Fahimraj Creations

Fahimraj Creations

Share

This page create for my writing, video content and my Dighital marketing Business All kind of Fashionable Dress Online Selling Market

15/08/2024

#রুক্বাইয়া_শরইয়্যাহ

দেখি তো আমরা কারা কারা বদনজরে আক্রান্ত!!!

বদনজর দুই প্রকার।
এক- মানুষ দ্বারা আক্রান্ত বদনজর।
দুই- জিন দারা আক্রান্ত বদনজর।
বদনজর সত্য। এই বিষয়ে কুরআন ও হাদিসে যথেষ্ট প্রমান রয়েছে।

আমরা আগে মানুষ দ্বারা আক্রান্ত বদনজর এর লক্ষ্মণ মিলাবো আজকে।

১- শরীরে জ্বর থাকা, কিন্তু থার্মোমিটারে না ওঠা।এ ধরনের অন্য কোন অসুখ থাকা,,, কিন্তু মেডিকেল টেস্টে ধরা না পড়া।
২- একের পর এক রকমারী সব অসুখ লেগে থাকা। একটা অসুখ ভালো হতে না হতেই আরেকটা শুরু হওয়া।( যেমন অনেকের প্রায় সময় পেটের সমস্যা হয়।)
৩- সাধারণ রোগ-ব্যাধি ( সর্দি-কাশি,জর,ডায়রিয়া ইত্যাদি) দেখা দিয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেও ভাল না হওয়া, ঔষধ কাজ না করা।
৪- পড়াশোনা বা কাজে মন না বসা। নামাজ-জিকিরে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।কিছুতেই মনোযোগ দিতে না পারা।
৫- প্রায়সময় শরীর দূর্বল থাকা।সর্বদা বমি বমি ভাব লাগা।
৬- সবসময় ঘুম ঘুম ভাব, সারা দিন হাই ওঠা।
৭- চেহারা মলিন, ফ্যাকাসে বা হলুদ হয়ে যাওয়া।চেহারায় লাল ছোপ-ছোপ দাগ হয়ে থাকা।
৮- ক্ষুদামন্দা, খাবারের রুচি না পাওয়া।
৯- অহেতুক মেজাজ বিগড়ে থাকা।
১০- বুক ধড়ফড় করা, দম বন্ধ বা অস্বস্তি লাগা।
১১- কাঁদ ভারি হয়ে থাকা।অহেতুক মাথা ঝিম ধরে থাকা।
১২- পেটে প্রচুর গ্যাস হওয়া। ঔষধ খেয়েও ফায়দা না পাওয়া।
১৩- অতিরিক্ত চুল পড়া এ জন্য ঔষধ বা শেম্পু ব্যাবহারেও কোন ফায়দা না হওয়া।
১৪- হাত পায়ে মাঝে মাঝেই ব্যাথা করা কিংবা পুরো শরীরে ব্যাথা দৌড়ে বেড়ানো।
১৫- শরীরের বিভিন্ন যায়গায় গোস্তের গুটলির মত অনুভব হওয়া।
১৬- কোন কারণ ছাড়া ই কান্না আসা।
১৭- আত্বীয়সজন বা বন্ধুদের সাথে দেখা করতে ভাল না লাগা।
১৮- ব্যাবসা চাকুরী আয় রোজগার --এগুলোতে ঝামেলা লেগে থাকা।কোনভাবেই উন্নতি না হওয়া।
১৯- যে কাজে ভাল দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা রয়েছে সেটা করতে গেলেই ঝামেলা বাঁধা, কিংবা অসুস্থ হয়ে যাওয়া।
২০- স্বপ্নে উঁচু বিল্ডিংয়ের ছাদ থেকে কিংবা পাহাড় থেকে পড়ে যেতে দেখা।
২১- স্বপ্নের মাঝে কাউকে বিশেষ ভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখা।স্বপ্নে মৃত মানুষ কে এখা অথবা নিজেকে মৃত দেখা।

কয়েকটি লক্ষনীয় বিষয় ঃ
দুই একটি সমস্যা মাঝে মাঝেই হলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই এটা সাভাবিক।কিন্তু কয়েকটি সমস্যা বার বার থাকলে বুঝতে হবে সমস্যা আছে।

উপরোক্ত সবগুলো লক্ষ্মণ মিলতে হবে বিষয় টি এমন না।
যদি অল্প কয়েকটি মিলে তাহলে সমস্যা কম।
আর যদি অ

28/11/2023

নতুন সিদ্ধান্ত।
কুমিল্লা ও আশে পাশের সকল জেলার যাত্রীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যারা "কক্সবাজার এক্সপ্রেস" ট্রেনে করে কক্সবাজার ভ্রমনে যেতে ইচ্ছুক আপনারা চট্রগ্রাম গামী যে কোন ট্রেনে করে চট্টগ্রাম গিয়ে সেখান থেকে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে করে কক্সবাজার ভ্রমনে যেতে পারবেন।

এই মূহুর্তে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন-Cumilla Railway Station এ যাত্রাবিরতি দিবে না। ননস্টপ হিসেবে ঢাকা - বিমানবন্দর - চট্রগ্রাম - কক্সবাজার রুটে চলাচল করবে।

চট্টগ্রাম থেকে উক্ত দুইটি কোচ কক্সবাজারের জন্য বরাদ্দ-
কোচ- "ঘ" (এসি চেয়ার) ও কোচ- "ট" (শোভন চেয়ার)।

27/11/2023

I have reached 100 followers! Thank you for your continued support. I could not have done it without each of you. 🙏🤗🎉

15/09/2023

দেখো সাঁঝের বেলায় রক্তিম রঙে নেয়ে উঠে ঔ নীলিমা,
দেখো আঁধারের কোলে জোসনার খোযে হেসে ওঠে ঔ চাঁদিমা।

26/08/2023

#জ্বীনের_রহস্য
ইবরাহীম খলিল
মাসিক আদর্শনারী

Muhammad Nazrul Islam
Afwan Imtehana

কুহেক্বাফে একটা জায়গা আছে, যার নাম -মুলকে ছিলছিলা "।জায়গাটি মূলত স্বর্নের পাহাড়ে বেস্টিত।
পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু হলো স্বর্ণ, আর কুহেক্বাফে সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু হলো জহরত। পৃথিবীতে "জহরত "নামক ধাতুর নাম শোনা হলেও এর সঠিক অস্তিত্ব এখনো পাওয়া যায়নি। জহরত দেখতে কেমন ছিলো,তার একটা ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে রোম দার্শনিক ভ্লানাইন এর লেখনীতে।
বিখ্যাত রোম দার্শনিক তার " কুলফায়ে সোয়াতনামা বইয়ে লিখেছেন--হিমালয়ে দুই ভ্রাতা পরিভ্রমনে বের হয়,তখন হিম প্রদেশে তারা বিশ্রাম রত অবস্থায় হঠাৎ কোনো বস্তু উপর থেকে তাদের গাত্রে এসে পড়ে।দুই ভ্রাতা বস্তুটি হাতে নিয়ে চরম অবাক হয়ে যান। চারিধারে বুদবুদে অন্ধকার যেনো মূহর্তেই আলোয় আলোকিত হয়ে গেলো বস্তুর নিক্ষেপনে। যেনো একটি স্বচ্ছ আলোর ফোঁয়ারা তারা হাতে নিয়ে আছে। বিশেষ এই বস্তুটি তারা শুরুতে ভেবেছিলো, হয়তো এটা মনি হবে, নতুবা হীরা হবে। দুই ভাই বস্তুটির সঠিক পরিমাপ নিয়ে বিতর্ক করছেন আর কৌতূহলী হয়ে বস্তুটির দিকে তাকিয়েই আছেন।এক পর্যায়ে তারা চরম ভয়ে মূর্ছা গিয়ে উপরে তাকিয়ে শোনেন বিশাল চিৎকার। বিশাল দানবীয় তিন জ্বীন উপর থেকেই হাত বাড়িয়ে বলতে লাগলো-হে আদমী,জহরতটা ফেরত দে?

দুই ভ্রাতা হাত বাড়িয়ে ভয়ে জড়োসরো হয়ে যায়, কোনো এক জ্বীন জহরতটি হস্তগত করে বলতে লাগলো, তোরা ধন্য, চর্মচোখে তোরা জহরত দেখে নিয়েছিস। ভুলবশত একটি জহরত হস্তগত থেকে নীচে পড়ে যায়, এটা আমাদের কুহেক্বাফে মুলকে ছিলছিলার বিশাল স্বর্ণ পাহাড়ের চেয়েও দামী। বিশাল স্বর্ণের পাহাড়টাও বিক্রি করলে এই জহরতের দাম মিটানো সম্ভব নয়।

জ্বীন ফারিজের কাছে ঐ জহরত আর মূলকে ছিলছিলার বিষয়ে জানতে চাইলে সে তার সত্যতার কথা স্বীকার করে।
ফারিজের কাছে জানতে পারি, জহরত মূলত একটি স্বর্ণ হৃদের মাছ। মূলকে ছিলছিলার স্বর্ণ হৃদে এই মাছ এর আবাস। পৃথিবীর হিসাবে সাড়ে নয়শত বছর পর পর জহরত মাছ সেই অমূল্য রত্ন জহরত পাথরটি পেট থেকে উগলাইয়া দেয়, কিছু খানদানী জ্বীন ডুবুরি সেই জহরত রত্নটি হৃদ থেকে অনুসন্ধান করে জ্বীন মূলকের আমিরের রাজকোষে হস্তান্তর করেন।
জীবিত জহরত মাছ খাওয়া জ্বীনদেশে দন্ডনীয় অপরাধ। তাই স্বর্ণ হৃদ থেকে শুধু মাত্র মৃত জীবিত মাছই জ্বীনরা খেয়ে থাকে।তাও সাড়ে নয়শত বছর পর খাওয়ার সৌভাগ্য হয় অনেকের।

বিড়ালকে যেমন বাঘের মাসী বলা হয়, তেমনি পৃথিবীর সমুদ্রের ইলিশকে বলা হয় জহরত মাছের মাসী। পৃথিবীতে জ্বীনের সংখ্যা বেশি বিরাজমান থাকে সমুদ্র উপকূলে।কারন, গহীন সমুদ্র থেকে জ্বীনেরা ইলিশ মাছ সংগ্রহ করে থাকেন।

মুলুকে ছিলছিলা তথা স্বর্ণ পাহাড় নিয়ে একটা কথিত কাহিনী পরীস্থানে বিরাজমান আছে।পরীস্থানের বায়োজ্যষ্ঠ রাণী সুবাহা ফাহাদী তার সিলমোহরে অংকিত করেছেন-এই স্বর্ণ পাহাড় একদিন থাকবেনা, এটি চলে যাবে পৃথিবীতে।ফুরাত নদীর তলদেশে এর মূল আবির্ভাব হবে।

আমরা অনেকেই জানি, কেয়ামতের পূর্ব লক্ষন হলো-ফুরাত নদী শুকিয়ে যাবে,সেখানে স্বর্নের পাহাড় ভেসে আসবে। কিন্তু সেই স্বর্ণ আদৌ পরীস্থানের স্বর্ণ পাহাড় কিনা তা নিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

26/08/2023

#জ্বীনের_রহস্য
Muhammad Nazrul Islam
Afwan Imtehana

কুহেক্বাফ ও পরীস্থানের অজানা কাহিনী.............

মো ইব্রাহীম খলিল
মাসিক আদর্শনারী

অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, কুহেক্বাফ এবং পরীস্থান কি একই জায়গা?

আজ আমরা জ্বীন জাতির বাসস্থান কুহেক্বাফ কিবা পরিস্থান নিয়ে বিশদ আলোচনা করবো।

শুরুতেই বলে রাখি, আমার এই টপিকটা নিতান্তই আমার মনগড়া কোনো গল্প কাব্য নয়। খানকা সালেহিয়া কমপ্লেক্স মাদ্রাসার বড় হুজুর জাহাঙ্গির আলম সালেহীর কাছ থেকেই শ্রবনকৃত তথ্য গুলো এখানে উল্লেখ করছি। ইতিপূর্বে আমি "জ্বীনের দেশ কুহেক্বাফ" নিয়ে দুই পর্বের একটা ধারা গল্প বিভিন্ন গ্রুপে পোষ্ট দিয়েছিলাম। আজ জাহাঙ্গির হুজুরের খাস জ্বীন ছাত্র ফারিজের তথ্যানুসারে পরীস্থান ও কুহেক্বাফের পরিচিতি, সংস্কৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

আমরা সব মুসলমানরা অবগত আছি যে, মানবজাতী সৃষ্টির পূর্বেই মহান আল্লাহ এই জ্বীন জাতী সৃষ্টি করেছেন।

জ্বীন জাতির বিচরন দুটি স্থানেই বিরাজমান। মর্ত্যে এবং বায়ূস্থলে। এই দুনিয়াতে জ্বীনরা আসেন তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহের জন্যে। মানুষ যে ভাবে সুক্ষ্ম বিচার বুদ্ধি দিয়ে জৈবিক চাহিদার রসদ তৈরি করেন, তদ্রুপ জ্বীন জাতি তা পারেনা। এদের বুদ্ধিমত্বা মানুষের চেয়ে কম। তাদের বুদ্ধিমত্তার সীমারেখা মানুষের চেয়ে ৬০%কম। তবে এরা চরম শক্তিবান, এবং কুদরতিবান। যা আবার মানুষের শক্তির ১০০০গুন বেশি।

কথিত আছে--জ্বীনদের দেশ কুহেক্বাফে। হ্যা, কুহেক্বাফ নামক একটি জায়গা আছে। এটি কোনো দেশ নয়। অনেকেই মনে করতে পারে,কুহেক্বাফ নিশ্চই কোনো দেশ হবে। মূলত কুহেক্বাফ হলো একটি স্বতন্ত্র অদৃশ্য স্থান। যেখানে মানুষ নিজ ইচ্ছায় কখনোই যেতে পারেনা। সেখানে মানুষের বিজ্ঞান অচল। একমাত্র জ্বীনের কুদরত এর মাধ্যমেই সেই কুহেক্বাফে মানুষ যেতে পারে।

জ্বীনদের দেশে আছে একটি বিশাল বর্ডার। জ্বীনদের দেশ বায়ূস্থল।এই বায়ূস্থলকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।পুরুষ জ্বীনদের জন্য কুহেক্বাফ,এবং পরীদের(স্ত্রী লিঙ্গ)জন্য আছে পরীস্থান।

কোনো জ্বীন যদি কোনো পরীকে বিয়ে করে, তাহলে ঐ পরী যদি চায় সে কুহেক্বাফে আসবে,তাহলে তাকে আর কখনোই পরীস্থানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়না। কিবা কোনো জ্বীন যদি এই মর্মে সহমত থাকে যে,তার স্ত্রী পরীস্থানেই রবে,তাহলে উক্ত জ্বীন যে কোনো সময় তার বউয়ের কাছে পরীস্থানে যেতে পারবে। তবে বিনা কারনে আইন ভঙ্গ করে কোনো জ্বীন ঐখানে যেতে পারবে না।

পরীস্থানে হযরত সোলাইমান (আ)এর সময়কাল থেকে বর্তমান ৩০৯জন রাণী পরীর আর্বিভাব হয়েছে। বর্তমানে যে রাণী পরী আছেন, উনার নাম--উস্তুনে মারইয়ম। যার বয়স আনুমানিক ২০০০+বছর। (সূত্র জ্বীন ফারিজ)

পরীস্থানে আরেকটা আইন আছে। যেটা মুসলিম আইন দ্বারা নিবন্ধিত। এই আইন সোলাইমান নবীর সময়কাল থেকে গৃহিত।

পরীরা হলো শুভ্রতার প্রতীক।এরা ইচ্ছে করলেই দুনিয়ার কোনো আদম সন্তানকে বিয়ে করতে পারে। তবে সেটার একটা নির্দিষ্ট সীমারেখা আছে।

অনেক সময় দুনিয়া থেকে কোনো সুন্দর পুরুষকে জ্বীন(নারী)তুলে নিয়ে যাওয়ার খবর আমরা শুনে থাকি। ৩,৪.৫,৬,৭দিন পর উক্ত জ্বীনে ধরা লোকটিকে আমরা বন জঙ্গলে অচেতন পড়ে থাকতে দেখি। আবার অনেকেই ফিরে আসেনা।
এখন প্রশ্ন হলো এমনটা হয় কেন?

যেসব সুন্দর ও সূদর্শন পুরুষকে পরীরা পরীস্থানে তুলে নিয়ে যায়,তখন ঐ আদম সন্তানকে একটা ফল দেওয়া হয়, এই ফলটার নাম মালাইজাম। এই ফলটা যদি কোনো আদম সন্তান খেয়ে ফেলে তখন সে আর দুনিয়ায় আসতে পারেনা। পরীস্থানেই পরীদের বিয়ে করতে হয়।
আর যদি ঐ মালাইজাম ফলটা না খায়,তাহলে উক্ত পরী ৩য় এবং ৫ম রজনী পর্যন্ত অপেক্ষা করে সপ্ত রজনীতে ঐ আদম সন্তানকে ফেরত দিয়ে যায়। এটা পরীস্থানের একটা হুকুমত। আদম সন্তানকে এনে মালাইজাম খাওয়াতে ব্যার্থ হলে তাকে মেরে ফেলা যাবেনা। বরং ঐ আদম সন্তানকে তার যথাস্থানে ফেরত দেওয়া পরীদের কর্তব্য।

আমরা অনেকেই জানি নির্জন বন জঙ্গলে জ্বীনদের আনাগোনা বেশি। কিন্তু তারা তাদের রাজ্যে ছেড়ে দুনিয়াতে এভাবে অবাধ বিচরন কেন করে?

আমি পূর্বেই বলেছি, এরা স্বতন্ত্র এবং এদের প্রয়োজনীয় রসদ পূরনের জন্য দুনিয়াতে আসে।

তবে জ্বীন প্রজাতির ভিতর আছে ৪ জাতের জ্বীন। এরা হলো----

মাকামে জিঞ্জার
মাকামে হাতুম
মাকামে সিক্তা
মাকামে হুবাইর।

কুহেক্বাফ এবং পরীস্থানে স্থায়ীভাবে দুই জ্বীনের রাজত্ব চলে। এরা হলো--মাকামে জিঞ্জার এবং মাকামে হাতুন।

বাকী দুই প্রজাতির জ্বীনরা স্থায়ীভাবে দুনিয়াতেই বিচরন করে। এরা বায়ূস্থল তথা কুহেক্বাফ ও পরীস্থান থেকে বিতারিত জ্বীন বদ স্বজাতি। এরা নোংরা, বদরাগী, অনিষ্টকারী এবং নিকৃষ্ট জ্বীন।

জ্বীন জাতির ভিতর প্রধান তিন ধর্মালম্বী জ্বীন আছে। এরা হলো--ইসলাম,সনাতন, এবং শিখ।
তবে ইসলাম ধর্মালম্বী জ্বীনের আধিপত্যই সবচেয়ে বেশি।
কুহেক্বাফ থেকে পরিস্থানের দূরত্ব দশ মক্র বর্গমাইল। জ্বীনদের হিসাব মতে এক মক্র দুনিয়ার হিসাবে এক লক্ষ মাইলের সমান। তাহলে মনে মনেই অনুমান করুন,দশ মক্র কত মাইল পথের দূরত্ব হতে পারে!

কুহেক্বাফ রাজ্যে হাটার জন্য কোনো রাস্তা নেই, কোনো বাড়িই ইটের নয়,সবই তুলার ঘর বাড়ি। ওখানে মসজিদ গুলো কাচের এবং মন্দির গুলো শ্বেত পাথরের।

পরীস্থানে হৃদ এর সংখ্যা বেশি। ঐখানে ফলের রাজ্যে বলে আলাদা একটা পরিচিতি আছে। কুহেক্বাফে যতো ফল ভোজনের জন্য সরবরাহ হয়, সবই পরীস্থান থেকে। হাদীয়া হিসাবে পরীস্থানের অধিপতি কুহেক্বাফে সেই ফল ফলাদী দিয়ে থাকেন।

কুহেক্বাফের বৎসর গননা হয় ৭০৫দিনে এক বৎসর। ঐখানেও মুসলিম জ্বীনরা শুক্রবারকে ফজিলতপূর্ণ মাস হিসাবে বিবেচিত করে থাকেন।

বিঃদ্র--পরের পর্ব কারো জানার ইচ্ছে থাকলে শেয়ার করব।

সূত্র--জ্বীন সহচর জাহাঙ্গির হুজুরের ছাত্র ফারিজ

-------সমাপ্ত------------ Nazrul Islam

Photos from Fahimraj Creations's post 12/08/2023

السلام عليكم
স্টেপ শার্ট কালেকশন।
অনেকেই আছে স্টেপ শার্ট পছন্দ করেন।
ফেব্রিক্স : কটন।
√ কালার ও কোয়ালিটি ১০০% গ্যারান্টি ইনশাল্লাহ।
√ ফ্যাশনেবল শার্ট।
√ স্টাইলিং ও স্লিম ফিট।
√ কালার: ছবির মত সেম হবে ইনশাল্লাহ যাষ্ট ফটো গ্রাফিক্স এর কারণে একটু তারতম্য হবে।

সাইজ মেজারমেন্ট
M : (Chest(বুক)-40" inch, Length(দৈর্ঘ)-28" inch)
• L : (Chest-42" inch, Length-29" inch)
• XL : (Chest-44" inch, Length-30" inch)

Photos from Fahimraj Creations's post 11/08/2023

السلام عليكم
চলে এলো চেক শার্ট।
ফরমাল কিংবা নরমাল ড্রেস আপের জন্য বেষ্ট
ফেব্রিক্স : কটন।
√ কালার ও কোয়ালিটি ১০০% গ্যারান্টি ইনশাল্লাহ।
√ ফ্যাশনেবল শার্ট।
√ স্টাইলিং ও স্লিম ফিট।
√ কালার: ছবির মত সেম হবে ইনশাল্লাহ যাষ্ট ফটো গ্রাফিক্স এর কারণে একটু তারতম্য হবে।

সাইজ মেজারমেন্ট
M : (Chest(বুক)-40" inch, Length(দৈর্ঘ)-28" inch)
• L : (Chest-42" inch, Length-29" inch)
• XL : (Chest-44" inch, Length-30" inch)

Photos from Fahimraj Creations's post 09/08/2023

السلام عليكم
®অরিজিনাল ইমপোর্টেড চিনা স্নেকার সুজ।
®লং লাষ্টিং
®এম্ব্রয়ডারি কাজ করা।
®হাই কোয়ালিটি সফট ফেব্রিক
®স্মার্ট সোল্ড
®ওয়েইটলেস ও কমফোর্টেবল।
পাচ্ছেন দেশের যে কোন প্রান্তে হোম ডেলিভারি সার্ভিস।
সাইজ ৩৬-৩৭-৩৮-৩৯-৪০-৪১

Photos from Fahimraj Creations's post 06/08/2023

السلام عليكم
ফ্যাশন ও প্রয়োজন দুইটা যদি একসাথে হয় তাহলে আর দেরি কেন
এম্ব্রয়ডারী বোরকা ১♦️♦️♦️
✅ কাপড় :-অরিজিনাল দুবাই চেরি।
✅ লং :- ৫০/৫২/৫৪/৫৬

যারা সিম্পল ৫০" লং বোরকা চেয়েছেন তারা দেখতে পারেন🙂🙂

Photos from Fahimraj Creations's post 05/08/2023

السلام عليكم

♦️লেস কুচি বোরকা♦️

✅ কাপড় :-অরিজিনাল দুবাই চেরি।
✅ লং :- ৫০/৫২/৫৪/৫৬
✅ বডি সাইজ :-ফ্রী সাইজ

🚛🚛আমরা দেশের যে কোন জায়গায় ক্যাশ অন হোম ডেলিভারিতে দিয়ে থাকি 🙂🙂

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Cumilla?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Cumilla