Indigo by kaniz
We make beauty easy. We offer you the advantage of decisions between what is beneficial for you and what's usefull for you.
We need you to encounter the delight of finding lovely items that appear to be made remembering you.
09/06/2026
পিরিয়ডের আগে হুট করে মেজাজ খারাপ হয়?
মাসের একটা নির্দিষ্ট সময়ে কি আপনার অকারণেই কাঁদতে ইচ্ছে করে? সামান্য কারণেই খুব বেশি রাগ হয়? কিংবা প্রচণ্ড মিষ্টি বা ফাস্টফুড খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে?যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবে জেনে রাখুন আপনি একা নন। বিশ্বের প্রায় ৮০-৮৫% নারী প্রতি মাসে এই সমস্যার মধ্য দিয়ে যান।এ অবস্থাকে বলা হয় PMS(Premenstrual Syndrome)।
কেন হয় মূলত?
পিরিয়ড শুরু হওয়ার প্রায় ১–২ সপ্তাহ আগে নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই পরিবর্তিত হতে থাকে। এই হরমোনের ওঠানামা মস্তিষ্কের মুড নিয়ন্ত্রণকারী রাসায়নিক পদার্থ, বিশেষ করে Serotonin-এর ওপর প্রভাব ফেলে।
➡️পিএমএস (PMS) এর প্রধান লক্ষণগুলো:
🟢মানসিক পরিবর্তন: অকারণ বিষণ্ণতা, অতিরিক্ত মুড সুইং, অল্পতেই কান্না পাওয়া বা তীব্র মানসিক দুশ্চিন্তা।
🟢শারীরিক ক্লান্তি: শরীর ম্যাজম্যাজ করা, স্তনে ব্যথা বা ভারী ভাব অনুভূত হওয়া এবং মাথা ব্যথা।
🟢খাবারের তীব্র ইচ্ছা: চকলেট, মিষ্টি, আইসক্রিম বা চিপসের মতো খাবার খাওয়ার অতিরিক্ত ক্রেভিং হওয়া।
🟢পেট ফাঁপা ও ব্রণ: পিরিয়ডের আগে পেট ফুলে থাকা (Bloating) এবং মুখে হঠাৎ ব্রণ হওয়া।
☑️পিএমএস-এর কষ্ট কমাতে কিছু সহজ টিপস:
১. ক্যাফেইন ও চিনি কমান: এই দিনগুলোতে চা, কফি, সফট ড্রিংকস এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাওয়া কমিয়ে দিন। এগুলো মুড সুইং ও পেটের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।
২. ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন B6 সমৃদ্ধ খাবার: খাদ্যতালিকায় কলা, কাঠবাদাম, পালংশাক, ডিম এবং ওটস রাখুন। এগুলো মেজাজ ভালো রাখতে এবং শরীরের ক্লান্তি দূর করতে দারুণ কার্যকর।
৩. পর্যাপ্ত পানি পান: শরীর হাইড্রেটেড রাখলে পেট ফাঁপা বা ব্লোটিং-এর সমস্যা অনেকটাই কমে যায়।
পারেন।
৪)খাবার একবারে বেশি না খেয়ে ছোট ছোট ভাগে খান। এতে শক্তির মাত্রা স্থিতিশীল থাকতে সাহায্য করে।
৫.হালকা স্ট্রেচিং বা হাঁটা: মন মেজাজ খিটখিটে থাকলে জোর করে হলেও ১০-১৫ মিনিট একটু হেঁটে আসুন। এটি শরীরে 'এন্ডোরফিন' বা হ্যাপি হরমোন রিলিজ করে।
পিএমএস কোনো বিলাসিতা বা নাটক নয়, এটি একটি সম্পূর্ণ হরমোনাল এবং শারীরিক সত্য। তাই এই সময়ে ঘরের নারী সদস্যদের প্রতি পরিবারের সবার সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত।
PMS সাময়িক, কিন্তু নিজের যত্ন নেওয়ার অভ্যাস দীর্ঘস্থায়ী। আজ থেকেই শুরু হোক।
゚viralシ
08/06/2026
ভিটামিন B12 ও ফোলেটের ঘাটতি শিশুর রক্তস্বল্পতার কারণ হতে পারে, কারণ এগুলো লাল রক্তকণিকা তৈরিতে প্রয়োজন।
📌ভিটামিন বি ১২ যুক্ত খাবার:
দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার (দই, পনির)
ডিম
মাংস (গরু, খাসি)
মাছ (সালমোন, টুনা, সারডিন)
লিভার (যকৃত)
ফোর্টিফায়েড সিরিয়াল।
📌ফলেট (ফোলিক অ্যাসিড) যুক্ত খাবার:
পালং শাক, ঢেঁড়স, ব্রোকলি
কলা, কমলা, আম
মুগ ডাল, মসুর ডাল
বাদাম ও বীজ।
©Dr.Tanvir Ahmed
゚
07/06/2026
girls!!
৫ টি সাইন,যেটা দেখে বুঝবেন PCOS আপনার বেবি নেয়ার চান্স কমিয়ে দিচ্ছে বা ফার্টিলিটিকে প্রভাবিত করছে:
১)অনিয়মিত বা মিসড পিরিয়ড🟰মাসিক বারবার দেরি হওয়া,কয়েক মাস পরপর হওয়া বা একেবারেই না হওয়া ইঙ্গিত দিতে পারে যে আপনার ওভুলেশন নিয়মিত হচ্ছে না। নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন না হলে গর্ভধারণের সম্ভাবনাও কমে যায়।
২)ওভুলেশন ঠিকমতো না হওয়া🟰PCOS এ অনেক সময় প্রতি মাসে ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়ে বের হয় না। ফলে মাসিক থাকলেও সবসময় ওভুলেশন হচ্ছে এমন নয়। এটি ফার্টিলিটি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
৩)বারবার ব্রণ হওয়া বা হরমোনাল অ্যাকনে🟰বিশেষ করে থুতনি চোয়াল বা গালের নিচের অংশে দীর্ঘদিন ধরে ব্রণ থাকলে এটি উচ্চ অ্যান্ড্রোজেন লেভেলের লক্ষণ হতে পারে।এই হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ফার্টিলিটিকে প্রভাবিত করতে পারে।
৪)মুখে অতিরিক্ত লোম বা মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া🟰মুখ থুতনি বুক বা পেটে অতিরিক্ত লোম গজানো এবং একই সাথে মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া PCOS এর সাধারণ লক্ষণ। এটিও উচ্চ অ্যান্ড্রোজেনের কারণে হয়।
৫)ওজন কমাতে কষ্ট হওয়া বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স🟰খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম করার পরও ওজন কমতে না চাওয়া বিশেষ করে পেটের চর্বি বেড়ে যাওয়া ,ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের লক্ষণ হতে পারে। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স PCOS এর অন্যতম মূল সমস্যা এবং এটি ওভুলেশনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে
★এছাড়াও দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ বা ক্রনিক স্ট্রেস হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে PCOS এর উপসর্গ এবং ফার্টিলিটি সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
সবশেষে বলি,PCOS মানেই বন্ধ্যাত্ব নয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস,নিয়মিত ব্যায়াম,পর্যাপ্ত ঘুম এবং জীবনযাপনের পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই ফার্টিলিটি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।
Kaniz Alam
Nutrition & Diet Consultant
M.Sc & B.Sc(Hons)Food & Nutrition(DU)
PGT in CND(Clinical Nutrition & Dietetics)-Bangladesh Medical College & Hospital
Nutritionist at Health Revolution
06/06/2026
ঈদে জমপেশ খাওয়ার পর কাজে মনোযোগ দিতে পারছেন না, শরীর ভার লাগছে, শরীরে ব্যাথা,হাত-পা জ্বালাপোড়া করে,ওজনও কিছুটা বেড়ে গেছে?
কেন এমন হয়?
ঈদের কয়েকদিন অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়ার পর অনেকেরই এমনটা হয়। সারাদিন মাংস, মিষ্টি, কোমল পানীয় এবং অনিয়মিত ঘুমের কারণে শরীরে ক্লান্তি, ফোলাভাব, অলসতা ও মনোযোগ কমে যাওয়া স্বাভাবিক।
এখন কী করবেন?
✅পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
✅প্রতিটি খাবারে শাকসবজি ও সালাদ রাখুন।
✅মাংসের পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে মাছ, ডিম ও ডাল যোগ করুন।
✅বুলেট কফি খেতে পারেন সকালে নাস্তার পরে।এটা আপনার মনোযোগ ও ফোকাস বৃদ্ধি করবে।
✅মিষ্টি ও কোমল পানীয় বধকরুন।
✅প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন।
✅৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন।
Kaniz Alam
Nutrition & Diet Consultant
M.Sc & B.Sc(Hons)Food & Nutrition(DU)
PGT in CND(Clinical Nutrition & Dietetics)-Bangladesh Medical College & Hospital
Nutritionist at Health Revolution
অনলাইন ও অফলাইন আ্যাঅ্যাপয়েন্টমেন্ট এর জন্য ইনবক্স করুন।
゚
04/06/2026
review💗
01/06/2026
তেল ও চর্বিযুক্ত খাবার খাচ্ছেন আর লেবু পানি খাচ্ছেন ভাবছেন চর্বি সব গলে যাচ্ছে।
শুনেন,লেবু পানি ডিরেক্ট চর্বি কমায় বা গলিয়ে দেয়-এ ধারণা ভুল। তবে ভারী খাবার খাওয়ার পরে লেবু পানি খেলে কিছু উপকারিতা পাওয়া যেতে পারে।
১. শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে:অনেক সময় ভারী খাবারের পরে আমরা পর্যাপ্ত পানি পান করি না। লেবু মিশিয়ে পানি খেলে পানি পানের পরিমাণ বাড়তে পারে, যা স্বাভাবিক হজম প্রক্রিয়াকে সহায়তা করে।
২. লালা ও পাচক রস নিঃসরণকে উদ্দীপিত করতে পারে:লেবুর টক স্বাদ মুখে লালা নিঃসরণ বাড়ায়। লালা হজমের প্রথম ধাপ, তাই এটি খাবার ভাঙার প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে।
৩. ভারী খাবারের পর সতেজ অনুভূতি দেয়:তেল চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরে অনেকের মুখে ভারী বা তৈলাক্ত অনুভূতি হয়। লেবু পানি সেই অনুভূতি কিছুটা কমিয়ে সতেজতা দিতে পারে।
৪. ভিটামিন C সরবরাহ করে:লেবু ভিটামিন C-এর একটি উৎস। ভিটামিন C শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
৫. চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের তুলনায় ভালো বিকল্প:ভারী খাবারের পরে অনেকেই কোমল পানীয় পান করেন। এর পরিবর্তে লেবু পানি বেছে নিলে অতিরিক্ত চিনি ও ক্যালোরি এড়ানো যায়।
তবে মনে রাখবেন,
লেবু পানি ডিরেক্ট গ্যাস দূর করে না। অতিরিক্ত মাংস হজম করিয়ে দেয় না। চর্বি গলিয়েও দেয় না। ভারী খাবারের পরিমিত খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান, ফাইবারযুক্ত খাবার এবং ১০–১৫ মিনিট হাঁটাই বেশি কার্যকর।
কানিজ আলম
নিউট্রিশন&ডায়েট কনসালটেন্ট
বি.এস.সি(অনার্স), এম.এস.সি ( খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান) ঢাবি,
সিএনডি (বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ&হাসপাতাল),নিউট্রিশনিস্ট (Health Revolution)
30/05/2026
গরুর মাংস খাচ্ছেন আর সাথে কোক খাচ্ছেন??ভাবছেন গ্যাস সব চলে যাচ্ছে।বুঝতেই পারছেন না এই কোক গ্যাস আরো বাড়াচ্ছে!!
অনেকেই মনে করেন “ঢেকুর উঠেছে মানেই গ্যাস বের হয়ে গেছে” তাই কোকাকোলা খেয়ে আরাম লাগলেই মনে হয় গ্যাস কমে গেছে।
আসলে বিষয়টা একটু ভিন্ন।
কোকাকোলার ভেতরে প্রচুর কার্বন ডাই অক্সাইড CO₂ গ্যাস থাকে।এটা পেটে ঢুকে চাপ তৈরি করে এবং ঢেকুর তুলতে সাহায্য করে।ঢেকুর উঠলে বুক বা পেটের ভারী ভাব কিছুক্ষণ কম লাগে।
কিন্তু এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,এটা গ্যাসের কারণ দূর করে না।শুধু সাময়িক অনুভূতি বদলায়।
বরং কোকাকোলা উল্টো সমস্যাও বাড়াতে পারে কারণ এতে থাকে-
অতিরিক্ত চিনি,কার্বনেশন,ক্যাফেইন,অ্যাসিডিক উপাদান।যেগুলো পেট ফাঁপা অ্যাসিডিটি bloating এবং গ্যাসের প্রবণতা আরও বাড়াতে পারে।
সহজভাবে বলতে গেলে,কোকাকোলা গ্যাস সারায় না
বরং ঢেকুর উঠিয়ে সাময়িকভাবে হালকা লাগার অনুভূতি দেয়।
ঢেকুর উঠলেই গ্যাস কমে না।অনেক সময় সেটা শুধু কোকাকোলার গ্যাসই বের হয়।
তাহলে গ্যাস দূর করতে কী খাবেন???
✅মাংসের সঙ্গে সালাদ, শাকসবজি ও পর্যাপ্ত পানি রাখুন তাহলেই গ্যাস, বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।
✅ পর্যাপ্ত স্বাভাবিক পানি:হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
✅লেবু মিশ্রিত পানি:খাবারের পর সতেজ অনুভূতি দেয় এবং পানি গ্রহণ বাড়ায়।
✅আদা চা :আদায় থাকা কিছু উপাদান হজমে সহায়তা করতে পারে এবং বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।
✅পুদিনা চা :অনেকের ক্ষেত্রে পেটের অস্বস্তি ও ফাঁপাভাব কমাতে উপকারী হতে পারে।
✅টক দই :প্রোবায়োটিকের কারণে অন্ত্রের স্বাস্থ্যে সহায়তা করতে পারে।
✅মৌরি ভেজানো পানি বা মৌরি চিবিয়ে খাওয়া:ঐতিহ্যগতভাবে হজমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
কানিজ আলম
নিউট্রিশন&ডায়েট কনসালটেন্ট
বি.এস.সি(অনার্স), এম.এস.সি ( খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান) ঢাবি,
সিএনডি (বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ&হাসপাতাল),নিউট্রিশনিস্ট (Health Revolution)
28/05/2026
কুরবানির ঈদে গরুর মাংস খেয়েও কীভাবে বদহজম, গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াবেন?
ঈদের সময় সমস্যা সাধারণত “গরুর মাংস” থেকে না, বরং অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া,চর্বি বেশি খাওয়া,কম পানি পান,
আর সবজি-ফাইবার কম খাওয়া থেকে হয়।
✅এই ছোট ছোট টিপসগুলো ফলো করলে বদহজম,গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে পারবেন:
★একবারে অনেক মাংস না খেয়ে অল্প অল্প করে খান
এক বেলায় ২–৩ টুকরো যথেষ্ট। সারাদিন বারবার ভারী মাংস খেলে হজমে চাপ পড়ে।
★ভারী meal খাওয়ার ১০-১৫ মিনিট আগে ১ গ্লাস পানিতে চা চামচ আ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে খেতে পারেন।এতে হজমে আরাম লাগতে পারে,পেট ভারী লাগা কমতে পারে বা ক্ষুধা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।(গ্যাস্ট্রিক/আলসার বা অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে খাবেন না)
★মাংসের সাথে অবশ্যই সবজি রাখুন
শসা, সালাদ, লাউ, পেঁপে, পালং, মিক্সড ভেজিটেবল—এগুলো ফাইবার বাড়ায়, ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য কম হয় এবং হজম সহজ হয়।
★সফট ড্রিংক নয়, লেবু পানি/টক দই বেছে নিন
কার্বোনেটেড ড্রিংক অনেকের গ্যাস বাড়ায়। টক দই বা লেবু পানি হজমে তুলনামূলক ভালো সাহায্য করতে পারে।
★মাংসের দৃশ্যমান চর্বি ফেলে দিন। অতিরিক্ত তেল, ভুনা বা বারবার ভাজা খাবার গ্যাস বাড়াতে পারে।
★পর্যাপ্ত পানি পান করুন
সারাদিন অন্তত ২–৩ লিটার পানি পান করুন। মাংস বেশি খেলে শরীরের পানির চাহিদাও বাড়ে।
★রাতে খুব দেরি করে ভারী মাংস খাবেন না।ঘুমানোর ঠিক আগে কাচ্চি, ভুনা বা অতিরিক্ত মাংস খেলে বদহজম ও বুকজ্বালা বাড়তে পারে।
★রাতে খাওয়ার ৩০ মিনিট পর চিয়াসীডের পানি খেতে পারেন এতে কোষ্ঠকাঠিন্য হবার সম্ভাবনা কমে।
★খাওয়ার পর হালকা হাঁটুন।১০–১৫ মিনিট হাঁটলে হজম ভালো হয় এবং পেট ফাঁপা কমতে পারে।
★ফল রাখুন খাবারের তালিকায়
পেয়ারা, পেঁপে, আপেল, কমলা—এগুলো ফাইবার দেয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
★টানা কয়েকদিন শুধু মাংস নির্ভর খাবার খাবেন না
মাঝে ডাল, মাছ, ডিম, সবজি ও ভাত/রুটি ব্যালেন্স করে খান।
❌যাদের গ্যাস্ট্রিক, ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস, কিডনি বা হার্টের সমস্যা আছে তাদের পোরশন কন্ট্রোল আরও গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত অংশ এড়িয়ে চলা ভালো।
সবার ঈদ পরিবারের সাথে ভালো কাটুক।
কানিজ আলম
নিউট্রিশন&ডায়েট কনসালটেন্ট
বি.এস.সি(অনার্স), এম.এস.সি ( খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান) ঢাবি,
সিএনডি (বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ&হাসপাতাল),নিউট্রিশনিস্ট (Health Revolution)
27/05/2026
পেশেন্ট:ম্যাম ঈদে গরুর মাংস খাওয়া যাবে??
পেশেন্ট হলেই গরুর মাংস পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হবে এমনটা পুরোপুরি সত্য নয়।
বরং কোন রোগ আছে, কতটুকু খাচ্ছেন, আর কীভাবে রান্না হচ্ছে,এসবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ সুস্থ মানুষের জন্য পরিমিত গরুর মাংস সাধারণত সমস্যা তৈরি করে না।
তবে যারা ক্রনিক ডিজিজে আক্রান্ত, তাদের কিছুটা সচেতন থাকতে হয়। আমরা না বুঝেই গরুর মাংসকে ভিলেইন বানিয়ে দিয়ে থাকি। সমস্যা সাধারণত “গরুর মাংস” না, বরং-
অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া,
অতিরিক্ত তেল-চর্বি,
বারবার ভাজা-পোড়া,
সবজি ও ফাইবার কম খাওয়া,
আর সারাদিন কম শারিরীক পরিশ্রম করাতে।
★যাদের একটু পরিমিত পরিমানে খাওয়া উচিত:
*উচ্চ রক্তচাপ
*হৃদরোগ
*উচ্চ কোলেস্টেরল
*ফ্যাটি লিভার
*ডায়াবেটিস
*কিডনি রোগ
*গাউট বা ইউরিক এসিড বেশি
★কেন সতর্ক থাকতে হয়?
গরুর মাংসে প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন B12 থাকলেও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত অংশ বেশি খেলে:
*কোলেস্টেরল বাড়তে পারে
*হজমে সমস্যা হতে পারে
*ইউরিক এসিড বাড়তে পারে
*ফ্যাটি লিভার ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে
*রক্তে সুগার ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের উপরও পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবারের মাধ্যমে।
★কীভাবে খেলে তুলনামূলক সেফ হতে পারে?
*একবেলায় অতিরিক্ত না খেয়ে পরিমাণে কম খান।
*চর্বি কম অংশ বেছে নিন।
*ভাজা, রোস্ট বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত রান্না কম খান।
*মাংসের সাথে পর্যাপ্ত সালাদ ও সবজি রাখুন।
*সারাদিন শুধু মাংস না খেয়ে ডাল, সবজি, ভাত/রুটি ব্যালান্স করে খান
পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
*একদিনে বারবার গরুর মাংস খাওয়ার বদলে গ্যাপ দিয়ে খান।
★কীভাবে রান্না করবেন???
*রান্নার আগে মাংসগুলো টকদই,ভিনেগার ,লেবুর রস দিয়ে ম্যারিনেট করে নিন।
*অতিরিক্ত তেল ও চর্বি কম ব্যবহার করুন।
*মাংসের দৃশ্যমান চর্বি যতটা সম্ভব ফেলে দিন।
*ডিপ ফ্রাই বা অতিরিক্ত ভুনা কম করুন
কম তেলে ঝোল বা হালকা মসলা দিয়ে রান্না ভালো হতে পারে।
*রান্নায় সবজি যোগ করা যেতে পারে
অতিরিক্ত লবণ ও প্রসেসড মসলা কম রাখুন।
*বারবার গরম করা তেল ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
সবার ঈদ পরিবার পরিজন নিয়ে আনন্দময় কাটুক।
ঈদ মুবারক💗😃
কানিজ আলম
নিউট্রিশন&ডায়েট কনসালটেন্ট
বি.এস.সি(অনার্স), এম.এস.সি ( খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান) ঢাবি,
সিএনডি (বাংলাদেশ মেডিকেল
কলেজ&হাসপাতাল),নিউট্রিশনিস্ট (Health Revolution)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Dhaka
1212
