Trust Medical Corner

Trust Medical Corner

Share

১০০% অরিজিনাল & অথেনটিক প্রোডাক্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকবেন।

09/07/2023

০কালোজিরা ও মধু খালি পেটে রোজ, এক সপ্তাহ খেয়ে দেখুন! উপকার পাবেন.

-কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

-রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

-ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

-শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে বেশ সহায়ক।

-ঠান্ডার সমস্যা সমাধান করে।

-দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে।

-হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে।

-চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে।

-মাথা ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করে।

-গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা সমাধান করে।

05/06/2023

বয়স বাড়লে আমরা অনেক কিছুই ভুলে যেতে থাকি। কিন্তু এই ভুলে যাওয়া যখন গুরুতর আকার ধারণ করে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তখন একে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রম বলে। নানা কারণে স্মৃতিভ্রংশ রোগ হতে পারে। যেমন: অ্যালঝেইমার ডিজিজ, থাইরয়েড ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা ইত্যাদি। গবেষণা বলছে, আমাদের খাদ্যাভ্যাসও এর জন্য কিছুটা দায়ী। স্মৃতিভ্রংশ রোধে খাদ্যাভ্যাস বেশ ভালো সুফল আনে।
* গাঢ় সবুজ শাক, যেমন পালং শাক–জাতীয় সবজিতে আছে ফলেট, ভিটামিন বি ৯ ও লুটেনন নামের উপাদান। এটি আমাদের কগনিশনের পতন রোধে সহায়ক। এ ছাড়া ব্রুকলি, ফুলকপি, গাজরেও প্রচুর ফলেট ও ক্যারটিনয়েড আছে, যা মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম করে তোলে।
* সামুদ্রিক মাছের তেলে ওমেগা ৩ ফ্যাট আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী।
* নানা রকমের বাদাম যেমন আখরোট, চিনাবাদাম ও কাজুবাদামে আছে মেগা ৩, ওমেগা ৬ ফ্যাট, ভিটামিন বি ৬ এবং ভিটামিন ই। এগুলো স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
* কালোজাম ও স্ট্রবেরি ডিমেনশিয়া প্রতিরোধ করে। এটি মস্তিষ্কের সংকেত আদান–প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
* সূর্যমুখী ও কুমড়ার বীজে প্রচুর কোলিন, জিংক ও ভিটামিন ই আছে। সূর্যমুখীর তেল বা অলিভ তেলে রান্না করাও উপকারী।
* ডিমের হলুদ অংশে পানিতে দ্রবণীয় নিউট্রিয়েন্ট কোলিন আছে, যা স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া গ্রিন–টি পান করলেও ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি কমে।

05/06/2023

আর এসব নিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে কতটা পানি পান করা শরীরের জন্য ভালো সে বিষয়ে একটা ধারণা দেওয়া হল।
ওজন কমাতে পানি: প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন যেমন- স্বাস্থ্যকর খাবার, শরীরচর্চা, রাতে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম এবং প্রচুর পানি পান করুন। এসবগুলোর মধ্যে পানি পান ওজন কমানোর ভালো ও সহজ উপায়। সঠিক পরিমাণে পানি পান দ্রুত ওজন কমায় কারণ এটা বিপাক প্রক্রিয়া বাড়ায় ও ক্ষুধার চাহিদা কমায়।
দৈনিক যতটা পানি প্রয়োজন: লিঙ্গ, কাজের ধরন এবং স্বাস্থ্যের অবস্থা বুঝে পানি পান করা উচিত। দৈনিক ৮ আউন্স কাপের ৮ গ্লাস পানি করা দরকার যা প্রায় ২ লিটারের সমান। তবে অনেক গবেষণাতেই দেখা গেছে দৈনিক চার লিটার পানি পান করা জরুরি।
খাবার আগে পানি পান: বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায় যে, খাবারের ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে দুই কাপ পানি পান করা খাবারের চাহিদা কমায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
অতিরিক্ত পানি পানের ক্ষতিকর দিক: মানব শরীর ৬৬ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি এবং যা বাড়তি ওজন থেকে রক্ষা পেতে সাহায্য করে। বিশ্বাস করা হয় যে, অতিরিক্ত পানি পান করলে শরীরে লবণের ভারসাম্যহিনতা দেখা দেয় এবং এর ফলে বমি, দুর্বল লাগা, পেট ফোলা ও মাথা ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


১০০% অরিজিনাল & অথেনটিক প্রোডাক্ট পেতে আমাদের সাথেই থাকবেন।
Dhaka
1214