Herbals World
কষা,IBS,এলারজি,এজমা, ঠান্ডা, সাইনাস,হ্যদ?
🌿অশ্বগন্ধা,শিমুল,তেতুল বীজ,শতমুল,আলকুশি।
এই ৫ টিকে পঞ্চ ভূত বলা হয়।
🍃অশ্বগন্ধা,শিমুল,তেতুল বীজ,শতমুল,আলকুশি,তালমূল বীর্যমনি. এই ৭ টিকে সপ্তভূত বলা হয়।
✅পঞ্চভূত= ছেলেদের যৌ'ন সমস্যা দূর করে।
যাদের স'ম'স্যা নেই তারাও শরীর সুস্থ রাখার জন্য খেতে পারবেন।
#অশ্বগন্ধা চূর্ণ-
অশ্বগন্ধা একটি ঔষধি ভেষজ/হার্বস যা সাধারন দূর্বলতা, যৌ'ন দুর্বলতা, মানসিক দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, শিশু অপুষ্টি, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, পীড়ন, কোষকলার ঘাটতি, স্নায়বিক অবসাদ, গ্রন্থিস্ফীতি, অনিদ্রা, দুগ্ধস্বল্পতা, শু'ক্রস্বল্পতায় কার্যকর ।
#শিমুল মূল চূর্ণ-
শিমুল মূলের পাউডার একটি ঔষধি ভেষজ/হার্বস যা যৌ'নশক্তি বর্ধক, বী'র্যসৃষ্টি কারক, দেহ মোটা ও তাজা করে, যৌবন ধরে রাখে । দ্রত বী'র্যপাত রোধ করে, মহিলাদের শ্বেতপ্রদর, রক্তপ্রদর, অতিরিক্ত ঋতুস্রাব, পাতলা পায়খানা, আমাশয়, শু'ক্রতারল্য, স্নায়বিক দূর্বলতা এবং দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে অত্যান্ত উপকারী।
#শতমূল চূর্ণ-
শতমূল ( Asparagus) এমন একটি ভেষজ/হার্বস যা সাধারন বলকারক, যৌ'ন শক্তি বর্ধক, শু'ক্র গাঢ় কারক, শু'ক্র সৃষ্টি কারক, পুষ্টি কারক এবং দুগ্ধ বর্ধক । শু'ক্র মেহ, স্নায়বিক দূর্বলতা, মূত্র কৃচ্ছতা, মানসিক দুর্বলতা এবং যৌ'ন দুর্বলতায় বিশেষ উপকারী ।
# আলকুশি পাউডারের উপকারিতাঃ ➡আলকুশীর প্রধান ব্যবহার বাজীকর ঔষধ হিসেবে । যা অতিমাত্রায় শুক্র সৃষ্টি করে অথবা অশ্বের মত রমণে প্রবৃত্ত করে। ➡আলকুশির বীজ চিনি ও দুধসহ সেদ্ধ করে খেলে বাত রোগের উপশম হয়, শারীরিক দুর্বলতা দূর হয়, শু'ক্র বৃদ্ধি গাঢ় হয় এবং স্নায়বিক দুর্বলতা দূর করে।
#তেতুল বীজ চূর্ণ-
তেঁতুল বীজ বলকারক, শরীরের দূর্বলতা দূর করে, দ্রুত বী'র্যপাত রোধ করে ও যৌ'নশক্তি বৃদ্ধি করে, বী'র্যের উৎপাদন, শু'ক্রের উৎপাদন বৃদ্ধি করে এবং অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ বন্ধ করে। মহিলাদের জরায়ুর শক্তিবর্ধন করে ।
#খাওয়ার নিয়ম-সকালে ও রাতে ২/৩ চামচ সব গুলোর মিশ্রিত পাউডার দুধ দিয়ে খাবেন অথবা হাফ গ্লাস পানি সাথে ২/৩ চামচ মধু মিক্সড করে খাবেন।
#এগুলো খাওয়ার আরেকটি নিয়ম আছে সেটা হলো রাতে এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে খান
14/08/2021
গোক্ষুর / Tribulus terrestris
💪Muscles /পেশীর বৃদ্ধিতে গোক্ষুর।
💪শারিরীক গঠন উন্নত করতে গোক্ষুর।
🍀 এটি বলকারক, কামোদ্দীপক।
মহিলাদের কা *মো*ত্তে*জনা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।
🍀রক্ত সংবহন তন্ত্র গুলো প্রশস্ত করে যৌনাঙ্গে এবং হৃদপিণ্ডে রক্তসঞ্চাল বৃদ্ধি।
🍀একজিমা, চুলকানি দুর করে।
🍀বিশেষ করে শরিরের ম্যাসল বৃদ্ধি
এবং মহিলাদের কা*মো*ত্তে*জনা বৃদ্ধির
জন্য গোক্ষুরা ঐতিহ্যগত ভাবে পরিচিত একটি ভেষজ।
👉👉গোক্ষুর সম্পর্কে বিশদভাবে জানতে নিচের লেখাটি পড়ুন।
গোক্ষুরা একটি শক্তিশালী ঔষধি ভেষজ এবং বিভিন্ন চিকিৎসাতে একে ব্যবহার করা হয়েছে। এই উদ্ভিদের ফল এবং শিকড় ভারতীয় আয়ুর্বেদে এবং চিন দেশের প্রথাগত চিকিৎসাতে ব্যবহার করা হয়েছে। গোক্ষুরার ফলের মূত্রবর্ধক, কামোদ্দীপক এবং প্রদাহ-বিরোধী গুণ আছে। এই উদ্ভিদের শিকড় ব্যবহৃত হয় হাঁপানি, কাশি, রক্তাল্পতা এবং দেহের অভ্যন্তরের প্রদাহের চিকিৎসার জন্য। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগের চিকিৎসায় এই উদ্ভিদের পোড়া ছাই ব্যবহার করা হয়।
চরক, ভারতীয় চিকিৎসাবিদ্যার জনক, জানিয়েছিলেন যে এই উদ্ভিদটি কামোদ্দীপক, অর্থাৎ যৌন কামনা বৃদ্ধিকারী, মূত্রবর্ধক এবং দেহ থেকে মূত্রের মাধ্যমে টক্সিন বার করে দেয়।
গোক্ষুরার পুষ্টি সংক্রান্ত তথ্য - Gokshura nutrition facts in Bengali
সমগ্র ট্রিবিউলাস প্ল্যান্টের বিভিন্ন অংশে অনেকগুলি রাসায়নিক উপাদান রয়েছে যা নিরাময়কারী এবং পুষ্টিকর হিসাবে মূল্যবান।
এর পাতায় রয়েছে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, লোহা, প্রোটিন, ইত্যাদি যা হারকে শক্ত করে। গোক্ষুরার বীজ চর্বি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ, এবং গোক্ষুরার ফল হল ওলিক অ্যাসিড, স্টিয়ারিক অ্যাসিড এবং গ্লুকোজ সমৃদ্ধ।
ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ হোম সায়েন্স অনুযায়ী গোক্ষুরা চূর্ণতে এই পুষ্টিগুলি বর্তমান:
পুষ্টি মান/100 গ্রাম
শক্তি 73.48 কিলো ক্যালোরি
কার্বোহাইড্রেট 15.9 গ্রাম
প্রোটিন 1.3 গ্রাম
ফ্যাট 0.25 গ্রাম
ফ্ল্যাভোনয়েডস 19.92
ভিটামিন
ভিটামিন সি 14.2 মিলিগ্রাম
খনিজ পদার্থ
ক্যালসিয়াম 59 মিলিগ্রাম
শরীরচর্চা এবং পেশী বৃদ্ধিতে ……
পেশির শক্তি বৃদ্ধি এবং দেহের গঠনের জন্য গোক্ষুরা ব্যবহার করা হয় এবং এটি স্টেরয়েডের একটি প্রাকৃতিক বিকল্প হতে পারে।
মানসিক স্বাস্থ্যের বিশৃঙ্খলায়: গোক্ষুরা তে স্যাপিওনিনস থাকায় এর অবসাদ বিরোধী এবং উদ্বেগ নাশক গুণ আছে। কাজেই অবসাদ এবং উদ্বেগের ব্যবস্থাপনাতে একে ব্যবহার করা যেতে পারে।
হৃদযন্ত্রের জন্য: ……
গোক্ষুরা তে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এর কার্ডিয়ো-প্রোটেকটিভ গুণ আছে। গোক্ষুরা রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল হ্রাস করতে সহায়তা করে, তাই এথেরোস্ক্লেরোসিস এবং হৃদযন্ত্রের অন্যান্য সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে।
বৃক্ক (কিডনি) 'র জন্য: ……
গোক্ষুরা একটি মূত্রবর্ধক। কাজেই শরীর থেকে অতিরিক্ত খনিজ পদার্থ বার করে দিয়ে বৃক্কে পাথর (কিডনি স্টোন) জমা হওয়া প্রতিরোধ করতে পারে। বৃক্কের কর্মক্ষমতাও উন্নত হয়।
মহিলাদের কামোত্তেজনায় ……
মহিলাদের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে গোক্ষুরার বহুবিধ প্রভাব আছে। নিয়মিত সেবন করলে কামজ এবং যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া পিসিওএস (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম) এবং ইউটিআই (ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশান) 'এর বিরুদ্ধেও কাজ করে।
অন্যান্য উপকার:……
ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ব্রণ, একজিমা, চুলকানি এবং ত্বকের অস্বস্তি দূর করে। চুল এবং ত্বকের বয়োবৃদ্ধির চিহ্নগুলি আসতে দেরি করায়। আধকপালে, অর্শ এবং ফিস্টুলা রোগেও উপকার দেয়।
মূত্রনালির সংক্রমণ ও গোক্ষুরা ……
গবেষণা অনুযায়ী মূত্রনালির সংক্রমণের চিকিৎস্যয় গোক্ষুরা সফল ভাবে ব্যবহার করে যেতে পারে এবং এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এর মূত্রবর্ধক গুণ থাকায় গোক্ষুরা প্রস্রাবের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়াগুলিকে প্রস্রাবের সাথে বার করে দিয়ে মূত্রনালির সংক্রমণ কমাতে পারে।
বিশ্বাস করা হয় যে গোক্ষুরার পুনর্জন্ম দেওয়ার মত বৈশিষ্ট্য আছে। গোক্ষুরা খেলে দেহের টক্সিন হ্রাস পায় এবং মূত্রনালির এবং ব্লাডারের সংক্রমণ হ্রাস করে। যেহেতু গোক্ষুরাকে নিরাপদ মনে করা হয়, এটি অ্যান্টি-বায়োটিকের ভাল বিকল্প হতে পারে।
এছাড়াও আপনার প্রয়োজনীয় যেকোনো ভেষজ এর চাহিদা আমাদের জানাতে পারেন।
19/07/2021
18/12/2020
ষ্টেভিয়া
স্রষ্টার অপূর্ব সৃষ্টি ষ্টেভিয়া উদ্ভিদঃ চিনির চেয়েও ৩০০ গুণ মিষ্টি
স্টেভিয়া আলোড়ন সৃষ্টিকারী চিকন পাতার হালকা কচি ডালে সজ্জিত একটি গাছ। দেখতে অনেকটা আমাদের দেশের আলু গাছের মতো। আলু গাছের মতোই এগুলো ১২ থেকে ১৬”ইঞ্চি পর্যন্তÍ লম্বা হয়। গাছগুলোর পাতা, শেকড় থেকে শুরু করে সবকিছু প্রায় একই আকৃতির এবং আলু গাছের মতোই জড়সড় হয়ে একসঙ্গে বেড়ে ওঠে। আলু গাছের মতো হলেও এ গাছের শেখড়ে আলুজাতীয় কিছুই ধরে না। তবে স্টেভিয়া গাছে ফুল ও ফল ধরে। ফলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বীজ থেকে চারাও উৎপাদন করা যায়।
স্টেভিয়া এমন একটি গাছ যাতে রয়েছে ‘স্টিভিডিন’নামক এক ধরণের অ্যালকোহল, যা থেকে স্টেভিয়া সুগার বা চিনি তৈরি উৎপাদিত চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। ফলে চিনি থেকে তৈরি যে কোন খাদ্য দ্রব্য এ স্টেভিয়া সুগারের সূক্ষ্ম অংশ ব্যবহার করেই করা যায়। মাত্র ১ কেজি চিনির স্থলে ৩.৩ গ্রাম স্টেভিয়া চিনি ব্যবহার করাই যথেষ্ট। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে একজন আইসক্রিম উৎপাদনকারী আগে ১০ কেজি চিনি ব্যবহারের স্থলে এখন শুধু ১০ গ্রাম স্টেভিয়ার শুকনো প্রক্রিয়াকৃত সাদা পাতা ব্যবহার করে অনেক বেশি সফল হবেন। এতে চিনির চেয়ে অনেক গুণ খরচ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। আগে যেখানে ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকার চিনি লাগতো, এখন থেকে আমদানীকৃত স্টোভিয়ার পাতা ৫৮০.০০ টাকা কেজি দরে মাত্র ১০ গ্রামের মূল্য প্রায় ০৬.০০ টাকা মাত্র লাগবে।
স্টেভিয়ার আবাসস্থলঃ বহুল আলোচিত এ উদ্ভিদের জন্ম দক্ষিণ আমেরিকার প্যারাগুয়েতে। দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় সব জায়গায় স্টেভিয়া উদ্ভিদ পাওয়া যায়। তবে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, চিলি, ভেনেজুয়েলায় এর ব্যাপক চাষ করা হয়। আমাদের এশিয়া মহাদেশের জাপান ও চীন এর বাণিজ্যিক চাষাবাদ হয়।
সম্ভবতঃ ১৯৯৬ সালে সুদূর ব্রাজিল থেকে স্টেভিয়া বাংলাদেশে আনা হয়। এ ব্যাপারে তৎকালীন ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মফিজুর রহমানের বড় অবদান ছিলো। তিনি স্টেভিয়ার বাণিজ্যিক চাষের চেষ্টা চালান। ১৯৯৮ সালে গবেষণার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের তৎকালীন সভাপতি প্রফেসর একেএম রফিউল ইসলাম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনে স্টেভিয়ার পরীক্ষামূলক চাষাবাদ করা হয়। এরপর ব্র্যাক, কৃষিবিদ গ্রুপসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও অসাধারণ এ উদ্ভিদ নিয়ে ব্যাপকভাবে গবেষণার চেষ্টা করেছে। জানা গেছে- এরই মধ্যে ব্র্যাক এ গাছ থেকে চিনি তৈরি করে তা বাজারজাত করেছে। অনেকেই ইতোমধ্যে শখ করে টবের মাধ্যমে বাড়িতে ও ছাদে এর চাষাবাদ করছেন। এরই মধ্যে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ গাছের চারা কেনার আগ্রহ দেখিয়েছে। বিদেশেও এ গাছ থেকে তৈরি চিনির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন এবং গুণগত মান ভালো হওয়ায় আমাদের দেশসহ বিশ্ববাজারে এ চিনির রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। চীন বিশ্ববাজারের জন্য স্টেভিয়া চিনির রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে প্রতি কেজি ১৫০ ডলার (১২,০০০ টাকা)।
স্টেভিয়া একটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ হলেও ইতোমধ্যেই একে প্রাকৃতিক মিষ্টি বা ন্যাচারেল সুইটেনার হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই গাছের নামটি এসেছে স্প্যানিশ উদ্ভিদবিদ ‘পেদ্রো জাইমি এস্টেভ’- এর নাম থেকে, যিনি প্রথম স্টেভিয়া উদ্ভিদটি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। দক্ষিণ আমেরিকার প্যারাগুয়ের প্রাকৃতিক বিজ্ঞানী এন্টোনিও বারটোনি (Antinio Bertoni) ১৯৬৭ সালে সেখানে প্রথম স্টেভিয়া গাছ আবিষ্কার করেন। গাছটির উৎপত্তিস্থল প্যারাগুয়েতে ১৯৬৪ সালে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চাষ আরম্ভ হয়। তাছাড়া বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যেমন- ব্রাজিল, উরুগুয়ে, আমেরিকা, ইসরাইল, থাইল্যান্ড, জাপান ও চীনসহ বেশকিছু দেশে বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ করা হচ্ছে। ১৯৬০ সাল থেকে জাপানীরা এ ফসলের চাষাবাদ এবং উপকারীতা সম্বন্ধে অবগত আছেন। তারা স্টেভিয়ার সবুজ পাউডার, স্টেভিয়া থেকে আহোরিত স্টেভিসাইড এর সাদা পাউডার এবং সিরাপ আকারে ব্যবহার করে আসছেন।
স্টেভিয়ার পরিচয়ঃ বৈজ্ঞানিক নামঃ Stevia Rebaudiana Bert.
পরিবারঃ Compositae.
স্টেভিয়া ট্রপিক্যাল বা সাব ট্রপিক্যাল ও কক্টসহিষ্ণু বহু বর্ষজীবী (পেরিয়াল) গুল্মজাতীয় ঔষধি গাছ। পৃথিবীতে ২৪০টির মতো প্রজাতি এবং ৯০টির মতো জাত আছে। গাছটিতে অনেক শাখা প্রশাখা গজায়। মোটামূল অর্থাৎ প্রধান মূল মাটির নিচের দিকে গমন করে এবং শাখামূলগুলো মাটির উপর ছড়িয়ে পড়ে। পাতাগুলো বিপরীত দিকে অবস্থিত, খাঁজকাটা, আঁশালো গাঢ় সবুজ। ফুল সাদা, নলাকৃতি এবং উভলিঙ্গ। স্টেভিয়ার গাছ কোন সুগন্ধ ছড়ায় না, তবে পাতাগুলো খুব মিষ্টি। তাপমাত্রা ১৫০ সে. থেকে ৩০০ সে. এবং এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৬৫-৮৫% পর্যন্তÍ স্টেভিয়ার জন্য ভালো। বছরে ১৪০ সে.মি. বৃষ্টিপাত এদের উপযোগী। স্টেভিয়া স্বল্পদীর্ঘ দিবস উদ্ভিদ। এদের চাষ সরল এবং সহজেই উৎপাদন করা যায়। স্টেভিয়ার পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি। একে মিষ্টি পাতা, মধুপাতা এবং মিষ্টি হার্ব প্রভৃতি নামে ডাকা হয়। আশ্চর্যের বিষয় এত মিষ্টতা ধারণকারী স্টেভিয়ায় কোন ক্যালরি নেই। এর ক্যালরির মাত্রা শূন্য। তাই কোন ডায়াবেটিস রোগী এর চিনি গ্রহণ করলে তার শরীরের রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণের কোনরূপ তারতম্য হয় না। বরং এই চিনি সেবনের ফলে প্যানক্রিয়েজ ইনসুলিন উৎপাদনের জন্য উদ্দীপ্ত করে।
স্টেভিয়ার গুণাগুণ:
১. স্টেভিয়ার পাতা চিনি অপেক্ষা ৩০-৪০ গুণ এবং পাতার স্টেভিয়াসাইড চিনি অপেক্ষা ৩০০ গুণ বেশি মিষ্টি; তাই চিনির ব্যয় কমিয়ে স্টেভিয়া ব্যবহারে লাভবান হওয়া যায়।
২. স্টেভিয়া ক্যালরিমুক্ত, এই মিষ্টি ডায়াবেটিক রোগী সেবন করলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণের কোন পরিবর্তন হয়না।
৩.পিত্ত (Pancreas) থলির প্যানক্রিয়েজ ইনসুলিন উৎপাদনকে এটি উদ্দীপ্ত করে। ৪.আমাদের শরীরে রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
৫. এটি খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় মূহুর্তে ব্যাকটেরিয়াল সাইডাল এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।
৬. স্টেভিয়া চিনি খেলে দাঁতের ক্ষয়রোগ রোধ করে।
৭. শরীরের চামড়ার যত্নকারী (Flavaur enhancer) হিসেবে কাজ করে বিধায় ত্বকের কোমলতা এবং লাবন্য বৃদ্ধি করে।
৮. স্বাদ বৃদ্ধিকারক হিসেবে স্টেভিয়ার ব্যবহার হয়।
৯. চা, কফি, মিষ্টি,দই, বেকড ফুড, আইসক্রিম, কোমল পানীয় ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার হয়।
১০. এটি ঔষধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
১১. এর ভেষজ উপাদান মানুষের দেহে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না।
সৌজন্যে: কৃষিবিদ ডা. মোঃ সিরাজুল ইসলাম
'বীর্যহীন পুরুষ তেল বিহীন প্রদীপের ন্যায়'''' ।
আসুন জেনে নেই কিভাবে বীর্যের ঘনত্ব বাড়ে
=====================
১. ধূমপান বন্ধ করুন। ধূমপায়ীদের শুক্রাণু
সংখ্যা অধূমপায়ীদের চেয়ে ২২% কম হয় ।
২. টাইট আণ্ডারওয়্যার বা প্যান্ট ব্যবহার করবেন
না । ঢিলা জিনিস ব্যবহার করুন ।
৩. হস্তমৈথুনের চেয়ে সেক্স বেশি করার চেষ্টা করুন। পারলে হস্তমৈথুন একেবারে বাদ দিন।
৪. এলকোহল খাওয়া বাদ দিন একেবারে ।
এলকোহল বা মদ খেলে শরীরে Estrogen
(নারী হরমোন) লেভেল বেড়ে যায় ।
৫. প্রচুর পানি পান করুন। দিনে ২লিটারের বেশি।
৬. টুনা মাছ, মুরগি, লাল মাংস, কচি ছাগল বা ভেড়ার মাংস খান। এতে প্রচুর এমিনো এসিড থাকে যা testosterone(পুরুষ হরমোন) লেভেল বাড়িয়ে দেয়।
৭. প্রতিদিন বাদাম খান। বাদামে জিঙ্ক এবং এমিনো এসিড প্রচুর পরিমানে থাকে।
৮. গমের আটা এবং বার্লি জিঙ্ক সরবরাহ করে।
জিঙ্ক বীর্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে।
৯. প্রচুর ঢেঁড়স খান। খুব কাজে দেয়।
১০. টমেটো, তরমুজ, পেয়ারা, লাল মরিচ এবং বাতাবি লেবু(জাম্বুরা) প্রচুর পরিমানে খান।
এতে লাইকোপিননামের এনজাইম থাকে যা বীর্যের
পরিমান এবং ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।
---------------------------------------------------------------------
07/11/2020
সহস্র মূল, যেন ঘোন চুলে ভরা মানুষ্য মাথা!
সহস্রমূলী /পরগাছা/Common polypody root.
উপকারিতাঃ 👇
🌲নতুন চুল গজাতে এবং চুল পরা বন্ধে সাহায্য করে।
🌵এটি দেহের প্রধান অঙ্গসমূহের
( Vital Organs) শক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ কার্যকরী।
হৃদপিণ্ড ও মস্তিষ্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে
ও প্রফুল্লতা আনয়ন করে।
🌹হাঁপানি রোগে মস্তিষ্ক বিকৃতি রোগে এবং সন্ধি ব্যাথায় উপকারী ঔষধ।
🌳এটি সেবনে দাঁতের গোড়া শক্ত করে।
🍀 শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য চিকিৎসায় ভেষজটিকে নিরাপদ প্রতিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
🍀 গ্রীক চিকিৎসক ফার্মাকোলজিস্টরা উদ্ভিদটি ফুসফুস থেকে শ্লেষ্মা পরিষ্কার করতে ব্যবহার করে ।
🌿ব্যবহার্য অংশ পরগাছার শিকড়।
🍃 মাত্রাঃ ৪ থেকে ৭ গ্রাম
🚫 সর্তকতা! অতিরিক্ত মাত্রায় পরগাছা সেবনে
বক্ষ ও কিডনির জন্য ক্ষতিকর।
04/11/2020
কাঁচা হলুদ।
হলুদে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন সি থাকে ও কারকিউমিন নামক রাসায়নিক থাকে যা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে আমাদের বাঁচায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে কাঁচা হলুদ খেলে যে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে, খাবার ঠিকমতো হজম হয়। কাঁচা হলুদের অসংখ্য এমন কিছু গুণের কথা, যার বেশীরভাগটাই আপনার কাছে হয়ত অজানা।
কাঁচা হলুদ খাদ্য পরিপাকে, খাদ্য সংক্রমণ থেকে বাঁচতে, হাড় জোড়া লাগাতে, হাড়ের ক্ষয় রোধে, ট্রমাটিক ডিসঅর্ডার কমাতে, ডায়াবেটিসে, ত্বকের বয়স কমাতে, ক্যান্সার দূর করতে, আরথ্রাইটিসের হাত থেকে বাঁচতে, মনমরা ভাব কাটাতে, স্ট্রোকের পরে, দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে, ওজন কমাতে, সর্দিকাশিতে, রান্নার তেলের অক্সিডেশন কমাতে, তলপেটে ব্যথা কমাতে, অ্যানিমিয়া কমাতে, অ্যালজাইমারে, হাঁপানিতে, হেপাটাইটিসে, থাইরয়েডের হাত থেকে বাঁচতে, মেনোপজের সময়ে, মূত্রনালীর প্রদাহে, ক্ষত সারাতে, মস্তিস্কের বয়সজনিত সমস্যাতে ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে, আঘাত থেকে ডি.এন.এ.-কে বাঁচাতে, ধাতব বিষক্রিয়ায়, অগ্ন্যাশয়কে সুস্থ রাখতে, মাথা ব্যথায়, অ্যালার্জি রোধ করতে, ব্রণ কমাতে
যাদের ব্রণের সমস্যা আছে তারা কাঁচা হলুদের রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে নিমপাতার রস এক সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে ম্যাসাজ করে প্যাকটি নরম করে নিন এবং পানির সাহায্যে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে ভালো ফলাফল পেতে পারেন।
গোসলের আগে কাঁচা হলুদ, মধু, ডিমের কুসুম ও নারিকেল তেল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে পুরো মুখে-গলায় লাগিয়ে রাখুন। আধ ঘন্টা বাদে তুলে ঠান্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
হলুদের গুড়োর সাথে শশার রস অথবা লেবুস রস মিশিয়ে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক কতটা মসৃণ লাগে।
হলুদ বেটে সারা শরীরে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে ত্বক কোমল হবে।
কাঁচা হলুদের রস, মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান।
প্যাক শুকিয়ে এলে গোলাপজল দিয়ে মুছে নিন। সামান্য একটু কাঁচা হলুদ আর মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে লাগাতে পারেন।
অল্প একটু দুধের ক্রিমের সাথে হলুদ মিশিয়ে লাগালে ত্বক হবে কোমল, মসৃণ আর সতেজ।
হলুদের গুঁড়া ব্রণ প্রতিরোধ করে। হলুদ বাটা ক্ষতস্থানের ব্যথা দ্রুত কমায় এবং ঘা প্রতিরোধ করে।
দাগ বা ব্রণ দূর করতে টমেটোর রস, কাঁচা হলুদ আর মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে ত্বকে ব্যবহার করুন।
কাঁচা হলুদ, মসুর ডাল একসাথে বেটে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেললে ত্বক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।
03/11/2020
ভেন্না, রেড়ি বা ক্যাষ্টর তেলের উপকারিতা-
বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের তালিকায় ভেন্না একটি পরিচিত নাম। কোনো কোনো এলাকায় বলা হয় ভেরেন্ডা। একসময় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে প্রায় এলাকার ঝোপঝাড় ও বাড়িঘরের আশপাশে প্রচুর ভেন্না গাছ দেখা যেত। ভোজ্যতেল হিসেবে এর চাহিদাও কম ছিল না।
ভেন্না আমাদের দেশের গরিব মানুষের ভোজ্যতেল। এ ছাড়া রোগব্যাধি নিরাময়ে এ তেল ব্যবহার করা হয়। ভেন্নার গাছ জ্বালানি হিসেবে, বাড়ির আঙ্গিনার বেড়া ও সবজির মাচায় ব্যবহার করা যায়।
উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকার মাটি ভেন্নার জন্য খুবই উপযোগী। এ অঞ্চলে ভেন্না চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এ অঞ্চল থেকে ভেন্না হারিয়ে যেতে বসেছে।
বর্তমানে সয়াবিন তেলের প্রচলনে আগের মতো ভেন্নার কদর নেই। অথচ সয়াবিন তেলের তুলনায় ভেন্না তেলের পুষ্টিমান কোনো অংশেই কম নয়। উৎপাদন খরচ নেই বললেই চলে। কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে সয়াবিন তৈলের ওপর নির্ভরতা অনেকাংশেই কমে যাবে।
ভেন্নার বৈজ্ঞানিক নাম Ricinus communic, ভেন্না তেলের অপর নাম ক্যাস্টর ওয়েল বা রেড়ির তেল। ভেন্না গাছ গজানোর পর দেখতে অনেকটা পেপে গাছের মতো।
সবচেয়ে বড় পাতা জাতের উদ্ভিদগুলোর মধ্যে একটি হলো ভেন্না গাছ। গাছগুলো আট থেকে ১৫ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। গজানোর সময় কোনো শাখা-প্রশাখা থাকে না। একটু বড় হলে শাখা-প্রশাখায় চারদিক ছড়িয়ে যায়।
ভেন্না বিনা চাষেই বর্ষাকালে গজায় এবং হেমন্ত ও শীতকালে ফুল ও ফল ধরা শুরু করে। অনুকূল পরিবেশ পেলে সারা বছরই ফল ধরে। বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে বোম্বাই ও স্থানীয় জাতের ভেন্নাই আমাদের দেশে বেশি দেখা যায়।
গাছগুলো সাদা ও লালচে বর্ণের হয়ে থাকে। গিটাযুক্ত গাছের পাতায় আট-দশটি কোনাযুক্ত পাতা মানুষের হাতের মতো ছড়ানো থাকে। পাতাগুলো ছয় থেকে আট ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হয়।
গাছের বয়স দুই থেকে তিন মাস হলে শাখায় শাখায় ফুলের কাঁদি হয়। প্রতিটি কাঁদিতে দেড় থেকে দুই শতাধিক পর্যন্ত ফল ধরে। প্রত্যেক ফলে তিন-চারটি বীজ দানা হয়। কিছু দিন পর কাঁদিগুলো পাক ধরলে হাল্কা কালচে বর্ণের হয়। তখন গাছ থেকে কাঁদিসহ ফল ছাড়িয়ে নিয়ে রোদে শুকিয়ে বীজ সংগ্রহ করা হয়।
বীজগুলো ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে সরিষা, তিল অথবা তিসির সাথে মেশিনে ভাঙিয়ে ভোজ্যতেল তৈরি করা যায়। মেশিনে না ভাঙিয়ে পাতিলে পানি নিয়ে সিদ্ধ করে রোদে শুকিয়ে পাটায় পিষে পুনরায় পানিতে জ¦ালিয়েও ভেন্নার তেল তৈরি করা যেতে পারে।
জানা যায়, আড়াই কেজি ভেন্নার বীজে এক কেজি ভোজ্যতেল হয়। এ তেলে রান্না করা তরকারী সুস্বাদু হয়।
আগের দিনে বেপারীরা ধামায় করে গ্রাম থেকে ভেন্না ওজনে কিনে নিয়ে যেত। এখন তাদেরও দেখা মেলে না।
ভেন্না তেলের উপকারিতা সম্পর্কে স্থানীয়রা জানান, এ তৈল তরকারি রান্না ও পিঠা তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। গরম ভাতের সাথে খেলে খাবারে রুচি বাড়ে। এ তেল নিয়মিত ব্যবহারে মাথা ঠাণ্ডা থাকে। শরীরের যেকোনো কালো দাগ বা আগুনে পোড়া দাগ মিলাতে এ তেল বিশেষ কার্যকরী।
কৃষি কাজের প্রয়োজনে পুকুর বা ডোবা-নালার নোংরা পচা পানিতে নামার আগে এ তেল শরীরে মেখে নিলে শরীর চুলকায় না এবং জোঁক কামড়ায় না। এর কাঁচা বীজ কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা সমাধানে বিশেষ কার্যকর। প্রচণ্ড ঠাণ্ডা লাগলেও তেল গরম করে বুকে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায়।
এক তথ্যে জানা যায়, ভারতের মেঘালয়, আসামের মেন্দিপাথার, ময়রাপুর, কারবিলং কৃষ্ণাই অঞ্চলের গারো ও মনিপুরীরা রেশম শিল্পে গুটি পোকার খাদ্য হিসেবে ভেন্না গাছের পাতা ব্যবহার করে।
আর আমাদের দেশে তুঁত গাছের পাতা ব্যবহার করা হয়। আরেক তথ্যে জানা যায়, উন্নত কয়েকটি দেশে ভেন্নার তেল বায়োডিজেল বা বায়োফুয়েল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
খাদ্যমান, ভেষজ গুণ, সহজ চাষ, খরচ কমসহ নানা দিক বিবেচনা করে কৃষকেরা পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভেন্না এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল হতে পারে।
ভেন্নার তেলের অন্যান্য গুন সমূহ
১. কাচা ভেন্না সবজি হিসাবে খাওয়া যায়( পরিপক্ক বীজ এবং ফল খাওয়া উচিত নয়)
২. চুল পরা রোধ করতে
৩. চুলকে ঘন করতে
৪. চোখের আইব্রো কে ঘন এবং কালো করতে
৫. ত্বক কে মোলায়েম করতে ব্যবহার করতে ভেন্নার তেল
৬. স্কিন থেকে ময়লা দূর করতে
৭. ডার্ক সার্কেল থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করুন ভেন্নার তেল
৮. শুস্ক ত্বক কে মোলায়েম করে
৯. ত্বকের বর্নবিলোপ দূর করে
১০. বলিরেখা দূর করে
১১. ত্বকের কালো দাগ দূর করে
১২. মাথার স্ক্যাল্প কে সুস্থতা দান করে
১৩. চুলের কন্ডিশন করতে
১৪. গোলাকৃমির চিকিৎসার জন্যে এই তেল উপকারী
১৫. কাটা ঘায়ে জীবানুমুক্ত করতে
১৬. ব্যাক পেইন কে দূর করতে
১৭. শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কে শক্তিশালী করে
১৮. জয়েন্ট পেইন কে ধ্বংস করে
১৯. ফুড এডিটিভস হিসাবে ব্যবহৃত হয়
২০. ফুডের ফ্লেভার করতে ভেন্নার তেলের বিভিন্ন রেসিপি আছে
২১. ফাংগাস প্রতিরোধে করে ফলে মোল্ড প্রতিরোধ করে
২২. বীজ সংরক্ষণ করতে এর জুড়ি মেলা ভার
২৩. ফুড প্যাকেজিং করতে ভেন্নার তেল ব্যবহৃত হয়
২৪. আধুনিক ফার্মা কোম্পানী তে বিভিন্ন মেডিসিন বানাতে ভেন্নার তেল একটি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
যেমন – এন্টি ফাংগাল(মাইকোনাজোল)
– আলাসার চিকিৎসায়
– ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে
– প্যাক্লিক্যাক উপাদান হিসাবে
03/11/2020
চুলের গোঁড়ায় অতিরিক্ত ঘাম হলে করনীয় কী?
কখনই ভেজা চুল বাঁধবেন না বা আঁচড়াবেন না
গোসল করার পর কখনই চুল না শুকিয়ে তা সাথে সাথে বাঁধবেন না বা আঁচড়াবেন না। চুল ভেজা থাকা অবস্থায় চুলের গোঁড়া অত্যন্ত নরম থাকে, এ অবস্থায় চুলে যে কোন হেয়ার স্টাইল করা হলে বা চুল বেঁধে রাখলে চুল পরার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যায়। পাশাপাশি গরমে চুল ভেজা অবস্থায় শক্ত করে বাঁধার কারণে চুলের গোঁড়ায় সহজেই ঘাম জমে যায় যা চুলের ক্ষতি করতে পারে।
সপ্তাহে অত্যন্ত দুই বার হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন
দুই বার হেয়ার প্যাক ব্যবহার -
চুলের গোঁড়া মজবুত করতে সাহায্য করবে এমন হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে চেষ্টা করুন। বিশেষ করে যে সকল হেয়ার প্যাকে অ্যালোভেরা, মেথি, লেবু, নারিকেল তেল, আমলকী এসকল উপাদান রয়েছে সেগুলো চুলে ব্যবহার করুন। অ্যালোভেরা চুলকে ভেতর থেকে সজীব রাখে। মেথিতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন সি, লৌহ এবং লিকিথিন আছে যা চুলের গোঁড়াতে পুষ্টি যোগায় এবং চুলকে মজবুত করে তোলে।
চুলের গোঁড়ায় অতিরিক্ত ঘাম প্রয়োজনে বড় চুল কেটে ছোট করে নিন
অনেক দিন ধরে যারা চুল বড় রেখেছেন এবং চুল কাটার কথা ভাবছেন, তারা এই সময়ে চুল হালকা ট্রিম করে নিতে পারেন। পাশাপাশি ফেইস এর সাথে মানানসই নতুন কোন হেয়ার স্টাইল করে আপনার লুকেও আনতে পারেন পরিবর্তন। এতে করে বড় চুলের ঝক্কি ঝামেলা থেকেও যেমন কিছুদিনের জন্যে মুক্তি পাবেন, তেমনি চুলের যত্ন নেয়াটাও সহজ হয়ে যাবে। চুলের গোঁড়ায় অতিরিক্ত ঘাম হলেও তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে।
নিয়মিত গোসল করতে ভুলবেন না
বাসায় থাকলে আমরা অনেক সময় শুধু ভালোভাবে হাত পা ধুয়ে কাপড় পালটে ফেলি। কিন্তু নিয়মিত গোসল না করার অনেক ধরনের ক্ষতিকর দিক রয়েছে যা নিয়ে আমরা তেমন একটা ভাবি না। নানা রকম জার্ম ইনফেকশন এড়াতে নিয়মিত গোসল করাটা খুবই জরুরি। ঘামের দুর্গন্ধ এবং চুলে থাকা ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত গোসল করা আবশ্যক।
নিয়ম মত চুলে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ইউজ করুন
চুলে শ্যাম্পু -
চেষ্টা করুণ সপ্তাহে অত্যন্ত একদিন পর পর শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করতে। আমাদের অনেককেই নিয়মিত নানা কাজে বাইরে বের হতে হয়, বাইরে থেকে আমাদের চুলে এবং চুলের গোঁড়ায় খুব সহজেই ধুলাবালি এবং ময়লা জমে যায়। যার ফলে চুলে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে এবং চুলের গোঁড়ায় ঘাম জমে যাওয়ার পাশাপাশি চুল হয়ে যায় রুক্ষ এবং মলিন। তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন নিয়ম অনুযায়ী হারবাল বা মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুতে যেন চুলের গোঁড়া পরিষ্কার থাকে। কন্ডিশনার চুলকে ময়েশ্চারাইজড রাখে। তবে চুলের গোঁড়াতে কিন্তু এটি দেয়া যাবে না! শুধু হেয়ার লেন্থে অ্যাপ্লাই করে নিবেন।
মোট কথা সুস্থ এবং সুন্দর চুল পাওয়ার জন্যে আমাদের অবশ্যই চুলকে রাখতে হবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। চুলের যত্ন নিতে হবে সারা বছর।
30/10/2020
এরারুট :- West Indian Arrowroot--🌿💚
Maranta arundinacea. Family - Marantaceae.
Maranta এর পাতাগুলো সন্ধ্যাবেলা প্রার্থনা করার মতো মুড়ে যায়।
কৃতজ্ঞতাঃ Zinianasrin Sumon
ঔষধি ব্যবহারঃ
☘️এরারুট সিদ্ধ হয়ে পুষ্টিকর খাবার হিসাবে এবং ওষুধ হিসাবে খাওয়া হয়।
☘️গুঁড়াটি মূত্রথলির সমস্যাগুলিতে ( অল্প প্রস্রাব, বেদনাদায়ক প্রস্রাব, জ্বলন্ত প্রস্রাব এবং অন্যান্য প্রস্রাবের সমস্যা), মেনোরিয়া, শ্বাসনালী এবং
☘️হজমজনিত সমস্যায় (ডায়রিয়া, গ্যাস্ট্রোএন্ট্রাইটিস) উপকারী বলে প্রমাণিত ।
☘️কিছু গুল্মের (যেমন স্ট্রাইকনস নাক্স ভোমিকা) খাবারের বিষ এবং বিষাক্ত প্রভাবের ক্ষেত্রে এরারুট পাউডারকে প্রতিষেধক হিসাবে দেওয়া হয়।
☘️পাউডারটি ক্ষতস্থানে বাহ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়
কন্দটিতে রয়েছে স্টার্চ (25-30%),
আর্দ্রতা 64%,
অপরিশোধিত প্রোটিন 1.6%,
চর্বি 0.2%, ডেক্সট্রিন এবং সুগার 2.1% এবং ক্রুড ফাইবার 3.9%
26/10/2020
উকুন দূর করার ৫ টি কার্যকর উপায়:
যে যে কারণে উকুন হতে পারে
১। মাথা অপরিষ্কার থাকলে। ২। ভেজা চুল বাধাঁর অভ্যাস থাকলে। ৩। ভেজা চুল অনেকক্ষণ বাঁধা অবস্থায় থাকলে। ৪। অন্যের চিরুনি, তোয়ালে, গামছা ব্যবহার করলে। ৫। অন্যের মাথা থেকে উকুন চলে এলে।
কিভাবে দূর করবেন
উকুন সহজে মাথা থেকে যেতে চায় না। কিন্তু কিছু ঘরোয়া উপায় আছে যার মাধ্যমে মাথা থেকে উকুন দূর করা সম্ভব। আসুন জেনে নেই উপায়গুলো কি কি
১। ভিনেগার
ভিনেগার দিয়ে খুব সহজে উকুন দূর করা সম্ভব। এতে অ্যাসিটিক এসিড আছে যা উকুন দূর করতে সাহায্য করে। ভিনেগার আর পানি মিশিয়ে নিন। তারপর সেটি মাথায় লাগান। ১০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ব্যবহার করুন।
২। নারকেল তেল
উকুন দূর করার ক্ষেত্রে নারকেল তেল অনেক ভাল কাজ করে থাকে। নারকেন তেল উকুনদের শ্বাসরোধ করে দেয় ফলে উকুনরা বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। ৩ টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং খুব সামান্য কর্পূর মিশিয়ে নিন। তেলটি মাথায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। এরপর শাওয়ার কাপ দিয়ে মাথা ঢেকে দিন। পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। শুঁকিয়ে গেলে চিরুনি দিয়ে আঁচড়ান। দেখবেন উকুন চলে যাচ্ছে। এটি সপ্তাহে ৩ থেকে ৫ দিন করুন। দেখবেন উকুন গায়েব হয়ে গেছে।
৩। পেঁয়াজ
পেঁয়াজের রসে সালফার আছে যা উকুন দূর করে থাকে। ৪/৫ টা পেঁয়াজের রস করে নিন। এরপর তা মাথায় ভাল করে লাগিয়ে নিন। ২ ঘন্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন। চুল শুকানোর পর চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান, দেখবেন উকুন সব চিরুনিতে চলে এসেছে।
৪। লেবুর রস
লেবুর রস উকুন দূর করতে বহুল ব্যবহৃত একটি উপায়। লেবুর রস মাথায় ভাল করে লাগান। ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। প্রথমে ভিনেগার দিয়ে পড়ে কুসুম গরম পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে একবার করুন। উকুন আপনার মাথা থেকে দূরে থাকবে। লেবুর রসের সাথে আদার পেষ্ট মেশান। এটি মাথায় ভাল করে ম্যাসাজ করুন। একটি তোয়ালে দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে রাখুন। এরপর শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে ২/৩ বার করুন। যদি উকুনের সমস্যা অনেক বেশি থাকে তবে এটি সপ্তাহে ৫ বার করুন।
৫। নিম
নিম হল প্রাকৃতিক প্রতিষেধক, যেটি উকুন দূর করতে অনেক বেশী কার্যকর। এটি মাথার চুলকানিও কমাতে সাহায্য করার সাথে সাথে স্কাল্প ময়েশ্চারাইজ করে থাকে। নিমের পেষ্ট করে সেটি চুল আর মাথার তালুতে লাগান। এটি সপ্তাহে দুবার করুন। নিমের তেল ব্যবহারেও চুল থেকে উকুন দুর হয়।
26/10/2020
ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাওয়ার ৯টি উপায় :
ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাওয়ার উপায়
(১) ডিমের কুসুম এবং শসার প্যাক
একটি ডিমের কুসুম এবং ৩ টেবিল চামচ শসার রস মিশিয়ে একটি প্যাক বানিয়ে নিতে হবে। এই প্যাকটি গোসলের আধা ঘন্টা আগে স্তনের চারপাশে ভালোভাবে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এক সপ্তাহ প্রতিদিন এই প্যাকটি ব্যবহার করলে আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
(২) সঠিক খাবার
ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ আনতে খাবার -
স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাবার জন্য আপনার প্রতিদিনের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ব্রেস্ট টাইট করার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিনের প্রয়োজন হয়। তাই আপনার প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় দুধ, ডিম এবং ডাল অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করবেন। এছাড়াও খনিজ ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ দরকার যা আপনি বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, গাজর, পটল এবং ব্রকলি জাতীয় খাবার থেকে পেতে পারেন। প্রতিদিন এই খাবারগুলো খেলে ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাবেন।
(৩) সাঁতার কাটা
প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট সাঁতার কাটুন। এতে আপনার স্তনের পেশি শক্ত হবে এবং সঠিক শেইপ ফিরে আসবে। তাই স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পেতে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট সাঁতার কাটুন।
(৪) বরফ ঘষা বা আইস রাব
ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ আনতে বরফ ঘষা -
এটি করতে আপনার অস্বস্থি লাগতে পারে কিন্তু এটি খুবই কার্যকরী একটি প্রক্রিয়া। কয়েক কিউব বরফ নিন এবং আপনার স্তনের চারপাশে প্রায় ১-২ মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে ম্যাসাজ করুন। এটি আপনার স্তনের পেশী শক্ত করতে এবং এর আশেপাশের সেলুলাইটের সাথে লড়াই করতে সহায়তা করবে। প্রতিদিন নিয়ম করে কেবলমাত্র ১-২ মিনিট এই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করলে আপনার ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পাবেন।
(৫) ম্যাসাজ করা
প্রতিদিনের ম্যাসাজে আপনার স্তনের পেশীগুলোকে শক্ত করবে। অলিভ ওয়েল কিংবা অ্যালোভেরা জেল দিয়ে প্রতিদিন ৫-৬ মিনিট আপনার স্তনের আশেপাশে ম্যাসাজ করুন। এটি আপনার রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করবে এবং আপনার ঝুলে যাওয়া স্তন ফিরে পাবে সঠিক শেইপ।
(৬) প্রচুর পানি পান
ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ আনতে পানি পান -
স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পেতে প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৪ লিটার পানি পান করুন। শরীরে যখন জলের অভাব দেখা দেয় তখন ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে যায়। ত্বকের চামড়া ঝুলে যায় এবং কুঁচকানো দেখায়। পানির অভাবে সবথেকে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয় ত্বক এবং স্তন। তাই স্তনের সঠিক শেইপ ফিরে পেতে প্রচুর পানি পান করুন।
(৭) দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে
দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়ে থাকলে স্তনের শেইপ নষ্ট হয়ে যায়। তাই দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়ে থাকবেন না। আবার ব্রা পড়া একেবারেই ত্যাগ করা যাবেনা। দীর্ঘক্ষণ ব্রা পড়া যেমন ক্ষতিকর আবার একেবারে না পড়াও ক্ষতির কারণ।
(৮) ধূমপান ত্যাগ করুন
ঝুলে যাওয়া স্তনের সঠিক শেইপ আনতে ধুমপান ত্যাগ -
ধূমপানের ফলে স্তন ঝুলে যায় এইটা হয়তো আমাদের অনেকেরই জানা নেই। মেয়েরা ধূমপান করলে ত্বকেরও ক্ষতি হয়। তাই ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
(৯) এক্সারসাইজ করুন
কিছু এক্সারসাইজ আছে যা প্রতিদিন করলে আপনার ঝুলে পড়া স্তন সঠিক শেইপ ফিরে পাবে। সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী হলো পুশ-আপ। এছাড়াও চেস্ট প্রেস, ডাম্বল ফ্লাইস, টি-প্লাঙ্কস, এলবো স্কুইজ ইত্যাদির সাহায্যেও ঝুলে পড়া স্তন সঠিক শেইপ ফিরে পাবে। প্রতিদিন নিয়ম করে ১০-১২ বার এই এক্সারসাইজগুলো করলেই হবে।
নিয়মগুলো মেনে চলুন সুস্থ এবং সুন্দর থাকুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1216
