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো। প্রসঙ্গত, অল্প পরিমানে মুগ ডাল নিয়ে তা বেটে নিয়ে তার সঙ্গে পরিমাণ মতো গ্রিন টি, অলিভ অয়েল এবং টক দই মিশিয়ে যদি চুলে লাগাতে পারেন, তাহলে আরও দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
৩.অ্যানিমিয়ার মতো রোগ দূরে পালায়:
প্রচুর মাত্রায় আয়রন থাকার কারণে নিয়মিত এই ডালটি খেলে শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই অ্যানিমিয়ার মতো রোগ বেশি দিন শরীরকে কব্জা করে থাকতে পারে না। প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস আগে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুসারে আমাদের দেশে, তা সে গ্রামাঞ্চল হোক, কী শহরাঞ্চল, অ্যানিমিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে মুগ ডাল খাওয়ার প্রয়োজন যে বাড়ছে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
৪. হার্টের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটে:
আজকের দিনে যুব সমাজের জীবনযাত্রা এমন হয়েছে যে হার্টের রোগে আক্রান্তের সংখ্যাটা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়ার প্রয়োজনও বেড়েছে। কারণ এই ডালটির শরীরে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার একদিকে যেমন রক্তচাপকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে, তেমনি শরীরে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর মধ্যে দিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৫. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে:
কাজের চাপ এবং পরিবেশ দূষণের কারণে অল্প বয়সেই কি ত্বক তার সৌন্দর্য হারাচ্ছে? তাহলে বন্ধু অল্প করে মুগ ডাল নিয়ে তা বেটে নিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিন। তারপর সেই পেস্ট ভাল করে মুখে লাগান। এমনটা প্রতিদিন করলে ত্বকের অন্দরে ভিটামিন এবং খনিজের ঘাটতি দূর হয়। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য ফিরতে সময় লাগে না। আর যদি একান্তই ফেস প্যাকটি বানাতে সময় না পান, তাহলে নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন স্কিন ধীরে ধীরে খুব সুন্দর হয়ে উঠবে। সেই সঙ্গে বলিরেখাও কমতে থাকবে। ফলে ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত!
৬. ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে চলে আসে:
যে যে রোগের কারণে ২১ শতকের পৃথিবীতে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের মৃত্যু ঘটছে, তার মধ্যে অন্যতম হল ডায়াবেটিস। আর আমাদের দেশ তো আজকের ডেটে সারা বিশ্বের মধ্যে ডায়াবেটিস ক্যাপিটালে পরিণত হয়েছে। তাই তো চিকিৎসকেরা ছোট থেকে বড় সবাইকেই মুগ ডাল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু মুগ ডালের সঙ্গে ডায়াবেটিসের কী সম্পর্ক? একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে মুগ ডাল শরীরে প্রবেশ করার পর দেহের অন্দরে এমন কিছু খেল দেখাতে শুরু করে যে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তাই তো যাদের পরিবারে এমন মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের বেশি করে মুগ ডাল খাওয়া উচিত।
৭.পেটের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
বাঙালি মানেই অল্প-বিস্তর পেটুক তো হবেই। আর পেটুক হওয়া মানেই পকেটে অ্যান্টাসিড থাকা মাস্ট! আসলে বেনিয়মে খাওয়া-দাওয়া করার কারণে বদ-হজম বাঙালির রোজের সঙ্গী। সেই সঙ্গে মাঝে মাঝে লেজুড় হয় গ্যাস-অম্বলও। এই কারণেই তো পেটুক মানুষদের প্রতিদিন নানাভাবে মুগ ডাল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরো। আসলে এই ডলটিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর বিশেষ ধরনের কিছু ফ্যাটি অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা পাকস্থলির কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।
৮. হাড় শক্তপোক্ত হয়:
বলেন কী মশাই ডাল খেলে হাড় শক্ত হয়? একেবারেই। আর কেন হবে নাই বা বলুন! মুগ ডালে ঠেসে ঠেসে ভরা রয়েছে ক্যালসিয়াম। আর এই খনিজটি যে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা নেয়, তা কী আর বলে দিতে হবে। তাই বুড়ো বয়সে যদি কোমর এবং হাঁটুর যন্ত্রণায় কষ্ট পেতে না চান, তাহলে এখন থেকেই নিয়মিত মুগ ডাল খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে।
৯. ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে:
মুগ ডাল খাওয়া মাত্র কলেকসিস্টোকিনিন নামক এক ধরনের হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। প্রসঙ্গত, এই হরমোনটির উৎপাদন যত বাড়তে থাকে, তত ক্ষিদে কমতে থাকে। তখন মনে হয় যেন পেটটা অনেক ভরে গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণ কমতে থাকে। আর খাবার কম খেত খেতে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
20/07/2022
পেয়ারা একটি ফাইবার জাতীয় ফল আর তাই এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় আর তাই কারো ঠিকমত পায়খানা না হলে পেয়ারা খেয়েই করতে পারেন আপনার সমস্যার সমাধান। পেয়ারাতে ভিটামিন এ আছে আর যার কারণে এটি খেলে এটি আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া এটি খেলে চোখের ছানি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যায়।
১. পেয়ারাতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ আছে।
১০০ গ্রাম পেয়ারায় ১৮০ মি.গ্রাম ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। ফলটি ঠাণ্ডা কাশির পথ্য।
তাছাড়া শ্বাসতন্ত্র, গলা ও ফুসফুসকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে সুরক্ষা করে। রক্তসঞ্চালন ঠিক রাখে তাই হার্টের রোগীরা পেয়ারা খেতে পারেন।
২. পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ রয়েছে। যা দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা পাকা পেয়ারা খেতে পারেন। ৩. পেয়ারায় যে পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’ থাকে তা শরীরে গেলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।
৪. যেকোনো ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে কার্যকরী। এই ফলটিতে অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান থাকে যা পাকস্থলির স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বক ভালো রাখার সঙ্গে সঙ্গে ত্বককে টানটান রাখে।
৫. পেয়ারা ডায়বেটিস, ক্যানসার, প্রস্টেট ক্যানসার মতো রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পেয়ারা ডায়রিয়ার বিরুদ্ধে লড়তে পারে। তাই নিয়মিত পেয়ারা খেলে ডায়রিয়া হওয়ার আশঙ্কা কমে যাবে অনেকটা। পেয়ারার আছে ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা।
20/07/2022
আমাদের শরীরে ঠাণ্ডা জনিত জ্বর, টনসিলাইটিস, সর্দি সৃষ্টিকারী ভাইরাস নামক জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে জিংক। কলিজায় রয়েছে মাত্রা অতিরিক্ত পরিমাণে জিংক। তাই শরীরের জিংকের চাহিদা মেটানোর জন্য কলিজা খাওয়া খুবই জরুরী। ছোটদের জন্য মুরগির কলিজাও উপকারী।
রক্ত বাড়ায় কলিজাঃ
কলিজারক্ত তৈরির জন্য জরুরি উপাদান হলো আয়রন। এই আয়রন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে গরু বা ছাগলের কলিজায়। রক্তের প্রধান উপাদানের নাম লোহিত রক্ত কণিকা (আরবিসি)। এই কণিকার পরিমাণ বৃদ্ধি ও পুষ্ট করার জন্য আয়রনের গুরুত্ব অপরিহার্য। বড় কোনো অপারেশনের পরে, প্রচুর রক্তক্ষরণের পর, গর্ভাবস্থায়, সন্তান জন্মদান বা মাতৃদুগ্ধদানকালীন কলিজা যথেষ্ট উপকারী। তবে হৃৎপিন্ডের বাইপাস সার্জারি বা রিং পরানো, উচ্চ রক্তচাপজনিত রক্তক্ষরণের পরে কলিজা খাওয়া অনুচিত। কারণ, এতে দেহে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। শিশু থেকে ৩০-৩৫ বছর বয়স্ক মানুষের জন্য যথেষ্ট দরকারী হলো কলিজা। এতে ভিটামিন ‘এ', আমিষ রয়েছে প্রচুর পরিমাণ। এই উপাদানগুলো দেহের বর্ধনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উচ্চমাত্রার ভিটামিন বি-সিক্সেরও বসতি কলিজায়। শীতকালীন ঠান্ডা-কাশির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে কলিজার ভিটামিন ‘এ'।
আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরার ভেতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়। এই শিরা-উপশিরার দেয়ালকে প্রসারিত করে কলিজার কোলাজেন ও ইলাস্টিন নামের উপকরণ। সেলেনিয়াম নামের আরও একটি জরুরি উপাদানের বসবাস এই কলিজায়। সেলেনিয়াম হ্রাস করে কোলন ক্যানসারের পরিমাণ, শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি, ইনফেকশন, শরীরের জয়েন্টে ব্যথা, কৃমির পরিমাণ। ঠান্ডাজনিত জ্বরে, টনসিলাইটিস, সর্দি সৃষ্টিকারী ভাইরাস নামক জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে জিংক। কলিজায় রয়েছে মাত্রাধিক জিংক। তাই ছোটদের জন্য মুরগির কলিজাও উপকারী। উচ্চ রক্তচাপ, চল্লিশের ওপরে বয়স, ডায়াবেটিক ও রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি এমন ব্যক্তিদের জন্য কলিজা বাদ দেয়াই উত্তম।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4000
