Beauty Care

Beauty Care

Share

Our Mission & Vision is to provide excellent blog ..I suggest altime Be beautiful and bright

03/11/2024

কী দিলে চুল লম্বা হয়?

বর্তমান সময়ে চুল লম্বা করার জন্য বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে। বিশেষ করে, রাসায়নিক-ভিত্তিক পণ্য ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে এক মাসে চুল লম্বা করার উপায় আপনার চুলের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে।

এখানে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান এবং পদ্ধতি রয়েছে যা কিনা আপনার মাথার ছোট চুল এক মাসের মধ্যে লম্বা করতে সাহায্য করতে পারে।

প্রাকৃতিক পদ্ধতে এক মাসে চুল লম্বা করার সহজ উপায়

১. অ্যালোভেরা ব্যবহার

অ্যালোভেরা চুলের গ্রোথ বাড়াতে খুব কার্যকর। এটি স্কাল্পকে ময়েশ্চারাইজ করে এবং চুলের গোঁড়া শক্তিশালী করে।

ব্যবহার পদ্ধতি:একটি তাজা অ্যালোভেরা জেল কেটে এর জেল বের করে নিন।জেলটি স্কাল্প এবং চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ২-৩ বার এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে দ্রুত ফল পাওয়া যাবে।

২. নারকেল তেল ও পেঁয়াজের রস

নারকেল তেল ও পেঁয়াজের রসে রয়েছে সালফার, যা চুলের গ্রোথ বৃদ্ধিতে সহায়ক। এই মিশ্রণ চুলের গোঁড়া মজবুত করে এবং চুল পড়া রোধ করে।

ব্যবহার পদ্ধতি:এক চামচ পেঁয়াজের রসের সাথে দুই চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে নিন।স্কাল্পে ভালো করে মিশ্রণটি ম্যাসাজ করুন এবং ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করুন।

৩. আমলকি ও মেথির প্যাক

আমলকি ও মেথি প্রাকৃতিকভাবে চুলের গ্রোথ বাড়ায় এবং চুল পড়া রোধ করে।

ব্যবহার পদ্ধতি:এক চামচ মেথির বীজ গুঁড়ো এবং এক চামচ আমলকি গুঁড়ো মিশিয়ে নিন।এর সাথে পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন।পেস্টটি চুলে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট রেখে দিন, তারপর ধুয়ে ফেলুন।সপ্তাহে ১-২ বার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

06/05/2021

ত্বক থেকে চুলের যত্নে কাজে লাগান ভাতের মাড়! জেনে নিন পদ্ধতি

ভাতের মাড় স্নানের জলে মিশিয়ে দিনে অন্তত ২ বার স্নান করতে পারলে ত্বকের অস্বস্তিকর জ্বালা ভাব, চুলকানি, র‍্যাশ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
নিজস্ব প্রতিবেদন: বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফেলা যায় ভাতের মাড়। ভাত ঝরঝরে করতে ভাল ভাবে ভাতের মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। ঝরঝরে ভাতের চেয়েও শরীর ঝরঝরে রাখতে সময় নিয়ে মাড় ঝরিয়ে নেন অনেকেই। কারণ, ভাতে মাড় বসে গেলে তা খাওয়ার পর যেমন পেট, শরীর ভার হয়ে যায়, তেমনই নিয়মিত মাড় বসা ভাত খেতে দ্রুত মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ও থাকে। তবে ভাতের মাড় ভাল করে ঝরিয়ে ফেলে না দিয়ে সেটিকে কাজে লাগাতে পারেন নানা উপায়ে। ত্বক থেকে চুলের যত্নে কাজে লাগিয়ে দেখুন ভাতের মাড়। ফল মিলবে ম্যাজিকের মতো। আসুন জেনে নেওয়া যাক দৈনন্দিনের নানা কাজে ভাতের মাড়ের আশ্চর্য সব ব্যবহার...

১) ভাতের মাড় স্নানের জলে মিশিয়ে দিনে অন্তত ২ বার স্নান করতে পারলে ত্বকের অস্বস্তিকর জ্বালা ভাব, চুলকানি, র‍্যাশ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

২) ব্রণর সমস্যা কি কিছুতেই কমছে না? মাতের মাড় ঠান্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। দিনে অন্তত ২-৩ বার এই ভাবে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে ব্রণ-ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।

৩) মাতের মাড় ঠান্ডা করে তুলো দিয়ে মুখের ও হাত-পায়ের রোদে পোড়া অংশে নিয়মিত মাখতে পারলে বাড়বে ত্বকের জেল্লা। এই পদ্ধতিতে ত্বকের যত্ন নিতে পারলে ত্বক থাকবে সতেজ, বহজায় থাকবে ত্বকের আর্দ্রতা। এ ছাড়াও ত্বকের হাইপার পিগমেন্টেশন আর ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী!

৪) ভাতের মাড়ে জল মিশিয়ে খানিকটা পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে ভাতের মাড় দিয়ে মিনিট তিনেক রেখে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যার মোকাবিলায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এ ছাড়া চুল গোড়া থেকে মজবুত করতে আর চকচকে করতে সাহায্য করে এই পদ্ধতি।

এ ছাড়াও শরীরের অপুষ্টিজনিত সমস্যার মোকাবিলায় ভাতের মাড় খুবই উপকারী।

19/04/2021

হাতে সময় কম? জেনে নিন ত্বক পরিচর্যার চটজলদি উপায়

*অফিস ফেরতা সময় বার করে ত্বকের যত্ন নিন একটু। পরের পার্টিতে আপনিই হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু।

*নাকে মুখে গুঁজে কোনওরকমে কাজে বেরিয়ে যান, ফিরে এসে সংসারের কাজ সামলে নিজের জন্য সময় পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। সপ্তাহে ফাঁক ফোকর খুঁজে পেতে বার করে পার্লার যাবেন, সেই সুযোগও হবে না। আবার উইক এন্ড পার্টি তে প্রাক্তন সহকর্মীর সঙ্গে দেখা, ইশ! কী সুন্দর মেনটেইন করছে নিজেকে। আহা! নিজের মনে গজগজ করবেন না। শুধু আপনার জীবনটাই কিন্তু ফাস্ট ফরোয়ার্ডে চলছে না। বাকিদের সব্বার এক অবস্থা। এর মধ্যেই অফিস ফেরতা সময় বার করে ত্বকের যত্ন নিন একটু। পরের পার্টিতে আপনিই হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু।

দিনের শেষে কী ভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন জেনে নিন-
১। ক্লিনজিং
বাড়ি ফিরেই ফেস ওয়াশ নয়, কাঁচা দুধ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। এতে ত্বকের ধুলোময়লা যেমন পরিষ্কার হয়, তেমনই সারা দিনের ট্যানও সহজে দূর হয়।

আরও পড়ুন, ঘন ঘন চুল রং করেন? কী বিপদ ডেকে আনছেন জানুন

২। স্ক্রাবিং
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য স্ক্রাবিং করা খুবই দরকার। স্ক্রাবিং এর জন্য লাগবে ২ চামচ চালের গুঁড়ো, হাফ চামচ কফি পাউডার, ১ চামচ মধু দিয়ে স্ক্রাবারটি বানিয়ে নিন। মুখে স্ক্রাবারটি লাগানোর পরে ৭-১০ মিনিট ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এর পরে নরম কাপড় দিয়ে মুখটি মুছে নিন।

৩। প্যাক
স্ক্রাবিং-এর পরে মুখে প্যাক তো লাগাতেই হবে। প্যাকের জন্য ব্যবহার করতে পারেন মুলতানি মাটি, গোলাপ জল, পাকা পেঁপে, ১-২ চামচ কমলালেবুর রস। এই উপকরণগুলি মিশিয়ে নিয়ে চটপট বানিয়ে ফেলুন প্যাকটি। ১০-১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে নরম কাপড় দিয়ে মুছে নিন। অফিস থেকে ফিরে এসে নিয়মিত একটু নিজের যত্ন নিয়েই দেখুন, দেখবেন ভোল পালটে গিয়েছে পুরো।

27/01/2021

মেদ ঝরাতে জলখাবার নিয়ম মতে!

কথাতেই আছে, জলখাবার হোক রাজার মতো!
কিন্তু রাজার মতো খাবারগুলো আসলে কীই, তা নিয়েই চিন্তায় কপাল ভাঁজ ফেলে দিই আমরা। রাজার মতো মানে কিন্তু ৩৬রকম পদ-সহযোগে প্রাতরাশ সারা নয়! রাজার মতো মানে, সাতসকালে পুষ্টিকর-সুষম খাবারে পেট ভরানো। এই খাবারই সারাদিনের কাজকর্মের জন্য শক্তি জোগাবে শরীরে। ভরা থাকবে পেট, ফুরফুরে থাকবে মন!তা হলে বুঝতেই পারছেন, জলখাবার ঠিক কতটা জরুরি আট-আশি সক্কলের জন্য! জরুরি তো মানলাম, কিন্তু জানেন কি, জলখাবার খাওয়ারও কিছু নিয়ম-কানুন আছে। আর এই নিয়ম মেনে জলখাবার খাওয়ার অভ্যাস নানা ভাবে কাজে আসতে পারে আপনার ও আপনার পরিবারের। আপনি যদি নতুন মা হন, এবং বাড়তি মেদ নিয়ে বাড়তি চিন্তায় উদ্বিগ্ন থাকেন, তবে ঠিকঠাক ভাবে জলখাবার খাওয়ার অভ্যাসই চটজলদি মেদ ঝরানোর উদ্যোগে আপনার সাহায্য করতে পারে! নীচে রইল সেইর কমই সহজ ৫টি নিয়মের হদিস।

মেদ ঝরাতে জলখাবার নিয়ম মতে!
#1. খাদ্যপিরামিড মেনে চলুন (Do your best not to skip breakfast)
সকালের প্রথম খাওয়াটাই হতে হবে সবচেয়ে ভারী। তাই তা বাদ দেওয়া বা ছোটখাটো খাবারে পেট ভরানোর অভ্যাস আগে ছাড়ুন। সারারাত খালি পেটের পর ব্রেকফাস্ট বাদ গেলেও হু হু করে মেদ বাড়ে।

মেদ ঝরাতে জলখাবার নিয়ম মতে!
#2. ব্রেকফাস্টে চা-কফি নয় (Avoid tea-coffee)
এতে ক্যাফিনে আসক্তি বাড়ে। তার চেয়ে ব্রেকফাস্টের তালিকায় গোটা ফল রাখুন। ফলের রস খেলে, তা যেন প্যাকেটজাত না হয়। বাড়িতেই রস বানিয়ে তা সঙ্গে সঙ্গে খান। ও হ্যাঁ, চিনি মেশাতে যাবেন না যেন!

মেদ ঝরাতে জলখাবার নিয়ম মতে!
#3. তালিকায় রাখুন দানাশস্য (Start your day with whole grains)
ওটস, মিলেট, মুসলি ইত্যাদি রাখুন মূল খাবার হিসাবে। স্বাদ বদলাতে ইডলি হতে পারে ভালো বিকল্প। ইডলির গ্লাইসেমিক রেট কম হওয়ায় তা তাড়াতাড়ি ফ্যাটকে এনার্জিতে পরিণত করে ফেলতে পারে।

মেদ ঝরাতে জলখাবার নিয়ম মতে!
#4. ওমলেট বা পোচ নয় (Have boiled eggs)
সঙ্গে রাখুন সেদ্ধ ডিম, এতে তেল এড়ানো সম্ভব হবে। মাঝে মাঝে পোচ খেতে ইচ্ছে করলে তা একেবারে নামমাত্র তেলে বানান। আর হ্যাঁ, কুসুম ফেলে দেবেন না যেন। গোটা ডিমই পাতে রাখুন নির্দ্ধিধায়!

মেদ ঝরাতে জলখাবার নিয়ম মতে!
#5. এক জায়গায় বসে খান (Sit down)
হাজারটা কাজের মাঝে জলখাবারটা সারি আমরা। নাকে-মুখে গুঁজেই চলতে থাকে মেটাতে থাকি দায়-দায়িত্ব। এই প্র্যাকটিস বন্ধ হোক আজই। এক জায়গায় বসে জলখাবার খান, শরীর-মনকে একটু বিরাম দিন।

এর পরে পড়ুন...
প্রসবের পর মেদ ঝরানোর ৬ টোটকা প্রসবের পর মেদ ঝরানোর ৬ টোটকা
সহজ উপায় মেদ ঝরিয়ে সুস্থ থাকুন সহজ উপায় মেদ ঝরিয়ে সুস্থ থাকুন
দ্বিতীয়বার গরম করে খাবেন না যে ৭ খাবার! দ্বিতীয়বার গরম করে খাবেন না যে ৭ খাবার!
বাড়ন্ত বাচ্চার ওজন বাড়াতে সহজ-সুস্বাদু রেসিপি বাড়ন্ত বাচ্চার ওজন বাড়াতে সহজ-সুস্বাদু রেসিপি

03/12/2020

শীতকালে ত্বকের যত্ন নেওয়ার টিপস :
শীতকালের দারুন আমেজে নিজের ত্বক সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার. কারণ এইসময়ে বাতাস এর শুষ্কতা, আদ্রতার পরিবর্তন ও ঠান্ডা বাতাস আপনার ত্বক থেকে প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ছিনিয়ে দেয়, এটি শুষ্কতা এবং চুলকানি তৈরী করে। এটি মারাত্মক শুষ্ক ত্বক, একজিমা এবং সোরিয়াসিসের কারণ হতে পারে।

শীতের মরসুমে ত্বকের যত্ন নেওয়ার কয়েকটি দরকারি টিপস রইলো এখানে,

1.গরম শাওয়ার এড়িয়ে চলুন
2.হাইড্রেটেড থাকুন
3.জলপান করুন বেশি করে
4.ত্বকের যত্নের প্রসাধনীগুলি বুদ্ধিমানের মতো ব্যবহার করুন
5.আপনার ত্বককে রক্ষা করুন

শীতকালে স্কিন ভালো রাখতে যা করবেন
:১) গরম শাওয়ার এড়িয়ে চলুন
শীতকালে গরম জলে স্নান করা খুব লোভনীয় তবে গরম জল আর্দ্রতা শুষ্ক করে তোলে, পরিবর্তে হালকা গরম জল ব্যবহার করে। স্নানের পরপরই মৃদু ময়েশ্চারাইজার লাগান, কারণ স্যাঁতসেঁতে ত্বকে আদ্রতার আক্রমণ সর্বাধিক হয় ।

২) হাইড্রেটেড থাকুন
শীতকালে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ শীতকালে বায়ু অনেক শুষ্ক থাকে যা শরীরের সমস্ত আর্দ্রতা বাষ্পীভূত করতে পারে। আপনার ত্বককে হাইড্রেটেড রাখার সর্বোত্তম উপায় হ’ল স্টিম নেওয়া। ত্বকের ছিদ্রগুলি খোলার জন্য এবং ত্বককে শ্বাস নিতে দিতে, ফেস স্টিমিং করা হয়, যা রক্ত ​​সঞ্চালন বাড়ায় ব্রণ হ্রাস করে এবং পিম্পলস কালো এবং সাদা মাথা আলগা করে।

How to Steam your Face | কি করে ফেস স্টিম করবেন ?

৩) জল পান করুন বেশি করে
বেশি করে জল খান এইসময়. জল খাওয়ার প্রবণতা কমে যাই এইসময় এ আবহাওয়ার আদ্রতার জন্যে. তাই চেষ্টা করুন নিয়মিত জল পান করার.

৪) ত্বকের যত্নের প্রসাধনীগুলি বুদ্ধিমানের মতো ব্যবহার করুন
গ্রীষ্মে আপনার ত্বককে যা ভালো রাখে, তা শীতকালে এটিকে দু:খিত করে তুলতে পারে তাই আপনার ত্বককে সুখী ও স্বাস্থ্যকর করার মূল চাবিকাঠি হলো, আপনার ত্বকের যত্নের পণ্যগুলি বুদ্ধিমত্তার সাথে ব্যবহার।

কৃত্রিম ত্বকের যত্নের পণ্যগুলির পরিবর্তে আপনি এটিকে প্রাকৃতিক পণ্যগুলির সাথে বদলে নিতে পারেন , যেমন বাদামের তেলের সাথে অ্যালোভেরা জেল প্রয়োগ করা।

তেল লাগান শীতকালে ত্বককে রাখা করার জন্যে
অ্যালোভেরা এবং বাদাম তেলের সংমিশ্রণ হ’ল একটি দুর্দান্ত ময়েশ্চারাইজার, যা ত্বককে নরম করে, আলোকিত করে দেয় অন্ধকার বৃত্ত ( Dark Circles ) এবং দাগকে হ্রাস করে। শীতে স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক দুধের ক্রিম ব্যবহার ও মালাইয়ের স্যাচুরেটেড ফ্যাটকে সুন্দর, ত্রূটিবিহীন কোমল ত্বকের সেরা প্রতিকার হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

আপনার ত্বককে শুষ্ক করে তুলতে পারে এমন মুখোশ এবং খোসা, তুষারযুক্ত লোশন ( astringent lotions ) বা অন্য কোনও ত্বকের যত্নের পণ্যগুলি এড়ানো যাতে এ্যালকোহল থাকে।

ঘরের তৈরি মাখন হ’ল আপনার ত্বককে ঠিক রাখার জন্য আরও একটি স্বাস্থ্যকর উপায়।

৫) আপনার ত্বককে রক্ষা করুন
উষ্ণ ইউভি রশ্মিগুলি আপনার ত্বককে অনেকাংশে ক্ষতি করতে পারে, তাই শুষ্ক ঠান্ডা বাতাস থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করার জন্য গ্লাভস, গগলস, ক্যাপ পরুন। সানস্ক্রিন লোশন প্রয়োগ করুন। আপনি নারকেল তেল, ভিটামিন ই তেল ব্যবহার করতে পারেন যা বিশেষত শীতকালে স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য সেরা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন সরবরাহ করে ।

৬) বেশি চুলকে ত্বকের চাল উঠাবেন না
শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ত্বক রুক্ষ হয়ে যাওয়াটা শীতকালে স্বাভাবিক, যা অনেকসময় আমাদের চুলকাতে বা স্ক্র্যাব করতে বাধ্য করে. এটি কিন্তু বেশি করবেন না, রুক্ষতার কারণে আপনার ত্বক উঠে গিয়ে ড্যামেজ হবার সম্ভাবনা থাকে.

ভালো থাকুন, সুখী থাকুন. আবার পোস্ট টি ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না.

BEAUTY CARE

17/11/2020

আসছে শীত, ফাটছে ঠোঁট!

শীত এখনও পুরোপুরি পড়েনি। তবে টানটান হতে শুরু করেছে ত্বক। ঠোঁটেও লাগতে শুরু করেছে রুক্ষতার ছোঁয়া। শীতে ঠোঁট ফাটার সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে এ সময় ঠোঁটের খানিকটা বাড়তি যত্ন নেওয়া ভীষণ প্রয়োজন।

ঠোঁটে যেন মরা চামড়া না জমে সেজন্য নিয়মিত স্ক্রাবিংয়ের প্রয়োজন। এক্সফোলিয়েশনের উপকারিতার সাথে আমরা সবাই পরিচিত। এটি মৃত এবং নিস্তেজ ত্বক অপসারণ করে এবং ত্বক চাঙা করে। মৃত ও শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তি দেয় এবং ঠোঁটকে নরম করে তোলে স্ক্রাবিং।

ঠোঁটের মরা চামড়া দূর করা প্রয়োজন কেন?

1. ঠোঁটকে হাইড্রেটেড রাখে।
2. লিপস্টিকটিকে আরও দীর্ঘ সময় ধরে রাখে।
3. এটি শুষ্ক ঠোঁট ঠিক করে।

কীভাবে স্ক্রাবিং করবেন ঠোঁট:

1. ঠোঁট থেকে আগের মেকআপ সরিয়ে ফেলুন এবং আলতো করে ধুয়ে ফেলুন।
2. ১ চা চামচ চিনির সঙ্গে ২ চা চামচ চিনি মিশিয়ে অল্প পরিমাণে নিয়ে তা ঠোঁটের
উপরে লাগান। অলিভ অয়েলের সঙ্গে চিনি মিসিয়েও বানাতে পারেন লিপ স্ক্রাব।

3. প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে আস্তে আস্তে ঠোঁটে স্ক্রাব করুন।
4. স্ক্রাবিং হয়ে গেলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে স্ক্রাবটি মুছে ফেলুন এবং ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন।
5. শেষে ঠোঁটে লিপ বাম লাগান।

**********Beauty care **********

29/10/2020

new mission

29/10/2020

শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্ন নিন ঘরোয়া উপায়ে, দেখুন কী করবেন

শীত মানেই রুক্ষ, শুষ্ক ত্বক। আমরা প্রত্যেকেই অনুভব করতে পারি যে, আমাদের মুখ এবং গালের চারপাশে টান ধরছে, হাত ও পায়ের চামড়ায় টান পড়ছে। এর মানে ত্বক শুষ্ক হয়ে গেছে এবং অতিরিক্ত যত্নের প্রয়োজন। এই সময় শুধুমাত্র ময়শ্চরাইজার প্রয়োগ করে ত্বককে হাইড্রেট বা কোমল করে তোলা সহজ নয়। ময়শ্চরাইজার কয়েক ঘণ্টা ত্বককে নরম রাখে। বিশেষত, যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের ক্ষেত্রে শীতে ত্বক সফ্ট রাখা খুবই কঠিন হয়ে ওঠে।তাই, ত্বককে নরম এবং উজ্জ্বল করতে আপনি এই পদ্ধতিগুলি প্রয়োগ করতে পারেন। তাহলে আসুন জেনে নিন কীভাবে শুষ্ক ত্বককে মোলায়েম করে তুলবেন।

অ্যাভোকাডো :

ত্বকের যত্নে অ্যাভোকাডো অত্যন্ত উপকারি। অ্যাভোকাডো ত্বকের শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বক কোমল হয়ে ওঠে৷ তবে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগালে আরও ভালো ফল পাবেন৷

গ্লিসারিন:

শুষ্ক ত্বকের জন্য গ্লিসারিন খুবই উপকারি। শুষ্ক ত্বকে গ্লিসারিন ব্যবহারের ফলে ত্বক খুব তাড়াতাড়ি কোমল হয়ে যায়। গ্লিসারিন ন্যাচারাল প্রোডাক্ট, যা ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে।

দুধ বা দই:

রুক্ষ-শুষ্ক ত্বকে অনেক সময় জ্বালা বা চুলকানির মতো সমস্যা হয়৷ এক্ষেত্রে ঠান্ডা দই বা দুধে নরম কাপড় বা তুলো ভিজিয়ে ত্বকে পাঁচ মিনিট লাগিয়ে রাখুন৷ এতে করে ত্বকের জ্বালাভাব দূর হবে৷ এছাড়া, স্নানের আগে কাঁচা দুধের সঙ্গে মধু মিশিয়েও সর্বাঙ্গে লাগাতে পারেন৷ শুকিয়ে গেলে স্নান করে নিন৷

পাকা কলা ও মধু:

ত্বককে রুক্ষ-শুষ্ক হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে, একটা পাকা কলার সঙ্গে পরিমাণমতো মধু দিয়ে একসঙ্গে ব্লেন্ড করে নিন৷ এরপর এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। তারপর ময়েশ্চরাইজার লাগান৷ এটি নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ত্বক সফ্ট হবে৷

Thanks

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka-1216?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhaka-1216