bdhealthtips.com
the page is about health tips and entertainment
06/04/2020
প্রতিদিন ফ্রি তে স্বাস্থ্য বার্তা পেতে লাইক দিন, শেয়ার দিন।
11/06/2019
ইনি অ্যাডভোকেট দিপীকা সিং। ভারতের কাটুয়া নামক স্থানে আসিফা নামের যে মেয়েটার গনধর্ষন হয়েছিলো সেই মামলায় ইনি উকিল ছিলন। আসামীদের সাজা পাইয়ে বিজয়ের হাসি হেসেছেন।
১৩ মাস ধরে খুনের হুমকিকেও তোয়াক্কা করেন নি। লড়ে গেছেন। এবং আসামীদের সাজা পাইয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো অভিযুক্তরা পুলিশ ছিলো। পাঠানকোটের বিশেষ আদালত এদের সাজা প্রদান করে।
সকল বাধাকে অতিক্রম করে তিনি এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আমাদের দেশেও এমন কিছু অ্যাডভোকেট দরকার। খুব করে দরকার। যারা এই বাংলাদেশের ধর্ষক গুলার সাজার জন্য লড়ে যাবে নির্ভিক ভাবে। ধর্ষিতা বোন গুলার পাশে দাঁড়াবে, সাহস যোগাবে লড়তে শিখাবে, বাচতে শিখাবে। এমন কাউকে খুব করে দরকার।।
#স্যালুট ম্যাম আপনাকে। ♥♥️
01/03/2018
কিভাবে নিজেকে, পরিবারের মানুষগুলোকে সুস্থ রাখবেন জেনে নিন।
01/10/2017
Answer.....plz........
30/09/2017
29/09/2017
মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে? জেনে নিন ৪টি সহজ সমাধান
ছেলেরা বরাবরই শরীরের যত্নের ব্যাপারে উদাসীন। সেই সাথে চুল ও ত্বকের ব্যাপারেও। সপ্তাহে ১ টি দিনও তেল দেয়া কিংবা শ্যাম্পু করা হয়ে ওঠে না অনেকেরই। কিন্তু এতে করে মাথার ত্বক এবং চুলের ফলিকলের অনেক ক্ষতি হয়। যার ফলে চুল পড়া শুরু হয় যা শেষ পর্যায়ে টাকে গড়ায়। তাই ছেলেদের কিছু যত্ন নেয়া উচিৎ চুলের প্রতি এই টাক থেকে মুক্তি পেতে চাইলে।চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কম সময়ে টাকের সমস্যা থেকে মুক্তি ও নতুন চুল গজানোর কিছু টিপস।
অলিভ অয়েল, মধু ও দারুচিনির হেয়ার মাস্ক: চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী অলিভ অয়েল গরম করে নিন। এরপর এতে ১-২ চা চামচ মধু এবং ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে নিন। এই হেয়ার মাস্ক চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ১৫-২০ মিনিট চুলে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে চুলের গোঁড়া মজবুত হবে এবং টাক পড়ার সম্ভাবনা একেবারেই কমে যাবে।
মেহেদী এবং সরিষার তেলের হেয়ার মাস্কঃ এই মাস্কটি তৈরি করতে লাগবে মেহেদী পাতা ১০০ গ্রাম এবং সরিষার তেল ২৫০ গ্রাম। একটি প্যানে সরিষার তেল ঢেলে গরম হতে দিন। এরপর এতে মেহেদী পাতাগুলো দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। ৫-৭ মিনিট ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে তেল ঠাণ্ডা হতে দিন। মেহেদী পাতা ছেঁকে নিয়ে এই তেল চুলের গোঁড়ায়, মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ১ ঘণ্টা বাদে চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। বেঁচে যাওয়া বাকি তেলটুকু বোতলে ভরে রেখে দিন। এই মাস্কটি প্রতিদিন ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।
জবা ফুল ও লেবুর রসের হেয়ার মাস্কঃ ১ গ্লাস পানি একটি পাত্রে নিয়ে ফুটতে দিন। পানি ফুটে উঠলে এতে ২ টি জবাফুল দিয়ে ৩/৪ মিনিট আরও ফুটিয়ে নিন। এরপর পানি ঠাণ্ডা হতে দিন। পানি ঠাণ্ডা হয়ে এলে ছেঁকে নিয়ে এতে কএয়ক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে মিশিয়ে নিন। চুল শ্যাম্পু করে ধোয়ার পর এই মিশ্রণটি যেখানে টাক পড়া শুরু করেছে সেখানে লাগিয়ে রাখুন। জবা ফুলের রস নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।
নিমপাতার ব্যবহারঃ ৩/৪ গ্লাস পানি নিয়ে এতে ১০/১২ টি নিম পাতা ফুটতে দিন। পানি ফুটে অর্ধেক হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন। এই পানি ঠাণ্ডা হলে চুল ধোয়ার কাজে ব্যবহার করুন। সপ্তাহে দুবার ব্যবহারে ভালো ফল পাবেন।
29/09/2017
টানা ৩০ দিন আদা খেলে কী হয়?
রান্নাবান্নার একটি উৎকৃষ্ট উপাদান আদা। তবে মানুষ আদা বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের ঘরোয়া উপাদান হিসেবে বহুকাল ধরে ব্যবহার করছে। যেমন বমি বমি ভাব, হজমের সমস্যা ও ব্যথা ইত্যাদি।
৩০ দিন একটানা আদা খাওয়ার কিছু উপকারিতার কথা।
আদা খাওয়ার উপকারিতা
১. হজমের সমস্যা রোধে
আদার মধ্যে ডাইজেসটিভ ট্রাক্টের প্রদাহ কমানোর ক্ষমতা রয়েছে। এটি পাচক রস নিঃসরণ করতে সাহায্য করে। এতে খাবার ও পানি খুব সহজে পেটে নড়াচড়া করতে পারে।
২. বমি রোধে
গর্ভাবস্থায় বমি কমাতে আদা খুব উপকারী। এ ছাড়া মর্নিং সিকনেস প্রতিরোধেও এটি কার্যকর।
৩. ব্যথা কমাতে
পেশি ব্যথায় আদা কার্যকর। আদা ২৫ ভাগ পেশির ব্যথা কমাতে কাজ করে।
৪. প্রদাহ প্রতিরোধে কাজ করে
২৪৭ জনের একদল লোকের ওপর একটি গবেষণা করে দেখা গেছে, আদা খুব দ্রুত গাঁটের ব্যথা কমায় এবং গাঁটের ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।
৫. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে
৮৫ জনের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন মাত্র তিন গ্রাম আদার গুঁড়ো খেলে শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
৬. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
প্রতিদিন মাত্র ২ গ্রাম আদার গুঁড়ো ১২ সপ্তাহ ধরে খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১০ ভাগ কমে। পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে ১০ ভাগ।
৭. আদা ক্যানসাররোধী
আদার মধ্যে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক উপাদান। এটি কোলনের ক্যানসার কোষ ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
৮. মস্তিষ্কের কার্যক্রম ভালো করে
আদার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও বায়োঅ্যাকটিভ উপাদান মস্তিষ্কের অকালবার্ধক্য কমায়। এতে স্মৃতিশক্তি বাড়ে।
29/09/2017
কিসমিস ভেজানো পানি কখনো খেয়েছেন? উপকারিতা জেনে নিন!!!!!!!
অনেকেই হয়তো জানেন না কিসমিস একটি স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন খাবার। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না, কিসমিস ভেজানো পানিও কিন্তু শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী। দেখে নিন সেগুলি কী কী?
কিসমিস অনেকেরই খুব প্রিয়। আর এটি শরীরের পক্ষে উপকারিও বটে। এতে রয়েছে পটাশিয়াম, যা হার্টকে ভাল রাখে এবং খারাপ কোলেস্টরল দূর করতে সাহায্য করে। রয়েছে আয়রন যা রক্তাল্পতা কমাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। এছাড়াও রয়েছে কার্বোহাইট্রেট, যা এনার্জি জোগায়। মহিলারাই বিশেষত রক্তাল্পতায় ভোগেন, তাই চিকিৎসকরা বলেন কিসমিস খাওয়া মহিলাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে বিশেষ উপকারি।
অনেকেই হয়তো জানেন না যে, কিসমিস ভেজানো জলও শরীরের পক্ষে খুবই উপকারি। কিসমিসের জল লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কিস ভেজানো জল খেলে শরীরে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার ফলে রক্ত পরিশোধিত হতে শুরু করে। সপ্তাহে কমপক্ষে চারদিন এই কিসমিস ভেজানো জল খেলে তা পেট পরিষ্কার রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। যাঁরা প্রায়শই পেটের গণ্ডগোলে ভোগেন তাঁদের জন্য এই টনিক বিশেষ উপকারি। উপরন্তু এর থেকে পাওয়া যায় ভরপুর এনার্জি, যা সারাদিন আপনাকে রাখবে প্রাণবন্ত। শুধু তাই নয়, কিসমিস ভেজানো জল খেলে লিভারের পাশাপাশি কিডনিও খুব ভাল থাকে। আর কিডনি ও লিভার যদি ভাল থাকে তাহলে তা পরোক্ষভাবে হজমে সাহায্য করে।
এর জন্য আপনাকে করতে হবে ছোট্ট একটি কাজ। ২ কাপ জলে ১৫০ গ্রাম কিসমিস ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। অবশ্যই চেষ্টা করবেন গাঢ় রঙের কিসমিস কিনতে। হাল্কা রঙের কিসমিসে মেশানো থাকে ক্যামিক্যাল যা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। কিসমিসগুলিকে ভালভাবে ধুয়ে, সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরেরদিন সকালে কিসমিস ছেকে নিয়ে সেই জল হালকা গরম করে খালি পেটে খেয়ে নিন। এর পরে আধ ঘন্টা আর অন্য কোনও খাবার খাওয়া চলবে না। সপ্তাহে কমপক্ষে চারদিন এই জল খেলে এক মাসের মধ্যেই তফাৎটা অনুভব করবেন।
28/09/2017
সুস্থ থাকার টিপসঃ এক গ্লাস পানি।
-
১. এক গ্লাস পানি ঘুম থেকে উঠার সাথে
সাথে যদি আপনি পানকরেন, তবে শরীরের
সমস্তঅঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সক্রিয় হয়ে যায়।
-
২. এক গ্লাস পানি যদি আপনি খাবার
খাওয়ার আধা ঘণ্টা আগে পান করেন তবে
এটা খাবার হজমে সাহায্য করবে বেশি।
-
৩. এক গ্লাস পানি গোসলের আগমুহূর্তে
আপনি পান
করলে এটা আপনাকে উচ্চ রক্তচাপ থেকে
বাঁচাতে সাহায্য করবে।
-
৪. এক গ্লাস পানি ঘুমাতে যাওয়ার আগ
মুহূর্তে যদি পান করেন তবে আপনাকে হৃদরোগ
এবং হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচতে সাহায্য
করবে।
*** আমার পোষ্ট যদি আপনাদের সামান্য ভাল
লেগে থাকে অথবা উপকারে এসে থাকে, তবে শেয়ার করে বন্ধুদের দেখার সুযোগ দিন
এবং কমেন্টে অন্তত একটা জানাইয়েন........
আপনাদের সুখী জীবনই আমার কাম্য।
ধন্যবাদ।
√ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন। আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন.. T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir).. আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ
28/09/2017
খাবার খাওয়া সম্পর্কিত কিছু ভুল ধারনাঃ
১. দুপুরে পেট ভরে ভাত খাওয়াটা ঠিক নয়। সকালে ভারী
খাবার খেতে হবে। কেননা, এর পরে আমরা কাজে ব্যস্ত
হয়ে পড়ি। দুপুরের দিকে হালকা খাবার খেতে হবে। আর
রাতের বেলায় মাঝামাঝি খাবার খেতে হবে। রাতের
বেলায় সাধারণত ঘুমানোর দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা আগে
খাবার খেতে হবে।
২. আমরা অনেক সময় ব্যায়াম করার ঠিক আগে খাই বা
খেয়ে উঠেই হাঁটাহাঁটি শুরু করি। কিন্তু যেকোনো
বেলায়ই খাবার খাওয়ার পরপরই হাঁটা ঠিক নয়।
৩. খাবার খেতে খেতে বেশি পানি খেলে হজমে সমস্যা
হয়। খাওয়ার মাঝে বেশি পানি খেলে ঠিকমতো খাবার
হজম হয় না।
৪. প্রচলিত আছে যে শরীরে কাটা-ছেঁড়ার পর টক খাওয়া
যাবে না। টক খেলে ক্ষত বাড়বে, সেটা ঠিক নয়। বরং এ
সময়ে ভিটামিন সি খাওয়ার প্রয়োজনটা পড়ে বেশি, তাই
এ সময়ে টক খাওয়াটা ক্ষতিকর নয়।
৫. ফল খাওয়ার পরে পানি খাওয়া উচিত নয়। এ কথাটা
ঠিক। কারণ, ফল খাওয়ার পর এটা হজম হতে সময় লাগে।
আর হজমে যেন অসুবিধা না হয়, সে জন্য যেকোনো ফল
খাওয়ার পর পানি না খাওয়াটা ভালো।
৬. সকালের খাবারের পরই চা পান করা ঠিক নয়। ভরপেট
সকালের নাশতা খাওয়ার পরে চা খেলে কিডনিতে
সমস্যা হয়। নাশতা খাবার ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর চা পান
করা উচিত।
৭. চিংড়ি মাছ খেলে কোলেস্টেরল বাড়ে মনে করা হয়।
সে জন্য অনেকে বাচ্চাদেরও চিংড়ি মাছ খেতে দেন
না। কিন্তু বাচ্চাদের জন্য চিংড়ি মাছটা খাওয়া দরকার।
আর বড়দের, যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক
আছে, তাদের চিংড়ি মাছ খেলে কোনো সমস্যা হয় না।
কিন্তু সমস্যা হয় কোলেস্টেরলের মাত্রা যাদের বেশি,
তাদের।
৮. ডায়েট করা মানেই অনেকেই মনে করেন ভারী খাবার
কিংবা ফাস্টফুড একদম খাওয়া যাবে না। এটা ঠিক নয়।
ভারী খাবার বা ফাস্টফুডে যেহেতু ক্যালরি বেশি
থাকে, তাই এসব খাওয়ার ছয় ঘণ্টার মধ্যে অন্য কোনো
ক্যালরি বেশি খাবার খাওয়া যাবে না। তবে সালাদ, ফল
—এগুলো খাওয়া যাবে।
৯. ভারী খাবার খেয়ে অনেকে শুয়ে থাকতে পছন্দ করেন।
কিন্তু এটা কখনো ঠিক নয়। ভারীখাবার খেয়ে কখনো
শুয়ে-বসে কাটানো যাবে না। বরং হাঁটাচলা করতে হবে।
১০. স্ন্যাকস-জাতীয় খাবার খাওয়ার পর মূল খাবারে
কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমিয়ে আনতে হবে।
১১. রাতে সাধারণত শাক কিংবা করলা খেতে নিষেধ
করা হয়। এটা ঠিক নয়। রাতে ঘুমানোর দুই থেকে আড়াই
ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে হাঁটাচলা করলে শাক বা করলা
হজম হতে সমস্যা হয় না।
১২. ঘুমানোর আগে আমরা অনেকে ইসবগুলের ভুসি খেয়ে
থাকি। ইসুবগুলের ভুসি রাতের খাবারেরপরে অনেকক্ষণ
ভিজিয়ে না রেখে পানি দিয়ে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে
খেয়ে ফেলতে হবে।
************************************************
বিঃদ্রঃ আমাদের পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভাল
লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার
যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে
T=Thanks
G=Good
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Burichong
Cumilla
102
