Dr. Khaleda Jahan Jenny
সকল ধরনের জটিল ও কঠিন রোগীদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা এবং পরামর্শ সেবা দেয়া হয়।
18/09/2025
ডিপ্রেশন, প্যানিক অ্যাটাক, ট্রমা, অ্যাংজাইটি, ওসিডি, তীব্র হতাশা, একাকীত্ব, সম্পর্কে মনোমালিন্য, বিবাহ-বিচ্ছেদ, কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ, কনভার্সন, নেতিবাচক চিন্তা, মৃত্যুভয়, নিদ্রাহীনতা, অ্যাডিকশন, ফোবিয়া, পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার, অতিরিক্ত রাগ, সিজোফ্রেনিয়া, ডিমেনশিয়া, আত্মহত্যার প্রবণতা, এডিএইচডি, চাইল্ড এন্ড এডোলেসেন্ট সাইকোলজিক্যাল ইস্যু সহ সকল মানসিক সমস্যার চিকিৎসা পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।
অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে
হোয়াটসঅ্যাপ 📱 01778-137677
17/09/2025
মধ্য বয়স্ক লোকটি যন্ত্রণায় ছটফট করছিল , চেম্বারে ঢুকে ভালো করে কথা বলতে পারছিল না ।শুধু বারবার বলছিল, তিনদিন যাবত প্রস্রাব আটকে আছে মাঝে মাঝে ফোটা ফোটা প্রস্রাব ঝরে। প্রস্রাবের বেগে পেট ফেটে যাওয়ার মত যন্ত্রনা হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলাম এই তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালে বা অন্য কোথাও যাননি কেন?
বলল, এখানে আসবো তাই অন্য কোথাও যাইনি। যাই হোক রোগীর অবস্থা খুব খারাপ তাই ভালোভাবে কথাও বলতে পারছিনা না। (রোগীর কিছু জটিলতার কারণে হাসপাতালে গিয়ে ক্যাথেটার পড়া সম্ভব ছিল না)
যাই হোক আমি তার লক্ষণ গুলো শুনে তাকে একটা মেডিসিন খেতে দেই, আর বলি আধা ঘন্টার মধ্যে ইনশাআল্লাহ আপনার কষ্ট গুলো কমে যেতে শুরু করবে।
রোগী আমার কথাটা শুনে আশ্বস্ত হয় এবং ধৈর্য ধরে বসে থাকে। ২০ মিনিট পর সে টয়লেটে যায় এবং তার প্রস্রাব হয় খুব ভালোভাবেই আল্লাহর রহমতে।
এর আধা ঘন্টা পরে অনেক ভালোভাবে পুরোপুরি ক্লিয়ার ভাবে প্রস্রাব হয়ে যায়। রুগী এবং তার পরিবার তো মহা খুশি।
রোগীটি আমাকে বললেন আপনি আমার মা! আপনার ঔষধ খেয়ে আমার শরীরটা আল্লাহর রহমতে খুব ভালো লাগছে। দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে অনেক অনেক ভালো রাখেন। তিনি আমাকে আরো অনেক দোয়া করলেন।
রোগীরা ডাক্তারের কাছে আসে তার রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ।কিন্তু এই রোগীটি এত ভয়ানক কষ্ট পাচ্ছিল যে তার সুস্থতা আসার পর তিনি আমাকে মা ডাকলেন, আমার জন্য হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন। বিষয়টা আমার অন্তরকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।
হতে পারে হাশরের ময়দানের ভয়াবহ দিনে, কোন মানুষের প্রাণ খোলা দোয়া আমার নাজাতের উসিলা।
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে আমি এভাবেই মানুষের সেবা করতে পারি। আল্লাহুম্মা আমীন।
Dr. Khaleda Jahan Jenny
14/09/2025
জরায়ু টিউমার: লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা। বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন
👇👇👇
জরায়ু টিউমার: লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা। জরায়ু টিউমার: লক্ষণ, কারণ, প্রতিরোধ ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা। জরায়ু টিউমার কী, এর ধরন, কারণ, উপসর্গ, জটিলতা এবং হোমিও...
13/09/2025
জেনে নিন ব্রেস্টের বিভিন্ন সমস্যায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 👇👇👇
🩷 ব্রেস্টের বিভিন্ন সমস্যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা 🩷 🩷 ব্রেস্টের বিভিন্ন সমস্যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা 🩷 ব্রেস্ট নারীর দেহের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। বয়স, হরম...
12/09/2025
"আমি আত্মহত্যা করতে চাই আমি মরে যেতে চাই।। আমি গলায় ফাঁসি দিয়ে মরে যাব"। ঠিক এই কথাগুলোই বলছিল একটি ১২ বছর বয়সের শিশু তার মাকে।
শিশুটির মা তার কান্না ভেজা গলায় আমাকে কথাগুলো বলছিল। শিশুটির মা যা বললেন আমাকে, তার মূল কথা হলো আমার ছেলেটি মাদ্রাসায় পড়ে বেশ অনেকদিন হয়ে গিয়েছে। তার রেজাল্ট খুব ভালো হয়। পড়াশোনায় খুব মনোযোগী ছিল ।কিন্তু জানিনা কেন কিছুদিন যাবত আমার বাচ্চাটা কিছুতেই মাদ্রাসায় যেতে চাচ্ছে না। কারণ জিজ্ঞেস করলে কেবলই বলতে থাকে আমার ভালো লাগেনা আমার ভালো লাগেনা আমি পড়বো না। আমি কিছুতেই মাদ্রাসায় যাব না।
মহিলাটি এ পর্যন্তই বলে কিছুক্ষণ থামল। তারপর আমাকে অনুনয় বিনয়ের সাথে বলল,
ম্যাডাম আপনি কিছু করেন, আমার ছেলেটাকে বুঝান। প্রয়োজনে মেডিসিন দেন। আমার ছেলেটার কি যেন একটা মানসিক সমস্যা হয়েছে সে কিছুতেই পড়তে চাচ্ছে না মাদ্রাসায় যেতে চাচ্ছে না তাকে অনেক শাসন করেছি মারধর করেছি কিন্তু কিছুতেই সে মাদ্রাসায় ফেরত যাবে না।
তারপর আমি ছেলেটাকে কাছে ডেকে নিয়ে শান্ত গলায় খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে কথা বললাম। ওকে বেশ অনেকটা সময় দিয়ে কাউন্সিলিং করলাম। আমি তার সাথে কিছুক্ষণ কথা বলার পর সে মাদ্রাসায় যেতে রাজি হয়ে গেল। এবং আমাকে কথা দিল সে এখন থেকে ভালোভাবে পড়াশোনা করবে অনেক বড় মানুষ হবে।
আজকে আমি যে মায়ের গল্পটি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। এই ঘটনাগুলো আমাদের চারপাশে অহরহ ঘটছে।
বাচ্চারা শুধুমাত্র আবাসিক প্রতিষ্ঠানে পড়তে চায় না তা কিন্তু নয়, অনাবাসিক স্কুল অথবা মাদ্রাসায়ও অনেক বাচ্চারা পড়তে চায় না পড়াশোনায় মনোযোগ কম। সে জন্য বাবা মায়ের চিন্তার কোন শেষ নেই। আর এই চিন্তার প্রভাব হিসেবে তারা সন্তানদের প্রতি শাসনের নামে অনেক সময় অমানুষিক অত্যাচার করে ফেলেন যা তাদের ছোট্ট মনে খুব ভয়াবহ প্রভাব পড়ে তখন সন্তানটি অবাধ্য বেয়ারা এবং বেয়াদব হয়ে যায়।
বর্তমানে Parents রা জানতে চায় না---
তার সন্তান কি চায় ?
কেন তাদের পড়াশোনায় আগ্রহ কমে যাচ্ছে?
স্কুল মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে আগ্রহ কমে যাচ্ছে? একবার সন্তানটিকে কাছে ডেকে নিন মমতার স্নেহে বুকে জড়িয়ে নিয়ে জিজ্ঞেস করুন যে কেন সে মাদ্রাসায় বা স্কুলে যেতে চাচ্ছে না।
আপনারা এই সমস্যাগুলোর জন্য বাচ্চাদেরকে কাউন্সিলিং করাতে আমাদের কাছে নিয়ে আসেন। কিন্তু আপনারা যদি পরম স্নেহে তার সমস্যাগুলোর কথা নিজে থেকে জানতে চান নিজেরা এটা সমাধান করার চেষ্টা করেন। তাহলে সন্তানকে আর বিপথগামী হতে হয় না।
এক্ষেত্রে অভিভাবকদের কি করনীয়?
👉সন্তানদের সাথে আন্তরিকভাবে সময় কাটান।
👉তাকে বুঝতে চেষ্টা করুন সে কেন পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে যাচ্ছে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনোযোগী এবং বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে?
👉 সে তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহপাঠীদের দ্বারা অথবা শিক্ষকদের দ্বারা ইনসাল্ট অথবা বুলিং এর শিকার হচ্ছেনা তো?
অথবা শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতিত হচ্ছে না তো?
👉 তার বয়সের তুলনায় তার পড়াশোনার চাপটা অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে না তো?
👉 তার শরীরে ভিটামিন, আয়রন অথবা ক্যালোরির ঘাটতির কারনে তার শারীরিক দুর্বলতা অবসাদ তৈরি হচ্ছে না তো?
অথবা অপুষ্টিতে ভোগার কারণে তার মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা অথবা স্মরণশক্তি কমে যাওয়া এই সমস্যা গুলোতে ভুগছে না তো?
এই বিষয়গুলো একটু বোঝার চেষ্টা করুন সন্তানকে বোঝার চেষ্টা করুন এবং সমস্যা অনুযায়ী সমাধানের চেষ্টা করুন।
আপনার সন্তান আপনার সম্পদ আপনার ভবিষ্যৎ।
প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ ডক্টরের কাউন্সিলিং গ্রহণ করুন।
সবাই সুস্থ এবং সুন্দর থাকুন,
নিজেকে, নিজের সন্তানকে , নিজের পরিবারকে ভালবাসুন। ভালো থাকুন।।
ধন্যবাদ 💝
Dr. Khaleda Jahan Jenny
Doctors Homeo Hall
08/09/2025
#হাড়ের টিউমার চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি:
(সাধারণ টিউমার) – যেমন osteoma, osteochondroma, enchondroma ইত্যাদি। সাধারণত ধীরে বাড়ে এবং ক্যান্সার হয় না।
Malignant (ক্যান্সারজনিত টিউমার) – যেমন osteosarcoma, chondrosarcoma, Ewing’s sarcoma ইত্যাদি। দ্রুত বাড়ে এবং শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
🔎 প্রধান উপসর্গ:
🦴 হাড়ে স্থায়ী ব্যথা (বিশেষত রাতে বেশি)
🦴 আক্রান্ত হাড় ফুলে যাওয়া বা শক্ত গাঁট তৈরি হওয়া
🦴 সহজে ভেঙে যাওয়া (Pathological fracture)
🦴 চলাফেরায় কষ্ট
🦴 দুর্বলতা, ওজন কমে যাওয়া, জ্বর ইত্যাদি
🧑⚕️হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:
হাড়ের টিউমারে হোমিওপ্যাথি রোগীর constitution, মেন্টাল ও ফিজিক্যাল সিম্পটমস দেখে ওষুধ নির্বাচন করা হয়। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ রেমেডি দেওয়া হলো (শুধুমাত্র রেফারেন্স হিসেবে, প্রেসক্রিপশন হিসেবে নয়):
১. Hecla lava:
🌡️হাড়ে টিউমার, এক্সোস্টোসিস (হাড়ের অতিরিক্ত গজানো অংশ)
🌡️হাড় ফুলে ওঠে, স্পর্শে ব্যথা
🌡️চোয়াল ও দাঁতের হাড়ে বেশি কার্যকর
২. Calcarea fluorica:
🌡️হাড় শক্ত, ক্যালসিয়াম জমে টিউমার
🌡️পুরনো এক্সোস্টোসিস বা বোন গ্রোথে উপকারী
🌡️হাড় দুর্বল, সহজে ভাঙে
৩. Symphytum officinale
🌡️হাড় ভাঙা বা হাড়ের টিউমার
🌡️হাড় জোড়া লাগাতে ও টিউমার কমাতে সহায়ক
৪. Silicea:
🌡️দীর্ঘদিনের হাড়ের ফুলা বা টিউমার
🌡️পুরনো সাপ্পুরেটিভ অবস্থা (pus তৈরি হয়)
🌡️শরীর দুর্বল, ঘামে ভেজা, ঠান্ডা সহ্য হয় না
৫. Phosphorus:
🌡️হাড়ে ব্যথা, দুর্বলতা, পাতলা শরীর
🌡️অস্থি-ক্ষয়, ক্যান্সার প্রবণতা
🌡️রাতে বেশি কষ্ট
৬. Fluoric acid:
🌡️হাড়ে ক্যান্সার বা টিউমার
🌡️ব্যথা প্রচণ্ড, রোগী গরমে স্বস্তি পায়
🌡️ধীরে ধীরে দুর্বলতা
✍️সহায়ক চিকিৎসা:
👉ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন D সমৃদ্ধ খাবার
👉সূর্যের আলো
👉পর্যাপ্ত বিশ্রাম
👉নিয়মিত হাড়ের এক্স-রে/স্ক্যান করে অবস্থা পর্যবেক্ষণ
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ:
যদি ম্যালিগন্যান্ট (ক্যান্সারজনিত) টিউমার হয়, তবে হোমিওপ্যাথি supportive হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু মূল চিকিৎসা (oncology, surgery, chemo/radio therapy) দেরি করা উচিত নয়।
প্রতিটি রোগীর জন্য ওষুধ আলাদা হতে পারে, তাই অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করা জরুরি।
07/09/2025
‼️বর্তমানে অনেকেই সায়েটিকা নার্ভের ব্যথায় অনেক বেশি ভুগছেন ‼️
🧑⚕️কোমরের ব্যথা, নার্ভের ব্যথায় হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন Gnaphalium অত্যন্ত কার্যকরী একটি ওষুধ।
🩺🩺Gnaphalium রোগীদের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে যা ঔষধ নির্বাচনে সহায়ক। সাধারণত, এই রোগীদের মধ্যে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা যায়:
⚡শারীরিক দুর্বলতা এবং ক্লান্তি।
⚡সায়াটিকার তীব্র ব্যথা, যা হাঁটাচলা করলে বাড়ে
⚡স্নায়ুশূলের ব্যথা, যা রাতে বাড়ে
⚡আক্রান্ত স্থানে অসাড়তা বা ঝিনঝিন অনুভূতি
⚡মেজাজ খিটখিটে থাকা
🌟Gnaphalium এর ব্যবহার:
Gnaphalium বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক উপসর্গের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। নিচে এর কিছু প্রধান ব্যবহার উল্লেখ করা হলো:
😓মনের লক্ষণ (Mind Symptoms)
Gnaphalium রোগীদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা, খিটখিটে মেজাজ এবং বিষণ্নতা দেখা যেতে পারে। তারা প্রায়শই একা থাকতে পছন্দ করে এবং সহজে বিরক্ত হয়ে যায়।
🧠মাথার লক্ষণ (Head Symptoms)
মাথাব্যথা Gnaphalium এর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। এই মাথাব্যথা সাধারণত মাথার পেছন দিকে হয় এবং ঘাড় পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। ব্যথা তীব্র হতে পারে এবং আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা দেখা যায়।
👁️চোখের লক্ষণ (Eye Symptoms)
চোখে জ্বালা, ব্যথা এবং দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। তারা আলো সহ্য করতে পারে না এবং চোখ থেকে জল পড়তে পারে।
👂কানের লক্ষণ (Ear Symptoms)
কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ, ব্যথা এবং শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে। কানের মধ্যে চুলকানি বা অস্বস্তিও অনুভূত হতে পারে।
👃নাকের লক্ষণ (Nose Symptoms)
নাক বন্ধ থাকা, সর্দি এবং ঘন, হলুদ রঙের শ্লেষ্মা নিঃসরণ Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। নাকের ভিতরে জ্বালা এবং গন্ধ নেওয়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
👅মুখে শুষ্কতা, জিভে সাদা আস্তরণ এবং স্বাদের পরিবর্তন Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে।
👄 দাঁতে ব্যথা এবং মাড়ি থেকে রক্তপাতও হতে পারে।
😫মুখের লক্ষণ (Face Symptom)
মুখের স্নায়ুশূল, মুখের একপাশে ব্যথা এবং মুখ বেঁকে যাওয়া Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। মুখের ত্বক লাল বা ফোলা হতে পারে।
🗣️গলার লক্ষণ (Throat Symptom)
গলা ব্যথা, শুকনো কাশি এবং গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে। ঢোক গিলতে অসুবিধা এবং গলার স্বর ভেঙে যেতে পারে।
🫁বুকের লক্ষণ (Chest Symptom)
বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট এবং কাশি Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। বুকে চাপ অনুভব হতে পারে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে।
🫀হৃদপিণ্ডের লক্ষণ (Heart Symptoms)
হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, বুকে ধড়ফড় এবং দুর্বল অনুভূতি Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে। হৃদপিণ্ডের ব্যথা বাম হাত পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
❤️🔥পেটের লক্ষণ (Stomach Symptoms)
পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব, অরুচি এবং হজমের সমস্যা Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। তারা প্রায়শই গ্যাস এবং পেট ফাঁপার সমস্যায় ভোগে।
🚽পেট ও মলদ্বারের লক্ষণ (Abdomen and Re**um Symptoms)
🧻কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া এবং পেটে ব্যথা Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে। মলত্যাগের সময় ব্যথা এবং মলদ্বারে জ্বালা অনুভূত হতে পারে।
🧫মূত্রনালীর লক্ষণ (Urinary Symptoms)
প্রস্রাবে জ্বালা, ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ এবং প্রস্রাবের পরিমাণে পরিবর্তন Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। প্রস্রাবের রং গাঢ় হতে পারে।
🧑💼পুরুষদের লক্ষণ (Male Symptoms)
পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন দুর্বলতা, অণ্ডকোষে ব্যথা এবং প্রোস্টেট গ্রন্থির সমস্যা Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে।
🧕মহিলাদের লক্ষণ (Female Symptoms)
মহিলাদের ক্ষেত্রে অনিয়মিত মাসিক, জরায়ুতে ব্যথা এবং সাদা স্রাব Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে। স্তনে ব্যথা এবং ফোলাভাবও দেখা যেতে পারে।
🙋🦶হাত ও পায়ের লক্ষণ (Hand and Leg Symptoms)
হাত ও পায়ে ব্যথা, দুর্বলতা, অসাড়তা এবং ঝিনঝিন অনুভূতি Gnaphalium এর প্রধান লক্ষণ। সায়াটিকার ব্যথা কোমর থেকে পা পর্যন্ত বিস্তৃত হয় এবং রাতে বৃদ্ধি পায়।
🚶পিঠের লক্ষণ (Back Symptoms)
পিঠে ব্যথা, বিশেষ করে কোমরে ব্যথা Gnaphalium এর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। ব্যথা সাধারণত রাতে বাড়ে এবং নড়াচড়া করলে উপশম হয়।
🤒জ্বরের লক্ষণ (Fever Symptoms)
জ্বর, শীত শীত ভাব এবং ঘাম Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। জ্বর সাধারণত সন্ধ্যায় বাড়ে এবং রাতে ঘাম দিয়ে কমে যায়।
🪶ত্বকের লক্ষণ (Skin Symptoms)
ত্বকে চুলকানি, ফুসকুড়ি এবং লালচে ভাব Gnaphalium এর লক্ষণ হতে পারে। ত্বক শুষ্ক এবং খসখসে হতে পারে।
🛌ঘুমের লক্ষণ (Sleep Symptoms)
ঘুমের অভাব, রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া এবং অস্থির ঘুম Gnaphalium রোগীদের মধ্যে দেখা যায়। তারা প্রায়শই দুঃস্বপ্ন দেখে এবং সকালে ক্লান্ত বোধ করে।
👾মায়াজমের ইঙ্গিত (Indications of Miasm)
Gnaphalium প্রধানত সোরা (Psora) এবং সাইকোসিস (Sycosis) মায়াজমের রোগীদের জন্য উপযোগী।
💨মোডালিটিস (Modalities)
যে কারণে বাড়ে (Aggravated By)
🌃রাতে।
🗻ঠাণ্ডায়।
☔আর্দ্র আবহাওয়ায়।
🚶নড়াচড়া করলে (কিছু ক্ষেত্রে)।
🧑🔬যে কারণে কমে (Amelioration By)।
🌡️গরম সেঁক দিলে।
💺স্থির থাকলে।
🚶সামান্য নড়াচড়া করলে (কিছু ক্ষেত্রে)।
✍️Gnaphalium একটি অত্যন্ত কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ যা সায়াটিকা, বাতের ব্যথা এবং স্নায়ুশূলের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। সঠিক ডোজ এবং শক্তি নির্বাচন করে এই ঔষধটি ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তবে, ঔষধ ব্যবহারের আগে একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
Dr. Khaleda Jahan Jenny
04/09/2025
‼️কোমরের হাড় ক্ষয় (Lumbar Osteoarthritis / Osteoporosis of Lumbar Spine)‼️
কোমরের হাড় ক্ষয় সাধারণত মেরুদণ্ডের কোমর অংশে (lumbar spine) হাড় ও জোড়ার ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যাওয়া বোঝায়।🥨 মূলত দুই ধরনের সমস্যার কারণে কোমরের হাড় ক্ষয় বা দুর্বলতা দেখা দিতে পারে –
💧অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Osteoarthritis) – কোমরের হাড়ের জোড় ও কার্টিলেজ ক্ষয়।
💧অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) – হাড়ের ক্যালসিয়াম ও খনিজ পদার্থ কমে গিয়ে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া।
✍️লক্ষণসমূহ:
👉কোমরে ভারী ব্যথা, নড়াচড়া করলে ব্যথা বাড়া।
👉দীর্ঘ সময় বসে থাকা বা দাঁড়িয়ে থাকলে ব্যথা বৃদ্ধি।
👉কোমর থেকে পায়ে ছড়িয়ে যাওয়া ব্যথা (sciatica)।
👉কোমরে শক্তভাব বা morning stiffness।
👉ঝুঁকে বসা বা ভারি কিছু তুলতে কষ্ট হওয়া।
👉হাড় ভঙ্গুর হলে হালকা চাপেই ফ্র্যাকচার হওয়ার ঝুঁকি।
✍️কারণ:
👉বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড় ক্ষয়।
👉পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম / ভিটামিন D না পাওয়া।
👉হরমোনের ভারসাম্যহীনতা (বিশেষত মহিলাদের মেনোপজ পরবর্তী সময়ে)।
👉দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা বা ভারি কাজ করা।
👉অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা।
👉পারিবারিক ইতিহাস।
✍️প্রতিরোধ:
👉নিয়মিত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
👉পর্যাপ্ত সূর্যালোক গ্রহণ।
👉হালকা ব্যায়াম করা (walking, stretching)।
👉অতিরিক্ত ভারি ওজন বহন না করা।
👉সঠিক ভঙ্গিতে বসা-শোয়া।
🧑⚕️হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:
🧑🔬হোমিওপ্যাথিতে কোমরের হাড় ক্ষয়ের জন্য বেশ কার্যকর কিছু ওষুধ রয়েছে। সঠিক ওষুধ নির্বাচন করতে রোগীর সামগ্রিক উপসর্গ, বয়স, জীবনযাপন ও মনের অবস্থা বিচার করতে হয়। তবে সাধারণত নিচের ওষুধগুলো ব্যবহৃত হয় –
💫গুরুত্বপূর্ণ ঔষধসমূহ
🔎Calcarea Carbonica
হাড় দুর্বল, সহজে ভেঙে যায়।
স্থূলকায়, ঘেমে যায় বেশি, বিশেষত মাথায়।
হাঁটাচলায় কষ্ট ও ব্যথা।
🔎Calcarea Phosphorica
হাড় ক্ষয় ও বাচ্চাদের হাড় গঠনে দুর্বলতা।
কোমরে ক্রমাগত ব্যথা, নড়াচড়ায় বাড়ে।
🔎Calcarea Fluorica
হাড় শক্ত করতে কার্যকর।
হাড়ে ক্ষয় বা গ্যাপ তৈরি হলে।
জোড়ায় ব্যথা ও শক্তভাব।
🔎Silicea
হাড় পাতলা ও দুর্বল হয়ে যাওয়া।
দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা, দুর্বলতা।
🔎Ruta Graveolens
লিগামেন্ট ও হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা।
হাড়ের আঘাত বা ক্ষয় হলে।
🔎Symphytum Officinale
হাড় দ্রুত মেরামত করতে সহায়তা করে।
ফ্র্যাকচার পরবর্তী সময়ে ব্যবহার উপকারী।
🔎Phosphorus
দেহে ক্যালসিয়াম শোষণে সমস্যা হলে।
রোগী দুর্বল, হাড়ে নরমাল চাপেও ব্যথা।
এছাড়াও রয়েছে আরও বেশ কিছু হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন যা লক্ষণ সাদৃশ্যে এ ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে
✅ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে উচ্চমাত্রার ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।
✅ প্রয়োজনে হোমিওপ্যাথিক সাথে সাথে খাদ্যাভ্যাস ও লাইফস্টাইল পরিবর্তন করা জরুরি।
Dr. Khaleda Jahan Jenny
Doctors Homeo Hall
24/08/2025
দুই মাস আগে এক দম্পতি চেম্বারে এসেছিলেন। তাদের চেহারায় ছিল বিষন্নতা ও হতাশা পূর্ণ।
বিয়ের দীর্ঘ দিন অথচ কনসিভ হচ্ছিল না। আমি তাদের কেস হিস্ট্রি নিয়ে মেডিসিন দিয়েছিলাম।
আজকে সকালে বেশ প্রফুল্ল ভাবে ফোন দিয়ে জানালেন মহিলাটি কনসিভ করেছেন।
আলহামদুলিল্লাহ 💗
24/08/2025
জোহরের সময় বাইরে থাকাতে অন্য একটা মসজিদে নামাজ পড়েছি। ফেরার সময় ভাবলাম অফিসে না ঢুকে অফিসে পাশের মসজিদে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকবো।
তখন ঘড়িতে প্রায় সোয়া দুইটা। মসজিদে ঢোকার সময় দেখলাম একটা সাদা রংয়ের ল্যান্ড ক্রুজার V8 মডেলের একটা গাড়ি মসজিদের সামনে থামলো।
পঞ্চাশোর্ধ বেশ হ্যান্ডসাম এক ভদ্রলোককে দুই জন ধরে গাড়ি থেকে নামালো।
ভদ্রলোকের কোমড়ের দিকে ব্যান্ডেজ। সম্ভবত ডাক্তারের কাছ থেকে আসছেন।
যে দুই জন সহকারী ছিল তারা একজন বললো, স্যার আপনার সার্জারি অল্প কয়েকদিন আগে হয়েছে। ডাক্তার মাত্রই বলল, আরো রেস্টে থাকতে। নামাজটা বাসায় যেয়ে পড়লে হত না?
ভদ্রলোক খুব শীতল গলায় বললো, না হত না।
তোমাকে যতটুকু বলা হচ্ছে অতটুকু কর।
আমাকে মসজিদ পর্যন্ত দিয়ে আসো।
একটা ভালো চেয়ার বাছাই কর, যাতে পড়ে না যাই।
দুই জন এসিস্ট্যান্ট মিলে ধরে ধরে তাকে মসজিদে ঢুকালো।
একটা কোনায় নিয়ে চেয়ার সেট করে দিল।
আমি তার থেকে একটু দূরেই টান টান হয়ে শুয়ে ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
ভদ্রলোক বসে নামাজ শুরু করলেন।
খুব ঠাণ্ডা ধীরস্থিরভাবে নামাজ পড়ছেন।
যেন কোন তাড়া নেই, কোন অস্থিরতা নেই, চারপাশে কি হচ্ছে, না হচ্ছে তার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই।
উনার চোখের দিকে তাকালাম। একদম সিজদার দিকে তাকিয়ে আছে। দৃষ্টিতে কোন নড়চড় নেই। সাধারণত এত ধীরস্থিরভাবে আমি কাউকে নামাজ পড়তে দেখি না।
উনার দিকে কিছুক্ষন এভাবে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার চোখ লেগে আসলো। সম্ভবত ঘুমায় গেছিলাম। ঘুম ভাংগলো হেচকির শব্দ শুনে।
দেখি ভদ্রলোক হাত তুলে অঝোরে কাঁদছেন। কিছু একটা বিড় বিড় করছেন।
একটু কাছে যেয়ে শোনার চেস্টা করলাম উনি কি বলছেন।
খুব ভালো করে খেয়াল করার পর শুনলাম ভদ্রলোক বলতেছেন, ইয়া আল্লাহ তুমি আমার উপর এতটা অসন্তুষ্ট হয়ে গেলা যে তোমাকে প্রাণভরে সিজদা করার অধিকার কেড়ে নিলা?
মালিক, আমাকে কি অসুখ দিলা যে, আমি মসজিদে আসতে পারি না, মাটিতে মাথা ঠেকায়ে প্রাণ ভরে তোমাকে সিজদা দিতে পারি না।
এই চেয়ারের নামাজে আমার প্রাণ ভরে না মালিক। মালিক তুমি আমাকে এতটা সুস্থ করে দাও যাতে করে, আমি হেঁটেই মসজিদে আসতে পারি, প্রানটা ভরে যেন তোমার দাসত্ব করতে পারি।
তুমি আমার উপর কোন কারনে অখুশী থাকলে আমাকে মাফ করে দাও কিন্তু তারপরও তোমার ঘরে আসার, তোমাকে সিজদা করার অধিকার কেড়ে নিও না।
উনি কাঁদছেন আর কথাগুলো বলেই যাচ্ছেন।
উনার দুইজন এসিস্ট্যান্ট টের পেয়ে তাড়াতাড়ি উনার কাছে ছুটে আসলেন।
বললেন স্যার, আপনাকে স্ট্রেস নিতে নিষেধ করা হয়েছে। স্যার, কাইন্ডলি চলেন।
আসতে আসতে ধরে উনাকে নিয়ে গেল।
আমি ভাবলাম আমার নিজের ইমানের কথা। আমি কি এই ভদ্রলোকের মত এই প্যাশন নিয়ে, এত দরদ নিয়ে রবের ইবাদত করি, এত ভালোবাসা নিয়ে সিজদা দেই? আমার দোয়াতে কি এত মায়া থাকে?
যারা সিজদার সুযোগ থেকে বঞ্চিত তারা নিজেদের নিয়ে ভাবি।
আমার রব কি আমার প্রতি এতটাই অসন্তুষ্ট যে, আমার পা মসজিদ পর্যন্ত যাচ্ছে না, আমার মাথা রবের সমীপে অবনত হচ্ছে না?
যদি আমার মাথা সিজদা পর্যন্ত না যেয়ে থাকে তাহলে নিশ্চিতভাবেই এটা আমার জন্য চিন্তার বিষয়।
ভাইয়েরা/বোনেরা সময় থাকতে থাকতে রবের কাছে ফিরে আসি।
সে সময় আসার আগে সতর্ক হয়ে যাই যে সময়ে চাইলেও সারা দুনিয়ার সব কিছুর বিনিময়ে একটা সিজদা দেয়া যাবে না।
কপি পোস্ট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
