FitCloud Zone

FitCloud Zone

Share

Choose The Best Product & Stay With Us❤️

01/09/2023

কম ও"জন নিয়ে আর নয় চিন্তা....

নিজেকে করুন আকর্ষণীয় এবং নিজের মধ্যে নিয়ে আসুন দৃঢ় মনোবল...... মাত্র ১ মাসে..!

বিস্তারিত জানতে এবং অর্ডার করতে ইনবক্সে করুন অথবা সরাসরি কল করুন :০১৮২৯৯০৯৭৫৭

26/08/2023

মিল্কের গুণে পুষ্টিতে ভরপুর হবে আপনার শরীর স্বাস্থ্য
স্থায়ীভাবে স্বাস্থ্য বাড়ান ফল-মূল দিয়ে তৈরি মিল্ক শেক খেয়ে।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্স
অথবা ফোন করুন: 01829909757

26/08/2023

মিল্ক শেক এর উপকারিতা :

•এটি আপনার শরীরের ভিটামিন ও ক্যালশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করবে।
•প্রচুর পরিমাণে এনার্জির জোগান দিবে।
•এটি বাংলাদেশ সাইন্স ল্যাব অনুমোদিত। সম্পূর্ণ সাইড-ইফেক্ট মুক্ত, ১০০% কার্যকরি ফুড সাপ্লিমেন্ট।
•খাওয়ার রুচি বাড়াবে, ভালো ঘুম হবে, মানসিক প্রশান্তি আসবে।
•স্থায়ি ভাবে সাস্থের উন্নতি ঘটাবে।

26/08/2023

নিয়মিত কালোজিরা খেলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, একজিমা, এলার্জি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে থাকে।

কালোজিরায় ভিটামিন, স্ফটিকল নাইজেলোন, অ্যামিনো অ্যাসিড, স্যাপোনিন, ক্রুড ফাইবার, প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো লিনোলেনিক, ওলিক অ্যাসিড, উদ্বায়ী তেল, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম রয়েছে।

জেনে নিন কালোজিরার কিছু উপকারিতা:

১. ডায়াবেটিস সবচেয়ে বিপজ্জনক রোগ হিসেবে পরিণত হয়েছে। কালোজিরার তেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে এক কাপ চায়ের সঙ্গে আধা চা চামচ তেল মিশিয়ে পান করুন।

২. ডায়েটের জন্য কালোজিরা দারুণ কাজ করে। রুটি ও তরকারিতে ব্যবহার করতে পারেন। অনেকেই মধু ও পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেয়ে থাকেন। কালোজিরা ওটমিল ও টক দইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে খেলে বেশ উপকার পাবেন।

৩. লেবুর রস ও কালোজিরা তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের অনেক সমস্যার সমাধান পেতে পারেন। লেবুর রস ও কালোজিরার তেল মিশিয়ে দিনে দু’বার মুখে লাগান। ত্বকে ব্রণ ও দাগ অদৃশ্য হয়ে যাবে।

৪. কালোজিরা তেল মাথাব্যথার জন্য একটি পুরানো ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে বলা হয়। এটি মাথার ত্বকের ম্যাসাজ করুন।

৫. সরিষার তেলের সঙ্গে কালোজিরা তেল গরম করে হাঁটু বা অন্যান্য জয়েন্টগুলোতে ম্যাসাজ করতে পারেন। এটি জয়েন্টের ব্যথা থেকেও মুক্তি পেতে সহায়তা করবে।

৬. কালোজিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায়, প্রদাহ, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করার ক্ষমতাসহ লিভারকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করে। কালোজিরা রাসায়নিকের বিষাক্ততা কমাতে পারে। লিভার ও কিডনি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

৮. সর্দি-কাশিতে আরাম পেতে, এক চা চামচ কালোজিরার তেলের সঙ্গে ১ চা চামচ মধু বা এক কাপ লাল চায়ের সঙ্গে আধ চা চামচ কালোজিরের তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালিজিরা বেঁধে শুকালে, শ্লেষ্মা তরল হয়। পাশাপাশি, এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসি পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি কমে। বুকে কফ বসে গেলে কালিজিরে বেটে, মোটা করে প্রলেপ দিন একই সাথে।

৯. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।

১০. নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কে রক্ত সঞ্চালনের বৃদ্ধি ঘটে; যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

১১. নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। কালোজিরা শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে।

১২. যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালোজিরা। প্রসূতি মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫-১০ গ্রাম কালোজিরা মিহি করে দুধের সাথে খেলে মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালোজিরা ভর্তা করে ভাতের সাথে খেলেও ভাল। এছাড়া ১ চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিন ৩বার করে নিয়মিত খেলেও শতভাগ উপকার পাওয়া যায়।

এছাড়াও নিয়মিত কালোজিরা সেবনে চুলের গোড়ায় পুষ্টি ঠিকমতো পায়, ফলে চুলের বৃদ্ধি ভালো হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয়। অনেকেরই চুল পড়া, দুর্বল চুল, শুষ্ক চুল ইত্যাদি নানা রকম সমস্যা থাকে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে কয়েকবার কালোজিরার তেলের ব্যবহার চুলের সমস্যাকে দূর করতে পারে।

এটি নিয়মিত রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন। আরও ভাল প্রভাবের জন্য পানি দিয়ে সেদ্ধ করে পান করুন। পারলে প্রতিদিন সকালে কাঁচা চিবিয়ে খান।

26/08/2023

কাঠ বাদামে কী পুষ্টিগুন পাবেন

ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম এবং রিবোফ্লাভিন আছে বাদামে। এছাড়া রয়েছে আয়রন, পটাসিয়াম, জিঙ্ক এবং বি ভিটামিন, নিয়াসিন, থায়ামিন এবং ফোলেটের মতো পুষ্টিগুণ। কাঠ বাদামে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং ফাইবারে ভরপুর।

কীভাবে খাবেন

- বিশেষজ্ঞরা বলেন, বাদাম হজম করা কঠিন।

এতে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, প্রোটিন এবং ফাইবার রয়েছে। ফলে বাদাম খেলে শরীর গরম হয়ে ওঠে। তাই বাদাম ভিজিয়ে খাওয়া ভালো।
-যখনই খাবেন ৬ থেকে ৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। ভিজিয়ে রাখলে তাপ অনেকটা কমে যায়।

সেই সঙ্গে ফাইটিক অ্যাসিড বা ট্যানিন অপসারিত হয়। ভেজানো বাদাম খেলে সহজেই পুষ্টিগুণ নিতে সক্ষম হয় শরীর। হজম তাড়াতাড়ি হয়। বদহজমের সমস্যা হয় না।
-ভিজিয়ে খেতে অপছন্দ হলে শুকনো বাদামই গুঁড়া করে খেতে পারেন।

-ভেজানো বাদাম থেকে ফাইবার, প্রোটিন, বিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস ইত্যাদি পুষ্টিগুণ সহজে আপনার শরীর শুষে নিতে পারে।

- বাদাম ভিজিয়ে খেলে মস্তিষ্কও সক্রিয় হয়ে ওঠে। স্মৃতিশক্তি বাড়ে।

- উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বাদাম ভিজিয়ে খেতে পারেন। এমনটাই মনে করছেন আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা।

কী পরিমাণে বাদাম খেতে পারবেন

কাঠ বাদামে ৮০শতাংশ চর্বি আছে। চর্বি হজম হতে অনেক সময় লাগে। বেশি পরিমাণে খেলে বদহজম, পেট ফাঁপা এমনকি ডাইরিয়াও হতে পারে। প্রতিদিন ৫-১০টা কাঠ বাদাম খেতে পারেন।

24/08/2023

প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে মধু খেলে সুস্থ ও সুরক্ষিত থাকা সম্ভব। আর মধু প্রাকৃতিক উপাদান হওয়ায় তা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
আসুন জেনে নিই প্রতিদিন মধু খাওয়ার উপকারিতা-

১. মধু প্রাকৃতিকভাবেই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রমতে, আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের মাঝে সামঞ্জস্যতা বজায় রাখার জন্য মধু কাজ করে। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে মধু খেলে চোখের স্বাস্থ্য, পেটের সমস্যা, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাগুলো কমে যায়।

২. মধুতে রয়েছে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার, উচ্চরক্তচাপ ও ত্বকজনিত সমস্যা দূর করে। এতে থাকা ফেনল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পাশাপাশি আরও রয়েছে অর্গানিক অ্যাসিড ও ফ্ল্যাভনয়েড, যা স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

৩. মধু শরীরের ক্যালসিয়াম শোষণের ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া যে কোনো ধরনের সেসুলার ড্যামেজকে কমিয়ে আনে।

৪. প্রতিদিন নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় মধু খেলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে থাকে। পরিমিত পরিমাণ মধু রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। এ ছাড়া উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়, যা হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।

৫. মধুতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। মধু থেকে নিঃসৃত হওয়া হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড অ্যান্টি-মাইক্রবিয়াল হিসেবে কাজ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার জন্মে বাধা দেয়। মধু খেলে দাঁতের ব্যথাভাব ও প্রদাহ কমে ও পাকস্থলীও ভালো রাখে।

24/08/2023

দুধ পুষ্টিগুণে ভরপুর। শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধ–সবারই প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করা উচিত। দুধ ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের উৎস। দুধে আছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ওমেগা থ্রি, ওমেগা সিক্সসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। দুধকে বলা হয় সুপার ফুড। এতে আছে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ, যা শরীরের জন্য জরুরি। এতে প্রচুর ভিটামিন বি-১২ আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন। দুধ শরীরকে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া দেহের টিস্যু ও কোষ মেরামতের জন্য দারুণ উপকারী।
কেন দুধ পান করবেনআমাদের দেশে গরু ও ছাগলের দুধ সহজলভ্য। শিশুরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ পান করতে পারে। মায়ের বুকের দুধের পর নিয়মিত গরু-ছাগলের দুধ পান করা উচিত। পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধরাও গরু-ছাগলের দুধ পান করলে উপকার পাবেন।

গরুর দুধের উপকারিতা১. কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে।২. ঘুম ভালো হয়।৩. হাড় মজবুত করে।৪. সারাদিনের শক্তি অর্জিত হয়।৫. ত্বক সুন্দর করে।

ছাগলের দুধের উপকারিতা১. হার্ট ভালো রাখে।২. পুষ্টিগুণ মায়ের বুকের দুধের কাছাকাছি।৩. এলার্জি প্রবণতা কম।৪. উচ্চ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।৫. ত্বকের যত্নে উপকারী।৬. ল্যাকটোজ অসহিষ্ণু।৭. হজম করা যায় সহজেই।৮. এলার্জি নিয়ন্ত্রণ করে।৯. হাঁড়ের গঠনকে শক্তিশালী করে।১০. কোলেস্টেরল কম।১১. বাড়ন্ত শিশুর জন্য উপকারী।

23/08/2023

সাথে হোম ডেলিভারি সম্পূর্ণ ফ্রি.......

আপনার চি'কন আর দূ'র্বল স্বা'স্থ্য নিয়ে চিন্তিত.?

আপনার শরী'রের জন্য ক্ষতিকর সকল ঔ'ষ'ধ ও কেমি'ক্যাল-কে না বলুন...///

#আজই অর্ডার করুন 🥛মিল্ক শেক & 🥜বাদাম শেক

♻️ ৮ বছরের বাচ্চা থেকে সবাই খেতে পারবে।

উপকারীতা:-
🔰স্থায়ী'ভাবে সুস্বা'স্থ্যের অধিকারী হওয়া।
🔰ক্যাল'সিয়াম এর অভাব পূরণ করে।
🔰হজম শক্তি বৃদ্ধি করে।
🔰শরীরের দু'র্বলতা দূর করে।
🔰মাশেল তৈরি করে
🔰বডি শেল উন্নত করে
🔰রুচি'শীল এবং পুষ্টি'কারক।

বিস্তারিত জানতে নিচের সেন্ড মেসেজ অপশনটি ক্লিক করুন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Gulshan
Dhaka
1212