Binar beauty tips
ত্বক ও চুলের সকল সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের হারবাল প্রোডাক্ট ক্রয় করুনঃ 01710008787
06/06/2026
ইসবগুলের ভুসির ৫ উপকারিতা
ইসবগুলের ভুসির ৫ উপকারিতা
অনেকেই দীর্ঘদিন যাবৎ পেটের নানা ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ করে, যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন; তারা বেশিরভাগ সময়ই লজ্জায় এ মারাত্মক সমস্যার কথা শেয়ার করতে চান না। কিন্তু তিনি নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন। এসব সমস্যার সমাধান করবে ইসবগুলের ভুসি। বিস্তারিত জানাবেন আস্থা ফুডস --
আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ইসবগুলের ভুসির গুণাগুণসমূহ সম্পর্কে-
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে: ইসবগুলের ভুসি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। এতে খুব সহজেই ইলিমিনেশন সম্ভব হয়। তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি ও ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধ পান করতে পারেন। কেউ যদি রোগটি পুষে রাখেন, তাহলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
রক্তে কোলেস্টেরল কমায়: এ ভুসি খেলে আমাদের অন্ত্রে একধরনের স্তর তৈরি হয়। যা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দান করে। ফলে আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই হৃদরোগীদের জন্য দারুণ একটি খাবার এটি।
ডায়রিয়া প্রতিরোধ: অনেকেই ডায়রিয়ায় ভুগে থাকেন। তাদের জন্য দারুণ টনিক হলো ইসবগুলের ভুসি ও দই। এ দুটি একসাথে মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া থেকে মুক্তি পাবেন সহজেই।
ওজন কমায়: এতে ফাইবার উপস্থিত থাকায় হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। তাই ক্ষুধা লাগে অনেক কম। এটি খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: ইসবগুলের ভুসিতে রয়েছে জিলাটিন নামক একটি উপাদান। যা দেহে গ্লুকোজের শোষণ ও ভাঙার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে রক্তে সহজে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে না। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এ ভুসি খুবই উপযুক্ত।
অ্যাসিডিটি কমায়: ভুসিতে উপস্থিত ফাইবার পাকস্থলীতে একটি স্তর তৈরি করে। যা আমাদের অ্যাসিডিটির হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এ ভুসি।
কোষ্ঠকাঠিন্যসহ অন্যান্য রোগ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ইসবগুলের ভুসি খান, সুস্থ-সবল জীবনযাপন করুন।
Call now -01710-008787
হোয়াটস্যাপ নাম্বার
06/06/2026
কেন খাবেন সাবুদানা,উপকারিতা ও অপকারিতা কি?
সাবুদানা এমন একটি খাবার যা ছোট বড় সকলেই খেয়ে থাকেন। তবে আমাদের দেশে বেশীরভাগ শিশুদের খাবারেই ব্যবহার হয় এটি।
সাগু বা সাবুদানা একটি স্টার্চ জাতীয় খাবার যা একটি স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে। আমাদের দেশে সাধারণত জ্বর হলে বা রোগীদের এই খাবারটি খাওয়ানো হয়।
সাবুদানা কি
অনেকেরই ধারণা যে সাবুদানা এক ধরনের ফল যা গাছে ধরে। আসলে এটি কোনো ফলই নয় । পাম জাতীয় গাছের মূল (ট্যাপিওকা) থেকে সাদা দুধের মতো এক প্রকারের রস নিষ্কাশন করে সেটা প্রথমে শুকিয়ে নেওয়া হয় ও ময়দার মতো পাউডার এ পরিণত করা হয় । তারপর সেটাকে যান্ত্রিক পদ্ধতি দ্বারা ছোট ছোট দানায় পরিণত করা হয়, যেটাকে সাবুদানা বা সাগু বলা হয়।
সাবুদানার পুষ্টিগুণ
যদিও অন্য় শস্যদানার তুলনায় সাবুদানায় পুষ্টিগুণের পরিমাণ কম, কিন্তু অন্য সবজির সঙ্গে মিশলে এটি অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার।
১০০ গ্রাম সাবুদানায় থাকে ৩৩২ ক্যালোরি, ১ গ্রাম প্রোটিন, ১ গ্রাম ফ্যাট, ৮৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১ গ্রাম ফাইবার এবং ১১ শতাংশ জিংক।
সাবুদানার উপকারিতা
১. সাবুদানা রক্তচাপ হ্রাস করে
সাবুদানাতে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। যা উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে। এতে করে হৃদরোগজনিত সমস্যা কম হয়।
২. সাবুদানা হাড় মজবুত রাখে
সাবুদানাতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও অস্টিওপোরোসিসের মতো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
৩. সাবুদানা ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে সাবুদানাতে আছে প্রচুর পরিমাণে ট্যানিন ও ফ্লেভানয়েড নামে দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ফ্রি রেডিক্যালগুলো নষ্ট করে আমাদের ক্যান্সারের মতো মারণব্যাধি থেকে রক্ষা করে ।
৪. সাবুদানা শরীরে শক্তি যোগায়
সাবুদানা সাধারণত সরল শর্করা জাতীয় খাদ্য । এতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে, এ ছাড়াও প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ লবণও সামান্য পরিমাণে থাকে । যার কারণে এটি খাওয়ার পরে শরীরে তৎক্ষণাৎ শক্তি পাওয়া যায়। এই কারণে অনেকে ব্যায়াম করার আগে বা পরে সাবুদানা খেতে পছন্দ করেন।
৫. সাবুদানা হজমশক্তি বাড়ায়
সাবুদানাতে আছে জলে দ্রবণীয় তন্তু বা আঁশ। যা পৌষ্টিক নালীকে পরিষ্কার রাখে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের মতো সমস্যা দূরে রাখে । এ ছাড়াও হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।
৬. সাবুদানা ওজন বাড়াতে সাহায্য করে
সাবুদানা একটি ক্যালোরি-ঘন খাবার এবং যাদের ওজন বাড়াতে হবে তাদের জন্য উপকারী। এটি ক্রীড়াবিদ এবং উচ্চ শক্তির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এমন লোকদের জন্যও এটি একটি ভাল খাবারের বিকল্প। এ ছাড়া অনেক শিশুদের ওজন বাড়াতে সাবুদানা খাওয়ানো হয়।
৭. সাবুদানা গর্ভাবস্থায় উপকারী
সাবুদানা গর্ভাবস্থায় খাওয়ার জন্য একটি উত্তম খাবার। এটি গর্ভবতী নারীদের ক্লান্তি দূর করে। এ ছাড়া সাবুদানায় থাকা ভিটামিন বি৬ এবং ফোলেট ভ্রূণের বিকাশ ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে সাবুদানা না খাওয়াই ভালো।
৮. সাবুদানা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
সাবুদানা স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে সহায়তা করে । সাবুতে থাকা বিশেষ প্রোটিন অকালে চুল ঝরে পড়া রোধ করে, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে, খুশকির হাত থেকে রক্ষা করে, এমনকি চুলের বৃদ্ধিও নিয়ন্ত্রণ করে ।
সাবুদানার অপকারিতা
সাবুদানা খাওয়ার ফলে তেমন কোন অপকারিতা বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় না। কিন্তু প্রক্রিয়াকরণের আগে সাবু খেলে বমি, লিভারের ক্ষতি হতে পারে। তাই সরাসরি সাগু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
কার্বোহাইড্রেট এবং ক্যালোরি বেশি থাকায় এটি ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই ওজন বাড়াতে না চাইলে এটি বেশি না খাওয়াই ভালো।
কীভাবে খাবেন সাবুদানা
সাবুদানা সাধারণত পানিতে ভিজিয়ে রেখে খেতে হয়। এটি যে কোন সবজির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়। এটি দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায় বা সাবুদানার খিচুড়ি বানিয়েও খাওয়া যায়। অনেকে আবার সাবুদানার বড়া বা ক্ষীর বানিয়েও খায়।
এ ছাড়া যে কোন ডেজার্ট বা জুসেও মিশিয়ে খাওয়া যায়।
কীভাবে চিনবেন আসল সাবুদানা
সাবুদানা নকল তৈরি হয় আটা বা ময়দা দিয়ে। তাই এটি আসল না নকল সহজেই পরীক্ষা করে বের করা যায়।
১. আসল সাবুদানা পানিতে দিলে গলে যায় না, কিন্তু নকল সাবুদানা পানিতে দিলে দ্রুত গলে পানির সঙ্গে মিশে যায়।
২. আসল সাবুদানা পানিতে দেয়ার পর নাড়াচাড়া দিলেও পানি স্বচ্ছ ও পরিস্কার থাকে, ঘোলাটে হয়না। কিন্তু নকল সাবুদানা পানিতে মেশালে পানি ঘোলাটে হয়ে যায়।
06/06/2026
%-- পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া -%%
Glowing Skin: ত্বকে লাগালেই ফিরবে যৌবন! ব্রণ, বলিরেখা, কালো ছোপ হঠাতেও এই পদ্ম গুলঞ্চ গুড়ায় রয়েছে হাজারো গুণ----
(Skin Benefits) পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া । বলিরেখা, দাগছোপ, ত্বকের ঝুলে যাওয়া রোধ করে গিলয় বা পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া ।
কালো দাগ দূর করতে এবং ব্রণ সারাতে গুলঞ্চ অব্যর্থভাবে কাজ করে। কারণ পদ্ম গুলঞ্চে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ইমিউনিটি বৃদ্ধিকারক উপাদান। এর ফলে একাধিক প্রদাহ উৎপাদক পদার্থ থেকে ত্বককে রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে পদ্ম গুলঞ্চের। নিয়মিত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া ব্যবহার করলে ত্বক হয়ে ওঠে দীপ্তিময় এবং উজ্জ্বল। দেখা যাক ত্বকের জন্য কোন কোন পথে উপকারে আসে পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া —
• প্রাণহীন ত্বকে পুনরায় প্রাণের সঞ্চার করতে পারে পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া ।
• পদ্ম গুলঞ্চে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ঢালের মতো ত্বককে ‘র্যাডিক্যালস’-এর ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। র্যাডিক্যালস হল কোষের ক্ষতিকারক বর্জ্য যা নানা ভাবে দেহে ও ত্বকে প্রদাহ তৈরি করে।
• ব্রণ উৎপাদক ব্যাকটেরিয়া এবং বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে মুখমণ্ডলকে আরও পরিষ্কার, সুন্দর এবং প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল করে তোলে পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া ।
• সূর্যের ক্ষতিকারক আলট্রাভায়োলেট রে বা অতিবেগুনি রশ্মি থেকেও ত্বককে রক্ষা করে পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া । ফলে পিগমেন্টশন, কালো দাগ, এবং ত্বকের পুড়ে যাওয়ার সমস্যা ত্বক থাকে মুক্ত।
• ত্বকে রক্তপ্রবাহ বজায় রাখে পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া । এর ফলে ত্বক হয়ে ওঠে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল।
পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া নানাভাবে ব্যবহৃত হয়। ত্বকের একাধিক সমস্যাতেও সরাসরি ত্বকে পদ্ম গুলঞ্চের গুড়ার প্রলেপ দেওয়া যায়।
এককথায় বলা যায়, ত্বকের জন্য পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া নানাভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। বিশেষ করে ভয়ঙ্কর ধরনের ব্রণর সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিরা পদ্ম গুলঞ্চ গুঁড়া ব্যবহারে বিশেষ উপকার পেতে পারেন। এছাড়া ত্বকের বলিরেখা দূর করে ত্বককে করে তুলতে পারে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল।
Ongon harbals
20/05/2026
ত্বক ও চুলের যত্নে অ্যালোভেরা জেল এক অত্যন্ত কার্যকরী প্রাকৃতিক উপাদান。ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই জেলের নিয়মিত ব্যবহার ত্বককে আর্দ্র ও সতেজ রাখে এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে।
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা জেলের উপকারিতা:
গভীর ময়েশ্চারাইজার: এটি ত্বককে চিটচিটে না করেই গভীর থেকে আর্দ্র বা হাইড্রেটেড রাখে।
রোদে পোড়া দাগ দূর করে: ত্বকে রোদে পোড়া (সানবার্ন) বা লালচে ভাব দূর করতে অ্যালোভেরা জেলের শীতল প্রভাব অত্যন্ত উপকারী।
ব্রণ ও দাগ হ্রাস: এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণের কারণে এটি ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং ত্বকের দাগছোপ হালকা করে।
বয়সের ছাপ কমায়: ত্বকে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যা বলিরেখা ও বয়সের ছাপ কমাতে সহায়ক।
চুলের যত্নে অ্যালোভেরা জেলের উপকারিতা:
প্রাকৃতিক কন্ডিশনার: অ্যালোভেরা চুলকে সিল্কি, উজ্জ্বল ও নরম করতে সাহায্য করে।
খুশকি দূর করে: এটি মাথার ত্বকের সংক্রমণ ও শুষ্কতা কমিয়ে খুশকি প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে।
মাথার ত্বকের সুরক্ষা: মাথার ত্বকের চুলকানি ও প্রদাহ দূর করতে এর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য সাহায্য করে।
চুল পড়া রোধ: চুলের ফলিকল পরিষ্কার ও পুষ্টি জুগিয়ে চুল পড়া রোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
ব্যবহারের পরামর্শ:
সেরা ফলাফলের জন্য অ্যালোভেরা জেল ফেসপ্যাক এর সাথে লেবুর রস মিক্স করতে পারেন এবং হেয়ার মাস্কে মধু, বা অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের সাথে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।
19/05/2026
🌹=কালো মেহেদি (Black Henna) চুলের যত্নে একটি প্রাকৃতিক এবং ভেষজ উপাদান, যা অকালে চুল পাকা রোধ করে চুলকে কুচকুচে কালো, ঘন ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে, খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করে এবং চুলকে নরম ও সিল্কি রাখে। এটি ক্ষতিকারক কেমিক্যালযুক্ত হেয়ার ডাইয়ের একটি নিরাপদ বিকল্প।
কালো মেহেদির প্রধান উপকারিতা--
👌-প্রাকৃতিকভাবে চুল কালো করা: পাকা চুল বা সাদা চুলে প্রাকৃতিক উপায়ে গাঢ় কালো রং আনে।
👍-চুলের গোড়া মজবুত ও ঘন করা: এটি চুলের গোড়া শক্ত করে এবং নিয়মিত ব্যবহারে চুল ঘন ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়।
💐-খুশকি ও চুলকানি দূর: এতে থাকা উপাদান মাথার ত্বকের খুশকি ও চুলকানির সমস্যা দূর করে।
👍-চুল নরম ও সিল্কি করা: চুলকে রুক্ষতা থেকে রক্ষা করে নরম, সিল্কি এবং ঝলমলে করে তোলে।
👌-নতুন চুল গজাতে সাহায্য: চুলের গোড়াকে উদ্দীপিত করে নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে।
♥️-কেমিক্যালমুক্ত যত্ন: কেমিক্যালযুক্ত কলপের পরিবর্তে এটি সম্পূর্ণ ভেষজ হওয়ায় এটি চুলের কোনো ক্ষতি করে না।
👌-ব্যবহারের নিয়ম:
ভালো ফলের জন্য, মেহেদি গুঁড়ার সাথে আমলকি, শিকাকাই, ইন্ডিগো পাতা বা চা পাতা জ্বাল দেওয়া পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে চুলে ১-২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে।
সতর্কতা: সবসময় ভালো মানে কালো মেহেদি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
19/05/2026
@-=ত্বক ও চুলের গ্লো এবং উজ্জ্বলতা বাড়াতে চামেলি তেল (Jasmine Oil) একটি চমৎকার প্রাকৃতিক উপাদান। এটি আর্দ্রতা জোগায়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্যের কারণে স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ত্বককে মসৃণ ও তারুণ্যদীপ্ত করতে সাহায্য করে।
%--ত্বকের যত্নে উপকারিতা:
প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার: ত্বকের গভীর থেকে আর্দ্রতা ধরে রাখে, যা শুষ্ক ও রুক্ষ ভাব দূর করে ত্বকের প্রাকৃতিক গ্লো বাড়ায়।
বলিরেখা প্রতিরোধ: ত্বকে বয়সের ছাপ ও বলিরেখা পড়তে দেয় না, ত্বক টানটান ও উজ্জ্বল রাখে।
সংক্রমণ হ্রাস: এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ ব্রণের সমস্যা ও ত্বকের চুলকানি কমায়।
স্কিন টোন উন্নত: ত্বকের দাগ-ছোপ দূর করে ত্বকের রঙ মসৃণ ও উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে।
%--চুলের যত্নে উপকারিতা:
প্রাকৃতিক কন্ডিশনার: চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি দেয় এবং রুক্ষতা দূর করে চুলকে সিল্কি ও ঝলমলে করে তোলে।
চুলের গোড়া মজবুত করে: মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুল পড়া কমায়।
খুশকি ও ইনফেকশন দূর: স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা বজায় রেখে খুশকি ও মাথার ত্বকের যেকোনো সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করে।
&--ব্যবহারের নিয়ম:
চামেলি তেল সাধারণত অনেক ঘনীভূত (Concentrated) বা এসেনশিয়াল অয়েল হওয়ায় এটি সরাসরি ত্বকে বা চুলে ব্যবহার করা উচিত ন
য়। এর সাথে নারকেল তেল, আলমন্ড অয়েল (কাঠবাদাম তেল), বা জোজোবা অয়েল মিশিয়ে তারপর ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
09/05/2026
❤️-ফেসের গ্লো বা উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং ত্বক গভীর থেকে পরিষ্কার করতে অ্যাক্টিভেটেড চারকোল বা চারকোল পাউডার অত্যন্ত কার্যকর। এটি মূলত ত্বক থেকে বিষাক্ত পদার্থ, অতিরিক্ত তেল এবং ময়লা শুষে নিতে সাহায্য করে।
ফেসের গ্লো বাড়াতে চারকোল পাউডারের প্রধান উপকারিতা--
গভীরভাবে পরিষ্কার (Deep Cleansing): চারকোল ত্বকের ছিদ্র বা পোরস-এর গভীরে গিয়ে জমে থাকা ময়লা, ধূলিকণা এবং দূষণ পরিষ্কার করে, ফলে ত্বক সতেজ ও উজ্জ্বল দেখায়।
অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ (Oil Control): তৈলাক্ত ত্বকের জন্য এটি খুবই ভালো। এটি ত্বকের অতিরিক্ত সিবাম বা তেল শুষে নিয়ে ত্বককে ম্যাট (matte) রাখে এবং ব্রণের উপদ্রব কমায়।
ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর করা: এটি ত্বকের ওপরের মৃত কোষ এবং ব্ল্যাকহেডস দূর করে, ফলে ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়।
ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ানো (Brightening): নিয়মিত ব্যবহারে এটি ত্বকের কালচে ভাব দূর করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক গ্লো বা সতেজতা ফিরিয়ে আনে।
ট্যান রিমুভাল (Tan Removal): রোদে পোড়া দাগ বা ট্যান দূর করতে চারকোল ফেস মাস্ক বেশ কার্যকর।
ব্যবহার বিধি:
১. ফেইস মাস্ক: ১ চামচ চারকোল পাউডারের সাথে মধু বা অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে মুখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
২. স্ক্রাব: ফেসওয়াশের সাথে সামান্য চারকোল মিশিয়ে আলতো স্ক্রাব করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
সতর্কতা:
যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তারা সপ্তাহে ১ দিন বা ১৫ দিনে ১ বার ব্যবহার করতে পারেন।
তৈলাক্ত ত্বকে সপ্তাহে ২-৩ বার ব্যবহার করা যেতে পারে।
ব্যবহারের পর অবশ্যই একটি ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
Benefits of Charcoal for Skin - The Ongon হারবালস
Call-01710-008787
Charcoal Purifying Glow Mask is
02/05/2026
%- তুলসী বীজ-%
ঔষধি গুণে ভরপুর তুলসীর বীজ! রোজ খেলে কী কী উপকার মিলবে জানেন?
Tulsi Seeds Benefits: তুলসী পাতার যেমন গুণের শেষ নেই, ঠিক তেমনই এর বীজও কিন্তু অত্যন্ত উপকারী। বহু অসুখে দারুণ কাজ করে এই প্রাকৃতিক উপাদান। কোন কোন রোগে দূরে রাখে? কী ভাবে খাবেন? আসুন জানা যাক।
মনে রাখবেন, এই গাছের পাতার পাশাপাশি বীজেরও কিন্তু অনন্য কিছু গুণ রয়েছে। তাই আমাদের সকলেরই সেই দিকটাতেও নজর ফেরানো দরকার। কিন্তু আমাদের অজ্ঞানতায় এই বীজের গুণ রয়ে গিয়েছে অন্তরালে।
১. খনিজের ভাণ্ডার
১. খনিজের ভাণ্ডার
চিকিৎসা বিজ্ঞান জানাচ্ছে, তুলসীর বীজ হল খনিজের ভাণ্ডার। এই বীজে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এই প্রাকৃতিক উপাদান এক চামচ খেলে সারাদিনের ১০ শতাংশ ক্যালশিয়ামের চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। তাই হাড়ের কোনও সমস্যা থাকলে অবশ্যই তুলসীর বীজ খেতে হবে। এতে মজুত থাকা ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম দুইই কিন্তু অস্থিকে শক্তিশালী করে তোলে। তাই যে কোনও বাতের ব্যথায় ভুক্তভোগীরা অবশ্যই নিয়মিত তুলসীর বীজ খান। এতেই সমস্যা হবে দূর।
২. ফাইবারে ভরপুর
২. ফাইবারে ভরপুর
ফাইবার নিয়ে এখন প্রতিনিয়ত আলোচনা হয়। এই উপাদানটি সুস্থ থাকার অন্যতম হাতিয়ার। তাই বিশেষজ্ঞরা এমন খাবার খেতে বলেন যাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে। এক্ষেত্রে তুলসীর বীজে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার। এই ফাইবার ওজন কমাতে পারে, রক্তে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে, পেটের সমস্যা মেটায়, কোলেস্টেরল কমাতে পারে। তাই বুঝতেই পারছেন এই প্রাকৃতিক উপাদান নিয়মিত খেলে কত উপকারই না পাবেন!
৩. ওমেগা থ্রি-এর উৎস
৩. ওমেগা থ্রি-এর উৎস
আমাদের মধ্যে বেশিরভাগজনই ওমেগা থ্রি-এর উৎস হিসাবে কেবল মাছ ও বাদামের কথাই জানেন। শুনলে অবাক হবেন, আমাদের হাতের কাছে থাকা তুলসীর বীজেও কিন্তু রয়েছে বেশকিছুটা পরিমাণে ওমেগা থ্রি। হেলথলাইন জানাচ্ছে, ১ টেবিল চামচ তুলসীর বীজে রয়েছে প্রায় ২.৫ গ্রাম ওমেগা থ্রি। আর ওমেগা থ্রি শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী, তা তো বলাই বাহুল্য। এই উপাদান দেহে পর্যাপ্ত পরিমাণে উপস্থিত থাকলে হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে। এছাড়াও বহু রোগ থাকে দূরে।
৪. ডায়াবিটিসে কার্যকর
৪. ডায়াবিটিসে কার্যকর
ডায়াবিটিস রোগটি বিভিন্ন অঙ্গের গুরুতর ক্ষতি করে। বিশেষত, এদেশে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু কয়েক বছরে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, এই অসুখে আক্রান্ত অনেকেরই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। যে কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে চোখ, কিডনি, স্নায়ুতে। তবে চিন্তা নেই মশাই, ওষুধ যেমন খাচ্ছেন খেয়ে যান, এর পাশাপাশি খেতে পারেন তুলসীর বীজ। এই বীজে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
৫. কী ভাবে খাবেন?
৫. কী ভাবে খাবেন?
তুলসীর বীজ নানাভাবে খাওয়া যায়। এক্ষেত্রে সারারাত এই বীজ পানিতে ভিজিয়ে সকালে ছেঁকে নিয়ে সেই পানি পান করতে পারেন। এছাড়া তুলসীর বীজ গুঁড়ো করে রান্নায় দিতে পারেন। চাইলে বিভিন্ন পানীয়তে তুলসীর বীজের কয়েকটি দানা ছড়িয়ে পান করতে পারেন। এতে ভিন্নরকম এক স্বাদ পাবেন, আর শরীরও থাকবে ফিট। তাই এই ভেষজকে অবহেলা করার ভুল করবেন আর না যেন।
01/05/2026
&&&& ভেন্না বীজ &&&&
উদ্ভিদ:ভেন্না/ভেরেণ্ডা/ ভ্যারেণ্ডা/ রেঢ়ি/
বৈজ্ঞানিক নাম: Ricinus communis L.
ইংরেজি নাম: Castor Oil Plant, Castor-bean Plant, Wild Castor Plant
একসময় এই গ্রামবাংলার পথঘাট লোকালয় নানা গাছগাছানি আর পত্রপল্লবে ছায়া সুনিবিড় থাকলেও রূপসী বাংলার চিরচেনা সেই রূপ আজ আর নেই।
বাংলাদেশের গ্রাম ও গঞ্জের আনাচে কানাচে নানা ধরনের ওষুধি উদ্ভিদ পাওয়া যেত। কিন্তু এখন এসবের সংখ্যা নগন্য তাদের অন্যতম হচ্ছে ভেরেন্ডা বা ভেন্না বীজ এই ভেরেন্ডাকে গ্রাম্যভাষায় বলা হয় হ্যান্ডা। আমাদের দেশে ভোজ্যতেলের তালিকা ভেরেন্ডা একটি পরিচিত নাম।
গ্রামের বনজঙ্গল, ঝোপঝাড় ও বাড়ীঘরের আনাচে কানাচে প্রচুর পরিমাণে ভেন্না গাছ দেখতে পাওয়া যেত। কালের আবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে সেই গাছ।
গাছের বয়স ২-৩ মাস হলেই শাখায় শাখায় ফুলের কাঁদি হয়। প্রতিটি কাঁদিতে দেড় থেকে দুই শতাধিক ফল ধরে। প্রতিটি ফলে ৩-৪ টি দানা বীজ হয়। কাঁদিগুলো পাকধরণে হাল্কা কালচে বর্ণের হয়ে থাকে। তখন গাছ থেকে কাঁদিসহ ফল ছড়িয়ে নিয়ে রোধ শুকিয়া বীজ সংগ্রহ করা হয়। বীজগুলো রোধ শুকিয়ে সরিষা অথবা তিল তিসির সাথে মিশিয়ে মেশিনে ভাঙিয়ে ভোজ্য তেল তৈরি করা হয়।
ভেন্নার কাঁচা বীজ কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে বিশেষ কার্যকরী।
01/05/2026
চুলের যত্নে বহেরা গুড়ার উপকারিতা-
চুলের যত্নে বহেরা গুঁড়ার বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য উপকারিতা রয়েছে। এটি প্রাকৃতিকভাবে চুলের নানা সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
বহেরা গুঁড়ার প্রধান উপকারিতা:
চুল পড়া রোধ ও চুলের গোড়া মজবুত করা: বহেড়াতে থাকা ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান চুলের ফলিকলে পুষ্টি জোগায়, যা চুল পড়া কমাতে এবং চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে।
খুশকি দূর করা: এর অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য মাথার ত্বককে (স্ক্যাল্প) খুশকি এবং অন্যান্য সংক্রমণ থেকে মুক্ত রাখতে এবং ময়শ্চারাইজ করতে সাহায্য করে।
অকালপক্বতা রোধ: নিয়মিত বহেড়া গুঁড়া ব্যবহারে চুল অকালে পেকে যাওয়া বা সাদা হওয়া রোধ করা যায়।
চুলের বৃদ্ধি ও উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: এটি চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, চুলকে মসৃণ, ঘন এবং উজ্জ্বল করে তোলে।
রুক্ষতা দূর করা: এটি চুলের রুক্ষতা দূর করে এবং চুলের স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
ব্যবহারের পদ্ধতি:
হেয়ার প্যাক হিসেবে: বহেড়া গুঁড়ার সাথে আমলকী গুঁড়া, মেথি গুঁড়া, টক দই এবং পরিমাণমতো পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে চুলে ও মাথার ত্বকে লাগানো যেতে পারে। কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।
তেলের সাথে ব্যবহার: আপনার পছন্দের কোনো হেয়ার অয়েলের (যেমন নারকেল তেল) সাথে বহেড়া গুঁড়া মিশিয়ে হালকা গরম করে মাথার ত্বকে মাসাজ করলেও উপকার পাওয়া যায়।
পানি দিয়ে ধোয়া: বহেড়ার ফলের ভিতরের বিচি বাদ দিয়ে শুধু ছাল বা গুঁড়া পানি দিয়ে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেললে চুল ওঠা বন্ধ হতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Al-Modina-Road
Dhaka
