Nature for your Health.
Love is not as important as good health. You cannot be in love if you're not healthy. You can't appr
30/06/2020
গরমে শরীরের ঘামের দূর্গন্ধ থেকে আপনাকে দিবে সুরক্ষিত আত্মবিশ্বাসের সতেজ অনুভূতি। উওপ্ত আবহাওয়ায় ফুরফুরে অনুভুতির প্রতিশ্রুতি অ্যালো এভার শীল্ড ষ্টীক।
সুস্থিত অ্যালো ভেরা এর মূল উপাদান এতে আন্ডার ঘাম কমানো বা শূণ্য করার জন্য ব্যবহৃত ক্ষতিকর উপাদান এবং নেই। কিন্তু বাজারে প্রপ্ত অধিকাংশ ডিওডোরেন্ট এ এই ক্ষতিকর উপাদীন পাওয়া যায়।
উপকারিতা :
১. #এলুমিনিয়াম সল্ট নেই।
২. ত্বকের মসৃণতা বাড়ায়।
৩. নেই।
৪. শীতে পা #ফাটা রোধ করে।
৫. স্কিন #এলার্জিতে অত্যন্ত কার্যকর।
৬. ব্যবহারে কাপরে #দাগ লাগে না।
৭. বগলে বডি স্প্রে এর বিকল্পে ব্যবহার করা যায়।
৮. মহিলাদের #মাতৃত্ব_জনিত_দাগ দূর করে।
৯. #ত্বকের_ক্ষত ও জ্বালা পোড়া প্রশমন করে।
১০. মোটা মানুষের গায়ের ফাটা দাগ দূর করে।
১১. পায়ে ব্যবহারে মোজার #গন্ধ দূর করে এবং পা ঘামে না।
১২. আন্ডার আর্মের গন্ধের বিরুদ্ধে আপনাকে দেয় সুরক্ষা।
১৩. #ব্রেস্ট_ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর যেহেতু এতে মেথিলেটেড স্পিরিট নেই।
১৪. আন্ডার ওয়ার পড়ার ফলে বা কাপড়ের ঘষাঘষিতে #চামড়া_লালচে হলে ব্যবহারে অত্যন্ত কার্যকর।
১৫. ৪-৬ মাস ব্যবহারযোগ্য।
দাম মাত্র ৪৭৫ টাকা।
15/01/2020
আমি জানি আমাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়া হবে -ডা. জাহাঙ্গীর কবির Ekushe Journal
06/04/2019
অ্যালোভেরা জেলের অজানা এই ১৯ স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানুন।
১। হার্ট সুস্থ রাখতে
আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি দূষিত রক্ত দেহ থেকে বের করে রক্ত কণিকা বৃদ্ধি করে থাকে। এটি দীর্ঘদিন আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে।
২। মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধ ও হাড় ও মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে
অ্যালোভেরা মাংসপেশীর ব্যথা কমাতে সাহায্য করে থাকে। এমনকি ব্যথার স্থানে অ্যালোভেরা জেলের ক্রিম লাগালে ব্যথা কমে যায়। অ্যালোভেরায় মিনারেল, অ্যামিনো অ্যাসিডসহ নানা ধরণের পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। যা হাড় ও মাংসপেশিকে শক্তিশালী করে।
৩। দাঁতের যত্নে
অ্যালোভেরা জুস দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা উপশম করে থাকে। এতে কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দেয়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস খাওয়ার ফলে দাঁত ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।
৪। ওজন হ্রাস করতে
ওজন কমাতে অ্যালভেরা জুস বেশ কার্যকরী। ক্রনিক প্রদাহের কারণে শরীরে মেদ জমে। অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে। পুষ্টিবিদগণ এই সকল কারণে ডায়েট লিস্টে অ্যালোভেরা জুস রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
৫। হজমশক্তি বাড়াতে
হজমশক্তি বৃদ্ধিতে অ্যালোভেরা জুসের জুড়ি নেই। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করে অন্ত্রে প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া রোধ করে। যা হজমশক্তি বাড়িয়ে থাকে।
৬। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে
অ্যালোভেরা জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব। খাওয়ার আগে বা খাওয়ার পরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জুস পান করুন।
৭। ত্বকের যত্নে
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরার ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান ত্বকের ইনফেকশন দূর করে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়।
৮। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
অ্যালোভেরা হল অ্যান্টি ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান সমৃদ্ধ একটি উদ্ভিদ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দেহের টক্সিন উপাদান দূর করে থাকে। অ্যালোভেরা জেলের জুস নিয়মিত পান করতে পারেন।এটি দেহে সাদা ব্লাড সেল গঠন করে যা ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে।
৯। মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে
২০১৪ সালে এক গবেষণায় দেখা গেছে অ্যালোভেরা জেল মাউথ ওয়াশের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে ভিটামিন সি আছে যা মুখের জীবাণু দূর করে মাড়ি ফোলা, মাড়ি থেকে রক্তপাত বন্ধ করে দিয়ে থাকে। এছাড়া মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে।
alovera
১০। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে
অ্যালোভেরা রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। থাইল্যান্ডে এক গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতিদিন দুই টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জুস রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এবং ডায়াবেটিস রোগ হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস করে থাকে।
১১। মুখের ঘা প্রতিরোধে
মুখের ঘা এবং দাঁতের পোকা রোধ করতেও অ্যালোভেরা জেল কার্যকরী। মুখের ঘায়ের স্থানে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিতে পারেন, এটি ঘা ভাল করতে সাহায্য করে।
১২। ক্যান্সার প্রতিরোধে
নতুন গবেষণা অনুসারে অ্যালো- ইমোডিন নামক উপাদান অ্যালোভেরা জেলে রয়েছে যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো রোধ করে থাকে। অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধেও অ্যালোভেরা জেল বেশ কার্যকরী।
১৩। ওজন কমাতে
অ্যালোভেরা জেলে ম্যাগনেশিয়াম, কপার, পটাশিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, জিঙ্ক, ক্যালসিয়াম আরও অনেক মিনারেল রয়েছে যা ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে থাকে।
১৪। রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে
অ্যালোভেরার ঔষধি গুণ রক্তচাপ কমায় এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও চিনির মাত্রা স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে সাহায্য করে।
১৫। ক্ষতিকারক পদার্থ অপসারণ করতে
দেহে ক্ষতিকর পদার্থ প্রবেশ করলে তা অপসারণ করতে সাহায্য করে অ্যালোভেরা।
১৬। চর্মরোগ ও ক্ষত সারায়
অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ঔষধির কাজ করে। বিভিন্ন চর্মরোগ ও ক্ষত সারায় এটি। অনেক সময় প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় এটি।
১৭। ক্লান্তি দূর করতে
অ্যালোভেরার জুস ক্লান্তি দূর করে দেহকে সতেজ করে।
১৮। হজম শক্তি বাড়াতে
নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে হজম শক্তি বাড়ে। পরিপাক তন্ত্রের নানা জটিলতা সারাতেও সাহায্য করে অ্যালোভেরা।
১৯। কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে
সুষম খাদ্যের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যালোভেরার রস পান করলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
এছাড়া অ্যালোভেরা জেলে প্রায় ২০ রকম অ্যামিনো অ্যাসিড আছে যা ইনফ্লামেশন এবং ব্যাকটেরিয়া রোধ করে হজম, বুক জ্বালাপোড়া রোধ করে থাকে।
24/02/2019
‘চলুন, প্যান-এ হাগি...!!!’
জ্বি হ্যাঁ, আপনার চোখের পাওয়ার ঠিকই আছে; আজকের লেখার শিরোনাম একটুও ভুল দেখেননি আপনি! আমরা সবিনয়ে আহ্বান জানাচ্ছি- যত দ্রুত সম্ভব, হাই কমোড ত্যাগ করে সবাই আবার প্যান-এ মলত্যাগের যুগে ফিরে যান আর আশেপাশের চেনা-অচেনা মানুষদেরকে এই আহ্বানে শামিল করুন।
ইদানীং আমাদের চারপাশে অগণিত মানুষ হাঁটুর সমস্যায় (আর্থ্রাইটিস) ভুগছেন কেন জানেন? কারণ আমাদের জীবনযাপনের দৃষ্টিভঙ্গিতে অনেক ভুল ঢুকে গেছে। এমনকি হাই কমোড-এ মলত্যাগ করাও হাঁটুর সমস্যা উদ্ভবের জন্য অনেকাংশে দায়ী।
হাই কমোডে বসে মলত্যাগ করলে পেটের উপর যথেষ্ট চাপ পড়ে না বলে দূষিত বস্তু পুরোপরি বের হতে পারে না। বরং মল-এর কিছু অংশ ভেতরে অবশিষ্ট রয়ে যায় এবং প্রতিনিয়ত অস্থিরতা বাড়ায়। শুধু তাই নয়, মলমুত্র যতক্ষণ শরীরের ভেতরে অবস্থান করে, ততক্ষণই দেহের ক্ষতিসাধান ছাড়া আর কিছুই করে না। সে কারণে মলমুত্র কখনোই বেশিক্ষণ আটকে রাখবেন না, চাপ অনুভব করামাত্র ত্যাগ করবেন।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসাশাস্ত্রের মতে, সকল শারীরিক সমস্যার সমাধান পেট পরিষ্কার-এ নিহিত!
মলত্যাগ করার সময় খুব বেশি কোথ দিয়ে তাড়াহুড়ো করাও অনুচিত। সেক্ষেত্রে অন্য জটিলতা তৈরি হতে পারে। আসলে আমাদের এমন খাবারই গ্রহণ করা উচিত, যা সহজে হজম হয় আর উচ্ছিষ্ট অংশ সহনীয়ভাবে দেহ থেকে বের হয়ে যেতে পারে।
কিন্তু সেটি যেহেতু প্রায়শ সম্ভব হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে পেট পরিষ্কারের প্রক্রিয়াটি অনেকাংশে সহজ হয়ে যাবে, যদি আমরা হাই কমোড ছেড়ে আবার প্যান-এ মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারি! তাতে অনেক শারীরিক সমস্যা নিমিষেই দূর হয়ে যাবে, এমনকি আপনার হাঁটুও হারানো শক্তি ফিরে পেতে শুরু করবে।
আমি যখন পবিত্র হজ্বব্রত পালনে সৌদি আরবে যাই, আরফাত-মীনা-মুজদালিফার ময়দানে, এমনকি মক্কার ক্বাবা ও মদীনার হারামশরীফ এলাকায় অগণিত টয়লেট দেখেছি, যার ৯৯% প্যান সর্বসাধারণের জন্য আর বাকি ১% হাই কমোড পঙ্গুদের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত।
বিখ্যাত হিন্দি চলচ্চিত্র ‘পিকু’ নির্মিতই হয়েছে শুধুমাত্র এই বার্তাটি সকলের কাছে পৌঁছে দিতে।
আপনিও পারেন এই স্ট্যাটাস-টি শেয়ার দিয়ে মানবতার কল্যাণ সাধন করতে।
(রাজিব আহমেদ স্যার)
বিঃদ্রঃ পেটের যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য #এ্যালোভেরাই যথেষ্ট।
পরখ করে দেখতে পারেন, উপকৃত না হলে মূল্য ফেরত পাবেন ইনসাআল্লাহ!
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
05/12/2018
মধু ৯৯ প্রকার রোগের প্রতিষেধক ।
খাটি মধুর কিছু বৈশিষ্ট্যঃ
মধুর অনেক কিছু বৈশিষ্ট্য আসে। তবে খাঁটি মধুর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আসে তা হল-
১। খাঁটি মধুতে কখনো কোন কটু গন্ধ থাকে না।
২। সব থেকে মজার কথা হল মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক কোনো বিষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার কোন প্রভাব মধুতে থাকে না।
৩। মধু সংরক্ষণে কোনো প্রকার পৃজারভেটিভ জাতীয় উপাদান ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর একটি খাদ্য।
৪। খাঁটি মধু উৎপাদন, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাত ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো প্রকার পদার্থের সংমিশ্রণ প্রয়োজন হয় না।
৫। আপনি খাঁটি মধু পরীক্ষা করতে চাইলে একটা কাজ করতে পারেন।আপনি খাটি মধু পানির গ্লাসে ড্রপ আকারে ছেড়ে দিন খাঁটি মধু হবে ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যাবে।
মধু সেবনের ১২টি আশ্চর্য উপকারিতা | রূপচর্চায় মধুর ব্যবহার
মধুর যত উপকারিতা-
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) থেকে বর্ণিত, মধু মৃত্যু ব্যাতিত যেকোনো রোগ দূর করতে সক্ষম। আসুন এবার জেনে নাওয়া যাক মধুর উপকারিতা
১. মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়- সাধারানত প্রাকিতিক মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ বিসুখ থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ, কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে প্রতিদিন হালকা গরম পানির সাথে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে খান।
২. ওজন কমায় মধু- আপনি যদি প্রতিদিন সকালে মধু খান তাহলে আপনার বাড়তি ওজন কমবে। বিশেষ করে যদি পারেন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খান এতে করে বেশ খানিকটা ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও এভাবে প্রতিদিন নিয়মিত মধু খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের বিষাক্ত উপাদান গুলো বের করে দেয় এবং শরীরের মেদ গলে বের হয়ে যায়।
৩. মধু খেলে বুদ্ধি বাড়ে- মধু যে শুধু আপনার কায়িক শক্তি বাড়ায়, তা নয়। আপনি নিয়মিত প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে এক চামচ মধু খাবেন, কারন ঘুমানোর আগে এক চামচ মধু মস্তিষ্কের কাজ সঠিক ভাবে চালাতে খুব সাহায্য করে ফলে আপনার মস্তিষ্কের শক্তি তথা বুদ্ধির জোর বেড়ে যাবে। যে কোনো কাজে কর্মে আপনার মগজ আগের চেয়ে বেশি কাজ করবে। যাদের সাধারণত মাথা খাটিয়ে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য মধু এনে দেবে নতুন উদ্যম ও সৃষ্টিশীলতা।
৪. হৃৎপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি হ্রাস করতে মধু- মধুর সাথে দারচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যা দূর করে এবং রক্তনালী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়। মধু ও দারচিনির এই মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি অনেকাংশে কমে যায় এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়।
৫. ব্যথা নিরাময়ে- আপনার শরীরের কি জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা? প্রচুর বাতের ওষুধ খেয়েও আজও কোনো ফল পাননি? তাহলে আজ থেকে মধু খাউয়া শুরু করুন। আপনার শরীরে যে অবাঞ্ছিত রসের কারণে বাতব্যামোর জন্ম, সে রস অপসারিত করতে মধু বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিছু দিন পর আপনার বাত ব্যাথা সেরে যাবে।
৬. হজমে সাহায্য করে মধু- যাদের নিয়মিত হজমের সমস্যায় ভুগেন তারা প্রতিদিন সকালে নিয়মিত মধু খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মধু আপনার পেটের অম্লীয়ভাব কমিয়ে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। হজমের সমস্যা অনেকাংশে দূর করার জন্য মধু খেতে চাইলে প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন। বিশেষ করে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।
৭. শক্তি বাড়াতে মধু- মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি। এই প্রাকৃতিক চিনি আপনার শরীরে শক্তি যোগায় এবং শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যাদের মিষ্টি খাবারের নেশা অনেক আছে তারা অন্য মিষ্টি খাবারের বদলি হিসাবে মধু খেয়ে নিন। কিছু মানুষ আছে যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভোগেন এবং দেখা যায় এই সমস্যা দূর করার জন্য তারা কিছুক্ষন পর পর চা কফি খায়। এই সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে নিয়মিত এক চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন।
৮. যৌন দুর্বলতায়- সাধারণত পুরুষদের মধ্যে যাদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে তারা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারেন। তাহলে একটা সময় বেশ উপকার পাবেন। প্রখ্যাত কিছু মধু বিজ্ঞানীদের মতে দৈনিক লিঙ্গে মধু মাখলে লিঙ্গ শক্ত ও মোটা হয় এবং সহবাসে দীর্ঘসময় পাওয়া যায়। নিয়মিত মধু সেবন করলে ধাতু দুর্বল (ধ্বজভঙ্গ) রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
৯. রক্ত পরিষ্কারক- এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে এক বা দুই চামচ মধু এবং এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রিত পানি খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে অনেক সাহায্য করে। তাছাড়া রক্তনালী গুলোও পরিষ্কার করে থাকে।
১০. হাঁপানি রোধে- আপনি যদি পারেন আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সাথে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। আপনি দিনে অন্তত তিন বার এই মিশ্রিত পানি খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করবে।
১১. গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি- আপনার হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে একজন ব্যক্তি প্রতিদিন নিয়মিত তিন বেলা দুই চামচ করে মধু খেতে পারে। এতে করে গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে পারেন।
১২. মধু আয়ু বৃদ্ধি করে- গবেষণায় আরও দেখা গেছে, নিয়মিত যারা মধু ও সুষম খাবারে অভ্যস্ত তুলনামূলক ভাবে সেসব ব্যাক্তিরা বেশি কর্মক্ষম ও নিরোগ হয়ে বেঁচে থাকে।
শুধু আমরাই দিচ্ছি বিশ্বের নাম্বার ১ মধু।
যা "World best honey ".
গুগলে যাচাই করে দেখতে পারেন।
Type in Google........
World best honey....
প্রয়োজনেঃ
01770129239
17/11/2018
Aloe lips for your lips!
01/11/2018
NATURE MIN
------------------------
সুরক্ষিত সমুদ্রতলের প্রাচীন উদ্ভিদ থেকে সংগৃহীত মিনারেলস ফরএভার নেচার মিন আপনার দেহকে পর্যাপ্ত পুষ্টি দিতে পারে। কারণ শরীরের মোট ওজনের ৪% এই মিনারেলস সহযোগে গঠিত। যেহেতু আমাদের দেহ মিনারেলস তৈরি করতে পারে না, তাই মিনারেল সমূহ গ্রহণ করি আমরা খাদ্য অথবা ঘাটতি পূরণে সক্ষম সম্পূরক প্রাকৃতিক খাদ্য থেকে।ফরএভার নেচার মিন advanced, multimineral ফর্মুলাযুক্ত মিনারেলের সরবোচ্চ শোষণের জন্য মিনারেলস কে নতুন bio available forms এ ব্যবহার করা হয়েছে। এটা দেহকে দেয় মিনারেলস এবং Trace mineral কে যথার্থভাবে এবং সরবোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চয়তা। সমুদ্রতলের প্রাকৃতিক মিনারেল সমৃদ্ধ নেচার-মিন মানব দেহের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল সরবরাহ করে।
Mineral দেহের মধ্যে তিনটি কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
(১) কিছু মিনারেল (যেমন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম) হাড় ও দাঁতের গঠনকারী উপাদান।
(২) কিছু মিনারেল হচ্ছে দ্রবণীয় লবণ যা body fluids এবং Cell কে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
(৩) কিছু মিনারেল আয়রণ এবং হিমোগ্লোবিন এর মত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এগুলো প্রোটিন এবং এনজাইম এর সাথে কাজ করে যা শক্তি সঞ্চালন ও ব্যবহারে খুবই প্রয়োজনীয়।
ফরএভার নেচার মিন আপনার দেহের প্রয়োজনীয় মিনারেল এবং Trace mineral এর চাহিদা পূরণে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপনের নিশ্চয়তা দিতে সহায়তা করে।
এক নজরেঃ
* সমুদ্রতলের প্রাকৃতিক মিনারেল থেকে সংগৃহীত Trace mineral সমৃদ্ধ
* প্রতিটি ট্যাবলেটে আছে মিনারেলের সঠিক মিশ্রণ
* মিনারেল মানব দেহের তরল পদার্থের প্রবাহমানশীলতা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জিন ও হরমোন কার্যকরী রাখতে সাহায্য করে
পরিমাণঃ ১৮০টি ট্যাবলেট
সেবন বিধিঃ
২টি করে ট্যাবলেট দিনে ৩ বার
For more information please contact me-01770129239.
03/06/2018
সবাই "ফ্লোরাইড" যুক্ত টুথপেস্ট হতে সাবধান:
এক নজরে দেখি ফ্লোরাইড এর কারনে আমাদের কি কি ক্ষতি হতে পারে:
>ক্যান্সার
>অনাবৃত ভ্রূণে মস্তিষ্কের ক্ষতি
>হাড়ের দুর্বলতা
>ডেন্টাল ফ্লুরোসিস
>নিম্ন ইস্ট্রোজেন এবং টেসটোস্টেরন লেভেল
>পেটে ক্ষতি
>জয়েন্টের সমস্যা
>স্কেলে ফ্লুওরোসিস
>অস্টিওআর্থাইটিস এবং এক্সেলরেটস অস্টিওপরোসিস
>হ্রস্য দৃষ্টি
>স্মৃতির ক্ষতি
>প্রেরণার অভাব
>পিনাইল গ্ল্যান্ডের ক্ষতি
>কিডনি স্টোন এবং কিডনি ফেইলার
>হোয়াইট ব্লাড সেল উৎপাদনে বাঁধা
>মস্তিষ্কের কোষগুলিকে হত্যা করে,
>বমি করা
>যৌনতা কমিয়ে আনে
>বন্ধ্যাত্ব
>পরিণামদর্শী
Aging প্রসেস accelerates
>থাইরয়েড নষ্ট হওয়া
>হিট হিপথ্যালামাস
>লাইফ স্প্যানিশ
>মস্তিষ্কে ব্যথা
>ময়শ্চারাইজেশন
>হার্টের সঞ্চালনকে প্রভাবিত করে
>অটিজম
>ডিএনএ ক্ষতি
>আলজাইমের রোগ।
♦ফ্লোরাইডের ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে নিরাপদ থাকার উপায়ঃ-
ফরএভার এর নন ফ্লোরাইড টুথ জেল " অ্যালো ব্রাইট টুথজেল" ব্যাবহার করুন।দাঁতের যত্ন সহ অ্যালো ভেরাকে এর গুণাগুণ ও বহুমুখী ব্যবহারের জন্য মহামূল্যবান হিসেবে বিবেচিত। ফরএভার "অ্যালো ভেরা ব্রাইট টুথজেল" ব্যবহারে আপনার দাঁত চমৎকার ভাবে পরিস্কার করে দীপ্তি বিচ্ছুরিত করবে।
পরিবারের সবার জন্য ব্যবহারের উপযোগী ফর্মুলায় তৈরি ফরএভার অ্যালো ভেরা ব্রাইট টুথজেল শুধুমাত্র উৎকৃষ্ট মানের উপাদানে সমৃদ্ধ। ভেজিটেরিয়ানদের জন্য ব্যবহার উপযোগী কারণ কোন পশু চর্বি ব্যবহৃত হয়নি। প্রাকৃতিক মেন্থল এবং লতাপাতার সুগন্ধি আপনার মুখকে রাখবে সতেজ ও পরিষ্কারের অনুভূতি ভরপুর।
বছরের পর বছর গবেষক ও দন্ত চিকিৎসকরা গবেষণার মাধ্যমে কার্যকরীভাবে দাঁতের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় ও পরিষ্কারের জন্য সবচেয়ে অনুকূল অ্যালো Based ফর্মুলায় তৈরি। আপনার পরিবার পাবে এর চমৎকার গন্ধ এবং মুখের ভেতরের সতেজ ও পরিষ্কারের অনুভূতি।
♦এক নজরে:
* বি-প্রপোলিস সমৃদ্ধ
* বাচ্চা ও বয়স্ক সবার জন্য উপযোগী ফর্মুলায় তৈরি
* ক্ষতিকারক ফ্লোরাইড মুক্ত
পরিমাণ:
NET WT.4.6 Oz. (১৩০ গ্রা.)
ব্যবহার বিধি:
সকালে ও রাতে খাবার পর টুথজেল দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন । নিয়মিত দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মূল্য: ৫০৩ টাকা
এ পন্যটি পেতে মেসেজ করুণ
বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে।
©01770129239.
10/05/2018
6 Health Benefits of Bee Propolis:
1.Helps Combat Cancer
2. Treats Candida Symptoms
3. Stops Herpes (Cold Sores) Reproduction
4. Prevents and Treats Common Cold and Sore Throats
5. Fights Parasites
6. Improves Fertility for Females with Endometriosis
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Chittagong
4216
