Shahid Afridi
সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই.. 🍂
08/07/2026
ইরানের আকাশে নজরদারি করতে আসা আমেরিকার ৪৩২ কোটি টাকার ড্রোন ভূপাতিত করেছে ইরান।
08/07/2026
সাইয়েদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেইকে শ্রদ্ধা জানাতে কোমের রাস্তায় লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।
সাইয়েদ আলী খামেনেইয়ের জানাজায় অংশ নিতে কোম শহরে লক্ষ লক্ষ মানুষ সমবেত হয়েছেন, যেখানে গণপ্রার্থনা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে প্রয়াত নেতাকে শেষ বিদায় জানানো হয়।
আজ পবিত্র শহর কোমে শহীদ নেতার জানাজায় অভূতপূর্ব উপস্থিতির মাধ্যমে ইরানের জনগণ আবারও তাঁর প্রতি তাদের ভালোবাসা, আনুগত্য ও ভক্তির এক স্মরণীয় দৃশ্য প্রদর্শন করেছে।
পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী, পবিত্র জামকারান মসজিদে শহীদদের পবিত্র দেহগুলোর ওপর ব্যাপক জামাতের দোয়া সম্পন্ন করার পর এবং নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সড়ক ধরে জানাজার মিছিল বের করার পর, শহীদদের পবিত্র দেহ বহনকারী গাড়িটি পথের একটি অংশে শোকাহতদের বিশাল ভিড় থেকে আলাদা হয়ে যায়, যাতে দেহগুলোকে ইরাকে স্থানান্তর এবং আসন্ন অনুষ্ঠানগুলোর জন্য প্রস্তুত করা যায়।
হযরত ফাতেমা মাসুমেহ (আঃ)-এর পবিত্র মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য পবিত্র দেহগুলোকে এই স্বর্গীয় তীর্থস্থানের চারপাশে প্রদক্ষিণ করানো হয় এবং তারপর কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে তাঁরা তেহরানের পথে রওনা হন।
মরদেহ বহনকারী যানটির যাত্রা শেষ হয়ে গেলেও জানাজার পথে মানুষের উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে; ভোর থেকেই এই পথে উপস্থিত শোকাহতদের বিশাল জনতা অশ্রুসিক্ত চোখে জাতির শহীদ নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে হযরত ফাতেমা মাসুমেহ (আঃ)-এর পবিত্র মাজারের দিকে এগিয়ে চলেছেন।
আজ কোম এক ঐতিহাসিক বিদায়ের সাক্ষী হলো; এমন এক বিদায়, যেখানে জনগণের উপস্থিতির জাঁকজমক ইরানি জাতি এবং তাদের শহীদ নেতার মধ্যকার গভীর বন্ধনের এক চিরস্থায়ী প্রতিচ্ছবি এঁকে দিয়েছে।
07/07/2026
গাজার সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে অবশেষে নিজেদের প্রশাসনিক ও বেসামরিক দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে হামাস। তবে সামরিক ক্ষেত্রে তারা কোনো পরিবর্তন আনছে না।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গাজার মানুষের নিরাপত্তা ও মানবিক সহায়তার বিষয়ে হামাসের ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়ছিল। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো গাজায় যুদ্ধবিরতির আওতায় একটি নিরপেক্ষ বা নির্দলীয় সেবাব্যবস্থা গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিল, যাতে গাজার পুনর্গঠন ও উন্নয়ন দ্রুত নিশ্চিত করা যায়। বিশ্বের সেই দাবি এবং গাজার মানুষের মঙ্গলের কথা বিবেচনা করেই হামাস তাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে সরে আসতে রাজি হয়েছে।
এর ফলে এখন থেকে গাজার আন্তর্জাতিক ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা বণ্টন, পানি, বিদ্যুৎ ও পৌরসেবা সচল রাখা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য (হাসপাতাল) খাত পরিচালনা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার ঘরবাড়ি পুনর্গঠনের তদারকির মতো বেসামরিক দায়িত্বগুলো থেকে তারা সরে দাঁড়িয়েছে। নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় প্রশাসনের হাতে দায়িত্ব যাওয়ায় এখন থেকে গাজায় বিদেশি সাহায্য আরও বাড়বে এবং মানুষের দ্রুত উন্নয়ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
দীর্ঘদিনের যুদ্ধের কারণে নিজেদের শক্তি পুনরুদ্ধার করা এবং মূল সামরিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার লক্ষ্যেই হামাস এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ইরানের আইআরজিসির "কুদস ফোর্স" (জেরুজালেম বাহিনী)-এর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কায়ানি জানিয়েছেন, তারা হামাসকে আবার নতুন করে পুনর্গঠন করবেন।
হামাস জানিয়েছে, তারা কোনোভাবেই অস্ত্র ছাড়বে না। কারণ হামাস হয়তো মনে করে, অস্ত্র ছেড়ে দিলে গাজার বর্তমান স্বাধীন অস্তিত্বটুকুও বিলীন হয়ে যাবে এবং পুরো অঞ্চলটি সম্পূর্ণরূপে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। তাদের মূল লক্ষ্য এখনো গাজাকে স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে নেওয়া এবং মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। সেই স্বাধীনতার সংগ্রাম ও গাজার অস্তিত্ব বজায় রাখতেই তারা প্রশাসনিক দায়িত্ব ছাড়লেও নিজেদের অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি হয়নি।
02/07/2026
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাসমূহে
জাতিসংঘের পরিদর্শন অনুমোদিত
নয়, পার্লামেন্টে স্পিকার..তিনি
বলেন
যে জাতিসংঘ গাজাবাসীদের খাবার দিতে পারেনা, তাদের আমাদের ক্ষতি হওয়া স্থাপনাগুলা দেখার প্রয়োজন নেই।
01/07/2026
ট্রাম্প বলেছেন; "আমি আদেশ দিলে ১৫ মিনিটের মধ্যে ইরানের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।"
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি বলেছেন:ইরান কারো হু*ম*কি কে ভ*য় পায় না। "ইরানের অস্তিত্ব ৩,০০০ বছরেরও বেশি। এটি আপনাদের ৪৭ বছরের নিষেধাজ্ঞা সহ্য করেছে, অথচ আপনারা ভাবছেন ১৫ মিনিটে আমাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারবেন। আপনাদের নোং*রা মুখ বন্ধ করুন।"
ইরান এমন এক বীরের জাতি যারা মৃ*** ত্যুর জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকে,,তাদেরকে ভ*য় দেখিয়ে কখনোই ট্রাম্প প্রশাসন দমাতে পারবে না। তাদের সাথে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা আছে। দিনশেষে জয় মুসলিম বিশ্বেরই হবে। ইনশাআল্লাহ ??
29/06/2026
গত রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান হামলায় আফগানিস্তানে অন্তত ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ১৬০-এর বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে আফগান কর্তৃপক্ষ সোমবার জানিয়েছে।
আফগান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানান, পাকিস্তানি বাহিনী পাকতিয়া প্রদেশের চমকনি জেলায় একটি বাড়িতে হামলা চালায়। এই হামলায় একজন বৃদ্ধ ও একটি শিশু নিহত হয় এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আহত হন।ফিতরাত আরও বলেন, আহতদের উদ্ধারে এলাকায় জড়ো হওয়া বাসিন্দাদের ওপর দ্বিতীয়বার হামলা চালানো হয়। এই হামলায় ২৮ জন গ্রামবাসী নিহত এবং ১৫৮ জন আহত হন।
একই রাতে পাকতিকা প্রদেশের গিয়ান জেলায় একটি গ্রামে আরেকটি বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এতে ছয়জন নিহত হন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু বলে জানা গেছে।
কুনার প্রদেশে একটি বেসামরিক বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে, এই হামলায় কোনো মানুষ হতাহত না হলেও প্রায় ৩০টি গবাদিপশু মারা গেছে বলে জানান ফিতারাত।
28/06/2026
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য ।
ই'রানের মুহুর্মুহু হা'মলায় নিজেদের ঘাঁটি ছেড়ে পা'লিয়েছিল মার্কিন সেনারা।
27/06/2026
ভেনেজুয়েলার ট্রাজেডি...অসহায় বাবার
আকুতি...😥
আপডেট 🔺
হরমুজজান প্রদেশে, সিরিক ও বন্দর আব্বাসে
যুক্তরাষ্ট্র ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। এদিকে লেবাননে পরিস্থিতি ভয়াবহ। ইজ-রায়েলের প্রত্যাশা অনুযায়ী লেবাননে গৃহযুদ্ধ আসন্ন।
25/06/2026
বিশ্বের অন্যতম সেরা গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ তাদের স্যাটেলাইট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সর্বাধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার করেও দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে তাঁর লোকেশন ট্রেস করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। মাত্র ৩৬৫ বর্গকিলোমিটারের গাজা উপত্যকা - যা আয়তনে ঢাকা শহরের চেয়েও ছোট - তেমন একটি উন্মুক্ত কারাগারের মতো ছোট জায়গায় চারপাশ থেকে ইসরাইলি গোয়েন্দাজালে ঘেরা থাকা সত্ত্বেও তিনি দশকের পর দশক সফলভাবে লুকিয়ে ছিলেন।
শত্রুপক্ষের গোয়েন্দা ড্রোন আর নিখুত ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা হয়ে অন্তত সাত থেকে আটবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। প্রতিবারই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরলেও শরীরজুড়ে রয়ে গেছে সেই আক্রমণের নির্মম ক্ষত। ধারাবাহিক এসব হামলায় তিনি হারিয়েছেন তাঁর একটি চোখ, একটি হাত এবং দুটি পা। মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর থেকে স্থায়ীভাবে তাঁর ঠিকানা হয়েছে একটি হুইলচেয়ার।
এই চোখ ধাঁধানো গোয়েন্দা জাল ফাঁকি দেওয়ার মূল কারণ ছিল তাঁর চরম প্রযুক্তি-বিমুখতা। তিনি কোনো মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস স্পর্শ পর্যন্ত করতেন না; এমনকি তাঁর বার্তাগুলো আদান-প্রদান হতো নির্ভরযোগ্য বার্তাবাহকদের মাধ্যমে লিখিত কাগজে। কিন্তু শারীরিক এই চরম প্রতিবন্ধকতা আর কঠোর গোপনীয়তাও তাঁর ভেতরের সমরনায়ককে দমাতে পারেনি। চাকাযুক্ত চেয়ারে বসেই তিনি বুনেছেন এমন এক নিখুঁত সামরিক চাল, যা আধুনিক যুদ্ধের ইতিহাসে চিরকাল এক বিস্ময় হয়ে থাকবে।
এই পক্ষাঘাতগ্রস্ত মানুষটিই ছিলেন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের সেই নজিরবিহীন ও বিধ্বংসী সামরিক অভিযানের মূল মাস্টারমাইন্ড। ইসরাইলের অপরাজেয় হওয়ার অহংকারকে একঝটকায় গুঁড়িয়ে দেওয়া সেই হামলার মূল নকশা তৈরি হয়েছিল তাঁরই মস্তিষ্কে। গাজার মাটির নিচে মাইলের পর মাইল বিস্তৃত যে জটিল ও রহস্যময় ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নেটওয়ার্ক বা টানেল সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছে, তার প্রধান স্থপতিও তিনি। এই সুড়ঙ্গগুলোকেই তিনি বানিয়েছিলেন তাঁর অদৃশ্য সামরিক সদরদপ্তর।
৭ অক্টোবরের সেই ভোরে আকাশ, স্থল এবং সমুদ্রপথ - তিন দিক থেকে সীমান্ত প্রাচীর ভেদ করে হামাস যোদ্ধারা ইসরাইলে একযোগে যে অভাবনীয় হামলা চালায়, তার পেছনে কাজ করছিল তারই তৈরি করা নিখুত যুদ্ধকৌশল। একই সাথে হাজার হাজার রকেটের বৃষ্টি এবং প্যারাগ্লাইডারের ব্যবহার শত্রুদের আকাশ প্রতিরক্ষা ও গোয়েন্দা ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ স্তব্ধ করে দিয়েছিল। সেদিন সকালে তাঁর একটি রেকর্ডকৃত অডিও বার্তার মাধ্যমেই এই ‘আল-আকসা তুফান’ অভিযানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
দখলদারদের বিরুদ্ধে এই বিশাল সামরিক সক্ষমতা ও আধুনিক যুদ্ধের রসদ জোগাড়ের পেছনে ছিল তার সুদূরপ্রসারী ভূ-রাজনৈতিক যোগাযোগ। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং দেশটির কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানির সাথে তার ছিল সরাসরি কৌশলগত সখ্যতা ও গভীর সম্পর্ক। সোলেইমানির নিবিড় সমন্বয় এবং ইরান থেকে আসা উন্নত রকেট ও ড্রোন প্রযুক্তির সহায়তায় তিনি কাসসাম ব্রিগেডকে একটি সাধারণ গেরিলা দল থেকে এক সুশৃঙ্খল আধা-সামরিক বাহিনীতে রূপান্তর করতে সক্ষম হন।
অথচ ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় এই চরিত্রের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি খুবই সাধারণ। ১৯৬৫ সালে গাজার খান ইউনিস শরণার্থী শিবিরে জন্ম নেওয়া এই মানুষের আসল নাম মোহাম্মদ দিয়াব ইব্রাহিম আল-মাসরি। তবে গোয়েন্দাদের নজর এড়াতে তিনি কখনো এক স্থানে দীর্ঘ সময় থাকতেন না, প্রতিনিয়ত মানুষের বাড়িতে অতিথি হয়ে অবস্থান পরিবর্তন করার কারণে তাঁর নাম হয়ে যায় ‘দেইফ’ (যার অর্থ অতিথি)। গত ৩০ বছরে মাত্র কয়েকটি অস্পষ্ট ছবি ও অডিও বার্তা ছাড়া পৃথিবীর মানুষ তাঁর অবয়ব কেমন, তা কখনোই জানতে পারেনি।
মোহাম্মদ দেইফের এই অধরা জীবনের সর্বশেষ অধ্যায়টি ঘিরেও রয়েছে এক বিশাল মৃত্যু বিতর্ক। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে গাজার একটি এলাকায় প্রলয়ংকরী বিমান হামলা চালিয়ে ইসরাইল দাবি করে যে, তাদের সবচেয়ে বড় এই শত্রু নিহত হয়েছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাঁর সংগঠন আনুষ্ঠানিকভাবে এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত বা স্বীকার করেনি। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের রণকৌশলের অংশ হিসেবেই শীর্ষ সেনাপতির চূড়ান্ত পরিণতি আজও এক গভীর ধোঁয়াশায় ঢাকা।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Sunamganj
Derai
3002
