Asthma Treatment
Healthy LIFE
20/03/2023
প্রকৃতি জুড়ে স্বতেজ নিশ্বাস নিন...... এ্যা'জমা বা হাঁ'পানী হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদী
একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এতে হাঁ'পানীর বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন, কাঁশি, শ্বাস কষ্ট, বুকে চাপ চাপ অনুভব করা, দম নিতে কষ্ট হওয়া এবং বাঁশির মতো আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি।
এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা, ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে এর প্রকোপ।
এ্যা'জমার উপসর্গগুলো সাধারণত রাতে বা খুব সকালে বেশি হয় এবং শ্বাস নালিতে কোন ধরনের এ্যা লজেন প্রবেশ করলে বা তাপমাত্রা পরিবর্তিত হলে এ উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে যায়। কারও কারও ক্ষেত্রে কাঁশি বা শ্বাস কষ্ট, বুকে বাঁশির মতো শোঁ শোঁ শব্দ শুরুর আগে নাক বা বুক চুলকায়; হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, চোখ লাল হয়ে যায়। উপরের উপসর্গ গুলোর সঙ্গে বংশে কারও যদি এ্যা'জমায় আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যায় তার এ্যা'জমা রয়েছে।
এ্যা'জমা বা হাঁ'পানি যে কোন বয়সে হতেই পারে। তবে শিশুদের ক্ষেএে এইরোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে কারও কারও বংশগত কারনে বা পরিবেশগত কারনেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু থেকে, পশু পাখির পালক ছএাক, মল্ট, ইস্ট, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে
হাঁ'পানি বা শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুগন্ধি, মশার কয়েেল বা কারও কারও কিটনাশকের গন্ধ থেকে ও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।
এ্যা'জমার বয়স যত বৃদ্ধি পাবে এর সমস্যার পরিধি ও তত বৃদ্ধি পাবে।
তাই উক্ত সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে মেসেজ দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।
বিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদূর। বিশ্বাস করেই দেখুন, অবশ্যই রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ।
# কল দিয়ে আপনার সমস্যা বিস্তারিত বলুন এবং কুরিয়ারে বা হোম ডেলিভারিতে কার্যকরী ঔষধ নিন।
অ্যাজমার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে গবেষকরা ধারণা করেন, কিছু বংশগত ও পরিবেশগত কারণে অ্যাজমা হয়। সব বয়সের মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত ঝামেলা বেশি হয়।
যাদের রক্তের সম্পর্কে কারও মধ্যে অ্যাজমা থাকে, তাদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এ্যা'জ'মা শ্বা'স'কষ্ট - হাঁ'পা'নি ভয় আর নয়!!!
এবার নিন স্থায়ী সমাধান সম্পূর্ণ ন্যাচা'রা'ল ফুড সাপ্লিমেন্ট এর সাহায্যে।
ইন,হেলার কিংবা কেমিক্যাল জাতীয় মেডি,সিন প্রত্যাহার করুন মাত্র ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই।সাথে রয়েছে সিনিয়র কনসালটেন্ট দ্বারা সার্বক্ষণিক পর্যাবেক্ষণ।
সারা বাংলাদেশে কুরিয়ারের মাধ্যমে হোম ডেলিভারিতে দেওয়া হবে। প্রোডাক্ট হাতে বুঝিয়ে নিয়ে পেমেন্ট করতে পারবেন।
আরো
বিস্তারিত জানিয়ে Inbox করুন অথবা সরাসরি কল করুন-01871947892
এ্যাজমা এবং এলার্জী রোগে যারা ভোগেন তারাই জানেন এটা কতটা বিব্রতকর এবং যন্ত্রণাদায়ক।এই সমস্যা থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে আমাদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সহায়তা করুনঃ
-আপনার বয়স?
-আপনার সমস্যা খুলে বলুন।
অথবা,প্রয়োজনেঃ 01871947892
এজমায় ভুগছেন এমন যে কোনো মা এই আশংকা করে থাকেন। অনেক সময় জন্মের পর শিশুর শ্বাসকষ্টের জন্যেও মাকে দায়ী করা হয়ে থাকে তাই অনেকসময় গর্ভবতী মা এজমা বা শ্বাসকষ্টের কথা গোপনের চেষ্টাও করে থাকে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, শুধু মা নন পরিবারের যে কোন সদস্যের কাছ থেকেই শিশুর মধ্যে এজমা বংশগতভাবে পরিবাহিত হতে পারে।
★এজমা কি?
এজমা থেকে মুক্তির উপায়
বর্তমানে এজমা সমস্যার নাম শুনে নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমরা নিজেরা কিংবা আমাদের আশেপাশে বহু লোক এই এজমা সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ কারনবশত শ্বাসনালী সরু বা সংকুচিত হয়ে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা তৈরী হয়। সেটাই এজমা বা হাঁপানি। বিশেষজ্ঞদের মতে হাপানি স্থায়ী ও বংশানুক্রমিক একটি অসুখ। আরো বলা হয় এই রোগের কোনো নিরাময় নেই৷ অর্থাৎ এমন কোনো সমাধান নেই যার ফলে একবারে এজমা সমস্যা নির্মূল হয়ে যাবে৷
তবে চিন্তার কোনো কারন নেই। এজমা কোনো মরণব্যাধী রোগ নয়। এজমা থেকে মুক্তি কিংবা সাময়িক নিরাময়ের অনেক উপায় রয়েছে। এসব চিকিৎসা করালে এবং জীবনযাপনের সাধারন কিছু নিয়ম মেনে চললে, এজমা আপনার স্বাভাবিক জীবনযাপনে কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। কিন্তু অনেকেই জানেন না এজমা থেকে মুক্তির উপায় কি। এ কারনে এজমার প্রকোপ অনেক মানুষকে নাজেহাল করে দেয়।
তাই আমরা আজকে এজমা কি?
কেন হয়?
এবং এজমা সকল ধরনের তথ্য সম্পর্কে জানতে আমাদের পেইজে লাইক কমেন্ট করে সাথে থাকুন।
অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে।।
বিগত কয়েক দশকে এজমা ও এলার্জি রোগ ও রোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান সময়ের অধিক ক্ষমতার ঔষধ উপসর্গ ভিত্তিক চিকিৎসায় কার্যকর প্রমাণিত হলেও এরোগ সমূহের নিরাময় ও পুরাপুরি আরোগ্য লাভে অকার্যকর।
অধুনা ব্যবহৃত ঔষধসমূহ এজমা ও এলার্জি রোগের উপশম ও নিয়ন্ত্রণে ‘সক্ষম’, কিন্তু ‘রোগ-প্রকৃতি’ (Disease process) পরিবর্তনে সম্পূর্ণভাবে অসমর্থ। ফলে ভুক্ত-ভুগিরা ঔষধ-নির্ভরতায় আজীবন এ রোগের সাথে যুদ্ধ করে চলে।
রোগের ‘মূল-প্রকৃতি পরিবর্তনে’ সক্ষম এমন একটি চিকিৎসা-ব্যবস্থার অভাব অনেকদিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল। যাতে এ ধরণের রোগ থেকে সম্পূর্ণ নিরাময় বা আরোগ্য লাভ সম্ভব হয়। যা বহুল প্রত্যাশিত ও সময়ের দাবি।
‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ (Allergen Immunotherapy AIT) বিশেষ ধরনের এলার্জি চিকিৎসা, যা ইতিপূর্বে Hyposensitization বা Desensitization নামে অভিহিত এবং অধুনা Allergy Vaccine নামে পরিচিত।
‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ (AIT)- এজমা ও এলার্জিক রোগীর অসংযত, বিচ্যুত ‘প্রতিরোধ ব্যবস্থা’কে (Immune System) ইতিবাচক সংযত ও পরিমিত পরিবর্তনে যথাযথ কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
‘এলার্জেন ইম্যুনো-থেরাপি’ রোগের ‘মূলীয় প্রকৃতি পরিবর্তনে’ (Disease process Modifying) কার্যকর বলেই এজমা ও এলার্জি –এ পদ্ধতিতে আরোগ্যলাভে সক্ষম। ইহাই অধুনা বিজ্ঞান ভিত্তিক এলার্জি চিকিৎসা।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Muradpur
Chittagong
4000
