Bintee Easha

Bintee Easha

Share

Welcome to my heart! Let me open the door�

26/07/2025

এই পৃথিবীতে হাজারো সম্পর্ক আছে। কিন্তু সবচেয়ে শক্তিশালী, সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্ক হলো নিজের সঙ্গে। প্রতিদিন নিজেকে আমি একটা কথাই বলি... তোমার ভালো থাকতে হবে। হয়তো দিনটা কঠিন, হয়তো চারপাশ থমকে গেছে তবুও তুমি থেমে যাবে না। কারণ তুমি ভেঙে পড়ার জন্য না, তুমি বারবার উঠে দাঁড়ানোর জন্যই তৈরি। নিজেকে বিশ্বাস করো। নিজের পাশে থেকো। কারণ এই যুদ্ধটা তোমার সাথে তোমার জীবনের।😊

20/07/2025

Peace 😍

20/07/2025

মুখোশ পরা মানুষ গুলো সত্যিই অনেক ভ’য়ংকর

17/07/2025

আম্মার বিয়ে।বর এসেছে গাড়ি করে। সাথে বরযাত্রী। আম্মাকে সাজাচ্ছেন খালা আর মামীরা।এই নিয়ে বোধহয় আম্মার চোখে দশবার কাজল মাখিয়ে দিয়েছেন বড় খালা। কিন্তু চোখের জলের কারণে সেই কাজল মুহূর্তে লেপ্টে যাচ্ছে।বড় খালা এর জন্য আম্মাকে একবার ধমকে উঠেছেন পর্যন্ত।'অত বাহানা করস ক্যান? তাইলে আগেই না করতি বিয়ে করবি না!তোর যে বাচ্চা এক মাইয়া আছে সেই মাইয়ারে নিয়া একলা একলা বাকী জীবন কেমনে কাটাইবি? এই কথা কী আমার বইলা দিতে হয়? তুই তো অবুঝ মাইয়া মানুষ না।সব বুঝস।বুইঝাই বিয়ায় মত দিছস। তাইলে এখন মূর্ছা যাইয়া লাভ কী? শোন বইন, বরপক্ষ বাড়িতে আইসা গেছে। এখন কান্দন থামা।নিশিরে লইয়া তোর চিন্তা করন লাগবো না।মাইয়া তোর ছোট হইলেও চালাক চতুর।তারে নিয়া টেনশন করনের কিছু নাই!'
বড় খালার কথা শুনে আমার ভীষণ আনন্দ হচ্ছে। পাঁচ বছরের এই আমি বুঝে গেছি খালা আমার প্রশংসা করছেন। আমি তখন বড় মানুষদের মতো আম্মার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে আম্মাকে শাসনের স্বরে বললাম,'এই আম্মা, তুমি কিন্তু একটুও কাঁদবে না।বিয়ে তো আনন্দের বিষয় তুমি তাহলে বোকার মতো এমন ভে ভে করে কাঁদছো কেন?'
আমি কী ভেবে এই কথা বলেছি কী জানি! ছোটরা কী অত ভেবে চিন্তে কথা বলে? কিন্তু আমার কথাগুলো শোনে আম্মা আমাকে কোলে টেনে নিয়ে হো হো করে কেঁদে উঠেছেন। আম্মার চোখের জল এসে আমার গাল, কাঁধের খানিক অংশ ভিজিয়ে দিয়েছে। আমি আম্মার কান্না মাখা মুখের দিকে তাকিয়ে আছি বোকাদের মতন।তার কান্নার কারণ আমি মোটেও বুঝতে পারছি না।
'
আমার আব্বা মা&%রা গেছেন আরো দু বছর আগে। পুরনো কোনো রোগ ছিল না তার।সকাল বেলা হঠাৎ করে পেটে ব্যথা। আম্মা ভাবলেন, পেটে বোধহয় গ‍্যাস হয়েছে। ঘরে গ‍্যাসের অষুধ ছিল। সেই অষুধ এনে খাইয়ে দিয়েছেন আব্বাকে। কিন্তু আব্বা অ&%ষুধ খেয়ে আর সুস্থ হলেন না। দুপুর গড়িয়ে বিকেল আসার আগেই তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেন। আমার দাদা- দাদী কেউ বেঁচে নেই। এমনকি আব্বার আপন কোন ভাইও নেই।একবোন আছে। তিনি থাকেন ইতালির রুমে তার স্বামীর সাথে।দেশে আসেন পাঁচ বছর পর একবার। আত্মীয় স্বজনের প্রতি তার কোন মায়া মমতা নেই।আম্মা কোন আশায় বুক বেঁধে আমাকে নিয়ে তার মরে যাওয়া স্বামীর বাড়িতে পরে থেকে দিন গোনবেন! ওখানে তাকে দেখবেই বা কে!
অবশেষে তিনি ফিরে এলেন আমার নানার বাড়িতে। অবশ্য এখানেও নানা- নানী বেঁচে নেই।আছে মামা আর খালারা।খালাদের বিয়ে হয়ে গেছে।মামারাও বিয়ে করেছেন। তাদের সংসার সন্তান নিয়েই তারা ব‍্যস্ত, আমাদের দেখার সময় কোথায় তাদের? এই জন্য আম্মার জন্য নতুন বিয়ে দেখেছেন তারা। আম্মা প্রথমে বিয়েতে রাজি ছিলেন না। কিন্তু পরে পরিস্থিতি বুঝে তাকে রাজি হতে হয়েছে।
বিয়েতে রাজি হয়েও আম্মার কান্নার কারণ খুব স্পষ্ট। আমার আম্মার নতুন স্বামীর সাথে আমায় নিয়ে কোন কথাবার্তা হয়নি। অর্থাৎ আমি কী আম্মার সাথে থাকবো না মামাদের বাড়িতে থাকবো এই বিষয়ে।মামা আর খালাদের মত হলো আমি মামাদের বাড়িতেই থাকবো। যেহেতু আমি আম্মার নতুন স্বামীর সম্পর্কে কিছুই হয়না তবে তার বাড়িতে যাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না আমার। এই জন্যই আম্মা কাঁদছেন। সন্তানের জন্য তো পৃথিবীতে মার দরদ সবচেয়ে বেশি। তিনি ভাবছেন,আমায় ছাড়া কী করে ওখানে একা একা থাকবেন! কিন্তু আমি এ নিয়ে মোটেও কষ্ট পাচ্ছি না। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে আম্মা আমায় ছেড়ে কোথাও চলে যাচ্ছেন না। তিনি সব সময় আমার সাথে ছায়া হয়ে আছেন। থাকবেনও।
'
একটু পরে আমাকে আম্মার কাছ থেকে সরিয়ে নেয়া হলো। বরযাত্রীদের অনেকেই কনের কাছে আনাগোনা করে।ওরা এসে যদি আমায় আম্মার কোলে দেখে তখন নানান গুঞ্জন উঠবে এ নিয়ে। তাছাড়া আম্মার নতুন স্বামী দেখলেও বিপদ হবে।এর শোধ হয়তো তিনি তিলে তিলে আম্মার উপর তুলবেন।জগতটা তো এমনই। পৃথিবীর সৎ মা কিংবা সৎ বাবাগুলো হন সৎ সন্তানদের প্রতি খুব অমানবিক আর নিষ্ঠুর। কেন জানি তারা সৎ সন্তানদের দু চোখের বি&%ষ মনে করেন!
আমাকে যখন আম্মার কাছ থেকে সরিয়ে নেয়া হলো তখন আমি মোটেও কাঁদলাম না। কিন্তু আম্মা কেঁদেছেন হাউমাউ করে ‌। সেই কান্না আমি অন‍্য ঘর থেকে শুনেছি।শুনেও চুপ করে থেকেছি। সেদিন অতটা শান্ত আমি কী করে ছিলাম তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।
'
বিয়ের সকল পর্ব সেরে যখন আম্মাকে সঙ্গে নিয়ে চলে যাবেন তার নতুন স্বামী তখন বাড়িতে কী একটা নিয়ে যেন হা&%ঙ্গামা শুরু হলো ! আম্মার নতুন স্বামী মামাদের কাছে দাবী করছেন,তার উপঢৌকন থাকে বুঝিয়ে দিতে।
বাড়ির সবাই ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে গেছে।তারা কেবল একে অপরের দিকে মুখ চাওয়াচাওয়ি করছে কিন্তু কিছুই বুঝে উঠতে পারছে না। এই সময় আম্মার নতুন স্বামী তার মাথার পাগড়ি খুলে এক হাতে ধরে মামা আর খালাদের উদ্দেশ্যে বললেন,'আপনারা হয়তো ভাবছেন আমি অন‍্য কোথাও বিয়ের ব‍্যবস্হা করতে না পেরে আপনাদের বোনকে বিয়ে করতে এসেছি! আসলে এটা আপনাদের ভুল ধারণা। কারণ আমি নিজে তরুণ এবং অবিবাহিত। পড়াশোনা আছে।চাকুরিও করি ভালো। আমি ইচ্ছে করলেই অবিবাহিত সুন্দরী তরুণী কোন মেয়েকে বিয়ে করতে পারতাম। কিন্তু আপনাদের বোনকে বিয়ে করতে এসেছি কেন জানেন ?শুধু এই জন্য যে সে বিধবা এবং তার ঘরে একটা কন‍্যা সন্তান আছে। আয়েশা (রাঃ) ছাড়া আমাদের নবীজির আর সকল বিবিই ছিলেন বিধবা অথবা কোন কারণে অসহায়।
বিধবারাও সমাজের অসহায় মানুষ। তাছাড়া বাপ ম&%রা একটা মেয়েও জগতের সবচেয়ে বড় অসহায়। এই অসহায় মেয়েটিকে যদি আমি আমার নিজের সন্তান তূল‍্য করে লালন পালন করে বড় করতে পারি, তাকে সু- শিক্ষায় শিক্ষিত করে সৎ পাত্রের হাতে তুলে দিতে পারি তবে এরচেয়ে উত্তম কাজ আর কী হতে পারে?
মৃ&%ত্যুর পর কোন কারণে যদি আল্লাহ আমার প্রতি রুষ্ট হয়ে জাহা&%ন্নামে দিয়ে দিতে চান আমায় তখন আমি বলবো, আল্লাহ, আপনার বন্ধুর প্রিয় দুটো কাজ আমি করেছিলাম।
আপনার বন্ধুর প্রথম স্ত্রী ছিলেন বিধবা। আমার স্ত্রীও বিধবা। আপনার বন্ধুর প্রিয় ছিল কন‍্যা সন্তান। আমারও কন‍্যা সন্তান। আপনি কী এরপরও আমায় জা&%হান্নামে ফেলে দিবেন?
আমি নিশ্চিত,আল্লাহ সেদিন আমায় জাহা&%ন্নামে ফেলতে পারবেন না। তিনি আমায় মাফ করে দিবেন। কারণ, তিনি তো দয়ার সাগর।
'
আম্মার নতুন স্বামীর কথাগুলো শোনে বাড়ির সবাই আবেগে আপ্লুত হয়ে গেছে।তারা ভাবতেও পারছে না এখনও পৃথিবীতে এমন মানবিক মানুষ বেঁচে আছে।
ছোট খালা দৌড়ে এসে ও ঘর থেকে আমায় কোলে নিয়ে গিয়ে আমার নতুন বাবার কোলে তুলে দিলেন। নতুন বাবা আমায় কোলে তুলে কপালে চুমু খেতে খেতে বললেন,'আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন তুমি। আমার জান্নাত মা!'
বিছানার উপর কনে সেজে বসে থাকা আম্মা ফের কেঁদে উঠেছেন। তাকে কেউ থামাতে পারছে না। এই কান্না সহজে থামবে না আমি জানি।
কারণ,এ কান্না কোন দুঃখের কান্না নয়।এ কান্না কৃতজ্ঞতার কান্না।এ কান্না পরম সুখের কান্না। সুখের কান্নার রং হয় অতি উজ্জ্বল। আম্মার কান্না আমি সহজেই চিনতে পারি!

Collect

11/07/2025

আমার বিয়ের ৬ বছর,১৬ মাস বয়সের একটা বাচ্চা আছে। স্বামী ১২ তম গ্রেডে সরকারি চাকরিতে ছিল , আমি ইন্টার্ন ডাক্তার। আমি যখন ইন্টার ১ম বর্ষে তখন বিয়ে হয়,শাশুড়ী ক্যান্সার পেশেন্ট এজন্যই আমাদের দ্রুত বিয়ে হয়। আমার স্বামীর সাথে গত ৫ বছর তেমন কোনো ঝামেলা হয়নি,রাগারাগি করলেও দুজনেই শান্ত ভাবে সমাধান করছি।বাবু পেটে আসার কিছু দিন পরে আমি একটা প্রাইভেট মেডিকেল এ জব করছিলাম,এই সময় আমার স্বামী বিসিএস দিবে বলে, জব ছেড়ে দেয়, বলে যে আপাতত তোমার বেতন দিয়ে সংসার চলুক,পরে তার ভালো জব হলে সবকিছু হবে। হ্যাঁ আমার বিয়ের ৬ মাস পরে তার বাসায় তুলে নেয় এবং আমার সমস্থ খরচ স্বামী নিজে চালিয়েছে।মেডিকেল এ ভর্তি আগে আমার বাসার সবাই তাকে সম্মান দিত কিন্তু আমি মেডিকেল এ ভর্তির পর থেকে আমার মা,বড় বোন, মেজ বোন তাকে বিভিন্ন ভাবে ছোট করতো, সে বুঝতো কিন্তু কিছু না বলে শুধু এটা বলতো "আমার বউ ভালো হলেই হবে"। সমস্যা হলো বাবুর বয়স যখন ২ মাস তখন আমার ছোট বোনের প্রেম ঘটিত সমস্যার জন্য বোনের উপর রেগে ছিলাম কিন্তু আমার স্বামী জানতো না,বাবার বাসায় ছিলাম, রাতে সে আমার মুড দেখে বুঝে কিছু হয়েছে, সে জিজ্ঞেস করলেও আমি কিছু বলি নাই,এরপর সে শারীরিক করতে চাইলে আমি বাজে ব্যাবহার করে রুম থেকে বাইরে যাই,তখন ভুল বসত বিভিন্ন কথা টেনে আপমান করি, বাসার সবাই একসাথে হয় দুই বোন, তাদের স্বামী (আমাদের বাসায় ছিল)এরপর সে আমার কাধে হাত দিয়ে রুমে নেওয়ার চেষ্টা করলে আমি ভুল করে রাগের মাথায় তাকে চড় মেরে বসি,ছোট ভাই রুমে ছিল, সে কিছু জানতো না, সে হঠাৎ করে তার মোবাইল দিয়ে আমার স্বামীকে ঢিল মারে এবং শার্টের কলার ধরে এরপর বড় দুলাভাই ওদের দুজনকে আলাদা করে আমার স্বামীকে নিয়ে অন্য রুমে চলে যায়, এরপর আমি তার সাথে কোনো কথা বলি নাই, রাতে সে শুধু বাবুকে দেখে বাড়ি চলে গেছে। তিন দিন কোন যোগাযোগ করে নাই,আমাদেরও কেউ যোগাযোগ করে নাই, এরপর বড় আপুকে আর ছোট বোনকে ফোন দিয়ে বাবুকে দেখতো। আমি চাইতাম সে একটা ফোন দিক,আমাকে নিয়ে যাক, তাহলে আমি তার কাছ থেকে মাপ চেয়ে নিব।কিন্তু ২ মাস সে আমার সাথে কথা না বলায়, আমার বাড়ির লোক রেগে যায় আর তার ফোন ছোট বোন,বড় বোন কেউ ধরতো না।এরমধ্যে আমার মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হলে তার কাছে যেতে চাইলেও বাসার কেউ যাইতে দেয়নি,বলে যে তাদের বাসার কেউ এসে নিয়ে না গেলে যেতে দিবে না।(যদিও সে তার বাসার কাউকে জানায় নি)।আমার ছুটি শেষ হাওয়ায় মেজ বোনের বাসায় আসি, জব কন্টিনিউ করি।মেজ দুলাভাই পুলিশের এস.আই তার সাথে আমার স্বামীর আগে থেকেই মিলতো না।সে আমার স্বামীকে মামলার হুমকি দেয় বিভিন্ন কথা শুনায় কিন্তু সে আমাকে নিতে আসে নি এরপরে ৬ মাস পরে আমি নিজেই জোর করে বড় দুই বোন সহ আমার স্বামীর কাছে যাই।প্রথমদিন সেকোনো রিয়াক্ট করে নাই, শুধু বাবুকে কোলে নিয়েই কান্না করে দিছে। এর পরে দিন বোনেরা ওই বিষয় তুলে সবাই ক্ষমা চাইলে সে বলে ক্ষমা করে দিছি। কিন্তু গত ৭/৮ মাস যাবদ সে আমার সাথে কোনো কথা বলে না,তার পা ধরে কত রাত যে বসে ছিলাম তার কোনো হিসাব নাই।মাফ চাইলে বলে মাফ করে দিছে কিন্তু ভুলতে পারি নাই। ৪ মাস আগে সে আমার কাছে ডিভোর্স চায়।প্রয়োজনে আদালতে মাধ্যমে সেপারেশন চায়। আমার সাথে কোনো কথা শেয়ার করে না,তার কোনো কিছুই আমাকে টার্চ করতে দেয় না। ফজরের নামাজ পরে বাহির হয়ে রাত ১২ টায় বাসায় আসে।আমাদের মধ্যে কোনো শারীরিক সম্পর্কও হয় না।দুই মাস আগে জানতে পারি সে নতুন বিয়ে করেছে, আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পারছে, আমি রাগ করে বাবার বাসায় আছি এখন সে বলছে বাবুর জন্য সে আমার সাথে সংসার করবে কিন্তু তার দ্বিতীয় বউও থাকবে না হলে বাচ্চা তাকে দিয়ে ডিভোর্স। সে কিছুদিন আগে বিসিএস এ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে ।।
#
আহারে বেডা মানুষ 🙂

10/07/2025

খুবই সুন্দর 🥀

10/07/2025
06/07/2025

এই খাবার টার নাম টিপচলি, এটার আর কি নাম আছে আমি জানি না, কিন্তু আমাদের চট্টগ্রাম এর ভাষাই এটাকে এই নাম এ বলে । যেটা আমাদের মহরম এর ফতেয়ার সময় করা হয় ☺️ ゚viralシfypシ゚

Photos from Bintee Easha's post 06/07/2025

Gift korbe kew 🥹 ゚viralシfypシ゚

04/07/2025

ছবিতে বসে থাকা যেই ভদ্রলোক কে দেখা যাচ্ছে, উনার সামনের গাড়িতে উনার স্ত্রী শুয়ে আছে!

স্ত্রী'র জানাজা হওয়ার কথা ছিলো রাত ৯ টায়, কিন্তু উনি চাচ্ছিলেন না এতো রাতে জানাজা হোক!
'মৃত মানুষ কে যতো দ্রুত সম্ভব কবর দেওয়া ভালো' এই ব্যাপার টা মাথায় রেখে কাউকে বলতেও পারতেছিলেন না যে 'ওকে আরেকটু থাকতে দাও আমার সামনে!'

উনার ছোট ছেলে ব্যাপার টা বুঝেছিলো, শেষ পর্যন্ত সকালেই জানাজা হয়েছিলো উনার স্ত্রী'র।

এই পোস্ট টা আসলে স্ত্রী'র জন্য উনার ভালোবাসা টা কেমন,সেইটা বলার জন্য!

স্ত্রী দুনিয়া থেকে চলে গেছে। সবাই যে যার মতো চলে গেছে৷ ভদ্রলোক রাতে গাড়ির সামনে বসে আছে একা একা! স্ত্রী কে 'সঙ্গ' দিচ্ছিলেন! 'আমি আছি' প্রমাণ করেছিলেন!

উনার স্ত্রী মারাত্মক লাকি,এমন একজন কে পেয়েছিলেন যেই মানুষ টা মৃত্যু'র পরেও উনার সামনেই বসে ছিলেন। ছেড়ে যায়নি।

আমরা জীবনে এমন কাউকেই চাই, যার আমাদের জন্য ভালোবাসার অভাব হবেনা। নিজের সব টা দিয়েই ভালোবাসবে, থেকে যাবে পাশে আমরা দুনিয়া তে না থাকলেও! ❤️

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Chittagong