Rokshana's Vlog
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rokshana's Vlog, Health/Beauty, Chittagong.
আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন সাধারণ গৃহিণী গ্রামীণ ও শহরের জীবনযাপন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আর রান্নাবান্না নিয়ে আমার এই পেইজ । আশা করি সবাই ভালোবাসা দিয়ে পাশে থাকবেন, ধন্যবাদ।
শুভ সকাল
শুভ সকাল ❤️❤️
04/05/2026
চট্টগ্রাম কলেজে পড়াশুনা করে কেউ কি কখনও সওদাগর হয়েছেন?
নামকরা বা খ্যাতিমান ব্যক্তি তো অনেকেই হয়েছেন।
আপনি চট্টগ্রামের কোন কলেজে পড়াশুনা করেছিলেন ?
তবে সবাইকে
অনুরোধ জানাই, নিজ নিজ কলেজ সম্পর্কে কিছু স্মৃতিচারণ করার জন্য.....
চট্টগ্রাম কলেজ,
চট্টগ্রাম হাজী মোহাম্মদ মোহসীন কলেজ,
চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ
ও
চট্টগ্রাম সিটি কলেজের কথাও এখানে রয়েছে -
পুরাতন কলেজ
চট্টগ্রাম কলেজ -
চট্টগ্রাম বিভাগের সবচেয়ে পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী কলেজ হলো চট্টগ্রাম কলেজ।
প্রতিষ্ঠা কাল -
চট্টগ্রাম কলেজ মূলত ১৮৩৬ সালে "চট্টগ্রাম জেলা স্কুল" হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
কলেজে
উন্নতি করণ -
পরবর্তীতে, এই বিদ্যালয়টি ১৮৬৯ সালের ২ জানুয়ারি উচ্চ মাধ্যমিক (এফ.এ) কলেজে উন্নীত হয়।
প্রতিষ্ঠাতা -
এই কলেজটি কোনো একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির একক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং এটি ব্রিটিশ প্রশাসনের সহায়তায় এবং স্থানীয় মানুষের উচ্চশিক্ষার চাহিদার প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠে।
রায় বাহাদুর গোলকচন্দ্র রায়ের
অবদান -
তবে, ১৮৭১ সালে কলেজটি যখন অর্থাভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন মীরসরাই থানার ধুম নিবাসী রায় বাহাদুর গোলকচন্দ্র রায় এটি পুনরায় চালু করতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন।
গোলকচন্দ্র রায় ছিলেন চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার ধুম গ্রামের একজন স্থানীয় জমিদার। ১৮৭১ সালে চট্টগ্রাম কলেজ যখন বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল, তখন তিনি যে দশ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছিলেন, তা তৎকালীন সময়ে এই বিদ্যাপীঠটিকে টিকিয়ে রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। তিনি প্রথাগত শিক্ষাবিদ না হলেও, নিজ অঞ্চলের মানুষের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য শিক্ষানুরাগী হিসেবে কাজ করেছিলেন।
চট্টগ্রাম
কলেজের
প্রথম অধ্যক্ষ
চট্টগ্রাম জেলা স্কুল নামে প্রথম উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ৩৩ বছর পর বিদ্যালয়টি ১৮৬৯ সালে ইন্টারমিডিয়েট কলেজে উন্নীত হয়। কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন মি. জে.সি বোস।
জি. সি. বোস বা ১৮৬৯ সাল থেকে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জে, সি, বোস
ভবন -
কলেজটির একাডেমিক ভবন-১ বর্তমানে তাঁর সম্মানে 'অধ্যক্ষ জে. সি. বোস ভবন' নামে পরিচিত।
চট্টগ্রাম
কলেজের
অবস্থান -
চট্টগ্রাম কলেজ চট্টগ্রাম শহরের চকবাজার এলাকার কলেজ রোডে অবস্থিত।
চট্টগ্রাম
কলেজের
ঐতিহ্য -
এটি ঢাকা কলেজের পর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রাচীনতম কলেজ।
চট্টগ্রাম
কলেজের
বিশেষত্ব
১৯২৪ সালে এই কলেজে প্রথম মুসলিম অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ শামসুল ওলামা কামালউদ্দীন আহমদ।
হাজী
মোহাম্মদ মোহসীন
কলেজ, চট্টগ্রাম -
সরকারি হাজী মোহাম্মদ মোহসীন কলেজ ১৮৭৪ সালে চট্টগ্রাম মাদ্রাসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৯ সালে হাজী মোহাম্মদ মোহসীন কলেজ নামে রূপান্তর পায়। এর মূল প্রতিষ্ঠাতা দানবীর হাজী মোহাম্মদ মোহসীন। তাঁর 'মহসিন ফাণ্ড'-এর অর্থায়নে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মাদ্রাসা হিসাবে। ১৮১২ সালে পরলোকগমন করা এই মহান ব্যক্তি তার বিপুল সম্পত্তি শিক্ষা ও জনকল্যাণে দান করে গেছেন।
হাজী মোহাম্মদ মোহসীন ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলার একজন কিংবদন্তি দানবীর, সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী। তিনি অঢেল সম্পত্তির মালিক হয়েও চিরকুমার থেকে জীবনের প্রায় সবটুকু মানুষের কল্যাণে ও শিক্ষা বিস্তারে দান করে গেছেন।
১৮০৬ সালে ট্রাস্টের (ওয়াকফ) মাধ্যমে তাঁর সম্পত্তি শিক্ষা ও জনসেবায় উইল করে যান, যা তাঁর উদারতার স্বাক্ষর।
হাজী মোহাম্মদ মোহসীনের জন্ম ১৭৩২ সালের ৩ জানুয়ারি হুগলিতে এক ধনাঢ্য পরিবারে।
দানবীর উপাধি - নিজের অঢেল সম্পত্তি লঙ্গরখানা, দরিদ্রের সাহায্য এবং শিক্ষার জন্য দান করেন।
এ জন্য তাকে বলা হয় দানবীর।
শিক্ষা ও জনসেবা: তাঁর প্রতিষ্ঠিত হুগলি ইমামবাড়া অন্যতম নিদর্শন। তাঁর দান করা অর্থ থেকে হুগলি মহসিন কলেজ স্থাপিত হয় হয়েছিল।
হাজী মোহাম্মদ মোহসীন
কলেজের
প্রথম অধ্যক্ষ
১৯৭৯ সালে কলেজটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পাওয়ার পর, এর প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন অধ্যাপক আবদুল হাকিম।
মাদ্রাসা থেকে
ইসলামিক
ইন্টারমিডিয়েট
কলেজ,
অতঃপর
হাজী মোহাম্মদ মোহসীন
কলেজ, চট্টগ্রাম -
এটি প্রথমে ১৮৭৪ সালে মাদ্রাসা ছিল, ১৯২৭ সালে 'ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ' এবং অবশেষে ১৯৭৯ সালে এটি সরকারি হাজী মোহাম্মদ মোহসীন কলেজে রূপান্তরিত হয়।
এ কলেজের মূল ভবনটি কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত - পর্তুগিজ এ ভবনটি নগরীর অন্যতম প্রাচীন স্থাপনা।
সরকারি কমার্স কলেজ,
চট্টগ্রাম -
১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর কলকাতার 'দি কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট'-এর এক চতুর্থাংশ হিস্যা পাকিস্তানে স্থানান্তরিত হলে সেটির দায়িত্ব অধ্যাপক আবদুস সামাদ-কে দেওয়া হয়। তিনি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে অবশেষে নবগঠিত পূর্ব পাকিস্তানের বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রামকে বেছে নেন। কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউটের ভাগে পাওয়া টাইপ রাইটার, বই, ফাইল এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি নিয়ে তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। চট্টগ্রামে এসে অধ্যাপক সামাদ কোথায় এটি স্থাপন করা যায় তাই নিয়ে পড়লেন দোটানায়। কারণ, মনমতো কোনো জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রফেসর আবদুস সামাদের পূর্ব পরিচিত ও তৎকালীন চট্টগ্রাম কলেজ-এর অধ্যক্ষ আবু হেনার সাথে এই বিষয়ে আলাপ করতে গেলে তিনি এটিকে তাঁর কলেজের একটি বিভাগ করার প্রস্তাব দেন। এটিকে শুধু একটি বিভাগ না করে সম্পূর্ণ আলাদা একটি ইন্সটিটিউট করাই ছিল অধ্যাপক সামাদের উদ্দেশ্য। তাই এই প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে অধ্যাপক সামাদ এর বিকল্প খুঁজতে থাকেন। অবশেষে কোতোয়ালী থানাধীন বর্তমান জি.পি.ও. বা জেনারেল পোস্ট অফিসের সামনে একটি ভবনের দুই তলার পুরোটাই অস্থায়ীভাবে ভাড়া নিয়ে শুরু হয় 'চট্টগ্রাম কলেজ অব কমার্স' তথা বর্তমান সরকারি কমার্স কলেজের যাত্রা।
সদ্য ভাগ হওয়া দেশের বাণিজ্যিক ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের নানাবিধ চাহিদা মেটাতে বিশেষ করে ব্যাংক, বীমা, শিল্প-কারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্যের কাজসমূহ সুচারুরূপে পরিচালনার জন্য বিশেষায়িত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে ফাইনাল ডে কোর্স (বর্তমান এইস.এস.সি.) ও বি.কম ক্লাস চালু হয় ১৯৪৭ সালের শেষদিকে।
১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এটি নিজ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হতে থাকে। পরবর্তীতে এটি সরকারি স্বীকৃতি পায় এবং 'চট্টগ্রাম কলেজ অব কমার্স' থেকে 'গভর্নমেন্ট কলেজ অব কমার্স, চিটাগাং'-এ রূপান্তরিত হয়। ঘুরে ফিরে শেষমেশ নাম হয় চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজ।
সরকারি সিটি কলেজ,
চট্টগ্রাম
১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম সিটি কলেজ। ১৯৭৯ সালে সরকারি করণ করা হয়।
১৯৫৪ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ চট্টগ্রাম কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক আসহাব উদ্দিন যুক্তফ্রন্টের এমএলএ নির্বাচিত হন। এ উপলক্ষে চট্টগ্রামের বিখ্যাত শিল্পপতি বদিউল ছালাম নিজ বাসভবনে তাঁর সম্মানে একটি চা পার্টির আয়োজন করেন। এই চা পার্টিতে অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পিছিয়ে পড়া সাধারণ মানুষের শিক্ষার উন্নতির জন্য আসহাব উদ্দিন উপস্থিত সকলের সামনে চট্টগ্রাম শহরে একটি নাইট কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। সকলেই এই প্রস্তাবে একমত হন।
কলেজের নাম চট্টগ্রাম নাইট কলেজ নির্ধারণ করা হয়। সিটি কলেজের যাত্রা মূলত এখান থেকেই শুরু হয়। পৌর উচ্চ বিদ্যালয় ভবনে চট্টগ্রাম নাইট কলেজের অস্থায়ী অফিস প্রথম খোলা হয়।
প্রথম
অধ্যক্ষ
যোগেশ চন্দ্র সিনহা -
চট্টগ্রাম কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক বাবু যোগেশ চন্দ্র সিনহাকে কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত করা হয় এবং ছাত্র ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৫৪ সালেই তৎকালীন কাজেম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয়। শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে কর্তৃপক্ষ ৩০ জুন কলেজ ক্যাম্পাস এখান থেকে ভিক্টোরিয়া ইসলামিয়া হোস্টেল (বর্তমানে মুসলিম এডুকেশন সোসাইটি) ভবনে স্থানান্তরিত করে। ১৯৫৭ সালের ১ জুলাই কলেজটিতে দিবা শাখা খোলা হয়। ফলস্বরূপ কলেজের নাম পরিবর্তন করতে হয়। ১৯৬২ সালের ১ জুলাই কলেজ পরিচালনা কমিটির সকল সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে কলেজের নাম 'সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম' রাখেন। একই বছর কলেজ ক্যাম্পাসটি পূর্বোক্ত স্থান থেকে বর্তমান স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়।
কেউ যদি একবার মাথায় হাত রেখে জিজ্ঞাস করতো।
"কেমন আছিস "
হয়তো আমি সব ভুলে গিয়ে শিশুর মত ভেঙে পড়তাম...?
23/04/2026
কাঁচা আমের টক-মিষ্টি-ঝাল আচার গরমের জন্য একদম পারফেক্ট 😋 নিচে সহজ একটা রেসিপি দিলাম—
🥭 কাঁচা আমের টক-মিষ্টি-ঝাল আচার
🛒 উপকরণ:
কাঁচা আম – ৫-৬টা (মাঝারি সাইজ, কিউব করে কাটা)
সরিষার তেল – ১ কাপ
চিনি – ১ কাপ (স্বাদমতো কম-বেশি)
লবণ – ২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ
লাল মরিচ গুঁড়া – ১-২ চা চামচ
শুকনা মরিচ – ৪-৫টা
মেথি দানা – ১ চা চামচ
মৌরি – ১ চা চামচ
কালোজিরা – ½ চা চামচ
রসুন – ৬-৭ কোয়া (ঐচ্ছিক)
👩🍳 প্রণালি:
আম প্রস্তুত করা:
কাটা আম ধুয়ে ভালো করে শুকিয়ে নাও (পানি যেন না থাকে)।
মশলা ভাজা:
কড়াইয়ে অল্প আঁচে মেথি, মৌরি ও শুকনা মরিচ হালকা ভেজে নাও, তারপর গুঁড়া করে রাখো।
তেল গরম করা:
সরিষার তেল গরম করে ধোঁয়া উঠলে একটু ঠান্ডা করো।
আম মেশানো:
আমের সাথে লবণ, হলুদ, মরিচ গুঁড়া, কালোজিরা, রসুন আর ভাজা মশলা মিশাও।
চিনি যোগ করা:
চিনি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নাও।
তেল ঢালা:
ঠান্ডা করা তেল আমের মিশ্রণে ঢেলে ভালোভাবে নেড়ে দাও।
রোদে রাখা:
পরিষ্কার কাঁচের বোতলে ভরে ৪-৫ দিন রোদে রাখো। মাঝে মাঝে নেড়ে দাও।
✅ টিপস:
আচার বেশি দিন ভালো রাখতে সব কিছু শুকনো রাখতে হবে।
চাইলে একটু ভিনেগার দিলে সংরক্ষণ আরও ভালো হবে।
১ সপ্তাহ পর আচারটা খেতে সবচেয়ে মজাদার লাগে ❤️
হারিকেন নিজেও ভাবেনি, এই শতভাগ বিদ্যুতের যুগে সে আবার তার ভরা যৌ'বন ফিরে পাবে!
12/04/2026
অতি বড় সুন্দরী, না পায় বর। অতি বড় ঘরনি , না পায় ঘর। নিখুঁতভাবে মনে নেই কিন্তু এরকমই প্রবাদটা। বেশী সুন্দরীরা স্বামী পায়না, আর বেশী সংসারী মনোভাবের মেয়েদের সংসার হয়না।
অবশ্য সব কিছুর উপরে থাকে ভাগ্য। ভাগ্যে থাকতে হয়। বেশ কিছুদিন আগে দেখলাম ভারতের কমেডিয়ান ভারতী সিং আবারও মা হচ্ছেন, সেটা সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন। পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেড়াতে গিয়ে সুখবর টা দিলেন। কী সুন্দর করে ক্যাপশন দিয়েছে, we are pregnant again🥰
আহা!
নায়িকাদের মতো রূপ , ফি'গার কিছুই নেই মেয়েটার। ছেলেদের চোখে কু'ৎসিত মেয়ে যাকে বলে। যখন প্রথম ক'মেডি সার্কাস শো তে দেখলাম, ওজনও অনেক বেশী ছিলো।
কিন্তু কী সুন্দর করে নিজের ওজন নিয়ে নিজেই ম'জা করতো আর বলতো , আপনার নিজের খুঁত গুলো নিজেই মানুষকে বলবেন । তাহলে আর মানুষ আপনাকে ছোটো করার সুযোগই পাবেনা। 😜
এখন তো নিজেকে অনেক বদলে ফেলেছে। দেখলেই বোঝা যায় কতোটা আত্ম'বিশ্বাসে ভরা মেয়েটা। স্বামী, সন্তান নিয়ে সবসময় ভ্লগ শেয়ার করে। সুখী ভাব চোখেমুখে।
অন্যদিকে ঐশ্বরিয়া আর অভিষেকের বি'চ্ছেদের গুঞ্জন যখন বার বার শুনি । মনে হয়, বিশ্বের অন্যতম সেরা সুন্দরীর স্বামীও অন্য নারীতে আ'সক্ত হয়? তারাও সঙ্গী ছাড়া হয়? এতো এতো অনুরাগী তার। কতো মানুষ তাকে একনজর দেখতে চায়। কিন্ত্ত সে যার নজরে বন্ধী হতে চায় সেই মানুষটাই নেই তার কাছে।🥲
একটা পবিত্র সম্পর্ক হচ্ছে সঞ্চয়ী একাউন্টের মতো। যেটা অল্প অল্প করে জমা হয়ে শেষ জীবনে আমাদের ভরসা দেয়। যখন দুনিয়ার সবার কাছে আপনি মূল্যহীন। তখনও শুধু ওই একটা পবিত্র সম্পর্কের মানুষের কাছে আপনি সবচাইতে দামী।
এতো এতো সম্পর্ক আমাদের জীবনে। মা, বাবা, বোন, ভাই, নানা, মামা, চাচা ।কিন্তু একটা সর্ম্পকের নামই জীবনসঙ্গী। কতটা ভরসা, ভালোবাসা , বিশ্বাস দিতে হয় এমন একটা সর্ম্পকে।
আমরা বলি, পুরুষ পর'কীয়া করে, পুরুষজা'তি খা'রাপ। তাদের বিশ্বাস করতে নেই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে পর'কীয়া করেটা কার সাথে? নিশ্চয়ই কোনো নারীর সাথে? তার মানে, পৃথিবীতে যতো পর'কীয়া করা খা'রাপ পুরুষ,ঠিক সেই সমান খা'রাপ নারীও আছে।😁 মূল কথা আসলে নিজে ঠিক থাকলেই জগৎ ভালো।
পুরুষকে কেনো আট'কাবে নারী? নারী কী শি'কারী? জাল নিয়ে থাকবে?😁কোনো পুরুষ যদি তার সঙ্গীর কাছে কমিটেড হয়, সেতো নিজেই অন্য নারীদের থেকে নিজেকে দূরে রাখবে। তাইনা?
06/04/2026
সবার উদ্দেশ্যে একটা মেসেজ যে আপনারা যেখানেই থাকেন না কেন কোন তাড়াহুড়ো করবেন না একটা কথা মাথায় রাখবেন একবারে না ফেরার চেয়ে দেরিতে ফেরা ভালো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4315
