Nasreen's Hair Oil Zone
আসসালামুআলাইকুম,,
এখানে আপনারা চুলের জন্য ঘরে তৈরি বিভিন্ন প্রাকৃতিক সামগ্রীসমৃদ্ধ হেয়ার ওয়েল পাবেন।
আমার হোমমেড হেয়ার অয়েল,,,,২৫ টি প্রাকৃতিক উপাদানের সমন্বিত তেলটি ব্যবহার করুন চুলের সমস্যা সমাধানের জন্য। ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য।
ইনবক্স বা পেজে দেওয়া নাম্বারে সরাসরি কল করুন অর্ডারের জন্য।
ধন্যবাদ🙂
24/06/2023
100 mL ---350 Taka
250mL ---450 Taka
500mL---650 Taka
পিকআপ পয়েন্টঃতালপুকুরপাড়,কুমিল্লা।
যারা কুমিল্লার বাহিরে কথা বলা সাপেক্ষে অর্ডার কনফার্ম করা হবে।
সরাসরি কল করতে পারেন ০১৮৩৭৪৭৬৪৪৩ এই নাম্বারে।
ধন্যবাদ
আসসালামু আলাইকুম,
আজ কথা বলবো তেলটির ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে।
ছেলে বা মেয়ে উভয়ই তেলটি ব্যবহার করতে পারবেন।
ব্যবহারবিধিঃঃমাথায় ব্যবহারের পূর্বে ভালোভাবে ঝাঁকি দিয়ে বাটিতে ঢেলে ২-৩ মিনিট ধরে গরম করতে হবে।তারপর কিছু সময় পর তা চুলের গোড়ায় ভালোভাবে ম্যাসেজ করতে হবে।২ দিন বা আপনাদের সুবিধা মতো রাতে দিয়ে তা সকালে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। যাদের চুল রিবন্ডিং করা তারা তেলটি ব্যবহার করে ভালো ফল পাবেন। 🙂
24/06/2023
আসসালামুআলাইকুম,,,
আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম আমার হোমমেড হেয়ার অয়েলের উপাদান বিবরণী।চলুন শুরু করা যাক👇
👉নারিকেল তেলঃঃচুলের পরিচর্যার অন্যতম উপকরণ এই নারকেল তেল। চুল ভাল রাখার পাশাপাশি চুলের রুক্ষ ভাব দূর করতে, চুল ঝরার সমস্যা কমাতে, খুশকি তাড়াতেও নারকেল তেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
👉সরিষার তেলঃঃসরিষার তেল চুল পড়া রোধ করে। এতে আরও থাকে জিঙ্ক, বিটা ক্যারোটিন, সেলেনিয়াম ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা চুল বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। স্ক্যাল্পে সরিষার তেল ব্যবহারে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ও চুলের গোড়া মজবুত হয়।
👉অলিভ অয়েলঃঃঅলিভ অয়েল চুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী উপাদান। অলিভ অয়েলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলের সংক্রামক রোগ রোধে কাজ করে। এতে করে চুলের গোঁড়া থেকে পুষ্টি যোগায় ও চুলের আগা ফাটা রোধ করে এবং চুলের ভঙ্গুরতা কমায়। অলিভ অয়েল ত্বকের জন্যেও ভালো উপকারী।
👉তিলের তেলঃঃবহু আয়ুর্বেদিক ওষুধে বেস অয়েল হিসেবে তিল তেল ব্যবহার করা হয়৷ তিল তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং স্ক্যাল্পের সংক্রমণ কমায়৷ চুল কন্ডিশনিং করতে, স্ক্যাল্পে পুষ্টির জোগান দিতে এবং খুসকি কমানোর জন্য হট অয়েল ট্রিটমেন্টে ব্যবহার করা হয় তিলের তেল।
👉বাদামের তেলঃঃবাদামের তেলে থাকা ভিটামিন ই, ডি, পটাশিয়াম ম্যাগনিজিয়াম-এর অন্যতম উৎস যা চুলকে নরম ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।এই তেল ব্যবহারে শুষ্ক কিংবা খসখসে চুলকে সফট বা কোমল করবে। চুলের গোড়া মজবুত করে চুল ভাঙ্গা রোধ করবে। আরও অনেক উপকারিতা রয়েছে কাঠ বাদাম তেলের।
👉কালোজিরাঃঃকালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুল পড়া রোধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতেও এই তেল উপকারে আসে।এই তেল চুলের উকুন কমাতেও সাহায্য করে।
👉কেস্টার অয়েলঃঃক্যাস্টর অয়েলের মধ্যে রয়েছে ricinoleic। এই উপকরণের সাহায্যে মাথার তালুতে ভালভাবে রক্তসঞ্চালন হয় যা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। মাথার তালু বা স্ক্যাল্পে হওয়া বিভিন্ন ইনফেকশন, ইচিং বা চুলকানি, খুশকি ইত্যাদি দূর করতে সাহায্য করে ক্যাস্টর অয়েল। অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপকরণ রয়েছে এই তেলের মধ্যে।
👉মেথির তেলঃঃমেথিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও নিকোটিনিক এসিড রয়েছে যা চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায় এবং চুলকে মজবুত করে।মেথি দিয়ে প্রাকৃতিকভাবেই পাবেন মজবুত ও লম্বা চুল। কারণ এতে আছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং প্রোটিন, যা চুলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্টস। নিয়মিত মেথির তেল মাসাজে চুলে প্রাণ ফিরে আসে এবং হয় মনের মতো সুন্দর।
👉আমলকির গুঁড়াঃঃআমলকিতে উপস্থিত ফাইটো-নিউট্রিয়েন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ মাথার ত্বকের সঞ্চালন বাড়াতে এবং স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে। আমলার ভিটামিন সি কোলাজেন প্রোটিন তৈরি করে। এটি চুলের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করতে সাহায্য করে। কোলাজেন চুলের ফলিকলের মৃত কোষকে নতুন চুলের কোষ দিয়ে প্রতিস্থাপন করে।
👉ভিটামিন E ক্যাপসুলঃঃভিটামিন ই ক্যাপসুলেই হতে পারে চুলের নানা সমস্যার সমাধান। চুল পড়া, খুসকি কিংবা পাকা চুলের সমস্যা।ভিতামিন ই ক্যাপসুলে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট মাথার স্ক্যাল্পের জন্য দারুণ স্বাস্থ্যকর একটি উপাদান। যা চুলের গ্রোথ বা বৃদ্ধিতে উপকারে আসে, দ্রুত কাজ করে। অতিরিক্ত চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। চুলের যাবতীয় কেয়ার নিতে সক্ষম ভিটামিন ই ক্যাপসুল।
👉চুলরত্নঃঃতেলটিতে থাকছে চুলরত্ন পাতা, যা একটি অন্যতম উপাদান হিসেবে কাজ করে। এটি চুলের আগা ফাটা থেকে চুলকে রক্ষা করে।
একসাথে এতগুলো প্রাকৃতিক উপাদান পাচ্ছেন একটি তেলে ভেবে দেখুন🤗
এর সাথে রয়েছে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা প্রাকৃতিক ভাবে আপনার চুলের সমস্যার জন্য খুব ভালো কাজ করবে, ইনশাআল্লাহ। 🤝
তাই,একবার ব্যবহার করে দেখুন। আপনার চুলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য।
আজ এতটুকুই, পরবর্তী পোস্ট এ আপনাদের জন্য ব্যবহারের নিয়মকানুন নিয়ে হাজির হবো🙃
আসসালামুআলাইকুম,
অনেক দিন আগে থেকেই এই তেল টা আমি আশেপাশে কিংবা আত্নীয় -স্বজন বা বন্ধুবান্ধবদের সাথে শেয়ার করে আসছি। আল্লাহর রহমতে সবাই খুব ভালো রেজাল্ট পেয়েছে এবং দ্বিতীয়বার নিয়ে ব্যবহার করেছে। তাই, তাদের ফলাফলের ভিওিতে এখন অফলাইন ছাড়াও অনলাইনে আমার এই হোমমেড হেয়ার অয়েলটি শেয়ার করতে চাই।তাই এই পেইজটির আবির্ভাব 🙃
আশা করি আপনাদের সাথে ভালো কিছু শেয়ার করতে পারবো।🙂
যুগ যুগ ধরেই লম্বা চুলের আলাদা কদর রয়েছে। বিশেষ কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার ও হতে পারে সুন্দর লম্বা চুল।
ধুলাবালি, রোদ, অপুষ্টির শিকার হয়ে দিনে দিনে আপনার চুলের বৃদ্ধির পরিমান হ্রাস পাচ্ছে। আপনার এত শখ লম্বা চুলের অথচ কিছুতেই লম্বা করতে পারছেন না।
আজ আপনার জন্য থাকছে চুল স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও লম্বা করার প্রয়োজনীয় কিছু টিপসঃ
১। অনেকেরই চুলের আগা ফাটার সমস্যা রয়েছে। এটি চুলের স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য ক্ষতিকর। নিয়ম করে প্রতি তিন মাস পর পর চুলের আগা ছাঁটুন।
২। রাতে ঘুমানোর সময় চুল ভালোভাবে আঁচড়ে খুব হালকা করে চুল বাঁধুন। শক্ত করে চুল বাঁধলে চুলে রক্ত সঞ্চালন কমে যায় এবং চুলের গোঁড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে খুব দ্রুত চুল পড়তে শুরু করে।
৩। ভেজা চুল কখনো আঁচড়াবেন না। ভেজা অবস্থায় চুলের গোঁড়া নরম থাকে। ফলে এসময় চুল আঁচড়ালে ছিঁড়ে যেতে পারে। তাই গোসল এর আগে চুল আঁচড়ে নিন।
৪। সপ্তাহে যেকোনো তিনদিন ঘুমোতে যাওয়ার আগে ন্যাচার কেয়ার হেয়ার অয়েল সামান্য গরম করে মাথার ত্বকে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। আপনার চুলের গোঁড়া শক্ত হবে, চুলের গোঁড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং চুল ঝরঝরে হবে।
৫। চুলে শ্যাম্পু করার পর অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে মাথার ত্বকে যেন কিছুতেই কন্ডিশনার না লাগে। প্রচুর পরিমান পানি দিয়ে চুল ধুতে হবে কন্ডিশনার দেয়ার পর।
৬। চুলের জট ছাড়ানোর সময় চুলের প্রতি কোমল হোন। ফাঁকা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন চুলের জট ছাড়াতে। বেশি জট হলে প্রথমে আঙ্গুল দিয়ে ছাড়িয়ে নিন তারপর মাথায় চিরুনি দিন।
৭। আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী শ্যাম্পু নির্বাচন করুন। বাজারে অনেক রকম শ্যাম্পু পাওয়া যায় আপনার চুলের জন্য কোনটি ভাল হবে ঠিকভাবে খুঁজে বের করুন।
৮। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বেশিরভাগ শাকসবজি, ফলমূল রাখুন। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ এবং একটি ডিম খান। চুলের সঠিক বৃদ্ধি হওয়ার জন্য প্রোটিন খুবই প্রয়োজন তাই দুধ, ডিম এর বিকল্প নেই।
৯। দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন এবং প্রতিদিন ৮-৯ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। নিদ্রাহীনতা চুল বৃদ্ধির অন্তরায়।
১০। নিয়ম করে চুলে তেল ব্যবহার করুন। কারণ তেল চুলের প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায়। তেলের অভাবে চুল ভেঙ্গে যায় এবং চুল পড়া শুরু হয়।
লম্বা চুল দিয়ে আপনি সকলকে আকর্ষণ করতে পারবেন। তাই সময় থাকতে যত্নবান হোন আপনার চুলের প্রতি আর আপনি হোন দীঘল কালো চুলের অধিকারী।
Herbal hair oil
🌺চুল হচ্ছে প্রতিটি নারীর সৌন্দর্যের প্রতীকগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতিটি নারীই চায় তার চুল রেশমি, লম্বা, ঘন, কালো হোক।🥰
🌺 তবে এই সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য অবশ্যক সঠিক নিয়মে চুলের যত্ন নিতে হবে ও পরিচর্যা করতে হবে।
🌺বর্তমান সময়ে বহুল প্রচলিত হারবাল হেয়ার অয়েল এর কার্যকরিতা সম্পর্কে প্রায় সবারই জানা।
🌺 চুল পড়া বন্ধ করে,
🌺নতুন চুল গজায় ও
🌺চুল লম্বা করে।
🌺খুসকি কমাতে সাহায্য করে
🌺চুল সিল্কি হবে
🌺চুল এর আগা ফাটা কমবে
☘ ২৮+টি ভেষজ নির্যাসসহ উপাদান দিয়ে তৈরী হয় যা চুলের জন্য খুবই কার্যকর। ভেষজ উপাদানের মধ্যে আয়রন এবং জিঙ্ক থাকে যা স্ক্যাল্পে অক্সিজেন প্রবাহ করে এবং নতুন টিস্যু তৈরি করে এবং চুল পড়া বন্ধ করে এবং চুল দ্রুত বাড়াতে সহায়তা করে।
এই ভেষজ উপাদানগুলি দ্রুত এবং সহজেই চুল এবং চুলের উপাদানগুলিতে প্রবেশ করে এবং চুল এবং মাথার ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে।এটি চুলকে ভেতর থেকে শক্ত করে, চুলে পুষ্টি সরবরাহ করে ফলে চুল পড়া বন্ধ হয়ে যায়।
💐তাই চুল পড়া বন্ধ করতে এবং চুল সতেজ, ঘন, কাল ও উজ্জল করতে হারবাল হেয়ার অয়েল ব্যবহার করুন।
অর্ডার করতে মেসেজ দিন বা কল দিন পেজে দেওয়া নাম্বারে।
welcome to nasreen's hair oil zone 🙃
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Talpukurpar, Kandirpar, Cumilla
Cumilla
