Natural food supplement
সুস্থতার এক নতুন অধ্যায়
07/04/2023
মেথিতে হজম শক্তি বৃদ্ধি করার এবং শরীরের কার্বোহাইড্রেট আর সুগার শোষণ করে নেওয়ার ক্ষমতা আছে। এটি গ্রহণ করলে শরীরের ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। মেথিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং বিভিন্ন রকম উপাদান থাকে যা রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।🙃
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে চিবিয়ে মেথি খেলে অথবা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি খেলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে যায় বলে জানা যায়, বিশেষত কৃমি মরে, রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়।😚
ঐতিহ্যগতভাবেই মেথি বীজ ব্যবহৃত হয়ে আসছে ভালো স্বাস্থ্য ও শক্তিশালী চুলের জন্য। সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে যে মেথির উপকারিতা আরো অনেক বেশি আছে। এই গরমে ত্বকে যে ঘা, ফোড়া, গরমজনিত ত্বকের অসুখ হয়, এই অসুখগুলো দূর করে মেথি। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, যে ডায়াবেটিক রোগীরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের ডায়াবেটিসজনিত অসুখগুলো কম হয় এবং স্ট্রোক হওয়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে কম। 🥰
মেথির উপকারিতাঃ
১. ওজন কমাতে সহায়ক
মেথি প্রাকৃতিক ফাইবার থেকে জন্ম নেয়। এতে রয়েছে ওজন কমানোর বৈশিষ্ট্য। প্রাকৃতিক আঁশে ভরপুর মেথি খাওয়ার পর তা পেটে গিয়ে ফুলে যায়। আর এই আঁশ ওটের মত হজমে সময় নেয় আর তাই ক্ষুদা কম অনুভূত হয়। এ প্রক্রিয়ায় ওজন কমাতে সহায়তা করে মেথি। খুব বেশি নয়, সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন সামান্য মেথি চিবিয়ে খেয়ে দেখতে পারেন। কয়েক দিন পরেই এর উপকার পাচ্ছেন বলে মনে হবে। স্থুলতা কমাতে প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি পান করা যেতে পারে। দু'টি গ্লাসে পানি নিয়ে এক টেবিল চামচ করে মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে খেয়ে ফেলুন। মেথি ভেজানো পানি পেটের গ্যাসের সমস্যাও দূর করে।
২.কোলেস্টেরল কমাতে
মেথিতে রয়েছে স্টেরিওডাল সেপোনিনস নামক একটি উপাদান। এই উপাদানটি মানুষের শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর তাই মেথি ভেজানো পানি পান করলে হঠাত্ হার্টের আর্টারি আটকে গিয়ে হঠাত্ করে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।😄
৩. হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে
কার্ডিওভাস্কুলার স্বাস্থ্যের উপর তাত্পর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলে মেথি বীজ। মেথিতে গ্লেকটোম্যানান নামক একটি উপাদানের খোঁজ পাওয়া গেছে । এই উপাদানটি হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। একই সাথে এই উপদানে উপস্থিত পটাশিয়াম, রক্তে লবনের পরিমাণ কমায়। ফলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে হার্ট অ্যাটাক এবং অন্যান্য হৃদ রোগ আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা একেবারে শূন্যের কোটায় এসে দাঁড়ায়। কোন কারনে হার্ট এটাক হলে অ্যাটাকের সময় যে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস তৈরি হয় তার বিরুদ্ধে কাজ করে মেথি বীজ।😉
৪. ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধ
রক্তে ধীরে ধীরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে শরীরের ক্যান্সার কোষ জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। আর এখানেই মেথি বীজের উপকারি ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। মেথি রক্তে ভেসে বেড়ানো টক্সিক উপাদানগুলোকে শরীর থেকে বার করে দেয়। ফলে ক্যান্সার কোষ জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনাই কমে যায়। বিশেষ করে স্তন ও কোলন ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য মেথি কার্যকর।
02/04/2023
পুষ্টিগুণে ভরপুর টমেটো। কাঁচা বা রান্না করা, জুস বা কেচাপ, মিষ্টি, টক বা নোনতা যেকোনো উপায়েই এটি খাওয়া যায়। অনেকে আবার সালাদ বানিয়ে টমেটো খান। রান্নায় স্বাদ এবং রং আনতে টমেটোর জুড়ি মেলা ভার। টমেটো পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে। এ ছাড়াও টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লাইকোপিন। টমেটোর বাকি গুণাগুণ চলুন জেনে নেওয়া যাক।
১. টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল থাকায় তা আমাদের শরীরের রক্তচাপ সঠিক মাত্রায় রাখে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখে।😊
২. টমেটো দাঁত এবং হাড়ের জন্য খুবই উপকারী। টমেটোতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত রাখে এবং হাড়ের সঠিক গঠনে সাহায্য করে। এ ছাড়া দাঁতকে সুস্থ রাখতে টমেটো কার্যকর।😃
৩. টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকায় তা আমাদের শরীরকে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং ঠাণ্ডার হাত থেকে টমেটো আমাদের রক্ষা করে।🥰
৪. টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'এ' আছে। নিয়মিত টমেটো খেলে আমাদের চোখ খুবই ভালো থাকে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখার জন্য টমেটো অনেক জরুরি। মোটকথা টমেটো চোখ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৫. প্রোস্টেট ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে টমেটো দারুণ ভূমিকা পালন করে। সপ্তাহে ১০টি বা তার থেকে বেশি টমেটো খেলে এই সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।😃
৬. হার্টের রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে টমেটো।
৭. টমেটোর রস ত্বকের ট্যান দূর করে। প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে এটি অসাধারণ।👌
31/03/2023
গাছটির বাংলা নাম " #সমুদ্রের_শিশির"।
শৌখিন রাধুনিদের অতন্ত্য পছন্দের একটি মসলা অথবা হার্ব এটি।
এটার বাংলা নাম বললে কেউই চিনবে না। ল্যাটিন শব্দ শিশির ( ros) এবং সমুদ্র (marinus) বা সমুদ্রের শিশির।
এটার নাম রোজমেরি হওয়ায় অনেকেই ধারণা করেন এটি ফুলের গাছ,,,
🌿এটা যেমন খাবারে ব্যবহার করা হয় আবার একই সাথে এর রয়েছে ঔষধি গুণ।
🌿স্টেক,বারবিকিউ, চা, মাংস,ল্যাম্প চপ,চিকেন তন্দুরি, গ্রিল ইত্যাদি রান্নার স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে।
☘️রোজমেরি উপকারিতা:''''''' রোজমেরি তেল চুল পড়া বন্ধ করে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। ত্বক এর জন্যে অত্যন্ত উপকারী।
• স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকর হলো এই উদ্ভিদ।
• ত্বকের ব্রণের সমস্যা প্রতিরোধে বেশ কার্যকরী একটি।
• রক্ত সংবহন এবং রক্তনালী প্রশমনে ভূমিকা পালন করে এই উদ্ভিদ।
• ডিপ্রেশন প্রতিরোধে বেশ কার্যকর হলো রোজমেরি
30/03/2023
শরীর সুস্থ রাখতে হলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে হবে। তবে ব্যস্ততার কারণে আমরা নিয়মমতো পানি পান করতে ভুলে যাই।
পরিমাণমতো পানি পান না করলে শরীরের নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। 😔
আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, শরীর সুস্থ রাখতে দিনের নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক পরিমাণে পানি পান করা উচিত।
কোন সময়ে পানি পান সবচেয়ে ভালো–
১. ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে দুই গ্লাস পানি পান করা শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো। এই পানি পান করার ফলে শরীরের সব অঙ্গপ্রতঙ্গ সক্রিয় হয়ে উঠবে।😀
২. দুপুরের খাবার কিংবা রাতের খাবারের অন্তত আধাঘণ্টা আগে পানি পান করা উচিত। 😃
৩. গোসলের আগে এক গ্লাস পানি পান করতে পারেন। এতে উচ্চ রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। 😊
৪. দুপুর ও রাতের খাবারের সময়ে পানি পান করতে ভুলবেন না। যখনই পিপাসা অনুভব করবেন তখনই পানি পান করবেন।😇
৫. খাবারের অন্তত আধাঘণ্টা আগে পানি পান করতে হবে। এতে হজমশক্তি ভালো হবে।🫠
আসসালামু আলাইকুম।
ওজ'ন বা'ড়ান,
স'ম্পূর্ণ প্রাকৃ'তিক উপা'য়ে।
বিস্তা'রিত জা'নতে সে'ন্ড মে'সেজ অ'পশনে ক্লি'ক করুন অথবা আমাদের নাম্বারে যোগাযোগ করুন।ধন্যবাদ
যোগাযোগ: 01571002828
27/03/2023
**লেমনগ্রাস খাওয়ার উপকারিতা**
# # থাইপাতা হিসেবে পরিচিত লেমনগ্রাস আমাদের দেশে সাধারণত থাই সুপ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
‘ঘাস খাও’- কথাটা ব্যঙ্গাত্মক অর্থে বুদ্ধিহীনতার উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার হলেও লেমনগ্রাস বা থাই পাতা খাওয়া কিন্তু মোটেই বোকার পরিচয় নয়।
থাই সুপ তৈরিতে এই পাতা ব্যবহার করা হয়। তাই লেমনগ্রাস আমাদের কাছে থাই পাতা নামে পরিচিত। এর সুগন্ধ মনকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।
শুধু তাই নয়, এর রয়েছে নানান উপকারী গুণ।
**হজমে সহায়তা করে:** চাইনিজ ঔষধি গাছ হিসেবে পরিচিত লেমনগ্রাস পাকস্থলির নানা রকম সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, ফোলাভাব বা বদহজম থেকে রক্ষা করে। এতে রয়েছে পেট ঠাণ্ডা রাখার মতো উপাদান যা হজম ক্রিয়া উন্নত রাখে।
লেমনগ্রাসের প্রাথমিক উপাদান হল ‘সিট্রাল’ যা হজমে সাহায্য করে। তাই খাবারের পরে লেমনগ্রাস সমৃদ্ধ পানীয় পান উপকারী। এছাড়াও, গবেষণা থেকে জানা যায় যে, এটা পেশিকে আরাম দিতে সাহায্য করে এমনকি ‘পিএমএস’য়ের নানান লক্ষণ যেমন-মাথাব্যথা, পেশি ও অস্থির সংযোগস্থলের ব্যথা ইত্যাদি উপশমে সহায়তা করে। তাছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক উপাদান থাকায় তা নিয়মিত খাওয়া সার্বিকভাবেই শরীরের জন্য উপকারী।
**অ্যানিমিয়া দূর করে:** রক্তে লোহিত কণিকা বা হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার কারণে দেখা দেয় অ্যানিমিয়া।“সুস্থ লোহিত রক্ত কণিকার অভাবে রক্তে অক্সিজেনের সরবারহ কমে যায়। ফলে শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে লোহিত রক্ত কণিকা বাড়াতে লেমন গ্রাস ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।”
এতে ফলিক অ্যাসিড, তামা, থায়ামিন, লৌহ, দস্তা ইত্যাদি উপস্থিত থাকায় তা লোহত কণিকা বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও এতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফার্মালজিকেল উপাদান।
মেডিকেল নিউজের করা এক গবেষণায় জানা গেছে যে, ৩০ দিন ধরে প্রতিদিন লেমনগ্রাস চা পান করা হলে তা হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব, কোষের ঘনত্বের পরিমাণ এবং দেহের লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বাড়াতে সহায়তা করে।
**ওজন কমায়:** ‘লেমন গ্রাস টি’ সারা পৃথিবীতে ‘ডেটক্স টি’ হিসেবে পরিচিত। এটা বিপাক বাড়িয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে। লেমন গ্রাস প্রাকৃতিকভাবেই মূত্রবর্ধক হওয়ায় তা শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করে। এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে।
**রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে:** “রক্ত চাপ কমানোর প্রাকৃতিক ও কার্যকর উপায় হল লেমন গ্রাস।”
পুষ্টিবিদরা একে ‘সুপার ফুড’ বলে ব্যাখ্যা করেন। কারণ এতে আছে পটাসিয়াম যা, রক্ত সঞ্চালনকে উদ্দীপিত করে ও রক্তচাপ হ্রাস করে। “এটা যকৃত সুস্থ রাখে এবং অন্ত্র থেকে নিঃসৃত কোলেস্টেরল শোষণ করে শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখে।”
**উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য:** ‘লেমন গ্রাস’ ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঙ্গাসরোধী উপাদান সমৃদ্ধ এবং এটা ত্বক পরিষ্কার করতেও খুব ভালো কাজ করে।
‘লেমন গ্রাস’ ভিটামিন‘এ’ ও ‘সি’য়ের ভালো উৎস। যা ত্বক ও চুল সুন্দর রাখতে সহায়তা করে। এটা মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে, মাথার ত্বকের অস্বস্তি দূর করে। আর চুলকানির সমস্যা দূর করে।
এটা ত্বকের বাড়তি তেল শুষে নিয়ে ত্বককে পরিষ্কার করে। ব্রণ, একনি ও একজিমার মতো ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে।
27/03/2023
গ্যাস্টিকে পান পাতা।☘️
27/03/2023
প্রেসার হাই এবং লো হলে কি খাবেন?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
5757
