Nature Mart

Nature Mart

Share

Trusted Mart of Pure Natural Honey �, Organic Ghee � & so many types of Sweets.

14/11/2021

Order on going..

Photos from Nature Mart's post 29/11/2019

-এ আপনাদের প্রি-অর্ডারের জন্য যা যা থাকছে -

১) টাঙ্গাইলের চমচম
২) রসগোল্লা
৩) দই/দধি
৪) ছানার তৈরি আমিত্তি
৫) রসমালাই
৬) কালোজাম
৭) ছানার সন্দেশ
৮) ছানার মিষ্টি
৯) ক্ষীরভোগ
১০) গোয়ালার গাঁওয়া খাঁটি ঘি
১১) মিশ্র ফুলের খাঁটি মধু

• প্রতিটি পণ্যের মূল্য ও ডেলিভারি চার্জ ছবির সাথে সংযোজিত।
•• প্রতিটি পণ্য অন্তত ৩-৭ দিন আগে প্রি-অর্ডার করতে হবে।

Photos from Nature Mart's post 23/11/2019

দারুণ দারুণ সব মিষ্টির জন্য মেসেজ/ইনবক্সে নক করতে পারেন আমাদের..

Photos from Nature Mart's post 19/11/2019

#রসমালাই দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল এর একটি জনপ্রিয় মিষ্টি খাদ্য। ছোট ছোট আকারের রসগোল্লাকে চিনির সিরায় ভিজিয়ে তার উপর জ্বাল-দেওয়া ঘন মিষ্টি দুধ ঢেলে রসমালাই বানানো হয়।
তবে বাংলা-ই রসমালাইয়ের উৎপত্তি স্থল।
এটি বঙ্গে তো বটেই দক্ষিণ এশিয়ারও জনপ্রিয় একটি মিষ্টান।দাবী করা হয়, ১৯৩০ সালে এটি রসগোল্লার থেকে উন্নত করে রসমালাই নামকরণ করা হয়।
বাঙালি ময়রা কৃষ্ণ চন্দ্র দাস প্রথম রসমালাই তৈরি করেন।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
মালাই আর রসে টইটম্বুর অসাধারণ স্বাদের এই রসমালাই অর্ডার করতে পেইজে মেসেজ/ইনবক্স করুন।

Photos from Nature Mart's post 18/11/2019

কালোজাম বা গুলাব জামুন (হিন্দি: गुलाब जामुन, উর্দু: گلاب جامن‎‎) দক্ষিণ এশিয়ার, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল এর একটি জনপ্রিয় মিষ্টি খাদ্য। কালচে-লাল রঙের মিষ্টি; যা ময়দার গোলায় চিনি, ছানা ও মাওয়া মিশিয়ে ঘিয়ে ভেজে সিরায় জ্বাল দিয়ে বানানো হয়। এই মিষ্টি মূল প্রক্রিয়ায় রয়েছে তেলে ভাজা ও সিরাপের মাঝে ভিজিয়ে রাখা।

কালোজাম এসেছে একরকম আরবিও মিষ্টি নাম "লৌকোমাদেস" (Loukoumades) থেকে, এই মিষ্টি মোঘল-আমলে খুব জনপ্রিয় ছিল। মাঝে মাঝে সিরাপ ব্যবহার করা হত। এই মিষ্টির কদর সূদুর তুর্কি পর্যন্ত চলে গিয়েছে।

আজকের দিনে বিভিন্নরকম উৎসব ও উদযাপন যেমন - বিয়ে, ঈদ, পূজা-পার্বণ, দিওয়ালির ভোজ উৎসবে মিষ্টি হিসেবে কালোজাম দেয়া হয়। কালোজাম বিভিন্ন রকমের রয়েছে এবং সব ধরনের কালোজাম স্বতন্ত্র স্বাদযুক্ত।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
সুস্বাদু এর অসাধারণ এই কালোজাম অর্ডার করতে মেসেজ/ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে।

16/11/2019

দধি বা দই হল এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য যা দুধের ব্যাক্টেরিয়া গাঁজন হতে প্রস্তুত করা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়, যা দুধের প্রোটিনের ওপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঘ্রাণ প্রদান করে। মানুষ ৪৫০০ বছর ধরে দই প্রস্তুত করছে এবং তা খেয়ে আসছে। সারা পৃথিবীতেই এটি পরিচিত।
পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু খাদ্য হিসেবে এর সুনাম আছে। দই প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্ল্যাভিন, ভিটামিন B6 এবং ভিটামিনB12 এ অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

এক গবেষণা প্রতিবেদনে ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অনটারিও-এর মাইক্রোবায়োলজিস্ট ও লৌসন হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর হিউম্যান মাইক্রোবায়োলজি এন্ড প্রোবায়োটিকসের সভাপতি গ্রেগর রেইড দাবী করেছেন গাঁজন প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত খাদ্য যেমন দই খেলে মানব দেহে পাকস্থলীর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বা প্রোবায়োটিক্স-এর পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যার ফলে বিষাক্ত রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীর সুরক্ষিত থাকবে।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
পুষ্টিদায়ক আর স্বাস্থ্যকর এই দই পেতে মেসেজ/ইনবক্স করুন আমাদের পেইজে।

14/11/2019

Nature Mart দিচ্ছে খাঁটি “ঘি”-এর নিশ্চয়তা।

ঘি, মধু এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টির জন্য মেসেজ/ইনবক্স করুন।

Photos from Nature Mart's post 11/11/2019

#পোড়াবাড়ির_চমচম

টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচমের নাম শুনলেই জীবে জল চলে আসে। ‘মিষ্টির রাজা’ বলে খ্যাত পোড়াবাড়ির চমচমের স্বাদ আর স্বাতন্ত্রে-ও এর জুড়ি মেলাভার। এই সুস্বাদু ও লোভনীয় চমচম মিষ্টি টাঙ্গাইলের অন্যতম একটি ঐতিহ্য। এই ঐতিহ্য প্রায় ২শ’ বছরের প্রাচীন। অর্থাৎ বৃটিশ আমল থেকে অবিভক্ত ভারতবর্ষসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পোড়াবাড়ির চমচম টাঙ্গাইলকে ব্যাপক পরিচিতি করেছে। বাংলা বিহার ছাড়িয়ে ভারত বর্ষ তথা গোটা পৃথিবী এর সুনাম রয়েছে। মিষ্টি জগতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী চমচমের বৈশিষ্ট্যে অতি চমৎকার। কারণ এর ভিতরের অংশ থাকে রসালো ও নরম। লালচে পোড়া ইটের রংয়ের এই সুস্বাদু চমচমের উপরিভাগে চিনির গুড়ো কোষ থাকে কড়া মিষ্টিতে কানায় কানায় ভরা। তবে দেশের অনেক জায়গা থেকে টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম তৈরীর কারিগর নিয়ে চমচম তৈরীর চেষ্টা করেছেন। এই ঐতিহাসিক চমচমের গুণেই মূলত টাঙ্গাইল জেলা বিশ্ববাজারে পরিচিতি লাভ করে।

পোড়াবাড়ি হলো ছোট্ট একটি গ্রামের নাম। টাঙ্গাইল শহর থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরের পথ। ছোট্ট শান্ত এই গ্রামকে ঘিরেই চমচমের সৃষ্টি। আর তার প্রধান অনুসঙ্গ ধলেশ্বরী নদী, এই নদীর পানি। চমচমের প্রথম কারিগর কে ছিল তা আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হয়, যশোরথ হালই নামে একজন কারিগর এই চমচমের স্রষ্টা। যারা চমচম এবং তৈরীর সঙ্গে জড়িত তাদেরকেই হালই বলা হয়। হালই ছাড়াও এই গ্রামের ঘোষ আর পাল বংশের লোকেরা বংশানুক্রমে মিষ্টি তৈরীর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন যুগ যুগ ধরে। পোড়াবাড়ি বাজার থেকে একটু পশ্চিমেই ধলেশ্বরী নদী। এটি যমুনার একটি শাখা।

এক সময় এই নদীর ধারে পোড়াবাড়ির বাজারে স্টিমারঘাট ছিল। যমুনা থেকে আসা বড় বড় স্টিমার, লঞ্চ, কার্গো পোড়াবাড়িতে নোঙ্গর ফেলত। সমাজের নানা ধরনের লোকজনের আনাগোনার ছিল এই ঘাটে। বড় বড় রাজা-বাদশা, জমিদার, পাইকপেয়াদা, ব্যসায়ী থেকে শুরম্ন করে সাধারণ মানুষ সবার একমাত্র লড়্গ্য ছিল পোড়াবাড়ির চমচমের আকর্ষণ। মৌচাকের মধুর মতো মিষ্টি আর খাঁটি দুধ থেকে বিশেষভাবে তৈরী এই চমচম সবার কাছে ছিল সমান আকর্ষনীয়। পোড়াবাড়ির প্রবীণ লোকজন থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্মের কাছে একটি কথা ছড়িয়ে আছে যে, যশোরথ নামের একজন মুনি আসাম থেকে প্রথম এসেছিলেন পোড়াবাড়িতে। তিনিই প্রথম পোড়াবাড়ির গরুর খাঁটি দুধ, চিনি আর ধলেশ্বরীর নদীর পানি দিয়ে বিশেষ উপায়ে এই চমচম প্রস্তুত করেন। এই চমচমের মধ্যে লুকায়িত ছিল পোড়াবাড়ি চমচমের স্বাদ। আর এ কারণেই শত চেষ্টা করেও অন্যান্য এলাকার মিষ্টির কারিগররা পোড়াবাড়ির চমচমের ধারে কাছেও আসতে পারেনি। সেই আমলে এই পোড়াবাড়ি ছিল রমরমা অবস্থা। ৫০-৬০টি দোকান রাতদিন চলত চমচমের বেচাকেনা। নদীপথ, সড়ক পথে দূরদূরান্ত এমনকি ভারতসহ অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ত চমচমের স্বাদ।

বাংলা, বিহার ছাড়িয়ে সারা ভারতবর্ষজুড়ে এর সুনাম রয়েছে। লালচে রঙের এই সুস্বাদু চমচমের উপরিভাগে চিনির গুড়ো থাকে। এর ভেতরের অংশ রসালো নরম। চমচমের গুণগত মান আর স্বাদ মূলত পানি এবং দুধের ওপর নির্ভরশীল। এখানে এই দুটি মৌল শর্ত পুরণ হয় বলে এ মিষ্টি স্বাদে, গন্ধে, তৃপ্তিতে অতুলনীয়।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
খাঁটি এবং আসল স্বাদের পোড়াবাড়ির চমচমের স্বাদ নিতে অর্ডারের জন্য পেইজে মেসেজ/ইনবক্স করুন।

08/11/2019

গোয়ালার খাঁটি ঘি পেতে ইনবক্স/মেসেজ করতে পারেন আমাদের পেইজে। সর্বোৎকৃষ্ট ঘি গ্যারান্টেড।

Photos from Nature Mart's post 06/11/2019

* #রোগ_প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়

মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে ও বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।

বিভিন্ন ভাইরাসের আক্রমণে বিভিন্ন রোগ প্রায়ই দেহকে দুর্বল করে দেয়। এসব ভাইরাস প্রতিরোধে মধু খুবই কার্যকর।

* #হজমে_সহায়তা

মধুতে যে পরিমাণ শর্করা থাকে তা হজমে সাহায্য করে। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাত্ক্ষণিকভাবে কাজ করে।

* #কোষ্ঠকাঠিন্য_দূর করে

মধুতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ভোরে ১ চা চামচ খাঁটি মধু খেলে কোষ্ঠবদ্ধতা ও অম্লত্ব দূর হয়।

* #রক্তশূন্যতায়

মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ এতে থাকে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।

* #ফুসফুসের রোগ ও #শ্বাসকষ্ট_নিরাময়

বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী।
কেউ কেউ মনে করেন, এক বছরের পুরনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।


* গ্যাস্ট্রিক #আলসার থেকে মুক্তিতে

হজম সমস্যার সমাধানেও কাজ করে মধু। গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে মুক্তি পেতে একজন ব্যক্তি দিনে তিন বেলা দুই চামচ করে মধু খেতে পারেন।

* #প্রশান্তিদায়ক_পানীয়

হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয় হিসেবে অসাধারণ।

* মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহূত হয়। দাঁতে ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ হয়। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সমপ্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়। এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত কুসুম গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।

* #পাকস্থলীর_সুস্থতায়

মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্লোরিক এসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুক জ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।

* াতে

প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ মধু ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে তা ওজন কমানোর জন্যও খুবই উপকারি।

জেনে নিন:

• মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রং চা কিংবা দুধের সঙ্গে খেতে পারেন। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।

• মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।

• মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান, যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে।

• মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ, যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহে কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারা দিনের জন্য দেহের পেশির ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।

• প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।

• মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে।

• প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

• মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে হজমশক্তি বাড়ে। ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়।

• যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন ১ চামচ আদার রসের সঙ্গে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খান। দ্রুত আরোগ্য হবে।

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
নিজস্ব চাক ভাঙা খাঁটি মধুর জন্য আমাদের পেইজে ইনবক্স/মেসেজ করুন।

04/11/2019

মধু মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। রাসূলুল্লাহ (সা.) একে ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা #মহৌষধ বলেছেন। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, তেমনি নিরাময়ের ব্যবস্থাপত্রও। আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। মধুতে যেসব উপকরণ রয়েছে তন্মধ্যে প্রধান উপকরণ সুগার। সুগার বা চিনি আমরা অনেকই এড়িয়ে চলি। কিন্তু মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ এ দুটি সরাসরি মেটাবলাইজড হয়ে যায় এবং ফ্যাট হিসাবে জমা হয় না। মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, এতে অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, ক্রোমিয়াম, কপার, লেড, টিন, জিংক ও জৈব এসিড (যেমন-ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড), কতিপয় ভিটামিন, প্রোটিন, হরমোনস, এসিটাইল কোলিন, অ্যান্টিবায়োটিকস, ফাইটোনসাইডস, সাইস্টোস্ট্যাটিক্স এবং পানি (১৯-২১%) ছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে। ভিটামিন যেমন- ভিটামিন সি বা অ্যাসকরবিক এসিড, ভিটামিন বি-১, বি-২, বি-৩, বি-৫, বি-৬, ভিটামিন-ই, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ বা ক্যারোটিন ইত্যাদি বিদ্যমান। মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে। প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে যেসব উপকার পাওয়া যায়। তা হলো-

১. হৃদরোগ প্রতিরোধ করে। রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে;
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে;
৩. দাঁতকে পরিষ্কার ও শক্তিশালী করে;
৪. দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে;
৫. মধুর রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা, যা দেহকে নানা ঘাত-প্রতিঘাতের হাত থেকে রক্ষা করে;
৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে;
৭. বার্ধক্য অনেক দেরিতে আসে;
৮. মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;
৯. যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক;
১০. গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;
১১. আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;
১২. আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী;
১৩. দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী;
১৪. শরীরের বিভিন্ন ধরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধি করে;
১৫. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে;
১৬. মধুতে স্টার্চ ডাইজেস্টি এনজাইমস এবং মিনারেলস থাকায় চুল ও ত্বক ঠিক রাখতে অনন্য ভূমিকা পালন করে;
১৭. মধু কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে;
১৮. ক্ষুধা, হজমশক্তি ও রুচি বৃদ্ধি করে;
১৯. রক্ত পরিশোধন করে;
২০. শরীর ও ফুসফুসকে শক্তিশালী করে;
২১. জিহ্বার জড়তা দূর করে;
২২. মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে;
২৩. বাতের ব্যথা উপশম করে;
২৪. মাথা ব্যথা দূর করে;
২৫. শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে;
২৬. গলা ব্যথা, কাশি-হাঁপানি এবং ঠাণ্ডা জনিত রোগে বিশেষ উপকার করে;
২৭. শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হয় না;
২৮. শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে;
২৯. ব্যায়ামকারীদের শক্তি বাড়ায়;
৩০. মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

ড. কে এম খালেকুজ্জামান*
* ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব), মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
নিজস্ব চাক-কাটা সরিষা ফুলের খাঁটি মধু পেতে পেইজের মেসেজ অপশনে ইনবক্স করুন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Dhanmondi
Dhaka
1209