Tasnim's creation
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tasnim's creation, Health/Beauty, south bonosree, Dhaka.
15/07/2024
বন্ধু হওয়া উচিত আয়না এবং ছায়ার মতো
কারণ
আয়না আমাদের মিথ্যে বলে না,
আর ছায়া :- কখনো আমাদের সঙ্গ ছাড়েনা,,
ঠিক তেমনি
একজন ভালো বন্ধু আয়নার মতো স্বচ্ছ হয়,,
যে সব সময়ই আমাকে সত্যিটাই বলবে,
আমাকে খারাপ পথে যাওয়া থেকে আটকানোর জন্য
সে আপ্রাণ চেষ্টা করবে,
আমি কি মনে করব... সে এই কথার তোয়াক্কা না করে..
সেই সমস্ত অপ্রীতিকর কথা বলতে সে রাজি, যেটা
বললে হয়তো আমার ভালো হতে পারে,,,,,,,
বন্ধু হওয়া উচিত
চোখ এবং হাতের মত
হাত ব্যথা পেলে
চোখ ঝাপসা হয়ে যায়...
আর চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরলে
হাত তা মুছে দেয়.....
প্রতিটা মেয়েই এমন একটা লাইফ পার্টনার চায়,
যদি লাইফ পার্টনারটা তার উল্টো হয়
তখন সে খুঁজে এমন একজন বন্ধুকে..
যে সুখে দুখে সর্বসময়ে পাশে থাকবে।.।।
26/09/2023
আসসালামু আলাইকুম
কারোর সিলিকা জেল প্রয়োজন হলে নক দিবেন
নীলার ছোটবেলা
💃💃💃💃💃💃💃💃💃💃💃💃
খুব ছোটোবেলায় বিয়ে হয় নীলার..
যাকে বলে (১৩/১৪) বাল্য বিবাহ..
উঠতি বয়স একে তো শরিরের পরিবর্তন,,
অন্যরক ভালোলাগা কাজ করতো, নীলা ছোটো বেলা থেকেই হোস্টেলে থেকে লেখা পড়া করে ৬ বছরের কোর্স কমপ্লিট করে (দাওরা হাদীস),
, নীলা মাঝে মাঝে বাসায় আসতো বৃহস্পতিবার নীলার বড়ো ভাই /আম্মু গিয়ে আনতো আবার শনিবারে সকালে দিয়ে আসতো,,
এই লাইফটা অনেকটা জেলখানার কয়েদি কয়েদি মনে হতো নীলার কাছে, এভাবে করে ছয়টি বছর পার হল, নিলা সাজতে খুব ভালোবাসতো , হোস্টেলের রুমগুলো অনেক বড় বড় ছিল,
এক একটা রুমে ১০ টি ১২ টি করে ফ্যান ছিল, নীলা খুব হাস্যজ্জল মেয়ে.. অনেক বান্ধবীদেরকে নিয়ে খুব মজা করতো,
হোস্টেলটি ছিল সেনি পাতা, অনেক বড় বড় রুম, রুমের সাথেই বড় বড় বারান্দা , তার সাথেই সারিবদ্ধ ভাবে পানির ট্যাপ /কল,
বিকেল হলেই সেই বারান্দাতে কেউ হোমওয়ার্ক করত -কেউ মাথায় তেল দিয়ে দিত - কেউ আবার গল্প করত -কেউ গানের কলি গজলের কলি খেলত - আবার কেউ লেখাপড়া করতো,,
নিলা যখন নতুন ভর্তি হয় তখন ১৫দিন পর পর বাসায় যেত , যখন একটু বড় হয় মানে উপরের ক্লাসে উঠে তখন পরীক্ষার ছুটি এবং ঈদের ছুটিতে বাসায় যেত, তবে যাওয়ার আগের দিন সবাই মিলে খুব মজা করত, পিকনিক করতো,
নীলার ক্লাসে যারা অনাবাসিক ছাত্রী ছিল তারা খাবার রান্না করে নিয়ে আসতো, যখন হোস্টেলের টিচাররা ঘুমিয়ে যেত তখন সবাই উঠতো 😄আসলে কেউ ঘুমাতো না ঘুমের ভান করতো
,টিচারদের ঘুমের অপেক্ষা করত, ছুটির আগের রাতে খাবার খেয়ে সবাই সাজুগুজু করে নাচ গান করত যে নাচতে পারতো সে নাচতো যে গাইতে পারতো সে গাইতো কেউ কবিতা আবৃত্তি কেউ অভিনয় করত কেউ শাড়ি পরতো বউ সাজত,নীলা সবসময় নাচ গান ও অভিনয় করতো,,
সবাই মিলে অনেক মজা করে যখন ঘুমিয়ে যেত, প্লান অনুযায়ী তখন নীলা ও কয়েকজন মিলে কাজলের কালি লিপিস্টিক এসব দিয়ে সবাইকে সাজাতো কাউকে ভূত কাউকে দাড়ি মোচ কাউকে বউ আবার কারোর পুরো মুখে কালি দিয়ে শুধু চোখ ভ্রু ও ঠোঁট লিপিস্টিক দিয়ে লাল করে দিত 😆😆
সকালে উঠে যখন মুখ ধুতে যেত তখন একজন আরেকজনকে দেখে হাসতো.......... 😁😁💃💃
নীলারা একসাথে অনেকজন ছাত্রী ছিল, একই ক্লাসে প্রায় ১৭০ জন এর মধ্যে কিছু অনাবাসিক ছিল, আবাসিক ছাত্রীদের মধ্যে অধিকাংশই ঢাকার বাহিরের ছাত্রী ছিল যেমন :খুলনা বাগেরহাট কুমিল্লা নোয়াখালী কিশোরগঞ্জ ব্রাহ্মণবাড়িয়া চাঁদপুর দোহার ইত্যাদি ইত্যাদি
এবং এক এক নামের ৩-৪ জন ছিল।
নীলার দেশের বাড়ি ভোলা হওয়াতে নীলাকে সবাই ভুলি বলে ডাকতো কারণ একই নামে নিলার ক্লাসে পাঁচজন ছিল, এক নীলাকে ডাকলে আরো চার নীলা উত্তর দিতো 😁😁
নীলাদের সাউন্ড বক্সে হুজুররা ক্লাস নিত , অনেক ছাত্রী থাকায় সবাই সামনে বসতে চাইতো,
ক্লাসে হাফসা নামে এক ছাত্রী ছিল সে পুরো সপ্তাহের একটি রুটিন বানায়
১ম ২য় ৩য় কোন দিন কে কে বসবে,
যেদিন নীলা খুব পিছনে বসতো সেদিন ক্লাসের মধ্যে হুজুর যখন পড়া বলত তখন জিজ্ঞেস করত বুঝছো তোমরা?? নীলা পিছন থেকে চিৎকার করে সবার সাথে বলতো জি হুজুর....
হুজুর তখন বলতো এই তোমাদের ক্লাসে একটা ছোটো বাচ্চা আছে সেই বাচ্চাটিকে সামনে বসতে দাও 😆😆😆
আসলে নীলার কন্ঠটা ছিল অনেকটা বাচ্চার মত, নীলা সামনে বসার জন্য ইচ্ছে করেই এই কাজটি করতে😜😜....,,,
নিলা সাজতে খুব ভালবাসত, মাদ্রাসায় নীলার অনেক উপাধি ছিল কেউ ডাকতো ম্যাচিং মাস্টার কেউ ডাকতো বিউটিশিয়ান কেউ ডাকত পিচ্চি কেউ ডাকতো ভোলা খালামণি কেউ ডাকতো ফুপি যার যেমন ইচ্ছা,
নিলার ক্লাসে সব বয়সের মেয়ে ছিল কেউ বিবাহিতা ছিল কেউ ইন্টার পাশ করা ছিল কেউ মেট্রিক পাশ করা কেউ বাসায় বাচ্চা রেখে এসে পড়তো,কেউ প্রেগন্যান্ট অবস্থায় ছিল,,
নীলার বয়সি কিছু মেয়ে ছিল,, নীলার খুব কাছের ফ্রেন্ড ছিল ২কুলসুম হাফসা ফাহিমা মারজিয়া জান্নাত আমেনা রাবেয়া (চুপচাপ)
এই চুপচাপের উপাধি টা নীলাই রাবেয়াকে দিয়েছিল ,
কারণ রাবেয়া ক্লাসে কারোর সাথে কোন কথা বলতো না শুধু নীলার সাথে কথা বলতো,,
নীলা ঘুরতে খুব পছন্দ করত,,, যখন কোনো ক্লাসমেটের বিয়ে হতো পরে মাদ্রাসায় আসলে সবাই মিলে তাকে ঘিরে ধরত গল্প শোনার জন্য...
জামাই কেমন প্রথম রাতে কি হয়েছে শশুর শাশুড়ি কেমন..
মাদ্রাসায় কে দিয়ে গেল ইত্যাদি ইত্যাদি
এই ছয়টি বছর লীলার কাছে মনে হয়েছিল সারাটি জীবন,, আসলে নীলা অবুঝ ছিল,
যখন পরীক্ষা আসতো তখন নীলার কাছে মনে হতো বিবাহিত জীবন অনেক ভালো সেখানে কোন পরীক্ষা নেই লেখাপড়া নেই কোন প্যারা নেই...
নীলার মতো আরো কিছু ক্লাসমেটের কথা ছিল এমন (ছাত্রী জীবন সুখের জীবন... …যদি না হয় পরীক্ষা).... ….
নীলার কাছে মনে হতো এটা একটা জেলখানা, এটা থেকে কবে মুক্তি পাবো...??
বিয়ে হলেই বাঁচি 😁😁,,নিলার শুধু মনে হতো কবে এ জীবন থেকে মুক্তি পাবো, আসলে নীলা জানতো না এটাই যে ছিল তার জীবনের সবচেয়ে সুখের মুহূর্ত গুলো, নীলা যে জীবন টার আশা করছিল সে জীবনটা হবে একটা ভয়ংকর জীবন,,, এবং তার জন্য অপেক্ষা করে আছে উত্তপ্ত মরুভূমি এবং কঠিন আগুনের কুণ্ডলী.......... …...........
চলবে.....................
নীলার সংসার
🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹🌹
সত্য ঘটনা অবলম্বনে
আমার স্বামী প্রতিদিন কচু খেয়ে বাসায় আসে,
তবে যে সে কচু নয় একদম মান কচু,
শুনেছি মান কচু খেলে নাকি অনেক গলা ধরে!
আমি নাম ধরে ওভাবে চিনিনা তবে যারাই ঝগড়া করে তাদেরকেই তো মান কচুর সাথে তুলনা করা হয়,
ওমা হাসছো কেন bf? তোমার কাছে কি লুকাবো বলো…… নীল প্রতিদিন আমার সাথে ঝগড়া করার জন্য কোমর বেঁধে নামে তবে বিশ্বাস করো আমি কোনও দিনও কসম কাটিনা তারপরও বলছি আল্লাহর কসম আমি একদম চুপ থাকি,বাচ্চারা সাক্ষী, বারান্দার গ্রিল শক্ত হাতে ধরে আকাশের দিকে চেয়ে থাকি তখন আমার চোখে যেন কি হয় জানো… পানি পড়তে থাকে অঝোরে অথবা কিচেনে মাজাঘষার কাজে নিজেকে বেস্তো রাখি, কি করবো বলো উত্তর দিতে গেলে তো নীলের মুখের জোর হাতে এসে যাবে এখন আর নিতে পারিনা জানো! বেশিদিনের কথা নয় এক…………… অপারেশন করে আসলাম 😥 আমারও তো শরির তা-ই না,,, আমার না চোখের ডাক্তার দেখানো দরকার খালি ঝাপসা য়ে যায় এখনও তাই কিছুই দেখছি না bf, নীলের মনে কি চলে আমি জানিনা নীল তোমাকেই বলছি … তুমি কি বিয়ে করতে চাও? আমি বাধা দিবো না করো,বিদেশে যেতে চাও? আমি পথ আটকাবো না যাও, সেই আগের মতো আমার …………. আনতে চাও? ওকে আমি বাচ্চাদের নিয়ে কোথাও যাবো,,,, কি চাও তুমি বলো নীল বলো … আমাকে এভাবে আর যন্ত্রনা দিও না, গত ২০টি বছর আমাকে এভাবে নির্যাতন করে আসছো আমিও তো মানুষ বাঁচার অধিকার আমারও আছে??? তুমি যদি ভেবে থাকো আমি নিজ থেকে চলে যাবো তবে তুমি বোকার সর্গে বাস করছো আমার মায়ের দেয়া শিক্ষা মুরগি একবারি জবাই করা হয়, আমি ধান চিটা নই যে বাতাসে উড়ে যাবো,, কতবছর তুমি আমাকে মন খুলে আদর করোনা😥 যদিও মন চাইলে মাসে একবার আসো তখন তোমার কল্পনায় থাকে অন্য কেউ,(, নীলার কামিজের সামনের অংশ দিয়ে মুখ ঢেকে দেয় নীল)সর্ব সময় নীল ভাত কাপড়ের খোটা দেয়, জন্ম নিয়ে ঔষধ নিয়ে আত্মীয় স্বজন নিয়ে,, নীলা মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে এক ভাই এক বোন, নীলা ছোটো, এ বিয়ে টা এক হিসেবে প্রেমের বিয়ে আবার তাবিজ বাবারও কেরামতি আছে……………................. চলবে
collected,
আমার নিষেধ /মানা
😥😥😥😥😥😥😥😥😥😥
ডাইরির পাতায় কিছু লেখা আমার মানা,
ফেসবুকে কিছু পোস্ট করা মানা,
কারো সাথে কিছু শেয়ার করা মানা
আমার বাবা-মা ভাই বোন সকল আত্মীয়-স্বজনের সাথে কথা /সম্পর্ক রাখা মানা,
বাপের বাড়ি যাওয়া মানা,
হাত খরচ নেয়া মান,
নিজে উপার্জনের পথ বেছে নেওয়া মানা,
মানিব্যাগ থেকে দশ ২০ টাকা নেয়া মানা,
বাচ্চাদেরকে শাসন করা মানা,
আমার হাতে মোবাইল থাকা মানা,
আমার পক্ষের কেউ বাসায় আসা মানা,
তুমি বাসায় আসলে আমার হাতে মোবাইল /রিমোট থাকা মানা,
আমি বিছানায় থাকা মানা,
আমার মোবাইলে কারোর কল আসা মানা,
এটাই হচ্ছে আমার সংসারের দৈনন্দিন রুটিন,,,,,,,,,,,,,
হাই facebook… কেমন আছো তুমি, অনেকদিন পর আসলাম তোমার সাথে কথা বলার জন্য …তুমি কি জানো …আমি না এখন বড় হয়ে গেছি, এখন অনেক কিছু বুঝি, আমি চুপ থাকতে শিখে গেছি, মানিয়ে নিতে শিখে গেছি, কষ্ট পেয়েও সেটা হজম করতে শিখে গেছি, আগে একটা বাজে অভ্যাস ছিল আমার …আমার মনের কষ্টগুলো কাউকে শেয়ার করতে হতো, এখন বড় হয়ে যাওয়ায় কাউকে শেয়ার করতে হয় না, নিজেকে নিজে মানিয়ে নেই,, ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেই, একটা সময় ছিল …যখন মরে যেতে ইচ্ছে করতো, এখন বেঁচে থাকাটাকে অবলম্বন করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া শিখে গেছি, এখন আর পেছন ফিরে তাকাই না …কে কি বলেছিল.. কে অপমান করেছিল. কে আঘাত দিয়েছিল.. আর কোন কিছু নিয়েই ভাবি না, তবে জানো তোমার বুকে কিছু শেয়ার করতে খুব ভয় পাই …আসলে সেটা তোমাকে নয়. তুমি যাদের মাঝে ছড়িয়ে আছো সেই সব মানুষগুলোর মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষকে যারা অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ায় …এবং সেগুলো নিয়ে খুব ঝামেলা করে তাদেরকে।।।।
14/12/2022
আসসালামু আলাইকুম, সবাই কেমন আছেন, বাচ্চাদের কিছু কাঁথা সেলাই করলাম,, কারো ভালো লাগলে সেলাই করে দেয়া যাবে।।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
South Bonosree
Dhaka
