Natural Care BD
Welcome to Natural care bd, not business, service is our main goal, stay with us to get something goo
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
07/08/2022
আসসালামু আলাইকুম
🍀অ"তিরি"ক্ত ও"জন ক"মান ন্যা"চারাল জুস খেয়ে স্থায়ী"ভাবে🍀
✅মে"দ ভূ"ড়ি ও"জন আমাদের স্বা"স্থ্যে'র জন্য ক্ষ"তি-কর তা আমরা সকলেই জানি-🍀🖐️
✅যা শুধু অ"স্বা"স্থ্য-কর না অ"সুন্দর ও বটে।🍀🌿
✅এবার আপনাকে স্লি"ম ফি"ট-নেস এনে দিবে ন্যা"চা রাল জুস সাপ্লি-মেন্টে যা স্থায়ী"ভাবে কাজ করে।🌿🍀
✅বিস্তা-রিত জান"তে ইন"বক্সে আসুন অথবা সরাসরি কল করুন পেইজে দেওয়া নাম্বারে।
ধন্যবাদ
07/08/2022
আলহামদুলিল্লাহ....
19/07/2022
স্ট্রবেরির গুণাগুণ:
১. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ ফল।
২. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগীদের জন্য এটি ভালো। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।
৩. স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়।
৫. বিভিন্ন রকম সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
৬. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর ফাইবার, যা ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৮. চুল পড়া রোধ করে।
৯. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
১০. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
✊✌️
14/07/2022
শরীরের বাড়তি ওজন ও নানা রোগের কারণ। তাই ওজন কমাতে কত কিছুই না করছেন। কঠোর ডায়েট থেকে শুরু করে শারীরিক কসরত। অনেকে আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাচ্ছেন জিমে। তা-ও ওজন কমাতে পারছেন না।
অনেকেরই ধারণা যে, কম খেলে দ্রুত ওজন কমে। কিন্তু পুষ্টিবিদরা বলছেন, ওজন কমাতে খাবার খাওয়া বাদ দেওয়া নয়, বরং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। ওজন কমাতে গিয়ে শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব ঘটলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই ডায়েটে এমন কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করুন, যেগুলো ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখবে আবার শরীরও সুস্থ থাকবে।
ওজন কমাতে খেতে পারেন ফল। অনেকেই ডায়েটের অজুহাতে ফল খান না। তবে মধুমাসে ফল খাওয়া থেকে তো দূরে থাকা যায় না। গ্রীষ্মকালীন ফল খেয়েও ওজন কমাতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ফলগুলো ওজন কমাতে সাহায্য করে-
তরমুজ দ্রুত ওজন কমাতে সাহায্য করে তরমুজ। এই গ্রীষ্মকালীন ফলে আছে ভিটামিন এ, সি, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন। এছাড়াও তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশই পানি। যা গরমে শরীর হাইড্রেট রাখতেও সহায়তা করে। পানি ও ফাইবার থাকার কারণে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরাও রাখে তরমুজ।
বাঙ্গি বাঙ্গিতেও পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল। গ্রীষ্মকালীন এই ফলটিতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি, ফলে ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। ভিটামিন এ, বি, কে, সি, জিঙ্ক এবং কপার সমৃদ্ধ এই ফলটি দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে এবং রক্তচাপ কমায়। এর পাশাপাশি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখতেও সহায়তা করে।
আনারস ওজন কমাতে খেতে পারেন আনারস। এটি ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ। আনারসে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার রয়েছে, যে কারণে দীর্ঘ সময় আমাদের পেট ভরা রাখে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া আনারসে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় শরীরকে হাইড্রেট রাখতেও সহায়তা করে..🔥
04/07/2022
*শরীর ফিট রাখতে প্রথম শর্ত স্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। এর সঙ্গে সঙ্গে করতে হবে শারীরিক ব্যায়াম।
শরীর ফিট রাখতে করতে পারেন এই কাজগুলো-
বাইরে যাওয়ার সময় সঙ্গে নিতে পারেন বাদাম, আমন্ড, কাজু, ওয়ালনাট, তিসির বীজ, বাড়িতে তৈরি ভ্যানিলা।বাইরে চকলেট, চিপস না খেয়ে খেতে পারেন এগুলো।
টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া যাবে না। যদি এই কাজটি করেন তাহলে খেয়াল থাকবে না আপনি কতটা খাচ্ছেন।
ছোট পাত্রে খাওয়ার অভ্যাস করুন। বেশি বার খান তবে অল্প অল্প। এতে শরীরে খাবারের ভারসাম্য বজায় থাকবে।
খাওয়ার সময় ভালোভবে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এর ফলে খাবারের জরুরি উপাদান শরীরে প্রবেশ করবে। ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।
শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। দিনে ১০ মিনিট এ ধরনের ব্যায়াম করলে দুশ্চিন্তার মাত্রা অনেকটা কমে যাবে। হার্টরেট স্বাভাবিক থাকবে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থেকে শরীরও সুস্থ রাখবে।
খাবার খাওয়ার ১৫ মিনিট আগে অথবা পরে পানি খান। এতে হজমশক্তি বাড়বে।
অনেকের খাবার দেখলেই খেতে ইচ্ছা করে। আর এ কারণে ক্ষুধা না লাগলেও খেতে থাকেন অনেকে। এই অভ্যাসটি শরীরের জন্য ভালো নয়। ক্ষুধা পেলে তবেই খেতে হবে।
রান্নাঘরে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবারের বদলে ফল, সবজি, ডিম, দুগ্ধজাত দ্রব্য রান্নাঘরে রাখুন। এতে কাজ করতে করতে উপকারী খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস তৈরি হবে।
04/07/2022
আলহামদুলিল্লাহ আজকের ডেলিভারি📲
04/07/2022
অ্যানিমিয়া ও আয়রনের ঘাটতি
সব সময় ক্লান্তি লাগার কথা বললে চিকিৎসকেরা হয়তো প্রথমেই বুঝতে চাইবেন আপনার শরীরে আয়রন বা লৌহের ঘটাতি আছে কি না। রক্তশূন্যতা সহ নানা কারণেই এই ঘাটতি হতে পারে। খাবারদাবারে যথাযথ পরিমাণে লৌহ না থাকলে এমন দুর্বলতা বেড়ে যেতে পারে।
04/07/2022
মানুষ কীভাবে সুস্থ থাকতে পারে এবং কোন উপায়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে, সেটি নিয়ে নানামুখী গবেষণা হয়েছে বিশ্বজুড়ে।
চিকিৎসক এবং পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী না হলে অল্প অসুস্থতাতেও মানুষ খুব সহজে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোগের আক্রমণও জোরালো হয়।
এক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস এবং জীবন-যাপনের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করছেন চিকিৎসকরা।
মানুষ সচরাচর যে ধরণের খাবার খায়, সেগুলো হচ্ছে - শর্করা, প্রোটিন এবং ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার।
04/07/2022
★★মানসিক রোগ কেন হয়★★
**আমাদের সমাজে মানসিক রোগের কারণ নিয়ে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। আমরা যদি সহজভাবে বলি, মানসিক রোগের সঠিক কারণ এখনো পুরোপুরিভাবে জানা যায়নি।
গবেষকরা বলেন যে, তিনটি বিষয় মানসিক রোগের সঙ্গে সরাসরি জড়িত।
১.বংশগত
২.মস্তিষ্কের রাসায়নিক পরিবর্তন
৩.পরিবেশ এবং সামাজিক প্রভাব।
ব্রেইন ইমাজিং এবং টমোগ্রাফি পরীক্ষা করে রাসায়নিক পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এর উপর ভিত্তি করেই মানসিক রোগের মেডিসিন প্রয়োগ করা হয়।
১৯৫০ সালে প্রথম প্রজন্মের মেডিসিন আবিষ্কার মানসিক রোগ চিকিৎসায় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্ত পুরনো মেডিসিনগুলির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি কষ্টদায়ক হওয়ায় ১৯৯০ সালের দিকে দ্বিতীয় প্রজন্মের মেডিসিনের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। রোগীরাও স্বাভাবিক জীবন যাপনে সাবলিলতা ফিরে পাচ্ছে।
অতি সাম্প্রতিক সময়ে জিন থেরাপি বিবেচনা করা হচ্ছে। বংশগতির বাহন হলো এই জিন। যাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান পাওয়া যাবে।
মেডিসিনের পাশাপাশি সাইকোলজিক্যাল ট্রিটমেন্ট যেমন কাউন্সিলিং,সাইকোথেরাপি, বিহেভিয়ার থেরাপি নিলে রোগের জটিলতা কমে আসে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের রিলাক্সেশন থেরাপি যেমন ব্রেথিং এক্সারসাইজ, প্রগ্রেসিভ মাসকুলার রিলাক্সেশন, ইয়োগা, মেডিটেশন, নিয়মিত এক্সারসাইজ, পুস্টিকর খাদ্য গ্রহণ রোগীদের অনেকাংশে সুস্থ্য রাখে।
শুধুমাত্র আমাদের বাংলাদেশেই না অনেক উন্নত দেশেও মানসিক রোগীরা অবহেলিত। এই রোগের কারণ হিসেবে বলা হয় জ্বিন, ভূত, ডাইনির আছড়, যাদুটোনা, পাপের ফল, আর কত অদ্ভুত সব কেচ্ছা কাহিনী। এতে করে রোগীর ভোগান্তি বাড়ে আর রোগটিও জটিলতর হয়ে ওঠে। অবশেষে রোগীর স্বজনরাও হতাশায় ভুগতে থাকে। দিশেহারা সর্বশান্ত হয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন।
তবে আশার কথা এখন মানুষ অনেক সচেতন হয়েছে। মন খারাপ হলেও কাউন্সেলিংয়ের জন্যে প্রফেশনালদের কাছে আসতে শুরু করেছে।
আমি মনে করি, যদি আমরা আর একটু নিজেদের প্রতি সচেতন হই, পরিবারের প্রতি নজর দেই আর শিশুদেরকে নিরাপদ, নিয়মতান্ত্রিক, স্নেহময়, স্বাবলম্বী, স্বাস্থ্যকর পরিবেশ দিতে পারি তাহলেই মানসিক রোগ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
MURADPUR JALAL Plaza
Chittagong
4000
