Zero Pain Dental

Zero Pain Dental

Share

a solution of all dental problems....

08/05/2022

আমার ছ'বছরের বাচ্চা রোগীর উপহার! পাঞ্জাবির পকেট থেকে গুটগুট করে হাত বের করে দিল,দেখলাম হলুদ কাগজে মোড়ানো বাতাসা। ছোট একটা মানুষ, কত সুন্দর তার চিন্তা।এসব ছোট্ট ভালোবাসাই প্রতিদিনের কাজে প্রেরণা জোগায়। 💖

রোজা অবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা নেয়া - ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব 06/04/2022

রমযানে জিরো পেইন ডেন্টালে রোগী দেখার পরিবর্তিত সময় সূচি বিকাল ৩ টা হতে রাত ৯ টা।

রোযায় দাঁতের চিকিৎসা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন বিধায় বিষয়টি খোলাসা করা জরুরি।

প্রসঙ্গঃ রোজা অবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা নেয়া

প্রশ্ন: রোজাদারের জন্য কি দন্ত-চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জায়েয আছে? আমার দাঁতের চিকিৎসা করা একান্ত জরুরী। আমি যদি রমজানের দিনের বেলায় রোজা রেখে দন্ত চিকিৎসকের কাছে যাই- এর হুকুম কি? যদি কোন কিছু গলার ভিতরে চলে যায় এবং আমি গিলে ফেলি?

উত্তর

আলহামদু লিল্লাহ।.

শাইখ আব্দুল আযিয বিন বাযকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যদি কোন ব্যক্তি দাঁতে ব্যথা নিয়ে দন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয় এবং ডাক্তার তার দাঁতে স্কিলিং করে, অথবা ফিলিং করে অথবা কোন একটি দাঁত ফেলে দেয়- এতে করে কি তার রোজার ক্ষতি হবে? যদি ডাক্তার তার দাঁত অবশ করার জন্য ইনজেকশন দেয় সেক্ষেত্রে রোজার উপর এর কোন প্রভাব আছে কি?

উত্তরে তিনি বলেন: প্রশ্নে যা উল্লেখ করা হয়েছে তাতে রোজার উপর এর কোন প্রভাব নেই। বরং এটি করা যেতে পারে। তবে এ রোগীকে ঔষধ বা কোন কিছু গিলে ফেলা থেকে সাবধান থাকতে হবে। অনুরূপভাবে যে ইনজেকশনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে রোজার শুদ্ধতার ক্ষেত্রে সেটারও কোন প্রভাব নেই। যেহেতু এ ইনজেকশন পানাহারের পর্যায়ে পড়ে না এবং যেহেতু রোজাভঙ্গকারী কিছু সাব্যস্ত না হলে রোজা শুদ্ধ হওয়াটাই মূল বিধান।( সমাপ্ত)

[আজওয়িবা মুহিম্মা তাতাআল্লাকু বি আরকানিল ইসলাম]

আর যদি রাতের বেলায় ডাক্তার দেখানো সম্ভব হয় তাহলে সেটাই ভাল।

আল্লাহই ভাল জানেন।

সূত্রঃ ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

https://islamqa.info/bn/answers/13767

__________

রোজা অবস্থায় এক্সট্রাকশন বা ফিলিং সম্পর্কেঃ

রোযা অবস্থায় অবশকরণ ইনজেকশন দেয়া ও দাঁত স্কেলিং করা কিংবা দাঁত ফিলিং করা বা তুলে ফেলার হুকুম কি?

প্রশ্ন

যদি কারো দাঁতে ব্যথা হয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয় এবং ডাক্তার তার দাঁত স্কেলিং করে কিংবা ফিলিং করে কিংবা কোন একটি দাঁত তুলে ফেলে— এগুলো কি তার রোযার ওপর কোন প্রভাব ফেলবে? যদি ডাক্তার তার দাঁতকে অবশ করার জন্য কোন ইনজেকশন দেয় সেটা কি তার রোযার ওপর কোন প্রভাব ফেলবে?

উত্তর

আলহামদু লিল্লাহ।.

প্রশ্নে যে বিষয়গুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে রোযার শুদ্ধতার ওপর এসব কর্মের কোন (নেতিবাচক) প্রভাব নেই। বরং এগুলো ক্ষমার্হ। তবে তাকে সাবধান থাকতে হবে যাতে করে কোন ঔষধ বা রক্ত যেন গিলে না ফেলে। অনুরূপভাবে উল্লেখিত ইনজেকশনেরও রোযার শুদ্ধতার ওপর (নেতিবাচক) কোন প্রভাব নেই। যেহেতু এ ধরণের ইনজেকশন পানাহারের আওতায় পড়ে না। মূলবিধান হলো—রোযার শুদ্ধতা।[উদ্ধৃতি সমাপ্ত]

মাননীয় শাইখ আব্দুল আযিয বিন বায (রহঃ)

মাজমুউ ফাতাওয়া ও মাকালাত মুতানাওয়িআ (১৫/২৫৯)

সূত্রঃ ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

https://islamqa.info/bn/106495

______

লোকাল এ্যানেসথেসিয়ার কারণে কি রোযা ভাঙ্গবে?

প্রশ্ন

অ্যানেসথেসিয়া ইনজেকশনের কারণে কি রোযা ভাঙ্গবে?

প্রশ্ন

অ্যানেসথেসিয়া ইনজেকশনের কারণে কি রোযা ভাঙ্গবে?

উত্তর

আলহামদু লিল্লাহ।.

আলহামদুলিল্লাহ।

লোকাল এ্যানেসথেসিয়া (শরীরের অংশবিশেষ অবশকরণ) ইনজেকশন দিলে রোযা ভাঙ্গবে না। যেহেতু এটি পানাহার নয় কিংবা পানাহারের স্থলাভিষিক্তও নয়।

শাইখ ইবনে উছাইমীন (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল: রমযানের দিনের বেলায় দাঁত অবশ করার জন্য যে এ্যানেসথেসিয়া দেয়া হয় সে সম্পর্কে? জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এ্যানেসথেসিয়া গ্রহণ করলে সে দিনের রোযা কি কাযা পালন করতে হবে?

জবাবে তিনি বলেন: না; কেননা এ্যানেসথেসিয়া রোযা ভঙ্গ করে না। লোকাল এ্যানেসথেসিয়া যে স্থানে দেয়া হয় শুধু সে স্থানটিকে অবশ করে; এটি পাকস্থলিতে পৌঁছে না। সুতরাং কেউ নফল রোযাদার হন কিংবা ফরয রোযাদার হন তিনি যদি এ্যানেসথেসিয়া গ্রহণ করেন তার রোযা শুদ্ধ।[ফাতাওয়া নুরুন আলাদ-দারব থেকে সংকলিত]

দেখুন: ফাতাওয়াস শাইখ বিন বায (১৫/২৫৯)

কিন্তু, জেনারেল এ্যানেসথেসিয়া (পুরোপুরি অজ্ঞান করা) প্রয়োগ করা হলে এবং এতে রোগী গোটা দিন সম্পূর্ণ অজ্ঞান থাকলে তার উপর সে দিনের রোযা কাযা পালন করা আবশ্যক হবে।

ইবনে কুদামা (রহঃ) বলেন: “যদি কেউ সম্পূর্ণ দিন অজ্ঞান অবস্থায় থাকে; কিছু সময়ও সজ্ঞান অবস্থায় না কাটায় তাহলে আমাদের ইমাম ও শাফেয়ির অভিমত অনুযায়ী তার রোযা শুদ্ধ হবে না।” এরপর বলেন: “অজ্ঞান ব্যক্তি যদি দিনের অংশ বিশেষে জ্ঞান ফিরে পান, দিনের প্রথমাংশে হোক কিংবা শেষাংশে হোক তাহলে তার রোযা শুদ্ধ হবে।”[আল-মুগনি (৩/১২)]

এ আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায় যে, রোযাদার যদি দিনের বেলায় এ্যানেসথেসিয়া ইনজেকশন গ্রহণ করে তবুও তার রোযা শুদ্ধ হবে। এ ইনজেকশন নেয়ার কারণে তার রোযা বাতিল হবে না। আর যদি এ ইনজেকশন ফজরের আগে গ্রহণ করে এবং ইনজেকশনের প্রভাবে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটায় তাহলে তার ঐ দিনের রোযা শুদ্ধ হবে না।

আল্লাহ্‌ই ভাল জানেন।

সূত্রঃ ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব

https://islamqa.info/bn/95062

_____

ডেন্টাল প্রসিডিওর এর সময় ব্লিডিং হওয়া প্রসংগেঃ

প্রশ্ন:

রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হলে বা সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করলে রোজা ভেঙ্গে যায় কি না? অনেকের দাঁতের সমস্যা থাকে। রোজা অবস্থায় দাঁত দিয়ে রক্ত বের হলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

উত্তর:

শরীর থেকে রক্ত বের হলে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না এবং সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত বের করলেও রোজা ভাঙ্গে না। তবে ইচ্ছা করে এ পরিমাণ রক্ত দেওয়া ঠিক নয়, যার কারণে রোজা রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলার আশংকা হয় বা রোজা রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। আর দাঁত থেকে রক্ত বের হওয়া রোজা ভঙ্গের কারণ নয়। তবে রোযা অবস্থায় রক্ত বের হলে তা যেন গলায় চলে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কেননা গলায় রক্তের স্বাদ পাওয়া গেলে রোজা ভেঙ্গে যাবে।

আরও দেখুন:

খুলাসাতুল ফাতাওয়া ১/২৫৪;

ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৩;

ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৪/৯৮;

আদ্দুররুল মুখতার ২/৩৯৬



উত্তর দিয়েছেন: মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

সম্পাদক, মাসিক আলহেরা (আরবি ম্যাগাজিন)

মুহাদ্দিস, জামিয়া রহমানিয়া সওতুল হেরা, টঙ্গী, গাজীপুর।

রোজা অবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা নেয়া - ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব প্রশ্ন: রোজাদারের জন্য কি দন্ত-চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জায়েয আছে? আমার দাঁতের চিকিৎসা করা একান্ত জরুরী। আমি যদি র....

05/03/2022

স্কেলিং কি এবং কেন জরুরি?

বেশিরভাগ সময়ই রোগীরা আসেন দাঁতের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য,সামনের ফাঁকা দাঁতের সমাধান নিতে,কিন্তু দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থের ব্যাপারে থাকেন উদাসীন। আবার ক্যারিস যাকে আমজনতার ভাষায় বললে দাঁড়ায় দাঁতে পোকা (আদতে পোকা বলে তো কিছু নেই,থাকে ব্যাকটেরিয়া) নিয়ে আসেন একেবারে শেষ পর্যায়ে, তখন দাঁত বাঁচানোই মুশকিল হয়ে পরে।
আমরা প্রতিদিন যে খাবার খাই, নিয়মিত সঠিক নিয়ম মেনে দু'বেলা ব্রাশ ও একবেলা ফ্লসিং করলেও তার সবটুকু পরিষ্কার হয় না। বারো ঘন্টা পর থেকেই তা ফার্মেন্টেড হতে থাকে যাকে বলা হয় প্লাক, এটি বছর ধরে শক্ত পাথরের ন্যায় দাঁতের গোড়ার চারপাশে শক্ত আবরণ তৈরি করে যাকে বলা হয় ডেন্টাল স্টোন। এ স্টোন আবার দামি রত্ন পাথর গোছের কিছু নয়!! মুখের ক্ষতিকর সব ব্যাকটেরিয়ার পোতাশ্রয় এটি। ব্যাকটেরিয়া এই স্টোন বা ক্যালকুলাসে কলোনি বানিয়ে ক্ষতিকর বিষ নিঃসরণ করে, ফলে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে না। শুরু হয় মাড়ি থেকে রক্ত পরা, সাথে মুখে দুর্গন্ধ। মাড়ির প্রদাহের এই রোগকে বলা হয় পেরিওডন্টাইটিস। এই রোগ বাড়তে দিলে একদিকে ক্যারিস সহ মুখের অন্যান্য রোগ যেমন বাড়ে তেমনি দাঁতের গোড়া যা কিনা মাড়ির ভেতর থাকার কথা তা বাইরে বেড়িয়ে আসে, ফলে দাঁতে শিরশিরে অনূভুতি ও ব্যাথা আরম্ভ হয়। এই রোগকে আরও বাড়তে দিলে এক সময় দাঁতের গোড়া এতই দূর্বল হয়ে পরে যে দাঁত নড়তে শুরু করে, সাধারণ খাবার চিবুনোই দায় হয়ে যায়। তাই মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষায় ছয় মাস পর পর স্কেলিং এর কোন বিকল্প নেই। এতে করে মুখের যে কোন রোগ শুরুতেই আটকানো যায়। প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই শ্রেয়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ডেন্টাল স্টোন এর ব্যাকটেরিয়া দেহের রক্তের সাথে মিশে করোনারি আর্টারি রোগ, হৃৎপিণ্ডের ভাল্বের প্রদাহ,মায়োকার্ডাইটিস সৃষ্টি করে। এছাড়া যাদের টাইপ টু ডায়াবেটিস আছে তাদের ক্ষেত্রেও মাড়ির রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি। এ ধরনের রোগীদের বেলায় বছরে তিন বার স্কেলিং শ্রেয়। আর যারা নতুন মা হবার সংকল্প করছেন তাদের ক্ষেত্রেও পূর্ব প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সাধারণ চেক আপ ও স্কেলিং জরুরি, কারন গর্ভাবস্থায় মাড়ির প্রদাহ ও পুরনো ক্যারিস, ব্যাথার প্রকোপ বেড়ে যায়। তাই শুরুতেই চাই যত্ন।
স্কেলিং এ আল্ট্রাসনিক ভাইব্রেশনের মাধ্যমে মাড়ির ভেতরের প্লাক ও স্টোন বের করে আনা হয়। এতে করে দাঁত ক্ষয় বা মাড়ির কোন ক্ষতি হয় না। স্কেলিং এর পর সাত থেকে দশ দিন শিরশির অনূভুতি খুব স্বাভাবিক,তবে তা সাময়িক। দাঁতের দাগ দূর করতে এবং হলদে ভাব দূর করতে, উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে স্কেলিং এর পর এস্থেটিক ট্রিটমেন্টের অংশ হিসেবে পলিশিং ও ব্লিচিং করা হয়। রোগীদের মধ্যে প্রায় সময়ই এই তিনটি ট্রিটমেন্ট সমন্ধে ভুল ধারনা তৈরি হয় বিধায় খুলে বলাই যৌক্তিক।

পরিশেষে বলব বিডিএস ডিগ্রি নেই তো, দাঁতের ডাক্তার নয়। বিএমডিসি রেজিস্টার্ড চিকিৎসক হতে সেবা নিন, হাতুড়ে ডাক্তার ও হাতুড়ে চিকিৎসা সম্বন্ধে সচেতন হউন। দেশের মানুষের গড় আয়ু এখন বেড়েছে, সুন্দর মজবুত দাঁতের সাথে জড়িত আপনার দীর্ঘ আয়ু।তাই নিজের মাড়ির স্বাস্থের যত্ন নিন।
আপন ভালো তো জগৎ ভালো।

ডা. তাসফিয়া রাইসা
জিরো পেইন ডেন্টাল।

https://youtu.be/OkZLYwA_qdE

24/01/2022

নুসাইবার বয়স আট, আমাদের কাছে আসে দাঁত ব্যাথা নিয়ে। বাচ্চা রোগীর ট্রিটমেন্ট আমার কাছে বরাবরই চ্যালেন্জিং!আমার তাগড়া জোয়ান হতে বুড়ো রোগী সবাই ডেন্টাল চেয়ারে শুয়ে কাবু! সেখানে বাচ্চাদের কেঁদে বুক ভাসানো হাত পা ছোঁড়াছুঁড়ি খুব স্বাভাবিক! ভীষণ চন্ঞ্চল নুসাইবার হাজার প্রশ্ন... আন্টি আমি কি ব্যাথা পাব? আমাকে কি ইঞ্জেকশন দিবে আন্টি? ভয় ভাঙ্গিয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতেই ট্রিটমেন্ট কমপ্লিট করি। প্রজাপতির মত চন্ঞ্চল মেয়েটার হাসি ফিরে আসে।
বাচ্চার নতুন দাঁত ওঠা থেকেই নেওয়া চাই সঠিক যত্ন। বাচ্চা নিজে দু বেলা খাবার পর ব্রাশ করা শিখলেও অন্তত একবেলা সন্তানের ব্রাশিং পর্যবেক্ষণ করুন।প্রয়োজনে নিজে ব্রাশ করিয়ে দিন সঠিক নিয়ম মেনে। এতে দাঁতের ক্যারিজ আটকানো যায় শুরুতেই। শুরুতেই আটকানো না গেলে শিশুদের বেলায় খুব দ্রুতই একের অধিক দাঁত ক্যারিজ আক্রান্ত হয়, সময় গড়ালে তা থেকে ইনফেকশন হয়ে রোগ হয় জটিলতর।
বাচ্চার দাঁত পরে আবার উঠবে তাই রোগ হলেও বা কি! এমন ধারণা যারা পোষণ করেন তাদের বলছি দাঁত সঠিক সময়ে ওঠা এবং যে নির্দিষ্ট বয়সে যে নির্দিষ্ট দাঁত পরবার কথা সেই সময়টুকু পর্যন্ত দুধ দাঁত সংরক্ষণ করা অতীব জরুরি। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত দাঁতটি রাখা না গেলে পরবর্তীতে আঁকাবাঁকা স্থায়ী দাঁত ও আরও নানান সমস্যা নিয়ে পরতে হয় বিড়ম্বনায়। সামাজিক হেয় প্রতিপন্নতা, ভ্রূ কুঞ্চনে শিশুর মানসিক বিকাশ ও সুস্থ স্বাভাবিক বেড়ে ওঠায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়। প্রাণখুলে হাসতে না পারার দুঃখ বোধ অনেক কে পরিণত বয়সেও তাড়িয়ে বেড়ায়। সেদিনকে একজন এলেন বয়স চল্লিশ, এই বয়সে এসেও সাহস করে এলেন আঁকাবাঁকা দাঁতের বিড়ম্বনা হতে মুক্তি পেতে।

আজকের শিশুই তো আগামীর ভবিষ্যৎ! তাই বলছি আপনার সুন্দর ভবিষ্যৎ, মানে আপনার সন্তানের ঝলমলে হাসিটির প্রতি যত্নশীল হচ্ছেন তো?

ডা. তাসফিয়া রাইসা
জিরো পেইন ডেন্টাল।

28/08/2020
01/02/2020

A case of old restoration and discoloured tooth.Gum was traumatized due to improper filling.

Composite restoration is done.

Thank u.

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


82/A, Jamalkhan(1st Floor), Beside Lab Experts, Opposite To Independent University
Chittagong

Opening Hours

Monday 17:00 - 22:00
Tuesday 17:00 - 22:00
Wednesday 17:00 - 22:00
Thursday 17:00 - 22:00
Saturday 17:00 - 22:00
Sunday 17:00 - 22:00