Active-Life

Active-Life

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Active-Life, Health/Beauty, Chittagong.

29/01/2023

জলপাইয়ের উপকারিতাঃ

হৃদ্যন্ত্রের যত্নে জলপাই ঃ
যখন কোনো মানুষের রক্তে ক্ষতিকর মুক্ত কণিকা (ফ্রি র্যা ডিকেল) ও কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় তখন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। জলপাইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে কমে যায় হৃদ্রোগের ঝুঁকি।

ক্যানসার প্রতিরোধে জলপাইঃ
কালো জলপাই ভিটামিন-ই–এর বড় উৎস। যা ফ্রি র্যা ডিকেল ধ্বংস করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

ওজন কমাতে জলপাই ফলঃ
যখন জলপাইয়ের মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট অন্য খাবারে বিদ্যমান স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে গ্রহণ করা হয় তখন তা দেহের ভেতরের ফ্যাট সেলকে ভাঙতে সাহায্য করে। জলপাইয়ের তেলেও রয়েছে লো কোলেস্টেরল যা ওজন এবং ব্লাডপ্রেশার কমাতে সহায়ক।

পরিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করেঃ
নিয়মিত জলপাই খেলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার কম হয়। বিপাকক্রিয়া ঠিকভাবে হয়।

লোহার ঘাটতি মেটায়ঃ
কালো জলপাই লৌহের বড় উৎস। রক্তের লোহিত কণিকা অক্সিজেন পরিবহন করে। কিন্তু শরীরে লৌহের অভাব হলে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। ফলে শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল। লৌহ শরীরের এনজাইম চাঙা রাখে।

চোখের যত্নেঃ
জলপাইয়ে ভিটামিন-এ পাওয়া যায়। ভিটামিন-এ চোখের জন্য ভালো। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল তাদের জন্য ওষুধের কাজ করে জলপাই। এ ছাড়া জীবাণুর আক্রমণ, চোখ ওঠা, চোখের পাতায় ইনফেকশনজনিত সমস্যা দূর করে এটি।

পিত্তথলিতে পাথর জমতে বাধা দেয়ঃ
নিয়মিত জলপাই খেলে পিত্তথলির পিত্তরস ঠিকভাবে কাজ করে। পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

আয়রনের উৎসঃ
জলপাই বিশেষ করে কালো জলপাই আয়রনের উৎস, আয়রন আমাদের দেহে রক্ত চলাচল করাতে সহায়তা করে, আর প্রাকৃতিক আয়রনের উৎসের জন্য জলপাই-ই সেরা।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ঃ
জল পাইয়ে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করেঃ
জলপাই রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

29/01/2023

আমলকির উপকারীতা:

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে আমলকি সাহায্য করে। মধুর সঙ্গে এক চামচ আমলকির পাওডার মিশিয়ে খেলে চোখের ছানির সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায়।
ফোড়ন দেওয়া আমলকির রস পান করলে জ্বর কমানো যায়। এ ছাড়া, দাঁতে ব্যথা ও ক্যাভিটি হলে আমলকির রসে সামান্য কর্পূর মিশিয়ে মাড়িতে লাগালে স্বস্তি পেতে পারেন।
যে কোনও উপায় আমলকি খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। এ ছাড়া হিচকি উঠলে বা বমি হলে আমলকির রসে মিশ্রী মিশিয়ে দিনে দু-তিন বার পান করলে স্বস্তি পেতে পারেন।
মুখের দাগ-ছোপ দূর করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আমলকি উপকারী। এর পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগালে ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হয়। এ ছাড়া বলিরেখাও কমে যায়।
আবার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এর রস কাশি ও ফ্লু-র পাশাপাশি মুখের ঘা নিরাময়েও উপযোগী। দুচামচ আমলকির রসে দুচামচ মধু মিশিয়ে পান করলে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আবার মুখের ঘা সারিয়ে তোলার জন্য জলে দুচামচ আমলকির রস মিশিয়ে গার্গল করলে উপকার পেতে পারেন।
নিয়মিত এর রস পানের ফলে কোলেস্ট্রলের স্তরও কমানো সম্ভব হয়। এর ফলে শরীর সুস্থ থাকে। এতে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে হৃদয়ের কার্যকরিতা যথাযথ থাকে।
শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত সমস্যা, যেমন অ্যাস্থমা নিরাময়ে আমলকি উপযোগী। এর পাশাপাশি ডায়বিটিজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও পাচনতন্ত্রের সুষ্ঠু কার্যকরীতার জন্য আমলকি দায়ী।
লিভার সুস্থ রাখতে আমলকি সহায়ক। এর ফলে সমস্ত বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে নির্গত হয়।
ভিটামিন সি ছাড়াও আমলকিতে আয়রন, ক্যালশিয়াম ও ফসফরাস থাকে। ফলে শরীরে পুষ্টির জোগান অব্যাহত থাকে।
চুলের জন্য ওষুধ হিসেবে কাজ করে আমলকি। এতে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রোটিন চুল বড় করে, চুল পড়া রোধ করে ও গোড়া মজবুত রাখে।

28/01/2023

আলহামদুলিল্লাহ 🥰

27/01/2023

কাঁচা রসুনের উপকারিতা:

রসুনের আচার কিংবা রান্না করা রসুনের চেয়ে কাঁচা রসুনের উপকারিতা অনেক বেশি। রসুন কাঁচা খেলে এর ভেষজ সকল গুণ পরিপূর্ণভাবে বজায় থাকে। তাই কাঁচা রসুন খাওয়ার উপকারিতা সর্বোত্তম। কাঁচা রসুনের উপকারিতা জেনে নেওয়া যাক:

• সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খেলে ঠান্ডা লাগার প্রকোপ কমে।

কাঁচা রসুন রক্তে শর্করার পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ভাইরাস ও সংক্রমণজনিত রোগ প্রতিরোধে কাঁচা রসুন

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

স্নায়ুবিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে কাঁচা রসুন কার্যকর।

যকৃত ও মুত্রাশয়ের কাজ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস জাতীয় রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

27/01/2023

খালি পেটে পানি খাওয়ার ৯ উপকারিতা

পানির অপর নাম জীবন। টিকে থাকতে প্রত্যেক জীবের পানি গ্রহণ অত্যাবশ্যক। যখন আমরা তৃষ্ণার্ত হই বা ঝালজাতীয় খাবার গ্রহণের পর তৎক্ষণাৎ এক গ্লাস পানি খুঁজি। শরীরের বর্জ্য বের হতে, শরীরের তাপমাত্রা রক্ষায়, সংবেদনশীল টিস্যু সুরক্ষাসহ বহু কারণে পানি দরকার।

কিন্তু, আপনি কি জানেন, খালি পেটে পানি পান করলে কী স্বাস্থ্য উপকারিতা মেলে? ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে এ সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে। আসুন, এক ঝলকে দেখে নিই—

ঘুম থেকে ওঠার পর শরীরের রিহাইড্রেশনের জন্য পানি দরকার। কারণ, রাতে আপনি যখন ঘুমান, ছয় থেকে আট ঘণ্টা আপনার শরীর পানি পায় না। তাই ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করলে শরীর রিহাইড্রেট হবে।

ওজন কমায়
পানি ও ওজন কমার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। খালি পেটে পানি পান বিপাকক্রিয়ার উন্নতি সাধন করে। ফলে ওজন কমে।

দূষিত পদার্থ বের করে
সকালে খালি পেটে পানি খেলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়। বর্জ্য বের করতে কিডনির পানি দরকার হয়। পানি খেলে প্রস্রাবের সঙ্গে বর্জ্য বের হয়ে যায়।

ক্যালোরি কমায়
নাশতা খাবার আগে পানি পান করলে ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। পানি পানের কারণে পেট ভরা অনুভব হয়, এতে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ হয় না। সকালে নাশতা খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানি পান করুন।

মানসিক স্বাস্থ্যে
ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করলে তা মানসিক বিকাশে সাহায্য করে। যেমন—স্মরণশক্তি বাড়ে, নতুন কিছু শেখা বাড়ে।

হজমে সহায়তা
সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা গরম পানি খেলে তা হজমে সাহায্য করবে। গরম পানি খাদ্য উপাদানকে ভাঙতে সাহায্য করে। এভাবে হজমপ্রক্রিয়ার উন্নতি হয়।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
খালি পেটে পানি খেলে শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বর্জ্য ও অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া দূর করতে সাহায্য করে পানি, যা থেকে সংক্রমণ ও অসুস্থতা হয়।

ভেতরের অঙ্গকে সুস্থ রাখে
খালি পেটে পানি পান করলে শরীরের অভ্যন্তরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুস্থ থাকে। শরীরের লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমকে উন্নত করে এবং শরীরের তরলে ভারসাম্য আনে।

ত্বক উজ্জ্বল করে
সকালে খালি পেটে পানি পান করলে ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। এতে ব্রণ কমে। ত্বকের শুষ্কভাব দূর করে আর্দ্রভাব এনে দেয়।

শক্তি জোগায়
সকালে পানি পান করলে তাৎক্ষণিকভাবে শক্তির মাত্রা বাড়ে। কারণ, সকালে যদি আপনার শরীর ডিহাইড্রেটেড থাকে, তাহলে আপনি ক্লান্তিবোধ করবেন।

সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি পান করা দরকার। কিন্তু প্রথম দিকে যদি কঠিন মনে হয়, তাহলে এক গ্লাস পানি দিয়ে শুরু করতে পারেন। ধীরে ধীরে পানির পরিমাণ বাড়ান।

27/01/2023

আলহামদুলিল্লাহ 🥰🥰

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Chittagong