Pranishebi
Providing veterinary consultancy, products & services
24/11/2024
''The greatness of a nation can be judged by the way its animals are treated." (Ghandi).
12/01/2024
ঘটনাটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের পাশে বায়তুল আমিন মসজিদের একজন হুজুর কুকুর কামড়জনিত জলাতঙ্ক হয়ে মারা গেছেন। তিনি ফৌজদারহাটের বিআইটিআইডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তিন মাস আগে তিনি কুকুর-কামড়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন কিন্তু আধুনিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন নি। টিস্যু পেপার দিয়ে আক্রান্ত স্থানের রক্ত ড্রেসিং করে দোয়া দরুদ পড়ে সাবান পানিতে কমপক্ষে ১৫ মিনিট ধোয়া এবং সরকারী হাসপাতালে গিয়ে সঠিক চিকিৎসা গ্রহণে অবহেলা করেছিলেন।
আমাদের দেশের ধর্মীয় চর্চায় কুকুরকে নাপাক হিসেবে বিবেচনা করে অধিকাংশ মানুষ। তবে যে অর্থে প্রাণি কুকুর নাপাক, সে অর্থে আমরা মানুষরাও নাপাক। একটু বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায় যে কোন প্রাণি ভেজা থাকলে নাপাক।
অন্যান্য চতুষ্পদ লোমশ প্রাণিদের তুলনায় কুকুরের ঘর্মগ্রন্থি অনেক কম; জিহবা দ্বারা তাদের তাপ নিয়ন্ত্রণের কাজ সম্পাদন এবং জলাতঙ্ক জীবাণু লালার মাধ্যমে সংক্রমণে কারণে নাপাক ব্যাপারটি এক প্রকার জনমনে গেঁথে গেছে।
মনে রাখা দরকার, জীবনঘাতী এই রোগের চিকিৎসা এখনো অনাবিষ্কৃত। তাই যে কোন প্রাণির কামড়-আঁচড়ের সাথে যে কোন সাবান-পানিতে ক্ষতস্থান কমপক্ষে ১৫ মিনিট ধুয়ে ফেলতে হবে এবং কালক্ষেপন না করে সরকারী হাসপাতালে গিয়ে বিনামূল্যে সুচিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।
রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) জলাতঙ্ক নির্মূলে সারাদেশে কুকুর টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ পর্যন্ত ২৮ লাখের বেশি কুকুরে টিকা দেয়া হয়েছে।
আসুন আমরা কুকুরের প্রতি মানবিক হই এবং তাদের যে কোন আঁচড়-কামড়ে আধুনিক চিকিৎসা গ্রহণে আরো সচেতন হই।
27/11/2023
07/02/2023
Pray for Turkey-Syria
Vaccinating your pet can protect your family from the spread of diseases like rabies. Over the past century, vaccinations have saved millions of animals from death. Vaccinating your pet can help you avoid paying for expensive treatments for diseases that can be prevented in animals.
14/12/2022
আপনার পোষা প্রাণিকে টিকা দিন
12/11/2022
খরগোশ তৃণভোজী শান্ত ও নিরীহ স্বভাবের প্রাণি। এখনো বাংলাদেশে খরগোশ পালন ব্যাপক আকারে হয়ে ওঠেনি। তবে বাণিজ্যিকভাবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খরগোশ পালন অনেক লাভজনক। তার আগে জেনে নিতে হবে খরগোশ পালনের নিয়ম-কানুনঃ
পালনের সুবিধা:
১. দ্রুত বর্ধনশীল প্রাণি।
২. একসাথে ২-৮টি বাচ্চা প্রসব করে।
৩. একমাস পরপর বাচ্চা প্রসব করে।
৪. খাদ্য দক্ষতা অপেক্ষাকৃত ভালো।
৫. মাংস উৎপাদনে পোল্ট্রির পরেই খরগোশের অবস্থান।
৬. কম জায়গায় কম খাবারে পালন করা যায়।
৭. কম খরচে বেশি উৎপাদন সম্ভব।
৮. খরগোশের মাংস বেশি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।
৯. রান্না ঘরের উচ্ছিষ্ট, ঘাস ও লতা-পাতা এর খাবার।১০. পারিবারিক শ্রমের সফল ব্যবহার করা সম্ভব।
১২. হোটেল, রেস্তোরাঁ বা ভোজসভায় এর মাংসের অনেক কদর।
যেভাবে পালন করবেন: বাড়ির ছাদ, আঙিনা বা বারান্দায় ছোট আকারের শেড তৈরি করে খরগোশ পালন করা যায়-লিটার পদ্ধতি: কমসংখ্যক খরগোশ পালনের জন্য এ পদ্ধতি উপযোগী। এর জন্য মেঝে কংক্রিটের হওয়া উচিত। খরগোশ মাটি খুঁড়ে গর্ত বানায়। লিটার পদ্ধতিতে মেঝের ওপর ৪-৫ ইঞ্চি পুরু করে তুষ, কাঠের ছিলকা অথবা ধানের খড় ছড়িয়ে দিতে হবে। এ পদ্ধতিতে খরগোশ পালন করতে হলে একসাথে ৩০টির বেশি খরগোশ পালন করা ঠিক নয়। পুরুষ খরগোশ আলাদা ঘরে রাখতে হবে। কারণ খরগোশ সামলানো খুব কঠিন। শুধু প্রজননের জন্য পুরুষ খরগোশকে স্ত্রী খরগোশের কাছে ১০-১৫ মিনিট ছেড়ে দেওয়া হয়।
খাঁচা পদ্ধতি: বাণিজ্যিকভাবে খরগোশ পালনের জন্য খাঁচা পদ্ধতি বিশেষ জনপ্রিয়। সে ক্ষেত্রে খাঁচার জন্য লোহার পাত দিয়ে তৈরি ৩-৪ তাকবিশিষ্ট খাঁচা বেশি উপযোগী। খরগোশের জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা রেখে প্রতিটি তাকে খোপ তৈরি করতে হবে।
প্রয়োজনীয় জায়গা:
ক. একটি পূর্ণবয়স্ক পুরুষ খরগোশের জন্য ৪ বর্গফুট জায়গা দরকার।
খ. পূর্ণবয়স্ক মা খরগোশের জন্য দরকার ৬ বর্গফুট (প্রসূতি ঘরসহ)।
গ. বাচ্চা খরগোশের জন্য ১.৫ বর্গফুট দরকার।
খরগোশের খাবার: কচি ঘাস, লতা-পাতা, গাজর, মুলা, শস্যদানা, মিষ্টি আলু, শসা, খড়কুটো, তরকারির ফেলনা অংশ, গম, ভুসি, কুড়া, খৈল, সয়াবিন, দুধ, পাউরুটি, ছোলা নিত্যদিনের খাবার। ঘাস ও শাক সবসময় শুকনা বা ঝকঝকে অবস্থায় দিতে হবে। ভেজানো গম বা ছোলা অল্প সেদ্ধ করে এর সাথে ভুসি মিশিয়ে দিলে ভালো হয়।
30/09/2022
ছবিতে গরম পানিতে আক্রান্ত পারসিয়ান বিড়াল। দূর্ঘটনা এড়াতে আদরের পোষা প্রাণিকে চোখে চোখে রাখুন।
17/09/2022
পোষা প্রাণিকে টিকা দিন।
04/06/2022
জলাতঙ্ক। একে হাইড্রোফোবিয়া কিংবা পাগলা রোগও বলা হয়। আক্রান্ত রোগী পানি দেখে বা পানির কথা মনে পড়লে প্রচণ্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়ে বলে এই রোগের নাম হয়েছে জলাতঙ্ক। এটি প্রাণিবাহিত জলাতঙ্ক ভাইরাসঘটিত রোগ, রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার পর আক্রান্ত রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে।
বিশ্বে প্রতি ১০ মিনিটে একজন এবং প্রতিবছর প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ জলাতঙ্ক রোগে মারা যান। বাংলাদেশেও বছরে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন রোগী মৃত্যুবরণ করেন জলাতঙ্কে। শুধু মানুষই নয়, প্রতিবছর প্রায় ২৫ হাজার গবাদিপশুও জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়ে থাকে দেশে। রোগটি প্রতিরোধের লক্ষ্যে মানুষকে সচেতন করতেই গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর র্যাবিস কন্ট্রোলের উদ্যোগে প্রতিবছর ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জলাতঙ্ক দিবস পালিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য—জলাতঙ্ক: ভয় নয়-সত্য জানুন।
প্রাণির টিকা
জলাতঙ্ক প্রতিরোধে পোষা ও অ-পোষা সব বিড়াল-কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনাও একটি কার্যকর উপায়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই মৃত্যুদূত ব্যাধিকে করায়ত্ত করা সম্ভব।
প্রাণি কামড়ালে কী করবেন
কোনো সন্দেহজনক বা অচেনা প্রাণি আঁচড় বা কামড় দিলে শুরুতেই আক্রান্ত স্থানে ক্ষত ও রক্তপাতের তীব্রতা খেয়াল করতে হবে। এ জন্য প্রথমেই ক্ষতস্থান চেপে ধরতে হবে যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। এরপর টিউবওয়েল বা কলের পানি দিয়ে প্রবহমান পানির ধারার নিচে ন্যূনতম দশ মিনিট ধরে ক্ষত পরিষ্কার করতে হবে। সম্ভব হলে কোনো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবানও ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ভাইরাসসহ ক্ষতে অন্যান্য ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করবে।
ক্ষত পরিষ্কার হয়ে গেলে দেরি না করে ক্ষত–পরবর্তী সংক্রমণের হার কমানোর জন্য কাছের চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে ক্ষতস্থান পটাশিয়াম পারম্যাংগানেট দ্রবণ দিয়ে ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। অতঃপর ক্লোরহেক্সিডিন বা পোভিডোন আয়োডিন দিয়ে ক্ষতস্থানটিকে ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে। এতে অর্ধেকের বেশি জলাতঙ্কের ভাইরাস নষ্ট হয়ে যায়। এরপর ক্ষতে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক মলমের প্রলেপ প্রয়োগ করে একটি জীবাণুমুক্ত গজ কাপড় দিয়ে ব্যান্ডেজ করে ফেলতে হবে। কিন্তু ক্ষতস্থানে কোনো সেলাই দেওয়া যাবে না।
প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন ও পথ্যের পাশাপাশি অবশ্যই প্রতিদিন আঁচড় বা কামড়ের ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে হবে। কাটা স্থানে ধুলাবালি ও ময়লা যেন না লাগে, সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। ক্ষত প্রদাহ শুকিয়ে আসা অবধি এই নিয়ম মেনে চলা উচিত।
ক্ষতস্থানে কোনো স্যালাইন, বরফ, চিনি, লবণ, ইলেকট্রিক শক ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না। বাটিপড়া, পানপড়া, চিনিপড়া, মিছরিপড়া, ঝাড়ফুঁক ইত্যাদি জলাতঙ্কের হাত থেকে কাউকে বাঁচাতে পারে না। ক্ষতস্থান কখনোই অন্য কিছু দিয়ে কাটা, চোষণ করা বা ব্যান্ডেজ করা যাবে না। এ ছাড়া কোনো কবিরাজ বা ওঝার শরণাপন্ন হয়ে কোনো অবৈজ্ঞানিক কিংবা অপচিকিৎসা গ্রহণ করে সময়ক্ষেপণ করাও অনুচিত।
সম্ভব হলে আক্রমণকারী প্রাণির দিকে লক্ষ রাখতে হবে। আক্রমণের কিছুদিনের মাঝে প্রাণিটি মারা গেলে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। এ রকম হলে প্রয়োজনে বিষয়টি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে অবগত করতে হবে।
ডা: শহীদ নেওয়াজ নিশান
ডিভিএম, এমএস (ফিজিওলজি)
০১৫২১৪৮৫৩৩৭
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Cox's Bazar
