Dr. Ajoy Kumer Ghosh
Skin VD specialist.
28/05/2024
"আমাদের ছেলেরা কীভাবে পুরুষ হবে?
গ্রামের বাড়িতে গেছি বেড়াতে। রাতের বেলা শুধু মুরগির বাচ্চার কিচিরমিচির শুনছি। একটু ডিস্টার্বই হচ্ছে। দোতলার বারান্দায় নাকি মা মুরগির বাচ্চা এনে রেখেছেন। জানতে চাইলাম, মুরগিকে নিচে রেখে এখানে কেন বাচ্চাগুলো রেখেছেন? মা জানালেন যে, মুরগির বাচ্চা মায়ের সাথে যত বেশিদিন থাকে তত দেরিতে ডিম দেয়, আর মা থেকে আলাদা করে রাখলে দ্রুত ডিম দেওয়া শুরু করে।
চট করে আমার চিন্তাটা মুরগির বাচ্চা থেকে সরে আমাদের বর্তমান সমাজের আধুনিক প্রজন্মের ‘ছেলেদের’ দিকে সরে গেল, যারা বয়স পঁচিশ-ত্রিশে এসেও মানসিকভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হতে পারে না।
আমার বন্ধু শরিফ। ওরা দ্বিতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বৃটিশ। ওর বাবা গিয়েছিলেন ষাটের দশকে। ওর নিজের জীবনের দারুণ একটা ঘটনা শুনিয়েছিল আমাকে। ওর বয়স যেদিন ষোলো বছর পূর্ণ হয়ে সতেরোতে পড়ল, সেদিন ওর বাবা ওকে ডেকে বললেন, এখন থেকে তুমি বৃটিশ আইন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক, স্বাধীন ও স্বনির্ভর পুরুষ।
এখন থেকে তোমার দায়িত্ব তোমাকেই বহন করতে হবে। তোমার লেখাপড়ার খরচা তোমাকেই যোগাতে হবে। আর আমার বাড়িতে থাকতে হলে বাড়ি ভাড়া, আর খেতে হলে খাবার খরচ দিতে হবে। যেই কথা সেই কাজ। কোনো ছাড় নেই। শরিফ বাধ্য হয়ে একটা শপে পার্টটাইম কাজ জোগাড় করল। স্কুল শেষে সেখানে কাজ করত।
সেই টাকা দিয়ে বাড়ি ভাড়া আর খাবার বিল দিত। লেখাপড়া তো সরকারি স্কুলে, তাই বেঁচে গেল। বৃটিশ কালচারে এটা স্বাভাবিক হলেও বাঙালী হিসেবে বাবার এই আচরণ মেনে নিতে ওর বেশ কষ্ট হয়েছিল। এই সময়টাতে বাবার প্রতি জন্মেছিল এক রাশ ঘৃণা আর অভিমান। এই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল সেটা একটু পরে বলছি।
জীবনের এই প্রথম ধাক্কায় তাকে অনেকটা পরিপক্বতা এনে দিয়েছিল। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিল। এখন মাত্র ৪৫ বছর বয়সে ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে গেছে।
আমি শরিফকে আমার এই বিশ বছরের বন্ধুত্বের জীবনে অসংখ্য ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে ও অংশগ্রহণ করতে দেখেছি। অনেক অসহায় মানুষকে, পরিবারকে ও সাহায্য করেছে।
ঠিক এর বিপরীতে গেলে আমাদের সমাজে অসংখ্য মানুষ দেখতে পাবেন, যারা ত্রিশে এসেও বালক সুলভ জীবন কাটায়, পুরুষ হয় না। কোনো দায়িত্ব নিতে সক্ষম নয়, কোনো কিছুতে স্থির নয়, কোনো লক্ষ্যপানে ধাবিত নয়, কোনো অর্জনের জন্য স্থির নয়।
আমাদের অধিকাংশ মানুষকে বলতে শুনেছি, ছেলেমেয়েদের জন্যই তারা খেটে মরে, বাড়ি গাড়ি বানায়। জিজ্ঞেস করলে বলে, আমরা যে কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছি আমার ছেলেমেয়েরা যেন তার মধ্য দিয়ে না যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এ ধরণের চিন্তার বাবা-মায়ের সন্তানরা খুবই অযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়।
যে বাবা-মা তাদের জন্য খেটে মরেছে, তাদের জন্য কিছু করা তো দূরের কথা, তারা নিজেদের দায়িত্বই নিতে সক্ষম হয় না। বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া সম্পদের উপর নির্ভরশীল হয়। সেটা ফুরিয়ে গেলে চরম সঙ্কটে জীবনযাপন করে।
আমাদের ভিতরে যাঁরা একটু স্মার্ট এবং বাস্তব সম্মত চিন্তা করেন, তাঁরা ভাবেন—ছেলেমেয়েদের জন্য বাড়ি গাড়ি রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়, তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই আমাদের দায়িত্ব।
তারা দেখা যায় উন্নত লেখাপড়ার জন্য ছেলে মেয়ের পিছনে অঢেল টাকা পয়সা ব্যয় করেন, দুনিয়ার সকল ঝুট ঝামেলা ও বাস্তবতা থেকে এমনভাবে দূরে রাখেন, ফলে তারা হয় ‘শিক্ষিত বলদ’।
সত্যিকার ছেলেদেরকে পুরুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ খুব কম মানুষই গ্রহণ করতে পারেন। আর এর অবধারিত ফল হলো ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার হিসেবে, সমাজ ও জাতি হিসেবে পিছিয়ে পড়া।
একটা মানুষ যদি পৃথিবীর জন্য পনেরো-ষোলো বছর থেকে অবদান রাখা শুরু করতে পারে, তাহলে তার অবদানের মাত্রা ও মান দুটোই অনেক বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে কথিত মাস্টার্স শেষ করে কর্পোরেট স্লেইভ হতে হতে যে সময় ব্যয় হয়ে যায়, তাতে অবদান রাখার সময় যেমন হারিয়ে যায়, তেমনই অবদানের মানও আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো হয়ে ওঠে না।
আমি ড্রাইভিং শিখেছিলাম ৩৩ বছর বয়সের দিকে। আমার এক বন্ধু তখন বলেছিল—তুমি এখন আর ফার্স্ট ক্লাস এফিশিয়েন্ট ড্রাইভার হতে পারবে না, তুমি হবে ‘আংকেল ড্রাইভার’। সামনের আরেকটা গাড়ির পেছনে পেছনে স্টিয়ারিং ধরে গাড়ি চালিয়ে তোমার জীবন যাবে।
আমি খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করলাম যে, কথা খুবই সত্য। আমার পাশ দিয়ে বহু গাড়ি কাটিয়ে চলে যায়, আর আমার কাছে সামনের গাড়ির পিছনে ধরে রাখাকেই নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে হয়। তাই দেরি করে দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারটা শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন করে তা-ই নয়, দায়িত্ববোধের মান ও দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাও হ্রাস করে ফেলে।
বাবার প্রতি শরিফের ঘৃণা আর অভিমানের কথা মনে আছে?
এবার বলি সেই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল। বিয়ের দু’বছর পর যখন একটা ব্যবসা দাঁড় করানোর জন্য ভালো অংকের একটা নগদ অর্থ দরকার হলো তখন সেই কঠোর বাবা তার হাতে পাউন্ডের একটা বান্ডিল দিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা বাড়ি ভাড়া আর খাওয়ার খরচ হিসেবে দেওয়া তোমার সেই অর্থ।
তোমার এইরকম প্রয়োজনের সময় দেওয়ার জন্য জমা করে রেখেছিলাম’। জীবনে কোনো এক সময় যদিও বাবার প্রতি শরিফের ঘৃণা জন্মেছিল, কিন্তু এখন বাবার সেই কঠোরতাটুকুকে সে তার জীবনের অমুল্য সম্বল মনে করে এবং বাবাকে নিয়ে সে আজ সত্যিকারে গর্ব অনুভব করে।
সেই মুরগির গল্পে ফিরে আসুন। মুরগির বাচ্চা যেমন মায়ের ডানার নিচে থাকলে ডিম দেবে না, তেমনি আপনার ছেলেকে যতদিন ডানার নিচে রাখবেন সে দায়িত্বশীল হবে না। এটা সৃষ্টির প্রকৃতির মধ্যে দেওয়া স্রষ্টার অমোঘ নিয়ম।'
Copied
27/05/2024
"আসুন দেখি সক্রেটিসের দৃষ্টিতে "সত্য" কি?
প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স শহর ।
সক্রেটিস তার ছাত্রদের নিয়ে বসে কথা বলছেন এক বাগানে ৷
এক ছাত্র জিজ্ঞাসা করলেন,
সত্য কিভাবে বুঝবো ?
সক্রেটিস কোন উত্তর না দিয়ে বললেন,
বসো সবাই, একটু আসছি ৷
একটু পর এলেন । হাতে একটি আপেল ৷ ছাত্রদের দেখালেন । জিজ্ঞাস করলেন,
- এটা কি ?
সবাই বললেন,
আপেল ৷
ফলটি হাতে সক্রেটিস ছাত্রদের চারপাশে একটু ঘুরে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে?
কেউ কোনো উত্তর দিচ্ছে না । সবাই চুপ । দেখতে আপেল মনে হলেও গন্ধ তো তারা পায় নি ।একজন শুধু উঠে দাঁড়িয়ে বললেন,
আপেলের গন্ধ পেয়েছি !
বলেই ছাত্রটি দাঁড়িয়ে সবার দিকে সমর্থনের আশায় তাকাল, কিন্তু কেউ তার সমর্থনে সাড়া দিল না ৷ সবাই নিশ্চুপ ।
সক্রেটিস আবার আপেলটি নিয়ে ছাত্রদের চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাড়িয়ে নাড়িয়ে হেঁটে হেঁটে জিজ্ঞাসা করলেন,
- এবার তোমরা কি কোন কিছুর গন্ধ পেলে ?
বেশির ভাগ ছাত্র হাত তুলে বললেন,
- হুম, আমরা আপেলের গন্ধ পেয়েছি এবার !
একটু চুপ থেকে এবার সক্রেটিস আপেল হাতে সবার নাকের কাছে তুলে ধরলেন । ঘুরে ঘুরে শুঁকিয়ে শুঁকিয়ে জানতে চাইলেন,
- এবার কেমন গন্ধ পেলে ?
সব ছাত্রই হাত তুলে বললেন,
- আপেলের মিষ্টি গন্ধ ৷
সবাই হাত তুলে বলছে, কিন্তু একজন ছাত্র হাত তুলে নি !
বাকিরা তার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে । সক্রেটিসও ছাত্রের দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছে ৷ লজ্জা পেয়ে সেও আর থাকতে পারল না, হাত তুলল । বাকিরা সমস্বরে হেসে উঠল ৷ হাসি শেষ হলে সক্রেটিস ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন,
- তুমিও কি আপেলের গন্ধ পেয়েছিলে ?
ছাত্রটি মাথা নেড়ে বললেন,
হাঁ ৷
সক্রেটিস একটু থামলেন । ফলটি নেড়েচেড়ে বললেন,
আপেলটি ছিল আসলে একটি নকল আপেল, যার কোন গন্ধ নেই !
কেউ শুরুতে আপেলের গন্ধ পায় নি । একজন পেয়েছে বলাতে বিভ্রান্ত হয়ে পরের বারে বেশিরভাগই বললো আপেলের গন্ধ । কিন্তু ঠিকই একজন তখনও নিশ্চিত ছিল কোনো আপেলের গন্ধ সে পায় নি ।কিন্তু সেও শেষে সামষ্টিকের নিশ্চিতের কাছে পরাস্ত হয়ে গেলো । সবশেষে দেখা গেলো আপেলটি নকল ছিল ।
সত্য বিচারে মানুষ তার নিজের বিচারকে খুব কম অনুসরণ করে । সমষ্টির সমর্থনের আশায় সামষ্টিকের মিথ্যেকেই প্রতিদিন এমন করে বড় সত্য ভেবে অনুকরণ করে ৷
আজকের সমাজ, বিশ্ব এবং সামাজিক মিডিয়া তার বাস্তব উদাহরণ ।"
Copied
29/04/2024
ষাটোর্ধ একজন CEO অবসর নেয়ার আগে তার স্বনামধন্য কোম্পানীর উত্তোরাধিকার হিসেবে একজন সৎ ও যোগ্য CEO নির্বাচন করতে চাইলেন। তবে চিরায়ত নিয়মে তিনি তার পরিচালক পর্ষদ বা ছেলেমেয়েদের মধ্য থেকে কাউকে উত্তরাধিকার না করে ভিন্নধর্মী কিছু করার চিন্তা করলেন। তাই একদিন সকল এক্সিকিউটিভদের বললেন “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপনাদের মধ্য থেকে একজন পরবর্তী CEO নিয়োগ করবো।
” শুনে তো সবাই হতবাক! তবে আবার খুশীও হল। CEO হওয়ার স্বপ্নে তাদের মন উৎফল্লিত হলো। তিনি বলে চললেন “আমি আপনাদের প্রত্যেককে একটি করে ‘বীজ’ দেব। এই বীজ আপনারা টবে রোপণ করবেন, পানি দিবেন, যত্ন করবেন আর ঠিক এক বছর পর তা আমার নিকট নিয়ে আসবেন। আমি তখন সেই বীজ থেকে বেড়ে ওঠা চারাগাছ দেখে বিচার করবো কে হবে পরবর্তী CEO ।”
সেইখানে অলিভার নামে একজন ছিল যে আর সবার মতই বীজ নিয়ে বাসায় ফিরলো। তার স্ত্রী একটি টব, মাটি ও সার জোগাড় করলো এবং সেই টবে অলিভার বীজটি রোপণ করলো। প্রতিদিন সে বীজটির খুব যত্ন করতে লাগল। নিয়মিত পানি দিল। সপ্তাহ তিনেক পর তার সহকর্মীরা এক অন্যের সাথে তাদের বীজ থেকে বেড়ে ওঠা চারাগাছ সম্পর্কে বলাবলি করতে লাগল।
কিন্তু হায় অলিভারের বীজ থেকে তো কিছুই জন্মাচ্ছে না। এভাবে তিন সপ্তাহ, চার সপ্তাহ করে পাঁচ সপ্তাহ পার হয়ে গেল। সে নিজেকে ব্যর্থ ভাবতে শুরু করলো। নিজের মনেই বলল “আমি বোধ হয় রোপণের সময় বীজটি নষ্টই করে ফেলেছি।” সে তার সহকর্মীদের সাথে লজ্জায় এ বিষয়ে কোন কথাও বললো না।
অবশেষে একটি বছর পার হলো। কোম্পানীর সব এক্সিকিউটিগণ তাদের বড় হয়ে যাওয়া চারা গাছটি তাদের CEO এর নিকট নিয়ে এলো।
এই খালি টব নিয়ে অলিভারের পক্ষে অফিস যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু স্ত্রী তাকে যা ঘটেছে সে বিষয়ে সৎ থাকার পরামর্শ দিল এবং বললো যা সত্য তাই তোমার CEO কে বলবে। সে আজ খুবই বিব্রত হবে – এই দুশ্চিন্তায় অলিভার অসুস্থ বোধ করতে থাকলো। কিন্তু সে এও জানে তার স্ত্রী ঠিক কথাই বলেছে।
সে তার খালি টব নিয়ে বোর্ডরুমে ঢুকে দেখলো সকলের টবে কী সুন্দর সুন্দর গাছ! অলিভার তার টবটি রুমের মেঝেতে রাখল। অনেকেই হাসাহাসি করল, কেউ কেউ আবার দুঃখ প্রকাশও করলো।
CEO রুমে এসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পুরো রুম পরিদর্শন করলেন। “ও মাই গড, আপনারা কী সুন্দর চারাগাছ ও ফুল জন্মিয়েছেন!” হঠাৎ তার চোখ গিয়ে পড়লো অলিভারের দিকে। অলিভার লজ্জায় পেছনে কোথাও লুকানোর চেষ্টা করলো। CEO তাকে সামনে আসতে বললেন।
অলিভার খুব ভীত হয়ে পড়লো। নির্ঘাৎ সে আজ তার চাকুরী হারাবে। CEO জিজ্ঞেস করলেন “কি ব্যাপার অলিভার, আপনার বীজের কী হয়েছে?” অলিভার তাকে সব খুলে বললেন। CEO সবাইকে বসতে বললেন, শুধু অলিভারকে বললেন দাড়িয়ে থাকতে। তিনি অলিভারের দিকে তাকিয়ে বললেন সবাই আমাদের নতুন CEO কে ভালো করে দেখুন, তার নাম অলিভার!
অলিভার নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলো না! সে তো কোন চারাগাছের জন্মই দিতে পারে নি!
সবাই বলাবলি করলো “সে কিভাবে CEO হলো?”
CEO বললেন “এক বছর আগে আমি প্রত্যেককে যে বীজ দিয়েছিলাম তা সবই ছিল মৃত। কারণ সেগুলো ছিল সিদ্ধ করা। তাই কোন চারা অঙ্কুরিত না হতে দেখে হতাশ হয়ে আপনারা আমার দেয়া বীজটি ফেলে দিয়ে নতুন বীজ লাগিয়েছেন, শুধুমাত্র অলিভার সাহস ও সততার সাথে খালি টব নিয়ে এসেছে যে টবে আমার দেয়া বীজটিই রয়েছে। সবাই করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দিত করুন।”
“যদি সততা রোপণ করেন, তবে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করবেন”
“যদি সৎগুণ রোপণ করেন, তবে ভালো বন্ধুত্ব অর্জন করবেন”
“যদি কঠোর শ্রম রোপণ করেন, তবে সাফল্য অর্জন করবেন”
“যদি সুবিবেচনা রোপণ করেন, তবে আপনি যৌক্তিক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করবেন”
তাই কী রোপণ করছেন সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন, তা নির্ধারণ করে দিবে ভবিষ্যতে আপনি কী অর্জন করবেন।
জীবনকে আপনি যা দিবেন, জীবন আপনাকে তাই ফেরত দিবে।
" সততার বীজ "
06/10/2023
যে জ্যোতিষী মানুষের ভাগ্যরেখা দেখেন, আগাম ভবিতব্য জানান - সে জ্যোতিষী তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে কিছুই জানেন না। জানতে পারেন না। শুধু মৃত্যু কেনো, কোনো মানুষ কোনো প্রাণীই আগাম কোন কিছু জানতে বা দেখতে পারেন না। এটা প্রকৃতির নিয়ম। প্রকৃতি তার সৃষ্টির কোন বিষয় আগাম জানাতে পছন্দ করেনা। এটা তার নিয়মে নেই।
বি দ্র - প্রথম আলো'র "আপনার রাশিফল" লেখক কাজী সারোয়ার হোসেন গত ৩ অক্টোবর মারা গেছেন। মৃত্যুর পূর্বাবধি তাঁর নামে ছাপা হয়েছে " দিনটি আজ কেমন যাবে "।
প্রথম আলোর পাঠক হিসেবে অন লাইনে আমিও নিয়মিত সেটা পড়তাম এবং আমার দিনটি কেমন যাবে সেটা জেনে নিতাম।
আচ্ছা প্রথম আলো'র মতো একটি আধুনিক কাগজ কেনো আজকের দিনে এসেও এমন জ্যোতিষ বানী বা ভাগ্যরেখা ছাপে? বাস্তবে আমরা আধুনিকতার ভুমিকা নিয়ে দৌড়াতে পছন্দ করি। মননে মগজে আধুনিক হতে পারিনা।
18/09/2023
সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়।
শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন?
ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যাক খ্যাক করা ছাড়া কোনো কথা বলে না- সে আজ এতো মধুর স্বরে ডাকছে কেন?
নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে।
ঘোড়া শিয়ালের ডাকে সাড়া দেয় না।
শিয়াল এবার ময়ুরীর কাছে গিয়ে বলে- আপুমনি কেমন আছো। দেখতে খুবই মিষ্টি লাগছে।
ময়ুরীও বুঝতে পারে- শিয়ালের মুখে মিষ্টি বচন। নিশ্চয়ই লক্ষণ ভালো না।
সে ও সাড়া দেয় না।
শিয়াল এবার গাধার কাছে গিয়ে বলে- বাহ! তোমাকে খুবই হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে।
এরকম হ্যান্ডসাম একটা প্রাণী খেটে খেটে জীবনটা নষ্ট করে দিলো।
তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা। রাজার বয়স হয়ে গেছে।
তিনি অবসরে যাবেন। আর তোমাকে রাজা বানাবেন।
চলো আমার সাথে সিংহাসনে চলো।
গাধা খুব খুশি হয়। শিয়ালের সাথে সিংহাসনে আসে।
সিংহের কাছে আসা মাত্রই সিংহের এক থাবায় গাধা তার কান দুটো হারায়।
কিন্তু কোনো রকমে পালিয়ে বাঁচে।
শিয়াল গাধার কাছে এসে বলে- এতো বোকা হলে রাজা হবে কিভাবে।
রাজা তোমার মাথায় মুকুট পরাবে। কিন্তু দুপাশে দুটো কান থাকলে কি রাজমুকুট ঠিকমতো মাথায় বসবে।
তাইতো তোমার কান দুটো তোলে নেয়া হয়েছে।
কিছু বুঝনা অবুঝ প্রাণী- এটাকে গ্রুমিং বলে।
চলো চলো আমার সাথে চলো। দেরি হলে অন্য কেউ আবার রাজা হয়ে যাবে।
গাধা আবার সিংহের কাছে আসে। এবার সিংহের আরেক থাবায় তার লেজখানা খসে পড়ে।
কিন্তু এবারও পালিয়ে বাঁচে।
শিয়াল যথারীতি গাধার কাছে এসে বলে- আবারও ভুল করলে।
লেজ থাকলে রাজ সিংহাসনে বসবে কিভাবে।
তাই তোমার লেজটা খসানো হয়েছে।
অবুঝ প্রাণী দূরদর্শী চিন্তা করতেই পারোনা।
এটা হলো আলট্রা গ্রুমিং। মানে একেবারে ফাইনাল টাচ।
চলো চলো তাড়াতাড়ি সিংহাসনে চলো।
গাধা আবারও সিংহাসনে আসে।
এবার আর সে বাঁচতে পারে না।
সিংহের থাবায় তার ক্ষত বিক্ষত দেহ খানা মাটিতে পড়ে আছে।
সিংহের দাঁতে মুখে রক্তের দাগ।
শিয়াল সিংহকে বলে - মহারাজ এতো কষ্ট করে আপনি খাবেন।
মাথাটা আমাকে দেন। সুন্দর করে প্লেটে সাজিয়ে দেই।
শিয়াল গাধার ব্রেণটুকু খেয়ে মাথার অবশিষ্ট অংশ সিংহকে দেয়।
সিংহ বলে- ব্রেণ কোথায়।
শিয়াল বলে- মহারাজ যে বারবার ধোকা খেয়েও আপনার কাছে এসেছে- আপনি কি মনে করেন তার ব্রেণ বলে কিছু আছে।
গাছের ডালের উপর থেকে ময়ুর বলে-
তার ব্রেণ ঠিকই আছে। কিন্তু অতি সহজ সরল হওয়ায় প্রতারকদের বুঝতে পারেনি।
প্যাঁচা তার সন্তানকে বলে -এই ঘটনা থেকে তোমরা কি শিখলে।
শিখলামঃ
হঠাৎ করে কেউ যদি বড় আপন হয়ে ওঠে, বুঝতে হবে তার গোপন দূরভিসন্ধি আছে।
এটাও শিখলাম- যার যে কাজ তাকে সেটাই করতে হয়। অন্যের কুমন্ত্রণা শুনতে হয়না।
লোভের ফল কখনো মিষ্টি হয়না।
সাদাসিদা হওয়া ভালো। কিন্তু বোকা হওয়া ভালো না।
সবচেয়ে বড় জিনিসটা শিখলাম তা হলো- প্রতারকদের একবার বিশ্বাস করা যায়। কিন্তু বারবার বিশ্বাস করা যায় না।
অতি বিশ্বাস করে সে ঠকেছে। আর নিজের জীবন দিয়ে তার বিশ্বাসের মর্মন্তুদ পরিসমাপ্তি ঘটেছে।
একটা তুর্কীয় গল্পের ভাবানুবাদ
16/09/2023
একজন লোক আলতো করে ইন্টারভিউ রুমের দরজায় টোকা দিল।
"মে আই কাম ইন স্যার"?
প্যানেলের একজন সদস্য বললেন, "আসুন"।
লোকটি কথা বলার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু তাকে প্রথমে বসতে বলা হয়েছিল। তাই তিনি প্যানেল সদস্যদের মুখোমুখি একটি চেয়ারে বসলেন।
তাদের মধ্যে একজন জিজ্ঞেস করলেন, "এই রুমটি সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন?"
"খুব সুন্দরভাবে সজ্জিত স্যার। একটি সুন্দর কার্পেট, উইন্ডো স্ক্রীন, একটি বোর্ড, প্রজেক্টর, সাদা পর্দা। মহান স্যার"।
"আপনি কি লক্ষ্য করেননি যে ছোট কাগজের বান্ডিল মেঝেতে ফেলে দেওয়া হয়েছে? এটি কি পরিবেশ নষ্ট করে না?"
এই বিষয়ে কিছু বললে যে লোকটি এটি ছুঁড়েছে সে বিশ্রী বোধ করবে। এটি বাম দিক থেকে দ্বিতীয় বসে থাকা ব্যক্তিটি ছুঁড়েছে। আপনি কেবল তার টেবিলে স্ক্রিবলিং প্যাড দেখতে পাচ্ছেন। প্যাডটিতে এখনও সেই বান্ডিল থেকে কিছুটা কাগজ রয়েছে কারণ এটি ছিদ্র বরাবর সঠিকভাবে ছিঁড়ে যায়নি"।
"ভাল পর্যবেক্ষণ। আপনি কি বাইরের ঝাড়ুদার মহিলাকে ভিতরে এসে এটি পরিষ্কার করতে বলবেন?"
"হ্যাঁ স্যার। ওর নাম স্যার?"
নীরবতা ছিল।
"ঠিক আছে স্যার। আমার মনে হয় এখানে কেউ তার নাম জানে না। যেভাবেই হোক আমি তাকে এখানে নিয়ে আসব।"
তিনি বাইরে গিয়ে বাইরে বসা পিয়নের কাছ থেকে ঝাড়ুদারের নাম জিজ্ঞেস করলেন।
তিনি তাকে ডাকলেন "ভবানী, দয়া করে এসে এই ইন্টারভিউ রুমটি পরিষ্কার করুন"।
ইন্টারভিউ আবার শুরু হলো।
"আপনি ভাল করছেন। আপনি যে মানুষই হোক না কেন তাদের সম্মান করেন। এখন আপনি আমাকে বলতে পারেন আমাদের মধ্যে কে বস?"
'"হ্যাঁ স্যার। আপনার মধ্যে দু'জন হস্তক্ষেপ না করেই এটা দেখছেন। দুজনের মধ্যে একজন হচ্ছেন ফিন্যান্স ম্যান যিনি বেতন নিয়ে আলোচনা করার সময়ই পা দেবেন। অন্যজন এই পুরো নাটকের পরিচালক এবং তিনি হলেন এইচআর ম্যান। শেষে বসা লোকটি কেবল হাসছে এবং মাঝে মাঝে আপনার সাথে কথা বলছে। তিনি হলেন বস। যদিও কেন্দ্রে বসে থাকা ব্যক্তিটি আপনার সবার কাছ থেকে অনেক মনোযোগ পায় যাতে আমি বিভ্রান্ত হয়ে যাই যে তিনিই বস"।
"চমৎকার। আপনি আমাদের সমস্ত প্রয়োজনীয়তা পূরণ করেন। কিছুক্ষণ বাইরে অপেক্ষা করুন যাতে আপনি আপনার অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার সংগ্রহ করতে পারেন"।
"আর কোন প্রশ্ন নেই স্যার? যেমন প্যাটেল মূর্তির উচ্চতা কত, রাষ্ট্রপতি মুর্মু আগে কোথায় ছিলেন ইত্যাদি ইত্যাদি?"
"আর কোন প্রশ্ন করার দরকার নেই। আমরা শুধু আপনার নাম নিশ্চিত করতে চাই। আপনি হায়দ্রাবাদের মিঃ গিরিধর। তাই না?"
"দুঃখিত স্যার। তিনি বাইরে অপেক্ষা করছেন"।
"তাহলে তুমি কে?"
"স্যার আমি ক্যান্টিন থেকে প্রকাশ। আমাকে এখানে কত কাপ চা এবং কফি আনা হবে এবং কোন স্ন্যাক্সের প্রয়োজন আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছিল। পরিবর্তে আমাকে একটি সিট অফার করা হয়েছিল এবং ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছিল। এটি চমৎকার ছিল স্যার। আমি এটি উপভোগ করেছি।" এখন আপনি কি আমাকে এখানে চা এবং কফির কাপের সংখ্যা বলবেন"। Collected.
12/07/2023
জ্বরের সাথে নীচের ৭ টির যে কোন ২ টি থাকলেই ডেঙ্গু সন্দেহ করবেন এবং ডাক্তারের দ্রুত পরামর্শ নিবেন।
১. তীব্র মাথাব্যাথা
২. চোখে ব্যাথা (বিশেষ করে পিছনের দিকে)
৩. হাড় বা মাংসে ব্যাথা
৪. বমি বমি ভাব
৫. বমি
৬. চামড়ায় ফুসকূড়ি (rash)
৭. গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া
৮. নীচের যে কোনো ওয়ার্নিং সাইন
মারাত্মক ডেঙ্গুর সতর্ক সংকেত (Warning signs)
=====
ডেঙ্গু জ্বরের প্রথম লক্ষন দেখা দেবার ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে কেউ কেউ মারাত্মক ডেঙ্গুর সংকটাপন্ন অবস্থায় চলে যেতে পারেন।
জ্বর কমে যাওয়া মানে এই নয় যে রোগ শেষ। বরং এটা হতে পারে শেষের শুরু। জ্বর ভাল হয়ে যাবার ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা পরই বরং ব্লাড প্রেসার কমতে কমতে রোগী শকে চলে যেতে পারে বা লিভার, কিডনী, ফুসফুস, ব্রেন damage এর লক্ষন শুরু হতে পারে। এটা রক্ত ক্ষরনেরও কাল। এ সময়ে তাই নিয়মিত বিরতিতে ব্লাডপ্রেসার চেক করতেই হবে।
সতর্ক সংকেত বা Warning sign গুলি নিম্নরূপঃ
১. তীব্র পেট ব্যাথা।
২. ক্রমাগত বমি (দিনে তিনবার বা তার চেয়ে বেশি)
৩. দাঁতের মাড়ি থেকে রক্তপাত
৪. রক্তবমি
৫. শ্বাসকষ্ট, দ্রুত শ্বাস
৬. অত্যধিক দূর্বলতা, অবসাদ বা অস্থিরতা।
৭. ল্যবরেটরী টেষ্টে একই সঙ্গে PCV (hematocrit) বেড়ে যাওয়া ও Platelet দ্রুত কমতে থাকা।
৮. ব্লাড প্রেসার ডেঙ্গু পূর্ববর্তী অবস্থা থেকে কমে যাওয়া।
এ সতর্ক সংকেতগুলি নজরে রাখতে হবে এবং এর এক বা একাধিক দেখা দিলেই আপনাকে জরুরী বিভাগ/হাসপাতাল/চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
(তথ্যসূত্রঃ WHO, CDC)
02/07/2023
কিংবদন্তি চার্লি চ্যাপলিনের সেরা উক্তি
"আমি সবসময় বৃষ্টিতে হাঁটতে পছন্দ করি, যাতে কেউ আমাকে কাঁদতে না দেখতে পারে।"
"কমেডি করার জন্য আমার যা দরকার তা হল একটি পার্ক, একজন পুলিশ এবং একটি সুন্দর মেয়ে।"
"হাসি ছাড়া একটি দিন নষ্ট একটি দিন."
"আপনি নিচের দিকে তাকিয়ে থাকলে কখনো রংধনু পাবেন না"
"এই দুষ্ট জগতে কিছুই স্থায়ী নয়, এমনকি আমাদের কষ্টগুলোও নয়।"
"ব্যর্থতা গুরুত্বহীন। নিজেকে বোকা বানাতে সাহস লাগে"
"আমরা খুব বেশি চিন্তা করি এবং খুব কম অনুভব করি।"
"ক্লোজআপে দেখা গেলে জীবন একটি ট্র্যাজেডি, তবে লং-শটে কমেডি।
"জীবনের সত্যি সত্যি হাসতে আপনাকে অবশ্যই দুঃখকে নিয়ে খেলা করার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। "
"নিখুঁত ভালবাসা সমস্ত হতাশার মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর কারণ এটি একাধিকভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারে।"
“অন্য সকলের মতো আমিও যা আমি: একজন ব্যক্তি, অনন্য এবং ভিন্ন, পূর্বপুরুষের প্রম্পটিং এবং আর্গিংসের একটি লাইনের ইতিহাস সহ; স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং বিশেষ অভিজ্ঞতার ইতিহাস, যার সমষ্টি আমিই।"
"কল্পনা করা ছাড়া কিছুই মানে না।"
"শেষ পর্যন্ত, সবকিছু একটি ফাঁকি।"
"আয়না আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু কারণ আমি যখন কাঁদি সে আমাকে দেখে হাসে না"
মূল রচনা: সুফিজম এরাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড
✍️অনুবাদে: অশোক পাল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
Opening Hours
| Monday | 15:00 - 16:00 |
| 19:00 - 22:00 | |
| Tuesday | 15:00 - 16:00 |
| 19:00 - 22:00 | |
| Wednesday | 15:00 - 16:00 |
| 19:00 - 22:00 | |
| Thursday | 15:00 - 17:00 |
| 19:00 - 17:00 | |
| Friday | 19:00 - 21:00 |
| Saturday | 03:00 - 16:00 |
| 19:00 - 22:00 | |
| Sunday | 15:00 - 16:00 |
| 19:00 - 22:00 |
