H&B Info

H&B Info

Share

Health and Beauty Information For all.

Photos from H&B Info's post 16/02/2022

শীঘ্রই আসিতেছে... …

15/02/2022

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জাদুকরি ভেষজ নয়নতারা
নয়নতারা বর্ষজীবী গুল্মজাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ। আদি নিবাস মাদাগাস্কার তবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও আফ্রিকা মহাদেশসহ আরও বেশ কয়েকটি দেশে এর দেখা পাওয়া যায়। অবশ্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি বহু বছর ধরে নানা প্রতিকূল অবস্থায় মধ্যে বেঁচে থাকে। নয়নতারা গাছ লম্বায় খুব একটা বড় হয় না। সাধারণভাবে দেড় থেকে দুই ফুটের মতো লম্বা হয়।

বাড়ির আশেপাশে, বাগানের কোণে, অবহেলিত ভাবে বেড়ে ওঠা নয়নতারা গাছটি আসলে একটি জীবনদায়ী ভেষজ উদ্ভিদ। আয়ুর্বেদে এর গুণাবলী অপার। ক্যানসারের মতো মারণ রোগের ক্ষেত্রেও নয়নতারা অসাধারণ কাজ করে। দৃষ্টি শক্তি বাড়ানো, বাতের ব্যথা, রক্ত ক্ষরণ বন্ধ করা সহ প্রচুর সমস্যা সমাধান হয় এই ভেষজ গাছটির দ্বারা।

যদি নিয়ম করে এই ভেষজ গাছটিরা গুণাবলী প্রতিদিন ব্যবহার করতে শুরু করেন তাহলে আপনার জীবনও হবে রোগ মুক্ত ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে নয়নতারা ফুলের গুরুত্ব অপরিসীম। নয়ন তারা গাছের ফুল ও মূল, শুকনো হলে ১ গ্রাম আর কাঁচা হলে ২ গ্রাম এক সঙ্গে করে মাঝারি মাপের ১ কাপ পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পানিটা ছেঁকে ফুটিয়ে অর্ধেক কাপ করে নিন। এবার ওই পানি অর্ধেক করে সকাল ও রাতে পান করুন। দিন দশেক ব্যবহারের পর পুনরায় রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কয়েক দিনের মধ্যেই ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া এবং অন্যান্য উপসর্গগুলোও কমে গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আসবে ডায়াবেটিস অসুখ ।

ব্ল্যাড ক্যানসার একটি জটিল রোগ। এ রোগটি আজও মানুষের কাছে আতঙ্কের কারণ হয়ে আছে। এ রোগে আক্রান্ত রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা উল্লেযোগ্যভাবে কমে যায়। নয়নতারা গাছের কচি ডালের রস সকালে ও বিকালে ১০ মিলিমিটার পরিমাণ খেলে রোগের কিছুটা উপশম হয়।

ব্লাড প্রেসার বা রক্তের চাপ বাড়লে নয়নতারা গাছের টাটকা মূলের রস মাত্র পাঁচ মি. লি. সকালে খালিপেটে একবার করে খেতে হবে। রস তিন থেকে চারদিন খেলেই কিছুটা উপকার নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে। তবে চার-পাঁচ দিন বাদে চিকিৎসকের কাছে রক্তের চাপ পরীক্ষা করে অবশ্যই দেখা দরকার।

বিষাক্ত ঘা কিংবা পুরাতন ঘায়ে নয়নতারা গাছের রস উভয় রোগে প্রয়োগ করলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়।

কৃমি রোগের সমস্যা চলে যায়। দুই গ্রাম কাঁচা, আর যদি শুকনো হয় তাহলে এক গ্রাম পরিমাণের নয়নতারা গাছের ফুল, মূল ও পাতাা একসঙ্গে এক কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে সেই পানিটা ছেঁকে ফুটিয়ে অর্ধেক করে নিন। এরপর ওই পানিটা দুইভাগে ভাগ করে সকালে এবং রাতে ৮ থেকে ১০ দিন পান করলে কৃমির সমস্যা চলে যায়। এটি ছোটদের দেবেন না। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

স্কিন সমস্যা এবং চর্ম রোগ থেকে দ্রুত পরিত্রাণ করে। নয়নতারার পাতা বেটে তার রস দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করলে চুলকানি এবং ফাঙ্গাস জনিত সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়। পাতা সেদ্ধ করা জল ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল ও তরতাজা। নয়নতারার পাতার সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে বেটে ফেস প্যাক তৈরি করে মুখে লাগালে ত্বকের জেল্লা বাড়বে রাতারাতি।

নয়নতারা আসলে ব্রেনটনিক। নয়নতারার ফুল, মূল ও পাতা ২ গ্রাম পরিমানে ১ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে নিন। পানিলটুকু ছেঁকে তা ফুটিয়ে আধা কাপ করে নিন। এবার সেই পানি অর্ধেক করে ভাগ করে সকাল-বিকাল টানা ১ মাস পান করলে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পাবে।

মেয়েদের অনিয়মিত পিরিয়ড, মাসে একাধিক বার পিরিয়েড, অধিক স্রাব, পিরিয়ডকালীন যন্ত্রণা, ইত্যাদি থেকে মুক্তি পেতে নয়নতারা অপরিহার্য। এছাড়াও লিউকোরিয়ার মতো অসুখ থেকে মিলবে মুক্তি। উপরোক্ত যে কাঁথটির কথা বলা হয়েছে, সেটি মাস খানেক টানা খেলেই ফল পাওয়া যাবে।

অ্যাংজাইটি, টেনশন, স্ট্রেস দূর করে নয়নতারা। শরীরে যখন দানা বাঁধে এই সব রোগ তখন বোঝা যায় না, পরে কিন্তু এর থেকেই সৃষ্টি হয় মহা অসুখ। একমুঠো শুকনো নয়নতারা ফুল ও পাতা পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে চায়ের মতো করে তৈরি করুন। এর পর সেটা ছেঁকে এক চামচ মধু মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এক কাপ করে খান। খুব তাড়াতাড়ি ফল পাবেন। মৌমাছি, ভোমরা,বোলতা, কাঠপিঁপড়ে প্রভৃতির হুলের জ্বালার ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে নয়নতারার পাতা থেঁতো করে সেই রস বা পাতা বাটা লাগাতে হবে।

রোজ একবার করে কচি ডাল ও পাতাকে বেটে তার রস দিয়ে শরীরের ক্ষত, ঘা ধুয়ে বেধে রাখতে হবে। সাতদিন ব্যবহার করলে বিষদোষ নষ্ট হয়ে যাবে এবং ঘা শুকিয়ে যাবে।

কোন কিছুর আঘাতে কেটে গেলে একইভাবে কাটা জায়গায় রস প্রয়োগ করে বেঁধে রাখতে হবে। ৩-৪ দিনের মধ্যেই কাটা জায়গা জুড়ে যাবে।

বর্তমানে পৃথিবীর বহু দেশে এ ব্যাপারে নয়নতারা গাছ সম্পর্কে পরীক্ষা চলছে। কারণ , বিজ্ঞানীরা নয়নতারা গাছের পাতা ও ডালের রস থেকে প্রায় ৭০টি ঔষধ ইতিমধ্যেই আবিষ্কার কররেছে। তবে যাদের কিডনি, লিভার, হার্ট এবং পেট সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে আগে থেকে তারা ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তবেই নয়নতারা ব্যবহার করুন।

13/02/2022

কৃমি নির্মূল করে নিম পাতা
নিম একটি ঔষধি গাছ। যার ডাল, পাতা, রস সবই কাজে লাগে। নিম ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া নাশক হিসেবে নিম খুবই কার্যকর। আর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও এর জুড়ি মেলা ভার।
আসুন জেনে নেওয়া যাক নিমের উপকারিতাগুলো;
ত্বক : বহুদিন ধরে রূপচর্চায় নিমের ব্যবহার হয়ে আসছে। ত্বকের দাগ দূর করতে নিম খুব ভালো কাজ করে। এছাড়াও এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। ব্রণ দূর করতে নিমপাতা বেটে লাগাতে পারেন। মাথার ত্বকে অনেকেরই চুলকানি ভাব হয়। নিমপাতার রস মাথায় নিয়মিত লাগালে এই চুলকানি কমে। নিয়মিত নিমপাতার সঙ্গে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে লাগালে ত্বকের উজ্জলতা বৃদ্ধি ও স্কিন টোন ঠিক হয়।
চুল : উজ্জ্বল, সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুল পেতে নিমপাতার ব্যবহার বেশ কার্যকর। চুলের খুসকি দূর করতে শ্যাম্পু করার সময় নিমপাতা সিদ্ধ পানি দিয়ে চুল ম্যাসেজ করে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। খুসকি দূর হয়ে যাবে। চুলের জন্য নিম পাতার ব্যবহার অদ্বিতীয়। সপ্তাহে ১ দিন নিমপাতা ভালো করে বেটে চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টার মতো রাখুন। এবার ১ ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন চুল পড়া কমার সঙ্গে সঙ্গে চুল নরম ও কোমল হবে।
কৃমিনাশক : পেটে কৃমি হলে শিশুরা রোগা হয়ে যায়। পেটে বড় হয়। চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যায়। বাচ্চাদের পেটের কৃমি নির্মূল করতে নিমের পাতার জুড়ি নেই।
দাঁতের রোগ : দাঁতের সুস্থতায় নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করার প্রচলন রয়েছে সেই প্রাচীনকাল থেকেই। নিমের পাতা ও ছালের গুড়া কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দন্ত রোগ থেকেও।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Address


Motijheel
Dhaka
1000