Webhealthcare
অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, অল্প ব্যয় ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত চিকিৎসা সহায়তা
27/08/2025
১৮৩৬) কেন মেয়েরা টিউমার, ক্যান্সারে মারা যায়, প্রতিকার কি….?
মেয়েদের_স্বাস্থ্য_ও_সতর্কতা :
মহিলাদের জরায়ু ও প্রজনন স্বাস্থ্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে জরায়ু ক্যান্সার আজকাল ভয়ঙ্করভাবে বেড়ে চলেছে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা গবেষণার মাধ্যমে দেখেছেন, কিছু ভুল অভ্যাসের কারণে এই রোগের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
# যেসব বিষয়ে সচেতন থাকা দরকারঃ
১। সাবান ব্যবহার নয় ➝ যোনি পরিষ্কারের জন্য কখনো সাবান বা কেমিকেল ব্যবহার করবেন না। শুধু পরিষ্কার পানি যথেষ্ট। সাবানের কেমিক্যাল যোনির প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে সংক্রমণ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
২। স্যানিটারি প্যাড ব্যবহারে সতর্কতা:
আল্ট্রা প্যাড সারাদিন ব্যবহার করবেন না। ৪-৫ ঘন্টার মধ্যে অবশ্যই পরিবর্তন করুন।
যতটা সম্ভব কটন তৈরি প্যাড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
সময়মতো প্যাড পরিবর্তন না করলে রক্ত জমে ছত্রাক তৈরি হয় এবং তা যোনি ও জরায়ুকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৩। ব্যক্তিগত অভ্যাসে সতর্কতা:
কালো বা ভেজা প্যান্টি ব্যবহার করবেন না।
যোনিতে কোনো কেমিকেল, সুগন্ধি স্প্রে, কিংবা বিদেশী বস্তু ব্যবহার করবেন না।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাপড় ব্যবহার করুন।
# সতর্কতার লক্ষণ:
✔ সাদা স্রাবের মতো তরল নির্গত হওয়া।
✔ হঠাৎ স্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন।
এমন হলে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারকে দেখান।
# মনে রাখবেন
সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মানলে জরায়ু ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। আপনার সামান্য সচেতনতাই জীবন রক্ষা করতে পারে।
আপনি যদি জরায়ু ক্যান্সার বা টিউমারে আক্রান্ত হয়ে যান, সেক্ষেত্রে অপারেশন ছাড়াও কিছু গুরুত্বপূর্ন হার্বস দিয়েও আমরা অসংখ্য রুগিকে সুস্থ্য করে তুলতে সক্ষম হয়েছি। আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
“সুস্থ্য ও সুন্দর জীবনের প্রয়োজনে ওয়েব হেলথ্ কেয়ার সেন্টার”
উক্ত চিকিৎসা সেন্টারে কোন প্রকার ফি ছাড়া শুধুমাত্র ভিজিটের টাকায় ( 3D QUANTUM HEALTH TEST ANALYZER ) মেশিন দ্বারা পুরো শরীরের চেকাপ করা হয়। যা ৩০ টি অঙ্গের ২১৪টি রোগের তথ্যে প্রদান করে, ম্যানুয়ালী করতে গেলে যা প্রায় লাখ টাকার প্রয়োজন।
আপনার শরীরের বর্তমান অবস্থা ও কঠিন রোগ সমুহ জানার জন্য প্রতি ৬ মাস অন্তর এই চেকাপ টি করা প্রয়োজন। সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আজই আমাদের সেন্টারে চলে আসুন।
ওয়েব হেলথ্ কেয়ার সেন্টার আইমন টাওয়ার, মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম। মোবাইল: ০১৮১৯-৬২২৬৫৫/ ০১৭২০-৮১৮৫৯২.
27/08/2025
১৮৩৫) নারীদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই, এটি একটি শাররীক প্রক্রিয়া..।
সাধারনত নারীরা স্রাব নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মানষিক প্রক্রিয়ার ভিতরে অবস্থান করেন। ফার্মেসী ও ডাক্তারগণও এই বিষয়ে ভূল চিকিৎসা ও বানিজ্যে করে থাকেন। প্রতিটি নারীকেই তাদের স্রাবের বিষয়ে প্রাথমিক ধারনা থাকা ভালো।
নারীদের মাঝে ভ্যাজাইনাল ডিসচার্জ স্বাভাবিক একটি ফিজিওলজিক্যাল প্রক্রিয়া। অনেকেই ভাবেন সাদা স্রাব মানেই রোগ, আসলে বিষয়টি একেবারেই তা নয়। মাসিক চক্র চলাকালীন সময়ে শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে হালকা সাদা বা স্বচ্ছ স্রাব স্বাভাবিক। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভ্যাজাইনাকে আর্দ্র রাখা, জীবাণুর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা এবং স্পার্মের মোবিলিটি সহজ করা।
সাদা স্রাবের রং এর উপর ক্যারেক্টার দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন এটি নরমাল নাকি এবনরমাল। যদি ও অনেকে নরমাল সাদা স্রাবকে রোগ বানিয়ে ইনকাম করে খাচ্ছেন।
সাদা ডিসচার্জ (White):
সব সময় সাদা স্রাব রোগ নয়। মাসিকের আগে-পরে, বিশেষ করে ওভুলেশনের সময়, হরমোনের প্রভাবে সাদা স্রাব বেড়ে যায়। এটি কোনো সমস্যা নয়। তবে যদি সাদা স্রাব ঘন হয়ে চিজের মতো হয়, সঙ্গে তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া থাকে, তবে সেটি ক্যান্ডিডা বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণে হতে পারে।
স্বচ্ছ ডিসচার্জ (Clear):
স্বচ্ছ, পাতলা ও টানটান স্রাব ওভুলেশন সময় খুব স্বাভাবিক। এটি ওভুলেশনের সময়ের সংকেতও দেয়। এতে কোনো দুর্গন্ধ বা অস্বস্তি না থাকলে একে রোগ ভাবার প্রয়োজন নেই।
হলুদ ডিসচার্জ (Yellow):
হলুদ রঙের স্রাব সাধারণত ইনফেকশনের দিকে ইঙ্গিত করে। অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া বা ট্রাইকোমোনাস সংক্রমণের কারণে হলুদ স্রাব হয়। সঙ্গে দুর্গন্ধ, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকলে এটিকে অবশ্যই প্যাথলজিকাল ধরা হয়।
সবুজ ডিসচার্জ (Green):
সবুজ স্রাব বেশিরভাগ সময় গুরুতর সংক্রমণের লক্ষণ। সাধারণত ব্যাকটেরিয়াল বা ট্রাইকোমোনাস ইনফেকশনে এই ধরনের ঘন, দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হয়। এটি সবসময় রোগের চিহ্ন এবং চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
তবে একটি বিষয়ে সর্তক থাকা ভালো, বিশেষকরে অ-বিবাহীত নারীদের এই সমস্যাগুলো দেখা গেলে সেক্ষেত্রে কেইস হিস্ট্রি নেয়া প্রয়োজন। খেলাধুলা, দৌড়-ঝাপ, কোন ধরনের আঘাত অল্প বয়সেও স্রাব দেখা দিতে পারে। এটি একবার হলে সেইসাথে রং গাড়ো হলে একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে চিকিৎসা নিতে হয়, তবে ভয়ের কোন কারন নেই।
21/06/2025
১৭১১) তুমি কি করে এত নিয়ামতের পরেও মানব রচিত দল করো…? তোমার আকল, বিবেকে কি পঁচন ধরেচে..? না, তুমি শয়তানের গোলাম…?
মানুষ যদি তার শরীর নিয়ে যথার্থ চিন্তা ও গবেষনা করতো, তাহলে সে কখনোই আল্লাহর বিধানের বাহিরে চলার সাহস করতো না। মানুষের শরীরের গঠনই বলে দেয়, মহান সৃষ্টিকর্তা তাকে শুধুশুধু সৃষ্টি করেননি, সৃষ্টির পাশাপাশি তার জন্য বিধানও তৈরী করেচেন। যারা এই বিধান বাদ দিয়ে মানব রচিত জাতীয়তাবাদ, ধর্মনিরপেক্ষবাদ, সমাজবাদ, পূঁজিবাদ দিয়ে দেশ চালাতে চায়, তারা শুধু মানবতার শত্রু নয়, এরা মহান রবের ও শত্রু।
আপনি একটিবার মানব শরীরের দিকে তাকান, তাহলেই বুজতে পারবেন আপনার শরীরকে সচল রাখার জন্য করুনাময় আল্লাহ তায়ালা কি সুন্দর ব্যবস্থা করে রেখেছেন। একইসাথে সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য কেয়ামত অবদি বিস্ময়কর এক বিধান “ কুরআন “ দিয়েচেন।
আসুন, আগে নিজের শরীরের ভিতরের আল্লাহ তায়ালার বিধান জেনে নেই:
দেহের সব ক'টা সেল এ মাইটোকন্ড্রিয়া দেয়া হয়েছে। দেয়া হলোনা শুধু আরবিসিতে(Red blood cell)! কারণ, আরবিসি যদি একটা মাইটোকন্ড্রিয়ার মালিক হয়ে যেতো, তাহলে ফুসফুস থেকে যে অক্সিজেন বহন করে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তাঁকে প্রতিটি টিস্যুতে, গন্তব্যে যাবার আগেই সে নিজে এটা খরচ করে ফেলতো (কারণ, কারো কাছে যদি একটা মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে, তবে সে এটার সাহায্যে অক্সিজেন পুড়িয়ে এটিপি অর্থাৎ শক্তি তৈরি করে ফেলতে পারবে। এটা হচ্ছে একধরণের ইঞ্জিনের মতো)। আমাদের টিস্যুগুলো তখন আর অক্সিজেন পেতোনা।
🔵তুমি কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইনগুলো।
সেন্ট্রিয়োল দেয়া হল সবখানে। শুধু দেয়া হলোনা নিউরন আর গ্লিয়াল সেল এ। যদি আমাদের ব্রেইনের সেল গুলোতে সেন্ট্রিওল থাকতো, তাহলে এই সেন্ট্রিওল প্রতিটি কোষকে বিভাজিত করে নতুন কোষ তৈরী করে ফেলতো। ফলস্বরূপ, আমরা যা তথ্য সঞ্চয় করে রেখেছি আমাদের মেমোরিতে, সব এক প্রেসে কেল্লাফতে!! পাওনাদারের টাকা পাওনাদারও ভূলে যেতো দেওনাদারও ভূলে যেতো!
🔵তুমি কেমন ডিজাইনার? এতো যৌক্তিক তোমার ডিজাইন।
আমি যখন পোস্টেরিওর থোরাসিক ওয়ালের (বক্ষপিঞ্জরের পিঠের দিকের দিকের অংশ) ব্লাড সাপ্লাই ধরলাম, আমি জানতে পারলাম- এখানে ডিসেন্ডিং থোরাসিক এওর্টা মোটাদাগে সবাইকে সাপ্লাই দিচ্ছে। কিন্তু ২ মিনিটের একটা খটকা আমার লাগলো। কারণ আমি জানি, লেফট হার্ট থেকে এওর্টা বের হয়ে কার্ভ করে শেষে যখন ডিসেন্ড করতে শুরু করেছে, ততক্ষণে উপরের দু'টি রিবস (পাঁজর) মিস হয়ে গেছে। আবার এটাও ভাবলাম যে, কেউ তো দিয়েছে নিশ্চই। না হয় ব্লাড ছাড়া কিভাবে চলবে রিবস দু'টি। না, কেউ এসে দিয়েছে। জেনে গেলাম। 'কস্টোসারভাইকাল ট্রাঙ্ক' নামের একজন নেমে এসে ঠিকই দিয়েছে! যে 'সাবক্ল্যভিয়ান আর্টারি' তাঁরতাঁর চলে যাচ্ছিল, কি দরকার পড়লো ঐখানে দুটো ব্রাঞ্চ ছেড়ে দেবার!
আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম এক মুহুর্তের জন্য! তখনকার অনুভুতি কি যে ছিলো, বলে বোঝাতে পারবোনা।
🔵তুমি কেমন ডিজাইনার? তোমার ডিজাইন এত জ্যামিতিক।
টেবিলের এক কোণায় একটি বই রেখে দিলে তিন থেকে চার দিন পর সেখানে ১ সেন্টিমিটার ধূলোর আস্তর পরে। অথচ প্রতিটা অবচেতন মনে টেনে নেয়া শ্বাসে আধা লিটারের মত বাতাস টেনে নিচ্ছি প্রতি মুহূর্তে। একটু জোরে টান দিলেতো এক লিটারই ঢুকে পড়ে। বাতাসে এত ধূলিকণা আর জীবাণু! তবু কি আশ্চর্য্য!! কেকের মত স্পঞ্জি আর সফট ফুসফুসটার কিছু হয়না। আস্তরও পড়েনা। পড়বে কি করে? পুরো ট্রাকিয়া আর নাসাল এয়ার ওয়ে জুড়ে রয়েছে সিলিয়ারি বিট! প্রাকৃতিক ঝাড়ুদার। প্রতিনিয়ত ঝাড়ুদিচ্ছে ধূলিকণাগুলোকে।
🔵তুমি এ কেমন ডিজাইনার? এত নির্ভূল, নিখুঁত আর যৌক্তিক তোমার ডিজাইন!
সুবহানাল্লাহ :
"হে মানুষ সকল, তোমাদের কি এমন জিনিস যেটা তোমার রব থেকে তোমাকে গাফিল করে রেখেছে? অথচ তিনি তোমাকে কত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন আর সামঞ্জস্য করে দিয়েছেন।"-সূরা ইনফিত্বার (৫-৬)
আসুন, শরীরের এই নিখূত তথ্যে জানার পরে সকল মতবাদকে বাদ দিয়ে আল্লাহর রঙ্গে নিজেদেরকে রন্জিত করি।
21/06/2025
বর্তমান করোনা আপদকালিন সময়ে বিষয়টিতে নজরধারী থাকা দরকার।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত মেডিকেল ডিভাইস ও ফার্মাকোভিজিল্যান্স সংক্রান্ত গণবিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত নিদের্শনাসমূহ প্রতিপালন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হলো।
https://epaper.ittefaq.com.bd/m/453348/6855b9d23e3d2
https://epaper.ittefaq.com.bd/m/453249/685586de5ef1b...
11/06/2025
১৬৮৭) প্রলয় ও ফিতনার সময়ে কৃত্রিম শিশু জন্ম নিবে বেশি।
আমরা প্রতিনিয়ত প্রলয়ের শেষপ্রান্তে ধাবিত হয়ে চলেছি। কেয়ামতের আলামত এই বিষয়ের উপর হাজার হাজার ডকুমেন্টারি আলোছনা রয়েচে। এরমধ্যে যে বিষয়টি ভাবিয়ে তুলবে তা হল কৃত্রিম শিশু জন্ম নেয়া।
একটি সময়ে পুরুষের স্পাম কমেযাবে, অপরদিকে নারীরা গর্ভ-ধারন করতে চাইবে না। সে সময়ে বিশেষ ধরনের ইনকুবেটরে স্পাম জাইগট করে কৃত্রিম শিশুর জন্ম দেয়া হবে। এই শিশুগুলোর মন-মানষিকতা অনেকটা যান্ত্রিক প্রকৃতির হবে।
এদের কে পিতা কে মাতা তার কোন হিসেব থাকবেনা। বিশেষ কোডিং সিস্টেমে তাদের পরিচিতি ধারন করা হবে। এরা হবে অপরাধ প্রবনের মানষিকতা নিয়ে চলমান এক শয়তান। যখন তখন হত্যা, জ্বেনা-ভ্যাবিচার, খামখেয়ালিপূর্ন কর্মকান্ড সহ এক ভয়ংকর ফিতনার জালে পৃথিবী চলমান থাকবে। একটি সময়ে আল্লাহর নাম নেয়ারমত কোন লোক থাকবেনা।
এখনি আমরা বিভিন্ন ফিতনা ও জাহেলিয়াতের ভিতরে চলমান রয়েচি। বিশেষকের ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানরা হলো শির্ক-বিদায়াত মিশ্রিত মুসলমান। আপনি গুনাহের ভিতরে অবস্থান করলে তওবা করে একদিন ফিরে আসতে পারবেন, কিন্ত শির্ক-বিদায়াতের ভিতরে অবস্থান করলে সেটাকে ইবাদত মনে করে জাহেলিয়াতের উপরেই মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম শিশুর পরিবর্তে জারজ সন্তানের সংখ্যা হবে বেশি। ধারনা করা হয় বাংলাদেশে শতকরা ১১ জন শিশু জারজ। আপনার স্ত্রী আপনার অজান্তে কোথায় গিয়ে গাড়ী চালাচ্ছে, আপনি জানতেও পারবেন না। আপনার কন্যা সন্তান গোপনে কোথায় কোন অবস্থানে আরেকটি জীবনের জন্ম দিচ্ছে, তা জানার জন্য আপনাকে আগে সৎ মুসলমান হতে হবে।
আমরা প্রতিনিয়ত এক কৃত্রিম দুনিয়ার ভিতরে ঢুকে যাচ্ছি। জাপান তার বাস্তব উদাহরন:
জাপান বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণরূপে কার্যকরী কৃত্রিম গর্ভ উন্মোচন করেছে:
বিজ্ঞান কথাসাহিত্য এবং বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য একটি যুগান্তকারী লাফ দিয়ে, জাপান একটি সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষম কৃত্রিম গর্ভ প্রবর্তন করেছে - সম্পূর্ণরূপে মানব দেহের বাইরে ভ্রূণ লালন করতে সক্ষম।
এই অত্যাধুনিক পদ্ধতি প্রাকৃতিক গর্ভের অবস্থার প্রতিরূপ অসাধারণ নির্ভুলতার সাথে, অক্সিজেন, পুষ্টি, এবং বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করে ঠিক একটি বাস্তব প্লাসেন্টার মত।
সম্ভাবনা গভীর: অকাল শিশুদের জন্য উন্নত বেঁচে থাকার হার, উর্বরতা চিকিৎসার জন্য নতুন দিগন্ত, এবং গর্ভাবস্থা এবং নবজাতক যত্নের জন্য একটি নতুন সংজ্ঞায়িত পদ্ধতি।
কিন্তু বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির পাশাপাশি গভীর নৈতিক ও সামাজিক প্রশ্ন আসে - মাতৃত্ব, জীবন এবং প্রজনন ভবিষ্যত সম্পর্কে।
যেহেতু উন্নয়ন অব্যাহত আছে, এই সাফল্য ওষুধ, জীববিদ্যা এবং মানব জীবনের আমাদের বোঝার পরিবর্তন আনতে পারে।
মানবতার জন্য একটি সাহসী পদক্ষেপ কোথায় গিয়ে দাড়ায়, তা আগামী দিনে দেখার বিষয় হয়ে থাকবে।
10/06/2025
১৬৮৬) কতজন মারা গেলে বিষয়টি জাতীয়ভাবে গুরুত্ব পাবে….?
স্বভাবগতভাবে যেকোন বিপদ আমরা এড়িয়ে যেতে চাই। বাঁচতে গিয়ে মূলত মৃত্যকেই ডেকে আনি।
ভঙ্গুর অর্থনিতীর এই দেশে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। সে জায়গায় করোনা নিয়ে ভাবার সময় কোথায়..?। এ দেশে বেঁচে থাকলেও কি, মরে গেলেও কি, কাহুর কিচু যায় আসেনা।
৫ তলা ব্লিডিং এর ৩ তলায় কে থাকে তার খবরই আমরা রাখিনা, সেখানে করোনা নিয়ে চিন্তা করার সময় কোথায়।
১৯ কোটি মানুষের দেশে ২/৪ কোটি মরে গেলেও এ দেশের তেমন কোন ক্ষতি হবে বলে মনে হয়না। সরকার জন্ম-নিয়ন্ত্রনের জন্য কত চেস্টাই না করে যাচ্ছে। কেহ লাইগেশান করলে সরকারীভাবে ৫ হাজার টাকা দেয়া হয়, যদিও দালালরাই অর্ধেক খেয়ে ফেলে। সে জায়গায় মহামারীতে কিচু শেষ হয়ে গেলে সরকারও বাঁচে, জাতীও বাঁচে।
কোনভাবে ১ কোটি লোক কমানো যায়, তাহলে প্রতিদিন কি পরিমান অর্থ বাঁচবে, ভেবে দেখেছেন কি…? বিগত করোনার সময় ভেবেছিলাম ১ থেকে ২ কোটি লোক মরে যাবে, কিন্ত সে জায়গায় ১ লাখ ও পার হয়নি।
বর্তমান সময়ে পুরুষের চেয়ে ৩১ লক্ষ্য নারী বেশি রয়েচে। তাই পুরুষ মারা গেলে নারীদের জন্য সেটি অ-পূরনীয় ক্ষতি হিসাবে গণ্য হবে। এমনিতেই ৩১ লক্ষ নারী স্বামী পাবেনা, সে জায়গায় যদি আরো পুরুষ মারা যায়, তাহলে সামাজিক বিপর্য্য় দেখা দিবে। তাই আমার মতে ভবিষৎতে কোন টিকা আসলে আগে পুরুষেরা পাবে, পরে নারীরা, অন্তত ৩১ লক্ষ্যের পরে নারীরা টিকা পাবে। এটি নারীদের জন্যই কল্যাণকর হবে।
তবে কয়েক লাখ না মরা অবদি সরকারের নিরব থাকাই ভালো হবে, এতে সকলেরই লাভ। সবাইকেই একদিন মরতে হবে, কেহ আগে কেহ পরে, না হয় দুদিন আগে চলে গেলেন। তবে বাঙ্গালীর শরীর যে ধাতুতে গড়া তাতে করোনা তেমন সুবিধে আগেও করতে পারেনি, ভবিষৎতে এই ভেজাল শরীরে করোনা ঢুকবে কিনা, সেটিও আমার সন্দেহ রয়েচে। এই দামী ভাইরাস চ্যাচড়া শরীরে গিয়ে নিজের ইজ্জত লুটাবে এটা আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা, তাই এই নিয়ে হৈ-চই করার কোন মানে হয়না। আগে নিরবে নিরবে কয়েকলাখ পার হয়ে যাক, তারপরেই আমরা সরকারকে বলব, এবার একটু গা-ঝাড়া দিন, একটু হাত-পা নাড়ুন, আশাকরি সরকার তখন এগিয়ে আসবে।
08/06/2025
১৬৭৯) থাইরয়েড সমস্যায় এখনি সর্তক হোন…।
থাইরয়েড হরমোন কী?
থাইরয়েড হরমোন হলো এমন এক ধরনের হরমোন যা থাইরয়েড গ্রন্থি (thyroid gland) থেকে নিঃসৃত হয়। এই গ্রন্থিটি গলার সামনের দিকে, ট্র্যাকিয়ার (windpipe) সামনে ও নিচের দিকে অবস্থিত, এবং দেখতে অনেকটা প্রজাপতির মতো।
থাইরয়েড – ছোট্ট একটি গ্রন্থি, কিন্তু বিশাল তার প্রভাব!
একবার কি ভেবে দেখেছেন—শরীরের সমস্ত শক্তি, হজম, ঘাম, ঘুম, ওজন, এমনকি মনের ওঠানামার সঙ্গেও যুক্ত একটা ছোট্ট গ্রন্থির নাম থাইরয়েড?
থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে মূলত দুটি হরমোন উৎপন্ন হয়:
T3 (Triiodothyronine)
T4 (Thyroxine)
তাছাড়া, Calcitonin নামক আরও একটি হরমোন তৈরি হয়, তবে এটি ক্যালসিয়াম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, ও মেটাবলিজমের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয়।
কাজ বা ভূমিকা:
থাইরয়েড হরমোনের প্রধান কাজ হলো:
#শরীরের মেটাবলিক রেট নিয়ন্ত্রণ করা (energy উৎপাদন ও ব্যবহার)
#শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখা
#হৃদস্পন্দন এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা
#মস্তিষ্কের বিকাশ ও স্নায়বিক কার্যকলাপ
#শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি
#হজমের প্রক্রিয়া ঠিক রাখা
*হরমোন নিঃসরণের নিয়ন্ত্রণ:
থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করে:
Hypothalamus (TRH – Thyrotropin Releasing Hormone)
Pituitary gland (TSH – Thyroid Stimulating Hormone)
➡️ Hypothalamus → TRH → Pituitary → TSH → Thyroid gland → T3 & T4
* থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা:
Hypothyroidism (থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া):
ওজন বেড়ে যাওয়া
ক্লান্তি, অলসতা
ঠাণ্ডা বেশি লাগা
মন খারাপ, বিষন্নতা
চুল পড়া, ত্বক শুষ্ক হওয়া
মনোযোগে ঘাটতি
যেমন: Hashimoto’s thyroiditis
# Hyperthyroidism (থাইরয়েড হরমোন বেড়ে যাওয়া)
ঘন ঘন ঘাম
ওজন কমে যাওয়া
দ্রুত হৃদস্পন্দন
দুশ্চিন্তা, ঘুম না আসা
অস্থিরতা ও রাগ
যেমন: Graves’ disease
*পরীক্ষা:
TSH (Thyroid Stimulating Hormone)
Free T3 ও Free T4
Anti-TPO antibody (স্বয়ংক্রিয় রোগ নির্ণয়ের জন্য)
তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে – কে এই থাইরয়েডকে নিয়ন্ত্রণ করে…?
উত্তর: পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary Gland) — যাকে বলা হয় “মাস্টার কন্ট্রোলার”। এটি TSH হরমোন নিঃসরণ করে থাইরয়েডকে বলে দেয় কবে কাজ করতে হবে, কবে বিশ্রাম নিতে হবে।
মানসিক চাপ ও হরমোনের ক্ষয়ক্ষতি:
চিন্তা, কষ্ট, মানসিক চাপ—এসব শুধু মনকে নয়, শরীরের হরমোন ব্যালেন্সকেও ধ্বংস করে। দীর্ঘমেয়াদে মানসিক অস্থিরতা Hypothalamus-Pituitary-Thyroid (HPT) axis-এর ভারসাম্য নষ্ট করে।
ফলাফল?
থাইরয়েড ডিসঅর্ডার
মাসিক চক্রের গোলমাল
গর্ভধারণে সমস্যা
ত্বকে পরিবর্তন
এমনকি হৃদযন্ত্রের ঝুঁকি
# চিকিৎসা:
Hypothyroidism: Levothyroxine নামক থাইরয়েড হরমোনের প্রতিস্থাপন থেরাপি
Hyperthyroidism: Antithyroid ওষুধ, রেডিওআ্যাকটিভ আয়োডিন, বা শল্যচিকিৎসা
এছাড়া এ রোগের একটি ভালো ভেষজ ঔষুধ রয়েচে, যা সরাসরি আমেরিকা হতে আমদানি করা হয়। ২৫ টি দূর্লভ ভেষজ থেকে এই ঔষুধটি তৈরী করা হয়। কোনপ্রকার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া ছাড়া খাওয়া মাত্রই এটি শরীরে কাজ করা শুরু করে। ঔষুধটি পেতে চাইলে সরাসরি নিচের ঠিকানায় যোগাযোগ করুন।
“সুস্থ্য ও সুন্দর জীবনের প্রয়োজনে ওয়েব হেলথ্ কেয়ার সেন্টার”
উক্ত চিকিৎসা সেন্টারে কোন প্রকার ফি ছাড়া শুধুমাত্র ভিজিটের টাকায় ( 3D QUANTUM HEALTH TEST ANALYZER ) মেশিন দ্বারা পুরো শরীরের চেকাপ করা হয়। যা ৩০ টি অঙ্গের ২১৪টি রোগের তথ্যে প্রদান করে, ম্যানুয়ালী করতে গেলে যা প্রায় লাখ টাকার প্রয়োজন।
আপনার শরীরের বর্তমান অবস্থা ও কঠিন রোগ সমুহ জানার জন্য প্রতি ৬ মাস অন্তর এই চেকাপ টি করা প্রয়োজন। সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আজই আমাদের সেন্টারে চলে আসুন।
ওয়েব হেলথ্ কেয়ার সেন্টার আইমন টাওয়ার, মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম। মোবাইল: ০১৮১৯-৬২২৬৫৫/ ০১৭২০-৮১৮৫৯২.
08/06/2025
১৬৭৬) এই কুরবানে খাওয়ার ক্ষেত্রে সর্তক থাকুন….।
আল্লাহতায়ালা আপনার জন্য যা হালাল করেছেন, তারমধ্যে প্রচুর বরকতও রেখেছেন। যা হারাম করেছেন তারমধ্যে কল্যাণের ছেয়ে অ-কল্যানই বেশি বিদ্যমান রেখেছেন।
শরীরের সুস্থ্যতার জন্য প্রানীজ প্রোটিন যেমন প্রয়োজন, আবার এর অতিরিক্ত ব্যবহারে কঠিনরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি বিদ্যমান।
টিউমার, ক্যান্সার, হার্ট-ফেলিউর, ফ্যাটিলিভার, ফ্যাটি-ডিজিজ, প্রেসার, ষ্টোক, এই সবের ক্ষেত্রে প্রানীজ প্রোটিন অধিকাংশে দায়ী।
সবকিচু জানার পরেও আমরা বাঙ্গালী জাতী একটু নাদান প্রকৃতির। খাওয়ার সুযোগ পেলেই আমরা হুশ হারিয়ে ফেলি। পরে সারাজীবন তার প্রতিক্রিয়া ভোগ করতে থাকি।
কুরবানের পর-পরই চিকিৎসা নয়, সুস্থ্যতার জন্যই নিম্নের পরীক্ষাটি আপনার প্রয়োজন। প্রতিটি মানুষকে ছয় মাস পরপর পুরো শরীরের বর্তমান অবস্থা জানার জন্য চেকাপটির আবশ্যকতা রয়েচে।
“সুস্থ্য ও সুন্দর জীবনের প্রয়োজনে ওয়েব হেলথ্ কেয়ার সেন্টার”
উক্ত চিকিৎসা সেন্টারে কোন প্রকার ফি ছাড়া শুধুমাত্র ভিজিটের টাকায় ( 3D QUANTUM HEALTH TEST ANALYZER ) মেশিন দ্বারা পুরো শরীরের চেকাপ করা হয়। যা ৩০ টি অঙ্গের ২১৪টি রোগের তথ্যে প্রদান করে, ম্যানুয়ালী করতে গেলে যা প্রায় লাখ টাকার প্রয়োজন।
আপনার শরীরের বর্তমান অবস্থা ও কঠিন রোগ সমুহ জানার জন্য প্রতি ৬ মাস অন্তর এই চেকাপ টি করা প্রয়োজন। সুস্থ্যভাবে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আজই আমাদের সেন্টারে চলে আসুন।
ওয়েব হেলথ্ কেয়ার সেন্টার আইমন টাওয়ার, মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম। মোবাইল: ০১৮১৯-৬২২৬৫৫/ ০১৭২০-৮১৮৫৯২.
30/05/2025
১৬৫৩) এটি আল্লাহর একটি নেয়ামত, একে ধ্বংস করা যাবেনা।
বাংলাদেশে অসংখ্য নদী-নালা রয়েচে, অথচ সব বাদ দিয়ে চট্টগ্রামের হালদা নদীতেই ডিম পাড়ার জন্য মাছেরা দলে দলে চলে আসে। আমরা যদি এই নিয়ামতকে যথাযথ মূল্যায়ন ও সংরক্ষন না করি, তাহলে যেকোন সময়ে এই নেয়ামত হাতচাড়া হয়ে যেতে পারে।
দীর্ঘ দুই মাস অপেক্ষার পর অবশেষে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই হালদা নদীর অঙ্কুরীঘোনা থেকে আজিমেরঘাট পর্যন্ত বিস্তূত এলাকায় ডিম ছেড়েছে কার্প জাতিয় মা মাছ এবং এসব ডিম সংগ্রহ করেন স্থানীয় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ জন ডিম সংগ্রহকারী! আমাদেরকে খেয়াল রাখতে হবে কোন ডিম ওয়ালা মাছ যেন মারা না যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
ওয়েব হেলথ কেয়ার সেন্টার, মুরাদপুর, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম মহানগরী।
Chittagong
